Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    হরিশংকর জলদাস এক পাতা গল্প291 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একলব্য – ১৬

    ১৬

    মৃত্তিকার দ্রোণ-মূর্ত্তি করিয়া রচন।
    নানা পুষ্প দিয়া তাঁর করয়ে পূজন।।

    .

    বিড়ম্বিত একলব্য হাঁটতে থাকল।

    তার গন্তব্য স্থির নয়। লক্ষ্যহীনভাবে অবিরাম সে হেঁটে যেতে লাগল। পা দুটো তার রক্তাক্ত। অরণ্যের ঝোপঝাড়ে আর কাঁটায় লেগে তার ঊর্ধ্বাঙ্গের কাপড়টি শতচ্ছিন্ন। পরিধেয়বসনেরও এখানে ওখানে ছিঁড়ে গেছে। শরীরের নানা জায়গায় গাছের শাখার আর কাঁটার খোঁচায় ছিঁড়েফুঁড়ে গেছে। কোনো কোনো স্থান থেকে রক্ত গড়াচ্ছে। কোনো দিকে খেয়াল নেই তার, না শরীরের দিকে, না বসনের দিকে উদ্‌ভ্রান্তের মতো সামনের দিকে হেঁটে যাচ্ছে একলব্য।

    সেই সকাল থেকে কতক্ষণ হাঁটছে একলব্য হিসেব রাখে নি। সে অনেকটা বাহ্যজ্ঞানরহিত। চোখ খোলা থাকা সত্ত্বেও সে ঠিকঠাকমতো দেখছে না, মস্তিষ্ক সচল থাকা সত্ত্বেও সে যথাপূর্ব ভাবতে পারছে না। শুধু তার কানে বাজছে গুরু দ্রোণের কথা ‘অপাঙ্ক্তেয় কোনো জনগোষ্ঠীর সন্তানকে আমি অস্ত্রশিক্ষা দিই না।’

    আচার্যের এই বাক্য তার ভেতরটা পুড়িয়ে দিচ্ছে। গুরুর যেমন কোনো গোত্রাগোত্র পরিচয়ের দরকার হয় না, তেমনি শিষ্যেরও। তাহলে? তাহলে গুরুদেব তার প্রতি এমন নিষ্ঠুর তাচ্ছিল্য দেখালেন কেন?

    গুরুরা তাঁদের নিজস্ব জ্যোতিতে উদ্ভাসিত, ছাত্ররাও নিজেদের নম্রতায় আর শ্রদ্ধাবোধে চিহ্নিত। যথার্থ গুরুর কাছে একজন ছাত্রের ব্রাহ্মণত্ব বা ক্ষত্রিয়ত্বের পরিচয়টা মুখ্য নয়, গণনীয় বিষয় হলো ছাত্রটি কতটুকু মেধাবান, অধ্যবসায়ী আর নিষ্ঠাবান। একজন শিষ্য বর্ণ-ইতর হলেই মানবেতর প্রাণীর মতো তাকে তাড়িয়ে দিতে হবে? দ্রোণের বিদ্রূপময় কথাগুলো একলব্যকে রক্তাক্ত করতে থাকে। তার ভাবনাগুলো গলন্ত সীসা হয়ে তার চোখ-কান-নাসিকা দিয়ে বেরোতে থাকে।

    একলব্য দিশাহীনভাবে হাঁটছে আর ভাবছে আচার্য দ্রোণের কাছে একজন মানুষের পরিচিতি শুধু তার উচ্চবর্গীয়তার জন্য? আদর্শ, সত্যপ্রিয়তা, একনিষ্ঠতা, মেধা—এসব সদ্গুণ আচার্যের কাছে তাহলে বিবেচ্য নয়? কোন ঘরে জন্মাল, কোন বংশে জন্মাল – সেটাই কি একজন মানুষের সব? সেই মানুষের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য বলে কিছুই নেই?

    অখ্যাত কোনো স্থানে বা বংশে একজন মানুষ জন্মালেও নিজের চেষ্টায় সে বড় হয়, দুর্গম জীবনপথ অতিক্রম করে সে জীবনযুদ্ধে জয়ী হয়, নিজের একটা আলাদা পরিচিতি তৈরি করে। একলব্যও তা-ই চেয়েছিল। নিষাদবংশে জন্মেও এই পৃথিবীতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চেয়েছিল। হতে চেয়েছিল দুর্দান্ত ধনুর্ধর। সে তো কাউকে অতিক্রম করতে চায় নি, হতে চায় নি কারও প্রতিদ্বন্দ্বীও। কুরুবাড়ির রাজপুত্ররা তো কুরুবাড়ির রাজপুত্র। তাদের আলাদা একটা জৌলুস আছে, আছে পৃথক একটা মর্যাদা। তাদের প্রতিযোগী হয়ে নিজেকে তৈরি করার চিন্তা ঘুণাক্ষরেও তার মাথায় আসে নি।

    সে শুধু চেয়েছিল রাজপুত্রদের পাশে বা দূরে, দ্রোণাচার্যের সামনে বসার একটা আসন। ওই আসনে বসে গুরুর সাহচর্যে নিজের বিদ্যাকে ঝালিয়ে নিতে চেয়েছিল সে। ওদের শিক্ষাদান শেষে গুরু সামান্যটুকু সময়ের জন্য তার দিকে তাকালে হতো। শুধু একটু মিষ্টি হেসে অস্ত্রকৌশলের সামান্যতম প্রশিক্ষণ তাকে দিলেই তার স্বর্গপ্রাপ্তির মতো আনন্দ হতো। কিন্তু গুরুদেব এরকম তো কিছুই করলেন না। বললেন, ‘তুমি আসো এখন।’

    আহ! এসব কী ভাবছে সে! আচার্য দ্রোণ সম্পর্কে এরকম মন্দ ভাবছে কেন সে! আচার্য তো তার গন্তব্য, তার তীর্থভূমি। তিনি তো তার স্বপ্নপূরণের জায়গা। মানস- সরোবর। মানস-সরোবরের জলে স্নান করে মানুষ নাকি যা কামনা করে, তা পায়। এই দ্রোণাচার্য-সরোবরে অবগাহন করে সে ঐশ্বর্যশালী হতে চেয়েছিল, চেয়েছিল অস্ত্রকৌশলী হতে।

    তার মনস্কামনা পূরণ হয় নি। তাতে কী আসে যায়! রক্তমাংসের আচার্য ক্রোধের বা মোহের বা লোভের অথবা সামাজিক কোনো সীমাবদ্ধতার কারণে তাকে শিষ্য হিসেবে গ্রহণ করেন নি। তাতে তো একলব্যের কিছু যাওয়া আসার কথা নয়। তার ভেতরে, তার মস্তিষ্কের কোষে কোষে, তার ভাবনার পবিত্রভূমিতে আরেকজন দ্রোণাচার্য তো দাঁড়িয়ে আছেন। ওই তো তিনি ডান হাতে বরাভয় করছেন। ওই তো তাঁর মুখমণ্ডলে স্নিগ্ধ পবিত্র হাসি। ওই তো তাঁর দুটো চোখে স্নেহাভা জ্বলজ্বল করছে। ওই তো তিনি বলছেন—’ভয় পেয়ো না বৎস, থেমে যেয়ো না। রিপুবশীভূত রক্তমাংসের আমি তোমাকে অস্বীকার করেছি তো কী হয়েছে? তোমার মনোভূমিতে আরেকজন যে দ্রোণ আছেন, তিনি তো তোমার অনুকূলে। তাঁকে ঘিরে তুমি তোমার নিজস্ব জগৎ গড়ে তোলো। তাঁকে প্রণিধানযোগ্য করে তুমি তোমার সাধনা চালিয়ে যাও।’

    থমকে দাঁড়াল একলব্য। তাই তো, এতক্ষণ সে পাগলের মতো এই গহিন অরণ্যের মধ্যে হাঁটছে কেন? কেন সে সৎচিন্তা থেকে বিচ্যুত হয়েছে? কেন গুরুকে নিয়ে এরকম অপবিত্র কথা ভেবেছে? ছিঃ ছিঃ! গুরু দ্রোণ যে তার প্রণম্য, প্রাতঃস্মরণীয়!

    দুদিকে জোরে জোরে মাথা ঝাঁকাল একলব্য। কলুষিত চিন্তা এক ঝটকায় মাথা থেকে বেরিয়ে গেল। চারদিকে চোখ তুলে তাকাল সে। দেখল—সামনে ছোটোবড়ো নানা গাছগাছড়ার মাঝখানে একফালি খালি জায়গা। অদূরে কদলিগাছের বন। দু-চারটা আম কাঁঠালের গাছ এদিকে ওদিকে। বিশাল বিশাল তিন-চারটি বৃক্ষ স্থানটিকে ছায়াশীতল করে রেখেছে। বেশ কিছু দূরে জলাশয়ের আবছা অবস্থান তার চোখ এড়াল না।

    একলব্য মনস্থির করল—এই স্থানটিই হবে তার সাধনার স্থল। তার অর্জনের জায়গা। ভেতরের সকল কলুষযুক্ত ভাবনাকে বিসর্জন দিয়ে অর্জনের সাধনায় মগ্ন হবে সে এই স্থানটিতেই। অদ্ভুত একটা হাসি ছড়িয়ে পড়ল একলব্যের সারা মুখে। এই হাসি কি আশাভঙ্গের? না স্বার্থপর এই পৃথিবীকে জানিয়ে দেওয়ার যে, তুমি যতই আমাকে দমিয়ে রাখতে চাও না হে ধরিত্রী মাতা, একটা সময়ে আমি মাথা তুলে দাঁড়াবই।

    স্থানটি পরিষ্কার করল একলব্য। ক’দিনের চেষ্টায় সে একটা কুটিরও তৈরি করল সেখানে। উঠানটা বেশ প্রশস্ত রাখল। ব্রহ্মচর্যাশ্রমের শিক্ষার্থীর মতো পোশাক-পরিচ্ছদ ধারণ করল। ফল-মূল-লতা-গুল্মকে আহার্য করে তুলল। পানীয়জল সংগ্রহ করল সেই জলাশয় থেকে।

    এবার গুরুর মূর্তি নির্মাণের পালা। যে-কিছুক্ষণ দ্রোণাচার্য-সান্নিধ্যে ছিল একলব্য, গভীর অভিনিবেশে লক্ষ করেছে তাঁকে। তাঁর দেহসৌষ্ঠব, বাহুর দৈর্ঘ্য, শরীরের গৌরবর্ণতা বিশেষ করে শ্মশ্রুমণ্ডিত মুখের গড়নকে অবলোকন করেছে সে। বাস্তবগুরুর চেহারার সঙ্গে মানসগুরুর স্নিগ্ধতা মিশিয়ে এক মৃন্ময় মূর্তি তৈরি করল একলব্য। নিপুণ খেয়াল আর অপরিসীম শ্রদ্ধার ফল যেন দ্রোণাচার্যের মৃন্ময় মূর্তিটি।

    দ্রোণাচার্য ছাড়া আর কারও কাছে অস্ত্রশিক্ষা গ্রহণ করবে না একলব্য। দ্রোণ ছাড়া আর কাউকে সে গুরুর আসনে বসাতে পারবে না। মনে মনে দ্রোণাচার্যকে গুরু হিসেবে বরণ করে তাঁর মৃন্ময় মূর্তিটি গড়ল একলব্য। এবং এই মূর্তিটির কাছ থেকেই মনে মনে দীক্ষা গ্রহণ করল সে।

    গুরুর কাছে দীক্ষিত হওয়ার অপর নাম চরম আত্মসমর্পণ। এই আত্মসমর্পণের মধ্যদিয়ে নিজের লজ্জা-ভয়-মান-অপমান-সুখ-দুঃখ-ভাবনা সব বিলীন হয়ে যায়। মূর্তিকে প্রণিপাত করার পর একলব্যের ভেতর থেকে এসবকিছু একেবারে দূরীভূত হয়ে গেল। থেকে গেল শুধু বিনয়াবনত শ্রদ্ধা আর ধনুর্বিদ্যার্জনের নিষ্ঠা। মনে মনে সে বলল, হে গুরুদেব, আমার যা কিছু অস্ত্রশিক্ষা হবে, তা শুধু আপনার করুণায় হবে, আমি যা কিছু শিখছি বা শিখব, তা শুধু আপনার আনুকূল্যের কারণে হবে।

    মৃন্ময় মূর্তির মধ্যে দ্রোণের আচার্যস্বরূপটি প্রতিষ্ঠা করে একলব্য ধনুক বাণের অভ্যাস শুরু করল।

    যথার্থ শিক্ষার জন্য জীবনের অন্যসমস্ত আকাঙ্ক্ষাকে বিসর্জন দিতে হয়। কোনো বিষয়ে চরম নৈপুণ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজন একাগ্রতা। ইন্দ্রিয় সংযম, একাগ্রতা আর ত্যাগ মানুষকে চরম প্রাপ্তির জন্য উপযুক্ত করে তোলে। একলব্যের মধ্যে ধীরে ধীরে এসব গুণ স্পষ্ট হয়ে উঠতে লাগল।

    দিন কাটল। সপ্তাহ-মাস গেল। বছরও অতিক্রান্ত হতে লাগল একের পর এক। পরম একাগ্রতায় একলব্য ধনুঃশরের সাধনা করে যেতে লাগল। আমি অবশ্যই শ্রেষ্ঠ ধনুর্ধর হব-এই নিষ্ঠায় সে অস্ত্রের গ্রহণে, সন্ধানে এবং নিক্ষেপণে একটা সহজ অথচ ক্ষিপ্র গতিময়তা দান করতে সক্ষম হলো। নিজে নিজে সে এমন এমন বাণ আবিষ্কার করল, যা সে ছাড়া এই পৃথিবীর অন্য কেউ জানে না। দ্রোণাচার্যের প্রতি নিষ্ঠা আর শ্রদ্ধার গুণেই সে এসব স্বকল্পিত অস্ত্রের সন্ধান করতে শিখে গেল।

    .

    কুরুরাজকুমাররা মৃগয়ায় বেরিয়েছে। যুধিষ্ঠিরের সঙ্গে ভীম, অর্জুন, নকুল ও সহদেব। দুর্যোধনের সঙ্গে দুঃশাসন, দুর্বিষহ, দুর্মুখ, বিকর্ণসহ নিরানব্বইজন ভ্রাতা। আর আছে মিত্ৰ কৰ্ণ।

    এই মৃগয়া ছিল শুধু কুরুবাড়ির রাজপুত্রদের জন্য, কর্ণ সে যাত্রায় অগ্রহণীয়। কিন্তু দুর্যোধনের এককথা—’মিত্র কর্ণ আমাদের সঙ্গে যাবে।’

    দ্রোণাচার্য এই আবদারে প্রীত ছিলেন না। ধৃতরাষ্ট্র যেন দ্রোণের ভাবনারই প্রতিধ্বনি করলেন দুর্যোধনের সামনে। মৃদুকণ্ঠে বললেন, ‘রাজ ঐতিহ্য বলে একটা কথা আছে পুত্র। এই মৃগয়া শুধু পশুশিকার নয়, রাজ-ঐতিহ্যের ধারা অনুসরণও বটে। রাজপুত্রদের মৃগয়ায় কর্ণ বেমানান।’

    ‘আমি আপনার এই যুক্তি মেনে নিতে পারছি না তাত। মৃগয়া-যাত্রায় শুধু কি রাজপুত্ররাই যায়? রথচালকরা যায় না, হাতি-ঘোড়ার যত্ন নেওয়ার লোকগুলো যায় না? পাচক-পাঠিকারা যায় না? দড়ি-কাছি নিয়ে কাঠুরেরা যায় না? মালামাল বহনকারীরা যায় না? ওরা সবাই কি রাজপুত্র? নিশ্চয় নয়। ক্ষত্রিয় এবং ক্ষত্রিয়-ইতর মানুষ তারা। তারা যদি যেতে পারে, কর্ণ যেতে পারবে না কেন?’ একটু থেমে কী যেন ভাবল দুর্যোধন। তারপর বলল, ‘আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি পিতা, আপনি অন্ধ। দৃষ্টিশক্তি থাকলে দেখতেন—কী দিব্য চেহারা কর্ণের! যে-কোনো ক্ষত্রিয়কে হার মানাবে তার চেহারা। আর কর্ণের গুণের কথা তো নিজ কানে শুনেছেন। এই মৃগয়ায় যারা যাচ্ছে সবাই রাজপুত্র, রাজা নয় কেউ। কর্ণ কিন্তু রাজা, অঙ্গদেশের রাজা সে এখন। ফলে এই মৃগয়ায় যাওয়ার সকল অধিকার কর্ণের আছে। আপনি কর্ণের যাত্রাপথের অন্তরায় হবেন না।’

    জ্যেষ্ঠপুত্রের যুক্তি শুনে ধৃতরাষ্ট্র চুপ মেরে গেলেন। কর্ণও দুর্যোধনাদির সঙ্গে মৃগয়ায় গেল। সঙ্গে রথ, হাতি, ঘোড়া তো গেলই, আরও গেল শিকারি কুকুর। মৃগয়ার নানা উপাচার যেমন জাল, রজ্জু প্রভৃতি নিয়ে প্রশিক্ষকও সঙ্গে চলল।

    যে-অরণ্য অতিক্রম করে দ্রোণাচার্য পাঞ্চাল থেকে হস্তিনাপুরে এসেছিলেন, যে- অরণ্যে দ্রোণাচার্যের মৃন্ময় মূর্তির সামনে বসে একলব্য অস্ত্রসাধনায় মগ্ন, সেই অরণ্যে কুরুবাড়ির রাজকুমাররা মৃগয়ায় গেল।

    বনে ঢুকে রাজকুমাররা ইতস্তত পশুর অন্বেষণ আরম্ভ করল। কেউ কেউ পশুর পেছনে রথ ছোটাল, কেউ ঘোড়ায় চড়ে পশুর অনুসন্ধানে রত হলো। আবার কেউ হাতির পিঠে আরোহণ করে গদাই লস্করি চালে পশুর খোঁজাখুঁজি করতে লাগল। মৃগয়া চলতে থাকল আপন প্রক্রিয়ায়।

    শিকারি কুকুরটিও বেশ মজা পেয়ে গেল। সে একবার রথের পেছনে ছোটে, আবার ঘোড়ার পেছনে। কখনোবা হাতির সঙ্গী হয়ে তীব্র স্বরে ঘেউ ঘেউ করতে থাকে। কুকুরটির কর্কশ অথচ গম্ভীর শব্দে পশুরা এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করতে শুরু করল।

    একটা সময়ে পশু অন্বেষণকারী কুকুরটি ইতস্তত ঘুরতে ঘুরতে একলব্যের সামনে এসে পৌঁছাল। নির্জন বনের মধ্যে নিকষ কালো একজন মানুষকে দেখে প্রথমে থমকে দাঁড়াল কুকুরটি। এ কাকে দেখছে সে? সারা গায়ে ধুলোমাটির আস্তরণ, জটপাকানো চুল, এক টুকরা মৃগচর্ম পরনে, হাতে তীর ধনুক! এ কে? এরকম কিম্ভূতকিমাকার চেহারার কেউ তো তার স্মৃতিতে নেই। খুব ছোটবেলা থেকেই রাজবাড়িতে প্রতিপালিত হচ্ছে সে। তার সামনে যাদের যাদের সে দেখতে পেয়েছে তাদের সবাই সুবেশি সুপুরুষ, গৌর তাদের গায়ের রং। যাকে একটু মলিন বসনের দেখেছে, সে তার প্রশিক্ষক। তারপরও প্রশিক্ষকটির তো এরকম অদ্ভুতুড়ে চেহারা-বসন নয়! তাহলে এ কে? নিশ্চয় শত্রুশ্রেণির কেউ। তার হাতে যে তীর ধনুক! নিশ্চয় তার প্রভুদের অকল্যাণ করার জন্য সে এখানে ঘাপটি মেরে আছে। একে তো ছাড়া যাবে না। আক্রমণ করে লোকটিকে কুপোকাত করাই বিধেয়। কিন্তু আক্রমণ করবেই বা কীভাবে? তার হাতে যে তীর-ধনুক। তাই স্বভাবজ স্বভাবে সে চিৎকার করে উঠল, ঘেউ ঘেউ। তার চেঁচানো একলব্যকে লক্ষ্য করে।

    একলব্য সে-সময় তীর-নিক্ষেপণে একাগ্রমনা ছিল। কুকুরটি চেঁচিয়ে ওঠায় তার একাগ্রতায় বিঘ্ন ঘটল। তীর লক্ষ্যচ্যুত হলো।

    কিন্তু তীর তো লক্ষ্যচ্যুত হওয়ার কথা নয়! গত ক’বছরের সাধনায় একলব্য এমনই দক্ষ হয়ে উঠেছে। কিন্তু সত্যিই তীরটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হলো। বিরক্ত হলো একলব্য। নির্জন গভীর অরণ্যে এই আপদটা এল কোথা থেকে? বিরক্ত হলেও মানবেতর প্রাণীটিকে থামাতে চাইল একলব্য। মুখে শো শো আওয়াজ করে এবং নানা দেহভঙ্গি করে সে তার আশ্রমের গণ্ডি থেকে কুকুরটিকে তাড়াতে চাইল। কিন্তু কুকুরটি আরও তীক্ষ্ণ কর্কশ স্বরে চিৎকার করতে লাগল। একলব্য ক্রোধান্বিত হয়ে উঠল

    একাগ্রতা ভঙ্গের অপরাধে একলব্য কুকুরটির মুখ লক্ষ্য করে সাতটি বাণ ছুড়ল। ক্ষিপ্রগতিতে গিয়ে সাতটা তীর কুকুরটির মুখ এফোঁড়-ওফোঁড় করে দিল। ধনুর্বেদীয় ভাষায় একে বলে লাঘব। নিজের বিরক্তি নিবারণের জন্য একলব্য অস্ত্রলাঘব করেছে।

    শরাহত কুকুরটির আওয়াজ একেবারে বন্ধ হয়ে গেল। সেই অবস্থাতেই রাজকুমারদের খুঁজে বের করল কুকুরটি। কুরুকুমাররা বিস্ময়ে কুকুরটির দিকে তাকিয়ে থাকল—এ কী দশা কুকুরটির! চেঁচানোর ক্ষমতা নেই যে তার! কুকুরটির মুখ তো তীরবিদ্ধ দেখা যাচ্ছে! কী আশ্চর্য, একফোঁটাও রক্ত পড়ছে না কুকুরটি মুখ থেকে! কে কুকুরটির এই দশা করল? যে-ই করুক, সে ধনুর্বেদের চরম দুটো রহস্য জানে। ক্ষিপ্রতা আর চরমতম হস্তলাঘব সেই ধনুর্ধরের অধীন। দূর থেকে যে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে, লক্ষ্যবস্তু দেখার প্রয়োজন হয় না যার, সে-ই শুধু এরকম দক্ষতা দেখাতে পারে। এই দক্ষ ব্যক্তিটিকে তো খুঁজে বের করতেই হবে।

    অন্যান্য ভাইয়েরা বিস্মিত হলেও অর্জুন ভাবিত হলো। এ কোন ধনুর্ধর যে, তাকে অতিক্রম করেছে। পৃথিবীখ্যাত দ্রোণাচার্যের কাছে তার অস্ত্রশিক্ষা গ্রহণ। তাঁর সমস্ত জ্ঞানভাণ্ডার উজাড় করে অর্জুনকে শিখিয়েছেন তিনি। কিন্তু এরকম অস্ত্রচালনা তো তিনি তাকে শেখান নি! তাহলে তার চেয়েও শ্রেষ্ঠ ধনুর্ধর এই পৃথিবীতে আছে। রহস্যময় সেই ব্যক্তিটির সন্ধান করা অতীব জরুরি। অসূয়া জর্জরিত অর্জুন এবং তার সঙ্গে অপরাপর ভাইয়েরা চলল একলব্যের অনুসন্ধানে।

    বাকবন্দি কুকুরটিকে অনুসরণ করে অর্জুনাদি ভাইয়েরা একলব্যের কুটিরের সামনে উপস্থিত হলো। দেখল—তাদেরই বয়সি এক যুবক বিরামহীনভাবে অস্ত্রাভ্যাস করে চলেছে। তাকে দেখে রাজকুমারদের পছন্দ হলো না। তার মুখ-চোখ-কান, তার হনুদ্বয়ের সংস্থান, তার গায়ের রং, তার উচ্চতা কোনো কিছুই মনঃপূত হলো না তাদের। কারণ এ তো তাদের জনজাতির ঘনিষ্ঠ কেউ নয়। একলব্যকে বিকৃত চেহারার বলে মনে হলো তাদের।

    ভেতরে অবহেলা তীব্র হয়ে উঠল অর্জুনের। ক্ষুব্ধকণ্ঠে জিজ্ঞেস করল, ‘কে তুমি? কার ছেলে?’

    নিজের পরিচয়টাই কি সবকিছু নয়? পিতৃপরিচয়ের দরকার কী? তার তো পিতৃপরিচয় আছে। অর্জুনের আছে কি? এ যে অর্জুন, এরা যে কুরুপ্রাসাদের রাজকুমার, চিনতে এতটুকুও ভুল হলো না একলব্যের। সেদিনের সেই দ্রোণাচার্যের অস্ত্রপাঠশালায় অর্জুনকে দেখেছে সে। সেই দেখার স্মৃতিটি একলব্যের করোটিতে এখনো জ্বলজ্বল করছে। সামান্য সময়ের জন্য দেখা অর্জুনকে। তারপরও তাকে ভুলতে পারে নি একলব্য। সেদিন অর্জুনের সারা মুখে ছিল গাঢ় অবহেলা, তীব্র ঘৃণা। সেই ঘৃণার আর সেই ক্ষুব্ধ চেহারার অর্জুনকে ভুলে কী করে একলব্য? আজ সেই অর্জুন তার পিতার পরিচয় জানতে চাইছে। এখন, এই মুহূর্তে যদি একলব্য অর্জুনের পিতৃপরিচয় জানতে চায়, যদি জিজ্ঞেস করে, ‘অর্জুন, তোমার প্রকৃত জন্মাদাতা কে? কী জবাব দেবে অর্জুন? প্রশ্নটা খলবলিয়ে উঠল একলব্যের গলা বেয়ে। সৌজন্যবোধ সামনে এসে দাঁড়াল। অর্জুন জিজ্ঞেস করতে পারে, সে তো পারে না। নিজেকে সংযত করল একলব্য। সে কয়েক মূহূর্তের জন্য অস্ত্রানুশীলন থামাল।

    অর্জুনের প্রশ্নের উত্তরে বলল, ‘একলব্য আমার নাম। তোমার দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তরে বলছি নিষাদগোষ্ঠীর অধিপতি হিরণ্যধনু আমার পিতা।’

    ‘একলব্য! এই নামটি কোথায় শুনেছি যেন!’ অর্জুন একলব্যের নামটি স্মরণ করবার চেষ্টা করল।

    পাশ থেকে দুর্যোধন বলে উঠল, ‘তুমি সেই নিষাদপুত্র একলব্য না, যে একদা গুরু দ্রোণের কাছে অস্ত্রবিদ্যা শিক্ষার জন্য গিয়েছিলে?’

    ‘যথার্থ বলেছ তুমি।’ নিস্পৃহ গলায় বলল একলব্য।

    একলব্য গুরুদেবের কাছে গিয়েছিল অস্ত্রবিদ্যা শিখতে?’ বিস্মিত কণ্ঠ অর্জুনের। ‘হ্যাঁ গিয়েছিলাম। তোমার চোখেমুখে প্রচণ্ড তাচ্ছিল্য ছিল সেই সকালে। তোমার মনটা অন্ধকারে ঢাকা ছিল। তাই তুমি আমাকে দেখেও দেখতে পাও নি। আমি কিন্তু তোমাদের প্রায় সবাইকে মনে রেখেছি, যেমন ধরো—তুমি অর্জুন, ও দুর্যোধন, এ ভীম। আর ওই যে দূরে দাঁড়িয়ে আছে নিস্পৃহ ভঙ্গিতে, ও যুধিষ্ঠির। আর এই যে ঘুরে ঘুরে আচার্যের মূর্তিটি দেখছে, সে বিকর্ণ।’

    ‘দ্রোণাচার্যের মূর্তি! তোমার এখানে!’ অর্জুন প্রায় চেঁচিয়ে উঠল।

    এবার শান্ত অথচ দৃঢ় স্বরে একলব্য বলল, ‘হ্যাঁ, গুরুদেব দ্রোণের মূর্তি গড়েছি আমি। ওই দেখো উঠানের এককোণে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। তাঁর পদতলে বসে আমার অস্ত্রবিদ্যা শিখা।’

    চকিতে মূর্তিটির দিকে তাকাল অর্জুন।

    একলব্য বলল, ‘আমি আচার্য দ্রোণের শিষ্য।

    ‘আচার্য দ্রোণের শিষ্য! তুমি!’

    ‘আমার বাণ নিক্ষেপের যত রহস্য তার সবকিছু দ্রোণাচার্যের কাছেই শেখা।’ অবনত মস্তকে বলল একলব্য। গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্যই বুঝি বা একলব্যের মস্তক অবনত হওয়া।

    একলব্যের এই কথা শুনে পাণ্ডু আর ধৃতরাষ্ট্র-পুত্ররা একে অপরের দিকে তাকাতে লাগল।

    মুচকি মুচকি হাসতে লাগল শুধু কর্ণ।

    ‘আর এই শরনিক্ষেপণ, কুকুরের প্রতি চরমতম হস্তলাঘবের প্রক্রিয়াটিও কি আচার্যের কাছ থেকে শিখেছ তুমি?’ অর্জুন পুনরায় প্রশ্ন করল।

    এবার অর্জুনকে নিয়ে একটু খেলতে ইচ্ছে করল একলব্যের। বলল, ‘শুধু এই হস্তলাঘব কেন, এর চেয়ে আরও দুর্দান্ত, আরও ভয়ংকর অস্ত্রবিদ্যা আমার অধিগত। যার অনেকটাই হয়তো তুমি জানো না। ও হ্যাঁ, এসব কিছু গুরুদেব দ্রোণের কাছেই শিখেছি আমি। তিনিই আমাকে এই বিচিত্র, বিধ্বংসী অস্ত্রগুলোর চালনা শিখিয়েছেন।’

    একলব্যের কথাগুলো অর্জুনের কান দিয়ে আর ঢুকছিল না। তার মাথা ঝাঁ ঝাঁ করতে লাগল। পরিপার্শ্ব তার চোখে আবছা হয়ে এল।

    এই সময় কর্ণের কণ্ঠ শুনতে পেল অর্জুন, ‘কী অর্জুন, ভাবছ—গুরুদেব তো শুধু আমারই ছিল। তাঁর অস্ত্রভাণ্ডার তো আমার দখলেই থাকার কথা। গুরুদেব তো সেরকমই কথা দিয়েছিলেন তোমাকে। মাঝখানে ভূঁইফোঁড়ের মতো এই নিষাদপুত্র একলব্য কোথা থেকে হাজির হলো? একলব্যের মতো অপাঙ্ক্তেয়দের তো পায়ের কাছে থাকার কথা। এ কোন একলব্য, যে সদর্পে গুরুদেবের শিষ্যত্ব দাবি করছে? তাও না হয় তুমি মেনে নিতে। কিন্তু একলব্যের তুলনাহীন অস্ত্রবিদ্যা শিক্ষাকে কীভাবে মানবে তুমি? আমি কি ভুল বললাম অর্জুন? এরকম ভাবছ না তুমি?’

    কর্ণের প্রশ্নের উত্তর দিতে ইচ্ছে করল না অর্জুনের। শুধু ভাবল-এ কী করে সম্ভব! দ্রোণাচার্য একলব্যকে অস্ত্রবিদ্যা শিক্ষা দিয়েছেন! এই রকম অভূতদর্শন অস্ত্রগুলো তুলে দিয়েছেন একলব্যের হাতে? একলব্য নিজেকে দ্রোণের শিষ্য বলে পরিচয় দিচ্ছে অথচ অর্জুন তাকে চেনেই না

    মৃগয়া অসমাপ্ত রেখে রাজকুমাররা হস্তিনাপুরে ফিরে এল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Next Article কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    Related Articles

    হরিশংকর জলদাস

    দুর্যোধন – হরিশংকর জলদাস

    July 27, 2026
    হরিশংকর জলদাস

    কৰ্ণ – হরিশংকর জলদাস

    July 27, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }