Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    হরিশংকর জলদাস এক পাতা গল্প291 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একলব্য – ৬

    ৬

    পুত্রার্থে ক্রিয়তে ভার্যা।

    .

    অসাধারণ অস্ত্রশিক্ষায় শিক্ষিত যুবক দ্রোণ পিতার আশ্রমে ফিরে এলেন।

    তখন দ্রোণ অন্য মানুষ। তাঁর চোখ খুলে গেছে, মন প্রসারিত হয়ে গেছে। আশ্রমের সীমাবদ্ধ গণ্ডি ছাড়িয়ে তাঁর জগৎ বিশ্বব্রহ্মাণ্ড পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। তাঁর সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ—দ্রোণ স্পষ্ট বুঝতে পারছেন। পিতৃ-আশ্রমে ফিরে দেখলেন—সেই আগের মতোই আশ্রমের ক্রিয়াকর্ম চলছে, পূর্ববৎ স্বাহা স্বধা-বর্ষার ধ্বনিতে আশ্রমাঙ্গন মুখরিত। এই যজ্ঞক্রিয়া এবং ব্রাহ্মণের ওঙ্কার ধ্বনি দ্রোণের ভালো লাগল না।

    তাঁর মন অনাগত দীপ্তিমান ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত হচ্ছে। আগের মতো আশ্রমের কাজে মন লাগাতে পারছেন না তিনি। তপোবনের চেয়ে তপোবনের বাইরে ঘুরে বেড়াতে পারলে তাঁর মন অধিকতর তৃপ্তি পাচ্ছে। একটা উদাসীন ভাব সর্বদা দ্রোণকে ঘিরে রেখেছে।

    পিতা ভরদ্বাজ পুত্রের এই অন্যমনস্কতা, এই অস্থিরতা লক্ষ করেন। তিনিও এককালে দ্রোণের মতোই যুবক ছিলেন। যুবক মনের হাহাকার তিনি এই বৃদ্ধ বয়সেও অনুধাবন করতে পারেন। তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস—কোনো নারীকে নিজের করে পাওয়ার জন্য যৌবনঋদ্ধ পুরুষের মধ্যে যে হাহাকার জাগে, দ্রোণের মধ্যেও তা-ই জেগেছে। নইলে কেন ব্রাহ্মণসন্তান হয়েও যাগযজ্ঞে মন নেই দ্রোণের? কেন দ্রোণ তপাশ্রমের শান্তসৌম্য পরিবেশ ছেড়ে বনে-অরণ্যে একা একা ঘুরে বেড়ান?

    ঋষি ভরদ্বাজ একদিন দ্রোণকে কাছে বসালেন। বললেন, ‘পুত্র, আমি বৃদ্ধ হয়েছি। যে-কোনো সময় পরপারের ডাক আসতে পারে।’ বলে বেশ কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলেন ঋষি। দ্রোণ কিছু বলেন কি না তা শুনবার জন্য অপেক্ষা করলেন আরও কিছুক্ষণ। তারপর বললেন, ‘তুমি ভাবছ—কী কথা বলবার জন্য এই ভূমিকাটুকু করছি? তুমি যথার্থ ধরেছ। আমি তোমার বিয়ের কথাই বলছি। তুমি এখন যৌবনলগ্ন। শাস্ত্রপাঠ আর অস্ত্রপাঠ — দুটোই প্রায় সমাপন করেছ তুমি। তুমি বিবাহযোগ্য হয়ে উঠেছ। তুমি বিয়ে কোরো।’

    কী আশ্চর্য! পিতা কী করে বুঝতে পারলেন তাঁর মনের কথা! পিতার কথার অবতরণিকা শুনে তাঁর একটা কথাই মনে হয়েছিল—পিতা তাঁর বিয়ের কথা বলতে চান। এবং বললেনও তা-ই। অন্তর্যামী নাকি তিনি!

    দ্রোণ কোমল গলায় বললেন, ‘পিতা, আমার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, প্রাপ্য করতলগত নয়। দারিদ্র্যময় জীবন। এই সময় একজন নারীকে অনিশ্চিত জীবনের মধ্যে টেনে আনা কি বিচক্ষণতার কাজ হবে? আমি এই মুহূর্তে বিয়ে করতে চাই না পিতা।’

    ‘মানুষ বাগান করে পুষ্পসৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য। সেই পুষ্পে যখন মধু সঞ্চারিত হয়, বাগান আরও মনোলোভা হয়ে ওঠে। তুমি আমার বাগানের ফুল। বিবাহ সেই ফুলে সৌরভ সঞ্চার করবে। তোমার স্ত্রী, সন্তান—এদের দেখে যেতে পারলে আমার আনন্দের অন্ত থাকবে না পুত্র।’

    ‘আমি আপনার প্রস্তাবে সম্মত নই পিতা। কারণ ওদের আমি অনাদর-অনাহারের জীবন উপহার দিতে চাই না।’

    ‘কে বলল ওরা আদর যত্ন পাবে না? আমি গৃহী নই বটে, সন্তান-সংসার সম্পর্কে একেবারে তো অনভিজ্ঞ নই। তুমিই তো তার প্রমাণ।’

    ‘কিন্তু দারিদ্র্য থেকে তো ওরা মুক্তি পাবে না। দীনতা তো সর্বদা তাদের কুরে কুরে খাবে।

    ভরদ্বাজের কাছে এ প্রশ্নের কোনো উত্তর নেই। দারিদ্র্য তাঁর আজন্ম সঙ্গী। পুত্র দ্রোণেরও তা-ই। তাঁর উত্তরাধিকারীরাও তো দৈন্য থেকে মুক্তি পাবে না কোনোদিন। ভরদ্বাজ অধোবদনে নিরুত্তর রইলেন।

    দ্রোণ ধীরে ধীরে বললেন, ‘আমি আপনার কথা রাখব বাবা। তবে এখন নয়। যদি কখনো আমার ধনৈশ্বর্য লাভ হয়, সেদিন প্রথম যে কাজটি করব, তা হলো—বিয়ে।’

    এই সময় দ্রোণ ভাবছেন-তাঁর অবস্থার পরিবর্তন তো একদিন হবেই। দ্রুপদ সত্য প্রতিজ্ঞা করে বলেছে-আমি রাজা হওয়ার পর যা ভোগ করব, তা তোমারও ভোগ্য হবে। পিতা পৃষতের মৃত্যুর পর সে পাঞ্চালরাজ্যের নৃপতি হবে। নৃপতির হাতিশালে হাতি, ঘোড়াশালে ঘোড়া, কোষাগার ভর্তি সোনাদানা, কড়ি, মণিমুক্তা, প্রাসাদভর্তি দাস- দাসী। এসবের আস্বাদন তো তিনিও করতে পারবেন। শুধু সময়ের ব্যাপার। রাজা পৃষতের মৃত্যু পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে, এই যা।

    পিতার কথায় সংবিৎ ফিরল দ্রোণের, ‘তাহলে তুমি এখন বিয়ে করবে না?’

    ‘আমাকে ক্ষমা করবেন পিতা।’

    ভরদ্বাজ মৌন হলেন। দ্রোণের এ কথার পরে আর কোনো কথা বলতে ইচ্ছে করল না তাঁর। হাত ইশারায় পুত্রকে স্থানত্যাগ করতে বললেন।

    বিয়ের ব্যাপারটি নিয়ে দ্রোণ আগে তেমন করে ভাবেন নি। একটা সময়ে বিয়ে করবেন, অন্য দশজন যুবক যে-রকম করে ভাবে, সে-রকম করেই হালকাভাবে ভেবেছিলেন হয়তো। কিন্তু পিতার সঙ্গে কথোপকথনে হঠাৎ করে যে কথাটি প্রথমে তাঁর মনে পড়ল, তা হলো দারিদ্র্য। পুরুষানুক্রমে অভাব-দীনতা তাঁদের সঙ্গী। দারিদ্র্যক্লান্ত জীবনে সৌন্দর্য আর ভালোবাসার যথার্থ বিকাশ হতে পারে না। সেই জায়গায় একজন নারীকে নিয়ে এসে তার জীবনটা বিষণ্ণ করে তোলার অধিকার তো দ্রোণের নেই। তাই তিনি পিতৃ-প্রস্তাবের বিরোধিতা করলেন।

    পিতা ভরদ্বাজ তাঁকে গৃহী করবার জন্য অনুরোধ-উপরোধ করেছিলেন। তিনি বৃদ্ধ হয়েছিলেন। পুত্রের যৌবনলগ্নে পুত্রবধূর মুখ দেখে যেতে চেয়েছিলেন। হয়তো তাঁর অন্তর্চক্ষে পৌত্র বা পৌত্রীর কোমল মুখও আবছা ভেসে উঠেছিল। তৃতীয় পুরুষের মুখ দেখে বিপুল তৃপ্তি পাওয়ার বাসনা হয়তো তাঁর হৃদয়ে জাগরুক হয়েছিল। এজন্য পুত্র দ্রোণকে এত সাধাসাধি, এত অনুরোধ-উপরোধ। কিন্তু ভাগ্য বিপরীতে। দ্রোণ বিবাহে অসম্মতি প্রকাশ করলেন।

    .

    ভরদ্বাজের জীবৎকালে দ্রোণ বিয়ে করলেন না। হঠাৎ মারা গেলেন ভরদ্বাজ। পিতার মৃত্যুর জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন না দ্রোণ। তিনি মুষড়ে পড়লেন। পিতৃবিয়োগের ফলে তাঁর হৃদয়ে নিদারুণ শূন্যতা নেমে এল। বাবার কথাগুলোই বারবার মনে পড়তে লাগল তাঁর।

    জননীকে তিনি কখনো চোখে দেখেন নি। মাতৃস্নেহ বলে যে একটা কথা আছে, তা থেকে বঞ্চিত তিনি। প্রিয়ত্বের সম্বন্ধে পিতা ভরদ্বাজই তাঁর সবকিছু। সেই পিতাকেই কষ্ট দিয়েছেন—এ রকম চিন্তা তাঁকে অবসাদগ্রস্ত করল। তাঁর মনে গভীরভাবে বৈরাগ্যের সৃষ্টি হলো। বৈরাগ্যদীর্ণ হৃদয় তাঁকে পুনরায় তপস্যামুখী করে তুলল।

    সাধনার জন্য পিতার আশ্রমের পরিবেশ অনুকূলে ছিল। অতঃপর সেই আশ্রমে বসেই দ্রোণ যোগ-ধ্যান-তপস্যায় মগ্ন হলেন। চঞ্চল মনকে স্থির করার সাধনা শুরু হলো। তপস্যা মনকে স্থির করে, একমুখী করে।

    তপস্যার ঐকান্তিকতায় একটা সময়ে দ্রোণের মনের মালিন্য, অবসাদ এবং অনিষ্ট ভাবনা দূরীভূত হয়ে গেল। সবদিক ঠিক হলো বটে, কিন্তু মনের শূন্যতাটুকু গেল না। বিয়ে করার জন্য পিতার সানুনয় উপরোধ-বাক্য আবারও তাঁকে পীড়িত করতে শুরু করল। ধন-মান সম্পত্তির উচ্চচূড় অভিলাষ তাঁর কাছে অর্থহীন বলে মনে হাত লাগল। তিনি স্থির করলেন—বিয়ে করবেন। পিতার অনুরোধ এবং পিতৃঋণবোধ তাঁকে বিয়ে করার জন্য প্রণোদিত করল।

    .

    দার পরিগ্রহ করলেন দ্রোণ। কৃপের ভগ্নি কৃপীকে ভার্যারূপে গ্রহণ করলেন। মহর্ষি গৌতমের শরঃদ্বান নামে এক শিষ্য ছিলেন। জানপদী নামের এক অপ্সরাকে দেখে শরঃদ্বানের রেতঃপাত হয়। জন্ম নেন দুটো সন্তান—কৃপ আর কৃপী। পরিত্যক্ত এ দুটো শিশুকে কৃপা করে রাজা শান্তনু লালনপালনের মাধ্যমে বড় করলেন। এজন্য এঁদের নাম—কৃপ আর কৃপী। দ্রোণের দাবি ছিল, পাত্রীকে সুন্দরী হতে হবে এবং জ্ঞানী হতে হবে। কৃপী জ্ঞানী ছিলেন, রূপসি ছিলেন না। দুর্ভাগ্য দ্রোণের। পাত্রী জুটল এমন— সুন্দরী নন, কিন্তু পণ্ডিতা। কৃপীর আরেকটা অগুণ ছিল। তাঁর মস্তক ছিল কেশহীন ।

    তার পরও কৃপীকেই বিয়ে করলেন দ্রোণ। তিনি ভাবলেন–স্ত্রীর রূপ যা-ই হোক, একটি ছেলে হবে আমার। স্ত্রীর অসৌন্দর্যের সান্ত্বনা হিসেবে তিনি তাঁর মহাপ্রাজ্ঞতা ব্রতনিয়মনিষ্ঠা আর আচারপরায়ণতার কথাও ভাবলেন। সর্বোপরি ভাবলেন–বিয়ে করলে একটি ছেলে হবে, সেই ছেলে ঋষি ভরদ্বাজের অস্তিত্বকে অনাগতকালের দিকে প্রবহমান রাখবে।

    বাবার কথায় এবং পুত্রলাভের লোভে লোভিত হয়ে দ্রোণ বিয়ে করলেন কৃপীকে। জনক-জননী পরিত্যক্ত অন্য এক ব্যক্তির কৃপা যে-নারীটির মধ্যে বর্তমান, তাঁকেই বিয়ে করলেন দ্রোণ। জন্মগৌরব আর লালিতপালিত হওয়ার আভিজাত্য—কোনোটাই ছিল না কৃপীর। পিতার সাময়িক রতিতৃপ্তির বিকারে দ্রোণের মতোই জন্ম তাঁর।

    উভয়ের মধ্যে পার্থক্য অবশ্য আছে। দ্রোণ জননী পরিত্যক্ত শিশু হলে কী হবে, পিতা ভরদ্বাজ তাঁকে মানুষ করেছিলেন। কিন্তু কৃপী জনক ও জননী পরিত্যক্ত। সম্পর্কহীন একজন রাজার আশ্রয়ে বড় হয়ে ওঠা তাঁর। উভয়ের পিতার মধ্যে একটা বিষয়ে অদ্ভুত মিল। ভরদ্বাজ আর শরঃদ্বান-দু’জনেই অস্ত্রবিদ ও ধনুর্ধর।

    ব্রাহ্মণ ঘরে জন্মাবার পরও বেদবিদ্যা ভুলে ধনুর্বেদ চর্চা করেন যাঁরা, তাঁরা ব্রাহ্মণ সমাজে মান্যতা পেতেন না তেমন। জপে তপে-অধ্যয়নে মগ্ন ব্রাহ্মণরা অস্ত্রবিদ্যায় লগ্ন ব্রাহ্মণদের এড়িয়ে চলতেন। তাই দ্রোণ যখন বিয়ে করতে চাইলেন, ব্রাহ্মণসমাজ রাজি হলো না তাঁকে কন্যা দিতে। স্বধর্ম ও স্ববৃত্তি ত্যাগের কারণেই উপযুক্ত ব্রাহ্মণঘরের কোনো কন্যাকে দ্রোণ বিয়ে করতে পারলেন না। বিয়ে করতে হলো পালটি ঘরে, শরঃদ্বানকন্যাকে। শরঃদ্বান ব্রাহ্মণ হওয়া সত্ত্বেও দ্রোণের মতো বেদপাঠে রুচি দেখান নি, আগ্রহ দেখিয়েছেন ধনুর্বিদ্যায়। বৃত্তি ত্যাগের অপরাধে কুৎসিত অল্পকেশিনী কৃপীকে বিয়ে করা ছাড়া দ্রোণের আর কোনো উপায় ছিল না।

    অপছন্দের কন্যাকে বিয়ে করলে দাম্পত্যজীবন তো সুখেশান্তিতে ভরা থাকার কথা নয়। দ্রোণের জীবনও তা-ই ছিল। কিন্তু তিনি ছিলেন বিচক্ষণ। ভেতরের অস্বস্তিকে তিনি কখনো টেনে বাইরে আনেন নি। নিজের মনোবেদনা ভেতরেই চেপে রেখেছিলেন।

    কৃপী কিন্তু টের পেতেন। স্বামী যে তাঁকে তেমন করে ভালোবাসেন না—সেটা বুঝতে পারতেন তিনি। সেই বুঝতে পারার ব্যাপারটি একদিন স্পষ্ট করলেন স্বামীর সামনে, ‘আর্যপুত্র, আপনি আমাকে ভালোবাসেন না।’

    এই রকম কথা শুনবার জন্য দ্রোণ প্রস্তুত ছিলেন না। স্ত্রীর কথা শুনে চমকে তাঁর দিকে তাকালেন দ্রোণ। দেখলেন—কৃপী নিষ্পলক চোখে তাঁর দিকে তাকিয়ে আছেন। অপ্রিয় অথচ সত্য কথার মুখোমুখি হলে মানুষ যেমন করে অপ্রস্তুত হয়ে পড়ে, দ্রোণেরও তা-ই হলো। বিব্রত চোখে কৃপীর দিকে তাকিয়ে থাকলেন শুধু।

    শান্ত কণ্ঠে কৃপী আবার বললেন, ‘সুন্দরী নই আমি আর্যপুত্র। একজন স্বামীর মনোরঞ্জনের জন্য একজন নারীর যে রূপলাবণ্য আর অঙ্গসৌষ্ঠব থাকার কথা, তার কোনোটাই নেই আমার, তাই আপনার চিত্তের সন্তোষ সাধনের উপযুক্ত নই আমি।’

    ‘এসব কী বলছ তুমি কৃপী? যথার্থ বলছ না তুমি।’ দ্রোণের শেষ বাক্যে কণ্ঠটা একটু ধরা ধরা মনে হলো।

    ‘মুখে যা-ই বলুন না কেন, ভেতরের অস্বস্তিকে লুকাতে শেখেন নি আপনি। প্ৰকৃত মানুষদের ক্ষেত্রে এরকমই হয়। মূর্খরা ভেতরের বিষাদকে ঢাকতে জানে, জ্ঞানীরা পারেন না। আপনি জ্ঞানী। তাই আমাকে বিয়ে করার মালিন্য আপনার চেহারায় স্পষ্ট হয়ে আছে।’

    বহুক্ষণ মাথা নিচু করে থাকলেন দ্রোণ। বললেন, ‘তুমি কৃতবিদ্য। বৈদিকজ্ঞান তোমার আয়ত্তে। পণ্ডিত তুমি। পাণ্ডিত্য তোমার মর্যাদা। তোমার মর্যাদা তোমার দেহরূপের অনেক ঊর্ধ্বে। আমি তোমার পাণ্ডিত্যকে তোমার দেহসৌন্দর্যের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান মনে করি।’

    মৃদু হাসলেন কৃপী। তাঁর যা জানার জেনে গেলেন। অপ্রিয় কথা বাড়াতে নেই. পণ্ডিতরা ভালো করেই জানেন। কৃপীও এই অপ্রিয় প্রসঙ্গকে থামিয়ে দিলেন। বললেন, ‘আমাকে ক্ষমা করবেন আর্যপুত্র। হঠাৎ মনে এল, বললাম। কিছু মনে করবেন না। দ্বিপ্রহর গড়িয়ে যাচ্ছে। চলুন, আহার করবেন।’

    দ্রোণ অত্যন্ত মৃদুকণ্ঠে বললেন, ‘স্ত্রীর সৌন্দর্য আর মাধুর্য নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। আমার অভীষ্ট একটা পুত্রসন্তান। কৃপী, তুমি আমাকে একটা পুত্র উপহার দাও।’

    কৃপী হৃষ্ট চোখে স্বামী দ্রোণের দিকে তাকিয়ে থাকলেন।

    দ্রোণের অভিলাষ পূর্ণ করলেন কৃপী। একটা পুত্রসন্তান প্রসব করলেন। দ্রোণ- দম্পতি পুত্রের নাম রাখলেন অশ্বত্থামা। সন্তানের নাম রাখার ক্ষেত্রে মা-বাবা অথবা বয়োজ্যেষ্ঠ পরিজনের বাসনাই প্রধানত কাজ করে। অশ্বত্থামার নাম রাখার ক্ষেত্রে সেই প্রথা রক্ষিত হলো না। একটা ঘটনা পুত্রের নাম অশ্বত্থামা রাখার ব্যাপারে মুখ্য ভূমিকা পালন করল।

    ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর স্বাভাবিক মানবসন্তানের মতো কাঁদল না শিশুটি। কান্নার পরিবর্তে হ্রেষাধ্বনি বেরিয়ে এসেছিল শিশুটির মুখ থেকে। দেবাসুরের সমুদ্র-মন্থনজাত উচ্চৈঃশ্রবা অশ্বের ধ্বনি করেছিল সে। তাই দ্রোণ ছেলের নাম রাখলেন অশ্বত্থামা।

    অশ্বত্থামাকে পেয়ে দ্রোণ অনন্ত বাৎসল্যের আস্বাদ পেলেন। এতদিন অরূপা স্ত্রীর কারণে মনের মধ্যে যে বেদনার কাঁটাটি খচখচ করছিল, মনোলোভা চেহারার অশ্বত্থামা দ্রোণের অন্তর থেকে তা দূর করে দিল। পুত্রকে নিয়ে তাঁর আনন্দের অন্ত থাকল না।

    অল্প বয়স থেকে অশ্বত্থামার শরীর-স্বাস্থ্য সুন্দর হয়ে উঠল, প্রকাশ পেতে লাগল তার তেজ। এই বয়সে শারীরিক সুগঠনের জন্য দরকার উপযুক্ত খাদ্য আর যথাযথ লালন। পুত্রকে লালনের ব্যাপারে পিতা দ্রোণের কোনো ত্রুটি ছিল না। যে ব্যক্তি পুত্রলাভের আকাঙ্ক্ষায় বিয়ে করেছিলেন, তাঁর সমস্ত মন-প্রাণ তো লভ্য পুত্রের ওপর নিবিষ্ট থাকবেই। পুত্রকে যথাস্বাচ্ছন্দ্যে বড় করা শুরু করেছিলেন দ্রোণ।

    কিন্তু অর্থকষ্ট পুত্রলালনের প্রধান অন্তরায় হয়ে দেখা দিল। আশ্রমে জীবনযাপনের জন্য কত আর অর্থ লাগে। পিতার আশ্রম সুখেরই ছিল। বসবাসের সমস্যা তাঁর ছিল না, কিন্তু খাদ্যসমস্যা ছিল প্রকট। আশ্রমে যে শিষ্যরা ছিল, ভরদ্বাজের মৃত্যুর পর তারা একে একে আশ্রম ত্যাগ করল। গুরু না থাকলে শিষ্যরা থাকবে কেন? গুরুর স্থানটা দ্রোণ নিতে পারতেন। কিন্তু যাগযজ্ঞ করা, শিষ্য পড়ানো—এসব যে দ্রোণের ভালো লাগে না। শিষ্যরা ভরদ্বাজ-আশ্রম ত্যাগ করলে খাদ্যাভাব প্রকট হয়ে দেখা দিল। শিষ্যদের শ্রমলব্ধ ভিক্ষান্নে আশ্রমের ভরণপোষণ হতো। শিষ্যহীন আশ্রম অন্নহীন হয়ে পড়ল।

    কিন্তু দ্রোণ এই দারিদ্র্য কাটিয়ে উঠতে পারতেন, যদি যজনযাজন-অধ্যয়ন- অধ্যাপনায় তিনি মন দিতেন। কিন্তু তাঁর মন তো পড়ে আছে ধনুর্বিদ্যায়। দ্রোণ যদি পৈতৃক বৃত্তি ত্যাগ না করতেন, তাহলে যাগযজ্ঞের দক্ষিণায় তাঁর সংসার চলত। কিন্তু তিনি কোনো যজমান তৈরি করেন নি। ফলে অর্থাগমের সকল পথ রুদ্ধ হয়ে গেল। পুত্রলাভের পর অর্থসংকট তীব্র হলো দ্রোণের পরিবারে।

    তারপরও ব্রাহ্মণ্যবৃত্তিকে গ্রহণ করলেন না তিনি। বরং অস্ত্রবিদ্যায় কোনো অর্থলাভ ঘটে কি না, সেই চেষ্টায় ব্রতী হলেন দ্রোণ। অর্জিত ধনুর্বিদ্যা তিনি আরও ভালো করে অভ্যাস করতে লাগলেন।

    দ্রোণের বাসস্থান পাঞ্চালরাজ্যের রাজধানীর অদূরে। রাজধানী এবং রাজধানীর আশপাশে ধনবানের বসবাস। সেই সূত্রে বালক অশ্বত্থামার সঙ্গে ধনীর দুলালদের চেনা- পরিচয়। ধনীদের গৃহাভ্যন্তরের নানা রীতিনীতি অশ্বত্থামা জানতে শুরু করল। ধনীর দুলালদের খাদ্য-উপাদান, খাওয়ার পদ্ধতি –এসব অশ্বত্থামার অজানা থাকল না। সে দেখল—ধনীপুত্রদের খাদ্য লোভনীয়।

    তাকে সবচাইতে বেশি আকৃষ্ট করল গাভীদুগ্ধ। সে জানল, বড়লোকের ঘরের ছেলেরা নিয়মিত দুগ্ধ পান করে। অশ্বত্থামার দুধ খাওয়ার খুব ইচ্ছে জাগল, কিন্তু বয়সে ছোট হলেও সে বুঝতে শিখেছে, বাবা তেমন অর্থবান নন। একটা গাভী জোগাড় করার ক্ষমতা তার বাবার নেই। বালক অশ্বত্থামার মনে কষ্ট জমা হতে থাকে। কিন্তু একজন বালকের পক্ষে না-পাওয়ার কষ্ট কতদিনই বা চেপে রাখা সম্ভব!

    একদিন পিতা-মাতার কাছে দুধ খাওয়ার বায়না আরম্ভ করল অশ্বত্থামা। কিন্তু স্বাভাবিক কারণে দুধ জুটল না। ফলে বালক অশ্বত্থামা কেঁদে বুক ভাসাল। পুত্রের কান্না দ্রোণের মনে গভীরভাবে রেখাপাত করল। মানসিক যন্ত্রণায় তিনি অধীর হয়ে উঠলেন।

    পুত্রের জন্য একটা দুগ্ধবতী গাভী জোগাড়ে বের হলেন দ্রোণ। পাঞ্চালরাজ্যের এ- প্রান্ত থেকে ও-প্রান্ত পর্যন্ত তিনি অনেক ঘুরলেন। কিন্তু কেউ ভরদ্বাজ-সন্তান দ্রোণকে একটা গাভী দান করল না। অশেষ মানসিক ক্লেশ নিয়ে তিনি আশ্রমের দিকে রওনা দিলেন। ফেরার পথে একটা ঘটনা তাঁকে ভেঙেচুরে একেবারে দুমড়ে দিল।

    সূর্য পশ্চিমে হেলে পড়েছে। তেজ কমে এসেছে, শীতের শেষদিক। মাঠের ধারে নানা বয়সের বালকরা জমা হয়েছে। এদের কেউ কেউ খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দ্রোণ ফিরতে ফিরতে মাঠের একেবারে কিনারা ঘেঁষে বালকদের একটা জটলা দেখলেন। উৎসুক দ্রোণ এগিয়ে গেলেন সেদিকে। নিকটে গেলে জটলার মধ্যিখানে ধেই ধেই নৃত্যরত অশ্বত্থামাকে দেখতে পেলেন তিনি। পুত্রকে দু’বাহু তুলে আনন্দে আত্মহারা হয়ে নাচতে দেখে বিস্মিত হলেন দ্রোণ। আরও কাছে এগিয়ে গেলেন তিনি। শুনলেন- অশ্বত্থামা নাচতে নাচতে বলছে—দুধ খেয়েছি, দুধ খেয়েছি! কী স্বাদ! কী স্বাদ! দেখলেন—অশ্বত্থামার এই উদ্বাহু নৃত্য আর আত্মহারা আনন্দধ্বনি শুনে ধনীপুত্ররা হাততালি দিয়ে তাকে উপহাস করছে। ওখানেই তারা থেমে নেই। উপহাসের ভঙ্গিতে চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে তারা বলছে, ‘অশ্বত্থামা, তোর বাপ গরিব। টাকাপয়সা আয়ের ক্ষমতা নেই তোর বাপের। তাই পিটুলিগোলা সাদা জল খেয়ে নাচছিস তুই।’

    আনন্দে মশগুল বলে অশ্বত্থামা ধনীর দুলালদের উপহাসধ্বনি শুনতে পেল না। কিন্তু দ্রোণ শুনতে পেলেন।

    দুধের কথা শুনে শুনে অশ্বত্থামার মধ্যে একটা ঘোর তৈরি হয়ে গিয়েছিল। সুযোগ পেলেই খেলার সঙ্গীদের সামনে সে দুধের প্রসঙ্গ তুলত। সঙ্গীরা তাকে নাচাবার জন্য দুগ্ধ বিষয়ে নানা অলীক শ্রুতিরোচক গল্প শোনাত। তাদের মিথ্যে গল্পকে সত্য বলে মনে করত অশ্বত্থামা। এইভাবে দুধ খাওয়ার জন্য প্রচণ্ড একটা আগ্রহ অশ্বত্থামার মধ্যে দানা বাঁধল। এই সুযোগটাই নিল খেলার সাথিরা। পিটুলিগোলা ফেনায়মান সাদা জলের পাত্রকে দুধের পাত্র বলে অশ্বত্থামার সামনে ধরল। অশ্বত্থামা তো বিহ্বল। এত ভালোবাসে ধনীপুত্ররা তাকে! সে ওদের প্রতারণা বুঝতে পারল না, উপহাস বুঝতে পারল না। এক ঝটকায় পাত্রটা হাতে নিয়ে ধীরে ধীরে খেতে শুরু করল অশ্বত্থামা। উল্লসিত অশ্বত্থামা তৃপ্তির আনন্দে নাচতে শুরু করল। ওই সময় সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন দ্রোণ।

    দুঃখে-অপমানে বিচূর্ণ হতে হতে ছেলের হাত ধরে আশ্রমে ফিরেছিলেন দ্রোণ। অশ্বত্থামাকে কৃপীর হাতে ধরিয়ে দিয়ে গৃহাভ্যন্তরে প্রবেশ করেছিলেন। আকুল হয়ে কেঁদে বুক ভাসিয়েছিলেন দ্রোণ। নিজেকে বড় ব্যর্থ পিতা বলে মনে হয়েছিল তাঁর।

    দ্রোণ তৎক্ষণাৎ সিদ্ধান্ত নিলেন—এই আশ্রমে আর না, এই জীর্ণ কুটিরে দীন জীবনযাপন আর না। অভাব ঘুচাতে হবে, স্বাচ্ছন্দ্য আনতে হবে দৈনন্দিন যাপিতজীবনে।

    তিনি ঠিক করলেন- পাঞ্চালরাজ দ্রুপদের কাছে যাবেন তিনি। দ্রুপদ যে তাঁর প্রিয় সখা, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সহপাঠী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Next Article কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    Related Articles

    হরিশংকর জলদাস

    দুর্যোধন – হরিশংকর জলদাস

    July 27, 2026
    হরিশংকর জলদাস

    কৰ্ণ – হরিশংকর জলদাস

    July 27, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026
    Our Picks

    মমতাজ-দুহিতা জাহানারা – শ্রীপারাবত

    July 29, 2026

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }