Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    হরিশংকর জলদাস এক পাতা গল্প291 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একলব্য – ১৫

    ১৫

    পাঞ্চালরাজং দ্রুপদং গৃহীত্বা রণমূর্ধনি।
    পাঞ্চালরাজ দ্রুপদকে জীবন্ত ধরে আনতে হবে আমার কাছে।

    .

    রঙ্গভূমিতে অর্জুন বীরোচিত মর্যাদায় নিজেকে উন্নীত করেছিল।

    কর্ণের অস্ত্রকুশলতায় আর বাগাড়ম্বরে সেই মর্যাদার অনেকটাই ক্ষুণ্ন হয়ে গেল। কৃপাচার্যের হস্তক্ষেপে এবং সূর্যাস্তের কারণে কর্ণ আর অর্জুনের মধ্যে যুদ্ধ হলো না বটে, কিন্তু উভয়ের মনে সারা জীবনের শত্রুতার বীজ উপ্ত হয়ে গেল।

    কর্ণের অকারণ উপস্থিতি আর বাগাড়ম্বরতা বাদ দিলে প্রশিক্ষণ প্রদর্শনী মনোহরই হলো। হস্তিনাপুরের রাজপ্রাসাদবাসীরা, মন্ত্রী- অমাত্যরা দ্রোণাচার্যের নামে জয়ধ্বনি দিতে লাগলেন। রাজবাড়িতে তাঁর গুরুত্ব বেড়ে গেল অনেক গুণ। অতুল্য অস্ত্র- প্রশিক্ষণের কারণে এবং অবশ্যই ব্রাহ্মণ হওয়ার কারণে সার্বত্রিকভাবে সকলে দ্রোণকে গুরু বলে মেনে নিলেন। সকলের মান্যতার মধ্যে দ্রোণাচার্যের যে কথাটি প্রথমে মনে পড়ল, তা হলো—প্রতিশোধ, পাঞ্চালরাজ দ্রুপদের ওপর প্রতিশোধ।

    এক প্রত্যুষে দ্রোণাচার্য তাঁর সকল অস্ত্রশিষ্যকে ডাকলেন। সবাইকে সামনে দাঁড় করিয়ে নিজে উচ্চাসনে বসে বললেন, ‘বৎসরা, তোমরা তো আমার কাছে অস্ত্রশিক্ষা সম্পন্ন করেছ?’

    এই প্রশ্নের উত্তর নিষ্প্রয়োজন। গুরু এবং শিষ্য—উভয়পক্ষই জানেন এর উত্তর ধ্রুবতারার মতো স্পষ্ট এবং সত্য। শিষ্যরা তাই নিশ্চুপ থাকল।

    গুরু আবার বলতে শুরু করলেন, ‘গুরুদক্ষিণা বলে একটা কথা আছে। শিক্ষণ শেষে শিষ্যদের শোধ করতে হয় এই দক্ষিণা। তোমাদেরও সেই দক্ষিণা শোধ করার সময় এসে গেছে।’

    দুর্যোধন ত্বরিত বলে উঠল, ‘বলুন গুরুদেব, কী দক্ষিণা দিলে আপনি আনন্দিত হবেন?’

    স্মিত হাসলেন দ্রোণাচার্য। সেই হাসির মধ্যে সূক্ষ্ম অবহেলা জড়িয়ে ছিল। তা বোঝার ক্ষমতা দুর্যোধনের নেই। দুর্যোধনাদি শতভাই শুধু হাসিটুকু দেখল, শেষটুকু নয়। যুধিষ্ঠির আর অর্জুন ছাড়া অপরাপর পাণ্ডবরাও তা-ই দেখল।

     দ্রোণাচার্য অর্জুনের দিকে মুখ ঘোরালেন। বললেন, ‘কী অর্জুন, গুরুদক্ষিণা দেবে না?’

    অর্জুন উত্তর দেওয়ার আগে দুর্যোধন আবার বলে উঠল, ‘আমাদের বলুন, কী করতে হবে।’

    এবার সমবেত শিষ্যের ওপর দৃষ্টি ফেলে উদাত্ত কণ্ঠে আচার্য বলে উঠলেন, ‘পাঞ্চালরাজ দ্রুপদকে ধরে আনতে হবে। জীবন্তই চাই আমি তাকে।’

    দিন আর রাত্রি জুড়ে যে-বেদনা তাঁকে কুরে কুরে খেয়েছে, তার জ্বালা শুধু দ্রোণাচার্য নিজেই অনুভব করেছেন। সেই দিনের সেই মৃত্যুসম অপমান এই এতদিন পর্যন্ত তাঁকে তাড়িয়ে বেড়িয়েছে। সেই অন্তর্জালার কথা কাউকে বলতে পারেন নি তিনি। হিমালয়সম বেদনার বোঝাটি বুকে নিয়ে এই দিনটির জন্য তিনি অপেক্ষা করে ছিলেন। আজ সেই দিনটি এল। তাই ছাত্রদের উদ্দেশে বললেন, ‘দ্রুপদকে পরাজিত করে আমার পাদুকার সামনে এনে ফেলো।

    গুরুর কথা শুনে যৌবনোদ্ধত রাজকুমারদের মধ্যে সাজ সাজ রব উঠল। রণসজ্জায় সজ্জিত হয়ে পাঞ্চালের উদ্দেশে রওনা দিল তারা। এই যুদ্ধযাত্রার গুরুত্ব কতটুকু, এর রাজনৈতিক তাৎপর্য কী বা তাদের যুদ্ধায়োজন দ্রুপদকে পরাস্ত করার মতো পর্যাপ্ত কি না এসবের কিছুই ভাবল না রাজকুমাররা।

    এদিকে দ্রোণাচার্য একবারও অনুমতি নিলেন না ধৃতরাষ্ট্র বা বিদুর অথবা ভীষ্মের কাছ থেকে। অস্ত্রগুরু হিসেবে নিযুক্তির দিনই ভীষ্মকে দ্রোণাচার্য জানিয়ে রেখেছিলেন দ্রুপদের প্রতি তাঁর প্রতিশোধস্পৃহার কথা। অন্যদিকে শিষ্যদের কাছে যা-ইচ্ছে দক্ষিণা চাওয়ার স্বাধীনতা দ্রোণাচার্যের আছে। গুরুদক্ষিণা চাওয়ার ক্ষেত্রে ধৃতরাষ্ট্র বা বিদুর অথবা ভীষ্মের হস্তক্ষেপ করার কোনো অধিকার নেই।

    এ ছাড়া পাঞ্চালরাজ দ্রুপদকে পরাস্ত করার ব্যাপারে কুরুপ্রাসাদের অভিভাবকদের একধরনের সমর্থন ছিল। দীর্ঘদিন ধরে পাঞ্চাল আর কুরুদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বিরাজ করছিল। দ্রোণাচার্যের প্রণোদনায় কুরুরাজকুমাররা দ্রুপদকে পরাস্ত করতে পারলে পরোক্ষে কুরুদেরই লাভ। দীর্ঘদিনের শত্রুর ধ্বংস কে না চায়!

    যুদ্ধযাত্রার আগে আগে কৌরব আর পাণ্ডব ভ্রাতাদের মধ্যে বিরোধ উপস্থিত হলো। দুর্যোধন বলল, ‘জ্যেষ্ঠ, আপনাদের যুদ্ধযাত্রার প্রয়োজন নেই। দ্রুপদকে ধরে আনার জন্য আমরা শতভাই-ই যথেষ্ট। অন্য ভাইদের নিয়ে আপনি প্রাসাদের আরাম উপভোগ করুন।’

    যুধিষ্ঠির বলল, ‘তা কী করে হয়? তোমাদের যেমন দায়িত্ব আছে, শিষ্য হিসেবে আমাদের পঞ্চভাইয়েরও তো কর্তব্য আছে। গুরুদক্ষিণা শুধু তোমরা একা দেবে কেন? আমাদেরও তো ঋণ শোধ করতে হবে।’

    যুধিষ্ঠিরের কথা এক ফুৎকারে উড়িয়ে দিল দুঃশাসন। ‘বহুদিন প্রশিক্ষণ নিয়ে আপনি এমনিতেই ক্লান্ত। তা ছাড়া অর্জুন আর ভীম, রঙ্গভূমিতে কর্ণের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে শক্তিহীন প্রায়। তাদেরও বিশ্রামের প্রয়োজন। ওদের নিয়ে আপনি রাজপ্রাসাদে বিশ্রাম নিন। আমরা পাঞ্চালরাজকে ধরে আনি।’ একটুক্ষণ থেমে দুঃশাসন আবার বলল, ‘ও হ্যাঁ জ্যেষ্ঠ, যুদ্ধযাত্রায় বীর কর্ণ আমাদের সঙ্গে থাকবে।’

    কিন্তু কৰ্ণসহ শত ভাইয়ের আক্রমণ দ্রুপদ প্রতিহত করে দিল। যুদ্ধে পরাজিত হয়ে রণক্ষেত্র থেকে পালাতে শুরু করল কুরুভ্রাতারা। এই সময় সমরক্ষেত্রে উপস্থিত হলো অর্জুন আর ভীম। তাদের পরাক্রমে দ্রুপদসৈন্য ধ্বংসপ্রাপ্ত হলো।

    অর্জুনের হাতে শেষ পর্যন্ত জীবন্ত ধরা পড়লেন দ্রুপদ। বন্দি দ্রুপদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করল অর্জুন। তাঁকে সে এইটুকু বুঝিয়ে দিল যে, ব্যক্তিগত কোনো আক্রোশ থেকে পাঞ্চাল আক্রমণ করে নি অর্জুন, শুধু গুরু দ্রোণের আদেশ পালনের জন্য এই আক্রমণ।

    বন্দি দ্রুপদকে গুরুর সামনে উপস্থিত করল ভীমার্জুন। এবার দ্রোণাচার্যের কথা বলার পালা। এতদিনের সংবরিত ক্রোধ আচার্যের চোখে-মুখে কথায় ফুটে উঠল।

    দ্রুপদকে উদ্দেশ করে তীব্র ভাষায় দ্রোণ বললেন, ‘তুমি বলেছিলে দ্রুপদ, রাজা নয় এমন মানুষ নাকি রাজার সখা হতে পারে না। নিজের জোরে তোমার রাজ্য বিধ্বস্ত করেছি, তোমার রাজধানীও আজ আমার দখলে। শুধু তা নয়…।’ বাক্য অর্ধসমাপ্ত রেখে আচার্য থেমে গেলেন।

    দ্রুপদ তাঁর অধোবদন ওপর দিকে তুললেন। প্রশ্নাকুল চোখে দ্রোণের দিকে তাকিয়ে থাকলেন।

    দ্রোণাচার্য বাক্য শেষ করলেন, ‘তা ছাড়া তোমার মরা-বাঁচাও এখন আমার ইচ্ছের অধীন। বলো এখন, আমার কাছ থেকে তুমি কী চাও? ও হ্যাঁ, আমার প্রতি বিগত দিনের দুর্ব্যবহারের কথা স্মরণে রেখেই তুমি তোমার প্রার্থনা জানাবে আশা করছি।’

    দ্রুপদ পূর্ববৎ নির্বাক থাকলেন। কী বলবেন তিনি, কী বলারই বা আছে তাঁর। দ্রোণের সেই প্রার্থনার দিনটির কথা মনে পড়ল দ্রুপদের। সেদিন ভালো ব্যবহার করেন নি তিনি দ্রোণের সঙ্গে। বন্ধুত্বকে এক ঝটকায় উড়িয়ে দিয়েছিলেন। রাজাহংকারে এককালের বন্ধু দ্রোণকে সপরিবারে অপমান করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেন নি। আজকের দিনটির জন্য মোটেই প্রস্তুত ছিলেন না তিনি। সামান্য একজন ব্রাহ্মণপুত্র মনের ভেতর এতটি বছর ক্রোধকে লালন করে রাখবেন, ভাবেন নি তিনি।

    দ্রোণ কুরুবাড়িতে শিক্ষকতা করছেন এইটুকু শুনেছেন তিনি। কিন্তু সেই শিক্ষকতার পেছনে দ্রোণের যে এত গভীর চাল ছিল, ভেবে কুলিয়ে উঠতে পারেন নি দ্রুপদ। আজ তিনি পরাজিত। বিজিতের কোনো আকাঙ্ক্ষা থাকতে নেই। জয়ী যে- বিধান দেয়, তা বিনা প্রতিবাদে মেনে নিতে হয় বিজিতকে। তাই দ্রুপদ নির্বাকই থাকলেন।

    বন্ধুর বিব্রতকর, অসহায়, ধূলিধূসরিত অবস্থা দেখে দ্রোণের হৃদয় বিগলিত হলো। দ্রুপদকে উদ্দেশ করে তিনি ধীরে ধীরে বললেন, ‘আমরা ব্রাহ্মণ মানুষ। ক্ষমাই আমাদের ধর্ম। তোমার মতো নির্মম নই আমি, দুরাচারীও নই। তোমার প্রাণের ভয় নেই দ্রুপদ আমার দিক থেকে তোমাকে হত্যার কোনো উদ্যোগ নেব না আমি। ছোটবেলায় যে তুমি আমার বন্ধু ছিলে, সেটা তুমি ভুলে গেলেও আমি ভুলি নি। আমরা একসঙ্গে খেলেছি, শুয়েছি। তোমার আর আমার মধ্যে বন্ধুত্ব, ভাব ভালোবাসাও কিছু কম ছিল না। সেদিন তোমার দুর্মতি হলো। অস্বীকার করলে তুমি আমাকে।’

    একটা দীর্ঘশ্বাস দ্রোণাচার্যের বুক চিড়ে বেরিয়ে এল। ‘তুমি যা-ই কোরো আর যা- ই ভাবো, পুরনো দিনের বন্ধুত্ব এখনো আমি চাই।

    তারপর একটু থেমে সামনে দণ্ডায়মান অর্জুন-ভীম-যুধিষ্ঠির-দুর্যোধনাদির ওপর একবার চোখ বুলিয়ে নিলেন। কী যেন ভাবলেন মনে মনে। উপবীতটি যত্ন করে যথাস্থানে রাখলেন। উত্তরীয় দিয়ে মুখমণ্ডল মুছে নিলেন। তারপর বললেন, ‘তুমি সেদিন রাজসভায় যতগুলো কথা বলেছিলে, তার মধ্যে একটি কথা আমার মনের মধ্যে গেঁথে আছে।’

    দ্রুপদ তাড়াতাড়ি দ্রোণাচার্যের মুখের দিকে তাকালেন। তাঁর চোখে চোখ রেখে আচার্য বললেন, ‘অরাজা কখনো রাজার সখা হতে পারে না। যেহেতু তোমার বন্ধুত্ব আমার দরকার, তাই আমাকে রাজা হতে হবে। আর তার জন্য তোমার রাজ্যের অধিকার চাই আমি।’

    বিষণ্ণ ক্লান্ত কণ্ঠে এতক্ষণে কথা বললেন দ্রুপদ, ‘আমার রাজ্য এখন তোমার পদানত। তুমি যা ইচ্ছে তা-ই করতে পারো।’

    ‘তোমার রাজ্য নিয়ে আমি ছিনিমিনি খেলব না। তোমার রাজ্যকে মাটিতে মিশিয়ে দিতে পারি, দেব না। শুধু রাজ্যের অর্ধেকাংশ তোমার কাছ থেকে কেড়ে নেব আমি।’

    এই সময় দুর্যোধন বলে উঠল, ‘অর্ধেক কেন, গোটাটাই অধিকার করবেন আচার্য।’

    দ্রোণাচার্য ডান হাত তুলে দুর্যোধনকে থামিয়ে দিলেন। দ্রুপদকে উদ্দেশ করে বললেন, ‘গঙ্গার দক্ষিণ তীরের পাঞ্চালরাজ্যটুকু তোমার আর উত্তর তীরের রাজ্যাংশটুকু আমার। এখন কি তুমি আমাকে বন্ধু বলে মেনে নেবে?’

    দ্রুপদ বিচক্ষণ। তিনি জানেন—পরাজিতজনের কোনো বক্তব্য থাকা উচিত নয়। শত্রুর দাপট সহ্য করে তাঁর বশীভূতই থাকতে হবে তাঁকে। তিনি দ্রোণাচার্যের শর্ত মেনে নিলেন।

    পাঞ্চালরাজ্য দু’ভাগে ভাগ হয়ে গেল। দ্রুপদের ভাগে পড়ল গঙ্গার দক্ষিণভাগে কাম্পিল্য, মাকন্দী ইত্যাদি নগরীর সমাবেশে চর্মপতীর জলধোয়া চম্বল পর্যন্ত। ওদিকে গঙ্গার উত্তরে দ্রোণাচার্য যে রাজ্য পেলেন তার রাজধানী হলো অহিচ্ছত্র।

    শিষ্য অর্জুনের কল্যাণে দ্রোণ রাজা হলেন। দ্রোণের আশৈশবের দারিদ্র্য একেবারে ঘুচে গেল। জীবনের যন্ত্রণা তাঁকে কম ভোগ করতে হয় নি। এমন একটা সময় গেছে, যখন তিনি স্ত্রী-পুত্রের অন্ন জোগাড় করতে পারেন নি, পুত্রের মুখে তুলে ধরতে পারেন নি এক বাটি দুগ্ধ। শুধু চেষ্টার জোরে কুরুপ্রাসাদে সামান্য ঠাঁই করে নিতে পেরেছিলেন। অশেষ চেষ্টা আর অপরিসীম ধৈর্যের কারণে তাঁর শৈশবের স্বপ্ন আজ ফলবতী হয়েছে।

    রাজা হওয়ার পরও দ্রোণাচার্য অহিচ্ছত্রে গেলেন না, যেমন করে অঙ্গরাজ্যের অধীশ্বর হওয়ার পরও যায় নি কর্ণ। কর্ণ কখনো অঙ্গরাজ্যের শাসনকার্য পরিচালনা করে নি। থেকে গিয়েছিল হস্তিনাপুরে। তেমনি করে দ্রোণাচার্যও হস্তিনাপুর ছেড়ে অহিচ্ছত্রে গেলেন না।

    হস্তিনাপুরের সম্মান আর রাজপ্রাসাদের রাজনীতির আস্বাদ দ্রোণাচার্যকে হস্তিনাপুরেই রেখে দিল।

    বহিরাঙ্গনের ঝনঝনানি থেমে গেলে একদিন শিষ্যদের ডেকে দ্রোণাচার্য বললেন, ‘তোমরা সবাই যুবক হয়েছ। যুদ্ধজয়ের অভিজ্ঞতাও তোমাদের হয়েছে। অশেষ ক্লান্ত এখন তোমরা। তোমাদের আনন্দের প্রয়োজন। তোমরা মৃগয়াতে যাও। সজীব জীবন ফিরে পাবে তোমরা।’

    কুরুরাজপ্রাসাদের রাজকুমারদের মধ্যে মৃগয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Next Article কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    Related Articles

    হরিশংকর জলদাস

    দুর্যোধন – হরিশংকর জলদাস

    July 27, 2026
    হরিশংকর জলদাস

    কৰ্ণ – হরিশংকর জলদাস

    July 27, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }