Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    হরিশংকর জলদাস এক পাতা গল্প291 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একলব্য – ৩

    ৩

    ওরে যাত্রী,
    … ঘরের মঙ্গলশঙ্খ নহে তোর তরে,
    নহে রে সন্ধ্যার দীপালোক,
    নহে প্রেয়সীর অশ্রুচোখ।
    পথে পথে অপেক্ষিছে কালবৈশাখীর আশীর্বাদ
    শ্রাবণরাত্রির বজ্রনাদ।
    পথে পথে কণ্টকের অভ্যর্থনা,
    পথে পথে গুপ্তসৰ্প গূঢ়ফণা।
    নিন্দা দিবে জয়শঙ্খনাদ-
    এই তোর রুদ্রের প্রসাদ।

    .

    সায়াহ্ন।

    পাহাড়ি পথ

    এবড়োখেবড়ো। জঙ্গলাকীর্ণ। ঘন জঙ্গলের ভেতর দিয়ে সরু একটা পথ এগিয়ে গেছে সামনের দিকে। অরণ্যবিজ্ঞ ব্যাধ সংবাদ এনেছে, এই পথ দিয়ে এগোলে একটা সময়ে হস্তিনাপুরের রাজপথের সন্ধান মিলবে। তবে তা বহু যোজন দূরে। বহু ক্রোশ, বহু যোজন অতিক্রম করলে তবেই কাঙ্ক্ষিত রাজপথের দেখা পাওয়া যাবে।

    ওই সরু পথ ধরে একলব্য এগিয়ে চলেছে হস্তিনাপুরের দিকে। একা। আজ প্রত্যুষে যাত্রা শুরু করেছে একলব্য। যাত্রার সূচনাতে বেশকিছু সৈন্যসামন্ত তার সঙ্গে ছিল। বহুটা পথ একসঙ্গে এসেছিল তারা। হিরণ্যধনুর নির্দেশনা ছিল হস্তিনাপুর পর্যন্ত তারা একলব্যের সঙ্গে যাবে। যাত্রার সময় একলব্য নিশ্চুপ থাকলেও একটা সময়ে সৈন্যদের থামিয়েছিল সে। বলেছিল, ‘তোমরা রাজধানীতে ফিরে যাও। আমি এই দুর্গম পথ বেয়ে একাই যাব, হস্তিনাপুরে।

    দলপ্রধান বলেছিল, ‘আমরা আপনার আদেশ মানতে অক্ষম যুবরাজ। মহারাজ যা বলেছেন, তা-ই মানতে হবে আমাদের। হস্তিনাপুর পর্যন্ত আপনার সঙ্গ না ছাড়ার নির্দেশ আছে আমাদের ওপর।’

    ‘রাজার আদেশ রাজ্যসীমার অভ্যন্তরে বলবৎ থাকে। এখন আমরা মহারাজ হিরণ্যধনুর রাজ্যসীমার বাইরে। এখানে তাঁর আদেশ কার্যকর নয়। এই দলের প্রধান তুমি। কিন্তু এখানে আমিই সর্বাধিক মর্যাদাবান। মর্যাদাবানের আদেশ রক্ষা করা তোমার কর্তব্য দলপতি।’ একলব্য জানে—এ খোঁড়া যুক্তি। রাজ্যের ভেতরে বা বাইরে সৈন্যরা রাজাদেশ মানতে বাধ্য। জেনেও একলব্য একথা বলেছে। কেউ তার সঙ্গে থাকুক—এটা সে চাইছিল না। অনেক লোক সঙ্গে থাকলে গতি শ্লথ হয়, মনোসংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। সে দ্রোণাচার্যের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে। যেন সে তীর্থদর্শনে যাচ্ছে। তীর্থার্থীরা ঘর থেকে বেরোলেই তাদের মনপ্রাণ তীর্থমুখী হয়ে যায়। জাগতিক বিষয়-আশয় তাদের কাছে তুচ্ছ মনে হয়। মনে শুধু এই ভাবনা ক্রিয়াশীল থাকে, কখন তীর্থদর্শনে সক্ষম হব। একলব্যের মনেও তীর্থদর্শনের আকুতি। কখন দ্রোণাচার্যের শ্রীচরণে নিজকে সমর্পণ করে পরম তৃপ্তি লাভ করবে? কবে আচার্যের শিষ্যত্ব প্রাপ্ত হয়ে নিজেকে ধন্য মনে করবে? এই সৈন্যদল, এই সাড়ম্বরতা তার কাছে অর্থহীন বলে মনে হচ্ছে। তার জীবনে মহার্ঘ হলো আচার্য দ্রোণের শিষ্যত্ব লাভ। তাই দলপতিকে এই খোঁড়া যুক্তি দেখাতে দ্বিধা করল না একলব্য।

    দলপতি কিন্তু বুদ্ধিমান। বিনীত গলায় বলল, ‘রাজ্য সীমানার বাইরে রাজাদেশ অন্যের কাছে গৌণ। কিন্তু সেই রাজ্যের প্রজার কাছে বা সৈন্যের কাছে রাজাদেশ সর্বদা, সর্বস্থানে মাননীয় এবং পালনীয়। আপনার আদেশ মানতে না পারার জন্য ক্ষমা চাইছি যুবরাজ।’

    ফাঁপরে পড়ে গেল একলব্য। বুঝল—-আদেশ দিয়ে এদের রাজি করানো যাবে না; আবেগ দিয়ে এদের পরাস্ত করতে হবে। গলায় যতটুকু সম্ভব আবেগ ঢেলে বলল, ‘দেখো, আমি যাচ্ছি গুরুর কাছে। গুরুর কাছে যেতে হয় নিরাভরণ হয়ে। দীন বেশে একনিষ্ঠ মনে গুরুদর্শনে যেতে হয়। তোমরা আমার আভরণ। তোমরা যতক্ষণ আমার সঙ্গে থাকবে, আমার মনে তীব্র একটা অহংকার কাজ করবে—আমি রাজপুত্র, আমার চারদিকে সৈন্যসামন্ত, বাজনাবাদ্যের জয়ডঙ্কা। এসবকিছু আমার ভেতরের একনিষ্ঠতাকে চুরমার করে দিচ্ছে। যে ভক্তি গুরুপ্রাপ্তির সর্বোত্তম পথ, তা একেবারেই নস্যাৎ করে দিচ্ছে তোমাদের উপস্থিতি। সুতরাং তোমরা আমাকে সাহায্য কোরো, তোমরা ফিরে যাও। আমি একান্ত মনে গুরুকে স্মরণ করতে করতে হস্তিনাপুরের দিকে এগিয়ে যাই।’

    আবেগ সব মানুষকে কোনো না কোনো সময়ে স্পর্শ করে। আর বক্তা যদি হর্তাকর্তা কেউ হন, তাহলে অধীনস্থদের সেই আবেগ তীব্রভাবে আবৃত করে। একলব্যের আবেগজড়ানো কথাগুলো দলপতিকে স্পর্শ করল। আমতা আমতা করে বলল, ‘মহারাজ যদি অপরাধ ধরেন? যদি জিজ্ঞেস করেন, যুবরাজ একলব্যকে অর্ধপথে ত্যাগ করে কেন চলে এসেছ?’

    ‘বাবা আমার ভাবাবেগ জানেন। আমার তৃপ্তির মূল্য তাঁর কাছে সর্বাধিক। তোমরা বুঝিয়ে বললে বাবা বুঝবেন। ফিরে যাও তোমরা। আমাকে একা যেতে দাও।’ একলব্য বলল।

    দলপতি বলল, ‘ঠিক আছে, আমরা ফিরে যাব। কিন্তু আমার একটা কথা আপনাকে রাখতে হবে। দু’জন পথপ্রদর্শক সৈন্য আপনার সঙ্গে যাবে। এই পথের অন্ধিসন্ধি জানে ওরা। জন্তুজানোয়ারের গতিবিধি বোঝে। চড়াই-উত্রাইয়ের খোঁজখবর ওদের নখদর্পণে। ওরা আপনাকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাবে, হস্তিনাপুর পৌঁছে দেবে।’

    ‘ঠিক আছে। আমি রাজি।’ মৃদু বক্র একটা হাসি একলব্যের সারা মুখে ছড়িয়ে পড়ল।

    .

    ফিরে গিয়েছিল সৈন্যদল। ডঙ্ক আর লখা থেকে গিয়েছিল। দ্বিপ্রহর হতে কিছুটা সময় বাকি তখন। পথচলা শুরু করেছিল আবার। আগে ডঙ্ক, পাছে লখা। মাঝখানে একলব্য। চলতে চলতে চলতে সূর্য মাথায় স্থির। রাজমাতা বিশাখা সঙ্গে আহারসামগ্রী দিয়েছিলেন। একটা বিশাল বটবৃক্ষের নিচে আহারে বসল একলব্য। একটু দূরে ডঙ্ক আর লখা। অনতিদূরে সরোবর, প্রাকৃতিক।

    আহার শেষ করে ডঙ্ককে একলব্য বলল, ‘ফিরে যাও তোমরাও।’

    ডঙ্ক আকাশ থেকে পড়ল, ‘এ কী বলছেন যুবরাজ! ফিরে যাব! আমাদের ঘাড়ে কয়টি মাথা আছে! মহারাজ আমাদের মাথা কাটবেন।’

    যুবরাজ একলব্য ইনিয়েবিনিয়ে অনেক কথা বোঝাল তাদের। দলপতিকে বলা কথাগুলো ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে তাদের মতো করে বোঝাল। কিন্তু ডঙ্করা নাছোড়, ‘জটিল পথ। দুর্গম। ভীষণাকার জঙ্গল। রাত্রি ভয়ঙ্কর। পথঘাট কিছুই চিনেন না আপনি। বেঘোরে প্রাণ যাবে আপনার। না যুবরাজ, আপনার নির্দেশ মানব না আমরা।’

    একলব্যের একবার ইচ্ছে হলো প্রচণ্ড ধমক দেয়। বলে, ‘এখনই ফিরে যাও তোমরা। নইলে মুণ্ডচ্ছেদ করব।’

    কিন্তু একলব্য জানে—এ ধরনের মানুষ জীবন দিতে রাজি, রাজাদেশ লঙ্ঘন করতে নয়। তা ছাড়া, এই ঘটনার সঙ্গে নিষাদরাজ হিরণ্যধনুর একমাত্র পুত্রের জীবনসংশয়ের ব্যাপারটি জড়িত যে। নিজেকে সংযত করল একলব্য। শান্ত স্বরে বলল, ‘দেখো, তোমাদের মতো আমিও তো ব্যাধসন্তান। ছোটবেলা থেকেই এই অরণ্য, এই শ্বাপদ, পর্বতের এই বন্ধুর পথ আমার চেনা। এই পথ দিয়ে হয়তো কোনোদিন আমি আসি নি, কিন্তু এ ধরনের পথের প্রকৃতি তো আমার জানা। তা ছাড়া পথের পাশে পাশে তপোবন। মুনিঋষিদের সাহায্য পাব আমি। পথের সন্ধান জেনে নেব ওদের কাছ থেকে। রাত্রিকালে বা দ্বিপ্রহরে তপোবনে অতিথি হব। এভাবে একদিন পৌঁছে যাব আমি, আমার কাঙ্ক্ষিত স্থানে।’

    ডঙ্ক আর লখা চুপ থেকে ছিল।

    সেই দ্বিপ্রহর থেকে একলব্যের একা হাঁটা। হাঁটতে হাঁটতে এখন সায়াহ্ন। হাঁটা থামায় নি একলব্য। যতদূর সম্ভব একটানা হেঁটে পথ ফুরাতে হবে তাকে।

    এখন তার হাঁটায় গতি নেই। দুপুরের আহারের পর, ডঙ্ক আর লখাকে ফেরত পাঠানোর পর, জোর কদমে হাঁটা শুরু করেছিল সে। সঙ্গে তেমন ভারী কিছু ছিল না। পিঠে শরভর্তি তৃণ আর বাঁ কাঁধে ঝুলানো ধনুকটি। কোমরে কুঠার গোঁজা। ব্যাধরা একে টাঙ্গি বলে। গোঁজা টাঙ্গিটির হাতল কাঠের। ফলকটি লোহার। এক ধার ধারালো, অন্য ধার ভোঁতা। ধারালো দিক দিয়ে কাটা যায়, ভোঁতা দিক দিয়ে আঘাত করা যায়। নিকট-যুদ্ধে এটি দিয়ে শত্রুকে খণ্ডবিখণ্ড করা যায়। টাঙ্গি দিয়ে গাছ কেটে বনভূমিতে পথও করা যায়। বালক-বয়স থেকে একলব্যের টাঙ্গিপ্রীতি প্রবল। এই টাঙ্গিটি তার আবাল্য সঙ্গী। সকল আবরণ-আভরণ ত্যাগ করলেও একলব্য তীর-ধনুকের সঙ্গে টাঙ্গিটাও রেখে দিয়েছে নিজের সঙ্গে।

    কোনো খাবার সে নিজের সঙ্গে নেয় নি। ডঙ্ক সাধাসাধি করেছিল খাবারের পোঁটলাটি সঙ্গে নেওয়ার জন্য। একলব্যের এককথা নিরাভরণ হয়েই সে গুরুতীর্থের দিকে এগোবে। দ্বিপ্রহরে সৈন্যদের বিদায় করে নিজের শরীর থেকে রাজকীয় আবরণ খুলে ফেলেছিল। ডঙ্ক এবং লখার হাতে গছিয়ে দিয়ে বলেছিল, ‘তোমরাই রাখো এগুলো। বিক্রি করলে কিছু কড়ি মিলবে তোমাদের।’

    সাধারণ বেশ ধারণ করেছিল একলব্য। পরনে একখণ্ড বস্ত্র, ঊর্ধ্বাঙ্গে রোদ-শীত নিবারণার্থে মোটা এক টুকরা কাপড়। পাদুকাও ত্যাগ করেছিল সে।

    ডঙ্ক বিস্মিত গলায় বলেছিল, ‘কাঁটা-খন্দকে ভর্তি পাহাড়ি পথটি। পা রক্তাক্ত হয়ে যাবে যে।’

    লখার অনুরোধে আর পরামর্শে পায়ে বল্কল বেঁধে নিয়েছিল একলব্য, পাদুকার মতো করে। প্রথমদিকে পথ চলতে অসুবিধা হলেও এখন সয়ে গেছে।

    দুপুর গড়িয়ে বেলা অপরাহ্ণের দিকে গেলে গতি কমে এসেছিল একলব্যের। রাজপুত্র। তেমন করে কষ্টসহিষ্ণুতা রপ্ত করতে হয় নি তাকে কোনোদিন। আজই প্রথম কষ্টকর পথের যাত্রী হয়েছে সে। ফলে ক্লান্তি আর অবসন্নতা তাকে একটু একটু করে গ্রাস করতে শুরু করেছে। কিন্তু নিজের মন আর দেহের মধ্যে ক্লান্তিকে স্থান দিতে রাজি নয় সে। এখন থেকে তাকে স্বাবলম্বী হতে হবে। আত্মনির্ভরশীল হতে হবে। অবসাদকে নিজের মনের মধ্যে জায়গা দিলে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে না সে।

    মনে যতই জোর থাকুক, দেহেও তো জোর থাকতে হবে। অশেষ শ্রম শেষে দেহ ও বিশ্রাম চায়। একলব্য বুঝতে পারে এবার তাকে থামতে হবে। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে। আঁধার এবার পৃথিবীকে গ্রাস করা শুরু করবে।

    কিন্তু কোথায় থামবে সে? কোথায় রাত কাটাবে? আশপাশে তো কোনো জনমানুষের চিহ্ন নেই। কোনো তপোবনেরও সন্ধান মিলবে কি না কে জানে? হঠাৎ একলব্যের চোখ পড়ল আকাশের দিকে। পুবাকাশে বিরাট গোলাকার চাঁদ উঠেছে। পূর্ণিমা বোধ হয়। তিমির আর জোছনার দ্বন্দ্ব চলছে তখন প্রকৃতিতে। কে কাকে হটাবে? হাঁটা থামাল না একলব্য। আরও কিছুদূর হাঁটার পর একটা আলো তার চোখে পড়ল।

    শাণ্ডিল্য ঋষির তপোবন। শাণ্ডিল্য-গোত্রধারার প্রবর্তক শাণ্ডিল্যমুনি। ঈশ্বরকে পাওয়ার তিনটি মার্গ শাস্ত্রকাররা নির্দেশ করেছেন—জ্ঞানমার্গ, কর্মমার্গ এবং ভক্তিমার্গ। ভক্তিসূত্রের প্রচারক শাণ্ডিল্যমুনি। ঋষি শাণ্ডিল্যকে ঘিরে এই তপোবনে এক অবিমিশ্র মানবজীবনবোধের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। তপ, জপ, কর্ম—যা-ই এখানে নিষ্পন্ন হোক, সবকিছুর পেছনে ভক্তিবোধ সক্রিয়। এই তপোবনে মানব এবং মানবেতর প্রাণী সমানভাবে মূল্যায়িত হয়। কোনো প্রাণীকে হীন চোখে দেখা হয় না। সব প্রাণীতে প্রাণ আছে। শাণ্ডিল্য ঋষির এই তপোবনে সকল প্রাণ এক মূল্যসূত্রে গাঁথা। এখানে নেই আর্য- অনার্যের ভেদাভেদ, এখানে গাত্রবর্ণের ওপর নির্ভর করে মানুষের সঙ্গে আচরণ করা হয় না। কারণ এই আশ্রমের মূলকথা—ভালোবাসা। সকল আশ্রমবাসীর হৃদয় ভালোবাসাময়। শাণ্ডিল্য ঋষিকে ঘিরে যে শিষ্যবর্গের অবস্থান, সবারই অন্তর স্নিগ্ধ, সহনশীল, শান্ত। এই তপোবনের উঠানে একলব্য যখন গিয়ে দাঁড়াল, সাদরে সম্ভাষিত হলো।

    সংসারত্যাগী শাণ্ডিল্য। তপোবনবাসী সাধক। শ্মশ্রুমণ্ডিত মুখমণ্ডল। চোখ দুটো দিয়ে অন্তঃকরণ পড়তে পারেন। এই ঋষির জীবনে লৌকিক হৃদয়চর্চার কোনো স্থান নেই। ঈশ্বরসাধনায় তাঁর সর্বসত্তা উৎসর্গীকৃত। ভেতরে কোনো অস্থিরতা নেই।

    একলব্যকে কাছে টেনে নিলেন শাণ্ডিল্য। পথশ্রান্তি দূর করার জন্য শিষ্যদের নির্দেশ দিলেন। একলব্য সমভিব্যাহারে রাত্রির আহার করলেন তিনি। আহার্যদ্রব্য বলতে ফল- মূল—এসব। আহার শেষে ঋষি শাণ্ডিল্য অগ্নিকুণ্ডের চারদিকে সশিষ্য আসন গ্রহণ করলেন। সংক্ষেপে একলব্যের কাছে তার পথচলার কারণ জেনে নিলেন মুনিবর শাণ্ডিল্য। ‘তোমার জয় হোক’ বলে আলাপ শেষ করলেন। শয্যাকক্ষ নির্দেশ করার জন্য একজন শিষ্যকে আদেশ দিলেন। একলব্যকে উদ্দেশ করে বললেন, ‘সকালে যাত্রার আগে কিছু মুখে দিয়ে যেয়ো।’

    প্রত্যুষে ঘুম ভাঙল একলব্যের। তারও আগে তপোবন জেগে গেছে। অতি প্রত্যুষে ঋষি শাণ্ডিল্য শয্যাত্যাগ করেন। শিষ্য সমভিব্যাহারে অদূর সরোবরে গিয়ে অবগাহন করেন। তারপর তপোবনে প্রত্যাগমন করেন। সমবেত কন্ঠে সূর্যপ্রণাম সম্পন্ন করেন। শিষ্যরা ভিক্ষার উদ্দেশে বের হয়ে যান। ঋষি শাণ্ডিল্য ধ্যানে মগ্ন হয়ে পড়েন।

    সূর্যপ্রণামের সমবেত কণ্ঠধ্বনিতে একলব্যের ঘুম ভেঙেছে। পর্ণকুটিরের তৃণশয্যায় উঠে বসেছে সে। গত দিনের পথ হাঁটার ক্লান্তি তখনো সারা শরীরে জড়িয়ে আছে।

    আড়মোড়া ভেঙে ক্লান্তি দূর করতে চাইল একলব্য। শরীরে অবসাদকে প্রশ্রয় দিলে চলবে না। তার আরাধ্য এখনো অনেক দূরে। বহু পথ অতিক্রম করার পর সেই আরাধ্যের সান্নিধ্য পাওয়া যাবে।

    শয্যা থেকে উঠে দাঁড়াতে যাবে, ওই সময় এক শিষ্য গৃহদরজায় এসে দাঁড়ালেন। বললেন, ‘যুবরাজ, সূর্যোদয় হয়ে গেছে। আপনার প্রস্তুতির সময় পার হয়ে যাচ্ছে। আর বিলম্ব করা ঠিক হবে না। আপনার প্রাতরাশ প্রস্তুত। প্রাতঃকৃত্য শেষ করে আসুন।’

    একলব্য মাথা নত করে বলল, ‘আমি তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে আসছি।’ তার সমস্ত মুখে কৃতজ্ঞতার হাসি ছড়িয়ে পড়ল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Next Article কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    Related Articles

    হরিশংকর জলদাস

    দুর্যোধন – হরিশংকর জলদাস

    July 27, 2026
    হরিশংকর জলদাস

    কৰ্ণ – হরিশংকর জলদাস

    July 27, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }