Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প379 Mins Read0
    ⤷

    আত্মজা ও একটি অস্টিন ১৯২৯

    দেশবিভাগের সময়কার কিশােরদের অনেকেই আজ গুরুগম্ভীর অভিভাবক। তারা দশ বছর হল চালশের দরুন চোখে চশমা দিচ্ছে। একই ব্লেড়ে তারা সাশ্রয় করে হপ্তা-ভর দাড়ি কামায়। চাকরিতে রিটায়ারের সময় তাদের অনেকের আর দশ বছরও নেই। আবার অনেকে কবেই মরে-হেজে গেছে।

    এরই ভেতর মিহির ঘােষাল প্রথম যৌবনে গুন্ডা হয়। ফাঁকা ট্রামলাইনে হরতালের দিনে সে লােহার আংটায় চাকা চালাত। গুন্ডাদের আগে মন্ত্রী হওয়ার রেওয়াজ ছিল না। তাই সে পঁচিশ বছর বয়সে গ্র্যাজুয়েট হয়। পড়াশুনা ভালো লাগতে থাকে তার। তাই একত্সময় দেখা গেল সে রীতিমতো চিন্তাশীল হয়ে পড়েছে। সারাদিন খাতা খুলে টেবিলে বসে থাকে। একসময় শােনা যেতে থাকল মিহির ঘােষাল লেখক—যাকে বলে অথর।

    কোন রহস্য থেকে মানুষ সৃষ্টি করে তা আজও রহস্যময়। সৃষ্টিশীল প্রতিভাকে কোনো অঙ্কে মেলানোযায় না। মিহিরও কোনো অঙ্কে পড়ে না। সে নিজেই নিজের লেখার উৎস আর মিশেল নিয়ে মাথা খাটিয়ে টের পেয়েছে— যা ঘটে—তা লিখলে লেখা হয় না। বরং যা ঘটলেও ঘটতে পারে— এমনটা কোনো দৈবী পাগলামিতে জারিয়ে নিয়ে কাগজের ওপর শব্দ বসিয়ে গেলেই তবে লেখা হয়।

    সামেন মিত্তিরের দুর্গাপুজোয় ক-বছর আগে মিহির ঘােষাল গুণীজন সংবর্ধনায় আঙুরবালা, পি.কে., হিন্দি ছবির ভ্যাম্প বিন্দুর সঙ্গে মানপত্র পায়। তারপর এই ক-বছরে তার শরীরের গুন্ডা গ্রন্থিগুলো বাৎসল্যে শিথিল হয়ে পড়ে। তার মগজের চৌষট্টি হাজার কোষে পরিণতির ছায়া পড়ে। সে গঙ্গার পাড়ে দাঁড়িয়ে সমুদ্রগুপ্তর নৌবাহিনীর দাঁড়িদের সমস্বর শুনতে কান পেতে রাখে। ভিনটেজ কার র‌্যালি দেখতে দেখতে জগতের তাবৎ বাতিল মােটরগাড়ির ইঞ্জিনে জমাট হর্সপাওয়ার থেকে কোটি কোটি অশ্বক্ষুরধ্বনি শুনতে পায়।

    এইসব সময়ের শারদীয় কাগজপত্তরে তার লেখা বাড়তে থাকে। গেরস্থ মিহির কোনো কোনােদিন বেশি রাত অব্দি টেবিলে বসে লেখে। তখন তার বিছানায় বউ পাশ ফিরে ঘুমােয়। অবসন্ন মিহির পাশে শুয়েই ঘুমিয়ে পড়ে। ঘুমের ভেতর তার সদ্য লেখা থেকে দু-একটা চরিত্র তাকে স্বপ্ন দিয়ে পরদিন সকালের লেখার পথ আগাম দেখিয়ে দেয়।

    এক-একদিন লিখতে লিখতে ক্লান্ত হয়ে মিহির ঘােষাল বেশি রাতে কলকাতার আকাশে তাকায়। এই শহরেরই বাসিন্দা সব লেখকের শারদীয় লেখালিখির অসমাপ্ত জায়গাগুলো ঘন মেঘ হয়ে আছে—এটা বুঝতে পারে সে। আরো বুঝতে পারে এখানে এই মাটির পৃথিবীতে তাদের সবার। চেয়ে বড় একজন আর্টিস্ট আছে—যার সঙ্গে লিখে, গান গেয়ে, ছবি এঁকে এঁটে ওঠা যাবে না। সে গাছপালা মানুষজন দিয়ে এখানে লেখে, গায়, আঁকে। আপশােস! এটা আগে জানতে পারলে সে পঁচিশ বছর ধরে লেখালিখির পণ্ডশ্রমে যেত না। এখন মিহির ঘােষাল বােঝে—এখানে তার সৃষ্টি বলতে নিজের বড় ছেলেটি! আর তারপর দুই মেয়ে। এই তার মােট তিনখানি উপন্যাস—যা কিনা আরো ৫০। ৬০ বছর এই পৃথিবীতে টিকে থাকতে পারে। এইরকম হতাশ মন নিয়েই সে রােজ লিখতে বসে। তাই এই পৃথিবীর মানুষে-মানুষে কিংবা মানুষে-নিসর্গে নানান সম্পর্কের খাঁজে জমে থাকা জীবনের গুঁড়ো মিহির ঘােষাল যতটা পারে কুড়িয়ে নিয়ে সাদা কাগজে হরফ সাজিয়ে তুলে রাখে। এসব জিনিস আজকাল লােকে পড়তে চায় না। তবু কেউ কেউ পড়ে। তারা বাহবা দেয়— সম্ভ্রম দেখায়।

    লেখা বাবদে তার এখন শুধু এইটুকুই প্রাপ্য। এরকম অবস্থায় তার একজন সমবয়সি লেখক বলল, তােমার কিন্তু একটাও প্রেমের গল্প নেই। একটাও প্রেমের উপন্যাস নেই।

    মিহির ঘােষাল এই লেখকের লেখার খুব ভক্ত। সে নিজেও ব্যাপারটা ভেবেছে। মুখে বলল, আমিও ভেবেছি। কিন্তু কী করা যায় বলতো।

    করার কিছু নেই মিহির— তােমার তো দিব্যি প্রেমের লেখা রয়েছে। আমি একজন সুন্দরী মেয়ের কথা লেখার সময় তাকে যেন টের পাই। মিহির ঘােষাল নিজের মনের ভেতর ডুব দিয়ে দেখল, সে সেরকম কিছু টের পায় না। তার লেখায় ছেলে বা মেয়ের কোনো ডেসক্রিপশন থাকে না। তাই পাঠক তার পছন্দমতো চেহারাগুলো দেখে নিতে পারে। মিহির ঘােষাল তখন বুঝল, এই যে সে কোনাে কিছু টের পায় না প্রেমের গল্প লিখতে পারার কারণ এটাই। এমনকি নিজের বউয়ের সঙ্গেও কাছাকাছি হলে কোনােদিন বাড়াবাড়ির দিকে যায়নি সে।

    মেয়েদের ভেতর বড়ােজন এসেছে শ্বশুরবাড়ি থেকে। জামাই আসতে পারেনি। মিহিরের ছেলে রাউরকেল্লায়। ওরা বড়ো হয়ে যাওয়ায় মিহির টের পায়— ওদের জগৎ আলাদা হয়ে যাচ্ছে। এটাই নিয়ম। এরকম ভাবতে গিয়েও কষ্ট পায় মিহির। এক সময় মিহির তার ছেলেমেয়েদের নদী, পাহাড় এসব দেখাত। যেখানে এসব দেখা যায় সেখানেই ওদের নিয়ে বেড়াতে যেত সে। বড়ো কিছু করতে না পারুক বড়াে কিছু দেখুক।

    বড়োমেয়ে এসে বলল, কাল সকালে আমরা ভিনটেজ কার র্যালি দেখতে যাব।

    ছােটোমেয়ের বিয়ে হয়নি। সে বলল, চল না বাবা। সকালবেলাতেই বেরােব? অনেক লেখা বাকি বড়োমেয়ে বলল, অনেক তো লিখেছ। এবার কিছুদিন লেখা বন্ধ করাে বাবা। অন্যরাও তো লিখবে। আমরা কতদিন কোথাও একসঙ্গে যাই না বলত।

    এই আমরা মানে– মিহির আর তার দুই মেয়ে। পারলে ওদের দাদাকেও এই সঙ্গে ধরতে চায় ওরা। কিন্তু দাদাটি দাড়ি কামাতে শিখেই দলছুট অনেকদিন।

    মিহির ঘােষাল মাঝে মাঝে অবাক হয় তার বডােমেয়ে কত সহজে কত কঠিন সমস্যার সমাধান করে দেয়। অবলীলায়—

    নানান সম্পর্ক নিয়ে লেখার ভেতরেও মিহির ইদানীং টের পায়— মানুষে মানুষে কিংবা মানুষে নিসর্গে সম্পর্ক ছাড়াও আরাে কিছু সম্পর্ক আছে। স্বামীর জগৎ থেকে বড়ােমেয়ের এই যে মাঝে মাঝে বাবার জগতে চলে আসা এটাও তো লেখার জিনিস।

    জানলার বাইরে বৃষ্টি হচ্ছিল। টেবিল ল্যাম্পটা নিভিয়ে দিয়ে সেদিকে তাকিয়ে থাকল মিহির ঘােষাল। বারােটা বাজতে দশ। ইদানীং মিহির ঘােষাল লক্ষ করে দেখেছে— গল্পে যেমন সন্ধেরাতে কুকুর অশরীরী আত্মার যাওয়া আসা টের পেয়ে সন্দেহবাতিকে ভুগ ভুগ করে ডেকে ওঠে— তেমনি এই বাড়ি-ঘরদোর, টেবিল, দোকানঘর, পাথর— এরা সবাই নিজেদের ভেতরে কথা বলে- শব্দশুন্য শব্দ করে। সে রাস্তায় বেরােলে এই ভাড়ার বাড়িটা পিছন থেকে তাকে ডেকেও বলে— সাবধানে ফিরে এসাে কিন্তু। আসলে ডালডার খালি টিন ডাস্টবিন থেকে পাশের দেওয়ালে গজানাে অশ্বত্থ চারার সঙ্গেও কথা বলে। কেমন আছিস ভাই?

    গাছ, রােডরােলার, নিশুতি রাতের রেড রােড়– এরা কেউই চুপ করে নেই। আমাদের জুতসই কান নেই বলেই শুনতে পাই না। নয়তাে ওরা যে অনর্গল কথা বলছে— তা তাে আমি টেরই পাই।

    একথা মনে আসতেই মিহির ঘােষাল বুঝল, সারা শহর ঘুমােচ্ছে। ঠিক তখনই তার পিঠে লাগা মশারি (শােবার খাটে বসে খাবার টেবিলে লিখে থাকে মিহির ঘােষাল) এক ঘষা দিয়ে বলল, এখন ঘুমােও। সকালে উঠে লিখবে।

    কখন মশারি টাঙিয়ে দিয়ে গেল! বিড়বিড় করে একথা বলে অন্ধকার খাটে শুতে গেল সে। খাটের ওপাশে খালি জায়গা একটানা লেখার চেয়েও বেশি অন্ধকার। তার মানে মিহির ঘােষালের বউ ওখানে শুয়ে ঘুমিয়ে আছে। তক্ষুনি একটানা লেখার অবসাদ টপকে তারই চিন্তা তাকে উশকে দিল।

    আমি লেখার সময় টের পাই না ঠিকই কিন্তু নিজের বিছানায় নিজের বিয়ে করা বউকেও টের পাব না? তাহলে কি আমি বরফ হয়ে যাচ্ছি! এইজন্যই অল্পবয়সিরা আমার লেখা ছুঁয়ে দেখে না। মিহির ঘােষাল— বাড়িতে তিনটি উপন্যাসের জন্মদাতা কলেজস্ট্রিটে ছত্রিশখানা উপন্যাসের পিতা নিজের মশারির ভেতর গাঢ় অন্ধকারে জায়গামতাে মুখ নামিয়ে আনল। পালটি মুখখানা জায়গা থেকে সরে গেল।

    এ কি? আমাকে ঘুমের ভেতরেও প্রত্যাখ্যান? আশ্চর্য! ধরেই নিয়েছে স্বামী মানুষটা বরফ! মিহির ঘােষাল আবার মাথা নামাল!

    এবারও পালটি মুখখানা সরে গেল।

    ঘুমে অচেতন দশাতেও কেউ অপমান করতে পারে? এ তাে জানা ছিল

    মিহিরের। সে এবার বেশ জোরে মুখখানা নামিয়ে দিতেই দুখানা হাত তাকে বাধা দিল। স্বামীর চুম্বন এভাবে ফিরিয়ে দেওয়ার মানেটা কী? ঘুম ভাঙিয়ে এখুনি কৈফিয়ত চাওয়া যায় কি?

    এসব কথা অন্ধকারে নাড়াচাড়া করতে করতে চমকে উঠল মিহির ঘােষাল। বাধা দেওয়ার হাত দুখানা যেন অন্যরকম। বেডসুইচটা টিপেই তাকে নিভিয়ে দিতে হল।

    ততক্ষণে সে গুদামে রাখা সরকারের বাতিল স্ট্যাচু। সেই অবস্থাতেই মিহির ঘােষাল অন্ধকার বারান্দায় এসে দাঁড়াল।

    কখন যে বাবার সঙ্গে ছােটোবেলার মতাে শােবে বলে বড়ােমেয়ে এসে মায়ের জায়গায় ঘুমিয়ে পড়েছে একবার অন্য ঘরে শুয়ে পড়ার আগে ওদের মায়ের মিহিরকে বলে যাওয়া উচিত ছিল। মিহির খাওয়া-দাওয়ার পর ঘণ্টা দুই একমনে লিখেছে। কখন সারাবাড়ি অন্ধকার হল— কখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ল— এসব অনেকদিনই তার দেখা হয় না। মেঘ চিরে বেরােনাে চাঁদটিকে তার অর্থপূর্ণ মনে হল।

    পরদিন বেশ দেরিতে ঘুম ভাঙল মিহির ঘােষালের। বাড়ির সবাই উঠে গেছে। জানলায় ঝকঝক করছে রােদুর। এই প্রথম সে টের পেল— কাল নিশুতি রাতের রক্তের চাপ ঘুম এসে আবার রক্তেই মিশিয়ে দিয়েছে। সে মাথা তুলে নিজের বােমেয়ের মুখে তাকাতে পারছিল না।

    তখন পাশের ঘরে যাবার দরজায় পর্দা তুলে মেয়ের সঙ্গে মা চাপা গলায় কী বলছিল। মেয়ের হাতে একটা প্লেটে একগ্লাস দুধ বসানাে। মা আর মেয়ে দুজনেই যেন ত্রিকালদর্শিনী। জ্ঞানে অভিজ্ঞানে মজানাে। এক-একসময় মনে হয় মিহিরের মৃত্যুর কথা বলতে বলতে ওরা হাসতে পারে। আসলে দুজনেরই পেটে মানুষ জন্মায় বলে দুজনেরই এ পৃথিবীতে কোনাে কিছুর যেন পরােয়া নেই।

    নিজের বউয়ের মুখে মিহির একটা কথা শুনতে পেল। পুরুষমানুষ সব পারে না। কোনো বিশ্বাস নেই—

    কোন কথায় বউয়ের মুখে একথা? তার একটা আন্দাজ করে মিহির ঘােষাল কলম হাতে খােলা খাতার সামনে সিটিয়ে বসে থাকল।

    তখন তার বডােমেয়ে বলল, না মা- বাবা আমাদের সেই ছেলে নয়।

    এবার সে তার বাবার সামনে দুধভর্তি গ্লাসটা ঠক করে রেখে বলল, খেয়ে নাও। কাল অনেক রাত অব্দি লিখেছ।

    দুধটা ঢকঢক করে খেয়ে মিহির গ্লাসটা ঠক করে টেবিলে রাখল।

    মেয়ে বলল, আজ লেখা থাক বাবা। আজ আমরা ভিনটেজ কার র্যালি দেখতে যাব। চলাে। সকাল থেকেই তাে শুরু। ছুটকিকে ডাকি? ডাকো। ঘণ্টাখানেক পরে হরিশ মুখার্জি রােডে ভিড়ের ভেতরে বুড়কি আর ছুটকিকে নিয়ে মিহির ঘােষাল। রাস্তা দিয়ে গেল ১৯০৩ সালের রেনাে। ফরাসি মােটর গাড়ি। তাতে সেই সময়কার ফরাসি পােশাকে শশী আগরওয়ালা আর তার বউ। নেমন্তন্ন চিঠির সঙ্গে মালিকের নামের পাশে গাড়ির মডেলের সাল সন ছাপানাে সুন্দর কার্ড পেয়েছে মিহির ঘােষাল। রাজভবনের সামনে উদবােধনে পৌঁছতে না পেরে মাঝপথেই দু মেয়েকে নিয়ে দাঁড়িয়ে গেছে সে।

    একসময় এল উলসূলে। মিহির চাপা গলায় বলল—ব্রিটিশ গাড়ি। অষ্টম হেনরির প্রধানমন্ত্রী ছিল উললে। ছুটকি চাপা স্বভাবের। লজ্জা পেয়ে বলল, থাক বাবা তােমায় আর ধারাবিবরণী দিতে হবে না—

    কালীঘাট ফলতা লাইনের ছােটো ট্রেন উঠে গেছে কবে। দেবকী বসু তারাশঙ্করের কবি’ ছবিতে এই রেললাইন দেখিয়েছিলেন। সেই লাইনের ইঞ্জিনের মতােই দেখতে। ১৯২৯ সনের অস্টিন টলতে টলতে এল। লম্বা নাকের ওপর চোখ বসানাে। পাদানিতে পুরু করে তামার ঝকঝকে পাত লাগানো। হর্নের আওয়াজ অনেকটা হ-র-র-র—। ড্রাইভারের অ্যাসিস্ট্যান্ট পেছনের লােহার মই বেয়ে ওপরের সিটে গিয়ে বসল। ৫০। ৫৫ বছর আগেকার গর্ব সাইকেলের মতাে স্পােক লাগানাে চার চাকায় ভর দিয়ে হাজরার মােড়ের দিকে ঘুরে গেল।

    বুড়কি বলল, এ গাড়িটা আমাদের কিনতেই হবে। বেচবে কি—

    ছুটকি বলল, বসবার জায়গাটা সবচেয়ে উঁচুতে। একদম ঘােড়ার গাড়ির মতাে, তাই না বাবা? বলে মিহির ঘােষাল ওদের নিয়ে রাস্তার পাশেই সর্দারজিদের জিলিপির দোকানে ঢুকল। তার পাশেই একতলা-দোতলা জুড়ে গুরুদ্বার। সেখান থেকে মাইকে গ্রন্থসাহেব পাঠ হচ্ছিল।

    দোকানের ভেতরকার ছায়ায় বসে বুড়কি ছুটকি বলল, গাড়িটা কিনবে তাে বাবা?

    বেচবে কি না আগে খোঁজ নে।

    তা নিচ্ছি আমরা। র্যালিটা শেষ হতে দাও আগে। সে তাে এখনাে ঘণ্টা তিনেক। দেখতে দেখতে কেটে যাবে বাবা। তাই বলে অতক্ষণ আমি কিন্তু দোকানে বসে থাকতে পারব না।

    খানিকক্ষণ পরেই ওরা আবার রেস দেখতে দাঁড়িয়ে গেল। দেখতে দেখতে মিহির ঘােষাল নিজেই মজে গেল। ১৯৩৩-এর একটা অস্টিন ট্যুরার টলতে টলতে বেরিয়ে গেল। হাতের ছাপানাে কার্ডে লেখা— দিঘাপতিয়া।

    তার মানে তখনকার দিঘাপতিয়া জমিদারদের গাড়ি। এ গাড়ি কোনো রইস পূর্বপুরুষ চালাত। টু সিলিন্ডার। ভিক্টোরিয়ার সামনে কতবার এ গাড়ি পাক খেয়েছে। গ্যারাজ থেকে বের করে আজ অনেকদিন পরে ওকে চাল করা। হয়েছে। এ গাড়ির পয়লা সওয়ারি আজ বেঁচে থাকলেও তার ঝাপসা চোখে। নিশ্চয় সি.আর.দাশ. আশু মুখুজ্যের সময়কার ছায়া ছায়া কলকাতা ভাসে। সে সময় ট্যাক্সিগুলাে সব ফোর্ড নয়তো শেভ্রলে ছিল। গঙ্গা পেরােবার ব্রিজ দিনে দুবার খুলে দিত। বিনয় বাদল দীনেশের বেপরােয়া গুলি চালানাে রাইটার্সের সামনেকার লালদিঘি যে একদিন বিবাদি বাগ হয়ে যাবে সেদিন তা কে ভাবতে পেরেছিল। আজকের র্যালিতে তখনকার ইঞ্জিনগুলােকে আবার চালু করায় সেইসব ঘুমন্ত ঘােড়া কলকাতার রাস্তায় ফের দাপাতে দাপাতে বেরিয়ে পড়ল।

    ওরা ফিরতে ফিরতে প্রায় বারােটা। হেঁটেই ফিরছিল তিনজনে। হাজরার মােড়ে এসে লাইট রেলের ইঞ্জিনমার্কা ১৯২৯-এর সেই অস্টিনের সঙ্গে দেখা।

    ও বাবা। ইনি যে মুখ থুবড়ে পড়ে আছেন!

    বুড়কির এ কথায় মিহির ঘােষাল দাঁড়িয়ে পড়ল। পাশেই ছুটকি। তিন ভঁজের বনেট খুলে প্লাগগুলাে চেক করছিল দুজন লােক। তাদের গায়ে তখনকার উড়ুনি। পাঞ্জাবির বড়ােবাবু কাট। পায়ে চামড়ার প্রজাপতি বসানাে পাম্পসু। হাতে বাঁকানাে ছড়ি। নাকের নীচে নকল গোঁফ লাগানো। দুজনেরই মাথা পাতা কেটে আঁচড়ানাে। অথচ তাদের চারদিকে হালের কলকাতা বয়ে যাচ্ছে। সেখানে ডবল ডেকার, ডিজেল ট্যাক্সি, মারুতি, কন্টেসা। এখন অনেক বেশি ঘােড়া আরও ঘন করে এসব গাড়ির ইঞ্জিনের ভেতর ঢুকিয়ে রাখা আছে।

    কী হয়েছে ভাই? মিহিরের এ কথায় ইঞ্জিনে ঝুঁকে-পড়া লােকটা নকল গোঁফ খুলে পাঞ্জাবির পকেটে রাখল, প্লাগে মবিল বেরােচ্ছে।

    এসব প্লাগ এখন পাওয়া যায় ? সব পাওয়া যায়। মল্লিক বাজারে খুঁজলেই পাবেন। টায়ার ?

    তাও পাবেন। হালের মপেডের টায়ার লাগিয়েছি। বেশ ফিট করে। তাই চারটে কিনলেই চলে।

    ছুটকি বলে বসল, বাবা–গাড়িটা কেনো। চুপ কর তো।

    ইঞ্জিন থেকে মুখ তুলে অন্য লােকটি বলল, কিনতে পারেন কিন্তু। আমার ঠাকুর্দার কাকার গাড়ি। পড়ে ছিল অনেককাল। আমরা মােটামুটি চালু করেছি। বেশি দামও লাগবে না আপনার। দেখুন না—এখুনি চালু হবে।

    রােদে দাঁড়ানাে যাচ্ছে না আর মিহিরের এ কথায় সদ্য গোঁফ শূন্য লােকটি বলল, ঠিকানা বলে যান—আমরা বিকেলে যাব।

    ঠিক বিকেলে নয়— সন্ধের মুখে এসে গাড়িটা মিহির ঘােষালের ভাড়া বাড়ির সামনে দাঁড়াল। নেহাত বাঙালি পাড়া। শিবের ষাঁড়, ঘিয়ে ভাজা কুকুর দুইই আছে। আছে পাগল, ভিখারি আর অঢেল মানুষের বাচ্চা। ঝগড়া। ফুচকাওয়ালার ফেলে যাওয়া শালপাতা। মােড়ের মাথায় গুলতানি।

    বুড়কি ছুটকি হ-র-র-র-রাে-হর-রাে-রাে-রাে হর্ন শুনে ছুটে বেরিয়ে এসে বােকা হয়ে গেল। চোখ ফেলতে পারে না। ছবির বইয়ের একটা লাইট ইঞ্জিন যেন বাড়ির সামনে এসে ডাকছে। এই ছুটকি যাবি না? চল গঙ্গার ধারে। হাওয়া খেয়ে আসি—

    বিশ্বাস হয় না একদম। চাপা গলায় ছুটকি তার বাবাকে বলল, গাড়িটা কিনবে তো বাবা—

    নিশ্চয়। এসব সময় মিহির ঘােষাল কখনাে পিছিয়ে যায় না। আর ভিনটেজ কারের দামই বা কত হবে। বড়ােজোর সাত-আট হাজার।

    ষাঁড় বা কুকুর কখনো এমন জিনিস দেখেনি। ষাঁড় পর্যন্ত আগাগােড়া ডেকে হাঁটি হাঁটি পা করে এসে অস্টিন ১৯২৯-এর গায়ের গন্ধ শুকল। শুকে তার সন্দেহ হল—নিশ্চয় এটা সেই গড়গড়িয়ে ছুটে যাওয়া কোনাে ফাজিল জিনিস। কুকুর ছিল তিনজন। কিছুই স্থির করতে না পেরে তারা তারস্বরে চেঁচাচ্ছে। এলােপাথাড়ি জন্মানাে কিছু মানুষের বাচ্চা কোত্থেকে লাঠি এনে চাকার স্পােকে ঢুকিয়ে দিল।

    মালিক আর তার সহকারীর গায়ে এবেলা এখনকার জামা-কাপড়। তাদের একজন সিট থেকে নেমেই মানুষের বাচ্চা, কুকুর আর ষাঁড় তাড়াতে লাগল।

    মিহিরকে দেখে মালিক ভদ্রলােক বলল, আমার এই ড্রাইভারকে রেখে যাচ্ছি। আগে চড়ে দেখুন। যদি শখ থাকে তো এ গাড়ি কিনুন। পছন্দ হলে দামে আটকাবে না। বলেই মালিক হনহন করে চলে গেল। আধাে অন্ধকারে বুড়কি আর ছুটকিকে নিয়ে পেছনের মই বেয়ে ড্রাইভারের পেছনের সিটে এসে উঠে বসল মিহির ঘােষাল।

    ১৯২৯-কে দেখেই রাস্তার অ্যামবাসাডর, ফিয়াট, মারুতি সাত হাত দূরে সরে যায়। ছুটকি বলল, চমৎকার গাড়ি বাবা। সিটে বসে অন্য সব গাড়ির ছাদ দেখা যায়।

    বুড়কি ছুটকির কানে কানে বলল, বেশি প্রশংসা করিস না। ড্রাইভার শুনতে পেয়ে দাম বাড়িয়ে দেবে। শেষে বাবা আর কিনতে পারবে না।

    ছুটকি ফিক করে হেসে বলল, বাবা আমাদের সেই ছেলে নয় ! তিনজনেরই আরাম লাগছিল। মাথায় কোনাে ছাদ নেই। ভােলা বাতাসের আরাম সারা গায়ে লাগে গাড়িতে।

    মুদিয়ালি দিয়ে শরৎ ব্যানার্জিতে পড়ে গাড়ি ধ-ধূ-ধর করে এলগিনে উঠল। তার পর শম্ভুনাথ হাসপাতালের গা দিয়ে এমন একটা রাস্তায় গিয়ে পড়ল—যেখান থেকে বাঁক দিয়েই একদম ক্যালকাটা ক্লাবের উলটোদিকে। কয়েক মিটার এগিয়ে দক্ষিণমুখাে হয়েই বাঁ হাতে এডােয়ার্ড কোর্ট।

    আবছা ফুটপাথ। নিভু স্ট্রিট লাইট। এলােমেলাে কর্পোরেশনের গাছ। অস্টিন ১৯২৯ সেখানে পৌছেই থেমে গেল।

    মিহির বলল, ইঞ্জিন গরম হয়ে যাচ্ছে বুঝি—

    এমন কিছু নয়। বলে একলাফে ড্রাইভার নীচে নেমে বনেট খুলে ফেলল।

    খানিক দেখে ড্রাইভার ওপরে সিটের দিকে তাকিয়ে বলল, লােক নেই আশেপাশে?

    কেন ? লােক পেলে ভালাে হত। একটু ঠেলা দরকার। বুড়কি লাফিয়ে উঠল। আমরা ঠেলে দিচ্ছি। আপনি বসুন।

    অগত্যা মিহির ঘােষালও বুড়কির পেছন পেছন নামল। কাঁচা বয়সের মেয়ে। শাড়ি গাছকোমর করে পেঁচিয়ে নিয়ে মিহির ঘােষালের পাশাপাশি সে ঠেলতে লাগল।

    পাশেই স্ট্রিট লাইটের নীচে কয়েকটি মেয়ে দাঁড়িয়ে। তারা এক ঝাঁক পায়রা ওড়ানাের কায়দায় হেসে উঠল। মিহির চোখ ফিরিয়ে দেখল। নানা বয়সের মেয়ে সাত-আটজন হবে। বােধহয় সন্ধে সন্ধে এখানে সবাই মিট করে চৌরঙ্গি অব্দি আলাদা আলাদা হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।

    হাত দশেক ঠেলতেই গাড়ি স্টার্ট দিল বিকট শব্দ করে। সেই শব্দও ওদের আরেক পশলা হাসির তােড় চাপা দিয়ে ঢাকতে পারল না।

    বুড়কি ছুটে গিয়ে উঠে বসল। তার পেছন পেছন মিহির ঘােষাল। অস্টিন ১৯২৯ আবার হরিশ মুখার্জিতে পড়ল। এদিকটা নির্জন ! দুধারের গেরস্থ বাড়িতে এইমাত্র লােডশেডিং হল। কাল রাখিপূর্ণিমা বলে চঁাদের সাইজটা কিছু বড়াে আর প্রায় গােল।

    বুড়কি শান্ত গলায় জানতে চাইল, ওরা কারা বাবা? কারা? বুড়কি বলল, ওই যারা হেসে উঠল যখন আমরা গাড়ি ঠেলছিলাম? ছুটকি বলল, ভীষণ ফাজিল। মিহির ঘােষাল বলল, চিনি না। জানব কী করে?

    অস্টিন ১৯২৯ বুড়কি ছুটকিকে বশীকরণ করে ফেলেছে। আবার মুদিয়ালি, শরৎ বাঁড়ুজ্যে, শম্ভুনাথ, ক্যালকাটা ক্লাব। সুন্দর চলেছে গাড়িটা। আলােতে, অন্ধকারে সমানে ছুটছে। রাস্তার অন্য গাড়িগুলাে ভড়কে সরে যাচ্ছে। সবাই আর কি পথ করে দিচ্ছিল।

    কিন্তু আবার সেই স্ট্রিট লাইটের নিভু আলােতে এসে অস্টিন ১৯২৯ দাঁড়িয়ে গেল। মিহির দেখল—আলাের নীচে এবার ওরা তেরাে-চোদ্দজনের মতো । এখুনি বােধহয় চাদ্দিক ছড়িয়ে যাবে।

    ড্রাইভার আমতা আমতা করে বলল, প্লাগে তেল উঠছে নিশ্চয়। ছুটকি বলল, ঠিক মতাে রিপেয়ার করেননি কেন?

    অনেকদিন গ্যারেজে পড়েছিল তো ।

    এবার আগে নামল মিহির ঘােষাল। পেছন পেছন বুড়কি। তাঁতের শাড়িটা এবারও তার কোমরে গাছকোমর করে প্যাচানাে। তারপর দুজনে পেছন থেকে ঠেলতে লাগল দুহাতে।

    স্টার্ট নিয়েও গাড়িটা স্টার্ট নিল না। মিথ্যে কিছু কলকবজার শব্দ খট খট করে ওঠে শুধু।

    ড্রাইভার ওপর থেকে মিহিরকে বলল, আপনি স্টিয়ারিংয়ে এসে বসুন। আমি ঠেলছি।

    মিহির ঠেলতে ঠেলতেই বলল, না না আপনি বসুন। আমি স্টিয়ারিংয়ের কিছু জানি না।

    উঁচু সিটে গ্যাট হয়ে বসা ছুটকি নীচের দিকে তাকিয়ে বুঝল, তাদের বাবা এবার হাঁপাচ্ছে। ভরসা যে পাশেই দিদি আছে। ঠিক তখনই লাইটপােস্টের নির্জন জায়গাটা থেকে আবার হাসির সেই হা পায়রা হয়ে ওপরে উঠল। এবারের দমকটা আরাে জোরালো ।

    বুড়কির পাশাপাশি অস্টিনকে ঠেলতে ঠেলতে ওদিকে না তাকিয়েই মিহির বুঝতে পারছিল— বড়ােমেয়ের অল্প বয়সের জোর, দম, ঘাম অযথাই খরচ হচ্ছে। ১৯২৯-এর ইঞ্জিনের ভেতরকার জমাট ঘােড়াগুলাে কখন যে দাপিয়ে উঠে ছুটতে থাকবে কে জানে। তা দশ-বিশ মিটার তো ঠেলা হয়ে গেল। ঘােড়াগুলাে তাে জাগে না।

    মিহির ঘােষাল একটু থেমে পড়েছিল। বুড়কি চেঁচিয়ে উঠল, কী বাবা— বুকে লাগল নাকি?

    নাঃ। বলে মনে মনে মিহির ওই অবস্থাতেই নিজেকে বলল, এত চিন্তা ? সে নিজেকে থামতে দিল না। অটোমেটিক হয়ে গিয়ে আবার সে অস্টিন ১৯২৯-কে ঠেলতে লাগল।

    এদিকটায় অফিস-পাড়া খানিক গিয়ে গেরস্থ এলাকায় ঢুকে পড়েছে। তাই বিশেষ লােকজন নেই। বাড়িগুলাের আলো নেভানো। তার ভেতর বুড়কির উদবিগ্নে চেরা ‘বাবা’ ডাকটা একটা গাড়িবারান্দায় গিয়ে আছাড় গেল। বেশ জোরে। যেন কথাটা চৌচির হয়ে ফেটে গেল।

    আর অমনি দশ-বারো জোড়া হাত এসে অস্টিন ১৯২৯-কে ধাক্কা দিল। বুড়কি অবাক। মিহির ঘােষাল ক্লান্ত। ঠেলা ছেড়ে সে দাঁড়িয়ে গেল। কী ব্যাপার? হা হাসির মেয়েগুলাে প্রায় একসঙ্গে বলে উঠল, আপনারা গিয়ে উঠে বসুন। যান যান—স্টার্ট নিয়ে নেবে এক্ষুনি। বুড়কি পেছনে তাকাতে তাকাতে পেতলের পাদানিতে পা রেখে এক ঝটকায় ওপরে উঠল। সে পেছন দিকে তাকিয়ে।

    ইঞ্জিনের ঘুমন্ত ঘােড়াগুলাে পঞ্চাশ-পঞ্চান্ন বছরের ঘুম ভেঙে এইমাত্র দাপাতে শুরু করেছে।

    মিহির ঘােষাল উঠে বসতেই অস্টিন ১৯২৯ ঝাঁ করে বাঁক নিয়ে পি.জি. হাসপাতালের দিককার এলগিনে বাঁক নিল। ওরা সবাই তখন স্বচ্ছন্দে একটা বড়ো বাড়ির আড়ালে পড়ে গেল।

    বুড়কি ছুটকি একসঙ্গে জানতে চাইল, ওরা কারা বাবা?

    মিহির ঘােষাল বলল, আমি কি চিনি ? জানব কী করে?

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসেরা ৪৫ – সায়ক আমান
    Next Article সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }