Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    হরিশংকর জলদাস এক পাতা গল্প291 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একলব্য – ১৪

    ১৪

    যৎ কৃতং তত্র পার্থেন তচ্চকার মহাবলঃ।
    অর্জুন যা যা করে দেখাল, কর্ণও তার সবকিছু করে দেখাল।

    .

    ‘মহামহিম পরশুরাম আমাকে শিষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন এবং ব্রহ্মাস্ত্রবিদ্যা দান করেছেন।’ দ্রোণাচার্যের চোখের দিকে তাকিয়ে বলল কর্ণ।

    ‘আপনি চাইলে এই রঙ্গভূমির আপামর জনগণকে আমার করায়ত্ত ব্রহ্মাস্ত্র-প্রয়োগ- কৌশল দেখাতে প্রস্তুত আমি।’ সমবেত রাজন্য আর জনসাধারণের ওপর দৃষ্টি ফেলে কথা শেষ করল কর্ণ। পরশুরামের অভিশাপের কথা চেপে গেল সে।

    এই সময় দুর্যোধন হাততালি দিয়ে উঠল। বলল, ‘বাহবা, বাহবা মিত্র। তুমি ব্রহ্মাস্ত্র লাভ করেছ? কী আনন্দ! কী সুখের সংবাদ এটি!’

    দ্রোণাচার্য বললেন, ‘তুমি থামো দুর্যোধন। বালকের মতো আচরণ করছ কেন? এটা রঙ্গভূমি। শতসহস্র চোখ আমাদের ওপর। তোমার বালখিল্য আচরণ দেখে ওঁরা তোমার সম্পর্কে কী ভাববেন?’

    গুরুর ধমক খেয়ে আপাতত চুপ মেরে গেল দুর্যোধন। কিন্তু কৰ্ণ দমল না।

    উপহাসের কণ্ঠে কর্ণ বলে উঠল, ‘সূতপুত্র বলে যে-আমাকে আপনি একদিন ব্রহ্মাস্ত্রবিদ্যার অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছিলেন, দূর দূর করে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন, সেই কর্ণকে শিষ্যত্ব দিয়েছেন পরশুরাম।’

    কর্ণের কথায় ভীষণ চিন্তান্বিত দেখাল দ্রোণাচার্যকে। গম্ভীর মুখে ঊর্ধ্বাকাশের দিকে তাকিয়ে থাকলেন।

    এই সময় অর্জুন বলে উঠল, ‘তুমি মিথ্যে বলছ কর্ণ। মিথ্যে বলে গুরুদেবকে বিভ্রান্ত করছ। মহাত্মা পরশুরাম তোমার মতো সূতপুত্রকে কখনো শিষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন না। যদি করেই থাকেন, তুমি তাঁর কাছে নিজের বংশপরিচয় লুকিয়েছ!’

    কর্ণ দেখল, তাঁর জারিজুরি ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। কঠোর কণ্ঠে বলে উঠল, ‘আচার্য আর আমার মধ্যে কথা হচ্ছে। মাঝখানে তুমি কথা বলার কে? তুমি তো একজন সুবিধাবাদী। প্রবঞ্চক তুমি। আমাকে প্রবঞ্চিত করে ব্রহ্মাস্ত্রবিদ্যা হাতিয়ে নিয়েছ দ্রোণাচার্যের কাছ থেকে।

    অর্জুন প্রত্যুত্তর দিতে যাচ্ছিল, হাত তুলে তাকে থামালেন দ্রোণ। বললেন, ‘এখানে রাজপুত্রদের অস্ত্রবিদ্যা প্রদর্শন চলছে। তুমি রাজপুত্র নও, সূত অধিরথপুত্র। তোমার এই রঙ্গভূমিতে থাকার অধিকার নেই। তুমি এই স্থান ত্যাগ কোরো কর্ণ।’

    ‘আবার জাতপাতের কথা তুললেন গুরুদেব! জাতপাত তো আপনাদেরই সৃষ্ট। শোষণ-শাসনের সুবিধার জন্য ব্রাহ্মণ-ক্ষত্রিয় মিলে বর্ণপ্রথার কঠিন নিগড়টি তৈরি করেছেন। কঠোর শৃঙ্খলে বেঁধেছেন রাজ্যের অধিকাংশ খেটেখাওয়া মানুষকে। দেশের অধিকাংশ মানুষই তো বৈশ্য আর শূদ্র।’

    কর্ণকে আজ কথায় পেয়ে বসেছে। একদিন যে দ্রোণাচার্য তার গুরু ছিলেন, তাঁরই হাতে যে তার বাছা বাছা অস্ত্রশিক্ষা সম্পন্ন হয়েছিল, কর্ণ তা ভুলে গেল। বলল, ‘রাজপুত্রের দোহাই দিয়ে আমাকে বিতাড়িত করতে চাইছেন এই রঙ্গভূমি থেকে। তা না হয় মানলাম। রাজপুত্র নই বলে রঙ্গভূমি ত্যাগ করলাম আমি। কিন্তু একলব্য তো রাজপুত্র ছিল, নিষাদরাজ্যের রাজপুত্র ছিল সে। তাকে কেন আপনি বঞ্চিত করলেন?’

    বিস্ফারিত চোখে কর্ণের দিকে তাকালেন দ্রোণাচার্য। বললেন, ‘একলব্যের কথা তুমি জানলে কী করে? তখন তো তুমি পাঠশালায় ছিলে না।’

    ‘সত্য কখনো গোপন থাকে গুরুদেব? আপনি একলব্যকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন গুরুদেব। বলেছেন, হীনজাতে জন্ম তোমার, তুমি আমার শিষ্য হওয়ার যোগ্য নও। ঠিক বলছি না আমি গুরুদেব?’

    এই রকম বিব্রতকর অবস্থায় আগে কখনো পড়েন নি দ্রোণাচার্য। হ্যাঁ, আরেকদিন বিব্রত, উন্মত্ত, বাছাবাছা হয়েছিলেন তিনি। দ্রুপদের রাজসভায় যেদিন বন্ধুত্বের দাবি নিয়ে রাজা দ্রুপদের সামনে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি, সেদিন দ্রুপদ বন্ধুত্ব অস্বীকার করে তাঁকে অপমানে অপমানে জর্জরিত করেছিলেন। কিন্তু বর্তমান দিনের সঙ্গে ওইদিনের পার্থক্য আছে। ওইদিন ক্রোধান্বিত দ্রোণ বলে উঠেছিলেন, ‘একদিন তোমার এই অপমানের প্রতিশোধ নেব আমি দ্রুপদ, পায়ের তলায় ফেলব আমি তোমাকে একদিন।’

    কিন্তু আজ কী করবেন তিনি? একের পর এক যুক্তি দাঁড় করিয়ে কর্ণ তাঁকে যেভাবে ঘায়েল করছে, তার উপযুক্ত জবাব তো তাঁর কাছে নেই। শাস্ত্রের দোহাই দেবেন তিনি? আগে যেভাবে বলেছেন, সেভাবে বলবেন? বলবেন,

    ক্ষত্রিয় ছাড়া অস্ত্রশিক্ষার বিধি নেই? এটাই শাস্ত্রনিয়ম। কিন্তু শাস্ত্রবিধি কি তিনি ভাঙেন নি? তিনি ব্রাহ্মণ হয়েও যজনযাজন আর শাস্ত্রপাঠ ত্যাগ করে অস্ত্রবিদ্ হন নি? খোঁড়া যুক্তি দিয়ে কর্ণের মুখ বন্ধ করা যাবে না আজ।

    এই সময় কর্ণ আবার কথা বলে উঠল, ‘একলব্যের দুর্গতির কথা আমি মিত্র দুর্যোধনের কাছে শুনেছি।’

    পরশুরামের মাহেন্দ্র বিদ্যালয় থেকে অভিশপ্ত কর্ণ ফিরে কুরুরাজপ্রাসাদে আশ্রয় নেয়। মিত্র দুর্যোধনকে তার আগমনবার্তা চেপে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করে। বলে, ‘উপযুক্ত সময়ে আমি নিজের উপস্থিতি জানান দেব।’ সেই সময় গোটা রাজপ্রাসাদ জুড়ে, শুধু রাজপ্রাসাদ কেন, গোটা রাজধানী জুড়ে অস্ত্রবিদ্যা প্রদর্শনীর তোড়জোড় চলছিল। ‘ক’দিন তোমার নিকটে থাকতে দাও মিত্র।’ বলে কথা শেষ করেছিল কৰ্ণ।

    দুর্যোধনের সাহচর্যে থাকার সময় খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সব তথ্য জেনে নিয়েছিল কৰ্ণ।

    অর্জুনের মৃন্ময়পক্ষীর গলাকর্তন, যুধিষ্ঠির-দুর্যোধনাদিকে পরীক্ষা ছাড়া অকৃতকার্য ঘোষণা করা আর একলব্য-বিষয়ক ঘটনার অনুপুঙ্খ বিবরণ দুর্যোধনের কাছ থেকে জেনে নিয়েছিল কর্ণ। মোক্ষম সময়ে সেই তথ্যকে কাজে লাগাল সে। বলল, ‘আমি কিন্তু এখনো আমার উত্তর পাই নি গুরুদেব। রাজপুত্র হয়েও কেন একলব্য আপনার শিষ্য হওয়ার অনুমতি পেল না?’

    ‘আমার উত্তর তোমাকে অনেক আগেই দিয়েছি। যেদিন তুমি ব্রহ্মাস্ত্র করায়ত্ত করবার জন্য আমার কাছে গিয়েছিলে, সেদিনের উত্তরই আমার আজকের উত্তর।’ মৃদুকণ্ঠে বললেন আচার্য।

    ‘অর্থাৎ আপনি উচ্চবর্ণের গুরু। নিচুদের নন। বেছে বেছে উঁচুজাতের ধনাঢ্য সন্তানদের আপনি অস্ত্রশিক্ষা দেবেন। কর্ণ আর একলব্যের মতো তথাকথিত হীনজাতের মানুষরা আপনার কৃপা থেকে বঞ্চিত হবে, এই তো বলতে চাইছেন আপনি?’ কর্ণের সারা মুখে উপহাসের হাসি ছড়িয়ে পড়ল।

    দ্রোণাচার্য দেখলেন—এই বিতণ্ডায় রঙ্গভূমি ঔজ্জ্বল্য হারাতে বসেছে। সমবেত মানুষরা গভীর ঔৎসুক্য নিয়ে তাঁদের দিকে তাকিয়ে আছে। কর্ণকে আর সুযোগ দিলে তাঁর সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যাবে। কর্ণকে থামানো দরকার।

    কর্ণকে উদ্দেশ করে দ্রোণাচার্য বললেন, ‘তোমার যদি আর কিছু বলার থাকে আমি শুনব। তবে এই রঙ্গভূমিতে নয়, একান্তে। এখন অর্জুনকে তার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দাও।’

    ‘তা হবে না গুরুদেব। অর্জুনকে আমি সেই সুযোগ দেব না। এই রঙ্গভূমিতে প্রমাণ করব, আমি অর্জুনের চেয়ে কোনো অংশে কম নই, বরং বাড়া।’ ক্ষিপ্ত কণ্ঠে বলল কর্ণ।

    ওই দিকে রঙ্গভূমির মানুষরা উত্তাল হয়ে উঠলেন। সমবেত কণ্ঠে আওয়াজ উঠল, ‘আমাদের ধৈর্য শেষ। প্রদর্শনীর কাজ শুরু করুন গুরুদেব।’

    কৌতূহলী জনতার চিৎকার শুনে দ্রোণ কর্ণকে অনুমতি দিতে বাধ্য হলেন। এরপর অর্জুন অস্ত্র নিক্ষেপণ আর সংবরণের যতরকম কৌশল দেখাল, তার প্রত্যেকটি অতি দক্ষতার সঙ্গে করে দেখাল কর্ণ। এতক্ষণ একতরফাভাবে রঙ্গমঞ্চে শুধু অর্জুনেরই প্রশংসা চলছিল, সেই প্রশংসার সিংহভাগ চলে গেল কর্ণের দিকে।

    কর্ণের বাণমুখর অন্ত্রকুশলতা দেখে দুর্যোধন-দুঃশাসনাদি শতভাই অতিশয় উৎফুল্ল হয়ে উঠল। তারা কর্ণের নিকটে এগিয়ে এল।

    সাভিনন্দনে কর্ণকে জড়িয়ে ধরে দুর্যোধন বলল, ‘অর্জুনকে লা-জবাব করে দিয়েছ মিত্র। উচিত শিক্ষা দিয়েছ তাকে। তার গরিমা বড় বেড়ে গিয়েছিল, শ্রেষ্ঠত্বের অহংকারে মাটিতে পা পড়ছিল না তার। তুমি অজস্র মানুষের সামনে তার দর্প ভেঙে একেবারে চুরমার করে দিলে। আমাদের ভীষণ আনন্দ হচ্ছে। আমার সকল ভাইয়ের যেমন, তেমনি তোমারও আজ থেকে কুরুরাজ্যের সমস্ত ভোগ্যদ্রব্যের ওপর অধিকার বর্তাল।’

    বিচক্ষণ কর্ণ দ্রুত বলে উঠল, ‘ওসবের কিছু চাই না আমি মিত্র। আমি শুধু তোমার বন্ধুত্বের প্রত্যাশী। আর অর্জুনের সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাই আমি।’

    কর্ণের কথা শুনে শতভাই তাকে ঘিরে ধরে উল্লাস প্রকাশ করতে লাগল। অর্জুন বিষণ্ণ মুখে দাঁড়িয়ে থাকল। সমস্ত মাঠ কর্ণের পক্ষে জয়ধ্বনি দিচ্ছে তখন।

    কর্ণ অর্জুনের দিকে এগিয়ে গেল। তীক্ষ্ণ চোখে ঘৃণা ছড়িয়ে বলল, ‘তোর সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাই আমি। তোর গুরুর সামনেই যুদ্ধ করব, ওঁর সামনেই তোর মাথা কেটে মাটিতে নামাব আমি।’

    সমস্ত রঙ্গভূমিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল। ভীষ্ম উদ্বেগাকুল হয়ে উঠলেন। উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ল কুন্তীর সমস্ত মুখে। ধৃতরাষ্ট্র আর গান্ধারী ঘনঘন প্রশ্ন করে পরিস্থিতি জেনে নেওয়ার চেষ্টা করতে লাগলেন।

    বিদুর দেখলেন—পরিবেশ-পরিস্থিতি ভয়ংকর রূপ ধারণ করছে। পাশে বসা কৃপাচার্যের দিকে ইংগিতময় চোখে তাকালেন তিনি। কৃপাচার্য যা বোঝার বুঝে গেলেন। আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন তিনি। চিৎকার করে বললেন, ‘থামো তুমি কর্ণ। তোমার উল্লম্ফন থামাও।’

    একটা ঢোঁক গিললেন কৃপাচার্য। তারপর সেই চরম অপমানজনক শব্দটি উচ্চারণ করলেন, ‘যুদ্ধের আগে নিজের গোত্রপ্রবরের কথা জানাতে হয়। অর্জুন রাজপুত্র। কর্ণ, তুমি কোন বংশের ছেলে বলো। তোমার জন্মপরিচয় জেনে অর্জুন তোমার সঙ্গে যুদ্ধ করবে।’

    আবার সেই জন্মযাতনা। এই জন্মপরিচয় তাকে যমদূতের মতো আজীবন তাড়িয়ে বেড়িয়েছে, এই জন্মপরিচয় তার জীবন্নোয়নের পথে বারবার অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সকল কিছু থাকা সত্ত্বেও শুধু জন্ম-হীনতার কারণে দ্রোণাচার্য তাকে মর্যাদা দেন নি। আচার্য পরশুরাম তাকে অভিশাপ দিয়েছেন। এই সকল প্রতিকূলতা অতিক্রম করে আজ যখন নিজেকে প্রমাণিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সে, ঠিক তখনই আবার জন্মগোত্র পরিচয়ের কথাটি উচ্চারণ করলেন প্রথমগুরু কৃপাচার্য।

    কৃপাচার্যকে অনেক উঁচুদরের মানুষ বলে জানত কর্ণ। সৎ, মননশীল, যুক্তিবাদী মানুষ হিসেবে আজীবন সে কৃপাচার্যকে সম্মান করে এসেছে। আজ সেই মানুষটি তাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার প্রয়াস পাচ্ছেন। গোত্রপরিচয় দিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হতে হবে এমন কথা কোনো শাস্ত্রে লিখা নেই। যুদ্ধক্ষেত্রে কত জাতের মানুষ যুদ্ধে লিপ্ত হয়, এই প্রমাণ তো ‘রামায়ণ’ থেকে আরম্ভ করে বহু সমরগ্রন্থে লিপিবদ্ধ আছে। এই কথা আচার্য কৃপের না জানার কথা নয়। জানেন তিনি। জেনেও তিনি রাজাদের পক্ষ নিলেন।

    এতক্ষণ দ্রোণাচার্যের সঙ্গে বাকযুদ্ধ করতে করতে দম ফুরিয়ে এসেছে কর্ণের। এই মুহূর্তে কৃপাচার্যের মিথ্যাচারের বিরুদ্ধাচরণ করতে তার আর ইচ্ছে করল না। মহতের হীনাচরণের প্রতিবাদ করল না কর্ণ। এত বড় বীর যে কর্ণ, মুহূর্তে চুপ মেরে গেল। কূপের কথা শুনে প্রতিস্পর্ধী কর্ণের মুখটি লজ্জায় অবনত হয়ে গেল।

    কৃপাচার্যের নিকটে দুর্যোধন এগিয়ে গেল। বলল, ‘আচার্য, রাজা তিন রকমের হয় – যিনি সকুলে জন্মেছেন, যিনি বীর এবং যিনি সৈন্যপরিচালনা করতে পারেন। এই মূহূর্তে আমি কর্ণকে অঙ্গরাজ্যের রাজা করে দিলাম। এখন তো অর্জুনের সঙ্গে যুদ্ধ করতে কর্ণের আর কোনো বাধা নেই?’

    কর্ণ অভিভূত। দ্রুত দুর্যোধনের নিকট এগিয়ে গেল সে। জড়িয়ে ধরল তাকে। বলল, ‘এত বড় উপহারের বিনিময়ে আমি তোমাকে কী দেব মিত্র?

    ‘কিছুই না। শুধু আলিঙ্গন আর বন্ধুত্ব।’ নিবিড় গলায় বলল দুর্যোধন।

    পাণ্ডববিরোধী দুই মহাবীর পরস্পর পরস্পরকে আলিঙ্গন করল।

    এই সময় ভীম ক্ষিপ্ত হয়ে উঠল। কর্কশ কণ্ঠে বলল, ‘ওরে সারথির বেটা কর্ণ। অর্জুনের সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাইছিস তুই? তুই কী যুদ্ধ করবি রে বেটা। অঙ্গরাজ্যের রাজা হওয়ার কী যোগ্যতা আছে তোর? তোর হাতে কি রাজদণ্ড শোভা পায়? তোর হাতে তো শোভা পাবে ঘোড়ার লাগাম। ওই তো দূরে একটা রথ দেখা যাচ্ছে। তুই এক কাজ কর। শিগগির ওই রথে লাফিয়ে ওঠ। রথটা চালিয়ে বরং রঙ্গভূমির মানুষদের দেখা। জন্মের নেই যার ঠিক, সে চায় রাজপুত্র অর্জুনের সঙ্গে যুদ্ধ করতে! ফুঃ।’

    কর্ণ মাথা নিচু করে দীর্ঘশ্বাস ত্যাগ করল। কিন্তু দুর্যোধন ছাড়বার পাত্র নয়। সরোষে সে বলে উঠল, ‘ভীম, মূর্খের মতো প্রলাপ বকছ কেন? আমার তো জানা ছিল… শারীরিক শক্তির সঙ্গে তোমার কিছু জ্ঞানগম্যিও আছে। এখন দেখছি, দৈহিক মেদ তোমার মেধার বিকাশ ঘটতে দেয় নি।’

    ‘চুপ থাকো তুমি দুর্যোধন। অর্বাচীনের মতো মাঝখানে কথা বলতে এসো না।’ তীব্র কণ্ঠে বলল ভীম।

    হো হো করে হেসে উঠল দুর্যোধন। শ্লেষ মিশানো গলায় বলল, ‘একজন মানুষের শক্তিই সবকিছু। কর্ণ একজন শক্তিমান বীর। বলবান পুরুষ আর নদীর উৎস খুঁজতে যেয়ো না। কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে পড়বে। তুমি কর্ণের জন্মঠিকানা জানতে চাইছ, না? বলি তোমাকে বিশ্বামিত্র, গুরুদেব দ্রোণ, আচার্য কৃপ—এঁদের জন্মবিন্দুর রহস্য জানো? আর শোনো ভীম, তোমাদের পাঁচ ভাইয়ের জন্ম কীভাবে হয়েছে তুমি জানো?’

    এই সময় কর্ণ তাড়াতাড়ি বলে উঠল, ‘থাক মিত্র থাক। ওভাবে বলতে নেই। ভীম উন্মাদের মতো আচরণ করছে বলে তুমি করতে যাবে কেন?’

    ‘তুমি থামো মিত্র। আমাকে বলতে দাও।’ তার পর ভীমের দিকে তাকিয়ে ব্যঙ্গকণ্ঠে বলল, ‘আমি জানি তোমাদের জন্মরহস্য।’

    দ্রুত এগিয়ে এসে কর্ণ দুর্যোধনের মুখে হাত চাপা দিল। বলল, ‘নারীর অপমান কোরো না তুমি মিত্র। আমার মা আছেন, তোমারও। তোমার কথায় পাণ্ডবদের মা’দের অপমান হচ্ছে। তোমায় মিনতি করছি, জননীদের অপমান কোরো না।

    দুর্যোধন ক্রোধ সংবরণ করল। শান্তস্বরে বলল, ‘কর্ণের দিকে চেয়ে দেখো ভীম। সোনার বর্ম আর কুণ্ডল জন্ম থেকে ওর গায়ে আঁটা। সূর্যের মতো উজ্জ্বল গায়ের রং কর্ণের। এই রকম মানুষের জন্ম কি নীচুকুলে হতে পারে? হরিণের পেটে কি বাঘ জন্মায়? এই সসাগরা পৃথিবীর রাজা হওয়ার যোগ্যতা রাখে কর্ণ। আর হ্যাঁ, অর্জুনকে বলছি—কোরো না যুদ্ধ কর্ণের সঙ্গে। তোমার বাহুতে কী ক্ষমতা আছে দেখিয়ে দাও না।’

    দুর্যোধনের কথা শুনে অর্জুন যুদ্ধের জন্য এগিয়ে এল। কর্ণ আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল। একা দূরে দাঁড়িয়ে দ্রোণাচার্য অসহায় দৃষ্টিতে প্রস্তুতয়মান দুজনের দিকে তাকিয়ে থাকলেন। দর্শকদের মধ্যে হাহাকার উঠল। ধীরে ধীরে বাদ্যিবাজনা বেজে উঠল।

    ওই সময় টুপ করে সূর্য অস্ত গেল। সূর্যাস্ত হলে যুদ্ধ নিষিদ্ধ। যুদ্ধ আর হলো না। অর্জুন আর কর্ণ—উভয়ে বুকে ক্রোধের জ্বালা নিয়ে যার যার আলয়ে প্রস্থান করতে উদ্যোগী হলো।

    যাওয়ার আগে কর্ণ দ্রোণাচার্যকে উদ্দেশ করে বলল, ‘হীনবংশজাত বলে যাদের আজ তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছেন, এমন একদিন আসবে, এই হীনজাতের মানুষরাই পৃথিবী শাসন করবে। আর আপনারা হবেন এই হীনজাতির করুণাপ্রার্থী।’ বলে দুর্যোধনের হাত ধরে হনহন করে হাঁটা দিল কর্ণ।

    নির্বাক দ্রোণাচার্য তাদের গমনপথের দিকে নিষ্পলক চোখে তাকিয়ে থাকলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Next Article কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    Related Articles

    হরিশংকর জলদাস

    দুর্যোধন – হরিশংকর জলদাস

    July 27, 2026
    হরিশংকর জলদাস

    কৰ্ণ – হরিশংকর জলদাস

    July 27, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }