Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    হরিশংকর জলদাস এক পাতা গল্প291 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একলব্য – ৫

    ৫

    ‘তদ্‌ভোগ্যং ভবিতা রাজ্যং সখে সত্যেন তে শপে।’
    সত্য-প্রতিজ্ঞা করে বলছি, আমার রাজ্য আমার মতো তোমারও ভোগ্য হবে।

    .

    এক প্রত্যুষে পিতার কাছ থেকে বিদায় নিলেন দ্রোণ।

    গোটা দিন হেঁটে পথ ফুরালেন। সাঁঝবেলায় বালক দ্রোণ অগ্নিবেশ্যের শিক্ষাশ্রমে উপস্থিত হলেন। আত্মপরিচয় দিলেন। বুকের কাছে দ্রোণকে টেনে নিলেন অগ্নিবেশ্য। শিষ্যদের নির্দেশ দিয়ে খাবারের ব্যবস্থা করালেন। দ্রোণের আসার কারণ জানতে উৎসুক হলেন। কিন্তু সমস্ত দিনের কায়িক শ্রমের ক্লান্তি দ্রোণের চোখে-মুখে-দেহে। অগ্নিবেশ্য ঠিক করলেন—এখন নয়, কাল জিজ্ঞেস করা যাবে দ্রোণের আগমনের হেতু। তাঁর শোয়ার ব্যবস্থা করে নিজ কক্ষে গেলেন অগ্নিবেশ্য।

    বালক দ্রোণের আগমনের কারণ জেনে একটু বিস্মিতই হয়েছিলেন অগ্নিবেশ্য। যিনি নিজ হাতে তাঁকে অস্ত্রবিদ্যা শিখিয়েছেন, তিনিই নিজ পুত্রকে পাঠিয়েছেন তাঁর কাছে! সকল প্রকার অস্ত্রবিদ্যার আধার তো মহর্ষি ভরদ্বাজ। তাহলে নিজে পুত্রকে স্বহস্তে শিক্ষা না দিয়ে তাঁর কাছে পাঠালেন কেন? ভরদ্বাজ ত্রিকালজ্ঞ ঋষি। তিনি সৎবুদ্ধিসম্পন্ন। নিশ্চয়ই এর পেছনে কোনো গূঢ় কারণ আছে। তিনি সবকিছু বিবেচনা করেই দ্রোণকে তাঁর কাছে পাঠিয়েছেন নিশ্চয়ই।

    অগ্নিবেশ্য উচ্চবাচ্য করলেন না। দ্রোণকে শিষ্যত্বে দীক্ষা দিলেন।

    গুরুগৃহে শিক্ষার্থী দ্রোণের অবস্থান খুব সুখকর হলো না। ভরদ্বাজ-আশ্রমে তিনি ছিলেন আচার্যপুত্র। একটা বিশেষ উচ্চতায় তাঁর আদরযত্ন হতো। অগ্নিবেশ্য-আশ্রমে দ্রোণ সাধারণ শিষ্য ছাড়া আর কিছু নন। গুরুপুত্র বটে, কিন্তু শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে মুখ্য- গৌণ নেই। সবাই সমান। দ্রোণ আর অন্যান্য সাধারণ শিক্ষার্থীকে সমানভাবে মূল্যায়ন করা হতো। অপরাপর শিষ্যের মতো গুরুর সংসারের দেখভাল করতে হতো দ্রোণকে। ফলে তাঁর যথেষ্ট কায়িক পরিশ্রম হতো।

    অনেক কাল, অনেকটা বছর দ্রোণকে গুরুগৃহে থাকতে হয়েছে। বহিরিন্দ্রিয় আর অন্তরিন্দ্রিয় দমন করে সমস্ত বাহ্যসুখকে বিসর্জন দিয়েছেন দ্রোণ। ব্রহ্মচর্য পালন করেছেন। বিনয় শিক্ষা করেছেন। আর গুরুসেবা তো করেছেনই নিত্যদিন। তৈলহীন মলিনতায় দ্রোণের মাথার চুলে জট বেঁধেছে। তার পরও অবসাদ তাঁকে গ্রাস করে নি। কখনো কখনো বিষণ্ণতা তাঁকে বিব্রত করতে চেয়েছে, কিন্তু দ্রোণ গা-ঝাড়া দিয়ে সকল বিষণ্ণতাকে মন থেকে বের করে দিয়েছেন। তাঁকে যে আগ্নেয়াস্ত্র লাভ করতে হবে।

    অস্ত্রশিক্ষা ছিল পরিশ্রমের। অশেষ পরিশ্রমের মধ্যেও একটা ব্যাপার তাঁকে শান্তি দিত। তা হলো বন্ধুত্ব। দ্রুপদের বন্ধুত্ব তাঁর সকল ক্লান্তি-অবসাদ নিমিষেই হরণ করত।

    দ্রুপদের পিতা পৃষত। পৃষত পাঞ্চালদেশের রাজা। রাজা পৃষত ভরদ্বাজের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। একজন রাজার সঙ্গে ব্রাহ্মণ-ঋষি ভরদ্বাজের বন্ধুত্বের একটা কারণ ছিল। ভরদ্বাজ ব্রাহ্মণ হওয়া সত্ত্বেও অস্ত্রবিদ্যা খুব ভালোই জানতেন। রাজা পৃষতেরও অস্ত্রকৌশল জানা খুবই প্রয়োজন। কিন্তু বয়স আর আভিজাত্য সমানুপাতিক হওয়ায় নিজে শিষ্য হতে না এসে রাজা পৃষত ভরদ্বাজের শিষ্যত্ব গ্রহণ করতে নিজপুত্র দ্রুপদকে পাঠিয়েছেন। কিন্তু ভরদ্বাজ-আশ্রমে তো ঋক সাম যজুর্বেদ পড়ানো হয়, অস্ত্রশিক্ষা তো দেওয়া হয় না। এই ত্রৈবিদ্যা পড়ার অছিলায় ভরদ্বাজের কাছে দ্রুপদের অস্ত্রশিক্ষা করানোটাই পৃষতের মূল উদ্দেশ্য ছিল। পৃষত মনে মনে জানতেন—ক্ষত্রিয়োচিত অস্ত্রশিক্ষার প্রতি ভরদ্বাজের এতটাই আগ্রহ যে, একসময়ে না একসময়ে দ্রোণকে তিনি অস্ত্রশিক্ষা দেবেনই। সেই সুযোগ দ্রুপদও নিতে পারবেন। শাস্ত্র বা অস্ত্র—পুত্ৰদ্ৰোণকে ঋষি ভরদ্বাজ যে শিক্ষাই দেন না কেন, দ্রুপদকে বাদ দিয়ে দেবেন না। সেইজন্য বালক দ্রুপদকে ভরদ্বাজ-আশ্রমে পাঠিয়েছেন রাজা পৃষত

    একটা সময়ে পৃষতের বিশ্বাস সত্যে পরিণত হলো। ভরদ্বাজ যখন দ্রোণকে অগ্নিবেশ্যের কাছে পাঠালেন, পৃষতপুত্র দ্রুপদেরও স্থান হলো অগ্নিবেশ্যের আশ্রমে। দুজনে গুরুগৃহে আবাসিক হলেন। সুখ-দুঃখ, বঞ্চনা-প্রাপ্তি, পূর্বলব্ধ কষ্ট এবং ভবিষ্যতের বাসনা—এইসব কিছু দুজনে ভাগাভাগি করেন।

    এইভাবে ব্রাহ্মণ দ্রোণের সঙ্গে পাঞ্চাল রাজপুত্র দ্রুপদের একটা নিবিড় নৈকট্য তৈরি হয়ে গেল। গুরুগৃহে একই সমতলে জীবন যাপন করলে এবং একই শিক্ষা গ্রহণ করলে মানুষের মধ্যে উঁচু-নিচু ভেদাভেদ থাকে না। ধনী-দরিদ্রের প্রভেদও ঘুচে যায় আবাসিক শিক্ষার্থীদের মন থেকে। দরিদ্রপুত্র দ্রোণের প্রতি রাজপুত্র দ্রুপদ সর্বদা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে রাখতেন। দ্রোণ খুব কৃতজ্ঞতা পোষণ করতেন দ্রুপদের প্রতি। দুই অসম পরিবারের দুই বালকের মধ্যে বন্ধুত্ব ও প্রিয়ত্ব গাঢ়তর হয়েছিল।

    এইভাবে দিন গেছে, রাত গেছে, বছর গেছে, যুগও গেছে। দ্রোণ আর দ্রুপদ বালক থেকে যুবকে পরিণত হয়েছেন। তাঁদের শিক্ষাগ্রহণ প্রক্রিয়াও সমাপনের কাছাকাছি।

    একদিন দ্রুপদ দ্রোণকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘দীর্ঘদিন তোমাকে একটি প্রশ্ন করব বলে মনস্থির করে রেখেছি। কিন্তু একটা সংকোচ এসে আমাকে ঘিরে ধরে। প্রশ্নটা না করাই থেকে যায়।’

    ‘কী প্রশ্ন তোমার?’ দ্রোণ সামনের বৃক্ষরাজির দিকে দৃষ্টি প্রসারিত করে জিজ্ঞেস করেন।

    ‘তুমি তো ব্রাহ্মণ। যজনযাজন তোমার বৃত্তি। শাস্ত্রাদি পাঠ করে নিজেকে এবং তোমার চারদিকের মানুষজনকে আলোকিত করা তোমার কাজ। এই বৃত্তি ছেড়ে অস্ত্রবিদ্যার প্রতি তুমি অনুরাগী হলে কেন?’

    দ্রুপদের কথা শুনে দ্রোণ কোনো জবাব দিলেন না। উদাস চোখে দ্রুপদের দিকে তাকিয়ে থাকলেন কিছুক্ষণ। দ্রুপদ দ্রোণের উত্তরের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলেন। কিন্তু দ্রোণ কোনো উত্তর দিচ্ছেন না দেখে দ্রুপদ আবার বললেন, ‘ত্যাগ আর বৈরাগ্য ব্রাহ্মণের ভিত্তি।’

    ‘দারিদ্র্যও। ব্রাহ্মণরা আজীবন দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত হবে। ভিক্ষুকের মতো ক্ষত্রিয়ের দান গ্রহণ করবে। দানের অর্থ ফুরিয়ে গেলে রাজা বা রাজন্যের সামনে ধনের জন্য আবার হাঁটু গেড়ে বসবে। এই তো! এই তো ব্রাহ্মণের জীবন?’ উম্মা মিশ্রিত কণ্ঠে দ্রুত কথাগুলো বলে গেলেন দ্রোণ।

    দ্রোণের কথায় দ্রুপদ থতোমতো খেয়ে গেলেন। কোনোদিন দ্রোণকে রাগতে দেখেন নি দ্রুপদ। সর্বদা বন্ধুর সঙ্গে নরমকণ্ঠে মিষ্টি সুরে কথা বলেছেন। আজ সামান্য একটা প্রশ্নে দ্রোণ এত উত্তেজিত হয়ে উঠলেন কেন-বুঝে উঠতে পারছিলেন না দ্রুপদ। কী বলবেন—তাও ঠিক করতে পারছিলেন না। চুপ থাকাটাই বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে করলেন। মাথা নিচু করে বন্ধুর পাশে বসে থাকলেন দ্রুপদ।

    দ্রোণ নিজকে সংযত করলেন। দ্রুত নিজের ভুল বুঝতে পারলেন। বন্ধুর কাছে সরে এলেন। দ্রুপদের গলা জড়িয়ে নিজের দিকে টানলেন। মৃদুস্বরে বললেন, ‘ক্ষমা কোরো বন্ধু তুমি আমাকে। ক্রোধ আমাকে বাস্তবতা ভুলিয়েছিল। ক্রোধ বড় মারাত্মক রিপু। পৃথিবীর অধিকাংশ জীবননাশী কাজ ক্রোধের কারণে হয়ে থাকে।

    এরপর কণ্ঠকে আরও নিচু করে দ্রোণ বলতে লাগলেন, ‘আমার পিতা ভারতবর্ষের অত্যন্ত খ্যাতিমান একজন ঋষি। সবার কাছে তিনি প্রণম্য। তাঁর জ্ঞান, তাঁর বিচক্ষণতা, তাঁর বুদ্ধি-বিবেচনার জন্য এই ব্রহ্মাণ্ড তাঁর সামনে ঝুঁকে আছে। কিন্তু বন্ধু, শুধু জ্ঞান আর সম্মান দিয়ে তো পেট চলে না। শিষ্যদের মাধুকরী বৃত্তির কারণে তপোবনে দুবেলা আহার জুটত। খুব ছোটবেলা থেকে দারিদ্র্যকে দেখে দেখে আমার ব্রাহ্মণ্যবৃত্তির প্রতি ঘৃণা ধরে গেছে।’

    ‘ঘৃণা ধরে গেছে!’ বিস্মিত দৃষ্টি দ্রুপদের।

    ‘হ্যাঁ, শিশুকাল থেকে অশ্রদ্ধা করতে শুরু করি আমি এই জপ-তপ-শাস্ত্রপাঠকে। কিন্তু তা করেছি মনে মনে। বাবাকে বড় ভয় ও শ্রদ্ধা করতাম। বাবা চাইলে আমাদের তপোবনের দারিদ্র্য ঘুচিয়ে দিতে পারতেন।

    ‘কেমন করে পারতেন গুরুদেব দারিদ্র্য ঘোচাতে?’

    ‘বাবা যদি ধনুর্বিদ্যা শিক্ষাকে মূল বৃত্তি হিসেবে গ্রহণ করতেন, তাহলে অনেক ক্ষত্রিয়শিষ্য জুটত তাঁর। অর্থ সমাগম হতো প্রচুর। তাহলে কী হতো ভেবে দেখো।’

    ‘তোমার বাবা তো ব্রাহ্মণ। ব্রাহ্মণোচিত বৃত্তিকে অবলম্বন করাই তো তাঁর ধর্ম।’ এবার দ্রোণ বেশ জোরের সঙ্গে বলে উঠলেন, ‘এই ধর্মকে আমি মানি না। একজন মানুষ চাইলে তার বৃত্তি পরিবর্তন করতে পারবে না কেন? ব্রাহ্মণরা যজনযাজন আর অহংকার নিয়েই শতাব্দীর পর শতাব্দী কাটিয়ে দিল। আমার এই অহংকার নেই। আমি পরিবর্তন আনতে চাই এই প্রথার।’

    ‘পরিবর্তন আনতে চাও? কী করে?’

    ‘ব্রাহ্মণ্যবৃত্তির প্রতি আমার শ্রদ্ধা নেই। ব্রাহ্মণরা সারাটা কাল ধনশালী আর ক্ষমতাবানদের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকবে—তাও মানি না। একজন ব্রাহ্মণ অস্ত্রবিদ হলে দোষের কী? আমি ধনুর্বিদ হলে আমার দারিদ্র্য ঘুচবে, আমার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম স্বাচ্ছন্দ্যে থাকবে—এই আশা তো করতে পারি আমি, কী বলো?’

    দ্রোণের যুক্তির সামনে দ্রুপদ অনেকটা নির্বাক হয়ে গেলেন। শাস্ত্রের কোথাও এমন করে লিখা নেই যে, একজন ব্রাহ্মণসন্তান যুদ্ধ করতে পারবে না, একজন ব্রাহ্মণসন্তান অস্ত্রশিক্ষা গ্রহণ করে ক্ষত্রিয়োচিত অস্ত্রবিদ্যায় দক্ষ হতে পারবে না। আর ব্রাহ্মণরা সারা জীবন দারিদ্র্যে ডুবে থাকবেন কেন? তাঁদের কি স্বাচ্ছন্দ্যে থাকতে নেই? অবশ্যই আছে। দ্রোণের যুক্তি অকাট্য। গভীর চিন্তায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়লেন দ্রুপদ। দ্রোণের উচ্চ কণ্ঠে সংবিৎ ফিরল তাঁর। দ্রোণ বললেন, ‘কিছু বলছ না যে!’

    ‘তোমার যুক্তি যথার্থ।’

    ‘সেইজন্য বাবাকে হাতেপায়ে ধরে আমি রাজি করিয়েছি। আমারই প্রবল অনুরোধে তিনি আমাকে গুরুদেব অগ্নিবেশ্যের আশ্রমে পাঠিয়েছেন। শোনো দ্রুপদ, ব্রাহ্মণের যা স্বধর্ম, সেই যজনযাজন, অধ্যয়ন-অধ্যাপনা অথবা দান প্রতিগ্রহণের যে সরলজীবন তা আমি চাই না। এই জীবনে সম্মান থাকতে পারে, মুগ্ধতা নেই।’ বললেন দ্রোণ।

    একটু মৃদু হেসে দ্রুপদ বললেন, ‘মানে তুমি তোমার জীবনের ধারাকে পাল্টে ফেলতে চাও?’

    ‘হ্যাঁ, যথার্থ বলেছ তুমি। আমি চাই উজ্জ্বল সমৃদ্ধির জীবন। যে জীবনে অর্থ, সম্মান, ভোগ, দাস-দাসী, হস্তী-অশ্ব-রথ আছে, সেই জীবনকে আমি করতলগত করতে চাই।’ তারপর একটা দীর্ঘশ্বাস ত্যাগ করলেন দ্রোণ। অনেকটা স্বগত কণ্ঠে বললেন, ‘জানি না, এইরকম সমৃদ্ধ জীবনের অধিকারী আমি হতে পারব কি না।’

    ‘তুমি অতশত ভাবছ কেন দ্রোণ? আমি আছি না!’

    ‘মানে!’ দ্রুপদের কথার মানে দ্রোণ ধরতে পারলেন না।

    ‘শোনো, তুমি কত বড় ধনুর্ধর হবে আমি জানি না। তবে তুমি যে ভবিষ্যতে একজন ধনবান হবে, মানে রাজা হবে, সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত।

    ‘ঠাট্টা করছ আমাকে? যার পিতার প্রধান অলঙ্কার দারিদ্র্য, যে সারাটা জীবন অর্ধেকপেট খেয়ে, সামান্য পরিধান করে কাটিয়ে দিল, সে হবে ধনবান রাজা!’ তারপর একটু থেমে দ্রোণ বললেন, ‘রাজপুত্র তুমি। পাঞ্চালের ভবিষ্যৎ নরপতিও বটে। তোমার উপহাসটা তো রাজকীয় হওয়া চাই। হয়েছেও বটে। রাজা হব আমি!’ বলে মাটির দিকে তাকিয়ে থাকলেন দ্রোণ।

    পরম ভালোবাসায় দ্রোণের হাতটা নিজের হাতের মুঠোর মধ্যে টেনে নিলেন দ্রুপদ। বললেন, ‘আমি তোমাকে বিদ্রূপ করি নি বন্ধু। সত্য কথাটাই বলেছি। তুমিই তো বলেছ পাঞ্চালের ভবিষ্যৎ-রাজা আমি। আমি বাবার একমাত্র পুত্র। বাবার পরে আমিই রাজা হব পাঞ্চাল দেশের। পিতার বড় আদরের সন্তান আমি। আমি কথা দিচ্ছি—বাবা যেদিন আমাকে তাঁর রাজ্যে অভিষিক্ত করবেন, সেদিন আমার রাজ্য আমার মতো তোমারও ভোগ্য হবে।’

    দ্রোণ দ্রুপদের কথার কোনো অর্থ বুঝলেন না। ফ্যালফ্যাল করে নিষ্পলক চোখে দ্রুপদের দিকে তাকিয়ে থাকলেন শুধু।

    ‘বুঝতে পারো নি তো আমার কথা?’ জিজ্ঞেস করলেন দ্রুপদ।

    দ্রোণ ডানে-বামে মাথা নাড়লেন।

    কোমল কণ্ঠে দ্রুপদ বললেন, ‘প্রথম কথা—আমি তোমাকে বড় ভালোবাসি দ্রোণ। দ্বিতীয় কথা—আমি যা বলেছি, মিথ্যে বলি নি। আমি সত্য প্রতিজ্ঞা করে বলছি, তুমি নিশ্চিত থাকো…আমি রাজা হলে আমার রাজ্যের অর্ধেক হবে তোমার। ওই অর্ধেক রাজ্যের রাজা হবে তুমি। রাজা হলে তোমার বাসনার পরিপূরণ হবে। তোমার দারিদ্র্য ঘুচবে। অর্থ-বৈভব, দাস-দাসী—সবই হবে তোমার।’

    দ্রোণ তখনো তাঁর শ্রবণেন্দ্রিয়কে বিশ্বাস করতে পারছেন না। এ কী বলছেন দ্ৰুপদ? বালসুলভ বাগাড়ম্বর, না রাজাসুলভ প্রতিজ্ঞা? দ্রুপদ শুধু ‘প্রতিজ্ঞা করছি’ বললেন না। বললেন, ‘সত্য প্রতিজ্ঞা করে বলছি।’ সত্য শব্দটির সঙ্গে তো ধর্ম জড়িত। তাহলে দ্রুপদ কি ধর্মের নামে প্রতিজ্ঞা করে বলছেন যে, ওঁর অর্থ, সুখভোগ তাঁরও অধীন হবে?

    অন্তর্দ্বন্দ্বের ছাপ দ্রোণের চোখেমুখে স্পষ্ট হয়ে উঠল। দ্রুপদ স্পষ্ট বুঝতে পারলেন দ্রোণের ভেতরে বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের একটা প্রচণ্ড দ্বন্দ্ব চলছে। তাঁর কথা বিশ্বাস করবেন, না উড়িয়ে দেবেন—এ নিয়ে বিপুলভাবে বিচলিত দ্রোণ। তাঁর এই দ্বন্দ্বের অবসান ঘটানো দরকার।

    স্পষ্ট ভাষায় দ্রুপদ বলে উঠলেন, ‘তদ্‌ভোগ্যং ভবিতা রাজ্যং সখে সত্যেন তে শপে।’

    দ্রুপদের স্পষ্ট প্রতিজ্ঞাবাণী শুনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়লেন দ্রোণ। সহসা বসা থেকে উঠে দাঁড়ালেন। তাঁর দেখাদেখি দ্রুপদও দণ্ডায়মান হলেন। দ্রোণ হঠাৎ বুকের কাছে টেনে নিলেন দ্রুপদকে।

    .

    দ্বিপ্রহর। দুপুরে অগ্নিবেশ্য সশিষ্য আহার করেন।

    তাঁকে ঘিরে শিষ্যরা বৃত্তাকারে ভোজনে বসেন। প্রত্যেকের সামনে কলাপাতা রাখা হয়। সেখানে নানা ফলমূল। একাংশে অন্ন আর ব্যঞ্জন। প্রথমে সকলে ফল খান, তারপর ব্যঞ্জনান্ন। কিন্তু সর্বপ্রথমে আচমন করেন। জলপাত্র থেকে ডান হাতে জল নিয়ে কদলিপত্রের চারপাশে ছিটিয়ে দেন। ডান হাতের বুড়ো-তর্জনী-মধ্যমা সহযোগে সামান্য ব্যঞ্জনান্ন তুলে নেন সকলে। তারপর ডান হাতটা কপালে ঠেকান। স্রষ্টার উদ্দেশে ওই ব্যঞ্জনান্ন জলসিঞ্চিত স্থানে ভক্তিভরে রাখেন। তারপর খাওয়া শুরু করেন। গুরুদেব খাদ্য মুখে নিলে অন্যরা খাওয়া শুরু করেন। এটাই আশ্রমের বিধি। খাওয়া শেষ করে অগ্নিবেশ্য গৃহাভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। কয়েক ঘটিকা দিবানিদ্রায় কাটান তিনি।

    সেদিন খাওয়ার পর নিজ কক্ষে গেলেন না অগ্নিবেশ্য। উঠানের মাঝখানে একটা বৃহৎ বিল্ববৃক্ষ। তার গোড়া মাটি দিয়ে বাঁধানো। সাধারণত ওখানেই গুরুদেব গিয়ে বসেন। শিষ্যদের সঙ্গে শাস্ত্রালাপ করেন। আজকে নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটালেন অগ্নিবেশ্য। অন্যদের বিশ্রামাগারে পাঠিয়ে দ্রোণ আর দ্রুপদকে থেকে যেতে বললেন। তাঁদের সঙ্গে নিয়ে বিল্ববৃক্ষের গোড়ায় বাঁধানো বেদিতে গিয়ে বসলেন গুরুদেব।

    দ্রোণ-দ্রুপদ বিস্মিতই হলেন। এই ভরদুপুরে কোন কথাটা বলবেন বলে গুরুদেব দুজনকে ডেকে আনলেন এখানে! নিশ্চয়ই গুরুতর কিছু। দুজনের বক্ষই দুরু দুরু। অজান্তে কোনো অপরাধ করে ফেলেন নি তো! অগ্নিবেশ্যের সামনে যোগাসনে বসলেন দুজনে। বৃক্ষের গোড়াটা ছায়াচ্ছন্ন। দুজনে প্রশ্নবোধক চোখে গুরুর দিকে তাকিয়ে থাকলেন।

    অগ্নিবেশ্য শিষ্য দুজনের ত্রস্ততার ব্যাপারটি বুঝতে পারলেন। বললেন, ‘তোমরা সন্ত্রস্ত হয়ো না। একটা বিষয় তোমাদের বলব বলে এখানে ডেকে এনেছি।’

    তারপর মমতাভরা তৃপ্তির চোখে শিষ্য দুজনের দিকে তাকিয়ে থাকলেন অগ্নিবেশ্য। কিছুক্ষণ পর বললেন, ‘তোমাদের বিদ্যার্জন সম্পন্ন হয়েছে। তোমরা এখন নিজ গৃহে ফিরে যেতে পারো। আমার যা কিছু জানা, তার প্রায় সবটাই তোমাদের শিখিয়ে দিয়েছি। তোমরা এখন যুবক হয়ে উঠেছ। তোমরা যেমন অসি চালনায় দক্ষ হয়ে উঠেছ, তেমনি তীর চালনাতেও। তোমরা এখন জগতের খ্যাতিমান ধনুর্ধর। স্ব-স্ব ক্ষেত্রে কীর্তিধর হয়ে উঠবে তোমরা। তোমাদের ধৈর্য, জ্ঞানাহরণাগ্রহ আমাকে মুগ্ধ করেছে। তোমরা কষ্টসহিষ্ণু আর অধ্যবসায়ী। আর শিষ্যজীবনের সবচেয়ে বড় গুণ যেটা, সেই বিনম্র শ্রদ্ধাবোধ তোমাদের মধ্যে সম্পূর্ণত বিরাজমান। বাহুবলে, শারীরিক শক্তিতে আর অস্ত্রবিদ্যায় তোমরা পূর্ণ হয়ে উঠেছ। বৎসদ্বয়, তোমরা আমার আশীর্বাদপুষ্ট হয়েছ। তোমরা নিজ নিজ আলয়ে ফিরে যাও। আগামীকালই চলে যেতে পারো তোমরা। আজীবন তোমাদের ওপর আমার আশীর্বাদ বর্ষিত হবে।’ দীর্ঘক্ষণ কথা বলে হাঁপিয়ে উঠেছেন অগ্নিবেশ্য। তাঁর কপালে স্বেদবিন্দু।

    দ্রুপদ সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করলেন গুরুদেবকে। জোড়হাতে বললেন, ‘তাহলে আমি যাত্রার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে থাকি গুরুদেব?’

    ‘অবশ্যই।’ অগ্নিবেশ্য দ্রুপদকে অবশ্যই বললেন বটে, কিন্তু কপালটা তাঁর সামান্য কুঁচকানো। দৃষ্টি তাঁর দ্রোণের ওপর নিবদ্ধ।

    দ্রুপদ যাওয়ার অনুমতি প্রার্থনা করলেও, গুরুদেবকে প্রণাম করলেও দ্রোণ তার কিছুই করলেন না। পূর্ববৎ যোগাসনে বসে রইলেন। চোখ ইশারায় দ্রুপদকে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে পূর্ণদৃষ্টিতে দ্রোণের দিকে তাকালেন অগ্নিবেশ্য।

    এ রকম অবস্থায় আশ্রম-আশ্রিত শিক্ষার্থীরা সাধারণত উৎফুল্ল হয়ে ওঠেন। দীর্ঘদিন পরিবার-পরিজন বিচ্ছিন্ন থাকার দরুন তাঁদের মধ্যে একধরনের অস্থিরতা-অস্বস্তি তৈরি হয়। পিতা-মাতার জন্য, স্বস্থানের অধিবাসীদের জন্য, সর্বোপরি পরিচিত গৃহকোণের জন্য তাঁদের ভেতর চাপা হাহাকারের সৃষ্টি হয়। কখনো কখনো আশ্ৰমজীবনকে বন্দিজীবন বলেও মনে হয় তাঁদের। গুরুর এ ধরনের আশীর্বাদপুষ্ট অনুমতি পেলে সেই বন্দিজীবনে মুক্তজীবনের হাওয়া বয়। ভেতরের রুদ্ধ সব অর্গল খুলে যায় তাঁদের। স্বগৃহে ফিরে যাওয়ার জন্য উদগ্র আগ্রহ সৃষ্টি হয় তাঁদের মধ্যে।

    দ্রুপদের মধ্যে সেই স্বাভাবিক আগ্রহ দেখে অগ্নিবেশ্য অখুশি হলেন না, বরং তৃপ্তিবোধ করলেন। কিন্তু বিচলিত বোধ করতে লাগলেন দ্রোণের মধ্যে কোনো ভাবান্তর না দেখে। দ্রোণ তো মানুষ, স্বাভাবিক মানুষ। তাঁর মধ্যে রাগ-অনুরাগ আছে। ক্রোধ- অস্থিরতা আছে। হাস্য-পরিহাসপ্রিয়তাও কখনো কখনো অগ্নিবেশ্য দ্রোণের মধ্যে লক্ষ করেছেন। পিতা ভরদ্বাজের প্রতি তাঁর অপরিসীম ভক্তি। দীর্ঘদিন সেই পিতা থেকে দ্রোণ দূরে আছেন। পিতাকে দেখার প্রচণ্ড আগ্রহ তো তাঁর মধ্যে থাকা উচিত। কিন্তু কোথায়, তাঁর কথা শুনে সে রকম কোনো ব্যগ্রতা তো দ্রোণের মধ্যে দেখা গেল না? কী কারণ? তাঁর অস্ত্রবিদ্যা শিক্ষা কি অসম্পূর্ণ থেকে গেছে? না কোনো গোপন কথা বলতে চান দ্রোণ? মনের ভেতর আঁতিপাঁতি করে খুঁজে দেখলেন অগ্নিবেশ্য-দ্রোণের কোনো শিক্ষা অসম্পূর্ণ থেকে গেছে কি না। সেরকম কোনো কিছুই খুঁজে পেলেন না নিজের মধ্যে। তাহলে দ্রোণের এই অস্বাভাবিকতার কারণ কী? কপাল কুঁচকে প্রশ্নবোধক চোখে শিষ্যের দিকে তাকিয়ে থাকলেন গুরুদেব।

    দ্রুপদ সেস্থান থেকে অপসৃত হলে দ্রোণ করজোড়ে বললেন, ‘মহাত্মন, আমি বুঝতে পারছি, আমার অস্বাভাবিক আচরণে আপনি বিচলিত বোধ করছেন। আমার একটা নিবেদন আছে বলে দ্রুপদের মতো স্বাভাবিক আচরণ করি নি আপনার সামনে।

    ‘কী তোমার নিবেদন?’ অগ্নিবেশ্যের চোখ আর কপাল থেকে বিস্ময়ের চিহ্ন তখনো মুছে যায় নি।

    ‘আমার অস্ত্রবিদ্যার্জন এখনো সম্পন্ন হয় নি।’

    ‘সম্পন্ন হয় নি!’

    ‘না, মহাত্মন! আমার শিক্ষা এখনো অসম্পূর্ণ থেকে গেছে।’

    তোমার কথা আমি ঠিকমতন বুঝতে পারছি না। বুঝিয়ে বলো।’ কিছুটা বিরক্তি অগ্নিবেশ্যের কথায়।

    ‘আপনি সকল অস্ত্রবিষয়ে আমাকে জ্ঞান দান করেছেন, শুধু একটা অস্ত্র ছাড়া।’

    ‘কোন অস্ত্রের কথা বলছ তুমি?’

    দ্রোণ মাথা নত করে নরম স্বরে বললেন, ‘ব্রহ্মাস্ত্র। ব্রহ্মাস্ত্র লাভ হয় নি আমার এখনো।’

    অগ্নিবেশ্যের সহসা আগ্নেয় অস্ত্রটির কথা মনে পড়ে গেল। এই অস্ত্রবিদ্যাটি তিনি তো দ্রোণপিতা ভরদ্বাজের কাছ থেকে লাভ করেছিলেন। প্রথমে গুরুদেব ভরদ্বাজ দ্বিধান্বিত ছিলেন এই অস্ত্রটি অগ্নিবেশ্যের হাতে অর্পণ করবেন কি না। পরে তাঁর আনুগত্য, সহনশীলতা, অধ্যবসায় আর সৌম্যভাব দেখে ভরদ্বাজ মত পাল্টেছিলেন। ব্রহ্মাস্ত্রটি তাঁর হাতে তুলে দিয়েছিলেন তিনি।

    ব্রহ্মাস্ত্রের কথা দ্রোণ জানল কোথা থেকে? নিশ্চয়ই পিতার কাছ থেকে জেনেছেন। এই আগ্নেয় অস্ত্রটি কি দ্রোণকে দেওয়া উচিত? গুরুদেব ভরদ্বাজ বলেছিলেন—এই অস্ত্র যার-তার জন্য নয়। যে ক্রোধের অধীন, যে কষ্টসহিষ্ণু নয়, যার হিতাহিত জ্ঞান স্বল্প, সে কখনো এই অস্ত্র পাওয়ার যোগ্য নয়। কিন্তু দ্রোণের তো এই গুণগুলো আছে। তিনি তো অস্ত্রটি পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন।

    আর একটি বিষয় অগ্নিবেশ্যের মাথায় খেলে গেল। গুরুদেব ভরদ্বাজও বোধ হয় চান যে, দ্রোণ ব্রহ্মাস্ত্রের অধিকারী হোক। সেই কারণেই হয়তো শিষ্য হিসেবে তাঁর কাছে পাঠিয়েছেন দ্রোণকে। নইলে অন্য কোনো অস্ত্রগুরুর কাছে দ্রোণকে পাঠাতেন তিনি। অন্য অস্ত্রগুরুরা তো ব্রহ্মাস্ত্রের সন্ধান জানেন না।

    এসব কথা ভাবতে ভাবতে অগ্নিবেশ্য বললেন, ‘বৎস, বড় দুর্দমনীয় অস্ত্র এটি। জগতের কয়েকজন মাত্র জানেন এই অস্ত্রের বিদ্যাটি। অসহিষ্ণু, ক্রোধান্বিত মানুষের হাতে এই চরম অস্ত্রটি পড়লে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড ছারখার হয়ে যাবে।’

     ‘আমি আপনাকে কথা দিচ্ছি—ক্রোধ-লোভ-মোহ দ্বারা আমি কখনো প্রভাবিত হব না।

    অগ্নিবেশ্য স্থির চোখে দ্রোণের দিকে তাকিয়ে থাকলেন। তিনি অন্তর্চক্ষু দিয়ে দেখতে পেলেন—এই যুবকটি ভবিষ্যতে অস্ত্রসাধনায় ভুবনবিখ্যাত হয়ে উঠবেন। পরবর্তী প্রজন্মের গুরু হওয়ার সকল গুণ অগ্নিবেশ্য তাঁর এই শিষ্যটির মধ্যে স্পষ্ট অনুভব করতে লাগলেন। তিনি মনে মনে ঠিক করলেন, ব্রহ্মাস্ত্রটি তিনি দ্রোণের হাতে তুলে দেবেন। কিন্তু তার আগে দ্রোণের সঙ্গে কিছু কথা বলা প্রয়োজন।

    অগ্নিবেশ্য বললেন, ‘বৎস দ্রোণ, এই অস্ত্রটির প্রকৃত নাম ব্রহ্মশির। এটি মারাত্মক এক অস্ত্র। বিধ্বংসী, সর্বগ্রাসী। অতি ভয়ংকর এই ব্রহ্মশির নিমিষেই শত-সহস্র মানুষকে নিধন করার ক্ষমতা রাখে।’

    ‘পিতার কাছে শুনেছি ব্রহ্মাস্ত্রের বিপুল ভয়ঙ্করতার কথা।’ বললেন দ্রোণ।

    অগ্নিবেশ্য বললেন, ‘অস্ত্র-শিক্ষার সঙ্গে অস্ত্র প্রয়োগের সংযম যার মধ্যে আছে, সে- ই শুধু এই ব্রহ্মাস্ত্রটি পাওয়ার অধিকার রাখে।’

    দ্রোণ কথা বললেন না। একাগ্রচিত্তে অগ্নিবেশ্যের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকলেন। ‘তোমাকে আমি ব্রহ্মাস্ত্রটি প্রদান করব। কিন্তু তার আগে প্রতিজ্ঞা করতে হবে তোমায়।’ বললেন অগ্নিবেশ্য।

    ‘কী প্রতিজ্ঞা গুরুদেব?’ দ্রোণের দু’চোখে আনন্দ-আলো ছড়িয়ে পড়ল।

    এবার অগ্নিবেশ্য গুরুগম্ভীর গলায় আদেশের সুরে বললেন, ‘এই অস্ত্র কখনো সাধারণ মানুষের ওপর প্রয়োগ করতে পারবে না। স্বল্পশক্তির যোদ্ধাকে এই মারাত্মক অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করতে পারবে না। বলো, এই দুটো শর্ত তুমি মেনে চলবে কি না?’

    ‘আপনার আদেশ শিরোধার্য করে রাখব আমি।’ বিনীত কণ্ঠে বললেন দ্রোণ।

    .

    গুরুগৃহে অস্ত্রচর্চার শেষ পুরস্কার পেলেন দ্রোণ। ঋষি অগ্নিবেশ্য ব্রহ্মশির অস্ত্রটির মন্ত্র এবং এটি ছোড়ার কৌশল অতিযত্নে দ্রোণকে শিখিয়ে দিলেন।

    ব্রহ্মাস্ত্র পাওয়ার পর দ্রোণ পিতৃ-আশ্রমে ফিরে এলেন। এই সময় তাঁর মনে পরম সন্তুষ্টি থাকার কথা। কিন্তু অস্ত্রবিদ্যা শেখা আর ব্রহ্মাস্ত্র প্রাপ্তির ফলে তাঁর মনে যেরকম তৃপ্তি থাকার কথা, সে রকম আনন্দ তিনি নিজের মধ্যে অনুভব করছেন না। আরও শেখার, আরও অর্জন করার জন্য প্রবল উচাটনভাব তাঁর মধ্যে বিরাজ করতে লাগল। তিনি বুঝতে পারছেন, ঋষি অগ্নিবেশ্যের কাছ থেকে অর্জিত অস্ত্রবিদ্যা শেষবিদ্যা নয়। অগ্নিবেশ্যের চেয়ে আরও মহৎ অস্ত্রশিক্ষাগুরু এই ভারতবর্ষে নিশ্চয়ই আছেন। তাঁদের কাছ থেকে বিদ্যার্জনের জন্য প্রচণ্ড একটা আকাঙ্ক্ষা দ্রোণকে আকুল করে তুলল।

    .

    কার কাছে যাবেন তিনি? কোন মহৎ অস্ত্রবিদ তাঁকে শ্রেষ্ঠতমের পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবেন?

    এই সময় তিনি পরশুরামের কথা অবগত হলেন। পরশুরাম মহাপরাক্রমশালী ঋষি। তিনি ধনুর্বেদ এবং অস্ত্রবিদ্যায় অত্যন্ত যশস্বী পুরুষ। তিনি পিতৃ-অনুরক্ত। মহাদেবকে তপস্যায় তুষ্ট করেন তিনি। বজ্রতুল্য অস্ত্রসমূহ মহাদেবের কাছ থেকে তিনি লাভ করেছেন। জীবিত ও মৃত অস্ত্রবিদদের মধ্যে পরশুরাম অগ্রগণ্য।

    এসব কাহিনি শুনে শুনে পরশুরামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁর শিষ্যত্ব গ্রহণ করার প্রবল বাসনা জাগে দ্রোণের মনে। তিনি মনস্থির করেন, মহর্ষি পরশুরামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁর কাছ থেকে অস্ত্রবিদ্যা শিখবার আবেদন জানাবেন।

    আরও একটা ঘটনার কথা তখন তাঁর কানে এল। এই সময় তিনি জানতে পারলেন পরশুরাম তাঁর সমস্ত ধন ব্রাহ্মণদের দান করে দিচ্ছেন। দ্রোণের মধ্যে ধনলিপ্সা জাগল। পরশুরামের এই কাহিনিটি শুনে তিনি ঠিক করলেন, যে-কোনো মূল্যে মহাত্মা পরশুরামের সঙ্গে দেখা করবেন।

    কিন্তু পরশুরামের নিকট উপস্থিত হতে হতে দ্রোণ বেশ দেরি করেই ফেললেন। পরশুরাম তখন মহেন্দ্ৰ পৰ্বতে অবস্থান করছিলেন। ভরদ্বাজ-আশ্রম থেকে মহেন্দ্ৰ পৰ্বত বহুদূরে। বহু শ্রম, অশেষ কষ্ট সহ্য করে, বন্ধুর পথ অতিক্রম শেষে পরশুরামের আশ্রমে উপস্থিত হলেন দ্রোণ। তাঁর উদ্দেশ্য—পরশুরামের কাছে মহাস্ত্র ও নীতিশাস্ত্রের পাঠ নেওয়া। কিন্তু পরশুরামের সামনে গিয়ে সব গুলিয়ে গেল দ্রোণের। সিদ্ধান্ত বদলালেন তিনি।

    ঋষি পরশুরামের সামনে নতজানু হয়ে দ্রোণ বললেন, ‘আমি একজন দরিদ্র ব্রাহ্মণ সন্তান। সারাটা জীবন অভাব-অনটনের সঙ্গে আমার বসবাস। মহাত্মন, শুনেছি আপনি দানবীর। আপনার সকল সম্পদ ব্রাহ্মণদের মধ্যে বিলিয়ে দিচ্ছেন।’

    ‘তুমি যথার্থ শুনেছো যুবক।’ নিমীলিত চোখে পরশুরাম বললেন।

    ‘তাহলে আমাকে দারিদ্র্যের কশাঘাত থেকে মুক্ত করুন। আমাকে ধন দিন, যাতে নিত্যদিনের অভাব থেকে আমি মুক্তি পাই।’দ্রোণ করুণ কণ্ঠে বললেন।

    এবার পরশুরাম পূর্ণদৃষ্টিতে দ্রোণের দিকে তাকালেন। দীর্ঘদেহী, গৌরবর্ণ, উন্নত নাসা, ব্যক্তিত্বশালী দ্রোণকে দেখে তিনি মুগ্ধ হলেন। বললেন, ‘বৎস, তোমার প্রকৃত পরিচয় দাও।’

    ‘আমি মহর্ষি ভরদ্বাজের পুত্র দ্রোণ।’

    দ্রোণের কথা শুনে পরশুরামের অন্তরটা ব্যথায় টনটনিয়ে উঠল।

    নরম কণ্ঠে বললেন, ‘ঋষি ভরদ্বাজের পুত্র তুমি! তোমার মনোহর চেহারা দেখে আমি মুগ্ধ। কিন্তু পুত্র, আমি যে তোমার প্রার্থনার পরিপূরণ করতে অক্ষম!’

    দ্রোণ হতাশ গলায় বললেন, ‘কেন মহাত্মন? শুনেছি—দান গ্রহণেচ্ছু ব্রাহ্মণের প্রসারিত দুটো হাত আপনি আপনার ধনৈশ্বর্য দিয়ে ভরিয়ে দিচ্ছেন। আমিও আমার খালি হাত দুটো ধন-প্ৰাৰ্থনায় আপনার দিকে প্রসারিত করেছি। শূন্য হাতে ফেরাবেন কেন?’

    ‘আমি যে নিরুপায় বৎস।’

    ‘অপরাধ মার্জনা করবেন। আপনার এই অসহায়তা কি শুধু আমার জন্য?’

    ‘হ্যাঁ, শুধু তোমার জন্যই। তোমার পূর্ববর্তী ব্রাহ্মণ পর্যন্ত আমি ধনসম্পদ দিতে পেরেছি। আমার যা কিছু ছিল ওসবের সবটাই আমি ব্রাহ্মণদের মধ্যে বিলিয়ে দিয়েছি। তোমাকে দেওয়ার মতো কোনো কিছুই অবশিষ্ট নেই এখন আমার কাছে।’

    ‘কোনো কিছুই নেই?’

    দ্রোণের শেষ প্রশ্নে পরশুরাম বিহ্বল হলেন। একটু থমকে গেলেন যেন। তাঁর মধ্যে ইতস্তত ভাব জাগল। তিনি মনস্থির করে ভাবতে লাগলেন। তাঁর যা কিছু ধন-অর্থ ছিল, সবই তো দরিদ্র ব্রাহ্মণদের মধ্যে দান করে দিয়েছেন। তাহলে এই ব্রাহ্মণসন্তানকে তিনি কি কিছুই দিতে পারবেন না! একজন ব্রাহ্মণ তাঁর দরজা থেকে খালি হাতে ফিরে যাবে! তিনি কোনো কূলকিনারা খুঁজে পেলেন না।

    ম্রিয়মাণ কণ্ঠে পরশুরাম বললেন, ‘বৎস, তোমাকে দেওয়ার মতো সত্যি আমার কাছে কোনো ধনসম্পদ নেই। তবে…।’

    পরশুরামের অর্ধসমাপ্ত কথা শুনেও দ্রোণ চুপ করে থাকলেন। পরশুরাম চিন্তায় নিমগ্ন হলেন।

    তারপর গভীর নিদ্রা থেকে জাগ্রত মানুষের কণ্ঠে বললেন, ‘তবে আমার কাছে তোমাকে দেওয়ার মতো দুটো জিনিস আছে। নানারকম অস্ত্রশস্ত্র আর আমার এই শরীরটি। এ দুটোর যেকোনো একটি আমি তোমাকে দান করতে প্রস্তুত আছি। বলো তুমি কোনটা পেতে আগ্রহী?’

    হঠাৎ বিপুল আনন্দে দ্রোণের চোখমুখ ভেসে গেল। তিনি তো অস্ত্রের জন্যই পরশুরামের কাছে এসেছিলেন। ধনলোভে বিভ্রান্ত হয়ে তিনি সিদ্ধান্তচ্যুত হয়েছিলেন। তাই অস্ত্র বাদ দিয়ে সম্পদ চেয়ে বসেছিলেন পরশুরামের কাছে। কিন্তু ঈশ্বরের কী কৃপা! বাঞ্ছিত জিনিসই তাঁর জন্য নির্ধারিত করে রেখেছেন তিনি। এইজন্যই বোধহয় তাঁর আগে মহর্ষির কাছে কেউ অস্ত্রগুলো যাচনা করে নি।

    দ্রোণ পরশুরামের সামনে হঠাৎ হাঁটু গেড়ে বসলেন। বললেন, ‘গুরুদেব, আমি আপনার কাছে অস্ত্রশস্ত্র প্রার্থনা করছি।

    তারপর বেশ কিছুদিন ধরে পরশুরাম দ্রোণকে অস্ত্রবিদ্যা শিক্ষা দিলেন। একান্ত মনে দ্রোণ সেই শিক্ষা গ্রহণ করলেন।

    শেষ পর্যন্ত দ্রোণ ভারতবর্ষের একজন অপ্রতিদ্বন্দ্বী ধনুর্ধরে রূপান্তরিত হলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Next Article কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    Related Articles

    হরিশংকর জলদাস

    দুর্যোধন – হরিশংকর জলদাস

    July 27, 2026
    হরিশংকর জলদাস

    কৰ্ণ – হরিশংকর জলদাস

    July 27, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }