Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প596 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আলোকলতার মূল

    বিদেশ থেকে যেমন অনেকে নটরাজ মূর্তি, সস্তার কার্পেট, এথনিক গয়না ইত্যাদি সংগ্রহ করে আনে, পল কক্স সেইরকম সংগ্রহ করলেন একটি জীবন্ত মানুষরত্ন। বয়স বেশি নয়। একুশ-বাইশ হবে, তার মুখে এখনও লেগে আছে কৈশোরের আভা, খুব পাতলা চেহারা, থুতনিতে কচি ঘাসের মতন দাড়ি, মাথার চুল নেমে এসেছে ঘাড় পর্যন্ত, চোখ দুটি হিরের কুচির মতন।

    হংকং থেকে দেশে ফেরার পথে পল কক্স কয়েকদিনের জন্য থেমেছেন কলকাতায়। তাঁর সফরসূচির মধ্যে কলকাতা ছিল না, এখানে তাঁর কোনো কাজ নেই কিন্তু কলকাতায় আমেরিকান কনস্যুলেটের ফার্স্ট সেক্রেটারি ডেরেক রবিনসন তাঁর সাক্ষাৎ ভায়রাভাই, একদা দু-জন টেনিস খেলতেন একসঙ্গে। সেই ডেরেকের আমন্ত্রণে তিনি এখানে এসেছেন। টেনিস খেলা ছেড়ে দিয়েছেন অনেকদিন, তবু একটু হাত ঘামিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

    জেনারেল মোটর্স-এর প্রতিনিধি হয়ে পল কক্সকে অনেক দেশে ঘুরতে হয়। ভারতে এসেছেন তিনবার, কিন্তু কলকাতায় আসার কোনো উপলক্ষ্য ঘটেনি। তিনি যে মহলে ঘোরাফেরা করেন, সেখানে কলকাতা শহরের নামটা কেউ উচ্চারণ করে না। ব্যবসার স্বার্থে তো নয়ই, নিছক ভ্রমণের জন্যও কলকাতার কোনো আকর্ষণ নেই। খেলাধুলো ছাড়াও পল কক্সের ভ্রমণ ও গানবাজনার নেশা আছে।

    ডেরেক রবিনসনের স্ত্রী ন্যান্সি পল কক্সের স্ত্রী ডরোনির ছোটো বোন। ছোট শালিকার সঙ্গে মধুর সম্পর্ক থাকে, ফস্টিনষ্টি করে অনেক সময় কাটানো যায়। কলকাতা শহরটা যদিও ধুলো, আবর্জনা, ট্রাফিক জ্যাম, সরু রাস্তা, মানুষ টানা রিকশা এবং চিটচিটে গরমের জন্য কুখ্যাত, কিন্তু এই সব উচ্চপদস্থ সাহেবদের সেসব কিছুই ভোগ করতে হয় না। তারা নিজেদের আরামের সব রকম ব্যবস্থা করে নিয়েছে। তাদের বাড়ি চবিবশ ঘন্টা বাতানুকূল। গাড়ির ভেতরটা ঠান্ডা, ছাই রঙের কাচ থাকে বলে বাইরের কুদৃশ্য দেখা যায় না। অফিসেও ঠান্ডা, গরমের আঁচ একটুও তাদের গায়ে লাগে না। ছোটো একটা গণ্ডির মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু নিজেদের ধরনের মানুষের মেলামেশা। এত বড়ো শহরের বাকি অবস্থা সম্পর্কে তারা প্রায় কিছুই জানে না। বাড়ির বাইরে কখনো-কখনো তারা আড্ডা দিতে যায় টলি ক্লাবে, সেখানকার গাছপালা ঘেরা অনেকখানি সবুজ প্রান্তর দেখে নিউ ইংল্যান্ডের কথা হঠাৎ মনে পড়ে যায়।

    ন্যান্সির সঙ্গে ফুক্কুড়ি করে, টলি ক্লাবে দু-একবার গলফ খেলে এবং একবার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল দেখে এসে কলকাতা সম্পর্কে পল কক্সের খুব অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করা হয়ে গেল। নিউমার্কেট ও কটেজ ইন্ডাস্ট্রিতে কেনাকাটা করতে গিয়ে প্রায় কিছুই পছন্দ হল না তাঁর। ভারতীয় সংগীত শোনার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু রবিশঙ্কর ও আলি আকবর দুজনেই এখন আমেরিকায়। পল কক্স সেখানে তাঁদের বাজনা শুনেছেন একাধিকবার, কলকাতায় এখন বিশেষ কিছু হচ্ছে না।

    হাতে আরও দু-তিন দিন সময় আছে। কাছাকাছি কোথাও বেড়াতে গেলে হয় না? প্রথমেই মনে আসে দার্জিলিংয়ের কথা। ডেরেক আর ন্যান্সি মাত্র এক মাস আগেই দার্জিলিং থেকে ঘুরে এসেছে, এক্ষুনি আবার ভায়রাভাইকে নিয়ে সেখানে যেতে ইচ্ছে করে না, ডেরেকের ছুটিও নেই। আর তো কোথাও বেড়াতে যাবার নেই এই পশ্চিমবঙ্গে। এতখানি সমুদ্র তটরেখা রয়েছে, কিন্তু সমুদ্রতীরে নেই কোনো সুন্দর শহর। সমুদ্র উপভোগ করার জন্য একমাত্র যাওয়া যেতে পারে পুরীতে। তাও বেশ দূরে, সেখানে এত ভিড় হয় যে, ন্যান্সিরা একদিন থেকেই পালিয়ে এসেছিল।

    আর একটা জায়গার নাম শোনা যায় বটে—শান্তিনিকেতন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। সেখানে অবশ্য ন্যান্সি আর ডেরেক এ পর্যন্ত যায়নি, শুধু একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস দেখার যোগ্য হবে কিনা জানে না।

    পল জিজ্ঞেস করলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কে?

    ডেরেক বলল, একজন কবি। এই শতাব্দীর গোড়ার দিকে ইউরোপে তার খানিকটা নাম হয়েছিল। এখন সবাই ভুলে গেছে। আমেরিকায় অধ্যাপকরাও তার নাম জানে না। পৃথিবীতে এত কবি, ক-জনের নাম আর মনে রাখা যায়! এই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা ধর্মীয় বিষয় নিয়ে, ভাষা খুবই পুরোনা ও অপ্রচলিত, কেই বা কষ্ট করে পড়বে? ও হ্যাঁ, তিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, তা নিয়ে বাঙালিরা এখনও গর্ব করে।

    পল কক্স অস্ফুট সুরে বললেন, টেগোর! টেগোর!

    পল কক্স বাণিজ্য-বিশেষজ্ঞ হলেও উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তি। সমাজে মেলামেশা করতে হলে সবরকম বিষয় জানতে হয়। ইমপ্রেশানিস্ট শিল্পীদের ছবি সম্পর্কে ভালো জানেন, পিকাসোর সঙ্গে সালভাদোর দালির তুলনা করতে পারেন, গানবাজনা বোঝেন, সাহিত্য সম্পর্কেও মোটামুটি ধারণা আছে, কথাবার্তার মধ্যে কেউ যদি বলে, ‘অ্যান্ড দা রেস্ট ইজ সাইলেন্স’ অথবা ‘মাইলস টু গো’, তাহলে ধরতে পারেন যে, এগুলো যথাক্রমে শেকসপিয়র ও রবার্ট ফ্রস্টের উদ্ধৃতি।

    পল কক্স রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো লেখা পড়েননি, তাঁর পরিচিত সমাজে কেউ এ নাম উল্লেখ করে না। কিন্তু নামটা তাঁর স্মৃতিতে ধবনিত হল। তাঁর যখন দশ-এগারো বছর বয়েস, সেই সময় তাঁর বাবা প্রায়ই বলতেন এই কবির নাম, বাবার মুখে শুনে শুনে কয়েকটা লাইন পলের মুখস্থও হয়ে গিয়েছিল।

    বাবা কখনও ভারতবর্ষে আসেননি, খুব আসার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু শেষ বয়েসে বাবার কোমরে খুব ব্যথা হওয়ায় আর বিদেশ ভ্রমণের ঝুঁকি নিতে পারেননি।

    অনেকটা যেন বাবার অতৃপ্ত বাসনা পূরণের জন্যই পল কক্স বললেন, তাহলে একবার ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসটাই দেখে আসা যাক।

    বাতানুকূল গাড়িতে ভোরবেলা বেরিয়ে সন্ধের মধ্যে ফিরে আসা যায়। কিন্তু ডেরেক অফিসে খোঁজখবর নিয়ে জানলেন, রাস্তা খুবই খারাপ, এই বর্ষায় একেবারে যাচ্ছেতাই অবস্থা। বড়ো বড়ো গর্ত, বিদেশি শৌখিন গাড়ির অ্যাক্সেল পর্যন্ত ভেঙে পড়তে পারে। যদি বা না ভাঙে, সামান্য একশো চল্লিশ কিলোমিটার পথ পেরুতেই লেগে যাবে ছ-সাত ঘন্টা, একদিনের মধ্যে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই।

    পল কক্স বললেন, তিনি ট্রেনেই যাবেন। ওখানে হোটেল বা টুরিস্ট লজে রাত কাটানো যাবে নিশ্চয়ই!

    ডেরেক দুটো দিন ছুটি নিতে পারবে না, ন্যান্সিকে অনুরোধ করল তার জামাইবাবুকে সঙ্গ দেবার জন্য। এদেশের ট্রেনযাত্রাতে ন্যান্সির বড়ো ভয়। কখন কোথায় যে থেমে যাবে, অপেক্ষা করতে হবে ঘন্টার পর ঘন্টা, তার ঠিক নেই। একবার ভুবনেশ্বর যেতে এই কাণ্ড হয়েছিল। সে নানা অজুহাত দেখাতে লাগল।

    ডেরেক তখন তার অফিসের সুখেন্দু নামে এক নির্ভরযোগ্য ছোকরা কর্মচারীকে সঙ্গে দিয়ে দিল। বাংলা বুঝিয়ে দেবার জন্য এরকম একজনকে দরকারও বটে। সুখেন্দু সানন্দে রাজি, এর আগে আরও অনেক সাহেবকে নিয়ে সে ঘুরেছে, সাহেব তার কাছে জলভাত।

    শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেসে একটি বাতানুকূল লাউঞ্জকার নামে বগি থাকে। এক-একদিন বিনা নোটিসেই সেটা খুলে রাখা হয়। সেটার ভাড়া খুব বেশি, তবু সাহেব-মেমদের তা গায়ে লাগার কথা নয়। সে কামরাটা ঠান্ডা তো বটেই, তা ছাড়া সুবিধে এই যে সেখানে ভিখিরি বা ফেরিওয়ালারা উঠে বিরক্ত করে না। আজ সেই বগিটা নেই।

    তাহলে যেতে হবে সাধারণ ফার্স্ট ক্লাসে। সেটা ঠান্ডা তো নয়ই, বরং বেশ ভিড়। যাত্রীরা গা ঘেঁষাঘেঁষি করে বসে আছে, তাদের মধ্যে রেলের কর্মচারীই বেশি।

    সুখেন্দু পল কক্সকে জিজ্ঞেস করলে, মিঃ কক্স আপনি সাধারণ সেকেন্ড ক্লাসে যাবেন? জানলার ধারে জায়গা পাওয়া যাবে। আজ মেঘলা আকাশ, গরম বেশি নেই। জানলার ধারে বসে বেশ দেখতে দেখতে যেতে পারব।

    সুখেন্দুর সঙ্গে কথাবার্তা বলে পল কক্সের পছন্দ হয়েছে। তিনি বললেন, তুমি যা ভালো বুঝবে—

    যদি বাতানুকূল বগিটা সেদিন থাকত, পল কক্স বসতেন সেখানে, তাহলে এর পরবর্তী ঘটনাগুলো কিছুই ঘটত না।

    গরম সত্যিই নেই, মৃদুমন্দ বাতাস বইছে। হাওড়ার ঘিঞ্জি অঞ্চল ছাড়বার পর দু-দিকে চোখ জুড়নো সবুজ প্রান্তর। পল কক্সের দেশে মানুষ বিশেষ দেখা যায় না। এমনকি ধান বা গমের খেতেও একটা-দুটো ট্র্যাক্টর ফট ফট করে, চাষি বলতে সেরকম কারোকে চোখে পড়ে না। কাস্তে হাতে কোনো চাষি ফসল কাটতে যায় না। বীজ বোনা থেকে ফসল কাটা পর্যন্ত সবই যন্ত্রে সেরে ফেলা হয়।

    আর এখানে মানুষ, শুধু মানুষ, ছোট্ট একটা ডোবায় জাল ফেলছে মানুষ, উদোম শিশুরা দাপাদাপি করছে কাদার মধ্যে। একদঙ্গল লোক এমনিই বসে আছে গাছতলায়, জীর্ণ চেহারার নারীরা কলমি শাক তুলছে। এই মানুষগুলোর স্বাস্থ্য ভালো নয়, মুখও সুশ্রী নয়, মলিন পোশাক, তবু সব মিলিয়ে এমন একটা শান্ত মন্থরতা আছে যা এই বিদেশিটির কাছে অভিনব মনে হয়। যেন এরা রয়ে গেছে বাইবেলের যুগে।

    কামরার মধ্যে ফিরিওয়ালা যাচ্ছে অনবরত, তাদের কথা বোঝার সাধ্য নেই পলের, কে কী বিক্রি করছে তাও বুঝতে পারলেন না। সুখেন্দুর অনুরোধে এক ভাঁড় চা খেলেন। এত চিনি দেওয়া চা যে তাঁর প্রায় বমি এসে যাচ্ছিল। এ দেশের অধিকাংশ মানুষ রোগা, তাই বোধহয় তাদের বেশি চিনি দরকার। চা-টা পছন্দ না হলেও তিনি ভাঁড়টা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখতে লাগলেন। বেশ সুন্দর গড়নটি চা খাবার পর লোকে এটা ফেলে দেয়। মাটি দিয়ে তৈরি, পরিবেশ দূষণের প্রশ্ন নেই। এত সুন্দর জিনিসটা এরা ফেলে দেয় কেন, ঘরে বেশ সাজিয়ে রাখা যায়। এঁটো খুরিটা পকেটে নিয়ে নিলেন পল।

    হঠাৎ তিনি একটি তীক্ষ্ণ কণ্ঠস্বর শুনে চমকে উঠলেন।

    গেরুয়া কাপড় পরা একটি লিকলিকে চেহারার ছেলে, মাথায় লম্বা চুলে গিঁট বাঁধা, ঝকঝক করছে চোখ দুটি। সে গান ধরেছে .

    গোলেমালে গোলেমালে পিরিত করো না

    পিরিতি কাঁঠালের আঠা লাগলে পরে ছাড়বে না…

    ভাষা বোঝার প্রশ্ন নেই, পল মহাবিস্ময়ে লক্ষ করতে লাগলেন ছেলেটার কণ্ঠস্বরের তেজ তার এক হাতে গুপি যন্ত্র, পায়ে বাঁধা ঘুঙুর। একই সঙ্গে পায়ে নাচের তাল দিচ্ছে। হাতে যন্ত্রটা বাজাচ্ছে আর ট্রেনের আওয়াজ ছাপিয়ে তুলেছে তার গলা, একসঙ্গে তিনটে কাজ করছে।

    গান সম্পর্কে পলের বিশেষ উৎসাহ আছে। পাশ্চাত্য সংগীত ছাড়াও সে জাপানি, আরবি, আফ্রিকান গানবাজনার রেকর্ড সংগ্রহ করে। আলি আকবর, রবিশঙ্কর তাঁর কানে অপরিচিত নয়, কিন্তু কণ্ঠসংগীতে এরকম সোপ্রানো ক্বচিৎ শুনেছেন। এ যে অপেরা গায়কদেরও হার মানিয়ে দিতে পারে।

    তিনি সুখেন্দুকে নিম্লস্বরে জিজ্ঞেস করলেন, চলন্ত ট্রেনের কামরায় ওই ছেলেটি অত চেঁচিয়ে গান গাইছে কেন? অন্য যাত্রীরা আপত্তি করে না?

    সুখেন্দু বলল, না। আপত্তি করবে কেন? ও বেচারারা গান গেয়ে ভিক্ষে করে।

    পরের মুহূর্তেই নিজেকে সংশোধন করে নিয়ে সে আবার বলল, তা বলে ওদের সাধারণ ভিখিরি মনে করবেন না। ওরা হচ্ছে বাউল। ওদের একটা জীবনদর্শন আছে। ওরা কোনো জীবিকা অর্জনে বিশ্বাস করে না। এই বীরভূমে অনেক বাউল আছে।

    পল বললেন, ব্যাউ-উ-ল?

    সুখেন্দু বলল, আমেরিকাতেও তো একসময় বাউলরা খুব নাম করেছিল। আপনি নিশ্চয়ই বিখ্যাত গায়ক বব ডিলানের নাম শুনেছেন? সেই বব ডিলান একবার আমেরিকায় উডস্টক নামে একটা জায়গায় সমস্তরকম গাইয়ে-বাজিয়েদের জড়ো করেছিলেন। বিরাট একটা উৎসব হয়েছিল। আপনাদের কবি অ্যালেন গিনসবার্গের কাছে নাম শুনে বব ডিলান এদেশ থেকে আমাদের পূর্ণদাস বাউলকে স্পেশাল প্লেনে উড়িয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন, পূর্ণদাস সেই উডস্টকে গান গেয়ে সবাইকে মাতিয়ে দিয়েছিল।

    পল অস্ফুট স্বরে আবার বললেন, ব্যা-উ-উ-ল। আমার ধারণা ছিল সে আফ্রিকান।

    সুখেন্দু বলল, না, না আফ্রিকান কেন হবে, ইন্ডিয়ান। শুধু ইন্ডিয়ান নয়, আমাদের এই বেঙ্গলেই শুধু বাউলদের দেখা পাবেন। ওরা বংশানুক্রমে বাউল ঐতিহ্য মেনে চলে।

    উডস্টক উৎসব হয়েছিল কুড়ি বছর আগে। আমেরিকায় সে উৎসবের কথা কে না জানে।

    পল কক্স তখন ছিলেন একত্রিশ বছরের যুবক, তিনি নিজেই গিয়েছিলেন সেই উৎসবে। তিন দিন তিন রাত খোলা মাঠে কাটিয়েছেন। গানবাজনা নিয়ে সে ছিল এক দুরন্ত পাগলামির সময়।

    তখন একজন বাউলের গান শুনেছিলেন বটে, ক্ষীণভাবে মনে আছে। সুখেন্দু নিজের জ্ঞানের পরিচয় দেবার জন্য আরও অনেক কিছু বলতে যাচ্ছিল, তাকে থামিয়ে দিয়ে পল বললেন, এ ছেলেটিকে কাছে ডেকে কথা বলা যায়?

    সুখেন্দু নিজে বাউল ভক্ত, সে উৎসাহিত হয়ে উঠে দাঁড়িয়ে হাততালি দিল। ছেলেটি কাছে আসবার পর তার হাতে দশটা টাকা গুঁজে দিয়ে জিজ্ঞেস করল, তোমার নাম কী?

    তরুণ বাউলটির নাম গৌরহরি দাস। সে কিন্তু সাহেব দেখে গদগদ হল না। এই লাইনের ট্রেনে অনেক সাহেব-সুবো যায়। কেউ কেউ গান শুনে পয়সাও দেয়।

    পলের নির্দেশে সুখেন্দু জিজ্ঞেস করল, তুমি কবে থেকে গান গাইছ, গৌরহরি?

    গৌর মুচকি হেসে বলল, মায়ের পেটে থাকবার সময়েই!

    তোমার বাড়িতে কে কে আছে?

    জগৎ-সংসার ভরা মানুষ, সব আমার বাড়িতে।

    এই গুপি যন্ত্র বাজাতে শিখলে কার কাছে?

    এটা তো আমি বাজাই না, নিজে নিজেই বাজে। সাহেবকে বলুন, গানও আমি গাই নাই। ভগবান আমাকে দিয়ে গাওয়াচ্ছেন।

    খানিকক্ষণ এই ধরনের কথাবার্তা বলার পরই পলের মাথায় বিদ্যুতের মতন একটা চিন্তা এল। এই উনিশশো চুরানববইতে আবার উডস্টক উৎসব হচ্ছে। সেখানে এই বাউলটিকে নিয়ে যাওয়া যায় না?

    গৌরহরি। এই সাহেব তোমাকে আমেরিকায় নিয়ে যেতে চান। তুমি যাবে?

    এ প্রস্তাব শুনে গৌরহরি দারুণ কিছু বিস্মিত, পুলকিত কিংবা ভীত হল না। কোনো ভাবান্তর দেখা গেল না তার মুখে। সে জানে, কত বাউল ঘুরে এসেছে বিলেত—আমেরিকা। তার পাশের বাড়ির পবন প্যারিসে যায় ঘন ঘন। এর আর নতুন কথা কী?

    সে জানলা দিয়ে পিচ করে থুতু ফেলে এসে বলল, যেতে পারি!

    ব্যবস্থা করতে দেরি হল না। পল কক্স গৌরহরি দাসকে সঙ্গে নিয়ে উড়ে গেলেন আমেরিকা।

    আপ-স্টেট নিউইয়র্কের রোজ ভ্যালি নামে একটি ছোট্ট জায়গায় পল কক্সের বাড়ি। স্বামী, স্ত্রী ও একটি কুকুরের সংসার। ওদের দুটি ছেলে মেয়ে, বনি আর স্টিফেন, তারা কোথায় যে কখন থাকে তা বাপ-মাও জানে না। পলের স্ত্রী সুজান ছেলেমেয়ের চেয়েও কুকুরটিকে বেশি ভালোবাসে। সুজান একসময় একটি সুপার মার্কেটে ম্যানেজারের কাজ করত, এখন চাকরি ছেড়ে দিয়েছে। চাকরি করার চেয়ে বাগানচর্চা সে বেশি পছন্দ করে। স্থানীয় কলেজের একটি ছাত্র সপ্তাহে দু-দিন তার বাগানের পরিচর্যা করে দিয়ে যায়। আর একটি ছাত্রী সপ্তাহে একদিন বাসন-টাসন, জামা ও ঘরদোর পরিষ্কার করে।

    বেশ বড়ো বাড়ি, ওপরে পাঁচখানা ঘর, বেসমেন্টটাও অতি প্রশস্ত। গৌরহরিকে থাকতে দেওয়া হল বেসমেন্টে। সেখানে আলাদা টয়লেট ও স্নানের জায়গা আছে।

    পলও লক্ষ করেছেন, গৌরহরি কোনো কিছুই চায় না, কোনো কিছু দেখেই বিস্মিত হয় না। এইটুকু ছেলে এত উদাসীন হয় কী করে?

    মাসখানেকের মধ্যে গৌরহরি ভাঙা ভাঙা ইংরেজি রপ্ত করে ফেলেছে। অনেক সময় কেউ বুঝুক বা না বুঝুক সোজাসুজি বাংলায় কথা বলে যায়।

    হঠাৎ এরই মধ্যে একটি মেয়ে এসে মহা উপদ্রব শুরু করে দিল। পল আর সুজানের মেয়ে বনি এক স্প্যানিশ গিটারবাদকের সঙ্গে জোড় বেঁধেছিল কিছুদিন বোস্টনে। মাসখানেক আগে ওদের ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে। এখন সে মনের জ্বালা জুড়োতে এক দঙ্গল বন্ধুর সঙ্গে মিলে মাদক সেবন করে। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো ছাত্রীও বটে। মাঝে মাঝে সে বাবা-মায়ের কাছে আসে কিছু টাকা-পয়সা নিতে। সবদিক থেকে স্বাধীন হলেও বাবা-মায়ের কাছ থেকে টাকা নেবার ব্যাপারে লজ্জা থাকলে চলে না।

    গৌরহরিকে দেখে সে দারুণ আকৃষ্ট হল। ভারতীয় সে অনেক দেখেছে। কিছু ভারতীয় হয় অত্যন্ত ফর্মাল ও ভদ্র, কিছু ভারতীয় আবার বেশ হ্যাংলা। কিন্তু এ যে একটি টাটকা, গেঁয়ো ছেলে। শরীরে যেন বুনো ঝোপের গন্ধ। চুল আঁচড়াতে জানে না। দাড়ি কামাতে শুরু করেনি। সকলের সামনে উরু চুলকোয়, বড়ো বড়ো চোখ মেলে তাকিয়ে থাকে, এরকম একটা প্রকৃত অমার্জিত মানুষ এদেশে পাওয়া যাবে কোথায়!

    একবেলার জন্য এসেছিল বনি, থেকে গেল তিনদিন। বেসমেন্ট থেকে সে আর নড়ে না। অনবরত গান শোনে। গৌরহরির কাছ থেকে বিড়ি চেয়ে খায়। তার নিজের গাঁজা ভরা সিগারেট ওকে দেয়। ছেলেটা একই সঙ্গে নাচে, বাজনা বাজায় ও গান গায়, কিছুতেই তার ক্লান্তি নেই।

    দুপুর গড়িয়ে সন্ধে, সন্ধে গড়িয়ে মাঝরাত, পল আর সুজান ঘুমিয়ে পড়ে, তখনও বনির গান শোনার বিরাম নেই। বনি পা ছড়িয়ে বসে থাকে, একটু দূরে দাঁড়িয়ে গৌরহরি গান করে যায়। ছোট্ট একটা প্যান্ট পরা বনির রক্তচন্দনের মতো উরু প্রায় খোলা। বুকে ব্রা-হীন জামা, সে সুন্দরের প্রতিমূর্তি। কিন্তু গৌরহরি বনিকে স্পর্শ করার চেষ্টা করে না। তার দিকে লোভের দৃষ্টিও দেয় না।

    বনি অবাক হয়। তার অহমিকায় একটু আঘাতও লাগে। এরকম নিরালায় তার কাছাকাছি থাকলে কোনো পুরুষই সংযম রাখতে পারে না। বিশেষ পছন্দ না হলে বনি তার এত কাছাকাছি ও নিরালায় থাকতেও দেয় না কোনো পুরুষকে।

    বনি জিজ্ঞেস করল, তুমি ট্রেনে গান গেয়ে ভিক্ষে করতে?

    গৌরহরি বলল, না তো! লোকে আমার গান শুনে পয়সা দেয়।

    বনি বলল, এ দেশে গান গেয়ে তুমি অনেক পয়সা রোজগার করতে পারবে। গৌরহরি বলল, একটা মোটে পেট, তার জন্য কত পয়সা লাগে?

    বনি বলল, তুমি আমার সঙ্গে বোস্টনে যাবে? আমার অ্যাপার্টমেন্টে থাকবে। আমার বন্ধুদের শোনাব তোমার গান।

    গৌরহরি বলল, আমি এখানেও থাকতে পারি, তোমার ওখানেও থাকতে পারি।

    বনি তিনদিন পরে বাবা-মায়ের কাছে আবদার ধরল, সে বাউলটিকে সঙ্গে নিয়ে যাবে।

    পল আর সুজান দুজনেই বেঁকে বসেছে।

    গৌরহরির সঙ্গে বনির এত ঘনিষ্ঠ মেলামেশা সুজানের পছন্দ হয়নি। স্প্যানিশ বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে এক বাড়িতে থাকত, সেটাও মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু একটা কালো ছেলেকে নিয়ে আদিখ্যেতা সহ্য করা যায় না। পলের আপত্তি অন্য কারণে। এই ছেলেটি পবিত্র, নিষ্পাপ, নির্লোভ। একে তিনি কিছুতেই নষ্ট হতে দেবেন না। তাঁর মেয়েকে তিনি জানেন, সে ছেলেদের মাথা চিবিয়ে খায়। তিনি নিজের দায়িত্বে গৌরহরিকে এদেশে এনেছেন, তাকে তিনি রক্ষা করবেনই।

    কিন্তু বনি দারুণ জেদি। বাবা-মায়ের আপত্তির সে তোয়াক্কা করে না। একদিন বিকেলে গৌরহরিকে নিয়ে বেড়াতে যাবার ছুতোয় নিজের গাড়িতে চাপাল, তারপর হুশ করে বেরিয়ে গেল রোজ ভ্যালি ছাড়িয়ে। রাতারাতি সে বোস্টনে পৌঁছে যাবে।

    তিন ঘন্টা ড্রাইভ করার পর একটা রেস্ট এরিয়ায় গাড়ি ঢুকিয়ে দিল বনি। একটানা গাড়ি চালাতে তার ভালো লাগে না। সন্ধে হয়ে এসেছে, এখানে আর একটিও গাড়ি নেই, একেবারে নির্জন। জানলার কাচ নামিয়ে দিয়ে বনি একটা গাঁজাভরা সিগারেট ধরাল।

    তারপর মুচকি হেসে বলল, তুমি কি বুঝতে পেরেছ যে আমি তোমাকে নিয়ে পালাচ্ছি?

    গৌরহরি বলল, অনেক দূরে চলে যাচ্ছি, বুঝেছি।

    তোমার আপত্তি আছে? আমার বাড়িতে থাকবে।

    ও বাড়িও যা, তোমার বাড়িও তা।

    আ, বাবা আর মা রেগে যা ছটফট করবে! ভারি মজা হবে। তোমার তো বাইশ বছর বয়স, তুমি অ্যাডাল্ট, তোমাকে ওরা জোর করে আটকে রাখতে পারেন না। ওগো বাউল, তুমি কি চুমু খেতে শেখোনি? জানো, চুমু খেতে কেমন লাগে? এরকম মনমাতানো সন্ধ্যায় চুমু খেতে হয়। এসো। আমি তোমায় শিখিয়ে দিচ্ছি।

    জামার একটা বোতাম খুলে দিল বনি।

    গৌরহরি বনির শেখাবার অপেক্ষা করল না। সে বলল, আমি পুরুষ, তুমি প্রকৃতি। ভগবানের ইচ্ছাতেই পুরুষের সঙ্গে প্রকৃতির মিলন হয়। তুমি যদি চাও।

    সে হাত বাড়িয়ে বনিকে বুকে টেনে নিল।

    গৌরহরি আবার ফিরে এসেছে দেশে। উডস্টক উৎসবে তার স্থান হয়নি শেষ পর্যন্ত। পল কক্স দারুণ ত্রুদ্ধ হয়ে, তার ভিসা ক্যানসেল করিয়ে, ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন।

    গৌরহরি আবার ট্রেনে গান গায় নিয়মিত। একই রকম চেহারা, মুখে কোনো গ্লানির চিহ্ন নেই। কেউ যদি তাকে জিজ্ঞেস করে, কীরে, আমেরিকায় গিয়ে কী দেখলি?

    গৌরহরি জানলার বাইরের দিকে হাত দেখিয়ে বলে, এখানে যা দেখি ওখানেও তাই। ভগবানের রাজত্বে সবই তো সমান। একই পুরুষ, একই প্রকৃতি। এ দেশেও গাছপালা, সে দেশেও গাছপালা, এ দেশেও ফুল, সে দেশেও ফুল…

    কেউ কেউ ফুক্কুড়ি করে বলে, হ্যাঁরে গৌর, কোনো মেমসাহেব তোর সঙ্গে পিরিত করতে চায়নি?

    গৌরহরি চুপ করে থাকে। কিছু বলতে চায় না। কিন্তু অন্যরা ছাড়বে কেন? সবাই রসের কথা শুনতে চায়। দু-একজন তাকে ঠেলা দিয়ে বলে, বল না, বল না, সাদা মেয়েদের পিরিত কেমন?

    গৌরহরি ফিক করে হেসে ফেলে গান ধরে .

    পিরিত যগ ডুমুরের ফুল

    সে যে আলোকলতার মূল—

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    স্বর্ণলতা

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    স্বপ্নের নেশা

    March 27, 2025
    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনার কাঠির স্পর্শ

    March 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }