Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প596 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্বপ্নের একটি দিন

    মনোলীনার মাথায় যত সব অদ্ভুত প্রশ্ন আসে। কখন যে সে কোন কথাটা বলবে, তার কোনো ঠিক নেই। প্রসঙ্গ বদলে ফেলতে তার এক মুহূর্তও লাগে না। সেই জন্যই মেয়েটিকে বড়ো বেশি রহস্যময়ী মনে হয়।

    শুভ্র ভর দুপুরবেলা ওর সঙ্গে এসেছে গঙ্গার ধারে। বেশি ভিড় নেই এখন এখানে। চার পাঁচ জোড়া প্রেমিক-প্রেমিকা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এখানে-সেখানে। আর কিছু অলস চেহারার মাঝবয়েসি লোক, পৃথিবীর সমস্ত পার্ক বা বেড়াবার জায়গায় এই ধরনের কিছু লোককে বসে থাকতে দেখা যায়। তবুও অনেক বেঞ্চ খালি। কিন্তু একটাও পছন্দ নয় মনোলীনার। বেশ সুন্দর, গাছের ছায়ার নীচের ফাঁকা বেঞ্চ দেখেও সে বলছে, উঁহু, এখানে নয়!

    শুভ্র হেসে বলল, তোমার যদি বসতে ইচ্ছে না করে, আমরা হেঁটে বেড়াতে পারি। আমার রোদ্দুরের মধ্যে হাঁটতে ভালো লাগে।

    মনোলীনা জিজ্ঞেস করল, হাঁটু পর্যন্ত কাদার মধ্যে তুমি হেঁটেছ কখনও?

    শুভ্র বলল হ্যাঁ! কেন হাঁটবো না!

    শেষবার কবে? এমনি কলকাতা শহরের কাদা নয়। হাঁটু পর্যন্ত কাদা!

    শুভ্র একটু মুশকিলে পড়ল। ঠিক বলা শক্ত, শেষবার কবে সে কাদার মধ্যে দিয়ে হেঁটেছে। বারবার ছেলেবেলার কথা মনে পড়ে। যেন শুভ্র একটা বাচ্চা ছেলে, ইচ্ছে করে কাদার মধ্যে দৌড়াদৌড়ি করছে, কোন এক অচেনা নদীর ধারে।

    শুভ্র সময় নিচ্ছে দেখে, মনোলীনা বলল—থাক, বলবার দরকার নেই।

    মনে পড়েছে! একবার সুন্দরবন গিয়েছিলাম…নৌকো থেকে নেমে—দারুণ কাদা…ঝিনুকের টুকরোয় আমার পা কেটে গিয়েছিল।

    কতদিন আগে?

    আট-ন-বছর হবে। দাঁড়াও, হিসেব করে দেখছি, না, ঠিক এগারো বছর আগে।

    তখন আমি ফ্রক পরতাম।

    মনোলীনার বয়েস কুড়ি-একুশের বেশি নয়। শুভ্রর বয়েস প্রায় চল্লিশ ছুঁয়েছে, বেশ কিছু পাকা চুল দেখা যায়। ওদের দেখলে কেউ ঠিক প্রেমিক-প্রেমিকা ভাববে না। ওরা তা নয়ও বোধহয়।

    শুভ্র জিজ্ঞেস করল কফি খাবে? দোকানটা খোলা আছে দেখছি।

    মনোলীনা সে কথার উত্তর না দিয়ে বলল আমি কোথায় জন্মেছি, জানো?

    তুমি যদি জিজ্ঞেস করো, আমি কোথায় জন্মেছি, তাহলে আমি বলব রাস্তায়।

    তার মানে?

    আন্দাজ করো।

    ট্রেনের মধ্যে? প্লেনে? গাড়িতে যেতে যেতে?

    না, হল না।

    তাহলে? এ তো খুব শক্ত ধাঁধা দেখছি?

    আমি তোমাকে আমার জন্মস্থান দেখিয়েও দিতে পারি। সেটা সত্যিই একটা রাস্তা।

    ব্যাপারটা কী, খুলে বলো!

    আমরা তখন দুবরাজপুরে থাকতাম। মানে, আমার মা আর বাবা থাকতেন। আমি তো তখন পৃথিবীতে ছিলামই না। তারপর আমি জন্মালাম। একটা ছোট্ট সুন্দর সাদা একতলা বাড়ি। এখন সে বাড়িটা নেই। সেই বাড়িটা ভেঙে এখন সেখান দিয়ে একটা রাস্তা হয়েছে। বাস যায়, ট্রাক যায়।

    মনোলীনা খুব হাসতে লাগল। তারপর হাতের বইগুলো ঘাসের ওপর ছুড়ে দিয়ে বললে এখানে বসবে?

    শুভ্র বলল না। রোদ্দুরের মধ্যে আমি হাঁটতে পারি, কিন্তু বসে থাকতে ভালো লাগবে না।

    মনোলীনা বলল তাহলে ওই গাছের নীচে। মোট কথা মাঠে বসব, বেঞ্চিতে না।

    গাছটার তলায় গিয়ে মনোলীনা বসলেও না, সোজা শুয়ে পড়ল। জায়গাটা খুব পরিষ্কার নয়, কিছু আখের ছিবড়ে পড়ে আছে। দু-একটা আইসক্রিমের গেলাস। মনোলীনা সেসব গ্রাহ্য করল না।

    শুভ্রর একটু অস্বস্তি লাগছে। একটা মেয়ে মাঠের মধ্যে এরকমভাবে শুয়ে থাকলে পথচারীরা ফিরে ফিরে তাকাবেই। তবু শুভ্র ঠিক করল, সে মনোলীনার কোনো ইচ্ছেতেই বাধা দেবে না।

    আমি যখন জন্মাই, তুমি তখন কোথায় ছিলে।

    শুভ্র একটু হিসেব করে নিয়ে বললে খুব সম্ভব বিলেতে। আমি উনিশ বছর বয়েসে বিলেতে গিয়েছিলাম পড়তে।

    অনেকদিন ছিলে?

    প্রায় দশ বছর।

    আর তুমি যখন জন্মাও, তখন আমি কোথায় ছিলাম?

    শুভ্র এবার হাসলে। এরকম অদ্ভুত প্রশ্ন কোনো মেয়ের কাছ থেকে কখনও শোনেনি শুভ্র। সে যখন জন্মায়, তখন মনোলীনা কোথায় ছিল?

    শুভ্র বলল ওই যে রবীন্দ্রনাথের কবিতা আছে না। ‘ইচ্ছা হয়েছিল মনের মাঝারে—’! তোমার নামটাও এদিক থেকে খুব সার্থক!

    তুমি কবিতা পড়ো বুঝি?

    কেন ইঞ্জিনিয়ারদের বুঝি কবিতা পড়তে নেই? এখন অবশ্য সময় পাই না, কিন্তু এককালে পড়তাম।

    বিলেতে যাবার আগে তুমি কোনো মেয়ের প্রেমে পড়োনি?

    না। বিলেত যাবার পরই!

    তুমি ইংরেজিতে প্রথম প্রেম করেছো?

    তাও না। বিলেতে গিয়ে আমি একটি বাঙালি মেয়েরই প্রেমে পড়েছিলাম।

    সেই মেয়েটিই হাসিদি?

    উঁহু। হাসির সঙ্গে আমি প্রেম করেছি দেশে ফিরে এসে।

    তাহলে সেই মেয়েটি, যাকে তুমি প্রথম ভালোবেসেছিলে। তাকে তুমি বিয়ে করলে না, নাকি সেই তোমাকে বিয়ে করল না?

    সে-ই আমাকে বিয়ে করল না। তার বদলে সে টুপ করে মরে গেল।

    তাকে তোমার মনে আছে? তার মুখটা মনে আছে?

    হ্যাঁ, সব মনে আছে।

    কত বয়েস ছিল তার, যখন সে মরে যায়?

    প্রায় তোমারই বয়েসি ছিল।

    সেই জন্যই আমার খুব মরে যেতে ইচ্ছে করে। আমার মনে হয়, আমি যদি এখন মরে যাই, তাহলে আমাকে অনেকে অনেকদিন মনে রাখবে। নইলে, আমি সকলের কাছেই একদিন না একদিন পুরোনো হয়ে যাব।

    মনোলীনা, তুমি সত্যিই একটা অদ্ভুত মেয়ে!

    মনোলীনা একটুক্ষণ চুপ করে থেকে মাটি থেকে পটাং পটাং করে কয়েকটা ঘাস ছিঁড়ল। তারপর সেইগুলো শুভ্রর কোটের পকেটে ঢুকিয়ে দিয়ে বলল তোমাকে যে আজ ডেকে আনলাম, সেজন্য তুমি রাগ করেছ?

    শুভ্র বলল না, রাগ করব কেন? তবে একটু অবাক হয়েছি ঠিকই।

    অবাক হওয়াটাই তো খুব ভালো। আমার মানুষকে অবাক করে দিতে খুব ভালো লাগে।

    আমরা তো আজকাল চট করে অবাক হই না।

    জীবনে আমরা যতবার অবাক হই, তার চেয়ে অনেক বেশিবার রেগে যাই, তাই না? অথচ, আমরা কেউ রাগতে চাই না। অবাক হতে চাই।

    মেয়েটি এত সুন্দরভাবে কথাটা বলল যে, শুভ্র একটা তীব্র খুশি বোধ করল শরীরে। তার ইচ্ছে করল, মেয়েটিকে আদর করতে। কিন্তু এই দুপুরবেলা খোলা মাঠের মধ্যে।…তা ছাড়া মনোলীনার সঙ্গে তার পরিচয় মাত্র কয়েক দিনের।

    তবু সে হাত বাড়িয়ে মাটির ওপর ছড়িয়ে থাকা মনোলীনার একটা হাত চেপে ধরল। মনোলীনা হাত সরিয়ে নিল না, তার কোমল হাতের স্নিগ্ধ উত্তাপ উপহার দিল শুভ্রকে। তারপর বলল তুমিও শুয়ে পড় না এখানে!

    শুভ্র ভুরু উঁচু করে বলল, শুয়ে পড়ব!

    হ্যাঁ, কেন, তোমার ইচ্ছে করছে না? টাই আর কোট পরে তোমায় মজার দেখাচ্ছে। কোটটা খুলে ফেলে মাথার বালিশ করে নাও!

    হঠাৎ মাঠের মধ্যে শুয়ে পড়ব?

    এমনিতেই শুভ্রর চেনাশুনো কেউ তাকে এই দুপুরবেলা মাঠের মধ্যে বসে থাকতে দেখলে আঁতকে উঠবে। নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারবে না। শুভ্রজ্যোতি সেনগুপ্ত একজন বিরাট ব্যস্ত মানুষ। বিলেত থেকে ফেরার পরে শুভ্র কিছুদিন সরকারি দপ্তরে কাজ করেছিল, তারপর নিজের ফার্ম খোলে। সারা ভারত জুড়ে তাদের কাজ কারবার, এমনকি মালয়েশিয়াতেও কাজ করেছে কিছু। কাজের ব্যাপারে শুভ্র দারুণ সিরিয়াস। তা ছাড়া, সে হালকা স্বভাবের মানুষ নয়। সে নেশা করে না, বা মেয়েদের পেছনে ছোটাছুটি করে না। গোপনে যদি নারীদের উপভোগ করতে চাইতো সে, তা হলেও তার কোনো অসুবিধে ছিল না। প্রায়ই তাকে কলকাতার বাইরে যেতে হয়, টাকা দিয়ে সে মেয়েদের কিনতে পারে। কিন্তু শুভ্রর সে রকম ইচ্ছে হয় না। বিবাহিত জীবনে সে পরিতৃপ্ত।

    মনোলীনার সঙ্গে তার আলাপ মাত্র কয়েকদিন আগে। তার ছোটো শ্যালিকার বান্ধবী এই মেয়েটি। একটি নেমন্তন্ন বাড়িতে প্রথম পরিচয় হয়। সেদিন উৎসব ভাঙতে বেশ রাত হয়েছিল। তার ছোটো শ্যালিকা বলেছিল, শুভ্রদা, তুমি একটু আমার বান্ধবীকে ওর বাড়িতে পৌঁছে দেবে? অনেক রাত হয়ে গেছে, ওকে একা একা যেতে হবে…।

    হাসির জ্বর হয়েছিল বলে সেদিন সে নেমন্তন্ন বাড়িতে আসেনি। গাড়িতে আরও লোক উঠেছিল, সবাইকে নামাতে নামাতে গিয়েছিল শুভ্র। মনোলীনার বাড়ি সবচেয়ে শেষে। মনোলীনার বাড়ির সামনে এসেও গাড়ির মধ্যে অন্তত আধঘন্টা কথা বলেছিল দুজনে। প্রথম আলাপেই মনোলীনা তাকে ‘তুমি’ বলতে শুরু করেছিল। আজকালকার মেয়েরা বোধহয় এ রকমই বলে।

    সেদিন মনোলীনা বলেছিল—তুমি সবাইকে বাড়ি পৌঁছে দিলে, কিন্তু কারুর সঙ্গে একটাও কথা বললে না কেন?

    শুভ্র অপ্রস্তুত হয়ে বলেছিল কথা বলিনি? কই, বললাম তো!

    সে শুধু ভদ্রতার কথা। সবাই তোমাকে ধন্যবাদ জানাল, তুমি তার উত্তরে ভদ্রতা দেখালে। তুমি অন্য কথা ভাবছিলে? তুমি বুঝি সব সময় কাজের কথা ভাবো?

    প্রথম দিনের আলাপেই কেউ এ রকমভাবে কথা বলে না। তা ছাড়া, একটা কলেজেপড়া বাচ্চা মেয়ে…তার তুলনায় শুভ্র রীতিমতো একজন দায়িত্বপূর্ণ ভারিক্কি লোক।

    সেদিন গাড়ি থেকে নামবার সময় মনোলীনা বলেছিল—পাইপ খাও, এক এক সময় তোমার চোখ বুজে যায়—আমি লক্ষ করছিলাম। যারা লোকজনের মাঝখানে চোখ বুজে পাইপ টানে, তাদের সেই সময়টায় খুব বোকা বোকা দেখায়।

    শুভ্র এ কথা শুনে রাগ করবে না বিরক্ত হবে, ঠিক করতে পারছিল না। মনোলীনা তক্ষুনি আবার বলেছিল—এবার থেকে চেষ্টা করে চোখ খুলে রেখো…তুমি তো আর সত্যি সত্যি বোকা নও!

    শুভ্র এরপর তার ছোটো শ্যালিকা জয়িতাকে বলেছিল—তোমার বান্ধবীটি ভারী অদ্ভুত তো! কী রকম যেন কথা বলে…

    জয়িতা বলেছিল ওই মনোলীনা তো, কলেজে ওকে অনেকে পাগলি বলে কিন্তু দারুণ ভালো মেয়ে। মনটা একেবারে সোনার মতন।

    দু-তিনদিন বাদেই মনোলীনা একদিন ওদের বাড়িতে এসে হাজির। কয়েক মিনিটেই হাসির সঙ্গে তাঁর দারুণ ভাব হয়ে গেল। কোনো রকম আড়ষ্টতা না দেখিয়ে সে ঘুরে ঘুরে দেখল সব কটা ঘর। শুভ্রর ঘরের দেয়ালে একটা ছবি বাঁকা হয়ে ঝুলেছিল, সেটাকে সোজা করে দিল। চা খেল তিন কাপ। তখন টেলিভিশানে সিনেমা শুরু হবার কথা, তাকে বলা হয় সিনেমা দেখে যেতে। কিন্তু সে তক্ষুনি হাতের বইগুলো নিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলেছিল—না, আমাকে এক্ষুনি যেতে হবে।

    সে কেন এসেছিল, কেন হঠাৎ চলে গেল, কিছুই বোঝা যায়নি। সে যাবার পর দেখা গেল, একখানা বই সে ফেলে গেছে।

    আজ সে হঠাৎ শুভ্রর অফিসে এসে হাজির। শুভ্র তখন বোর্ড মিটিং-এ ব্যস্ত ছিল। অন্য যে কেউ হলে সে দেখাই করত না। কিন্তু হাজার হোক একটি যুবতী মেয়ে এবং ছোটো শ্যালিকার বান্ধবী, সুতরাং পুরোপুরি অবজ্ঞা করা যায় না। হাতের কাজ খানিকটা সরিয়ে রেখে সে মনোলীনাকে নিজের ঘরে ডেকে পাঠিয়ে জিজ্ঞেস করেছিল, কী ব্যাপার!

    যেন কতকালের চেনা, এইরকমভাবে মনোলীনা বলেছিল, তোমার অফিসটা দেখতে এলাম! একজন মানুষকে শুধু নেমন্তন্ন বাড়িতে দেখলে চেনা যায় না। নিজের বাড়িতে, অফিসে সে নিশ্চয়ই আলাদা আলাদা মানুষ!

    শুভ্র বলেছিল, বিভিন্ন পরিবেশে মানুষ তো খানিকটা আলাদা হয়ে যায়ই। এতে আর আশ্চর্য কী আছে?

    তুমি আমার সঙ্গে একটু বেরুবে? গঙ্গার ধারে বেড়াতে যাব।

    শুভ্র আকাশ থেকে পড়েছিল। অফিসে হাজার ব্যস্ততার মধ্যে নিশ্বাস ফেলার পর্যন্ত সময় থাকে না। অন্যের অফিস নয় যে, শুভ্র মাঝে মাঝে ফাঁকি মারবার চেষ্টা করবে। এটা তার নিজের অফিস। তা ছাড়া দুপুরবেলা গঙ্গার ধারে বেড়ানো …সে তো কলেজের ছেলেদের ব্যাপার।

    শুভ্র বলেছিল, তোমার গঙ্গার ধারে বেড়াতে ইচ্ছে করছে…আমার সঙ্গে…কেন, তোমার নিজের বন্ধু টন্ধু নেই?

    মনোলীনা বলেছিল, কেন থাকবে না, অন্য অনেকের সঙ্গেই তো বেড়াতে যাই…আজ তোমার সঙ্গেই যেতে ইচ্ছে করছে, তুমি যাবে না?

    শুভ্র বলতে যাচ্ছিল, না, এটা একটা অবাস্তব ব্যাপার। অফিসের জরুরি কাজকর্ম ফেলে সে একটা বাচ্চা মেয়ের সঙ্গে গঙ্গার ধারে হাওয়া খেতে যাবে? মনোলীনা সরল ঝকঝকে দুটি চোখ মেলে তাকিয়েছিল তার দিকে। যেন এই মেয়েটিকে কিছুতেই আঘাত দেওয়া যায় না।

    তখন হঠাৎ শুভ্র ভেবেছিল, একদিন নিয়মের ব্যতিক্রম করলেই বা ক্ষতি কী? দেখাই যাক না, এই মেয়েটি তার কাছে কী চায়। অফিসের সমস্ত লোককে বিস্মিত করে শুভ্রজ্যোতি সেনগুপ্ত দুপুর তিনটের সময় বেরিয়ে পড়েছিল একটি সুন্দরী যুবতী মেয়ের সঙ্গে।

    শুভ্র বলল, আমি টাই পরে আছি বলে তোমার খারাপ লাগছে। আচ্ছা, খুলে ফেলছি।

    মনোলীনা বলল, তুমি এই মাঠের ওপর শুয়ে পড়তে লজ্জা পাচ্ছ? কিন্তু, শুয়ে থাকলে কতখানি আকাশ দেখা যায়…শুয়ে আকাশ দেখা মানুষের ভাগ্যে খুব কম হয়…

    শুভ্র খুলে ফেলল কোটটা। সেটা সাবধানে ভাঁজ করে রেখে সেও শুয়ে পড়ল, হচ্ছে যখন, ছেলেমানুষির চূড়ান্ত হোক। এই অবস্থায় শুয়ে থাকা আইনবিরুদ্ধ কিনা কে জানে! যদি তাদের পুলিশে ধরে।

    মনোলীনা পাশ ফিরল শুভ্রর দিকে। শুভ্রর বুকের ওপর সে নিজের এক হাত রেখে বলল, তুমি জান না, তোমার মুখখানা এখন একেবারে অন্য রকম দেখাচ্ছে! তুমি নিজেই দেখলে বোধহয় চিনতে পারবে না।

    শুভ্র বলল, আমি এখন সত্যিই একটা অন্য মানুষ!

    তুমি ফুল ফোটা দেখেছ?

    ফুল ফোটা মানে? কী ফুল?

    যে-কোনো ফুল। গাছে প্রথমে একটা কুঁড়ি এল, তারপর আস্তে আস্তে একটু একটু করে সেটা ফুটল, একদিন পুরোপুরি ফুল হল, তারপর আবার ঝরে গেল…

    না দেখিনি…ফুল অনেক দেখেছি, ফুলের মালা…ফ্লাওয়ার ভাসে সাজানো ফুল।

    ফুলের চেয়েও ফুল ফোটা বেশি ভালো লাগে।

    কী করে দেখবো বলো…আমরা শহুরে মানুষ।

    অনেক বাড়ির ছাদে ফুলের টব থাকে।

    হাসি কয়েকটা টব রেখেছিল ছাদে, তারপর ঠিক মতন যত্ন নিতে পারেনি।

    তুমি যত্ন করোনি?

    আমি? আমার সময় কোথায়?

    একটি অল্পবয়েসি বাচ্চা এসে দাঁড়িয়েছে ওদের পাশে। পয়সা চাইছে। গাছতলার ছায়ায় স্নিগ্ধ বাতাসের মধ্যে শুয়ে থেকে শুভ্র যেন সত্যিই এক নতুন জীবনের স্বাদ পেয়েছে। এ সময় ভিখিরির উৎপাত তার ভালো লাগলো না। ভিখিরিদের বিদায় করার সবচেয়ে ভালো উপায় দুটো-চারটে পয়সা দিয়ে বিদায় করা। কিন্তু একজনকে দিলেই আরও আসবে। তা ছাড়া, শুভ্রর কাছে একেবারেই খুচরো পয়সা নেই।

    এই যাও।

    কিন্তু ছেলেটি যাবে না। বিরক্তি সৃষ্টি করাই তার অস্ত্র। শুভ্র বেশ জোরে বকুনি দিল ছেলেটিকে।

    মনোলীনা তার ছোট্ট ব্যাগ খুলে একটা দশ পয়সা বার করে শুভ্রর হাতে দিয়ে বলল এই নাও!

    মনোলীনা তো নিজেই ভিক্ষে দিতে পারত ছেলেটিকে। তার বদলে পয়সাটা সে শুভ্রর হাতে দিল কেন? শুভ্র একটু ক্ষুণ্ণ হল। খুচরো পয়সা থাকলেও সে তো পুরো একটা টাকাই দিয়ে দিতে পারত ছেলেটিকে। তার কাছে এক টাকার দাম কিছুই নয়।

    মনোলীনা কি ওই দশ পয়সা শুভ্রকেই ভিক্ষে দিল? পয়সাটা সে ছুড়ে দিল ছেলেটির দিকে। বলল এরপর আরও ছেলেরা আসবে।

    মনোলীনা বলল আমার কাছে আরও খুচরো পয়সা আছে।

    টাটকা হাওয়ায় শুভ্র জোরে জোরে নিশ্বাস নিতে লাগল। এমনকি তার পাইপ ধরাবারও ইচ্ছে হল না। এতক্ষণে সে একবারও পাইপ খায়নি।

    মনোলীনা, আমার মনে হচ্ছে আমি তোমার সমান বয়েসি হয়ে গেছি।

    তুমি বুঝি নিজেকে খুব বড়ো ভাব?

    বয়সের দিক থেকে তো বটেই, সেটা তো আর অস্বীকার করার উপায় নেই। তা ছাড়া আমি ভীষণ একটা কাজের জগতে, ব্যস্ত জগতে ঢুকে গিয়েছিলাম… কোনোদিন দুপুরবেলা আকাশের নীচে শুয়ে থাকার কথা স্বপ্নেও ভাবিনি…তুমি ভাগ্যিস আমাকে ডেকে আনলে…তা তোমার কাছে আমি কতটা কৃতজ্ঞ।

    আমরা অনেকে এরকম প্রায়ই আসি…শুয়ে শুয়ে আকাশ দেখি।

    আমাকে তোমাদের দলে নেবে?

    উত্তর না দিয়ে মনোলীনা হাসল শুধু। শুভ্রর ইচ্ছে করল, ওই নির্মল হাসিটুকু সে মনোলীনার ওষ্ঠ থেকে চেটে নেয়। এরকম ইচ্ছে তার আগে কখনও হয়নি। আজ সে বাচ্চা বয়সের মতন উত্তেজনা বোধ করছে।

    মনোলীনা বলল তুমি এমন কোনো জায়গা জানো, যেখানে কোনো অশান্তি নেই, দুঃখ নেই, হিংসে নেই, লোভ নেই।

    শুভ্র বলল সেরকম জায়গা পৃথিবীতে আবার আছে নাকি। আমার তো মনে হয় না।

    আছে।

    আছে? কোথায়? তুমি সেরকম জায়গা খুঁজে পেয়েছ?

    না, এখনও খুঁজে পাইনি। কিন্তু কোথাও না কোথাও আছে নিশ্চয়ই…যতদিন সে জায়গাটা খুঁজে না পাই, ততদিন মনে মনে সেরকম জায়গা বানিয়ে নিতে পারি…এরকম আকাশের নীচে শুয়ে, চোখ বুজে…তুমি চোখ বুজে দেখো…

    শুভ্র সত্যিই চোখ বুজল? অমনি তার মনে পড়ে গেল অফিসে ফেলে রেখে আসা কাজের কথা। সে বিরক্ত হয়ে উঠল নিজের ওপর। সব কিছু ভুলে যেতে চাইল। একটু পরেই মনে হল, সে বুঝি হঠাৎ ঘুমিয়ে পড়বে। ঘুমের মধ্যে একটা লোভহীন, হিংসাহীন শান্তিময় জায়গা আছে বটে।

    শুভ্র উঠে বসল। মনোলীনা তখনও চোখ বুজে আছে। এই মেয়েটি তার কাছে কী চায়?

    মনোলীনা, সত্যি করে বলো তো, তুমি আমাকে এখানে ডেকে আনলে কেন?

    এমনিই!

    এমনিই? কিন্তু …যদি আমার নেশা ধরে যায়? যদি আমি বারবার তোমার সঙ্গে এখানে আসতে চাই?

    তা তুমি চাইবে না!

    যদি চাই?

    আমাকে ডেকো, আমি আসবো!

    কিন্তু কেন আসবে? আমি তোমার কে? তোমার নিশ্চয়ই অনেক সমবয়সি বন্ধু-বান্ধব আছে…ইস, পাঁচটা বাজল, আমাকে অফিসে যে একবার ফিরতেই হবে।

    চল, ফিরে যাই।

    যেতে ইচ্ছে করছে না। কিন্তু উপায় নেই, যেতেই হবে, একবার অন্তত, কিছু বলে আসিনি…আমি না ফেরা পর্যন্ত অনেকে বসে থাকবে।

    চলো।

    তুমি কোনদিকে যাবে?

    আমি অন্যদিকে…একটু এগুলেই বাস পেয়ে যাবো।

    আমি ট্যাক্সি নিচ্ছি, তোমায় কোথাও নামিয়ে দেবো?

    না।

    তুমি আর কখনও নিজে থেকে এসে আমায় ডাকবে?

    কী জানি।

    আজ তবে কেন এলে? কেন হঠাৎ ডাকলে?

    এমনিই ইচ্ছে হল।

    মনোলীনা, তুমি এত সুন্দর…তুমি আজ আমাকে কী চমৎকার দুটি ঘন্টা উপহার দিলে…যদি আবার তোমার সঙ্গে দেখা করতে চাই…কিংবা যদি আমি তোমাকে ভালোবাসতে চাই।

    মানুষকে মানুষ ভালোবাসবে, এই তো স্বাভাবিক।

    সেরকম ভালোবাসা নয়…আমি যেন তোমাকে বহুকাল ধরে চিনি, তুমি আর আমি খুব কাছের মানুষ।

    চোখ বুজে পাশাপাশি শুয়ে থাকলে এই রকম মনে হয়। তারপর চোখ খুলে খানিকক্ষণ চেয়ে থাকবার পর সেটা ভেঙে যায়।

    মনোলীনা চট করে উঠে দাঁড়াল, তারপর শুভ্রর দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললে ওঠো, তোমার দেরি হয়ে যাবে।

    শুভ্রর পিঠে ধুলো লেগেছিল, মনোলীনা সযত্নে ঝেড়ে দিল পিঠটা। শুভ্র যেন শিশু একটা। তারপর শেষ বিকেলের রঙিন আলোর মতন ঝলমলিয়ে হেসে মনোলীনা বলল, যারা খুব কাছের মানুষ, কিছুক্ষণের জন্য তাদের কাজ ভুলিয়ে দিতে আমার খুব ভালো লাগে।

    আবার দেখা হবে?

    হ্যাঁ, যখন তোমার ইচ্ছে হবে।

    আর দেরি করা যায় না। শুভ্রকে এগিয়ে আসতেই হল রাস্তার দিকে। সহজেই পাওয়া গেল ট্যাক্সি। কিন্তু মনোলীনা কিছুতেই রাজি হল না সেই ট্যাক্সিতে চাপতে। সে হাঁটবে। শুভ্রর ট্যাক্সি ঘুরে গেল উল্টো দিকে। পেছন দিকে ঘাড় ঘুরিয়ে সে অনেকক্ষণ ধরে দেখল। মনোলীনা মাথা নীচু করে হাঁটছে আস্তে আস্তে। যেন সে দিগন্তের মধ্যে মিলিয়ে যাবে।

    পাইপ জ্বালবার জন্য কোটের পকেটে হাত দিয়ে অন্য কী যেন টের পেল শুভ্র। এক মুঠো ঘাস। মনোলীনা এক সময়ে তার পকেটে ভরে দিয়েছিল। সেগুলো ফেলে দিতে গিয়েও ফেলল না শুভ্র। অফিসে ফিরে এসে রেখে দিল নিজের ড্রয়ারে।

    তারপর আবার আগেকার মতন দিন কাটতে লাগল, সেই একঘেয়ে ব্যস্ততায়। এক সপ্তাহের মাথাতেই তাকে অফিসের কাজে যেতে হল দিল্লি। ফিরে এল দুদিন বাদেই। মনোলীনা আর আসেনি। মনোলীনার কথা হঠাৎ হঠাৎ মনে পড়ে যায় শুভ্রর। এক এক সময় বুকটা মুচড়ে ওঠে।

    মনোলীনাকে যখন সে জিজ্ঞেস করেছিল, আবার দেখা হবে? তার উত্তরে সে বলেছিল, যখন তোমার ইচ্ছে হবে। শুভ্রর কি ইচ্ছে হয় না। কিন্তু ইচ্ছেটাই সব নয়!

    মনোলীনা তার কাছে কিছু চায়নি। শুভ্র খুব ভালোমতন ভেবে দেখেছে, মেয়েটির অন্য কোনো মতলব ছিল না। সে শুভ্রকে প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমে পড়তে চায়নি। শুভ্রর টাকা পয়সা, প্রতিপত্তি আছে, কিন্তু সে সম্পর্কে কোনো আগ্রহই দেখায়নি মনোলীনা। একটা পয়সা খরচ হয়নি তার জন্য। বরং মনোলীনাই দশটা পয়সা দিয়েছিল শুভ্রর হাতে। যেন সে প্রচুর সম্পত্তির মালিক সেইভাবে বলেছিল, আরও অনেক খুচরো পয়সা আছে।

    মনোলীনা আর কিছু চায়নি, শুধু তার ইচ্ছেটুকু চেয়েছিল। কিন্তু ইচ্ছেটাই সব নয়। ইচ্ছে থাকলেও শুভ্র আর গঙ্গার ধারে মাঠের ওপর দুপুরবেলা শুয়ে থাকার সময় করতে পারে না। মনোলীনাকে খুঁজে বার করার চেষ্টাও সে করেনি। তার ছোটো শ্যালিকা জয়তীর কাছে মনোলীনার খোঁজ নিতে লজ্জা পেয়েছে। এমনকি মনোলীনার বাড়িও সে চেনে। একদিন মাঝ রাতে পৌঁছে দিয়েছিল। কিন্তু শুভ্র কি হঠাৎ মনোলীনার বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বলতে পারে, তুমি আমার সঙ্গে বেড়াতে চলো। তা হয় না। সে শুভ্রজ্যোতি সেনগুপ্ত, দারুণ ব্যস্ত মানুষ, এসব ছেলেমানুষি তাকে মানায় না।

    মাঝে মাঝে টেবিলের ড্রয়ার খুলে সে সেই ঘাসগুলো দেখে। শুকিয়ে বিবর্ণ হয়ে এসেছে। তবু থাক। শুভ্রর দীর্ঘশ্বাস পড়ে। সেই গাছের তলায় ঘাসের ওপর চিৎ হয়ে শুয়ে থাকা দুপুরবেলা, তার বুকের ওপর মনোলীনার একটা হাত, সেই দৃশ্যটা যেন স্বপ্ন মনে হয়। কিন্তু স্বপ্ন তো নয়, ঘাসগুলো রয়েছে।

    মনোলীনা জিজ্ঞেস করেছিল, তুমি যখন জন্মেছিলে, তখন আমি কোথায় ছিলাম?

    শুভ্র বলেছিল, ‘ইচ্ছে হয়ে ছিলে মনের মাঝারে’।

    এখন, শুভ্রর বুকের মধ্যে মনোলীনা একটা ইচ্ছে হয়েই রইল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    স্বর্ণলতা

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    স্বপ্নের নেশা

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনার কাঠির স্পর্শ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }