Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    হরিশংকর জলদাস এক পাতা গল্প291 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একলব্য – ৭

    ৭

    সখায়ং বিদ্ধি মামিতি।
    আমি তোমার বন্ধু। মনে নেই আমাকে?

    .

    এবার দ্রোণের অভীষ্ট লাভ হবে।

    গৃহ থেকে অন্নাভাবের হাহাকার দূর হবে, মাথার ওপর একটা নিশ্ছিদ্র চালা থাকবে। কৃপীর গায়ে নতুন বস্ত্র শোভা পাবে। পুত্র অশ্বত্থামা ধনীপুত্রের মতো পোশাক পরে যত্রতত্র ঘুরে বেড়াবে। সর্বোপরি তাঁর গোয়াল থাকবে। দুগ্ধবতী গাভীরা সেই গোশালায় বাঁধা থাকবে। সকাল-সন্ধ্যা পাত্র পাত্র দুগ্ধ দোহন হবে। প্রতিদিন বারবার অনেকবার দুগ্ধ পান করবে অশ্বত্থামা। দুগ্ধ দিয়ে ছানা হবে, ঘৃত হবে, ক্ষীর হবে। হবে নানা রকম মিষ্টি। মিষ্টান্ন তৈরি করবেন কৃপী। সেখানে পর্যাপ্ত শর্করা মিশাবেন, বাদাম মিশাবেন। মুখের সামনে সেই মিষ্টান্ন এগিয়ে ধরে বলবেন, ‘খান আর্যপুত্র। আমি একটু দু’চোখ ভরে দেখি।’ খেতে খেতে দ্রোণ জিজ্ঞেস করবেন, ‘অশ্বত্থামা খেয়েছে তো?’ উত্তরে কৃপী বলবেন, ‘কী আর বলব আর্যপুত্র, দুধের জন্য যে অশ্বত্থামা একদা হা- পিত্যেশ করত, এখন সেই অশ্বত্থামা দুধ খেতে চায় না। বলে, দুধ খেতে ভালো লাগে না মা।’ শুনে হা হা করে অট্টহাস্য করে উঠবেন তিনি।

    ‘এ রকম করে উচ্চহাস্য করলেন যে, আর্যপুত্র?’ স্বামীর অট্টহাস্য শুনে পাশে চলমান কৃপী জিজ্ঞেস করলেন।

    দ্রোণ সংবিতে ফিরলেন। একটু লজ্জা পেলেন তিনি। মনে মনেই ভাবছিলেন কথাগুলো। হাসিটা হঠাৎ কেন যে ভেতর থেকে এ রকম করে বেরিয়ে এল!

    স্ত্রীর প্রশ্নের উত্তরে বললেন, ‘না না, তেমন কিছু নয়। হঠাৎ করেই হাসিটা বেরিয়ে এল। এমনি এমনি। এই হাসির কোনো কারণ নেই।’

    মুখে বললেন বটে, কিন্তু ভেতরের স্ফূর্তিকে লুকাতে পারলেন না দ্রোণ। ভেতরের উল্লাস তাঁর চোখেমুখে ছড়ানো।

    কৃপী আর কথা বাড়ালেন না। চলার গতি বাড়িয়ে দিলেন। এর মধ্যে আর্যপুত্র বেশকিছু দূর এগিয়ে গেছেন। অশ্বত্থামাকে ডান হাতে ধরে সামনের দিকে দ্রুত এগোতে লাগলেন কৃপী।

    .

    রাজা পৃষতের মৃত্যু হয়েছে। পৃষতের পূর্ব নাম বাজ্জসেন। যেদিন তাঁর রাজ্যাভিষেক হয়, পিতা তাঁর কপালে চন্দনের পৃষত এঁকে দিয়ে সর্বতো মঙ্গল কামনা করেছিলেন। পৃষত মানে ফোঁটাচিহ্ন। রাজ্যাভিষেকের দিন থেকে বাজ্জসেনের নাম পাল্টে গিয়েছিল। প্রজা-অমাত্যরা তাঁকে পৃষত নামে সম্বোধন করা শুরু করলেন।

    পৃষত খ্যাতিমান নৃপতি ছিলেন। প্রজামঙ্গলের চেষ্টায় সর্বদা রত থাকতেন তিনি। পৃষতের রাজ্যের সর্বত্র উন্নতির চিহ্ন। তাঁরই পুত্র দ্রুপদ। দ্রোণের বাল্যবন্ধু। প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সুহৃদ। রাজা পৃষতের পরলোকগমনের পর পাঞ্চালরাজ্যের রাজা হয়েছেন দ্রুপদ। লোকপরম্পরায় এ সংবাদ শুনতে পেয়েছেন দ্রোণ। তাঁর আনন্দ আর ধরে না। যাঁর মিত্র নৃপতি হয়েছেন, তাঁর আবার দারিদ্র্য কী?

    এক নিমেষেই অভাব-অনটন উড়ে যাবে। দ্রোণের সামনে দাঁড়িয়ে দ্রুপদ কথা দিয়েছিলেন—রাজা হলেই তাঁর রাজ্য দ্রোণেরও ভোগ্য হবে।

    এক বিকেলে তাঁর চতুর্পার্শ্বের ঘরবাড়ি, বৃক্ষতল, উঠান, আসন-বসন, রান্নার উপকরণ, এমনকি নিজের ও স্ত্রী-পুত্রের পোশাক-আশাক বড় জীর্ণ মনে হতে লাগল দ্রোণের। এই জীর্ণ-দীন অবস্থা থেকে যত তাড়াতাড়ি মুক্ত হওয়া যায়, ততই ভালো। তিনি মন স্থির করলেন পরদিন প্রত্যুষেই সপরিবারে আশ্রম ত্যাগ করবেন। চলে যাবেন দ্রুপদরাজ্যের রাজধানীতে। দ্রুপদের সামনে দাঁড়িয়ে উচ্চকণ্ঠে বলবেন, ‘বন্ধু, সুহৃদ আমার। কেমন আছ তুমি?’

    পরদিন অতি ভোরে রাজধানীর উদ্দেশে যাত্রা করেছিলেন দ্রোণ। যেতে যেতে ভাবছিলেন ওসব কথা। কৃপীর প্রশ্নে সেই ভাবনার জাল ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। কিছু একটা বলে বুঝ দিয়েছিলেন কৃপীকে। কিন্তু ভেতরের উচ্চাশা অন্যের সামনে প্রকাশিত হয়ে যাওয়ায় লজ্জা পেতেও শুরু করেছিলেন দ্রোণ। স্ত্রীর সামনে থেকে মুখ লুকাবার জন্য চলার গতি বাড়িয়ে দিয়েছিলেন।

    .

    রাজপ্রাসাদের দৌবারিক পথ আটকে দিল।

    ‘কে আপনি? এই অসময়ে মহারাজাধিরাজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাইছেন?’ দ্রোণের মলিন বসনের দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ রেখে জিজ্ঞেস করল দ্বারপাল।

    অবহেলার হাসি হেসে দ্রোণ বললেন, ‘আমার পরিচয় তোমায় দিতে হবে? পরিচয় শনাক্ত করেই ঢুকতে দেবে আমাদের? আমাকে সাক্ষাৎ দিতে দ্রুপদের আবার সময়- অসময় কী?’

    একনাগাড়ে প্রশ্নগুলো করে গেলেন দ্রোণ। দৌবারিকের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া প্রয়োজন মনে করলেন না। উপরন্তু দ্বারপালকে প্রশ্নে প্রশ্নে জর্জরিত করলেন।

    দীনবেশী দ্রোণের উদ্ধত বাক্য শুনে দৌবারিক প্রথমে বিস্মিত হলো। বিস্ময় কেটে গেলে তার মনে ক্রোধ জন্মাল। ক্রোধান্বিত চোখে সে বলল, ‘আপনার সাহস তো কম নয় ব্রাহ্মণ? নিজের বসনভূষণের দিকে লক্ষ করেছেন? সঙ্গের জনেরা বোধহয় স্ত্রী আর পুত্র। ওঁদের দেখে তো মনে হচ্ছে দীর্ঘদিন অনাহারে আছেন তাঁরা। আপনাকে দেখে অতি সাধারণ একজন দরিদ্র হীন ব্রাহ্মণ বলে মনে হচ্ছে। তবে আপনি যে বিদ্বান – সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। মাননীয় নরপতিকে কীভাবে সম্বোধন করতে হয়, বিদ্বানের না জানার কথা নয়। কিন্তু আপনি আমাদের নরপতিকে শুধু দ্রুপদ বলে সম্বোধন করলেন। আপনার অর্জিত বিদ্যাতেও আমার সন্দেহ হচ্ছে।’ দম নেওয়ার জন্য থামল দৌবারিক।

    দৌবারিকের কথা শুনে অপমানে ভেতরটা জ্বলে গেল দ্রোণের। ইচ্ছে হলো—ধনুকে তীর জুড়ে দৌবারিকের মস্তকটা উড়িয়ে দিতে। কিন্তু নিজেকে অতি কষ্টে দমন করলেন তিনি। তাঁর উদ্দেশ্য তো মিত্র দ্রুপদের সঙ্গে মিলিত হওয়া। আগে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ‍ হোক, তারপর এই মূর্খ দৌবারিককে শায়েস্তা করা যাবে, অপমানের প্রতিশোধ নেওয়া যাবে।

    শান্তকণ্ঠে দ্রোণ বললেন, ‘একসময় মহারাজ দ্রুপদ আর আমি সতীর্থ ছিলাম। অস্ত্রশিক্ষা করেছি একই গুরুর কাছে। বহু বছর পর মহারাজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছি। তুমি ভাই তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগটা দাও আমাদের।’

    দ্রোণের নরম কথা শুনে দৌবারিক নমনীয় হলো। উপরন্তু দ্রোণের কাঁধে তীরভর্তি তৃণ আর ধনুক দেখে আগন্তুকের কথা তার বিশ্বাস্য বলে বোধ হলো। সে শুনেছে— তাদের মহারাজ বাল্যকালে ঋষি অগ্নিবেশ্যের কাছে অস্ত্রবিদ্যা শিখেছিলেন। আগন্তুকের

    কথা সত্য হলেও হতে পারে।

    দৌবারিক বলল, ‘ঠিক আছে। মহারাজ এখন বিচারকার্যে ব্যস্ত। তাঁর ব্যস্ততা কমলে সামনে যাবেন। রাজসভার বাইরে অপেক্ষাগৃহ আছে। সেখানে অপেক্ষা করবেন। সেখানে প্রহরী আছে। তাকে আপনি আপনার সাক্ষাৎ-প্রার্থনার কথা জানিয়ে রাখবেন। সময়মতো সে আপনাকে রাজসভায় পৌঁছে দেবে।’

    ‘তোমার মঙ্গল হোক বৎস।’ ডান হাত তুলে দ্রোণ বললেন।

    কৃপী আর অশ্বত্থামা দ্রোণকে অনুসরণ করে প্রাসাদাভ্যন্তরে প্রবেশ করলেন।

    .

    ‘সখা। কেমন আছ তুমি? কুশলে আছ তো?’ বিপুল আবেগ ঝরে পড়ছে দ্রোণের কথায়। প্রহরী দ্রোণকে সপরিবারে রাজসভায় নিয়ে এলে উচ্চ সিংহাসনে বাল্যবন্ধু দ্রুপদকে আসীন দেখে সবিশেষ উৎফুল্ল হয়ে উঠেছিলেন দ্রোণ।

    ‘কে সখা! ব্রাহ্মণ, তুমি কাকে সখা বলে সম্বোধন করছ?’ বরফশীতল কণ্ঠে বললেন মহারাজ দ্রুপদ।

    ‘কী আশ্চর্য! তোমার মনে নেই আমাকে? আমি দ্রোণ।’

    ‘কোন দ্রোণ? তোমার সঙ্গে কি আগে আমার কখনো দেখা হয়েছে?’

    ‘ছোটবেলার রসিকতা দেখি তুমি এখনো ভুলতে পারো নি দ্রুপদ। রাজা হওয়ার পরও তোমার হাস্য-পরিহাসবোধ অটুট রয়ে গেছে।’ হাসতে হাসতে হালকা চালে বলে গেলেন দ্রোণ।

    দ্রুপদ সারা মুখে রাজাসুলভ গাম্ভীর্য ছড়িয়ে দিয়ে বললেন, ‘আমি তোমাকে চিনতে পারছি না ব্রাহ্মণ। কোন কালে আমাদের দু’জনের মধ্যে পরিচয় ছিল, তাও আমার মনে পড়ছে না।’

    এবার হা হা করে হেসে উঠলেন দ্রোণ। বললেন, ‘আর হেঁয়ালি কোরো না দ্রুপদ। অনেকদূর পথ অতিক্রম করে এসেছি। আমার মতো আমার পুত্র-পরিবারও ক্লান্ত সখা। আমি সেই দ্রোণ, যার সঙ্গে তুমি ঋষি অগ্নিবেশ্যের কাছে অস্ত্রশিক্ষা গ্রহণ করেছিলে।’ হাসতে হাসতে দু’বাহু সামনের দিকে প্রসারিত করে সিংহাসনের দিকে এগিয়ে গেলেন দ্রোণ।

    ‘থামো ব্রাহ্মণ। আর এগোবে না। যেখানে আছ সেখানেই দণ্ডায়মান থাক।’ তারপর সভাসদদের দিকে তাকালেন দ্রুপদ। দেখলেন—সবার চোখেমুখে অপার জিজ্ঞাসা। বিস্ময়-বিস্ফারিত চোখে সভাসদরা তাঁর দিকে তাকিয়ে আছেন।

    এই সময় দ্রোণ আবার বললেন, ‘আমি তোমার বন্ধু বটে, মনে নেই আমাকে?’ দ্রুপদ রুষ্টকণ্ঠে বললেন, ‘ব্রাহ্মণ, তুমি শিক্ষাদীক্ষা ভালোভাবে অর্জন করতে পারো নি। তাই তোমার বুদ্ধি পরিপক্ব হয় নি। কোন দেশে কোন রীতি, কোন সমাজে কী রকম ব্যবহার করতে হয় তাও তুমি শেখ নি ব্রাহ্মণ। দ্রোণকে চিনেও না চেনার ভান করলেন দ্রুপদ।

    একসময় যে দ্রুপদ অবিমিশ্র বন্ধুত্বের কথা অনর্গল বলতেন, কত প্রতিজ্ঞা, কত আশ্বাস এবং কত কথামালা রচনা করেছেন দ্রোণের জন্য, তা আজ দিব্যি অস্বীকার করলেন।

    এ রকমই হয় এই পৃথিবীতে। দীর্ঘদিনের অদেখায় পুরাতন বন্ধুত্ব আর সজীব থাকে না। যে বন্ধুত্ব একদা সত্য ছিল, আন্তরিক ছিল, কালের ধুলায় মলিন হয়ে সেই সজীব সত্যলগ্ন বন্ধুত্ব একেবারে অস্পষ্ট হয়ে পড়ে। বাল্যকালের আবেগ পরিণত বয়সে এসে ফিকে হয়ে যায়। তাৎক্ষণিক বাস্তবতা সামনে এসে দাঁড়ায়।

    দ্রোণ প্রকাশ্য রাজসভায় যখন দ্রুপদকে ‘সখা’ বলে সম্বোধন করলেন, দ্রুপদের মধ্যে তখন রাজকীয় সত্তা জেগে উঠল। তিনি দরিদ্র দ্রোণকে একেবারে আমলে নিলেন না। চোখেমুখে উপহাস ছড়িয়ে কুৎসিতভাবে হেসে উঠলেন দ্রুপদ। তাঁর দেখাদেখি সভায় উপস্থিত সবাই অট্টহাস্য করে উঠল।

    দ্রুপদের প্রকৃত অভিপ্রায় এতক্ষণে অনুধাবন করতে পারলেন দ্রোণ। তিনি এক নিশ্ছিদ্র গভীর আঁধারে ডুবে যেতে লাগলেন। রাজসভার প্রদীপের উজ্জ্বল আলো তাঁর চোখের সামনে নিবে আসতে লাগল। কৃপীর ম্লান মুখ, অশ্বত্থামার ক্লান্ত-ক্ষুধার্ত চেহারা তাঁর দৃষ্টি থেকে হারিয়ে যেতে লাগল।

    এই সময় দ্রুপদের কর্কশ কণ্ঠ দ্রোণের কানে আবার ভেসে এল, ‘দরিদ্র ব্রাহ্মণ, তুমি আমাকে সখা সম্বোধন করে তৃপ্তি পেতে চাইছ? আমার মনে পড়ছে না, তারপরও তোমার সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব যদি হয়েও থাকে, তা অস্বীকার করছি আমি। শোনো, বয়সের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ জীর্ণ-জড় হয়ে পড়ে, সময়ান্তরে পুরাতন বন্ধুত্বও তেমনি জীর্ণ হয়ে যায়। তোমার-আমার বন্ধুত্ব ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে গেছে এখন।’

    দ্রোণ দু’পাশে মাথা ঝাঁকিয়ে নিজেকে স্থির করলেন। স্তম্ভিত চোখে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলেন দ্রুপদের দিকে। তারপর দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, ‘গুরুদেব অগ্নিবেশ্যের আশ্রম, প্রতিশ্রুতি—সবই ভুলে গেলে তুমি দ্রুপদ? সবই বিস্মৃত হলে সখা?’

    ‘একদিন তোমার সঙ্গে আমার একসঙ্গে থাকা হয়েছে ঋষি অগ্নিবেশ্যের আশ্রমে মানলাম।’ দ্রুপদ এবার স্পষ্ট করলেন সবকিছু। বললেন, ‘ওই সময় আমাদের দু’জনের উদ্দেশ্য আর অবস্থান এক ছিল। উদ্দেশ্য ছিল—অস্ত্রবিদ্যা শিক্ষা এবং অবস্থান ছিল তপাশ্রম। এখন তোমার উদ্দেশ্য আর আমার লক্ষ্য এক নয়। তুমি কৃপাপ্রার্থী আর আমি দাতা। আর দু’জনের অবস্থান দেখো—আমি রাজসিংহাসনে। আর তুমি? তুমি কোথা দাঁড়িয়ে আছ দেখ।’

    ‘তুমি আমাকে অপমান করছ সখা?’ দ্রোণ মার্জিত কণ্ঠে বললেন।

    দ্রোণের কথা যেন কানে যায় নি দ্রুপদের। আগের মেজাজে বললেন, ‘তুমি নির্বোধ দ্রোণ। তুমি বারবার আমাকে সখা সম্বোধন করে গৌরবান্বিত হতে চাইছ। তুমি তো জানো—গরিব কখনো ঐশ্বর্যশালীর সখা হতে পারে না, মূর্খ কখনো পণ্ডিতের সখা হয় না, বলহীন কখনো বীরের সখা হয় না।’

    দ্রোণ এসব অপমান নীরবে হজম করলেন। যে-কোনো উপায়ে দারিদ্র্য ঘোচাতে হবে তাঁকে। যাযাবর জীবনের অবসান ঘটিয়ে এই রাজধানীর যে-কোনো একটা কোণে থিতু হতে হবে। তাই দ্রুপদের সকল উপহাস-অপমানকে একপাশে সরিয়ে রেখে দ্রোণ বললেন, ‘প্রতিশ্রুতি! প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছিলে যে আমার সামনে।’

    ‘কোন প্রতিজ্ঞা? কীসের প্রতিশ্রুতি?’ দ্রুপদ অবহেলায় জিজ্ঞেস করলেন।

    উৎকণ্ঠাভরা কণ্ঠে দ্রোণ বললেন, ‘তুমি বলেছিলে—রাজা হওয়ার পর তোমার যে রাজকীয় ভোগ আর যে ধনসম্পদ লাভ করবে তুমি, তা আমারও ভোগ্য হবে। তুমি তোমার প্রতিশ্রুতি রক্ষা কোরো দ্রুপদ।

    রাজা নয়, মহাধিপতি নয়, নৃপতি নয়, একেবারে দ্রুপদ বলে সম্বোধন! কী আশ্চর্য! মলিন বসন পরিহিত, জীর্ণপ্রায় দেহের এই ব্রাহ্মণের দুঃসাহস তো কম নয়! সম্বোধনের কথা না হয় বাদ দেওয়া যাক, রাজভাগ্যের অধিকার চেয়ে বসল! ক্রোধে দ্রুপদের মাথা ঘূর্ণিত হতে লাগল। দ্রোণকে কী বলবেন—ঠিক করতে পারছেন না তিনি। ব্রাহ্মণ হয়ে কাল হয়েছে। ব্রাহ্মণ না হয়ে অন্য কেউ হলে যমালয়ে পাঠাতেন। কিন্তু ব্রাহ্মণ হত্যা যে মহাপাপ।

    ‘শুধু রাজৈশ্বর্যের অর্ধেক নয়, রাজ্যেরও অর্ধেক আমাকে দেওয়ার সংকল্প করেছিলে দ্ৰুপদ।

    দ্রোণের কথায় দ্রুপদের মুখে যেন হলাহল পড়ল। ঘূর্ণিত চোখে বললেন, ‘রাজ্যপাটের অর্ধেক? তোমাকে দেওয়ার প্রতিজ্ঞা করেছিলাম আমি?’

    ‘হ্যাঁ, করেছিলে। সেই গুরুগৃহে, এক অপরাহ্ণে আমার গলা জড়িয়ে ধরে তুমি বলেছিলে—অহং প্রিয়তমঃ পুত্র পিতু-দ্রোণ মহাত্মনঃ। সেই বিকেলে তুমি আরও বলেছিলে—তুমি নিশ্চিন্ত থাকো দ্রোণ—তভোগ্যং ভবিতা রাজ্যং সখে সত্যেন তে শপে। আজকের সিংহাসনে আসীন এই তুমি দ্রুপদই তো বলেছিলে–যেদিন আমি রাজ্যে অভিষিক্ত হব, সেদিন থেকে আমার মতো আমার রাজ্য তোমারও ভোগ্য হবে। আজ আমি এসেছি তোমার কাছে। তোমার কাছ থেকে আমার অধিকার আদায় করতে।’

    ‘অধিকার! কোন অধিকার আদায়ের কথা বলছ তুমি দ্রোণ?’ দ্রুপদের অক্ষিগোলক বেরিয়ে আসতে চাইছে।

    ‘প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে যে অধিকার তুমি আমাকে দিয়েছিলে। একদা রাজ্যাধিকার দিয়েছিলে তুমি আমায়।’ দ্রোণের কণ্ঠ থেকে নমনীয় ভাব তিরোহিত হয়ে গেল।

    দ্রোণ বুঝে গেছেন—দ্রুপদ প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবেন না। তাঁর ভেতরে বিস্মৃতি, অকৃতজ্ঞতা আর অহংকার উৎকট হয়ে উঠেছে। নমনীয় বাক্যে বা অনুরোধ-উপরোধে তাঁকে টলানো যাবে না। তাই দ্রোণ প্রতিশ্রুত অধিকারের কথা উচ্চারণ করলেন।

    এতে দ্রুপদের ক্রোধ বেড়ে গেল। তীব্র ক্ষিপ্ত কণ্ঠে বললেন, ‘রাজসভায় উন্মাদের জায়গা নেই। সভাস্থলে ব্রাহ্মণকে অপমান করাও উচিত নয়। তাই আমার ক্রোধানল থেকে রেহাই পাচ্ছ তুমি। তুমি এখনই সভাস্থল ত্যাগ কোরো। নইলে…।’

    ‘নইলে কী করবে তুমি? বধ করবে আমায়? কারাগারে নিক্ষেপ করবে? এত সাহস তোমার?’ দ্রোণ গর্জে উঠলেন।

    দ্রুপদ অমার্জিত কণ্ঠে বললেন, ‘তোমার মতো দীনদরিদ্র দু’কড়ির ব্রাহ্মণকে এক ফুৎকারে উড়িয়ে দিতে পারি আমি। ভাগ্যিস, তোমার সঙ্গে তোমার ভার্যা আর পুত্র ছিল। ওদের সামনে তোমাকে অপদস্থ করতে চাই না। তা ছাড়া এই দ্রুপদরাজ্যের একটা মর্যাদা আছে। তোমাকে অপমান করে আমি সেই মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করতে চাই না। শিগগির তুমি আমার সামনে থেকে দূর হও।

    ধনসম্পদের অধিকার চাইলে, হয়তো তা দিতেন দ্রুপদ। কিন্তু রাজ্যাধিকার চেয়ে বসলেন দ্রোণ! দ্রোণও প্রথমে সামান্য প্রাপ্তির আশায় এসেছিলেন পাঞ্চাল রাজসভায়। তাঁর মতো জ্ঞানবানরা জানতেন—রাজা-রাজপুত্ররা আবেগের বশে কত কিছুই না বলেন! বাস্তবে যে তা তাঁরা সচেতন বা অসচেতনভাবে ভুলে যান, তাও দ্রোণের অভিজ্ঞতার বাইরে ছিল না। তাই সামান্যতেই তৃপ্তি পেতে চেয়েছিলেন তিনি। যেটুকু পেলে সংসারের অভাব দূর হবে, দু’বেলা দু’মুঠো স্ত্রী-পুত্র আর নিজের মুখে তুলে দিতে পারবেন, সেটুকু পাওয়ার বাসনা নিয়েই দ্রুপদের কাছে এসেছিলেন দ্রোণ। কিন্তু দ্রুপদ প্রথম থেকেই তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার শুরু করলেন। এতদিনের প্রগাঢ় বন্ধুত্বকে অস্বীকার করলেন। উঁচু-নিচুর কথা তুলে তিরস্কার করলেন তাঁকে। তাও আবার একান্তে নয়। ভরা রাজসভায় স্ত্রী এবং পুত্রের সামনে তাঁকে একেবারে বিধ্বস্ত করে দিলেন।

    ব্ৰাহ্মণত্ব জেগে উঠেছিল দ্রোণের। তাঁর অহংবোধ এবং আমিত্ব তীব্রভাবে জ্বলে উঠেছিল। তাই তিনি রাজ্যাধিকার চেয়ে বসলেন। এতে দ্রুপদ আরও ক্রোধান্বিত হয়ে উঠলেন। এবং দ্রোণকে তাঁর রাজসভা ছেড়ে, তাঁর রাজ্য ত্যাগ করে অন্যত্র চলে যেতে নির্দেশ দিলেন দ্রুপদ। বললেন, তোমার বিপদ হবে দ্রোণ, যদি কালবিলম্ব না করে আমার সামনে থেকে চলে না যাও।

    দ্রোণ নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে থাকলেন কিছুক্ষণ। স্থিরদৃষ্টিতে দ্রুপদের দিকে দৃকপাত করলেন। তারপর চোখ ফেরালেন কৃপীর দিকে। দেখলেন—কৃপীর দু’চোখ বেয়ে অশ্রুধারা নামছে। নীরবে কেঁদে যাচ্ছেন তিনি। অকৃতবিদ্যদের মতো চিৎকার করে আকুল হয়ে কাঁদছেন না তিনি। কৃতবিদ্যের মতো নীরবে অশ্রুবিসর্জন করে বুক ভাসাচ্ছেন।

    এবার অশ্বত্থামার দিকে তাকালেন দ্রোণ। থরথর করে কাঁপছে অশ্বত্থামা। মায়ের বাম হাত চেপে ধরে নিষ্পলক চোখে দ্রুপদের দিকে তাকিয়ে আছে যুবকপ্রায় অশ্বত্থামা। সমস্ত মুখ থেকে রক্ত সরে গেছে তার। ফলে গৌরবর্ণ মুখমণ্ডল সাদাটে হয়ে গেছে। কপালে স্বেদবিন্দু। তার চোখ থেকে অগ্নি ঝরছে যেন। মায়ের কান্নায় সংক্রমিত হয় নি অশ্বত্থামা। তার চোখে-চেহারায় ক্রোধানল ছড়িয়ে আছে। এখনই ঝাঁপিয়ে পড়বে দ্রুপদের ওপর-এ রকমই অভিব্যক্তি তার।

    অশ্বত্থামা দ্বারা প্রভাবিত হলেন দ্রোণ। রোষে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলেন। বললেন, ‘শুধু তোমার রাজসভা থেকে নয়, এই রাজধানী থেকে, এই পাঞ্চালরাজ্য থেকে আমি চলে যাব। কিন্তু যাওয়ার আগে…।’

    দ্রোণের মুখের কথা কেড়ে নিয়ে দ্রুপদ বললেন, ‘হ্যাঁ তা-ই যাও। সেটাই তোমার জন্য মঙ্গল। আর হ্যাঁ দ্রোণ, অনেক কষ্ট করে বহু পথ অতিক্রম করে তুমি আমার কাছে এসেছ। তোমাকে তো খালি হাতে ফেরানো যায় না।’

    একটু থামলেন দ্রুপদ। দ্রোণের চোখে চোখ রেখে বললেন, ‘তুমি যখন প্রার্থী হয়ে এসেছ, একরাত্রির উপযুক্ত ভোজনদ্রব্য নিয়ে যাও। ওইটুকুতেই তৃপ্ত থাকতে হবে তোমাকে। এর চেয়ে বেশি ভিক্ষা চাইলে ওই ভোজনদ্রব্যটুকুও পাবে না তুমি।’

    কোটর থেকে মণি দুটো বেরিয়ে আসতে চাইছে দ্রোণের। তিনি কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেললেন। থরথর করে কাঁপতে লাগলেন তিনি। বহুক্ষণ পরে আত্মস্থ হলেন। বজ্রকণ্ঠে বললেন, ‘তুমি এই অপমানের ফল ভোগ করবে শিগগির। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের শাস্তি যে কী ভয়ংকর হতে পারে, হাড়ে হাড়ে টের পাবে তুমি।’

    ‘কী করবে তুমি আমার? শৃগাল হয়ে ব্যাঘ্রকে ভয় দেখাচ্ছ?’ দ্রুপদ জিজ্ঞেস করলেন।

    ‘না, সমুদ্র হয়ে ক্ষুদ্র জলাশয়কে ভাসিয়ে দেওয়ার প্রতিজ্ঞা করছি। হুতাসন হয়ে সবকিছু পুড়িয়ে দেওয়ার পণ করছি।’ তারপর উচ্চকণ্ঠে বললেন দ্রোণ, ‘তোমার রাজসভায়, তোমারই মন্ত্রী-রাজন্যদের সামনে প্রতিজ্ঞা করছি—আমি তোমার রাজধানী ধ্বংস করব। তোমাকে বন্দি করে আমার এই পাদুকার নিচে নিক্ষেপ করব। তোমার রাজ্য কেড়ে নিয়ে পথের ভিখারি করে ছাড়ব তোমায়।’ বলে পেছন ফিরলেন দ্রোণ। স্ত্রী-পুত্রের দিকে দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে গেলেন।

    পেছন থেকে দ্রুপদের অট্টহাস্য শুনতে পেলেন দ্রোণ। তিনি শুনতে পেলেন দ্রুপদের কণ্ঠ, ‘হীন নিরন্ন ব্রাহ্মণের সামর্থ্য কতটুকু আমি জানি। যজমানি করে যার দিনাতিপাত হয়, সে দেখাচ্ছে ভয়! ফুঃ!’

    এবার ঘাড় ঘোরালেন দ্রোণ। কাঁধ থেকে ধনুকটা ডান হাতে নিয়ে বললেন, ‘এই ধনুক ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করছি—একদিন তোমাকে মাটিতে লুটাব আমি। তোমার এই রাজধানী রক্তে ভাসিয়ে দেব।’

    হঠাৎ স্তব্ধ হয়ে গেলেন দ্রুপদ। তাঁর ভেতরটা কেঁপে উঠল।

    দ্রুপদ দেখলেন—পুত্রের হাত ধরে উন্নত মস্তকে রাজসভা থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন দ্রোণ। পেছনে কৃপী। তার পদক্ষেপও দৃঢ়তাপূর্ণ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Next Article কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    Related Articles

    হরিশংকর জলদাস

    দুর্যোধন – হরিশংকর জলদাস

    July 27, 2026
    হরিশংকর জলদাস

    কৰ্ণ – হরিশংকর জলদাস

    July 27, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }