Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    হরিশংকর জলদাস এক পাতা গল্প291 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একলব্য – ১৩

    ১৩

    ব্রাহ্মণো ভার্গবোহস্মি।
    আমি ভার্গব গোত্রের ব্রাহ্মণ।

    .

    ‘হ্যাঁ, সূতপুত্র বলে যাকে আপনি ব্রহ্মাস্ত্রবিদ্যা দান করেন নি, শিক্ষার মধ্যপথে যাকে আপনি গুরুকুল থেকে অনেকটা বহিষ্কারই করে দিয়েছিলেন, সেই কর্ণকে সাদরে শিষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন পরম গুরু পরশুরাম।’ কর্ণ বলল।

    বিস্মিত কণ্ঠে দ্রোণাচার্য বললেন, ‘বহিষ্কার করে দিয়েছিলাম আমি! তোমাকে! আমার পাঠশালা থেকে!

    ‘বহিষ্কারই তো করেছেন আপনি। যে গুরু সমান মেধাবান শিষ্যকে সমান শিক্ষা না দিয়ে পক্ষপাতিত্ব করেন, তাঁকে যথার্থ গুরু বলা যাবে কি না জানি না। মেধায় অর্জুনের চেয়ে আমি কোনো অংশে কম ছিলাম না। কিন্তু আপনার পক্ষপাতিত্ব ছিল অর্জুনের দিকে। নিজপুত্র বলে অশ্বত্থামাকে আর রাজপুত্র বলে অর্জুনকে আপনি ব্রহ্মাস্ত্র দান করলেন। আমাকে বিমুখ করলেন আপনি। বললেন, ব্রাহ্মণরাই এই মারাত্মক আগ্নেয়াস্ত্রের অধিকারী হতে পারে শুধু। অর্থহীন কীসব যুক্তি দিয়ে বোঝালেন, ক্ষত্রিয়রাও এই অস্ত্রের অধিকারী হতে পারে। সূতপুত্র বলে আমাকে ঘৃণা আর অবহেলায় উড়িয়ে দিলেন। দম নেওয়ার জন্য একটু থামল কৰ্ণ।

    তারপর আবার বলল, ‘এরপর কোনো শিষ্য কি ভক্তিশ্রদ্ধা নিয়ে আপনার বিদ্যালয়ে বিদ্যার্জন করতে পারে? পারে না। আপনি পরোক্ষে বলে দিলেন, সূতপুত্র হওয়া সত্ত্বেও করুণাবশে তোমাকে এতদিন অস্ত্রশিক্ষা দিয়েছি আমি। মর্যাদাহীন বংশে জন্মে তুমি ব্রহ্মাস্ত্রের অধিকার চাইছ? তোমার আর আমার পাঠশালায় স্থান নেই। এরকমই তো ভাবে-ভঙ্গিতে বুঝিয়েছিলেন সেদিন আপনি আমাকে? বহিষ্কারই তো বলা যায় একে?’

    কী বলবেন দ্রোণাচার্য বুঝে উঠতে পারছিলেন না। কর্ণের কথার কোনো উত্তর তিনি খুঁজে পাচ্ছিলেন না। স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলেন অস্ত্রবিদ্যা-প্রদর্শনীর ময়দানে।

    এই সময় অশ্বত্থামা বলে উঠল, ‘তুমি থামো কর্ণ। আমার পিতাকে অপমান করার সাহস পেলে কোথা থেকে তুমি?’

    কথোপকথনস্থলে কখন অশ্বত্থামা এসে উপস্থিত হয়েছে, টের পান নি দ্রোণাচার্য। চমকে অশ্বত্থামার দিকে ফিরলেন। হাত তুলে অশ্বত্থামাকে থামতে বললেন।

    দুর্যোধন বলল, ‘অশ্বত্থামা, তুমি কথা বলবে না। এটা গুরু-শিষ্যের সমস্যা। ওঁদের সমাধান করতে দাও।’

    কর্ণ বলে উঠল, ‘আমার সঙ্গে আপনার মতো হীন আচরণ করেন নি আচার্য পরশুরাম। সূতপুত্র জেনেও ব্রহ্মবিদ্যা দান করেছেন তিনি আমায়।’ সত্যের সঙ্গে মিথ্যেকে মিশিয়ে কথা শেষ করল কর্ণ।

    দ্রোণাচার্যের চক্ষু বিস্ময়ে বিস্ফারিত। পরশুরাম বৈদিকসমাজের নীতিনির্ধারক। ব্রহ্মাস্ত্র সম্পর্কে কর্ণকে তিনি যা বলেছিলেন, তার সবটুকুই পরশুরামের কথা। তিনিই বলেছিলেন, ‘হীনজাতির কেউ ব্রহ্মাস্ত্র লাভ করার অধিকার রাখে না।’ গুরুর কথাটাই বলেছিলেন তিনি কর্ণকে। সেই গুরুদেব পরশুরাম কী করে কর্ণকে শিষ্য হিসেবে গ্রহণ করলেন! কী করে তিনি তার হাতে মারণাস্ত্র তুলে দিলেন? নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছেন না আচার্য।

    দ্রোণাচার্যের কাছে পরশুরাম-সম্পর্কিত কর্ণের বক্তব্য ছিল পূর্বপরিকল্পিত। তার কথায় সত্যের চেয়ে মিথ্যে ছিল বেশি। দ্রোণের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়ে কর্ণ পরশুরামের কাছে উপস্থিত হয়েছিল। হাঁটু গেঁড়ে বসে করজোড়ে শিষ্যত্ব যাচনা করেছিল সে। বলেছিল, ‘আপনি ত্রিভুবন-শ্রদ্ধেয় গুরুদেব, আপনার শিষ্যত্ব গ্রহণ করার জন্য বহু যোজনপথ অতিক্রম করে এসেছি। আমাকে গ্রহণ করুন।’

    পরশুরাম জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘কোন কুলে জন্ম তোমার?’

    কর্ণ জানে,পরশুরামের মাহেন্দ্র বিদ্যালয়ে সূতপুত্রের পরিচয় চলবে না। ক্ষয়িত্রদেরও পছন্দ করেন না তিন সপ্তবার ক্ষত্রিয়ান্তক পরশুরাম। মিথ্যাচার করল কর্ণ। পরশুরামের পায়ে মাথা ঠেকিয়ে বলল, ‘আমি ভার্গব গোত্রের ব্রাহ্মণ।

    কাশ্যপ, ভরদ্বাজ অথবা মৌদ্‌গল্য ব্রাহ্মণ নয়, নিজেকে একেবারে ভার্গব ব্রাহ্মণ বলে পরিচয় দিল কর্ণ। পরশুরাম বিগলিত হলেন। কর্ণকে তাঁর অস্ত্র পাঠশালায় স্বাগত জানালেন। কারণ তিনি নিজেই ভৃগুবংশীয় ভার্গব।

    বড় যোদ্ধা হওয়ার জন্য, নিজেকে প্রতিষ্ঠা দেওয়ার জন্য কর্ণ অবিরাম সংগ্রাম করে গেছে। সর্বদা পরিবেশ আর পরিস্থিতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে তাকে। সূত অধিরথের ছেলে বলে দ্রোণাচার্যের পাঠশালায় তার অভীষ্ট লাভ হলো না। নিজেকে উন্নত করার জন্য অভিমানক্ষুব্ধ কর্ণ আরও বিখ্যাত অস্ত্রগুরু পরশুরামের কাছে গেল। নিজের মিথ্যে পরিচয় দিল পরশুরামকে।

    কর্ণ যে নিজেকে ভার্গব বলে পরিচয় দিল, তার স্বপক্ষে একটা যুক্তি দাঁড় করাল মনে মনে। কর্ণ ভাবল—গুরু তো পিতার সমান। শাস্ত্র গুরুকে দ্বিতীয় পিতার স্বীকৃতি দিয়েছে। ভার্গব পরশুরামকে সে গুরু বলে মেনে নিয়েছে। সুতরাং নিজেকে ভার্গব বলে পরিচয় দিতে ক্ষতি কী? এটা তো মিথ্যে নয়। তাই নিজেকে ব্রাহ্মণ বলে পরিচয় দিল কর্ণ। আর এটা যদি মিথ্যাচারও হয়, অভীষ্ট সিদ্ধির জন্যই তো এরকম করেছে সে। তথাকথিত হীনবংশে জন্ম তার। অকুলীন কুলে জন্ম বলে সে কি কখনো বাঞ্ছিত সিদ্ধি অর্জন করতে পারবে না? অবিরাম অপরিসীম লাঞ্ছনার শিকার হতে থাকবে সে? না, কিছুতেই না। ব্রহ্মাস্ত্র লাভ তাকে করতেই হবে। এই বাসনায় নিজেকে ব্রাহ্মণ বলে পরিচয় দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করল না কর্ণ।

    পরশুরামের মাহেন্দ্র পাঠশালায় কর্ণের অস্ত্রশিক্ষা শুরু হলো। কঠোর পরিশ্রম আর নিষ্ঠা দিয়ে পরশুরামের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ হলো কর্ণ। তার সেবামাধুর্যে এবং শ্রদ্ধায় পরম তৃপ্তি লাভ করলেন পরশুরাম। চোখা চোখা সকল বাণ কর্ণের হাতে তুলে দিলেন তিনি।

    এসবের অনেকটাই কর্ণের পূর্ব-অধিগত। কিন্তু পরশুরামের সম্মুখে কর্ণ এমন কৃতজ্ঞের অভিনয় করে গেল, এ অস্ত্র যেন তার নতুন করে পাওয়া। এই অভিনয় সে অতি দক্ষতার সঙ্গেই করল। গুরুর প্রতি যে সে সবিশেষ অনুরাগী, সেটা তাকে প্রমাণ করতেই হবে। গুরুর তৃপ্তিতে তার ব্রহ্মাস্ত্র পাওয়ার পথটি কুসুমাস্তীর্ণ হবে।

    শেষ পর্যন্ত পরশুরামের মন সন্তুষ্টিতে ভরে গেল। একদিন কর্ণের হাতে ব্রহ্মাস্ত্র তুলে দিলেন পরশুরাম। শিখিয়ে দিলেন এই মারণাস্ত্রের গ্রহণ, ধারণ এবং সংবরণের সমস্ত কৌশল।

    শিক্ষণ-প্রশিক্ষণের প্রক্রিয়া তখনো চলছিল। প্রক্রিয়া চলাকালীন এক বিকেলে সেই দুর্ঘটনাটি ঘটে গেল। এই ঘটনাটির পরিপ্রেক্ষিতে কর্ণের প্রকৃত পরিচয় উদ্‌ঘটিত হলো গুরুদেব পরশুরামের কাছে।

    সেদিন উপবাসে ছিলেন পরশুরাম। ক্লিষ্ট দেহ। ক্লান্ত পরশুরাম শিষ্য কর্ণের কোলে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়লেন। এই সময় একটি কাঁকড়াবিছে কর্ণের ঊরু ভেদ করে রক্ত খেতে লাগল। নড়াচড়া করলে গুরুর ঘুমের ব্যাঘাত হবে—এই আশঙ্কায় কর্ণ এতটুকু নড়ল না। কিন্তু কর্ণের ঊরু চুঁইয়ে-পড়া রক্ত পরশুরামের গায়ে লাগল। তিনি জেগে গেলেন। তিনি দেখলেন—নিষ্কম্প প্রদীপের মতো কর্ণ স্থির হয়ে বসে আছে। অসহ্য ব্যথা নিজে সহ্য করেছে, কিন্তু গুরুর নিদ্রায় বিন্দুমাত্র বিঘ্ন সৃষ্টি করে নি।

    পরশুরামের মনে হঠাৎ সন্দেহের উদ্রেক হলো—এই অসহনীয় ব্যথা কর্ণ সহ্য করল কী করে? একজন ব্রাহ্মণের পক্ষে এরকম কষ্টসহিষ্ণু হওয়া সম্ভব নয়। ব্রাহ্মণরা যেরকম ক্রোধপরায়ণ, তাদের পক্ষে কাঁকড়াবিছের কামড় মেনে নেওয়া অসম্ভব। হয় ওরা পোকাটিকে পিষে মারত, না হয় গোটা বিছে জাতটাকেই ধ্বংসের অভিশাপ দিত। এ দুটোর কোনোটাই করল না কর্ণ।

    তাহলে, তাহলে কি সে ব্রাহ্মণ নয়? সন্দেহ ধূম্রজাল পাকাল পরশুরামের মনে। সন্দেহতাড়িত পরশুরাম কর্ণকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি কে? কে তুমি?

    কর্ণ কোনো উত্তর দিল না। বিভ্রান্ত চোখে গুরুদেবের দিকে শুধু তাকিয়ে থাকল।

    পরশুরাম জোরগলায় আবার জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি পরিষ্কার করে বলো, কে তুমি?’

    এবার কর্ণ বলল, ‘আমি কর্ণ। আমার বড় পরিচয় আমি মহাত্মা পরশুরামের অস্ত্রশিষ্য।’

    ‘তা বুঝলাম। তুমি নিজেকে ভার্গব ব্রাহ্মণ বলে পরিচয় দিয়েছ। আমার সন্দেহ হচ্ছে—তুমি ব্রাহ্মণ নও।

    এবার বিনীতভাবে কর্ণ জিজ্ঞেস করল, ‘আপনার এরকম সন্দেহের কারণ কী গুরুদেব?’

    আস্থার কণ্ঠে পরশুরাম বলে উঠলেন, ‘ব্রাহ্মণের সহ্যশক্তি কতটুকু তা আমার ভালো করেই জানা। কীটের কামড় সহ্য করার মতো ধৈর্য ব্রাহ্মণের নেই। এরকম সহ্যশক্তি শুধু ক্ষত্রিয়েরই আছে। অতএব বলো তুমি কে? কী তোমার প্রকৃত পরিচয়?

    এবার কর্ণ আর লুকোচুরিতে গেল না। নিজের প্রকৃত পরিচয় জানিয়ে বলল, ‘আমি এমন দম্পতির ঘরে জন্মেছি, যাদের একজন ব্রাহ্মণ, অন্যজন ক্ষত্রিয়।

    ‘মানে!’ চোখ বড় বড় করে বললেন পরশুরাম।

    কর্ণ পরশুরামকে সাষ্টাঙ্গে প্রণিপাত করে বলল, ‘হ্যাঁ মহাত্মা, আমার মা ব্রাহ্মণকন্যা। বাবা ক্ষত্রিয়। মায়ের নাম রাধা। লোকে আমাকে রাধেয় কর্ণ বলে ডাকে।’

    পিতার পরিচয়ে নিজের পরিচয় দিল না কর্ণ, বলল না–আমি অধিরথ পুত্র। মায়ের পরিচয়ে নিজের পরিচয় দিল এই ভেবে যে, পিতার পরিচয় যা-ই হোক, মা তো ব্রাহ্মণকন্যা। সুতরাং আমার জাত-পরিচয়ের হীনতা কোথায়? ব্রাহ্মণকন্যা রাধার একটা সামাজিক উচ্চতা আছে, সেই উচ্চতায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইল কর্ণ, গুরু পরশুরামের সামনে। তাই সে জোরগলায় নিজেকে রাধেয় কর্ণ বলে পরিচয় দিতে দ্বিধান্বিত হলো না।

    কর্ণের কথা শুনে পরশুরাম ভেতরের ক্রোধকে বাইরে টেনে আনলেন না। জ্বলন্ত লাভাসম ক্রোধকে নিজের মধ্যে চেপে রেখে কর্ণের দিকে পলকহীন চোখে তাকিয়ে থাকলেন।

    মিথ্যে বলার ভীতিটা তখন কর্ণের কেটে গেছে। সত্যকে লুকিয়ে রেখে মিথ্যের অভিনয় করে যাওয়ার যন্ত্রণা থেকে সে এখন মুক্ত। খাঁচায় বন্দি পাখিটি মুক্তাকাশে উড়াল দেওয়ার সুযোগ পেলে যেমন করে উল্লসিত হয়ে ওঠে, কর্ণেরও সেরকম অবস্থা এখন। তার মাথায় এখন মিথ্যের বোঝা নেই, হৃদয়ে নেই অসত্যের জগদ্দল পাথরের চাপ।

    ভীতিহীন চোখে স্পষ্ট গলায় সে আবার বলল, ‘আমি অস্ত্রলুব্ধ হয়েই আপনার কাছে এসেছিলাম। এই সত্যটুকু শুনে, আমার বিশ্বাস, আপনি প্রসন্ন হবেন।’

    তার পর জোরে শ্বাস টেনে বুকে প্রচুর বাতাস ঢুকিয়ে নিল কর্ণ। এই বাতাসটুকু হয়তো তাকে আরও সাহসী করে তুলল। সাহসী গলাতেই সে বলল, ‘যে প্রশ্নটি আমাকে আপনি করেন নি, সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে চাই আমি। আপনার কাছে অনুমতি প্রার্থনা করছি গুরুদেব।’

    পরশুরাম মুখে কিছু বললেন না। আগের মতো তাকিয়ে থাকলেন কর্ণের দিকে।

    কর্ণ বলল, ‘আমি হস্তিনাপুর থেকে এসেছি, আগেই বলেছি আপনাকে। হস্তিনাপুরে আচার্য দ্রোণের বসবাস। ওখানে অস্ত্রপাঠশালা আছে তাঁর। তাঁর কাছে দীক্ষা গ্রহণ না করে আপনার কাছে কেন এসেছি এরকম প্রশ্ন আপনার মনে জাগতে পারে। আচার্য দ্রোণ আপনার প্রিয় শিষ্য, খ্যাতিমান অস্ত্রবিদ্। তাঁর কাছে আমার অস্ত্রবিদ্যাভ্যাস করাই তো স্বাভাবিক ছিল।’

    এবার কথা বললেন পরশুরাম, ‘তাই তো। এই প্রশ্নটি তো আগে ভাবি নি।’

    ‘আপনাকে এই প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি। আচার্য দ্রোণের পাঠশালার ছাত্র ছিলাম আমি। কুরু রাজপ্রাসাদের চাপে পড়ে হোক বা অনুরাগের বশে, তিনি আমাকে শিক্ষার্থী হিসেবে ভর্তি করিয়েছিলেন তাঁর অস্ত্রপাঠশালায়। প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়াও চলছিল যথানিয়মে। আচার্যের মধ্যে সন্তানবাৎসল্যের আধিক্য। আপনি তো জানেন, স্নেহ মানুষকে অন্ধ করে। বাৎসল্যাধিক্যের কারণে তিনি অশ্বত্থামার প্রতি পক্ষপাতিত্ব শুরু করলেন। এটা স্বাভাবিক। আচার্য তো একজন রক্তমাংসের মানুষ। তাঁর মধ্যে সন্তানস্নেহ থাকা অতিশয় যুক্তিগ্রাহ্য। কিন্তু অর্জুনের প্রতি তাঁর অহেতুক পক্ষপাতিত্ব আমার ভালো লাগে নি।’

    ‘অহেতুক পক্ষপাতিত্ব? অর্জুনের প্রতি যুক্তিহীন পক্ষপাতিত্ব দেখাবে কেন দ্রোণ? গুরুর কাছে সব শিষ্যই তো সমান। একজন গুরুর কর্তব্য তো সকল ছাত্রকে সমান মর্যাদায় শিক্ষা দান করা।’

    ‘না মহাত্মা, দ্রোণাচার্য তাঁর সকল ছাত্রকে সমান মর্যাদায় অস্ত্রশিক্ষা দেন নি। পুত্র ছাড়াও অর্জুনের প্রতি তিনি গভীর পক্ষপাতিত্ব দেখিয়েছেন। অন্য শিষ্যদের যে বিদ্যা শিখান নি, অর্জুনকে তা শিখিয়েছেন। সবচাইতে আপত্তির কথা—তিনি অর্জুনকে ব্রহ্মাস্ত্র দান করেছেন।’

    ‘একজন গুরু তাঁর যে-কোনো প্রিয় শিষ্যকে ব্রহ্মাস্ত্র দিতে পারেন।’

    ‘আপনার কথা মানলাম আচার্য। কিন্তু সমান মেধার অন্য কাউকে তিনি যদি বঞ্চিত করেন, তবে সেই শিষ্যের রাগ বা অভিমান করার অধিকার আছে কি না?’ এবার উল্টো পরশুরামকে প্রশ্ন করে বসল কর্ণ।

    পরশুরাম বললেন, ‘শিষ্যটি যদি মেধাবান হয়, যদি শ্রদ্ধাশীল হয়, যদি কষ্টসহিষ্ণু হয়, যদি অধ্যবসায়ী হয়, তাহলে তো তাঁরও এই মারণাস্ত্রটি পাওয়ার অধিকার থাকে।

    ‘সেই অধিকার থেকে দ্রোণাচার্য আমাকে বঞ্চিত করেছেন। একজন উপযুক্ত শিষ্যের যে যে গুণের কথা আপনি বললেন, তার সবটুকু যে আমার মধ্যে আছে, এই ক’বছরের প্রশিক্ষণে তা আপনি অনুধাবন করতে পেরেছেন।’

    পরশুরাম বললেন, ‘অস্বীকার করবার উপায় নেই, তুমি গুণান্বিত।’

    ‘তার পরও হীনজাতে জন্ম বলে আচার্য দ্রোণ আমাকে ব্রহ্মাস্ত্রবিদ্যা দান করেন নি। দান করলেন নিজপুত্র অশ্বত্থামাকে আর ক্ষত্রিয়জ অর্জুনকে। সূতপুত্র বলে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিলেন তিনি আমাকে। বললেন, নিম্নবর্ণজাত কেউ ব্রহ্মাস্ত্র প্রাপ্তির অধিকার রাখে না।’ ক্ষোভের সঙ্গে বলল কৰ্ণ।

    ফাঁপরে পড়ে গেলেন পরশুরাম। একদিকে জাত্যাভিমান, অন্যদিকে কর্ণের যুক্তি কোনটাকে গ্রাহ্য করবেন তিনি? যুক্তিকে মেনে নিলে তাঁর বহুদিনের লালিত জাত্যাভিমান ভেসে যায়। তাতে সমাজকাঠামো, বৈদিক রীতিনীতির সমাধি ঘটবে। তিনি একজন ব্রাহ্মণ। ব্রাহ্মণের হাত দিয়ে তো ব্রাহ্মণ্যবাদের চ্যুতি ঘটতে পারে না।

    ভাবতে ভাবতে পরশুরামের মধ্যে ব্রাহ্মণ্যবোধ প্রবল হয়ে উঠল। কণ্ঠকিত কণ্ঠে বলে উঠলেন, ‘দ্রোণ কী পরিস্থিতিতে তোমাকে প্রত্যাখ্যান করেছে তা সে-ই ভালো বলতে পারবে। তবে তুমি যদি আমাকে জিজ্ঞেস কোরো—দ্রোণ সঠিক কাজ করেছে কী বেঠিক করেছে, আমি বলব, ব্রাহ্মণ হয়ে সে যথার্থ কাজই করেছে। মানে অক্ষত্রিয়- অব্রাহ্মণ তোমাকে ব্রহ্মাস্ত্রবিদ্যা না দিয়ে দ্রোণ যথার্থ কাজটিই করেছে।’

    ‘আর এইজন্যই মিথ্যে পরিচয় দিয়ে আমি আপনার শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছি। একজন ছাত্রের মধ্যে যদি উদগ্র উচ্চাশা থাকে, যদি সে মেধাবান আর অধ্যবসায়ী হয়, শুধু তথাকথিত হীনবংশে জন্ম বলে তার উচ্চাশার পূরণ হবে না কেন? যদি তা-ই হয়, আচার্য দ্রোণ ব্রাহ্মণ হয়ে জাতিগত পেশা ত্যাগ করে ধনুর্বিদ হলেন কেন?’

    ‘একজন ব্রাহ্মণের পেশা বদলের অধিকার আছে। ইচ্ছে করলে সমরক্ষেত্রে যুদ্ধও সে করতে পারবে।’

    ‘মানে যত কঠোর কঠিন সামাজিক শৃঙ্খল শুধু আমাদের জন্য। শূদ্র আর বৈশ্যের ঘরে জন্মায় যারা, তাদের উন্নততর জীবনযাপনের কোনো অধিকারকে অনুমোদন করে নি আপনাদের শাস্ত্রাদি!’

    যে ছাত্রটি অধোবদনে সর্বদা তাঁর প্রতিটি নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছে, মাহেন্দ্র বিদ্যালয়ের বৈদিক রীতিনীতি যে বিনা প্রতিবাদে মেনে নিয়ে দীর্ঘদিন অস্ত্রবিদ্যা চর্চা করে গেছে, সেই কর্ণ আজ কী বলছে! এই শান্ত যুবকটির হৃদয়ে এত প্রতিবাদ, এত বেদনা জমা হয়ে ছিল!

    মৃদু কণ্ঠে পরশুরাম বললেন, ‘বহু বছরের প্রচলিত শাস্ত্রপ্রথা ভাঙার অধিকার তো আমার নেই। মেনে নিলাম-ব্রহ্মাস্ত্রবিদ্যার্জনের প্রবল বাসনা তোমার মধ্যে ছিল, ছাত্র হিসেবে তা পাওয়ার অধিকারও তুমি দাবি করতে পারো, কিন্তু সমাজবিধি বলে একটা কথা আছে।’

    গুরুর মুখের কথা কেড়ে নিয়ে কর্ণ বলে উঠল, ‘মানে যতই নিষ্ঠাবান বা মেধাবী আমি হই না কেন, শুধু অকুলীন বংশে জন্ম বলে ওই অস্ত্র পাওয়ার অধিকার আমার নেই। এই তো বলতে চাইছেন আচার্য?’

    পরশুরাম বললেন, ‘তুমি যথার্থ বুঝতে পেরেছ বৎস।’

    ‘আর এই জন্যই আমার জন্মপরিচয় লুকিয়ে ভার্গব ব্রাহ্মণ বলে নিজের মিথ্যে পরিচয় দিয়ে আপনার শিষ্য হয়েছি। আপনি দয়াপরবশ হয়ে আমাকে নিপুণ অস্ত্রবিদে পরিণত করেছেন। শুধু তাই নয়, ব্রহ্মাস্ত্র প্রয়োগ-সংবরণের কৌশলও আমাকে শিখিয়ে দিয়েছেন।’

    ‘মিথ্যে বলার অপরাধের জন্য তোমাকে শাস্তি পেতেই হবে।’ পরশুরামের মধ্যে ব্রাহ্মণ্যচিন্তা হঠাৎ চাগিয়ে উঠল।

    ত্রস্ত গলায় কর্ণ জিজ্ঞেস করল, ‘শাস্তি পেতে হবে আমায়?’

    ‘শাস্তি নয়, অভিশপ্ত হতে হবে তোমায়।’ ক্ষুব্ধ কণ্ঠে এবার বললেন পরশুরাম।

    বিহ্বল চোখে কর্ণ বলল, ‘অভিশপ্ত হতে হবে! আমি তো জাতবর্ণ-বিন্যাসের বিপরীতে দাঁড়িয়ে নিজের বোধবুদ্ধি আর কৌশলকে প্রয়োগ করতে চেয়েছি মাত্র।’

    ‘মিথ্যে তো বলেছ। মিথ্যে বলার শাস্তি তোমাকে পেতেই হবে।’ রোষ কষায়িত চোখে পরশুরাম বললেন।

    কর্ণের মুখে আর কোনো কথা সরল না। ভীতিময় চোখে গুরু পরশুরামের দিকে তাকিয়ে থাকল।

    এই সময় পরশুরাম আবার বলে উঠলেন, ‘মিথ্যে পরিচয় দিয়ে বিদ্যার্জন করার অপরাধে তোমাকে আমি কঠিন দণ্ড দিতে পারতাম। কিন্তু তোমার নিষ্ঠা দেখে আমি তুষ্ট হয়েছি। তাই তোমাকে আমি লঘুদণ্ড দিচ্ছি।’

    এর পর ক্রোধ পরশুরামকে উন্মত্ত করল। তিনি ক্রোধান্বিত গলায় বললেন, ‘শুধু অস্ত্রপ্রাপ্তির লোভে তুই আমার সঙ্গে মিথ্যে আচরণ করেছিস, আমি তোকে অভিশাপ দিচ্ছি-সংকটমুহূর্তে যখন তোর বিনাশকাল ঘনিয়ে আসবে, ব্রহ্মাস্ত্র প্রয়োগকৌশল তুই বিস্মৃত হবি। ভুলে যাবি তুই এই অস্ত্রের নিক্ষেপণ প্রক্রিয়া।’ বলে পরশুরাম নিজের ক্রোধকে সংবরণের চেষ্টায় রত হলেন।

    পরশুরামের পা জড়িয়ে ধরে কর্ণ বলল, ‘আচার্য, আপনার ক্রোধ সংবরণ করুন। আমার অপরাধ মার্জনা করুন।’

    পরশুরাম স্থিতধী হয়ে ধীরে ধীরে বললেন, ‘তবে হ্যাঁ, তোমাকে এই আশীর্বাদটুকু দিচ্ছি, যুদ্ধকালে তোমার সঙ্গে কোনো ক্ষত্রিয়পুরুষ এঁটে উঠবে না।’ এই বলে তিনি মৌন হলেন।

    গুরু পরশুরামের শেষ আশ্বাস বাক্যটিকে সম্বল করে কর্ণ হস্তিনাপুরে ফিরে এল। ফিরে সুহৃদ দুর্যোধনের সঙ্গে দেখা করল। প্রাসাদ-অভ্যন্তরে কয়েকদিন বিশ্রাম নিল। এবং যথাদিনে রঙ্গভূমিতে উপস্থিত হয়ে অর্জুনের মুখোমুখি হলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Next Article কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    Related Articles

    হরিশংকর জলদাস

    দুর্যোধন – হরিশংকর জলদাস

    July 27, 2026
    হরিশংকর জলদাস

    কৰ্ণ – হরিশংকর জলদাস

    July 27, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }