Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প596 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঈর্ষা

    বিনয়েন্দ্র বললেন . সব ঠিক হয়ে গেল। আজ অ্যাডভান্স জমা দিয়ে এলুম। বুঝলে!

    অনিমা ড্রেসিং টেবিলের আয়না মুছছিলেন, বললেন জানালাগুলো রং করে দেবে তো? বারান্দার কোলাপসিবল গেটটাও ঢকঢক করে নড়ছিল।

    সব ঠিক করে দেবে। বাড়িওয়ালা লোকটি ভালো। একতিরিশ তারিখ রোববার আছে, সেদিনই সিফট করব। যতীনকে বলেছি দুটো লরি পাঠাতে।

    বাবলু আর অদিতি দরজার কাছে এসে দাঁড়িয়েছিল। ওরা কৌতূহলে ছটফট করছে।

    বাবলু বললো . বাবা, ওখানে ফুটবল খেলার মাঠ আছে?

    বিনয়েন্দ্র হাসলেন। বললেন . অত বড়ো মাঠ নেই—তবে ছোটো একটা লন আছে। ইচ্ছে করলে ব্যাডমিন্টনের নেট ফেলতে পারবি।

    রাস্তার নাম কী বাবা?

    রত্নাকর সেন রোড। সিক্স রত্নাকর সেন রোড, মুখস্থ করে রাখো। পোস্ট অফিসে একটা চিঠি লিখে দিতে হবে।

    বাবলু তাড়াতাড়ি ছুটে গেল পাশের ফ্ল্যাটে ওর বন্ধু সুজিতকে খবরটা জানাতে। অদিতি এসে দাঁড়াল মায়ের পাশ ঘেঁষে। অনিমা বললেন . হ্যাঁ গো, ভাড়া সেই সাড়ে পাঁচশোই রইল? এত টাকা ভাড়া দিয়ে কুলোতে পারবে তো? কমালে না?

    নাঃ! ভাড়া কি আজকাল কেউ কমায়? তবে পাড়াটা ভালো, ওদের ইস্কুল কাছে হল। সামনের বছর অদিতি পাস করলে ওকে বেব্রোনে ভরতি করব— তাও খুব দূরে হবে না।

    যাক ভালোই হল। এ বাড়িটা আর আমার একটুও পছন্দ হচ্ছিল না। আশেপাশে যা হই-হট্টগোল দিনরাত!

    অদিতি অনুযোগের সুরে বলল . বাড়ি ঠিক হয়ে গেল, আমরা এখনও দেখলুম না। যদি এর থেকে ভালো না হয়!

    এর চেয়ে ঢের ভালো। বাইরে থেকেও কত সুন্দর দেখতে, গোলাপি গোলাপি রং, সামনের লনে একটা ছোটো ইউক্যালিপটাস গাছ আছে—কলকাতা শহরের কোন বাড়িতে তুই ইউক্যালিপটাস গাছ পাবি? ওটা একেবারে ঠিক আমাদের জানালার পাশে। একটা ছোটো ঘর আছে—ওটা আমি ভেবে রেখেছি তোর জন্য একেবারে আলাদা। পড়াশুনোর সুবিধে হবে—সঙ্গে ছোটো ব্যালকনি, অ্যাটাচড বাথরুম।

    বাথরুমে শাওয়ার আছে?

    হ্যাঁ, খুব মোটা জল পড়ে দেখে এলুম।

    কলিং বেল আছে?

    কলিং বেল কি বাড়িওলা দেয়। ওটা আমাদেরই গিয়ে লাগিয়ে নিতে হবে। আজ বা কাল তোরা গিয়ে বাড়িটা দেখে আয় না। দেখিস, তোদের ঠিক পছন্দ হবে।

    বাবলু গিয়ে সুজিতকে বলল . জানিস, আমরা সামনের মাস থেকে চলে যাচ্ছি। সব ঠিক হয়ে গেছে।

    কোথায় রে? অনেক দূরে?

    হুঁ, বহুৎ দূর, বালিগঞ্জে যাচ্ছি।

    বালিগঞ্জ আবার দূর নাকি? এই তো পরশুদিন টুবলুমামার গাড়িতে ঘুরে এলুম বালিগঞ্জ, টালিগঞ্জ—একটা দোকানে আইসক্রিম খাওয়ালেন, দোকানটা কী ঠান্ডা। তোরা বেশ রোজ রোজ ওই দোকানে আইসক্রিম খেতে পারবি।

    বাবা বলেছেন, আমাদের নতুন বাড়ির ঠিক পাশেই একটা আইসক্রিমের দোকান আছে। জানিস, আমি এই ইস্কুল ছেড়ে দেবো।

    ইস্কুল ছেড়ে দিবি? তারপর কী করবি?

    ওখানে ইংরেজি ইস্কুলে পড়ব। সেই ইস্কুলের বাস আছে। রোজ আমাদের বাড়ির সামনে বাস থামবে।

    সুজিত একটুক্ষণ চিন্তা করল, তারপর বলল . যাবার সময় তোরা ছাদ থেকে রেডিয়োর এরিয়ালটা খুলে নিয়ে যাবি?

    হ্যাঁ। এরিয়াল নিয়ে যাবো, জানালার পর্দা, নিয়ন লাইট সব নিয়ে যাবো।

    সুজিত বলল . ভালোই হল। তোদের এরিয়ালটার জন্য ছাদে ভালো করে ঘুড়ি ওড়াতে পারতুম না। এখন পুরো ছাদটা ফাঁকা পাবো। তোদের ফ্ল্যাটে যতদিন না অন্য ভাড়াটে আসে ততদিন তো দোতলাটাই আমাদের—কী মজা হবে তখন! শানু, পিন্টু, শুভাদের ডেকে রোজ চোর চোর খেলব।

    বাবলু গম্ভীরভাবে জানাল . আমাদের নতুন বাড়িতে ব্যাডমিন্টন খেলা হবে।

    সুজিতের দাদা ইন্দ্রজিৎ বারান্দায় দাঁড়িয়েছিল। সদ্য কলেজে ভরতি হয়েছে ইন্দ্রজিৎ, এই কিছুদিন আগেও সে সিঁথি কেটে চুল আঁচড়াত—এখন উলটে আঁচড়ায় বলে মুখখানা একটু বদলে গেছে। স্বভাবও একটু বদলেছে তার—আগে সে যখন তখন বাবলুদের সঙ্গে ক্যারাম খেলতে বসত—এখন আর খেলতে চায় না। সে গম্ভীরভাবে বলল . তোমাদের বাড়ি বদলানো ঠিক হয়ে গেল বাবলু?

    হ্যাঁ ইন্দ্রদা, খুব চমৎকার বাড়ি। বাবা বলেছেন…

    তোমাদের তো বদলানো দরকারই। তোমার বাবার কাছে কত লোক আসেন, কিন্তু এখানে তোমাদের ভালো বসবার ঘর নেই…

    ওখানে আমাদের ছ-খানা ঘর, তার মধ্যে দুটো বসবার ঘর, বাবার একটা মা-র একটা।

    কবে যাচ্ছো তোমরা?

    এই তো একত্রিশ তারিখ রোববার—বাবা বলেছেন সকালবেলায় চলে যেতে হবে—চারখানা লরি আসবে—

    চারখানা লরি কীসে লাগবে?

    বাঃ, অ্যাত্ত জিনিস, আমি প্রথম লরিটায় ড্রাইভারের পাশে বসব।

    অনিমা বললেন . বাড়িটা তো ভালোই ঠিক হয়েছে। কিন্তু আপনাদের ছেড়ে চলে যাবো, ভাবতে এত খারাপ লাগছে—

    সুজিতের মা রত্নপ্রভা বললেন . এমন কিছু তো দূর নয়। বাসে চড়লেই দশ মিনিট। যাওয়া-আসা তো থাকবেই।

    আচ্ছা তা তো থাকবেই। তবু এখানে যেমন আপনজনের মতন পাশাপাশি ছিলুম শান্তিতে—কোনো ঝঞ্ঝাট ছিল না, এসব ছেড়ে নতুন জায়গায়—অবশ্য পাড়াটা ভালো—আশেপাশে কোনো বস্তি নেই, সবই নতুন বাড়ি।

    আমার এক মাসতুতো ভাই ওই সি. আই. টি. রোডে বাড়ি করেছে। বলছিল যে, সবই ভালো, শুধু বর্ষাকালে বড্ড জল জমে। আর মশা খুব। আমাদের এদিকটায় কিন্তু মশা নেই। তোমাদের ভাড়া কত পড়বে?

    ভাড়া? ইয়ে, সাড়ে ছ-শো ঠিক হয়েছে, গ্যারেজ নিলে পুরো সাতশোই পড়বে। ভাবছি আপিসের গাড়িটা এখন থেকে বাড়িতেই রাখব।

    আমরাও ভাবছি যাদবপুরের জমিটায় এইবার একটা বাড়ি তোলা শুরু করবো। এখন ব্রিজ হয়ে গেছে তো—ওদিকটা এমন সুন্দর হয়েছে—ভাড়া বাড়িতে আর ভালো লাগে না। অজিত এবার কানপুরের ট্রেনিং শেষ করে ফিরবে—তখন আর কি এইসব বাড়িতে থাকতে চাইবে?

    তা ঠিক। নিজের বাড়ির তুলনায় কী আর ভাড়া বাড়ি! আমাকেও তো মা আর দাদারা বলছেন বাড়ি করো, বাড়ি করো। বাড়ি তো করাই যায়—কিন্তু ওর আপিস থেকে যে এতগুলো টাকা বাড়িভাড়া দেয়—নিজের বাড়ি হলে তো তা আর দেবে না। শুধু শুধু এতগুলো টাকা ছাড়ি কেন বলুন!

    তোমার কী ইয়ে অদিতির বাবার আর ক-বছর চাকরি আছে?

    এখনো সাত বছর। যাই, প্রেসার কুকারে মাংস চাপিয়ে এসেছি। দূরে চলে যাচ্ছি বলে ভুলে যাবেন না আমাদের রত্নাদি। বিপদে আপদে আপনাদের কাছে কত রকম সাহায্য পেয়েছি!

    আহা সাহায্য আবার কী? পাশাপাশি ছিলুম দু-বোনের মতন—দূরে চলে গেলেও তুমিও কি আমাদের ভুলতে পারবে?

    ছাদে একটা ছোট্ট ঘর, সেটা ইন্দ্রজিতের দখলে। একটা চেয়ার, একটা টেবিল আর একটা ছোট বুকশেলফ—এখানেই সে জানালার ধারে বসে পড়াশুনো করে, আর মাঝে মাঝে মুখ তুলে দেখে পায়রাদের ওড়াউড়ি। আর তার নতুন শেখা সিগারেট খাওয়ার জন্যই সারা বাড়িতে এই একটি মাত্র জায়গা। যখনই তার মন খারাপ হয়—আজকাল প্রায়ই হয়—সে এসে সেই ছাদের ঘরে জানালার পাশে বসে। এখান থেকে সে বহুদূর পর্যন্ত তাকিয়ে দেখতে পারে—তার আস্তে আস্তে মন ভালো হয়ে যায়। ইন্দ্রজিৎ সেই ঘরে বসেছিল, পিছন দিক দিয়ে অদিতি এসে টপ করে টেবিলের ওপর একটা বাটি রেখে বলল . এই নাও।

    ইন্দ্রজিৎ মনোযোগ দিয়ে উপন্যাস পড়ছে, ঘাড় না ফিরিয়ে বলল . কী?

    আচার। যা ঝাল হয়েছে না, আমরা কেউ খেতে পারছি না—তোমার খুব পছন্দ হবে।

    উঁহু, আমি এখন আচার খাবো না।

    কেন?

    আমি এইমাত্র সিগারেট খেয়েছি। এখন আচার খেলে স্বাদ নষ্ট হয়ে যাবে।

    ইস, এর মধ্যেই পাকা নেশাখোরের মতন কথা! রঞ্জিতদাকে বলে দেবো একদিন, তখন বুঝবে।

    বলতে হয় তো এখুনি বলো, পরে তো আর সুযোগ পাবে না!

    অদিতির কিশোরী মুখখানি এমন ঝকঝকে স্পষ্ট যে সমস্ত মনোভাবের তৎক্ষণাৎ ছায়া পড়ে। ছাদের সিঁড়িতে ওঠার সময় তার মুখ ছিল ঝাল লেগে বিব্রত, ঘরে ঢোকার পর কৌতুকের, এইমাত্র সে মুখে ম্লান ছায়া পড়ল। সে ইন্দ্রজিতের কাছে সরে এসে বললে. আমরা এ বাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছি, তুমি শুনেছো?

    হুঁ।

    তোমার বইটা এখন রাখো তো! আমার এখন মন খারাপ লাগছে—আর উনি বসে বসে বই পড়ছেন!

    কেন, মন খারাপ লাগছে কেন?

    নতুন বাড়িতে যাবো শুনে বেশ আনন্দও হচ্ছে, আবার মন খারাপও লাগছে।

    মন খারাপ লাগছে কীজন্য?

    তুমি জানো না বুঝি?

    না তো। আমি কেমন করে জানবো—কীজন্য তোমার মন খারাপ!

    ঠিক আছে জানতেও হবে না। জানি তো, আমার কথা কেউ ভাবে না।

    অদিতি সত্যিই রাগ করে চলে যাচ্ছিল, ইন্দ্রজিৎ দ্রুত উঠে গিয়ে তার হাত ধরলো। বলল. এই, রাগ করো না। শোনো, তোমার সঙ্গে অনেক কথা আছে।

    না, আমি কোনো কথা শুনতে চাই না—আমার সময় নেই।

    ইন্দ্রজিৎ জোর করে ওকে টেনে চিলেকোঠার সিঁড়িতে বসাল। নিজেও বসল পাশে। অদিতির কচি হাতের আঙুলগুলো নিয়ে খেলা করতে করতে বলল . জানো অদিতি, তোমরা চলে যাবে শুনে প্রথমটায় আমারও মন খারাপ লাগছিল—এখন কিন্তু বেশ ভালো লাগছে।

    কেন, ভালো লাগছে কেন?

    আমি বিকেলবেলা কলেজ থেকে ফেরার পথে প্রত্যেকদিন তোমাদের বাড়িতে যাবো—

    সত্যি যাবে? না, মিথ্যে কথা, বিকেলবেলা তোমার কত বন্ধু-বান্ধব।

    না, না, সত্যিই। শোনো, বিকেলবেলা তো এ বাড়িতে তোমার সঙ্গে আমার দেখা হয় না—মায়েরা তখন ছাদে আসেন, তা ছাড়া, দাদা তো আমাকে দেখলেই একটা না একটা কাজে পাঠাবে—তোমাদের বাড়িতে তো আর কোনো কাজ থাকবে না, আমরা তখন…

    আমরা বিকেলে ওখানে ব্যাডমিন্টন খেলব।

    হ্যাঁ খেলবো, আর বাগানে বসে গল্প করব। আমার প্রত্যেকটি বিকেলবেলা কেমন যেন মন খারাপ মন খারাপ লাগে, কলেজ থেকে বাড়ি আসতে ইচ্ছা করে না—এখন থেকে আমাদের নতুন বাড়িতে…

    অদিতি আলতোভাবে ইন্দ্রজিতের আঙুলে চাপ দেয়। সে মনোভাব লুকোতে জানে না, খুশি ঝলমল চোখে বলল . বাড়ি বদলে তাহলে খুব ভালো হল, না? ভালো কি খারাপ, আমি এতক্ষণ বুঝতে পারছিলুম না।

    খুব ভালো হল। মাঝে মাঝে আমরা আলাদা বেড়াতে যাবো। কী করে যাবো জানো? তোমার মাকে বলব . মাসিমা, অদিতিকে আমাদের বাড়ি নিয়ে যাচ্ছি! আসলে কিন্তু আমাদের বাড়িতে আসব না। আমরা আলাদা বেড়াব।

    মা জানতে পারবেন না?

    উহুঃ! এমন কায়দা করে ম্যানেজ করব—আমরা কখনো একসঙ্গে বেড়াইনি, দেখো কী ভালো লাগবে! তুমি লেকে গেছ কখনও? আমি তোমাকে লেক দেখাতে নিয়ে যাবো—

    যদি আমাদের কেউ রাস্তায় দেখে ফেলে?

    কেউ দেখবে না, আমি অনেক অচেনা অচেনা রাস্তা জানি।

    আর পাঁচদিন বাদেই একতিরিশের রোববার। জিনিসপত্র গুছোনো, বাঁধাছাদা শুরু হয়ে গেছে। ইন্দ্রজিতের দাদা রঞ্জিত এসব কাজে খুব পাকা, সে ওদের সাহায্য করছে খুব। একটা পায়া ভাঙা টেবিল অনিমা রঞ্জিতকে দানই করে দিলেন। বাবলুর খুব ইচ্ছে আগে একবার গিয়ে নতুন বাড়িটা দেখে আসে। রোজই তাই নিয়ে বায়না ধরছে। বিনয়েন্দ্রের সময় নেই, অনিমা তাই বললেন . আচ্ছা তুই আর দিদি আজ বিকেলবেলা ঘুরে আয়। ইন্দ্রজিৎকে বল না তোদের সঙ্গে নিয়ে যাবে।

    বাইরে বেরুবার সময় অদিতি আজকাল ফ্রক পরে না, একটা কালো রঙের সিল্কের শাড়িতে ওকে একটা ফুরফুরে দোয়েল পাখির মতন দেখাচ্ছে। বাবলু কিছুতেই মোজা পরতে চায় না, অদিতি ওকে জোর করে সু এবং মোজা পরিয়েছে। ইন্দ্রজিৎ পরেছে পায়জামা আর মুগার পাঞ্জাবি, তার চটি পরা পা দুখানি তার মুখের মতনই ঝকঝকে পরিষ্কার। পথে বেরিয়ে অত্যন্ত দায়িত্বসম্পন্ন মানুষের মতন সে বাবলুর হাত ধরে রইল, বাসে ওঠবার সময় সে সাবধানে বলল . লেডিজ, একদম রোখকে। পকেট থেকে মানিব্যাগ বার করে গম্ভীরভাবে টিকিট কাটল। মাঝে মাঝে অদিতির সঙ্গে চোখাচোখি হতে গম্ভীরভাবে তাকিয়ে রইল, বাবলু সঙ্গে আছে—তাই যে-সব কথা বলতে ইচ্ছে করছে তা সে বলতে পারছে না। একবার সে শুধু একটু ফিসফিস করে বলেছিল . তোমাকে কী সুন্দর দেখাচ্ছে অদিতি, সত্যি।

    অদিতি অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে বলল, যাঃ।

    ইন্দ্রজিৎকে কেউ বলে দেয়নি, তবু যেন সে মনে মনে কল্পনা করে রেখেছিল—

    অদিতিদের নতুন বাড়ি হবে একটা সুন্দর বাংলো ধরনের একতলা, আলাদা বাড়ি, সামনে থাকবে চমৎকার একটা বাগান, কেন জানি না সে ভেবেছিল, বাড়িটার রং হবে ধবধবে সাদা। বাগান পেরিয়ে শ্বেতপাথরের সিঁড়ি, তার কাছেই থাকবে বৈঠকখানা।

    ঠিকানা মিলিয়ে এসে দেখলো, একটা লালচে রঙের দোতলা বাড়ি, সামনে একটুখানি জমি আছে বটে, তাতে কয়েকটা এলোমেলো গাছ—কোনো বাগান নেই। বাড়ির দোতলায় বাড়িওলা থাকে, একতলাটা শুধু অদিতিদের। দরজায় অন্যলোকের নাম লেখা পাথরের ট্যাবলেট লাগানো। গেটের কাছে এসে দাঁড়াতেই একটা বিশাল কুকুর ঘেউঘেউ করে ছুটে এল। ইন্দ্রজিৎ কুকুরকে বিষম ভয় পায়, সে সঙ্কুচিত হয়ে একপাশে সরে দাঁড়াল।

    একটু পরেই ভেতর থেকে একুশ-বাইশ বছরের একটি সুন্দর মতন ছেলে বেরিয়ে এল, তার পরনে প্যান্ট ও তোয়ালে জামা, মাথায় ঝাঁকড়া—কোঁকড়া চুল। ছেলেটি বলল . কী চাই? ওরা কেউ কিছু বলার আগেই বাবলু বলে উঠল . আমরা এই বাড়িটা ভাড়া নিয়েছি। আমরা বাড়ি দেখতে এসেছি! ছেলেটি বলল . ও আপানরা মি. সেনগুপ্তর ফ্যামিলি থেকে? আসুন!

    ছেলেটি শক্ত হাতে কুকুরটার বগলস চেপে ধরে গেট খুলল। মাঠটা পেরুবার সময় বললো . আপনারা তিন ভাই বোন?

    ইন্দ্রজিৎ বলল . না, না…

    অদিতি বলল . উনি আমার দাদা নন।

    ইন্দ্রজিৎ বলল . ওদের পাশের ফ্ল্যাটে থাকি! সঙ্গে এসেছি!

    ছেলেটি বলল . ও, নমস্কার। আমার নাম সিদ্ধার্থ মজুমদার।

    ইন্দ্রজিৎ বলল . নমস্কার। আমার নাম ইন্দ্রজিৎ রায়চৌধুরী। ওর নাম অদিতি, আর এর নাম বাবলু, ভালো নাম দেবকুমার।

    একতলায় সাড়ে তিনখানা ঘর অদিতিদের, নতুন বাড়ি—তাই ঘরগুলো বেশ পরিষ্কার, বাথরুমটা বেশ বড়োসড়ো, রান্নাঘরে গ্যাসের কানেকশান আছে। সিদ্ধার্থ ওদের ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখাল। সিঁড়ির পাশের ঘরটাও ওরা ভেবেছিল অদিতিদের, কিন্তু সেই ঘরের দরজা খুলে সিদ্ধার্থ বলল . এইটে আমার পড়ার ঘর। আসুন, একটু বসবেন। চা খাবেন তো, আপনি নিশ্চয়ই খাবেন? আর আপনি? দ্বিতীয় প্রশ্ন করা হল অদিতিকে, সে উত্তর দেবার আগেই বাবলু বলল . আমিও চা খাবো।

    অদিতিকে এর আগে কোনো ছেলে আপনি বলে কথা বলেনি, সে লাজুকভাবে ঘাড় হেলালো শুধু। সিদ্ধার্থ বলল . বসুন, দাঁড়িয়ে রইলেন কেন, বসুন।

    বেশ ছিমছাম সাজানো ঘর। রেক্সিন মোড়া বড়ো টেবিল, বইয়ের র‌্যাকে অনেক বই—বেশির ভাগই ইংরেজি। দেয়ালে ব্র্যাডম্যান, ফ্রাঙ্ক ওরেল, ডব্লু. জি. গ্রেস ইত্যাদির বাঁধানো ছবি। চাকর এসে চা দিয়ে গেল। ইন্দ্রজিৎ ছবিগুলো দেখছিল, তাই সিদ্ধার্থ বলল . আমি কলেজের ক্রিকেট টিমের স্কিপার। আপনার কোন কলেজ? আমার সেন্ট জেভিয়ার্স। থার্ড ইয়ার।

    ইন্দ্রজিৎ বলল . আমি আশুতোষে পড়ি।

    ও। কোন ইয়ার?

    ফার্স্ট ইয়ার?

    দুনিয়ার সমস্ত থার্ড ইয়ারের ছেলে সমস্ত ফার্স্ট ইয়ারের বালকদের দিকে যে রকম কৃপার দৃষ্টিতে তাকায়, সিদ্ধার্থ সেইরকম সূক্ষ্মভাবে তাকিয়ে বলল . আপনাদের আশুতোষে স্পোর্টসের ব্যাপারে বোধ হয় তেমন এনকারেজমেন্ট নেই। ওখানে তো ইউনিয়ন নিয়েই সবসময় গণ্ডগোল লেগে আছে—

    ইন্দ্রজিৎ বিব্রতভাবে বলল . আমি ওসবের মধ্যে থাকি না। বাড়ির কাছে বলেই আমি আশুতোষে ভরতি হয়েছি, ইচ্ছে করলে প্রেসিডেন্সিতেও আমি ভরতি হতে পারতুম। আমিও ফার্স্ট ডিভিশান পেয়েছিলুম।

    কথাটা বলেই ইন্দ্রজিৎ লজ্জা পেল। ছি, ছি, ফার্স্ট ডিভিশনের কথাটা নিজের মুখে বলা তার উচিত হয়নি। অদিতি চকিতে একবার ওর দিকে তাকাল। সিদ্ধার্থ খুব ভদ্র, সে ওর লজ্জা ঢাকা দেবার জন্য তাড়াতাড়ি বলল . না, সব কলেজেই পড়াশুনো প্রায় এক। বাড়ির কাছে কলেজই ভালো। আননেসেসারিলি বাস জার্নির অরডিয়েল ভোগ করতে হয় না। আর, আপনি কোন কলেজে?

    এবার অদিতির লজ্জা পাবার পালা, সে টেবিলে আঙুল নিয়ে আঁচড় কাটতে কাটতে বললো . আমি কলেজে পড়ি না। আমার ক্লাস ইলেভেন।

    বাবলু বলল . আমি ক্লাস সিক্সে পড়ি। আচ্ছা এ বাড়ির ছাদ আছে?

    হ্যাঁ আছে, ওই সিঁড়ি দিয়ে সোজা উঠে যাও। যাও না, কোনো ভয় নেই, আমি কুকুর বেঁধে রেখেছি।

    অদিতি আস্তে আস্তে জিজ্ঞেস করল . কুকুরটার নাম কী?

    জুলি। আপনি কুকুর খুব ভালোবাসেন?

    হ্যাঁ।

    ওই কুকুরটাকে নিয়েই আমার বেশি সময় কাটে। বাড়ি তো ফাঁকা—মা, বাবা আর আমি। আমার বাবা টেনান্ট নেবার ব্যাপারে খুব সিলেকটিভ। পছন্দ না হলে নেন না, তিনমাস আমাদের ওই অ্যাপার্টমেন্ট খালি পড়ে আছে। আপনারা এলে আবার বাড়িটা বেশ জমজমাট হবে।

    বেশি দেরি করলে বাড়িতে চিন্তা করবে, তাই ইন্দ্রজিৎ একবার ওঠার কথা বলল। বাবলুকে ডেকে আনা হল। ঢোকার সময় নজর করেনি, এবার ওরা লক্ষ করল সামনের জমিটায় একটা ছিপছিপে সাদা রঙের গাছ। ইন্দ্রজিৎ জিজ্ঞেস করল . এইটা ইউক্যালিপটাস, না?

    হ্যাঁ। আমাদের মধুপুরের বাড়িতে অনেক ইউক্যালিপটাস আছে। এখানে তিনটে লাগানো হয়েছিল, মাত্র ওই একটাই বেঁচেছে।

    এর পাতাগুলোর গন্ধ এমন সুন্দর হয়!

    বাবলু বলল . ইন্দ্রদা, আমায় দুটো পাতা পেড়ে দাও না।

    ইন্দ্রজিৎ বলল . না, এখন না, এ বাড়িতে তো থাকবেই, মাটিতে অনেক শুকনো পাতা পাবে—শুকনো পাতাতেও গন্ধ হয়।

    না, এখন দাও।

    নীচে একটাও শুকনো পাতা পড়ে নেই। ইন্দ্রজিৎ এদিক ওদিক তাকিয়ে খুঁজছিল। সিঁড়িতে দাঁড়ানো সিদ্ধার্থ বলল . হ্যাঁ, হ্যাঁ, নিন না কয়েকটা পাতা। গন্ধটা ভালো লাগবে।

    হাতের নাগালে একটাও পাতা নেই। সাদা রঙের গুঁড়িটা সোজা উঠে গেছে। একটু উঁচুতে কচি কচি চিকন পাতা। ইন্দ্রজিৎ গোড়ালির ওপর ভর দিয়েও পাতা ছুঁতে পারল না। তখন একটু ছোটো লাফ দিয়ে ধরার চেষ্টা করল, তাও হাত যায় না! বাবলু সোৎসাহে বলছে . ইন্দ্রদা, আরও জোরে লাফাও, আর একটু। ইন্দ্রজিৎ আরও জোরে লাফালো, তবু হাত যায় না, আরও জোরে লাফাতেই পকেট থেকে মানিব্যাগ, কলম ছিটকে পড়ে গেল। সে সেগুলো নীচু হয়ে তুলতে যেতেই সিদ্ধার্থ বলল . দাঁড়ান, আমি পেড়ে দিচ্ছি।

    সিদ্ধার্থ সাবলীলভাবে একটি মাত্র লাফ দিয়ে একটা ছোটো ডাল ধরে ফেলল। কয়েকটা পাতা ছিঁড়ে এনে, দুটো দিল বাবলুকে, বাকিগুলো হাতের তালুতে মুড়ে কচলাবার পর বলল. এবার দেখুন কী সুন্দর গন্ধ! অদিতি মুখ নীচু করে বড়ো শ্বাস টেনে বলল . আঃ, কী সুন্দর কচি কচি গন্ধ! আঃ—অদিতি নিজের থেকেই নাকটা কাছে এনে সিদ্ধার্থের হাতে ছুঁইয়ে বলল . কী চমৎকার লাগছে না গন্ধটা, ইন্দ্রদা, দেখুন!

    ইন্দ্রজিৎ নিজের নাকটা নিয়ে এলো সিদ্ধার্থর হাতের দিকে। কিন্তু দমবন্ধ করে রইলো। নিশ্বাসে সে ঘ্রাণ নিল না।

    বাইরে বেরিয়ে বাবলু অবিরাম বকবক করছিল, আর অদিতি একবার জিজ্ঞেস করল . ইন্দ্রদা অ্যাপার্টমেন্ট মানে কী?

    ভাড়া দেয়ার ফ্ল্যাটকেই কায়দা করে অ্যাপার্টমেন্ট বলছিল।

    ওঁর ইংরেজি উচ্চারণ ভারি চমৎকার না? কী রকম সুন্দরভাবে বলছিলেন!

    কথা ছিল ইন্দ্রজিৎ আর রঞ্জিত মালপত্র নিয়ে ওদের সঙ্গেই যাবে। কিন্তু শনিবার দিন বেশি রাত্রে বাড়ি ফিরে ইন্দ্রজিৎ মাকে বলল . মা, কাল আমায় খুব ভোরে ডেকে দেবে। আমাদের কলেজের পিকনিক আছে।

    রত্নপ্রভা বললেন . সে কি রে? কাল ওরা বাড়ি পাল্টাচ্ছে, তুই ওদের সঙ্গে যাবি না?

    না, উপায় নেই। কলেজের প্রফেসাররা সব যাচ্ছেন—আমাকে যেতেই হবে। ডেকে দিও, ঠিক।

    ইন্দ্রজিৎ পাশের ঘরে যেতেই রত্নপ্রভা স্বামীকে বললেন . ও পাশের গিন্নি মিষ্টি কথা বলে ছেলে দুটোকে একেবারে চাকরের মতন খাটাচ্ছে। আমি পরের ছেলেকে ওরকমভাবে খাটাতে পারতুম না।

    ইন্দ্রজিৎকে ডাকতেও হয়নি, সারারাত বুঝি সে জেগেই ছিল। খুব ভোরে, তখন আলো ফোটেনি, কারুকে কিছু না বলে হাতমুখ ধুয়ে জামাকাপড় বদলে সে বেরিয়ে পড়ল। হাঁটতে হাঁটতে শিয়ালদহ স্টেশনে এসে শুনল ফার্স্ট ট্রেন ছাড়ছে ক্যানিং-এর দিকে। ক্যানিং-এর টিকিট কেটে সে উঠে পড়ল। এই প্রথম সে একা একা ট্রেনে যাচ্ছে, কিন্তু তার একটুও ভয় করছে না। জানালার ধারে মাথা রেখে সে ভোরের টাটকা হাওয়া বুক ভরে নিতে লাগল।

    খানিকটা বাদেই দেখল একটা স্টেশনের নাম চম্পাহাটি। হঠাৎ সেখানেই নেমে পড়ল ইন্দ্রজিৎ। প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে চা আর এস বিস্কুট খেল। তারপর স্টেশন ছেড়ে, পুকুরপাড় দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বাজারে এসে পৌঁছোলো। বাজার পেরিয়েও সোজা রাস্তা, সেই রাস্তা ধরে হাঁটতে হাঁটতে সে দেখল একটা কচুরিপানা ভরতি খাল। খালের উঁচু পাড় ধরে ইন্দ্রজিৎ আপন মনে হাঁটতে লাগল। পাশে দু-একখানা নতুন বাড়ি তৈরি হচ্ছে—তারপর ফাঁকা মাঠ। একটা ফণীমনসার গাছে দুটো প্রজাপতি ছুঁই ছুঁই খেলার মতন একবার করে বসছে আর উড়ে যাচ্ছে, বসছে আর উড়ে যাচ্ছে। সেদিকে তাকিয়ে ইন্দ্রজিৎ আপন মনে বললো . সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে পড়লেই ভালো ইংরেজি জানা হয় না। আমিও ইংরেজিতে সিক্সটি সিক্স পারসেন্ট নম্বর পেয়েছিলুম। অমন কথায় কথায় কায়দা করে ইংরেজি বলা পছন্দ করি না! বুঝলে?

    খালের পাড় ধরেই ইন্দ্রজিৎ হাঁটতে লাগল। ভোরের ঠান্ডা হাওয়ায় তার এত ভালো লাগছিল যে সে ঠিক করল সারাদিন ওই মাঠের মধ্যেই থাকবে। একটু বাদে সে আপন খেয়ালে দৌড়তে লাগল। যেন সে ছুটতে ছুটতে গিয়ে ওই খালটা কোথায় শেষ হয়েছে তাই দেখবে। বেশ কিছুক্ষণ দৌড়বার পর সে হাঁপিয়ে গিয়ে এক জায়গায় বসল। তখন ও বড়ো বড়ো নিশ্বাস নিচ্ছে। খালের জলে অল্প স্রোতে কচুরিপানাগুলো ভেসে যাচ্ছে। কয়েকটা মাটির ঢেলা কুড়িয়ে নিয়ে টুপটুপ করে জলে ছুঁড়তে লাগল। এবার আমি ওই ফুলটায় লাগাবো, ওই যে ওইটা।

    ঠিক টিপ মতন এক জায়গায় ঢিল লাগাবার পর ইন্দ্রজিৎ মনে মনে বলল . সবাই উঁচু দিকে লাফাতে পারে না। আমি হাইজাম্পে পারবো না। কিন্তু আমার সঙ্গে রানে রেস দিয়ে কেউ পারবে? আসুক দেখি! আমি সামনে ছুটে যাবার প্রতিযোগিতায় ফার্স্ট হবো?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    স্বর্ণলতা

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    স্বপ্নের নেশা

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনার কাঠির স্পর্শ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }