Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প596 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ব্যর্থ প্রেমিক

    আহত বাঘ যেমন নিজের ক্ষতস্থানটা বার বার চাটে, সেই রকমই মণিময় তার দুঃখগুলোকে ভালোবাসে। কখনও একলা হয়ে পড়লেই সে তার নিজের দুঃখগুলোকে আদর করে।

    সন্ধে সাড়ে ছ-টা, অফিস থেকে বেরিয়ে এসে মণিময় দাঁড়িয়ে আছে মনুমেন্টের কাছে। এরপর সে কোথায় যাবে জানে না। এই জায়গাটা থেকে অনেক রকম বাস ছাড়ে, মিনিবাস দাঁড়ায়, শেয়ারের ট্যাক্সিও পাওয়া যায়, অর্থাৎ এখান থেকে কলকাতার যে-কোনো জায়গায় যাওয়া যেতে পারে। কিন্তু মণিময় মনস্থির করতে পারে না। পরপর দুটি সিগারেট সে শেষ করল। প্রায় প্রত্যেকদিনই অফিস থেকে বেরিয়ে মণিময়ের এরকম হয়।

    কোথায় সে এখন যাবে?

    মণিময়ের একটা বাড়ি আছে, সেখানে মা-বাবা, দুই ভাই, তিন বোন নিয়ে বেশ বড়ো সংসার। মণিময়ের আছে নিজস্ব একটা ঘর। তাদের বাড়িতেও বিশেষ অশান্তি নেই, সব সময় বেশ একটা হইচই ভাব। মণিময় তো অন্য আর সবার মতন বাড়িও ফিরে যেতে পারে, স্নান করে জলখাবার খাবে, তারপর একটা বই নিয়ে বসবে, কিংবা রেডিয়ো শুনবে, কিংবা গল্পে মেতে যাবে। যা সবাই করে। আবার সে তো একটা সিনেমাও দেখতে পারে। একা যেতে না পারে, সঙ্গীরও অভাব নেই। তার বোনেরা প্রায়ই তাকে সিনেমা দেখাবার জন্য আবদার করে। তাদের পাড়াতেই থাকে বাসবী, তার মেজ বোনের বান্ধবী। বাসবী প্রায়ই আসে তাদের বাড়িতে এবং মণিময়ের দিকে এমনভাবে তাকায় যে বোঝা যায় মণিময়ের প্রতি তার একটা মুগ্ধতার ভাব আছে। বাসবীকে তো দেখতে সবাই ভালোই বলে, মেয়েটি পড়াশোনাতেও ভালো, এ বছর থেকে রিসার্চ করছে কেমিস্ট্রিতে। এই বাসবীর সঙ্গে মণিময় কি প্রেম করে সন্ধেগুলো কাটাতে পারে না? একদিন তো মণিময় তাদের বাড়ির ছাদের আলসের কাছে দাঁড়িয়ে বাসবীকে বলেছিল, তোমার হাতের আঙুলগুলো খুব সুন্দর। এরপর আরও তো অনেক কিছু বলার থাকে।

    মণিময় একেবারে নির্বান্ধবও নয়। তার বেশ কয়েকজন কলেজজীবনের বন্ধু ছড়িয়ে আছে কলকাতার নানা প্রান্তে, তাদের অনেকের বাড়িতেই এ সময় গেলে আড্ডা দেওয়া যায়।

    মণিময় সে রকম কোনো জায়গাতেই গেল না। সে একটা মিনিবাস ধরে চলে এল নিউ আলিপুরে। পেট্রোল-পাম্পের কাছে নেমে হাঁটতে লাগল মন্থরভাবে। যেন এখনও সে জানে না কোথায় যাবে। মিনিট সাতেক হাঁটার পর সে একটা চারতলা ফ্ল্যাট-বাড়ির সামনে থমকে দাঁড়াল। সন্ধে এখন গাঢ় হয়ে এসেছে, কিন্তু আকাশে একটাও তারা নেই। ওপরে তাকালে দেখা যায় গর্ভিনী মেঘ।

    ফ্ল্যাট-বাড়িটার সব ঘরেই আলো জ্বলছে। বেশ পরিচ্ছন্ন, ঝকঝকে চেহারা বাড়িটার। মণিময় একটুক্ষণ দ্বিধা করে তারপর বাড়িটার ভেতরে ঢুকল। সিঁড়ি দিয়ে উঠে এল চারতলায়। বেশ খাড়া খাড়া সিঁড়ি, চারতলায় উঠতেই হাঁপিয়ে যেতে হয়। মণিময় একটুক্ষণ দাঁড়িয়ে দম নিল।

    দু-পাশে দুটি ফ্ল্যাট। একই রকম দরজা, একই রকম কলিং বেল। তবে দুটি আলাদা নাম লেখা। মণিময় ডান দিকের দরজার সামনে এসে বেল টিপল। সামান্য একটুক্ষণ অপেক্ষা করতে হল, দরজা খুলে দিল একটি বাচ্চা চাকর।

    দরজা থেকেই বসবার ঘরটা দেখা যায়। সুন্দর সোফা-সেট দিয়ে সাজানো। একটি সোফার ওপর পা মুড়ে বসে আছে অনীতা, হাতে একটি পাতলা বই, সে কৌতূহলে তাকিয়ে আছে দরজার দিকেই।

    মণিময় সরু করিডরটা পেরিয়ে বসবার ঘরে চলে এল। অনীতা উঠে দাঁড়াল না, কোনো কথা বলল না, শুধু চেয়ে আছে তার দিকে।

    মণিময় জিজ্ঞেস করল, ভালো আছ?

    অনীতা ঘাড় হেলিয়ে জানাল, হ্যাঁ।

    মণিময় জানে, অনীতা নিজে থেকে তাকে বসতে বলবে না। সে শুধু শান্তভাবে চেয়েই থাকবে একদৃষ্টে।

    মণিময় নিজেই বসল। ফ্ল্যাটটা ফাঁকা এবং নিঃশব্দ, সেই নৈঃশব্দ অনুভব করে মণিময় আবার জিজ্ঞেস করল, অরূপ বাড়ি নেই?

    অনীতা বলল, না।

    অনীতার ভুরু সামান্য কুঁচকে এসেছে। মণিময় খুব ভালো করেই জানে, অরূপ এ সময় বাড়ি থাকে না। অরূপ একটি বিদেশি বিমান কোম্পানিতে কাজ করে, তাকে সপ্তাহে তিনদিন এই সময় এয়ারপোর্টে থাকতে হয়। বাড়ি ফিরতে রাত দশটা তো বাজবেই।

    হাতের বইটা নামিয়ে রাখল অনীতা। পাতলা চটিবই, আকাশি রঙের মলাট। মণিময় লক্ষ করে দেখল, ওটা একটা কবিতার বই। একলা সন্ধেবেলা অনীতা একটা কবিতার বই পড়ছিল। অনীতাকে এসব মানায়। অন্য মেয়েরা এসময় সিনেমা পত্রিকার পাতা ওলটায় কিংবা পাশের ফ্ল্যাটের মেয়েদের সঙ্গে গল্প করতে যায়। কিন্তু অনীতার রুচি অত্যন্ত সূক্ষ্ম, কবিতা কিংবা গানে সে মগ্ন হয়ে থাকতে পারে।

    মণিময় বলল, অরূপ একদিন আসতে বলেছিল, তাই এলাম!

    কথাটা একদম মিথ্যে নয়। অথচ সত্যি তা নয়, সে সম্পর্কে কোনো সন্দেহই নেই। অরূপ একদিন মণিময়কে আসতে বলেছিল ঠিকই। অরূপ আর অনীতার সঙ্গে মণিময়ের একদিন নিউ মার্কেটের কাছে দেখা। অরূপের সঙ্গে মণিময়ের মোটামুটি পরিচয় আছে, দ্বারভাঙ্গা বিল্ডিংয়ের ছাদের হলে তাদের একই সঙ্গে পরীক্ষার সিট পড়েছিল। অনীতার কিছু ব্যস্ততা ছিল বলে সেদিন নিউ মার্কেটের সামনে অরূপ বেশিক্ষণ কথা বলতে পারেনি মণিময়ের সঙ্গে। সে বলেছিল, একদিন এসো না আমাদের বাড়িতে, গল্প করা যাবে।

    এটা নিতান্ত কথার কথা। এরকম নেমন্তন্নে হঠাৎ কেউ কারুর বাড়িতে এসে উপস্থিত হয় না। তাও বেছে বেছে মণিময় ঠিক এমন সময়েই এসেছে, যখন অরূপ বাড়িতে থাকে না।

    অনীতা এবার উঠে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, তুমি চা খাবে?

    মণিময় বলল, খেতে পারি!

    বাড়িতে নিশ্চয়ই রান্নার লোক আছে। অনীতা তো সেখান থেকেই জোরে চায়ের কথা বলে দিতে পারত। তা বলল না। নিজেই চলে গেল, তারপর অনেকক্ষণ আর এল না। খানিকবাদে বাচ্চা চাকর এসে চা দিয়ে গেল, তবু অনীতার দেখা নেই।

    মণিময় একটু হাসল। অনীতা বুঝিয়ে দিতে চায় যে, মণিময় এখানে অবাঞ্ছিত। অতিথিকে একলা বসিয়ে রেখে নিজে অন্য জায়গায় থাকার মতন অভদ্র তো অনীতা নয়। সে ইচ্ছে করেই মণিময়কে এরকম অপমান করলে!

    আর কোথাও, কেউ মণিময়কে এরকম অবহেলা বা অপমান করে না। তার স্বাস্থ্য ভালো, চেহারা সুন্দর, এক কালে খুব নামকরা ছাত্র ছিল, এখনও সে অরূপের চেয়ে কিছু খারাপ চাকরি করে না, সে কথাবার্তাও ভালো বলতে পারে, কোথাও অযথা বকবক করে অন্যদের বিরক্তি সৃষ্টি করে না। অন্য অনেক জায়গাতেই সন্ধেবেলা মণিময় খাতির পেতে পারত, কিন্তু তবু সে এখানে ইচ্ছে করে অপমান সহ্য করতে এসেছে।

    একটু পরে অনীতা এসে জিজ্ঞেস করল, তোমায় চা দিয়েছে?

    তুমি ভালো আছ, অনীতা?

    অনীতা এবার স্পষ্টত বিরক্ত হয়ে উঠল। ঝংকার দিয়ে বলল, তুমি বার বার এ কথাটা জিজ্ঞেস করো কেন বলো তো? হ্যাঁ আমি ভালো আছি, নিশ্চয়ই ভালো আছি, খারাপ থাকব কেন? তুমি কি চাও, আমি খারাপ থাকি?

    মণিময় শুকনো গলায় বলল, না, আমি তা চাই না। সত্যি চাই না।

    মণিদা, আমাকে এখন একটু বেরোতে হবে।

    কোথায় যাবে? চলো আমি তোমাকে পৌঁছে দিচ্ছি।

    না, আমি যাব নীচের ফ্ল্যাটে। টেলিভিশনে আটটার সময় একটা ভালো প্রোগ্রাম আছে। সেটা দেখব।

    টেলিভিশনের প্রোগ্রাম? সেটা না দেখলে হয় না আজ?

    আমি ওদের বলে রেখেছি, আমি না গেলে ওরা ডাকতে আসবে।

    মণিময় বুঝতে পারে, এটা একটা অতি সামান্য ছুতো। অনীতা তাকে চলে যেতে বলছে, এর থেকে ভদ্রভাষা আর কী হতে পারে? অনীতা কি তার সামনে বসতে ভয় পায়, না বিরক্ত হয়?

    কিন্তু মণিময়ও এর চেয়ে বেশি অভদ্র হতে পারে না। এ কথা বলার পর মণিময়ই বা আর কী করে বসে থাকবে? এক্ষুনি তার চলে যাওয়া উচিত।

    সে উঠে দাঁড়াল। তার মুখে কোনো ব্যথার চিহ্ন নেই, বরং একটা পাতলা চাপা হাসি। সে তো এরকম পাওয়ার আশা করেই এসেছিল। সে জানত, অনীতা ঠিক এরকম ব্যবহার করবে।

    মণিময় বলল, অরূপের সঙ্গে দেখা হল না!

    অনীতা মণিময়কে উঠে দাঁড়াতে দেখে খুশি হয়েছে। সে বলল, ওর সঙ্গে দেখা করতে হলে রবিবার আর বৃহস্পতিবার—ওই দুদিন ও বাড়িতেই থাকে।

    অরূপকে বলো, আমি এসেছিলাম।

    অনীতা দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিতে এল না। মণিময় একাই বেরিয়ে এসে বাইরে থেকে দরজাটা টেনে দিল। অনীতা তখনও বসবার ঘরে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে।

    অন্য অনেক মেয়েই এই অবস্থায় ঝগড়া করত কিংবা খারাপ কথা বলত। অন্য কেউ অনায়াসেই বলতে পারত, মণিদা, আমি চাই না তুমি এরকমভাবে আমার বাড়িতে আসো। আমি চাই না, তুমি আমার স্বামীর সঙ্গে গায়ে পড়ে বেশি ভাব করতে যাও! কেন তুমি আমাদের জীবনে অশান্তি এনে দিতে চাইছ? তুমি ফের এরকমভাবে এলে আমি চ্যাঁচামেচি করে লোক জড়ো করব!

    কিন্তু অনীতা এরকম কথা কোনোদিন মুখ দিয়ে উচ্চারণ করতে পারবে না। তার রুচি অত্যন্ত সূক্ষ্ম, ব্যবহার খুব মার্জিত। সে আকারে ইঙ্গিতে মণিময়কে এইসব কথা বোঝাতে চায়, কিন্তু মুখে কোনো কটু কথা বলবে না। এক সময় সে মণিময়কে ভালোবাসত, এখন ভালো না বাসুক, ভদ্রতাটুকু মুছে ফেলতে পারবে না কিছুতেই। মণিময় সেই ভরসাতেই তো এখানে এসেছে।

    অন্য কোনো লোক হলে মণিময় যে কথাটা জানবার জন্য বার বার অনীতার সঙ্গে দেখা করতে চায়, সেটা সোজাসুজি জিজ্ঞেস করত। কিন্তু মণিময় তা পারে না। সে আশা করে থাকে, অনীতা নিজেই তা বলবে।

    মণিময় যখন বাড়ি ফিরল, তখন তাদের বাইরের ঘরে তুমুল আড্ডা জমিয়েছে ভাই-বোনেরা! বাসবীও আছে সেখানে। সে ঢুকতেই তার ছোটো বোন বলল, সেজদা তুমি এইখানে, এই জায়গাটায় এসে একটু পাশ ফিরে দাঁড়াও তো!

    কেন, কেন?

    দাঁড়াও না, একবার।

    তার বোন নিজেই মণিময়ের হাত ধরে দাঁড় করিয়ে মুখটা একপাশে ঘুরিয়ে দিল। তারপর বলল, এই দ্যাখো, বলছিলাম না সেজদার মুখের সঙ্গে অমিতাভ বচ্চনের অনেকটা মিল আছে! দ্যাখো, এপাশ থেকে দ্যাখো!

    বাসবী বলল, সত্যিই তো!

    মণিময় ওদের সঙ্গে আড্ডায় যোগ দিয়ে সেখানেই বসে পড়ল। একটা সিগারেট ধরিয়ে শুনতে লাগল ওদের কথা। এখানে বেশ আনন্দময় পরিবেশ। এরা কেউ কল্পনাও করতে পারবে না, একটু আগেই মণিময় কতখানি অপমান সয়ে এসেছে। এরা কেউ বিশ্বাসই করবে না যে, মণিময়কে কেউ অপমান করতে পারে।

    শুধু অনীতা পারে। সেই কথাই খানিকটা বাদে, নিজের ঘরে এসে একা একা শুয়ে থেকে মণিময় ভাবছিল। এ জীবনে এ পর্যন্ত আর কেউ মণিময়কে এরকম আঘাত দেয়নি। অনীতা নিজেও হয়তো জানে না, সে মণিময়ের কতখানি ক্ষতি করেছে। মণিময় আর কিছুতেই সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারছে না।

    সেই কলেজজীবন থেকেই বন্ধুবান্ধবরা সবাই জানত, মণিময় অনীতাকে বিয়ে করবে। প্রতিটি বিকেল দুজনে একসঙ্গে ঘুরে বেড়াত। বোটানিক্যাল গার্ডেন, বালিগঞ্জ লেক, দক্ষিণেশ্বর—এইসব জায়গায় ওদের পাশাপাশি বসে থাকার ছবি, মণিময়ের মধ্যে এখনও একটুও ম্লান হয়নি।

    অনীতার সঙ্গে মণিময়ের আলাপ হয়েছিল খুব সামান্য ঘটনা থেকে। তার বন্ধু শুভেন্দুর বাড়িতে মণিময় প্রথম অনীতাকে দেখে। শুভেন্দুর বোনের তিন-চারজন বান্ধবী এসেছিল সেদিন, তার মধ্যে অনীতা একজন। এমনিই ভদ্রতার আলাপ হয়েছিল। প্রথম দর্শনেই প্রেম হয়নি। কিন্তু এর ঠিক পরের দিনই অনীতার সঙ্গে আবার দেখা হয়ে যায় আকস্মিকভাবে। প্রবল বৃষ্টির দিন ছিল সেটা, রাস্তাঘাট ভেসে যাচ্ছে, তার মধ্যে মণিময় অতিকষ্টে একটা ট্যাক্সি জোগাড় করে বাড়ি ফিরছিল, পার্ক স্ট্রিটের কাছে দেখল অনীতা দাঁড়িয়ে আছে, সর্বাঙ্গ ভেজা। ঠিক আগের দিনই মেয়েটির সঙ্গে পরিচয় হলেও তাকে চিনতে একটু দেরি হয়েছিল মণিময়ের। শুধু মনে হয়েছিল চেনা-চেনা, কোথায় যেন দেখেছে। অনীতার সঙ্গে চোখাচোখি হতে অনীতা নিজেই চেনা-ভাবে হাসল, তখন মনে পড়ে গেল মণিময়ের। এইরকম অবস্থায় একটি মেয়েকে দেখলে তাকে লিফট দেওয়াই ভদ্রতা। তবু মণিময় নিজে থেকে সে-কথা বলতে একটু লজ্জা পেল, ট্যাক্সিটা অনীতাকে ছাড়িয়ে চলে গেল। তারপর মণিময়ের মনে হল আজ ট্রাম-বাসে চড়া খুবই কঠিন ব্যাপার, ট্যাক্সিও পাওয়া খুব শক্ত, এইরকম সময় সে পরিচিত একটি মেয়েকে বৃষ্টির মধ্যে ভিজতে দেখেও চলে যাচ্ছে! ট্যাক্সি থামিয়ে সে নিজেই নেমে দৌড়ে এসে অনীতাকে জিজ্ঞেস করেছিল, আপনি কোন দিকে যাবেন?

    সেদিন যদি মণিময় এভাবে ট্যাক্সি থামিয়ে ফিরে না আসত, তাহলে অনীতার সঙ্গে তার গভীর পরিচয় হতই না কোনোদিন, তার জীবনটা এরকম বদলে যেত না। এক একটা মুহূর্তে মানুষের জীবনের মোড় ঘুরে যায়।

    সেদিন ট্যাক্সিতে অনীতাকে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া যায়নি। ভবানীপুরের কাছে রাস্তায় প্রায় এক কোমর জল, সেখানে ট্যাক্সি আটকে গেল। দুজনকেই নেমে পড়তে হল সেখানে। তারপর জলের মধ্যেই প্যান্ট আর শাড়ি ভিজিয়ে হাঁটতে লাগল দুজনে, তাতেই ওরা খুব কাছাকাছি এসে গেল। অনীতা দেখতে যে দারুণ একটা সুন্দরী তাও নয়, সাধারণভাবে সুশ্রী বলা যায়। কিন্তু মণিময় দেখেছিল, অনীতার রুচি বা কথাবার্তার ধরনের সঙ্গে তার একটা মিল আছে। দুজনেই একই ধরনের বই পড়তে ভালোবাসে।

    প্রায় চার বছর ওরা দুজন দুজনকে তীব্রভাবে ভালোবেসেছে। অনীতা নিজেই দু-তিন দিন মণিময়ের সঙ্গে দেখা না হলেই ছটফট করত। মণিময়ের বুকে মাথা রেখে বলত, তুমি কোনোদিন আমাকে ভুলে যাবে না, বলো!

    নিজের বাড়িতেও অনীতার কথা গোপন করেনি মণিময়! শেষের দিকে একদিন অনীতাকে বাড়িতে নিয়েও এসেছিল। তাদের বাড়ির লোকজন অনীতার সঙ্গে খুব ভালো ব্যবহার করেছে। মণিময় নিজের পছন্দ মতন কারুকে বিয়ে করলে তাদের বাড়ি থেকে কোনোরকম আপত্তি ওঠবার কথা নয়। তাদের বাড়ির আবহাওয়াই সেই রকম। মণিময়ের মা পরে অনীতা সম্পর্কে বলেছিলেন, মেয়েটি বেশ! খুব নম্র, চমৎকার ব্যবহার।

    অনীতাও মণিময়দের বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে বলেছিল, তোমাদের বাড়ির সবাই কী চমৎকার! তোমার মা, কী সুন্দর শান্ত চেহারা, ঠিক একটা মা-মা ভাব আছে, আর তোমার ভাই-বোনেরা এত ভালো, একটু আলাপেই কত আন্তরিক ব্যবহার করল। তোমার ভাই-বেনেরা তোমাকে খুব ভালোবাসে, তাই না?

    মণিময় বলেছিল, হ্যাঁ, ভাই-বোনেরাও আমার বন্ধুর মতন।

    এর পরদিন থেকে অনীতা মণিময়ের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ বন্ধ করে দিল। চিঠি লিখলেও কোনো উত্তর দেয়নি। শুধু বিস্মিত নয়, মণিময় একেবারে বিমূঢ় হয়ে গিয়েছিল বলা যায়। গণ্ডগোলটা কোথায় হল? তার বাড়ির লোকেরা অনীতাকে পছন্দ করেছে, অনীতার ভালো লেগেছে সবাইকে। তবু কেন অনীতা ঠিক এর পর থেকেই দূরে সরিয়ে দিল মণিময়কে? কেন সব ভালোবাসা মিথ্যে হয়ে গেল? মণিময় আগে কোনোদিন অনীতাদের বাড়িতে যায়নি। অনীতা নিয়ে যেতেও চায়নি। সে বলেছিল, তার বাবা একটু কড়া ধরনের, তিনি পছন্দ করবেন না। তবু প্রায় সাত আটখানা চিঠি লিখেও অনীতার উত্তর না পেয়ে মণিময় একদিন গিয়েছিল অনীতাদের বাড়ি। অনীতার দেখা পায়নি, একটি চাকর এসে বলেছিল, অনীতা বাড়ি নেই, কিন্তু মণিময়ের সন্দেহ হয়েছিল, সেটা মিথ্যে কথা, অনীতা নিজেই দেখা করতে চায় না। অনীতা কেন এমন অপমান করতে চাইল তাকে, তার দোষটা কোথায়? অনীতা কি তার বাবাকে এতখানি ভয় পায়? এত ভয়ের কী আছে? মণিময়েরও কোনো অযোগ্যতা নেই, এমনকি জাতের পর্যন্ত মিল আছে!

    এর আট মাস পরে সে পেয়েছিল অনীতার বিয়ের চিঠি এবং অরূপের সঙ্গে অনীতাদের জাতেরও মিল নেই। তাহলে, মণিময়ের বদলে কেন অরূপকে বিয়ে করতে গেল অনীতা? চার বছরের মধ্যে তো সে একদিনও অরূপের কথা শোনেনি? অনীতা অরূপের কথা গোপন করে গিয়েছিল? না, তা হতেই পারে না। অনীতা মিথ্যে কথা বলে না, কোনওরকম লুকোচুরি সে পছন্দ করে না। অনীতার ভালোবাসার মধ্যে কোনো গলদ ছিল না, তবু সে এরকম অদ্ভুত ব্যবহার করল কেন?

    ব্যর্থ প্রেমে মণিময় পাগল হয়ে যায়নি। সে জানে, একটি মেয়েকে বিয়ে করতে না পারলে কারুর জীবন ব্যর্থ হয়ে যায় না। সময় সব কিছু ভুলিয়ে দেয়। সে আবার অন্য কারুকে ভালোবেসে নতুন করে জীবন শুরু করতে পারে। কিন্তু তার আগে তার শুধু জানা দরকার। অনীতা তাকে অপমান করতে চায়, করুক, দেখা যাক, অপমানে কোন চরম সীমানায় সে যেতে পারে। এবং কেন?

    আবার মণিময় গেল অনীতার ফ্ল্যাটে। দরজা খুলে অনীতা ভুরু কোঁচকাল, মণিময়কে ভেতরে এসে বসতে পর্যন্ত বলল না।

    ঠোঁটে পাতলা হাসি টেনে মণিময় বলল, আমি আবার এসেছি। অরূপ নেই?

    অনীতা বলল, তোমাকে তো আমি বলেইছি, এরকম সন্ধের সময় অরূপ বাড়ি থাকে না।

    কিন্তু আজ বেস্পতিবার। তুমি বলেছিলে রবি আর বেস্পতিবার সে থাকে!

    তা অবশ্য ঠিক! বেস্পতিবার অরূপ বাড়ি ফেরে , কিন্তু আজ একটা জরুরি কাজে তাকে এয়ারপোর্ট যেতে হয়েছে, অরূপ অফিস থেকে খবর পাঠিয়েছে।

    মণিময় এক পা দরজার ভেতরে রাখল। সে দেখতে চায় অনীতা তার মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দেবে কিনা। অনীতা কি এতদূর যাবে?

    অনীতা অবশ্য তা পারল না। দরজার কাছ থেকে সরে এল। মণিময় জিজ্ঞেস করল, আমি একটু বসব? অরূপ যদি একটুক্ষণের মধ্যে ফেরে!

    অনীতা বলল, অরূপের সঙ্গে তোমার হঠাৎ কোনো দরকার আছে?

    সোফার ওপর বসে পড়ে মণিময় বলল, না। আমি অরূপের সঙ্গে দেখা করতে আসি না! আমি তোমাকেই দেখতে আসি।

    অনীতা কিছু বলতে যাচ্ছিল, মণিময় তাকে বাধা দিয়ে বলল, তুমি কি ভেবেছিলে আমি কোনো খারাপ লোকের মতন, তোমার ওপর প্রতিশোধ নেবার জন্য অরূপকে আমাদের পুরোনো সব কথা বলে দেব? অরূপকে জানিয়ে দেবো যে, গঙ্গায় নৌকোর ওপর তুমি চুমু খেয়েছিলে। তুমি আমাকে এরকম খারাপ লোক ভাব।

    না, তা অবশ্য ভাবি না।

    আমি তোমাদের বাড়ির সামনের রাস্তায় আজ একঘন্টা দাঁড়িয়েছিলাম। অরূপকে ফিরতে দেখিনি বলেই তোমার কাছে এসেছি।

    তুমি চা খাবে?

    না। আজ তোমার কোনো টেলিভিশন প্রোগ্রাম দেখতে যাবার কথা নেই? অরূপ নিজেই টেলিভিশন সেট কেনে না কেন?

    আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাইছি। কিন্তু তুমি নিশ্চয়ই বুঝবে। এখন এভাবে দেখাশোনা করা আমাদের উচিত নয়।

    অর্থাৎ, তুমি ভয় পাচ্ছ! এখন যদি অরূপ হঠাৎ এসে পড়ে, সে ভাববে, তুমি লুকিয়ে লুকিয়ে আমার সঙ্গে প্রেম করছ!

    মণিদা!

    তুমি আগে আমাকে শুধু মণিময় বলে ডাকতে, এখন দাদা বলো।

    আমি অনুরোধ করছি, তুমি পুরোনো সব কথা ভুলে যাও!

    তোমার ভয় নেই, আমি তোমার সঙ্গে লুকিয়ে লুকিয়ে প্রেম কিংবা ব্যভিচার করতে চাই না। ওসব আমার চরিত্রে নেই। এখন পুরোনো কথা ভুলে যেতে বলছ। অথচ, একদিন তুমিই বলেছিলে তোমাকে যেন আমি ভুলে না যাই!

    আমি ক্ষমা চাইছি।

    মণিময় এমনভাবে উঠে দাঁড়াল, যেন তক্ষুনি সে অনীতার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে। স্থিরদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল অনীতার ওপর। সে সহ্যের শেষ সীমায় এসে গেছে। চাপা গলায় প্রায় গর্জন করে সে বললে, আগে বলো, কেন? কেন তুমি আমাকে অপমান করলে?

    অনীতা মুখ নীচু করে বলল, অপমান করতে চাইনি। আমি তোমার অযোগ্য বলে সরে এসেছি।

    কীসে তুমি অযোগ্য? চার বছর আমরা একসঙ্গে ছিলাম!

    তখন আমি বুঝতে পারিনি। আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম, তোমাকে পাব, সেই স্বপ্নে আর সবকিছু ভুলে গিয়েছিলাম। তারপর হঠাৎ একদিন ঘোর ভাঙল, আমি বুঝতে পারলাম। তোমার সঙ্গে আমার বিয়ে হতে পারে না! আমি তোমার সম্পূর্ণ অযোগ্য!

    কেন? সেটাই তো জানতে চাইছি।

    তুমি শুনবেই?

    না শুনে আজ আর আমি যাব না এখান থেকে।

    তবে শোন। আমার যখন চার বছর বয়েস, তখন আমার মা আমার বাবার এক বন্ধুর সঙ্গে পালিয়ে যান। আমার বাবা একটি নার্সকে রক্ষিতা রেখেছে। সেই আমাদের বাড়ির কর্ত্রী। আমার পরিচয় এরকম কালি মাখা তোমাকে কখনও বলতে পারিনি।

    মণিময়ের মুখখানা বিবর্ণ হয়ে গেল। তার মনে হল, আজ এই কথা বলে অনীতা তাকে যা অপমান করল, সে রকম বেশি অপমান আগে ও করেনি।

    সে আস্তে আস্তে জিজ্ঞেস করল, অরূপ এসব জানে?

    হ্যাঁ।

    অনীতা, তুমি ভাবলে যে অরূপ এসব জেনেও তোমাকে বিয়ে করতে পারে, আর আমি পারতাম না? আমার মধ্যে সেটুকু উদারতা নেই? আমি তোমার সামাজিক পরিচয়টা এত বড়ো করে দেখতাম। এতদিন আমার সঙ্গে মিশে আমাকে তুমি এই চিনেছ?

    আমি জানতাম, তোমার সে উদারতা আছে। কিন্তু সেই উদারতার সুযোগ নিলে সেটা হত আমার পক্ষে দারুণ স্বার্থপরতা। সেটা আমি কবে বুঝেছিলাম জানো?

    কবে?

    যেদিন তোমাদের বাড়িতে গিয়েছিলাম। তোমাদের বাড়ির সব লোক এত ভালো, এমন একটা আনন্দময় পরিবেশ—সে বাড়িতে বউ হয়ে গিয়ে আমি নিজেকে কিছুতেই মানাতে পারতাম না। আমি মিথ্যে কথা বলি না, আমার বাড়ির সব কথা আমাকে বলতেই হত, না বললেও ওঁরা জানতেন ঠিকই—ওঁরা মনে করতেন, আমি একটা নোংরা কুৎসিত বাড়ির মেয়ে।

    কিন্তু অনীতা, আমি তো তোমাকেই চেয়েছিলাম! তোমার বাড়ির যাই ব্যাপার থাক না কেন?

    তা হয় না। তুমি হয়তো আমার জন্য তোমার বাড়ি ছেড়ে আলাদা এরকম কোনো ফ্ল্যাট ভাড়া নিতে। কিন্তু তোমাদের বাড়ির আনন্দময় পরিবেশ আমি ভেঙে দিতে চাইনি! সেটা হত পাপ! তোমাকে তোমার মা কিংবা ভাইবোনদের কাছ থেকে ছিনিয়ে এনে—

    ওরাও হয়তো মেনে নিতেন অনীতা, আমি বুঝিয়ে বললে…

    অনীতা ঝরঝর করে কেঁদে ফেলল। মণিময়ের পায়ের কাছে বসে পড়ে বলল, তোমাকে আমি কত ভালোবাসতাম, তুমি জানো না? তুমি ছিলে আমার কাছে দেবতার মতন। তবু, আমি বুঝেছিলাম, আমি তোমাকে পাব না। আমার বাবা-মায়ের অপরাধ তোমার বাবা-মা মেনে নিতে পারতেন না কিছুতেই। আমি জানি! আমার জন্য তুমি ওদের ছেড়ে এলে শান্তি পেতে না—আমি কত কেঁদেছি, একলা একলা, মণিদা, এখনও কাঁদি।

    মণিময় স্তব্ধ হয়ে রইল। তার শরীরটা কাঁপছে। সে হঠাৎ বুঝতে পেরেছে। অনীতা তার চেয়েও অনেক বড়ো। অনীতা যা বলছে, তা অস্বীকার করা যায় না। এক কুলটা নারীর মেয়েকে তার মা কি পুত্রবধূ হিসেবে মেনে নিতে পারতেন? অথচ, অনীতার তো কোনো দোষ নেই।

    অনীতাকে সান্ত্বনা দেবার জন্য সে তার কাঁধে হাতটা রাখল। আবার তুলে নিল হাতটা। অনীতাকে সে কী সান্ত্বনা দেবে? অনীতার কান্না থামাবার মতন কোনো ভাষা সে জানে না! সে একজন বঞ্চিত মানুষের মতন চুপ করে বসে রইল। তারা হেরে গেছে। সে আর অনীতা দুজনেই হেরে গেছে তাদের বাবা-মায়েদের কাছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    স্বর্ণলতা

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    স্বপ্নের নেশা

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনার কাঠির স্পর্শ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }