Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    রাশা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প245 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৪. আহাদ আলী রাজাকার

    কোনোরকম অনুষ্ঠান ছাড়াই একদিন স্কুলের পুরানো সাইনবোর্ড নামিয়ে নতুন একটা সাইনবোর্ড লাগানো হলো, সাইনবোর্ডে বড় বড় করে লেখা ‘শহীদ রায়হান উচ্চ বিদ্যালয়’। রায়হান পাশের গ্রামের ছেলে, একাত্তরে কলেজে পড়ত, মুক্তিযুদ্ধ শুরু হতেই সে যুদ্ধে যোগ দিয়েছিল। ট্রেনিং নিয়ে আর এখানেই ফিরে এসেছে, এখানে মিলিটারির সাথে সামনাসামনি যুদ্ধ করে মারা গেছে, তখন তার বয়স বিশ বছরও হয়নি। হেডমাস্টার অনেক খোঁজাখুঁজি করে রায়হানের একটা ছবি জোগাড় করেছেন, দেখে মনে হয় বাচ্চা একটা ছেলে, মুখ টিপে হাসছে! ছবিটা বড় করানোর কারণে সেটা বেশ ঝাঁপসা হয়ে গেছে, সেই ছবিটাই বাঁধাই করে হেডমাস্টারের অফিসে রাখা হয়েছে।

    প্রতিদিন যখন স্কুলে আসে তখন অনেক দূর থেকে রাশার মুখে হাসি ফুটে ওঠে, রাজাকার আহাদ আলীর নামটা তাকে আর কোনোদিন বলতে হবে না, এটা চিন্তা করেই রাশার মনটা ভরে ওঠে। তার সবচেয়ে বেশি জানতে ইচ্ছে করে আহাদ আলী রাজাকারটা এখন কী করছে। লোকজনের কাছে কানাঘুষা শুনেছে যে সে নাকি মামলা করবে, করলে করুক। রাশার কোনো মাথা ব্যথা নেই।

    কয়েকদিন পর তারা যখন সবাই নৌকা করে ফিরে আসছে তখন মতি বলল, “রাশা আপু। তোমার মনে হয় একটু সাবধান থাকা দরকার।”

    রাশা অবাক হয়ে বলল, “আমার সাবধান থাকা দরকার? কেন?”

    “আহাদ আলী রাজাকার খুবই ডেঞ্জারাস। তোমার কোনো ক্ষতি করতে পারে।”

    “আমার কী ক্ষতি করবে?”

    “সেইটা জানি না। কিন্তু তোমার সাবধান থাকা দরকার।”

    মতি কম কথা বলে, কাজেই সে যদি রাশাকে সাবধান থাকতে বলে তাহলে সেটা খুবই গুরুতর কথা। রাশা জিজ্ঞেস করল, “কোনো কিছু কি হয়েছে?”

    “বলতে পারো হয়েছে।”

    “কী হয়েছে?”

    “সেইদিন আমরা স্কুলে যাচ্ছি তখন একটা মানুষ আমাকে ডেকে নিল, ডেকে নিয়ে জিজ্ঞেস করল, এইখানে রাশা কোন মেয়েটা।”

    “তুই কী বললি?”

    “আমি বলেছি আমি চিনি না।”

    জয়নব বলল, “বেশ করেছিস। কোনো কথা বলার দরকার নাই।”

    “আমি তো বলি না, কিন্তু কেউ না কেউ তো বলে দিবে।”

    “তা ঠিক।”

    মতি বলল, “রাশা আপু, তুমি কখনো একা বের হবে না।”

    রাশা বলল, “আমি একা আর কোথায় যাই। সবসময়েই তো একসাথেই থাকি।”

    জয়নব বলল, “হ্যাঁ এখন থেকে আরো বেশি একসাথে থাকতে হবে।”

    নৌকা চালিয়ে ওরা নদী থেকে বিলে ঢুকল, মোটামুটি নির্জন বিল, অনেক দূরে দূরে একটা-দুইটা জেলে নৌকা মাছ ধরছে। এ ছাড়া কোথাও কোনো জনমানুষ নেই। রাশার দেখে বিশ্বাসই হয় না যে শীতকালে প্রায় পুরো বিলটাই শুকিয়ে যাবে, এখন যেখানে পানি, তখন সেখানে হবে ধানক্ষেত।

    .

    রাশা কয়েকদিন পর লক্ষ করল তারা সবাই যখন স্কুল থেকে বের হয়ে হেঁটে হেঁটে নৌকা ঘাটে যাচ্ছে তখন একজন মানুষ তাদের পিছনে পিছনে হাঁটতে লাগল। তারা যখন নৌকায় উঠে রওনা দিয়েছে তখন তার সাথে আরো দুজন লোক এসে যোগ দিল, তারপর তারা তিনজন তাদের নৌকার দিকে তাকিয়ে রইল। লোকগুলোর কী উদ্দেশ্য কে জানে কিন্তু রাশার পুরো ব্যাপারটাকেই কেমন যেন রহস্যময় মনে হয়, কেমন যেন সন্দেহজনক মনে হয়। তার বুকের ভেতর কেমন যেন একধরনের দুশ্চিন্তা এসে ভর করে।

    শুধু যে রাস্তায় তাদের পিছু পিছু অপরিচিত মানুষ হাঁটে তা নয়, স্কুলের ভেতরেও মাঝে মাঝে অপরিচিত মানুষ এসে ক্লাসের ভেতর উঁকি দিতে লাগল। মানুষগুলো কী করতে চায় কে জানে। রাশা কাউকে ঠিক করে বলতেও পারছিল না, কী করবে বুঝতে পারছিল না। একবার ভাবল হেডমাস্টারকে জানাবে, কিন্তু তাকে জানিয়ে কী লাভ? সালাম নানাকে জানিয়ে রাখলে হয়, কিন্তু রাশা তার পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত, সালাম নানার সাথে দেখা করারই সময় পাচ্ছিল না।

    .

    সেদিন সবাই দল বেঁধে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে আসছে, রাশা চোখের কোনা দিয়ে লক্ষ করে দেখার চেষ্টা করল, কেউ তাদের পিছু নিয়েছে কিনা, কাউকে দেখল না। তখন সে গলা নামিয়ে বলল, “আমাদের সমস্যাটা কী জানিস?”

    জয়নব জিজ্ঞেস করল, “কী?”

    “আমরা প্রত্যেক দিন একইভাবে যাই আর আসি। তাই কেউ যদি আমাদের ধরতে চায় তাহলে সে জানে তাকে ঠিক কী করতে হবে। কোথায় আমাদের ধরতে হবে।”

    “তাহলে আমাদের কী করতে হবে?”

    “একেক দিন একেক দিক থেকে স্কুলে আসতে হবে। আবার একেক দিন একেক পথ দিয়ে স্কুল থেকে বাড়িতে যেতে হবে।”

    মতি বলল, “তুমি চিন্তা করো না রাশা আপু। আমি সবসময় তোমার সাথে থাকব। কেউ তোমারে কিছু করতে পারবে না। আমার জান থাকতে কেউ তোমার গায়ে হাত দিতে পারবে না।”

    রাশা হেসে বলল, “তুই কী করবি?”

    “আমি জানে মেরে ফেলব?”

    জিতু বলল, “রাশাপু আমিও থাকব তোমার সাথে। আমিও জানে মেরে ফেলব?”

    রাশা হি হি করে হেসে বলল, “তোদের মতো দুইজন বডিগার্ড থাকলে আমার আর চিন্তা কিসের?”

    কথা বলতে বলতে তারা নৌকাটায় উঠেছে। যে যার জায়গায় বসার পর মতি লগি দিয়ে ধাক্কা দিয়ে নৌকাটাকে নদীর পানিতে নিয়ে এসেছে। তারপর বৈঠা বেয়ে সাবধানে নদীটা পার হয়েছে। নদীর কিনারা ধরে এগিয়ে গিয়ে ছোট খালটা দিয়ে বিলে ঢুকেছে। বিলের পানি ধীরে ধীরে কমে আসছে, জায়গায় জায়গায় শুকনো মাটি বের হয়েছে, সেখানে সাদা ধবধবে কাশফুল। বাতাসে কাশফুলগুলো মাথা নাড়ছে দেখে চোখ জুড়িয়ে যায়।

    অন্যান্য দিনের মতোই বিলটা নির্জন, শুধু অনেক দূরে একটা ট্রলার; তার ইঞ্জিনের শব্দ এত দূর থেকেও শোনা যাচ্ছে। বিলের ভেতর এসে রাশা মতির কাছ থেকে বৈঠাটা নিয়ে পিছনে বসেছে। বৈঠাটাকে হালের মতো করে ধরেছে, মতি আর জিতু তখন মোটামুটি প্রতিযোগিতা করে বৈঠা বাইছে, নৌকাটা তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে। বেশ খানিকদূর এগিয়ে যাবার পর তারা লক্ষ করল ট্রলারটা বিশাল বিল পাড়ি দিয়ে ঠিক তাদের দিকেই আসছে, এতক্ষণে সেটা অনেক কাছে চলে এসেছে। ট্রলারের

    ইঞ্জিনের বিকট শব্দটা এখন রীতিমতো কানে লাগছে।

    মতি বলল, “এই ট্রলারটা কই যায়?”

    “ জিতু বলল, “মনে হয় নদীতে।”

    “আসছে কোথা থেকে?”

    “কে জানে, কোথা থেকে আসছে।”

    পুরো বিলে আর কোথাও কেউ নেই শুধু তাদের নৌকাটা আর এই ট্রলার, তাই তারা কৌতূহলী হয়ে ট্রলারটার দিকে তাকিয়ে রইল।

    ট্রলারের ইঞ্জিনটা হঠাৎ আরো জোরে গর্জন করে উঠে, রাশা লক্ষ করল সেটা এখন সোজাসুজি তাদের দিকে ছুটে আসছে। রাশা চিন্তিত মুখে বলল, “ট্রলারটা আমাদের দিকে কেন আসছে?”

    জয়নব বলল, “বুঝতে পারছি না।”

    মতি হাতে একটা লগি তুলে নিয়ে বলল, “নিশানা ভালো মনে হচ্ছে না। মনে হয় খারাপ মতলব আছে।”

    রাশার বুকটা ধক করে উঠল, ট্রলারটা কী করতে চাইছে? ঠিক এরকম সময় রাশা দেখল দুজন মানুষ ট্রলারের ছাদে এসে দাঁড়িয়েছে। তারা অনেকবার মানুষগুলোকে দেখেছে, এই মানুষগুলো অনেক দিন থেকে তাদের পিছনে ছায়ার মতো ঘুরে বেড়িয়েছে।

    মতি বলল, “রাশা আপু, তুমি ভয় পেয়ো না। আমি আছি।”

    রাশা মতির দিকে তাকাল, শুকনা কাঠির মতো কালো দড়ি পাকানো শরীর, দুজন জোয়ান মানুষের সাথে সে কী করবে? রাশা বলল, “নৌকাটাকে বিলের কিনারে নিয়ে যাই। ঐ কাশবনের কাছে শুকনায়।“

    “ঠিক আছে।”

    রাশা নৌকাটাকে ঘুরিয়ে নিল। মতি আর জিতু প্রাণপণে বৈঠা চালিয়ে নৌকাটাকে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। তখন তারা আতঙ্কিত হয়ে দেখে ট্রলারটাও একটু ঘুরে সোজা তাদের দিকে এগিয়ে আসছে। এখন আর তাদের মনে কোনো সন্দেহ নেই এই ট্রলারটা তাদেরকে ধরার জন্যেই এসেছে। দেখতে দেখতে সেটা তাদের ওপর ওঠে এলো। কী করবে বুঝে উঠার আগেই ট্রলারটা তাদের নৌকাকে একপাশ থেকে ধাক্কা দিল, সাথে সাথে নৌকায় যারা ছিল তারা বিলের পানিতে ছিটকে পড়ল! ট্রলারের বিকট গর্জন তার সাথে সবার চিৎকার মুহূর্তের মাঝে পুরো পরিবেশটা নারকীয় হয়ে ওঠে।

    ট্রলারটা থামল না, নৌকাটাকে ধাক্কা দিয়ে সোজা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে। পিছনে নৌকায় যারা আছে তাদের কার কী হয়েছে জানার জন্যে কোনো কৌতূহল নেই। বিলের পানির ভেতর থেকে প্রথমে জয়নব, তারপর মতি ভেসে উঠল। জিতুও একটু পরে সাঁতার কেটে তাদের কাছে এলো। সাথে আরো দুজন ছিল তারাও পানি থেকে ভেসে উঠেছে, কিন্তু রাশা নেই। জয়নব আতঙ্কিত হয়ে ডাকল, “রাশা, রাশা!”

    কেউ উত্তর দিল না। মতি তখন গলা ফাটিয়ে চিৎকার করল, “রাশা আপু! রাশা আপু!”

    এবারেও কেউ উত্তর দিল না।

    বিলের পানিতে ভেসে থাকতে থাকতে সবাই এদিক-সেদিক তাকায়, কোথাও রাশার চিহ্ন নেই।

    জয়নব ভাঙা গলায় বলল, “কোথায় গেল রাশা? কোথায়?”

    .

    ঠিক সেই মুহূর্তে একটা মানুষ রাশাকে ট্রলারের পাটাতনে চেপে ধরে রেখেছে। তার হাতে গরু জবাই করার একটা ছুরি, ট্রলারের ইঞ্জিনের বিকট আওয়াজ ছাপিয়ে সে চিৎকার করে রাশাকে বলল, “এই মেয়ে, তুই যদি উল্টাপাল্টা কিছু করিস, এই ছুরি দিয়ে জবাই করে দেব।”

    রাশা উল্টাপাল্টা কিছু করার চেষ্টা করল না, মানুষটার চেহারা, চোখের দৃষ্টি, কথা বলার ভঙ্গি সবকিছুই আশ্চর্য রকম নিষ্ঠুর। রাশা বুঝতে পারে সত্যি সত্যি একজন মানুষকে জবাই করা তার জন্যে বিন্দুমাত্র কঠিন ব্যাপার না।

    মানুষটা বলল, “তোরে এখনই জবাই করে বিলের মাঝে পুঁতে ফেলা উচিত ছিল। হুজুর তোরে নিজের চোখে একবার দেখতে চাচ্ছেন তাই নিয়ে যাচ্ছি। খবরদার কোনো তেড়িবেড়ি করবি না।”

    রাশার কাছে পুরো ব্যাপারটা পরিষ্কার হতে থাকে। হুজুর মানে নিশ্চয়ই রাজাকার আহাদ আলী। এই মানুষগুলো তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে অহাদ আলীর কাছে। ট্রলারটা দিয়ে যখন নৌকাটাকে ধাক্কা দিয়েছে তখন অন্য সবার সাথে সেও পানিতে ছিটকে পড়েছে, সাঁতার দিয়ে পানিতে ভেসে উঠার আগেই সে টের পেল লোহার মতো শক্ত দুটো হাত তাকে ধরে ফেলেছে, রাশা চিৎকার করার চেষ্টা করল, কিন্তু ইঞ্জিনের বিকট আওয়াজে সেটা চাপা পড়ে গেল। কিছু বোঝার আগে তাকে হ্যাঁচকা টানে তুলে ট্রলারের পাটাতনে চেপে ধরেছে। কয়েক সেকেন্ডের মাঝে সবকিছু ঘটে গেছে, রাশা কিছু বুঝে ওঠারও সময় পেল না।

    রাশাকে এত জোরে পাটাতনে চেপে ধরে রেখেছে যে রাশার মনে হলো তার শরীরের হাড়গোড় ভেঙে যাবে, তার নিশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল, কিন্তু এই মুহূর্তে রাশা সেগুলো ভালো করে বুঝতেও পারছিল না যে ভয়ঙ্কর একটা বিপদের মাঝে পড়েছে, সেটা তার সমস্ত চিস্তা করার ক্ষমতাকে শেষ করে দিয়েছে। তার মনে হচ্ছে সে একটা ঘোরের মাঝে আছে, মনে হচ্ছে চারপাশে যা ঘটছে তার সবকিছু বুঝি একটা দুঃস্বপ্ন। মনে হচ্ছে এক্ষুণি সে জেগে উঠবে তখন দেখবে এই সবকিছু আসলে মিথ্যা আসলে কিছুই হয়নি।

    কিন্তু রাশা জানে এটা দুঃস্বপ্ন না। রাশা জানে যা ঘটছে তার সবকিছু সত্যি। রাশা জানে এখান থেকে বেঁচে ফিরে আসাটা হবে একটা অলৌকিক ঘটনা।

    .

    এভাবে কতক্ষণ কেটেছে ঠিক জানে না, হঠাৎ একসময় রাশা শুনতে পেল ট্রলারের ইঞ্জিনটার শব্দ কমে এলো। তাকে যেখানে আনার কথা মনে হয় তাকে সেখানে নিয়ে এসেছে। ট্রলারটার গতিও কমতে কমতে একসময় পুরোপুরি থেমে গেল। রাশা শুনতে পেল, যে মানুষটা তাকে চেপে ধরে রেখেছে সে কাউকে বলছে, “পাড়ে লাগাস না। এখানেই থামা।”

    “এখানেই থামাব?”

    “হ্যাঁ, পাড়ে লাগালেই কেউ না কেউ দেখে ফেলবে, আর একটা ঝামেলা হবে।”

    “ঠিক আছে, একটা লগি মেরে ট্রলারটা রাখি।”

    রাশা টের পেল ট্রলারটাকে নদীর মাঝখানে কোথাও থামিয়ে লগি দিয়ে আটকে ফেলা হলো।

    অন্য মানুষটা জিজ্ঞেস করল, “হুজুর কখন আসবেন?”

    যে মানুষটা রাশাকে চেপে ধরে রেখেছে সে বলল, “হুজুর আসবেন না। অন্ধকার হলে আমরা নিয়ে যাব।”

    “এতক্ষণ এই ছেমড়িকে কী করব?”

    “বেন্ধে রেখে দেব। এর তড়পানি বড় বেশি, কখন কী করে তার ঠিক নাই।”

    লোকটা রাশার চুলের খুঁটি ধরে টেনে তুলল। গরু জবাই করার চাকুটা তার নাকের সামনে দিয়ে একবার ঘুরিয়ে এনে বলল, “একটু তেড়িবেড়ি করবি তো জবাই করে ফেলব। বুঝেছিস?”

    রাশা কোনো কথা বলল না। মানুষটা তখন কোথা থেকে একটা ময়লা গামছা এনে তার মুখটা বেঁধে ফেলল, যেন সে চিৎকার করতে না পারে। তারপর আরেকটা গামছা দিয়ে হাতটা পিছনে নিয়ে ট্রলারের বেঞ্চের পায়ার সাথে শক্ত করে বেঁধে ফেলল। বাঁধনটা পরীক্ষা করে মুখে সন্তুষ্টির একটা শব্দ করে বলল, “এখন ঠিক হয়েছে। চুপ করে বসে থাক।”

    রাশার কিছু করার ছিল না, তাকে চুপ করে বসেই থাকতে হলো। ভয়ঙ্কর একধরনের আতঙ্কে তার সমস্ত শরীর অবশ হয়ে আসছে, সে কী করবে বুঝতে পারছে না। চোখ বন্ধ করে সে মনে মনে বলল, “হে খোদা! বাঁচাও তুমি। আমাকে বাঁচাও। তুমি ছাড়া আর কেউ আমাকে এখন বাঁচাতে পারবে না। কেউ না।”

    .

    ঠিক এই সময় জয়নব, মতি, জিতু আর অন্যেরা সালাম নানার কাছে গিয়ে হাজির হয়েছে। জয়নব হাউমাউ করে কাঁদছে, গুছিয়ে কথাও বলতে পারছে না। মতি আর জিতুও একসাথে কথা বলতে চাইছে–সালাম নানা কিছুই বুঝতে পারছিলেন না। একটু অধৈর্য হয়ে বললেন, “তোমাদের ভেতর যে কোনো একজন কথা বলো। যে কোনো একজন।”

    তখন মতি বলল, “রাশা আপুকে ধরে নিয়ে গেছে!”

    সালাম নানা চমকে উঠলেন, “কে ধরে নিয়ে গেছে?”

    “একটা ট্রলার এসে আমাদের নৌকাটাকে ধাক্কা দিয়েছে, আমরা সবাই তখন পানিতে পড়ে গেছি। পানি থেকে উঠে দেখি রাশা আপু নাই।”

    “হয়তো রাশা ব্যথা পেয়েছে, ডুবে গেছে।”

    জিতু বলল, “ডুবে নাই। আমরা পুরো জায়গাটা খুঁজে দেখেছি, রাশা আপু নাই। তার ব্যাগটাও পেয়েছি।”

    মতি বলল, “ট্রলারের মাঝে যে দুইটা লোক ছিল তারা সবসময় আমাদের পিছে পিছে হাঁটত। রাশা আপু কোনজন আমাদের সেটা জিজ্ঞেস করত।”

    সালাম নানা আতঙ্কিত গলায় বললেন, “সর্বনাশ!”

    জয়নব হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে বলল, “এখন কী হবে? রাশার এখন কী হবে?”

    সালাম নানা ক্রাচে ভর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বললেন, “পুলিশকে খবর দিতে হবে। ট্রলারটাকে খুঁজে বের করতে হবে। কোনদিকে গিয়েছে?”

    “উত্তর দিকে। মনে হয় মাতাখালি নদীর দিকে।”

    “মাতাখালি! সর্বনাশ!”

    জয়নব কাঁদতে কাঁদতে জিজ্ঞেস করল, “কেন? সর্বনাশ কেন?”

    সালাম নানা বললেন, “মাতাখালি নদীর পাড়েই তো আহাদ আলী রাজাকারের বাড়ি।

    .

    রাশা বেশ কয়েকবার চেষ্টা করে দেখল, হাতটাকে ছুটিয়ে আনা যায় কিনা–পারল না। এত শক্ত করে বেঁধেছে যে কোনোভাবেই সেটা দিলে করা সম্ভব হলো না। তার মনে হতে লাগল বুঝি হাতে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। হাতটাকে একটু পরপর নেড়ে সে রক্ত চলাচল চালু রাখছে। মুখের মাঝে ময়লা গামছাটা দিয়ে বেঁধেছে। নিশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে, মাঝে মাঝেই মনে হচ্ছে বাতাসের অভাবে বুঝি বুকটা ফেটে যাবে। যা তৃষ্ণা পেয়েছে সেটা বলার মতো নয় মনে হচ্ছে এক ফোঁটা পানির জন্যে সে তার জীবনটা দিয়ে দিতে পারবে।

    ট্রলারের ছাদে মানুষ দুজন বসে আছে, মাঝে মাঝে নিচে এসে দেখে যাচ্ছে সবকিছু ঠিক আছে কিনা। তাদের টুকরো টুকরো কথাবার্তা রাশা নিচে বসে শুনতে পাচ্ছে। হঠাৎ শুনল একজন উত্তেজিত গলায় বলল, “আরে! আরে! হুজুর নিজেই দেখি চলে আসছেন!”

    অন্যজন বলল, “অন্ধকার হওয়ার পর ছেমড়িটাকে হুজুরের কাছে নেওয়ার কথা ছিল না?”

    “তাই তো কথা ছিল। দেখি ব্যাপারটা কী?”

    রাশা একটু পরে শুনতে পেল একটা নৌকা এসে ট্রলারের গায়ে লাগল, তারপর নৌকা থেকে একজন ট্রলারে উঠল। একজন বলল, “হুজুর, আপনি নিজেই চলে এসেছেন? অন্ধকার হলে আমরাই তো ছেমড়িটাকে নিয়ে যেতাম।”

    রাশা শুনতে পেল মোটা একজন বলল, “নাহ, মনে হয় দেরি করা ঠিক হবে না। খবর পেয়েছি এই ছেমড়ির পরিচিত লোকজন সন্দেহ করছে তাকে এইখানে আনা হয়েছে। পুলিশ-টুলিশ এসে যদি ছেমড়িকে এখানে পেয়ে যায় ঝামেলা হবে!”

    “পুলিশে আমাদের লোক আছে না হুজুর?”

    “আছে বলেই তো খবরটা পেয়েছি। তাড়াতাড়ি কাজ সেরে ফেলতে হবে।”

    “ঠিক আছে।”

    “কই? ছেমড়ি কই?”

    “এই যে হুজুর এদিকে। ট্রলারের বেঞ্চে বেঁধে রেখেছি।” রাশা দেখল একজন বুড়ো মানুষ ট্রলারের ভেতরে ঢুকেছে। তার লম্বা পাকা দাড়ি, মাথায় গোল টুপি। একটা পাঞ্জাবি আর লুঙ্গি পরে আছে। এই বুড়ো মানুষটা নিশ্চয়ই আহাদ আলী রাজাকার। রাশা মানুষটার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল।

    দাড়িওয়ালা মানুষটা এগিয়ে এসে রাশার দিকে ঝুঁকে তাকাল, বলল, “এইটাই সেই ছেমড়ি?”

    “জি হুজুর।”

    “মুখের গামছাটা খোল দেখি, চেহারাটা দেখি।”

    একজন এসে মুখের বাঁধন খুলে দিল, রাশা অনেকক্ষণ পর বুক ভরে নিশ্বাস নিল, তার গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে আছে। সে একবার ঢোক গিলে বলল, “আমি একটু পানি খাব।”

    আহাদ আলী বলল, “কী বললি?”

    “আমি বলেছি, আমি একটু পানি খাব।”

    আহাদ আলী হঠাৎ দুলে দুলে হাসতে শুরু করে। লোক দুজন একটু অবাক হয়ে আহাদ আলীর দিকে তাকায়, সে ঠিক কী জন্য হাসছে তারা বুঝতে পারছে না। আহাদ আলী বলল, “এর নানাও আমারে বলেছিল, আমি একটু পানি খাব। এতদিন পর তার নাতনিও আমাকে বলে, আমি একটু পানি খাব।”

    রাশা মানুষটার দিকে তাকাল, জিজ্ঞেস করল, “আপনি আমার নানাকে মেরেছেন?”

    ঘরের ভেতরে হঠাৎ সবাই চুপ করে গেল। রাশা আবার জিজ্ঞেস করল, “মেরেছেন?”

    আহাদ আলীর মুখটা হঠাৎ কেমন জানি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে, সে হিংস্র গলায় বলে, “হ্যাঁ মেরেছি। মেরে ঐ মাদার গাছের তলায় পুঁতেছি। তো কী হয়েছে? তুই কী করবি?”

    রাশার বুকটা হঠাৎ ধক করে উঠে। এই মানুষটা তার সামনে অবলীলায় স্বীকার করল যে সে নানাকে মেরেছে–এই কথাটা তাকে জানাতে মানুষটা আর ভয় পাচ্ছে না। তার একটাই অর্থ, মানুষগুলো আসলে এখন তাকেও মেরে ফেলবে। কাজেই এখন তাকে যা ইচ্ছে তাই বলা যায়। এই কথাগুলো বাইরে কোথাও প্রকাশ হবে না। রাশা হঠাৎ ভয়ে থরথর করে কেঁপে উঠল। সে জিব দিয়ে শুকনো ঠোঁট ভিজিয়ে বলল, “আমি একটু পানি খাব।”

    আহাদ আলীর পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটা মুখ খিঁচিয়ে বলল, “তোরে পানি খাওয়ানোর জন্যেই আনছি! এই যে গাঙ দেখছিস, একটু পরে তুই এই পানি খাবি। মুখ দিয়ে খাবি, নাক দিয়ে খাবি! পানি খেয়ে তুই গাঙের নিচে শুয়ে থাকবি।”

    অন্য লোকটা বলল, “তোর নানা ছিল ইন্ডিয়ার দালাল! গাদ্দার। তার সাথে তোর দেখা হবে। তুই আর তোর নানা জয়বাংলা জয়বাংলা করে লেফট-রাইট করবি। বুঝেছিস?”

    রাশা বলল, “আমি একটু পানি খাব।”

    লোকটা মুখ খিঁচিয়ে কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল, আহাদ আলী বলল, “দে! একটু পানি দে। শেষ সময়ে একটু শখ করেছে, খেতে দে।”

    “হুজুর, গাঙে এত পানি আছে, খেয়ে শেষ করতে পারবে না।”

    “থাক থাক। নৌকায় বোতলে পানি আছে, পানি খেতে দে।”

    লোকটা একটু বিরক্ত হয়েই নৌকা থেকে পানির বোতলটা আনতে গেল। একটু পর লোকটা একটা প্লাস্টিকের বোতল নিয়ে এলো, তার নিচে অল্প একটু পানি। সে পানির বোতলটী খুবই তাচ্ছিল্যের ভঙ্গিতে রাশার দিকে ছুঁড়ে দেয়। রাশা বলল, “আমার হাতটা খুলে দিতে হবে।”

    মানুষটা একেবারে মারের ভঙ্গিতে এগিয়ে গিয়ে বলল, “আর কী কী করতে হবে?”

    রাশা বলল, “আমার হাত খুলে না দিলে পানি খাব কেমন করে?”

    আহাদ আলী বলল, “খুলে দে হাত।”

    “যদি অন্য কিছু করে?”

    “তোরা দুইজন দামড়া জোয়ান এইখানে আছিস এই পুঁচকে মেয়ে করবেটা কী?”

    “এরে বিশ্বাস নাই। এর মতো ত্যাঁদড় মেয়ের কথা আমি আমার বাপের জন্মে শুনি নাই?”

    “ত্যাঁদড়ামি এক্ষুণি শেষ হবে! খুলে দে।”

    মানুষটা একটু বিরক্ত হয়ে রাশার হাতের বাঁধন খুলে দিল। রাশা তার হাত দুটো সামনে এনে তাকায়, একেবারে নীল হয়ে গেছে। সে আঙুলগুলো খুলল, তারপর বন্ধ করল। হাতের মাঝে রক্ত চলাচল শুরু হয়েছে, আঙুলগুলোতে কেমন কাঁটা দিয়ে উঠছে। রাশা এবারে নিচে থেকে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতেই মানুষ দুজন তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল, “কী করিস? কী করিস তুই?”

    রাশা বলল, “আমি একটু বেঞ্চের ওপর ঠিক করে বসব।”

    একজন ভেংচে উঠে বলল, “ওরে আমার শাহজাদি! তার বেঞ্চের ওপর বসতে হবে। নিচে থেকে উঠবি না খবরদার।”

    রাশা আর ওঠার চেষ্টা করল না। পাটাতনে বসে পানির বোতলটা হাতে নিয়ে তার ছিপি খুলে সে মুখে বোতলটা লাগিয়ে ঢকঢক করে পানিটা খেল। তার মনে হলো তার বুকটা যেন একটা জ্বলন্ত চুলোর মতো হয়ে। আছে, পুরো পানিটা সেটা যেন মুহূর্তে শুষে নিল। পানির শেষ বিন্দুটা খেয়ে সে খালি বোতলটা নিচে নামিয়ে রাখে আর ঠিক তখন তার মাথায় বিদ্যুৎ ঝলকের মতো একটা চিন্তা খেলে যায়। এদের হাত থেকে ছাড়া পাবার একটা সুযোগ এসেছে অত্যন্ত কঠিন কিন্তু তবু একটা সুযোগ। হাতে ধরে রাখা এই এক লিটারের খালি প্লাস্টিকের বোতলটাই হচ্ছে সেই সুযোগ। তার শেষ সুযোগ। তার জীবন বাঁচানোর সুযোগ। রাশা তার বুক থেকে একটা নিশ্বাস খুব সাবধানে বের করে দিল।

    রাশা মুহূর্তের মাঝে পরিকল্পনাটা ঠিক করে ফেলে। প্লাস্টিকের বোতলটার তলাটা আলাদা করতে হবে। কাজটা কঠিন কিন্তু অসম্ভব না। মানুষগুলোর মনে কোনো সন্দেহ না জাগিয়ে কাজটা করতে হবে। রাশা বোতলটা হাতে ধরে অন্যমনস্ক ভঙ্গিতে নাড়তে থাকে। একজন মানুষ নার্ভাস হলে যেরকম করে অনেকটা সেরকম। মানুষগুলোকে ব্যস্ত রাখার জন্য কোনো একটা বিষয় নিয়ে কথা বলারও দরকার। রাশা কী বলবে বুঝতে না পেরে জিজ্ঞেস করল, “আপনারা আমাকে কেন ধরে এনেছেন?”

    আহাদ আলী বেঞ্চের এক মাথায় বসে বলল, “সেইটা তুই এখনো বুঝিসনি? আমি তোরে টেলিভিশনে কথা বলতে দেখেছি, তুই কী বলেছিস আমি শুনেছি!” আহাদ আলী হিংস্র গলায় বলল, “আমার নাম উচ্চারণ করতে তোর ঘেন্না লাগে? আমি তোকে দেখাব ঘেন্না কেমন করে লাগতে হয়। শুধু তুই না তোর চৌদ্দ গুষ্টি দেখবে কেমন করে ঘেন্না করতে হয়।” আহাদ আলী হঠাৎ জঘন্য ভাষায় গালাগাল করতে থাকে। একজন বয়স্ক মানুষের মুখ থেকে যে এরকম অশ্লীল শব্দ বের হতে পারে নিজের কানে না শুনলে সে বিশ্বাস করতে পারত না।

    রাশা ভয় পাবার ভঙ্গি করে। পা দুটো গুটিয়ে আনে, দাঁত দিয়ে নখ কাটে তারপর প্লাস্টিকের বোতলের নিচের অংশটা টিপে ভঁজ করে সেটা নাড়াচাড়া করতে থাকে, নার্ভাস ভঙ্গিতে দাঁত দিয়ে কামড়ানোর চেষ্টা করে এবং শেষ পর্যন্ত প্লাস্টিকের একটা অংশ দাঁত দিয়ে কেটে ফেলে। রাশার বুকের ভেতর থেকে স্বস্তির নিশ্বাস বের হয়ে আসে। সে বেঁচে থাকতে পারবে কি পারবে না সেটা নির্ভর করছে এই প্লাস্টিকের বোতলটার ওপর। এর তলাটা আলাদা করতে পারবে কি পারবে না তার ওপর। প্লাস্টিকের বোতলে যেখানে একটু কেটেছে সেখানে আঙুলটা ঢুকিয়ে টানতে থাকে। প্লাস্টিকের ধারালো কাটা অংশে তার আঙুল কেটে যেতে চায় কিন্তু সে থামল না–টেনে আলগা করতেই লাগল।

    আহাদ আলী একসময় থামল, রাশা তখন আবার জিজ্ঞেস করল, “আমাকে এখন কী করবেন?”

    আহাদ আলী উত্তর দেবার আগেই একজন হা হা করে হেসে উঠল, “ছেমড়ি? তুই এখনো বুঝিস নাই তোরে কী করব? তুই কী ভেবেছিস তোরে দুলহা বানিয়ে কারো সাথে শাদি দিব? না। তোরে পানিতে ডুবিয়ে মারব! বুঝেছিস?”

    রাশা মাথা নেড়ে বোঝাল, সে বুঝেছে। হাত দিয়ে টেনে প্লাস্টিকের বেতিলের তলাটা সে প্রায় আলগা করে ফেলেছে, এখন সে তার শেষ অংশটুকুর জন্যে প্রস্তুত হয়েছে। মানুষ দুটো যখন একটু অসতর্ক থাকবে ঠিক তক্ষুণি তাকে লাফ দিয়ে উঠে একলাফে জানালা থেকে পানিতে লাফিয়ে পড়তে হবে। একটা মাত্র সুযোগ পাবে সে। তার জীবনের শেষ সুযোগ। এই সুযোগটা যদি সে নিতে না পারে কেউ আর তাকে রক্ষা করতে পারবে না!

    রাশা বিড়বিড় করে মনে মনে বলল, “হে খোদা! তুমি আমাকে রক্ষা করো খোদা। আমি তোমার কাছে আর কোনোদিন কিছু চাইব না! শুধু তুমি আমাকে একটা সাহায্য করো–শুধু একটুখানি।”

    রাশা মানুষ দুটির দিকে তাকিয়েছিল, একজন আরেকজনের দিকে তাকিয়ে কিছু একটা বলছে, একটু অসতর্ক, রাশ ঠিক সেই মুহূর্তটাকে বেছে নিল। প্লাস্টিকের বোতলটা ধরে সে উঠে দাঁড়ায় তারপর বিড়ালের মতো লাফিয়ে জানালার ভেতর দিয়ে পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ল। মানুষগুলো ভ্যাবাচেকা খেয়ে যায়, এক মুহূর্ত লাগে তাদের বুঝতে কী হচ্ছে। শেষ মুহূর্তে দুজন ছুটে এসে তাকে ধরার চেষ্টা করল, তার পা প্রায় ধরেই ফেলেছিল কিন্তু হ্যাঁচকা টানে শেষ মুহূর্তে রাশা নিজেকে মুক্ত করে নেয়।

    রাশা হাত-পা নেড়ে তীরের দিকে সাঁতরাতে থাকে–মাথা তুলে একটা বড় নিশ্বাস নিয়ে সে ডুবসাঁতার দেয়ার জন্যে ডুবে গেল।

    আহাদ আলী অশালীন একটা গালি দিয়ে উঠে দাঁড়ায়। মানুষ দুজন একজন আরেকজনের দিকে তাকিয় বলল, “এই ছেমড়ি দেখি যন্ত্রণার একশেষ!”

    আহাদ আলী বলল, “দাঁড়িয়ে আছিস কেন? মেয়েটাকে ধর।”

    মানুষটা বলল, “হুজুর আমার আর ধরা লাগবে না। এই পানিতে যাবে কোথায়? ভেসে উঠুক আমি ধরছি।”

    অন্য মানুষটা বলল, “এই মেয়ে পানির মাঝে আমার থেকে জোরে সাঁতার দিবে? খালি মাথাটা বের করুক।”

    রাশা যেদিকে সঁতরে গেছে সবাই সেদিকে তাকিয়ে থাকে, নিশ্বাস নেবার জন্যে তাকে মাথা বের করতে হবে তখনই তারা তাকে ধরার জন্যে অন্য দুজন পানিতে নামবে।

    মানুষ দুজন শার্ট খুলে খালি গা হয়ে নিল। লুঙ্গিটাকে মালকোচা মেরে পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্যে দুজনেই তৈরি। কোনদিকে যাবে সেটা ঠিক করার জন্যে তারা পানির দিকে তাকিয়ে আছে। নিশ্বাস নেবার জন্যে রাশা মাথা বের করা মাত্রই তারা পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়বে।

    রাশা নিশ্বাস নেবার জন্যে মাথা বের করল না। মানুষগুলো অবাক হয়ে দেখল এক মিনিট দুই মিনিট করে পাঁচ মিনিট পার হয়ে গেল কিন্তু রাশা পানি থেকে মাথা বের করল না। মানুষগুলো একজন আরেকজনের মুখের দিকে তাকাল, বলল, “কই গেছে মেয়েটা?”

    আহাদ আলী বলল, “ডুবে গেছে নাকি?”

    “ডোবার কথা না। যেই মানুষ সাঁতার জানে সে ডুবে না।”

    আহাদ আলী খেঁকিয়ে উঠল, “তাহলে গেছে কই?”

    “সেইটাই তো তাজ্জব। মানুষ আর যেটাই করুক নিশ্বাস না নিয়ে তো বেঁচে থাকতে পারে না। এই ছেমড়ির তো নিশ্বাস নেবার জন্য মাথা বের করতে হবে।”

    তারা পানির দিকে ইতিউতি করে তাকায়, চারিদিকে পানি, কোথাও রাশা নেই। সে একবারও নিশ্বাস নেবার জন্যে মাথা বের করেনি। মেয়েটা ম্যাজিকের মতো অদৃশ্য হয়ে গেছে। হঠাৎ করে মানুষগুলো একধরনের অস্বস্তি বোধ করতে থাকে।

    .

    রাশা পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রথমে সোজা তীরের দিকে এগিয়ে গেল, খানিকদূর এগিয়ে সে মাথা উঁচু করে বুক ভরে একটা নিঃশ্বাস নিয়ে আবার ডুব দেয়। এবারে সে ডানদিকে ঘুরে গেল, নদীর স্রোতটা যেদিকে। ডুব সাঁতার দিয়ে সরে যেতে থাকে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, যতদূর সম্ভব। যখন তার নিশ্বাস শেষ হয়ে আসে তখন প্লাস্টিকের বোতলটা মুখে লাগিয়ে চিৎ হয়ে একটু উপরে উঠে আসে। বোতলটার উপরের অংশটা পানির একটু উপর ওঠা মাত্রই সে পানিটুকু টেনে সরিয়ে খালি করে নেয়। বাতাসের জন্যে তার বুকটা তখন হাহাকার করছে কিন্তু তবুও সে তাড়াহুড়া করল না। পুরো বোতলটা খালি হবার পর সে বাতাস টেনে নেয়, বুক ভরে একবার নিশ্বাস নেয়। তারপর আবার সে ডুবে গেল, ভুবসাঁতার দিয়ে সে আবার সরে যেতে থাকে-যতদূর সম্ভব। যখন আবার তার নিশ্বাস শেষ হয়ে এলো আবার সে বুক ভরে নিশ্বাস নেয়। তারপর সে ডুবসাঁতার দিয়ে আবার সরে যেতে থাকে।

    ট্রলারের উপর আহাদ আলী দুজনকে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, চারিদিকে তারা তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে, কোথাও রাশার চিহ্ন নাই। আহাদ আলী মুখ খিঁচিয়ে বলল, “সংয়ের মতো দাঁড়িয়ে কী দেখছিস? পানিতে নাম– খুঁজে বের কর মেয়েটাকে।”

    “কিন্তু গেল কই?”

    “আমাকে জিজ্ঞেস করবি না গেল কই? খুঁজে বের কর।”

    মানুষ দুজন তখন পানিতে নামল, কেমন করে খুঁজবে বুঝতে পারছিল না, তবু ডুবে ডুবে এদিক-সেদিক গেল, বৃথাই খোঁজার চেষ্টা করল। ঘণ্টাখানেক খুঁজে যখন হাল ছেড়ে দিয়ে নদী থেকে উঠে এসেছে তখন আহাদ আলী লক্ষ করল দূরে পুলিশের একটা স্পিডবোট দেখা যাচ্ছে। সে একটা নিশ্বাস ফেলল, সবকিছু কেমন যেন গোলমাল হয়ে গেছে। মেয়েটা বেঁচে থাকলে মহাসমস্যা। ডুবে যদি মরে গিয়ে থাকে, আর এক-দুই দিন পর যদি লাশ ভেসে ওঠে সেটাও সমস্যা। কথা ছিল মেয়েটাকে বিলের পানিতে ফেলে আসবে যেন কেউ সন্দেহ করতে না পারে।

    স্পিডবোটে পুলিশের সাথে সালাম নানা ছিলেন, মতি আর জিতুও ছিল। স্পিডবোট থেকে নেমে পুলিশ যখন চারিদিকে খুঁজতে থাকে তখন মতি আর জিতু নদীর তীরে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে ডাকতে থাকল, “রাশা আপু! রাশা আপু! তুমি কোথায়। কেউ তাদের ডাকের উত্তর দিল না। দুজন তখন নদীর তীর ধরে ছুটতে থাকে আর চিৎকার করে ডাকতে থাকে, “রাশা আপু! রা-শা-আ-পু!”

    রাশা সারা শরীর পানিতে ডুবিয়ে কচুরিপানার মাঝে তার মাথাটা একটুখানি বের করে শুয়েছিল, মতি আর জিতুর গলার স্বর শুনে সে সোজা হয়ে বসল। গলার স্বরটা যখন আরো একটু স্পষ্ট হলো তখন সে পানি থেকে বের হয়ে এলো, তার সমস্ত শরীরে কাদা, পানিতে ডুবে থেকে তার চোখ লাল, মুখ রক্তশূন্য। মতি আর জিতু রাশাকে ডাকতে ডাকতে ছুটে যেতে যেতে হঠাৎ করে রাশাকে দেখতে পায়, তখন তারা চিৎকার করে নদীর তীরে নেমে এসে তাকে জাপটে ধরে ফেলল! মতি রাশাকে শক্ত করে ধরে বলল, “রাশা আপু! রাশা আপু তুমি বেঁচে আছ? তুমি বেঁচে আছ রাশা আপু?”

    রাশা খকখক করে একবার কাশল, তারপর বলল, “হ্যাঁ মতি। খোদা আমাকে বঁচিয়ে দিয়েছে।”

    “আর তোমাকে কেউ মারতে পারবে না!” মতি রাশাকে জড়িয়ে ধরে বলল, “কেউ পারবে না। কেউ পারবে না।” তারপর ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল। মতি এর আগে কখনো কাঁদেনি কেমন করে কাঁদতে হয় সে জানে না।

    .

    আহাদ আলীর উঠানে একটা চেয়ারে আহাদ আলী কঠিন মুখে বসে আছে। তার সামনে একজন পুলিশ অফিসার, আহাদ আলী মিছিমিছি তাকে সন্দেহ করার জন্যে সেই পুলিশ অফিসারকে ধমকাধমকি করছিল। ঠিক এরকম সময় মতি আর জিতুর হাত ধরে রাশা সেখানে হাজির হলো। সারা শরীরে কাদা, তাকে ঠিক চেনা যাচ্ছে না, তারপরেও আহাদ আলী তাকে চিনতে পারল এবং ভূত দেখার মতো চমকে উঠল। তার দুই পাশে তার দুজন সাগরেদ দাঁড়িয়ে ছিল। তারা হঠাৎ করে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করল, কিন্তু বেশিদূর যেতে পারল না, পুলিশের লোকজন দৌড়ে তাদের ধরে ফেলল।

    সালাম নানা ক্রাচে ভর দিয়ে রাশার কাছে ছুটে গেলেন, তাকে ধরে বললেন, “রাশা! তুমি ঠিক আছ?”

    রাশা মাথা নেড়ে বলল, “না, নানা। নাকে-মুখে পানি ঢুকে গেছে।” সে খুকখুক করে কেশে বলল, “নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। মনে হচ্ছে মরে যাব।”

    “না, তুমি মরবে না। তুমি এখন পর্যন্ত যখন বেঁচে আছ, আমরা তোমাকে মরতে দিব না?”

    হঠাৎ করে রাশার মনে হলো তার পায়ে কোনো জোর নেই, সে পড়ে যাচ্ছিল, সালাম নানা তখন তাকে ধরে ফেললেন। রাশা ফিসফিস করে বলল, “যদি আমি মরে যাই, আপনাকে একটা জিনিস বলে রাখি!” রাশা আঙুল দিয়ে আহাদ আলীকে দেখিয়ে বলল, “এই যে রাজাকারটাকে দেখছেন–সে আমাকে বলেছে, সে আমার নানাকে মেরেছে! মেরে তার ডেডবডি একটা মাদার গাছের নিচে পুঁতে রেখেছে।”

    রাশা আবার খকখক করে কাশল, তার কাশির সাথে ময়লা ঘোলা পানি বের হয়ে আসে। হঠাৎ করে তার মাথা ঘুরে আসে, সে সালাম নানার কোলে অচেতন হয়ে পড়ল।

    সালাম নানা চিৎকার করে বললেন, “স্পিডবোট! কুইক। মেয়েটাকে এক্ষুণি হাসপাতালে নিতে হবে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরূপ-রূপালী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article রাতুলের রাত রাতুলের দিন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026
    Our Picks

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    May 15, 2026

    মৃত পেঁচাদের গান – সায়ক আমান

    May 15, 2026

    এড়ানো যায় না – সায়ন্তনী পূততুন্ড

    May 15, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }