Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প596 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্বর্গের বারান্দায়

    আমি প্রায়ই স্বর্গের স্বপ্ন দেখি। আমি এমনিতেই স্বপ্ন দেখি একটু বেশি, বলা যায় স্বপ্ন দেখা আমার রোগ বিশেষ। আমার পেট ও মাথা দুই-ই গরম, কোনো রাত্রেই ভালোভাবে ঘুম হয় না, তাই সিনেমার মতো অজস্র স্বপ্ন আমার চোখের সামনে ভেসে যায় এবং অধিকাংশ স্বপ্নই তার পরের সকালবেলাতেও আমার মনে থাকে। সেই সব স্বপ্নের ব্যাখ্যা করতে দিলে ফ্রয়েড কিংবা ইয়ুং সাহেবরাও হিমসিম খেয়ে যেতেন।

    অন্যান্য লক্ষ লক্ষ স্বপ্নের মধ্যে স্বর্গের স্বপ্নটাই ঘুরে ফিরে আসে। এই স্বপ্নটাতে আমি অত্যধিক উল্লসিত হয়েও উঠি না কিংবা ভয়ও পাই না। স্বর্গ আমার চেনা হয়ে গেছে। এই স্বর্গের সঙ্গে কিন্তু পুরাণে-ধর্মশাস্ত্রে বর্ণিত স্বর্গের দৃশ্যের কোনো যোগ নাই। আমার স্বপ্নে দেখা স্বর্গে কখনো দেবদেবীদের দেখিনি, অপ্সরা-উর্বশীদেরও দেখিনি—একবার মাত্র কয়েক পলকের জন্য রম্ভা নামের নর্তকীকে দেখেছিলাম—যমরাজ বা চিত্রগুপ্তকেও দেখিনি।

    আমার দেখা স্বর্গ অনেকটা সুন্দরভাবে সাজানো কোনো ডাকবাংলোর মতন। পাহাড়ি জায়গায় ডাকবাংলোর মতন বেশ খানিকটা উঁচু ভিতের ওপর একটা ধবধবে সাদা রঙের বাড়ি, অনেকগুলি কাচের দরজা ও জানালা। সামনে বেশ বড়ো একটি পরিচ্ছন্ন বাগান, বাড়িটার পিছনে অরণ্য। তবে স্বর্গে মাত্র ওই একটাই মোটে বাড়ি তো হতে পারে না, তাই আমার মনে হয়, ওই অরণ্যের মধ্যে আরও অনেক বাড়ি আছে—সেগুলো আমি দেখিনি। সামনের ওই বাড়িটা স্বর্গের বিশ্রাম-গৃহ, তাই ডাকবাংলোর মতন চেহারা। বহুদূরের পথ পেরিয়েই তো মানুষ স্বর্গে পৌঁছবার পর ওই বাড়িতে প্রথমে একটু বিশ্রাম নেয়।

    ওই দৃশ্যটাই যে স্বর্গের দৃশ্য, তা আমি চিনলাম কী করে?

    কোথাও তো কোনো সাইন-বোর্ড লেখা নেই! তবু আমি ঠিকই চিনেছিলাম। আমি জীবনে বহু ডাকবাংলোতে থেকেছি কিন্তু ওই বাড়িটা দেখামাত্রই বুঝতে পেরেছিলাম, এটা সব কিছুর থেকে আলাদা। তাকিয়ে থাকলেই চোখ জুড়িয়ে যায়। মনে হয়, যদি ওখানে আশ্রয় পাওয়া যেত তাহলে জীবনে আর কিছু চাই না।

    সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল, সামনের বাগানটুকু। অসংখ্য ফুল ফুটে আছে। অথচ একটাও চেনা ফুল নয়। সবুজ, কালো কিংবা বেগুনি রঙের ফুল কি পৃথিবীতে তেমন দেখা যায় , স্বর্গের বাগানে বেগুনি রঙের প্রাধান্য। রামধনুর প্রথম রং বেগুনি বলেই বোধ হয় এরকম। পৃথিবীতে এক ধরনের লাল শাক আছে, ইট চাপা ঘাসের রং হয় হলদে, এ ছাড়া সব গাছই সবুজ। ওই বাগানের সব গাছই বেগুনি এবং সেই গাছগুলোর ভেতর থেকে আলো বেরোয় ঠিক যেন ফ্লুরোসেন্ট ল্যাম্প দিয়ে তৈরি করা হয়েছে অথচ তৈরি নয়, সজীব।

    প্রথমবার এই দৃশ্যটাই দেখে ঠিক চিনতে পারিনি অবশ্য গাছগুলো দেখেই বিস্মৃত হয়েছিলাম আমি যেন বেড়াতে বেড়াতে সেই বাগানের কাছে গেছি, ফুলগাছগুলো দেখে অবাক। ভাবছি এগিয়ে গিয়ে ফুল ছিঁড়ে নেব কিন্তু পরের বাগানের ফুল কাউকে না জিজ্ঞেস করে নেওয়া উচিত নয়। খানিক পরে এক ভদ্রমহিলাকে দেখতে পেলাম। তিনি নীচু হয়ে ফুলের গন্ধ শুঁকছেন। মেমসাহেবরা সাঁতার কাটার সময় যেটুকু পোশাক পরে, মহিলার শরীরে সেইটুকু পোশাক। কিন্তু সবচেয়ে বেশি দৃষ্টি আকর্ষণ করে মহিলার উরু দুটি। কলাগাছের মতন সুডৌল এবং এত মসৃণ ও ঝকঝকে যে মনে হয় ভেতর থেকে আলো বেরুচ্ছে, কলাগাছেরই মতন সবুজ ও হলদে মেশা আলোর আভা। পরে জেনেছিলাম, ওই মহিলারই নাম রম্ভা। লোকে কথায় কথায় রম্ভোরু বলে না?

    আমি বাগানের বাইরে থেকে ভদ্রমহিলাকে বললাম, ফুলগুলো আশ্চর্য সুন্দর তো! এই জায়গাটার নাম কী?

    মহিলা উত্তর দিলেন, আপনি জানেন না? লোকে এই জায়গাটাকে স্বর্গ বলে।

    শুনে একটুও চমকে উঠলাম না। বরং আমার মনে হল, তা তো হবেই। স্বর্গ না হলে এ রকম হয়!

    আমি ওঁকে অনুরোধ করলাম, শুনুন, আপনি আমাকে ফুলগাছের একটা চারা দেবেন? মায়ের জন্য নিয়ে যাব। আমার মায়ের ফুল গাছের খুব শখ।

    মহিলা খুব স্বাভাবিকভাবে বললেন, ভিতরে আসুন না। ওই যে আপনার ডানদিকেই গেট আছে। একটু ঠেলা দিলেই খুলে যাবে।

    বুক সমান উঁচু কাচের তৈরি গেট। বাগানের ধারেও মেহেদি গাছের বেড়া, কাঁটা তার বা দেয়াল-টেয়াল নেই। একটু জোর করলে গেটটা ভেঙে ফেলা যায়, কিংবা লাফিয়ে ওপারে যাওয়া যায়। আমি সে-রকম কিছু করলাম না। আস্তে গেটে ঠেলা দিলাম। খুলল না। আমার খুব দুঃখ হল। ঘুম ভাঙার পরেও অনেকক্ষণ আমার বুকের মধ্যে সেই দুঃখবোধ চাপ বেঁধে ছিল। আমার জন্য স্বর্গের দরজা খুলল না, আমি কি পাপী? খানিকটা বাদে মনে পড়ল, আমি তো এখনও মরিইনি। আমার তো স্বর্গে যাবার প্রশ্নই ওঠে না। তখন মনটা হালকা হয়ে গেল।

    এরপর মাঝে মাঝেই আমি স্বর্গের স্বপ্ন দেখছি। যেদিন আমি কোনো জায়গা থেকে বড়ো রকমের মানসিক আঘাত পাই, সেই রাত্রেই স্বর্গের স্বপ্ন আমার চোখে আসে। কখনো আর ঢোকার চেষ্টা করিনি ভিতরে। দাঁড়িয়ে থেকেছি বাগানের পাশে। দেখতাম মাঝে মাঝেই অনেক নারী পুরুষ বাইরে থেকে এসে দাঁড়াচ্ছে ওই গেটের সামনে। কেউ কেউ হাত দিয়ে ঠেললেই আপনি খুলে যাচ্ছে গেট। তখন তারা বাগানের মধ্য দিয়ে হেঁটে গিয়ে উঠছে সেই সাদা বাড়িটার বারান্দায়। সঙ্গে সঙ্গে তাদের চেহারাগুলো ভারি সুন্দর হয়ে যাচ্ছে। আবার কোনো কোনো মানুষ গেট ঠেললেও খুলছে না। তখন তাদের চোখে জল আসে। সেই জলের ফোঁটা মাটিতে পড়ার আগেই তারা অদৃশ্য হয়ে যায়। আমি এ পর্যন্ত আমার পরিচিত কোনো মানুষকে স্বর্গের গেট ঠেলে ভেতরে ঢুকতে দেখিনি। একবার শুধু…

    তার আগে দুটি মৃত্যুর কথা বলা দরকার আমার যখন আঠাশ বছর বয়স সেই সময় আমি পশ্চিম দিনাজপুর থেকে একটি প্রেমপত্র পাই। বন্দনা সরকার নামে একটি মেয়ে আমার লেখা-টেখা পড়ে মুগ্ধ হয়ে গেছে। আমাকে তার ভীষণ ভালো লাগে ইত্যাদি। চিঠির শেষে সে আমার উদ্দেশে দু-লাইন কবিতাও লিখেছে। যেহেতু সেই চিঠিতে তিনটি বানান ভুল ছিল, তাই সে চিঠির উত্তর আমি দিইনি।

    মাস দু-এক পরে সেই মেয়েটিই আমাকে চিঠি লিখল ডায়মন্ডহারবার থেকে। এবং আর তিন মাস পরে আবার মেদিনীপুর থেকে। ব্যাপারটা একটু রহস্যময় লাগতে শুরু করেছিল। কিন্তু রহস্যভেদের কোনো উদ্যোগ করিনি, কারণ মেয়েটির চিঠিতে বানান ভুলের সংখ্যা কমেনি। তারপর মেয়েটি নিজেই একদিন আমার বাড়িতে এসে হাজির হল।

    বন্দনা বলেছিল ওর বয়েস তখন পঁচিশ, কারণ ও জানত আমার বয়েস তখন আঠাশ। আসলে বন্দনা তখন তিরিশ ছুঁয়েছে এবং দেখলেই বোঝা যায়। বন্দনা স্কুল মাস্টারি করে এবং এক জায়গায় তার মন টেকে না বলে ঘনঘন চাকরি বদলায়। আমি তাকে বলেছিলাম, স্কুল শিক্ষয়িত্রীর পক্ষে এ রকম বানান ভুল করা উচিত নয়—তার উত্তরে সে জানিয়েছিল যে, সে অঙ্কের টিচার, বাংলা বানান তার ভালো না জানলেও চলে। তা হয়তো ঠিক, কিন্তু বানান ভালো না জেনে যে প্রেমপত্র লেখা চলে না, এটা কে তাকে বোঝাবে!

    আমার সেই বয়সে কত বন্ধু-বান্ধব, কত হই-হুল্লোড় আড্ডা। সারা শহর তোলপাড় করে ছোটাছুটি, জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা চলছে। কখনো অসম্ভব নেশা করে গুন্ডাদের সঙ্গে জুয়া খেলতে যাই, কখনও শ্মশানে গিয়ে কোরাস গান করি। মেয়েদের প্রতি নিষ্ঠুর ব্যবহার করা ছিল তখন আমার প্রিয় বিলাসিতা। বিশেষত, একটি মফস্বলের মেয়েকে নিয়ে ব্যাপৃত থাকার কোনো সময়ই আমার ছিল না।

    বন্দনার চিঠির বানান ভুল অনায়াসে ক্ষমা করা যেত, যদি তার শরীরে রূপ থাকত। অবশ্য কোনো রূপসি মেয়ে আমাকে প্রেমপত্র পাঠাবেই বা কেন? বন্দনাকে ঠিক কুৎসিতও বলা যায় না—লম্বাটে ধরনের চেহারা, গায়ের রং মাজা মাজা, নাক চোখও ঠিকঠাক। তবু তার চেহারায় এমন একটা কিছু ছিল, যে জন্য তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে না। বন্দনার প্রধান দোষ ছিল চোখ পিটপিট করা। কোনো মেয়ের এই রোগ আমি আগে দেখি নি, বন্দনা আমার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে আর অনবরত চোখ পিটপিট করছে, দেখলেই কী রকম অস্বস্তি লাগে। শুকনো ভদ্রতা দেখিয়ে বন্দনাকে আমি বিদায় করলাম। তবু বন্দনা নিয়মিত চিঠি লেখে। আমি উত্তর দিচ্ছি না অথচ একজন আমাকে নিয়মিত চিঠি লিখে যাচ্ছে এও তো এক দারুণ যন্ত্রণা। বন্দনার পর পর আটখানা চিঠি পাবার পর আমি সংক্ষিপ্ত ভদ্রতায় একবার উত্তর দিলাম। তাতে বন্দনা এত বেশি উৎসাহিত হয়ে উঠল যে দু-দিন পরেই স্কুল কামাই করে দেখা করতে এল আমার সঙ্গে, আমাদের বাড়ির বসবার ঘরে সে বসে রইল দু-ঘন্টা, আমি ব্যস্ততার ইঙ্গিত করাতেও উঠল না। টেবিলের ওপর পড়ে থাকা আমার হাতের আঙুল নিয়ে সে খেলা করতে চায়। তখন তার চোখ পিটপিট করাও বেড়ে যায় খুব।

    এই অবস্থায় আমার করণীয় কী ছিল? আমার দোষ এই, আমি আমার কর্তব্য ঠিক করতে পারি না চট করে। বিশেষত, এই রকম অদ্ভুত সমস্যায় পড়লে। বন্দনা আমার প্রেমে পড়তে চায়। বস্তুত, আমার প্রেমে পড়ার জন্য সে বদ্ধপরিকর। আমি আমার কোনো লেখায় লিখেছিলুম, এ পর্যন্ত কোনো মেয়ে আমাকে ভালোবাসেনি। সেটা পড়েই বন্দনা ধরে নিয়েছিল, আমি খুব দুঃখী মানুষ এবং সে এসেছিল আমার উদ্ধারকর্তা হিসাবে। সে দেখিয়ে দিতে চায়, মেয়েরাও ভালোবাসতে জানে।

    ভদ্রতাসম্মতভাবে বন্দনাকে প্রত্যাখ্যান করার যতগুলি উপায় আছে সবগুলিই আমি ব্যবহার করেছি। বন্দনা কিছুতেই বুঝবে না। ওর ধারণা, এসব আমার অভিমানের কথা। কী যে মুশকিলে পড়া গেল।

    মোট কথা, বন্দনা তারপর থেকে অতিষ্ঠ করে তুলল আমার জীবন। স্কুলের ছুটি হলেই সে ঘন ঘন কলকাতায় চলে আসে এবং ছায়ার মতো আমায় অনুসরণ করে। ছোটোখাটো অপমান সে গায়েই মাখে না। বন্ধুরা আমাকে নিয়ে ঠাট্টা ইয়ার্কি শুরু করেছে।

    একদিন বন্দনা চোখে মুখে আতঙ্ক ফুটিয়ে আমার কাছে এসে বলল, তার বাবা মা তার বিয়ের সম্বন্ধ ঠিক করেছে।

    আমি উৎফুল্ল হয়ে বললাম, এ তো চমৎকার কথা। পাত্রটি কী করে?

    বন্দনা বলল, পাত্র একটি কলেজে পড়ায়। কিন্তু মরে গেলেও সে তাকে বিয়ে করবে না। আমি কি বন্দনাকে সাহায্য করব না?

    আমি কিঞ্চিৎ কঠোর ভাষাতেই জানালাম যে আমার কাছ থেকে কোনো কিছু যেন সে প্রত্যাশা না করে।

    বন্দনার আসল ইচ্ছাটি আস্তে আস্তে জানা গেল। ছেলেবেলা থেকেই তার প্রতিজ্ঞা সে কখনো বাপ-মায়ের পছন্দ করা পাত্রকে বিয়ে করবে না। সে কারুকে ভালোবাসবে, তারপর তার সঙ্গে যদি বিয়ে হয়—কিংবা তাকে যদি কেউ ভালোবেসে বিয়ে করতে চায়…। দীর্ঘ তিরিশ বছরের মধ্যে বন্দনার প্রেমে কেউ পড়েনি। এইজন্যই লোকের সঙ্গে পরিচয় হয়। বন্দনার চেয়ে ঢের খারাপ চেহারার মেয়ের প্রেমেও অনেক লোক পড়ে—কিন্তু বন্দনার কোনো প্রেমিক জোটেনি। এতদিন পর বাবা-মা জোর করে বিয়ে দেবার জন্য ব্যস্ত। তখন বন্দনা আমাকেই তার প্রেমিক হিসেবে বেছে নিয়েছে—তার কারণ আমার সেই লেখা, যার মধ্যে লিখেছিলাম, আমি কখনও ভালোবাসা পাইনি। দুর্ভাগ্য আর কাকে বলে! আমি তিন চারটি মেয়ের নাম বলেছি আমার প্রেমিকা হিসেবে—দুজনের সঙ্গে বন্দনার আলাপও করে দিয়েছি, তাও বন্দনা নিবৃত্ত হয় না।

    বাবা মায়ের ঠিক করা পাত্রের সঙ্গে বন্দনার বিয়ের কথা যত পাকা হতে লাগল বন্দনা ততই মরিয়া হয়ে উঠল। একদিন আমার কাছে এসে একটা অদ্ভুত প্রস্তাব দিল। বন্দনা বেশ কয়েক বছর মাস্টারি করে সাতশো টাকা জমিয়েছে, সেই টাকা নিয়ে সে আমার সঙ্গে ছুটিতে বাইরে কোনো হোটেলে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে কাটিয়ে আসতে চায়! বিয়ে না হয় না-ই হল, তবু তো সাতটা দিন তার জীবনে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

    সেই প্রস্তাব শুনে আমি নিষ্ঠুরের মতো বলেছিলাম, সাতশো টাকার বদলে তুমি যদি সত্তর হাজার টাকা আনতে তাহলে না হয় চিন্তা করে দেখা যেত। তুমি বরং অন্য কোনো ছেলেকে খুঁজে নাও। অন্য অনেকে রাজি হতে পারে। যদি চাও তো আমিই অন্য ছেলে জোগাড় করে দিচ্ছি।

    বন্দনা সেদিন কেঁদে ফেলেছিল। আমারও অসহ্য লেগেছিল তখন।

    দিন দশেক বাদে পি. জি. হাসপাতাল থেকে একটা চিঠি পেলাম। পেন্সিলে লেখা খামটাও খুব ময়লা। বন্দনার চিঠি। লিখেছে যে হঠাৎ তার পেটে খুব ব্যথা হওয়ায় ও হাসপাতালে ভরতি হয়েছে। আমি যেন অবশ্যই ওর সঙ্গে দেখা করি। চিঠি লেখার সরঞ্জাম অতি কষ্টে জোগাড় করতে হয়েছে।

    হাসপাতালের ত্রিসীমানায় আমি পারতপক্ষে যাই না। বন্দনার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার তো কথাই ওঠে না। পেটে ব্যথা হয়েছে তো আমি দেখতে গিয়ে কী করব!

    দু-দিন বাদে বন্দনার আর একটা চিঠি এল। সেই চিঠিখানা আমার কাছে এখনো আছে। তাতে লিখেছে, আমি বুঝতে পারছি আমি আর দু-তিন দিনের বেশি বাঁচব না। তুমিই আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী। আমি একটু ভালোবাসার জন্য কাঙাল ছিলাম। তুমি এত কৃপণ, যে আমাকে একটু ভালোবাসতে পারলে না! একবার আসবে? তুমি যদি এসে একবার আমাকে একটা চুমু দাও, শান্তিতে মরতে পারব তাহলে। কোনো ক্ষোভ থাকবে না।

    এ চিঠিখানাও আমার অসহ্য ন্যাকামি বলে মনে হয়েছিল। দু-তিন দিন বাদে যে মারা যাবে, তার চিঠি লেখার ক্ষমতা থাকে না। পেটে ব্যথা হলে কেউ মরে না। তা ছাড়া হাসপাতালে গিয়ে চুমু দেব—এ কি ইয়ার্কি নাকি? বাচ্চা মেয়ে হলেও কথা ছিল, অত বড়ো ধিঙ্গি মেয়েকে হাসপাতালে চুমু! ভেবেছিলাম, সময় পেলে হাসপাতালে গিয়ে বন্দনাকে আর একবার ধমকে দিয়ে আসব। সবাইকে স্তম্ভিত করে দিয়ে তিন দিনের দিন বন্দনা মারা গেল।

    আসলে তার লিউকোমিয়া ছিল, সে জানত না। অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথার জন্য অপারেশন করতে গিয়ে ধরা পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে মারা যায়।

    বন্দনার মৃত্যুর খবর শুনে আমি বেশ রেগে গিয়েছিলাম। এ রকম দুম করে মরে যাবার কোনো মানে হয় না। তা ছাড়া তার মৃত্যুর জন্য আমাকে দায়ী করা কেন? পি. জি. হাসপাতালের শ্রেষ্ঠ ডাক্তাররা তার চিকিৎসা করেছে। আমার পক্ষে কি জোর করে ভালোবাসা সম্ভব? আমি ওর সঙ্গে বেলেল্লা করিনি, সেটা কি আমার অপরাধ?

    অতৃপ্ত ভালোবাসা নিয়ে বন্দনা মরে গেল তিরিশ বছর বয়সে?

    বন্দনাকে হাসপাতালে দেখতে যাইনি কিন্তু নির্মলকে দেখতে গিয়েছিলাম। খবর পেয়েই বুঝেছিলাম নির্মল বাঁচবে না। আমরা গিয়েছিলাম ওকে সান্ত্বনা দিতে, ওর কপালে হাত রেখে বলেছি, ভয় নেই দুদিনেই সেরে উঠবি।

    নির্মল ছিল ওর বাবা মায়ের এক ছেলে। আসলে ওরা ছিল পাঁচ ভাই বোন। কিন্তু আশ্চর্য নিয়তির খেলায় ওর অন্য সব ভাই-বোনই অল্প বয়সে মারা যায়। সেইজন্যই নির্মলের মা ওকে সব সময় চোখে চোখে রাখতেন, কয়েক ঘন্টা না দেখলে উতলা হয়ে উঠতেন। আমরা সন্ধেবেলায় যখন তুমুল আড্ডা দিচ্ছি, তখন নির্মলকে নিরস মুখে বাড়ি ফিরে যেতে হত। কেউ ঠাট্টা করলে নির্মল বলত, জানিস না তো আমার মাকে, একটু দেরি হলেই মা আবার ফিট হয়ে যাবেন। আমি ভাই মাকে কষ্ট দিতে পারি না। শেষ পর্যন্ত নির্মলের মা-ই তার মৃত্যুর কারণ হন।

    নির্মলরা থাকত দমদমে—ওদের বাড়ির পাশেই ইস্কুল ও কলেজ। বাড়ির পাশে কলেজ না থাকলে নির্মলের পড়াশুনা করাই হত না। তা-ও তো দু-তিন পিরিয়ড পর পর নির্মলকে একবার বাড়ি এসে দেখা দিয়ে যেতে হত। নির্মল যখন দিল্লি কিংবা বেনারসে বেড়াতে গেছে, ওর মাকেও সঙ্গে নিয়ে যেতে হয়েছে। মাকে কষ্ট দেবার কোনো উপায়ই ছিল না নির্মলের—ওর মা তাহলে সঙ্গে সঙ্গে অজ্ঞান হয়ে যেতেন—তখন ডাক্তার ডাকা, ছুটোছুটি।

    এইরকম ভাবে মায়ের স্নেহচ্ছায়ায় থাকতে থাকতে নির্মলের স্বভাবটাও একটু অদ্ভুতরকমের হয়ে গিয়েছিল। বাইরের লোকের সঙ্গে মিশতে পারত না, কথা বলতে পারত না। বেশির ভাগ সময়েই বাড়িতে কাটাত, আমরা আড্ডা দিতে ওদের বাড়িতেই যেতাম, ওর মা অবশ্য যত্ন করতেন খুব।

    বাবা মারা যাবার পর নির্র্মল আরও একা হয়ে পড়ে। বাড়িতে শুধু মা আর ছেলে, বাড়িখানা ওদের নিজস্ব। আত্মীয়স্বজনেরা পরামর্শ দিলেন নির্মলের বিয়ে দেবার জন্য। নির্মল জীবনে কখনো কোনো মেয়ের সঙ্গে মেশেনি। নির্মলের মা চতুর্দিকে পাত্রী দেখে বেড়াতে লাগলেন। কিছুতেই আর পছন্দ হয় না—উনি ডানা-কাটা পরি খুঁজছেন। আমরা গেলে নির্মল একগাদা মেয়ের ছবি তাসের মতো মেলে জিজ্ঞেস করত, বল তো, কাকে পছন্দ করা যায়?

    নির্মলের বাড়ির পাশের মাঠে প্রতি বছর সরস্বতী পুজো হয়। সকালবেলা নির্মলের পরনে ধুতি আর গেঞ্জি। নির্মল নিজেদের পাঁচিল দিয়ে উঁকি মেরে দেখছে—পুজো শেষ হয়েছে কি না। অঞ্জলি না দিয়ে নির্মল চা খেতে পারছে না। পাঁচিলের পাশেই একটা তোলা উনুন ধরতে দেওয়া ছিল, নির্মল সেটা দেখতে পায়নি। সেই উনুন থেকে লকলকে শিখা উঠে নির্মলের ধুতিতে লাগল। নির্মল যখন খেয়াল করল, তখন তার ধুতি দাউদাউ করে জ্বলছে।

    সবচেয়ে সহজ উপায় ছিল ধুতিটা কোনোক্রমে খুলে ফেলা কিংবা মাটিতে গড়াগড়ি দিলেও আগুন নিভে যেত। এ সব তো সবাই জানে। নির্মলও কি জানত না। তবু ওর মাথার গণ্ডগোল হয়ে গিয়েছিল আগুন দেখে। প্রচণ্ড ভয় পেয়ে মা মা চিৎকার করে ছুটে গেল নির্মল। মা তখন দোতলায়। সেই ছুটে যাওয়ায় আগুন জ্বলতে লাগল আরও বেশি। দোতলার বাথরুম থেকে সেই আর্ত চিৎকার শুনে বেরিয়েই মা দেখলেন তার জ্বলন্ত সন্তানকে। একটা কম্বল এনে চেপে ধরার বদলে মা তাড়াতাড়ি এক বালতি জল এনে ঢেলে দিলেন নির্মলের গায়ে! তারপর আরও এক বালতি। নির্মলের যদিও বা বাঁচার আশা ছিল কিন্তু ওই জল ঢালার ফলে সেই সম্ভাবনাও ঘুচে গেল।

    তিনদিনের মধ্যে নির্মলের জ্ঞান ফেরেনি। ডাক্তাররা বিমর্ষভাবে ঘাড় নেড়ে বলেছিলেন, বাঁচার আশা নেই! যদি বা কোনোক্রমে বাঁচে, পা দুটো আর ব্যবহার করতে পারবে না—সে আর পুরুষ থাকবে না।

    তিনদিন পর নির্মলের জ্ঞান ফিরল। তখন আমরা গেলাম ওকে মিথ্যে সান্ত্বনা দিতে। নির্মল মানুষ চিনতে পারছে, কথাও বলছে। লোকজনের ভিড় করা একেবারে নিষেধ। নির্মল তার ব্যান্ডেজ বাঁধা হাত আমার হাতে রেখে জিজ্ঞেস করল, সুনীল, আমি সত্যিই বাঁচব তো? বল, সত্যি করে বল, বাঁচব?

    নির্মলের দু-চোখে জল। আমি অম্লান বদনে বললাম, কী বলছিস পাগলের মতন! এক সপ্তাহের মধ্যেই তোকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেবে।

    নারে, আমি বাঁচব না। আমি জানি! দু-চোখে অনর্গল জল, নির্মল আস্তে আস্তে বলল, অতগুলো ছবি, যদি যে-কোনো একজনকে আগেই পছন্দ করে ফেলতাম আমি এ পর্যন্ত কোনো মেয়েকে ছুঁয়ে দেখিনি। মেয়ের ভালোবাসা পাওয়া যে কী জিনিস জানি না, আমার ভাগ্যে নেই…

    কয়েক ঘন্টা বাদেই নির্মল মারা যায়। ওর শবদেহ দাহ করে বাড়ি ফিরতে ফিরতে ভোর হয়ে গেল। পরপর দু-রাত্তির আমারও ঘুম হয়নি। বাড়ি ফিরে স্নান করে চা খেয়েই শুয়ে পড়লাম, সঙ্গে সঙ্গে ঘুম।

    সেদিন আবার দেখলাম স্বর্গের দৃশ্য। বাগানটা আজ ফাঁকা, বাড়িটাতেও কাউকে দেখা যাচ্ছে না—আলোর মতন জ্বলন্ত ফুলগাছগুলো হাওয়ায় দুলছে। চারপাশে একটা অস্পষ্ট নীল আলোর আভা।

    বাগানের বাইরে গেটের সামনে দাঁড়িয়ে আছে নির্মল! অর্ধদগ্ধ বিকৃত শরীর। দগদগে ঘা-গুলো দেখা যাচ্ছে। দরজার ওপর হাত রেখে সে চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে, ঠ্যালা দিতে সাহস পাচ্ছে না—যদি ঢুকতে না পায়। ঝলসানো মুখে বিষণ্ণতা ফুটে উঠেছে। চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল তো দাঁড়িয়েই রইলো।

    হঠাৎ তার হাতের ওপর আর একখানি হাত এসে পড়ল। নারীর হাত। দূর থেকে আমি দেখলাম, বন্দনা এসে দাঁড়িয়েছে গেটের সামনে। নির্মল চমকে তাকাল বন্দনার দিকে। এই প্রথম তার শরীরে মা ছাড়া অন্য নারীর স্পর্শ। চমকে উঠেছে নির্মল। বন্দনা একদৃষ্টে তাকিয়ে রইল নির্মলের দিকে। আমি অবাক হয়ে দেখলাম, বন্দনা আর চোখ পিটপিট করছে না।

    বন্দনা চাপ দিতেই গেট খুলে গেল। নির্মলের দিকে ফিরে ডাকল আসুন!

    আমি জানতাম, নির্মলের জন্য দরজা বন্ধ থাকবে না। ওরা দুজনেই ভালোবাসার অতৃপ্তি নিয়ে পৃথিবী ছেড়েছে।

    বাগানে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই নির্মলের শরীরের পরিবর্তন দেখা দিল, আবার সে সজীব স্বাস্থ্যবান শরীর ফিরে পেয়েছে। বন্দনার মুখে এসেছে আশ্চর্য কমনীয়তা। পরস্পর হাত ধরাধরি করে ওরা বাগান পেরিয়ে উঠল সেই সাদা বাড়িটার সিঁড়িতে।

    অল্পক্ষণের জন্য ওরা আমার চোখের আড়ালে চলে গিয়েছিল। আবার ফিরে এল সেই সাদা বাড়ির বারান্দায়। হাস্য-উজ্জ্বল মুখ দুজনেরই। কী যেন একটা রসিকতায় ওরা হঠাৎ একসঙ্গে হেসে উঠল। তারপর বালক-বালিকার মতন আনন্দে লঘু পায়ে ছোটাছুটি করতে লাগল বারান্দায়। একটু পরেই সুখী পায়রার মতন ওরা পরস্পরের মুখ চুম্বন করল। যেন একজনের ঠোঁট থেকে আর একজন সত্যিকারের মিষ্টি কিছু পান করছে।

    আমার বুকখানা আনন্দে ভরে গেল। মনে হল এমন সুন্দর কোনো দৃশ্য আমি সারা জীবনে কখনও দেখিনি। আমি চিৎকার করে ডাকলাম, নির্মল! বন্দনা! ওরা দুজনেই শুনতে পেয়েছে ঠিক। উজ্জ্বল রেলিং ধরে শিশুর মতন ঝুঁকে হাত নাড়তে লাগল আমার দিকে। আমার প্রতি খানিকটা দয়া কিংবা অবজ্ঞার ভাব ফুটে উঠেছে ওদের মুখে। যেন ওরা বলতে চাইছে, তুমি আসতে পারবে না, তুমি কোনোদিন এখানে আসতে পারবে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    স্বর্ণলতা

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    স্বপ্নের নেশা

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনার কাঠির স্পর্শ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }