Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাগীরথী অমনিবাস – নীহাররঞ্জন গুপ্ত (অসম্পূর্ণ)

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প284 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মধুমতী থেকে ভাগীরথী – ৩০

    ।। ত্ৰিশ ।।

    রাধারমণ খুব ভাল করেই জানতেন তাঁর পরিকল্পিত শুভকাজে প্রতিবন্ধক হবে বাইরের লোকদের চাইতে অনেক বেশী তাঁর ঘরের লোকই—তাঁর জননী ভবতারিণী দেবী ও স্ত্রী অন্নপূর্ণা। আর তাই তিনি সমস্ত ব্যবস্থা অত্যন্ত গোপনে করছিলেন।

    বিশ্বাস তিনি যেন কাউকেই করতে পারছিলেন না। মনের মধ্যে কেমন যেন একটা উদ্দীপনা অনুভব করছিলেন রাধারমণ।

    কৃষ্ণকিশোরের সঙ্গে কথা বলে খুব সন্তুষ্ট হয়েছিলেন রাধারমণ। ছেলেটি সত্যিই সচ্চরিত্র—লেখাপড়ায়ও ভাল। তাদের বাড়ির অবস্থা সত্যিই খুব খারাপ। ছোট একটা কাঁচা বাড়ি—টিনের ও টালির ছাউনি দেওয়া—কিছু ধানজমি আছে—তা থেকেই সংবৎসর যে ধান পায় তাতেই সংসার চলে যায়।

    যুগলকিশোর একটা সওদাগরী হৌসে কাজ করেন—সামান্যই বেতন পান, তবে কিছু উপরি আছে—ওই একটি মাত্র সন্তানই তাঁর।

    ছেলে কৃষ্ণকিশোর কলেজের শিক্ষায় আধুনিক ভাবাপন্ন। মনে কিন্তু উচ্চাশা রয়েছে বড় হবার। তার মনের ওই উচ্চাশাই মুগ্ধ করেছিল রাধারমণকে।

    দারিদ্র্যের জন্য সমাজে যে স্থানটি কৃষ্ণকিশোর পায়নি, রাধারমণের অর্থানুকূল্যে সেটা সে পাবে বুঝতে পেরেছিল। ব্রাহ্মসমাজে যাতায়াত ছিল কৃষ্ণকিশোরের। কৃষ্ণকিশোরের কিন্তু এটা দ্বিতীয়বার বিবাহ। ষোল বৎসর বয়েসে নয় বৎসরের বালিকা নারায়ণীর সঙ্গে কৃষ্ণকিশোরের বিবাহ হয়েছিল—কিন্তু স্ত্রী চিররুগ্‌ণা ছিল।

    বছর তিনেক পূর্বে নারায়ণীর মৃত্যু হয়েছে। নারায়ণীর পিতৃগৃহ ছিল হালিশহরে।

    মল্লিক বাড়ির একজন কিন্তু সহায় ছিল রাধারমণের। সে কাদম্বিনী। রাধারমণের একটু ভয় ছিল নিজের কন্যা সুহাসিনী সম্পর্কেও। মেয়ে যদি তার বেঁকে বসে তো সব পণ্ড হবে। কিন্তু কাদম্বিনী তাকে আশ্বস্ত করেছিল।

    আপনি কোন রকম দ্বিধা করবেন না মামা। সুহাসিনীর মন আমি জানি, সে এ বিবাহে কোন রকম আপত্তি জানাবে না।

    ঠিক বলছিস কাদু? রাধারমণ বলেছিলেন।

    হ্যাঁ, সে এ বিবাহে পুরোপুরি সম্মত আছে।

    কাদম্বিনীর অবিশ্যি ওটা নিজের মনের কথা। কারণ সুহাসিনী এ ব্যাপারে কোন রকম ‘হাঁ’ বা ‘না’-ই বলেনি। কাদম্বিনীর কথা শুনে মাথা নীচু করে থেকেছে কেবল। আর ওই নীরবতাই কাদম্বিনী ধরে নিয়েছিল সুহাসিনীর সম্মতির লক্ষণ।

    কিন্তু তৎসত্ত্বেও রাধারমণ নিজের দিক থেকে পুরোপুরি নিশ্চিন্ত হবার জন্যে, একদিন হঠাৎ সুহাসিনীকে একা পেয়ে নিজের বাইরের ঘরে ডেকে নিয়ে আসেন গভীর রাত্রে।

    ভবতারিণী ও অন্নপূর্ণার দু’জোড়া চোখ সর্বক্ষণ সুহাসিনীর উপরে ছিল—কারণ তারা এই ব্যাপারে কোন উচ্চবাচ্য না করলেও স্বামী যে সবার অলক্ষ্যে গোপনে গোপনে সব কিছু ব্যবস্থা করছেন সেটা তারা বুঝতে পেরেছিল। অন্দরমহলের বাইরে পা দেবার সুহাসিনীর অনুমতি ছিল না। ইদানীং সুহাসিনী ভবতারিণীর সঙ্গেই শয়ন করত।

    কাদম্বিনীকে কোনরকম অবিশ্বাস করেননি ভবতারিণী বা অন্নপূর্ণা কেউই। অবিশ্বাস করবার অবিশ্যি কারণও ছিল না—কারণ মুখে সে ওদের সামনে সুহাসিনীর পুনরায় বিবাহের ব্যাপারটার নিন্দাই তো করত—বলত পাপ, এতে ভাল হবে না।

    চতুরা কাদম্বিনী ওই রাস্তাই ধরেছিল তার নিজের স্বার্থে। ভোলানাথের সঙ্গে তার গোপন প্রেমের কথাটা ঘুণাক্ষরেও কিছু টের পায়নি ভবতারিণী বা অন্নপূর্ণা। শুধু ওরা কেন, কাদম্বিনীর প্রেমের ব্যাপারটা একমাত্র কিছুটা সুহাসিনী ব্যতীত তৃতীয় ব্যক্তি কেউ জানত না।

    সেদিন অন্নপূর্ণা ভোলানাথকে মল্লিক-গৃহ থেকে তাড়িয়ে দেবার পর আর গত আট-দশ মাসে ভোলানাথ মল্লিকবাড়িতে পদার্পণ করেনি, অন্তত তাকে কেউ মল্লিক- বাড়িতে প্রবেশ করতে দেখেনি। কিন্তু সদর-পথে প্রবেশ না করলেও সকলের চোখের সামনে দিয়ে গোপনে বাড়ির পশ্চাতের আমবাগানের প্রাচীর টপকে ভোলানাথ কয়েকবার এসেছে—দীঘির ধারে কাদম্বিনীর সঙ্গে দেখাও হয়েছে।

    প্রথম দিন দেখা হয়েছিল ঠিক সন্ধ্যার পরে।

    গা ধুয়ে কাপড় কেচে ভিজা কাপড়ে অন্ধকারের মধ্যে দিয়ে অন্দরের দিকে আসছিল কাদম্বিনী, হঠাৎ আবছা আবছা এক মনুষ্যমূর্তি তার চোখে পড়তেই সে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে দাঁড়িয়ে পড়েকে, কে ওখানে!

    কাদু, চুপ, চেঁচাস না, আমি—কাঁপা গলায় জবাব এল।

    ভোলানাথ!

    হ্যাঁ।

    কোথা দিয়ে এলে?

    পাঁচিল টপকে।

    কেউ দেখে ফেলেনি তো?

    না, আমি জানতাম এ সময়টা তুই গা ধুতে আসিস দীঘিতে, তাই—

    কেউ যদি দেখে ফেলে—

    কে দেখবে—এ সময় ত কেউ এখানে আসে না।

    গিন্নী মা জানতে পারলে?

    জানতে পারবে কেন? এক তুই যদি বলে দিস—

    থাক, হয়েছে।

    যাও, আর থেকো না ভোলানাথ। জানাজানি হয়ে গেলে একটা কেলেঙ্কারী হবে। সতর্ক কণ্ঠে বলে কাদম্বিনী।

    আমি আবার আসব দু’দিন পরে ঠিক এই সময়, তুই এখানে আমার জন্য অপেক্ষা করিস। করবি ত কাদু

    করব, এখন যাও, আর এ সময় এস না। একটু রাত করে এস, কেমন?

    আচ্ছা রে আচ্ছা। তাই আসব।

    জান ভোলানাথ, তোমার মা মঙ্গলা দিদি সব সময় তোমার জন্য কান্নাকাটি করেন—

    কাঁদে কেন মাগী? কাঁদতে মানা করিস—আমি বেশ মজাতেই আছি, সাহেবের বাগানবাড়িতে। কাদু—

    কি!

    পালিয়ে যাবি এখান থেকে?

    সে কি গো!

    হ্যাঁ, চল না দুজনে ঘর বাঁধব।

    না। যাবি না?

    না, এখন তুমি এস।

    ভোলানাথ জানত না, প্রেমের জন্য অমন সুখের আশ্রয় ছাড়বার মত মেয়ে নয় কাদম্বিনী, শুধু কি সুখের—অমন নিশ্চিন্ত আশ্রয় কোথায় সে পাবে। আসলে কাদম্বিনী কোন দিন সত্যিকারের ভালবাসারই স্বাদ পায়নি। ভোলানাথের প্রতি তার আকর্ষণটা ছিল শুধু মাত্র একটা যৌন আকর্ষণ, ভালবাসা নয়।

    কাদম্বিনীর নিপীড়িত যৌবন ক্ষুধার্ত ছিল। স্বামী তো পেয়েছিল সে নামে মাত্র। তা ছাড়া উভয়ের মধ্যে বয়েসের পার্থক্যটা এত বেশী ছিল যে তার স্বামী পূর্ণ যুবতী কাদম্বিনীকে কোন দিন আকর্ষণ করতে পারেনি।

    সেই অতৃপ্ত পিপাসাই তাকে ভোলানাথের দিকে আকৃষ্ট করেছিল।

    যৌনপিপাসা এক বস্তু আর ভালবাসা আর এক বস্তু।

    তা ছাড়া কাদম্বিনীর মনের মধ্যে ইদানীং একটা আশা গুঞ্জরিত হচ্ছিল— সুহাসিনীর জন্যই ভোলানাথকে মল্লিক বাড়ি থেকে বিদায় নিতে হয়েছে, সেই সুহাসিনী বিবাহের পর চলে গেলে ভোলানাথের এই গৃহে ফিরে আসাটা হয়ত তেমন আর কষ্টকর হবে না। তাই সে মল্লিক বাড়ির আশ্রয় ছাড়ার কথা স্বপ্নেও ভাবতে পারে না।

    .

    কিশোরী সুহাসিনী দোটানায় পড়েছিল।

    একদিকে শিশুকাল হতে যে সমাজ-ব্যবস্থার মধ্যে মানুষ হয়ে এসেছে এবং যে ধর্মের পাঠ সে তার ঠাকুরমার ও মায়ের কাছ থেকে পেয়ে এসেছে—যে সংস্কারের সঙ্গে সে জড়িত হয়ে পড়েছে, ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় হোক সেই দিকটা আর অন্য দিকে তার সদ্যজাগ্রত যৌবন তাকে পিপাসিত করে তুলেছিল।

    যৌবনের ধর্মকে অস্বীকার করবার মত মনোবল বা শিক্ষা কোনটাই তার হয়নি। তার উপরে বাপ-মার একমাত্র সন্তান হওয়ায় চারিদিক থেকে কেবল প্রশ্রয়ই পেয়ে এসেছে।

    তার পুনর্বিবাহের ব্যাপারটা যে কানাঘুষায় ইতিপূর্বে শোনেনি তা নয়— —কিন্তু সবটাই ভাসা ভাসা। আজ দীঘির ঘাটে কাদম্বিনীর স্পষ্ট কথায় সে বুঝতে পারে সত্যি সত্যিই তার বিবাহ দেবার জন্য মনঃস্থির করেছেন তার পিতা।

    যতদিন ব্যাপারটা ছিল ঝাপসা অস্পষ্ট অনিশ্চয়তার মধ্যে, ততদিন ব্যাপারটার গুরুত্ব সুহাসিনীর উপলব্ধিতে পৌঁছায়নি—আজ সেটা স্পষ্ট হওয়ায় সুহাসিনী যেন হঠাৎ তার জীবনের অন্য এক বাঁকের একেবারে মুখোমুখি দাঁড়াল।

    বিবাহ!

    তার আবার নতুন করে বিবাহ! সে আর হাজারো নিয়মকানুনের নিগড়ে বাঁধা—হিন্দু বিধবা থাকবে না। তার পরনে পাড়ওয়ালা শাড়ি ও হাতের চুড়ি বালা কঙ্কণ নিয়ে কেউ আর বাঁকা কথা বলবে না, অনধিকারের লজ্জা থেকে, যন্ত্রণা থেকে সে মুক্তি পাবে।

    বাপের কঠোর নির্দেশে এখনো সে পাড়ওয়ালা শাড়ি পরছিল বটে, কিন্তু ইদানীং যেন ওই পাড়ওয়ালা শাড়ি পরার ব্যাপারে মনের মধ্যে কোথায় একটা দৈন্য অনুভব করছিল। বাপের ভয়ে কেউ তাকে কিছু বলে না বটে কিন্তু ব্যাপারটা যে আগাগোড়াই মিথ্যা এবং সেটা আজ না হয় কাল সুস্পষ্ট হয়ে উঠবে, ইদানীং সেটা যেন একটু একটু করে বুঝতে পারছিল সুহাসিনী, বুঝতে পারছিল সে বিধবা। তার কোন কিছুতেই অধিকার নেই এ সংসারে।

    হিন্দু সমাজে তার স্থান সংসারের আর দশজনের বাইরে। স্বামীর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে তার পঙক্তি অন্যত্র নির্ধারিত হয়ে গিয়েছে এ সংসারে।

    সে হিন্দুর বিধবা। তাকে পাড়ওয়ালা কাপড় পরতে নেই—অলঙ্কার গায়ে দিতে নেই—মাথায় সিঁদুর দিতে নেই। এমন কি দু’বেলা খাবারও তার অধিকার নেই। সংসারের কোন মঙ্গল অনুষ্ঠানে তার অংশগ্রহণের অধিকার নেই।

    এসব যত সে ভাবত একটা ক্রুদ্ধ আক্রোশ যেন বিষের মত ফেনিয়ে ফেনিয়ে উঠত মনের মধ্যে। ইচ্ছা করত সব ভেঙেচুরে তচনচ করে দেয়। কেন সে ভালবাসবে না ভালবাসতে পারবে না।

    ওই বিবাহের কথায় যেন তার জীবনে এক নতুন আলো এসে পড়েছে।

    পিতার ডাকে তার ঘরের মধ্যে এসে ঢুকে মাথা নীচু করে দাঁড়াল সুহাসিনী।

    সুহাস—

    কাদু দিদি বলছিল আপনি আমায় ডেকেছেন বাবা?

    হ্যাঁ মা, তোমার সঙ্গে আমার কিছু কথা আছে—

    বলুন বাবা।

    তুমি শুনেছ বোধহয় আমি আবার তোমার বিবাহ দেব স্থির করেছি।

    সুহাসিনী নীরব, দৃষ্টি ভূমিতলে নিবদ্ধ।

    সমাজের অন্যায় কুসংস্কারকে আমি অস্বীকার করব—তোমার আবার বিবাহ দেব মা—আমি স্থির করেছি।

    বাবা! সুহাসিনী বাপের মুখের দিকে তাকাল—কিন্তু বাবা—বিধবার আবার-

    বিধবার বিবাহ শাস্ত্রসম্মত। শাস্ত্রেই তার নির্দেশ আছে। বিদ্যাসাগর মশাই তাই নানা শাস্ত্র ঘেঁটে প্রমাণ করেছেন এবং বহু প্রতিপত্তিশালী পণ্ডিতদের বিরোধিতা সত্ত্বেও আইন পাস করিয়েছেন-

    সুহাসিনীর দু’চোখের কোণ বেয়ে ঝর ঝর করে অশ্রু ঝরে পড়তে থাকে।

    হ্যাঁ মা, এ বিবাহের মধ্যে কোন অন্যায় বা পাপ নেই। আমি অবিশ্যি জানি তোমার ঠাকুরমা ও মায়ের এ বিবাহে ঘোরতর আপত্তি, কিন্তু সে জন্য আমি চিন্তা করি না। এ বিবাহ দেব এবং হবে—পাত্রও আমার স্থির হয়ে গিয়েছে—আমি স্থির করেছি অন্য নিয়ে গিয়ে তোমার বিবাহ দেব। কেঁদো না মা—আমি বলছি তুমি সুখী হবে।

    সুহাসিনী পিতার পায়ের কাছে প্রণাম করতে গিয়ে কান্নায় একেবারে ভেঙে পড়ল। কান্নার সঙ্গে সঙ্গে তার সারা দেহটা কাঁপছে তখন।

    বাইরে এই সময় ভবতারিণীর কণ্ঠস্বর শোনা গেল।

    সুহাস—

    ভবতারিণীর ইদানীং ভাল ঘুম হত না, থেকে থেকে ঘুম ভেঙে যেত। তাও সামান্য যে ঘুম হত মধ্যরাত্রির দিকে। ঘুমন্ত ভবতারিণীর পাশ থেকেই গায়ে ঠেলা দিয়ে শয্যা থেকে তুলে এনেছিল কাদম্বিনী সুহাসিনীকে।

    সুহাসিনী ঘুমোয়নি। জেগেই ছিল চোখ বুজে। হঠাৎ ভবতারিণীর ঘুম ভেঙে যেতে পাশে সুহাসিনীকে না দেখে শঙ্কিতা হয়ে ওঠেন ভবতারিণী।

    আশ্চর্য! কোথা গেল মেয়েটা! এস্তে শয্যায় উঠে বসেন ভবতারিণী। ডাকেন, সুহাস-

    কিন্তু কেউ সাড়া দিল না।

    ভবতারিণী যখন শয্যা হতে উঠে ঘরের বাইরে গেলেন, সমস্ত অন্দরমহল তখন নিদ্রার কোলে ঢলে পড়েছে। আঙ্গিনা—রন্ধনশালা—দীঘির পাড় সব ঘুরে ঘুরে দেখলেন ভবতারিণী। কোথাও নেই সুহাসিনী—চিন্তিত মনে রীতিমত শঙ্কিত হয়েই ভবতারিণী বহির্মহলের দিকে আসেন।

    হঠাৎ নজরে পড়ল রাধারমণের বাইরের ঘরে আলো জ্বলছে। রাধারমণের গলাও কানে এল তাঁর। থমকে দাঁড়ালেন ভবতারিণী। এত রাত্রে বাইরের ঘরে কার সঙ্গে কথা বলছে তাঁর পুত্র!

    পুত্রের শেষের কথাগুলো কানে আসতেই বুঝতে আর বাকী থাকে না ভবতারিণীর —সুহাসিনী ওই ঘরেই আছে। ডাকলেন— সুহাস—

    সুহাস, তোমার ঠাকুরমা—যাও—

    সুহাসিনী চোখের জল মুছে উঠে দাঁড়ায় এবং ঘর থেকে যাবার জন্য পা বাড়াতেই ভবতারিণী এসে ঘরের মধ্যে ঢুকলেন। মুহূর্তকাল তাকালেন পুত্রের মুখের দিকে, তারপর তাকালেন পৌত্রীর দিকে।

    কি হয়েছে রে সুহাস? ভবতারিণী বললেন।

    কিছু না মা—রাধারমণ বলল—যাও সুহাস, ভিতরে যাও।

    কি বলেছ ওকে রাধারমণ? ওর চোখে জল কেন? ভবতারিণী শুধান।

    কিছু বলিনি।

    পুত্রের মুখের দিকে ক্ষণকাল তাকিয়ে রইলেন ভবতারিণী—তারপর শাক্তগলায় বললেন—তোমার অনেক দুষ্কৃতি ও পাপ আমি সহ্য করেছি রাধারমণ—কিন্তু আর আমি এসব সহ্য করব না।

    মা-

    নিজে পাপের মধ্যে ডুবে যাচ্ছ যাও, কিন্তু এই অবোধ মেয়েটাকে তোমার পাপের সঙ্গে জড়াচ্ছ কেন?

    পাপ আমি কিছু করিনি মা।

    বিধবার আবার বিয়ে পাপ নয়?

    না।

    নয়, পাপ নয়! কথাটা বলতে তোমার মুখে আটকাল না!

    না—আটকাল না।

    শোন—আমি আর এ পাপের সংসারে থাকব না। তুমি আমাকে কাশী পাঠাবার

    ব্যবস্থা কর। সুহাসকে নিয়ে আমি কাশী চলে যাব।

    যেতে চাও তুমি, ব্যবস্থা করে দেব—কিন্তু সুহাস যাবে না।

    কি বললে!

    যা বললাম তুমি তো শুনলে মা।

    এতদূর অধঃপতন তোমার হয়েছে রাধারমণ!

    একটু ভেবে দেখলে বুঝতে পারবে আমি কোন অন্যায় অধর্ম বা পাপ করছি না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমি বীরাঙ্গনা বলছি – নীলিমা ইব্রাহিম
    Next Article অশান্ত ঘূর্ণি (অখণ্ড) – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }