Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প243 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নীললোহিতের চোখের সামনে – ২২

    ২২

    আমি আর আমার বন্ধু চৌরঙ্গীর মোড়ে দাঁড়িয়ে আছি, উত্তর কি দক্ষিণ কোনদিক যাব মনঃস্থির করতে পাচ্ছিনা—সেই সময় একজন মহিলা রাস্তা পার হয়ে আমাদের পাশ দিয়ে যেতে-যেতে তপনকে দেখে মৃদু হেসে বললেন, ‘কী খবর তপন?’ তপন তখন পথের অন্য মহিলাদের দেখায় ব্যস্ত ছিল, তাড়াতাড়ি ঘাড় ঘুরিয়ে বলল, ‘আরেঃ রেবাদি? কেমন আছেন?’

    মহিলাটি বলল, ‘ভালো আছি।’

    তারপর আবার তিনি বললেন, ‘খুব ভালো আছি। রিজেন্ট পার্কে একটা চমৎকার ফ্ল্যাট পেয়েছি। তোমার বউদিকে একদিন আসতে বোলো—’

    তপন বলল, ‘বউদি তো এখন দিল্লিতে

    আমি একটু সরে গিয়ে অন্য দিকে ঘুরে দাঁড়ালাম। তপন মহিলার সঙ্গে কথা বলতে লাগল। মহিলাটির বয়স তিরিশ-পঁয়ত্রিশের মধ্যে, বেশ সুন্দর স্বাস্থ্য, হাল্কা গোলাপি রঙা শাড়ি পরেছেন। সবচেয়ে নজরে পড়ে ওঁর কপালে আগেকার তামার পয়সার সাইজের সিঁদুরের টিপ। হ্যান্ডব্যাগটি বেশ বড়, তার মধ্য থেকে একটা বাচ্চাদের খেলার এরোপ্লেন উঁকি মারছে।

    দু-তিন মিনিট তপনের সঙ্গে গল্প করে মহিলা একটি লেডিজ ট্রাম দেখতে পেয়ে তাড়াতাড়ি উঠে পড়লেন। তপন আমাকে জিজ্ঞেস করল, ‘তাহলে কোনদিকে যাওয়া যায়?’

    আমি কোন উত্তর দিলামনা।

    তপন বলল, ‘তুই রেবাদিকে আগে দেখিসনি?’

    -না।

    –বউদির খুব বন্ধু। আগে আমাদের বাড়িতে খুব আসতেন—

    —না, দেখিনি—

    লাল আলোর সামনে ট্রামটা তখনও দাঁড়িয়ে। ট্রামভর্তি নানা রঙের মহিলা—সেদিকে তাকানো যায় না। ট্রাম বা বাসের জানালায় একটি-দুটি মহিলাদের দেখে অনেকসময় বহুক্ষণ সতৃষ্ণ নয়নে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে, কিন্তু পুরো গাড়িটাই মহিলাতে ভর্তি, লেডিজ ট্রামের দিকে দু-এক পলকের বেশি চোখ রাখতে খুবই লজ্জা লাগে।

    তপনের বউদি জানালার পাশেই বসেছিলেন, ট্রাম ছাড়তে তপন আবার সেদিকে চেয়ে হাসিমুখে হাত নাড়ল। তারপর তপন আবার আমাকে জিজ্ঞেস করল, ‘রেবাদিকে জিজ্ঞেস করলাম, কেমন আছেন? উনি বললেন, ভালো আছি। বলতে পারিস, ‘ভালো’ কথাটার কতরকম মানে হয়?’ আমি ঠোঁট উল্টে বললাম, ‘কে জানে!’

    -রেবাদিকে দেখে তোর কী মনে হল?

    —কী আবার মনে হবে? আমি তো ভালো করে দেখিইনি!

    —যা দেখেছিস তাই যথেষ্ট। ঐটুকু দেখে রেবাদি সম্পর্কে তোর কী ধারণা হল বল্ তো! দেখি, তোর অবজারভেশনের ক্ষমতা কী রকম! রেবাদি দুবার বলেছেন, ‘ভালো আছি’, সেটা খেয়াল রাখিস!

    —ভদ্রমহিলা চাকরি করেন, সম্প্রতি বোধহয় প্রমোশন হয়েছে, তাই অত খুশি-খুশি মুখ। কটি সন্তান তা বলতে পারবনা, তবে একটি ছেলে আছেই—মেয়ে থাকলে এরোপ্লেন না-কিনে পুতুল কিনতেন, উচ্চারণ শুনে মনে হল ভদ্রমহিলা বি-এ. পাস, খুব সম্ভবত সংস্কৃত কিংবা ফিলসফিতে অনার্স ছিল। ভদ্রমহিলার স্বামী ইঞ্জিনীয়ার–না, না, সরকারি কর্মচারী, একটু কুঁড়ে—তবে খুব পত্নীঅনুগত, ভদ্রমহিলার শাশুড়িও একসঙ্গে থাকেন—শাশুড়ি-বউ-এর মধ্যে ঝগড়ার বদলে কে কতটা ভালো ব্যবহার করতে পারে—তার প্রতিযোগিতা চলে, ভদ্রমহিলার শখ বেড়াল পোষার—কিন্তু স্বামীর ইচ্ছে কুকুর, ইনস্টলমেন্টে রেফ্রিজারেটার কিনবেন প্রায় ঠিক করে ফেলেছেন—তপন হো-হো করে হেসে উঠে বলল, ‘তুই আজকাল শখের গোয়েন্দাগিরি করছিস নাকি?’

    আমি ঈষৎ গর্বের সুরে বললাম, ‘কী, সব মেলেনি? অন্তত সেভেন্টি ফাইভ পারসেণ্ট?’

    –তুই কী করে জানলি?

    -মানুষ দেখে স্টাডি করার অভ্যেস করতে হয়!

    তপন পুনশ্চ হাসতে-হাসতে বলল, ‘খুব মানুষ চিনেছিস! একটাও মেলেনি! ঐ যে রেবাদি পর-পর দুবার ‘ভালো আছি’ বললেন, সেটা লক্ষ্যই করিসনি। কেউ যখন প্রশ্নের উত্তরে শুধু একবার বলে ‘ভালো আছি’ তাহলে হয়তো সে সত্যি ভালো নাও থাকতে পারে—সবাই তো আর দুঃখের গল্প সবসময় শোনাতে চায়না। কিন্তু দুবার ভালো আছি বললে বুঝবি পিছনে অনেককিছুই আছে, সুখ-দুঃখের একটা জটিল ইতিহাস, তার মধ্যে কোন্টা বেশি কোটা কম—সে-বিষয়ে মনঃস্থির করা যায়না। মানুষ কতরকমে ভালো থাকে জানিস? তোরা সবসময়ে মানুষবে ছকে ফেলতে চাস। কিন্তু প্রত্যেকটা মানুষ আলাদা। রেবাদির জীবনের গল্প শুনলে স্তম্ভিত হয়ে যাবি! শুনবি?’

    রেস্টুরেন্টে চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে বলল, ‘রেবাদি আমার বউদির সঙ্গে বরাবর স্কুল-কলেজে একসঙ্গে পড়েছেন, আমাদের বাড়িতে খুব আসতেন। বউদি চেষ্টা করেছিলেন, রেবাদির সঙ্গে চানুদার বিয়ের ব্যবস্থা করতে। (চানুদাকে চিনিস তো? দাদার বন্ধু দুর্গাপুরে…।) চানুদার পছন্দও হয়েছিল রেবাদিকে, কিন্তু সেই সময় রেবাদি হঠাৎ একটা প্রেম করে ফেললেন। রেবাদি নিউ সেক্রেটারিয়েটে চাকরি করেন—একদিন বৃষ্টির দিনে এক ভদ্রলোক ওঁকে ট্যাক্সি করে বাড়ি পৌঁছে দিতে চাইলেন, সেই থেকে আলাপ আর প্রেম, দুমাসের মধ্যে ভদ্রলোকের সঙ্গে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে হয়ে গেল। রেবাদির স্বামীকে দেখতে খুব সুপুরুষ, চানুদার চেয়ে অনেক ভালো ঠিকই, কিন্তু বৌদি দুঃখিত হলেন। চানুদা কত বড় চাকরি করেন, আর কী ভালো মানুষ—তার তুলনায় প্রায় একটা অচেনা-অজানা লোককে বিয়ে করা—কিন্তু প্রেম ইজ প্রেম–কে আর কী বলবে। বিয়ের পর রেবাদি আমাদের বাড়িতে আসা কমিয়ে দিলেন। একদিন আমার সঙ্গে ডালহৌসিতে দেখা —রেবাদির একগাদা গয়না গায়—দামি শাড়ি, সেদিনও আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, রেবাদি কেমন আছেন? রেবাদি হাসি-হাসি মুখে বলেছিলেন, ভালো আছি ভাই (একবারই ‘ভালো আছি’ বলেছিলেন সেদিন, দুবার নয়), তোমার বউদিকে বোলো যাব একদিন—একদম সময়ই পাচ্ছিনা—

    বউদি বলতেন, রেবা একেবারে বিয়ে করে গদগদ—ওর স্বামী নাকি ওকে ছাড়া একমুহূর্ত থাকতে পারেনা।— সবসময় মাথায় করে রেখেছে—রেবা বাপের বাড়ি যাবার সময় পায়না।

    তপন সিগারেট ধরিয়ে বলল, ‘এরপর পর-পর চমকাবার জন্য তৈরি থাক। রেবাদির জীবনে সত্যি ঘটনাগুলোই এমন অবিশ্বাস্য যে একটুও বানাতে হয়না। …কিছুদিন পর রেবাদিকে দেখলাম, আবার আমাদের বাড়িতে আসছেন, বউদির সঙ্গে দরজা বন্ধ করে অনেকক্ষণ কথা বলছেন, খুব মুখ শুকনো। বউদি তখন আমাদের কিছু বলেননি, তারপর কোর্টে মামলা ওঠার পর জানতে পারলাম’—

    —কোর্টে?

    —হ্যাঁ। ঘটনাটা এই, রেবাদির বিয়ের আট-ন’মাস পর একদিন একজন অপরিচিত মহিলা ওঁকে টেলিফোন করেন। তিনি বলেন যে, তিনি অনেক কষ্টে রেবাদির অফিসের ঠিকানা জোগাড় করেছেন, রেবাদির সঙ্গে তাঁর দেখা করার বিশেষ দরকার—রেবাদিরই উপকারের জন্য। দেখা করে ভদ্রমহিলা বললেন, তিনি রেবাদির স্বামীর প্রথম পক্ষের স্ত্রী। রেবাদির স্বামী একজন অত্যন্ত লম্পট এবং বদমাইশ লোক। রেবাদির সাবধান হওয়া উচিত। রেবাদি বিশ্বাস করলেননা। তিনি জোর দিয়ে বললেন, না, তাঁর স্বামী খুব ভালো লোক, তাঁর সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেন—ভদ্রমহিলার কথার প্রমাণ কী?—ভদ্রমহিলা কী চান?

    ভদ্রমহিলা বললেন, তিনি কিছুই চাননা। কিন্তু রেবাদির স্বামী ভালো ব্যবহাব করেন—এটা তাঁর কাছে অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে। লোকটি কি সত্যই তাহলে বদলে গেছে?

    লোকটি কি দাড়ি কামাবার আগে খুর ধার দেবার জন্য স্ত্রীর পিঠে খুর ঘষে রসিকতা করেনা? লোকটি কি সারারাত বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে বাড়িতে মদ খেয়ে হল্লা করার জন্য স্ত্রীকে রান্না ঘরে শুতে বাধ্য করেনা? লোকটি কি স্ত্রীর টাকা নিয়ে মাঝে-মাঝেই চার-পাঁচদিনের জন্য বাড়ি থেকে অনুপস্থিত থাকেনা? লোকটি কি চাবুক দিয়ে কোনদিন…

    ভদ্রমহিলা রেবাদির হাত চেপে ধরে বললেন, আপনি বলুন সে ভালো হয়ে গেছে, তাহলেই আমি খুশি হব। আমি তবে কিছু চাইনা, আমার কোন স্বার্থ নেই। ওর সঙ্গে আমার কোন সম্পর্কই নেই—একবছর আগে ওর সঙ্গে আমার সেপারেশন হয়ে গেছে।

    রেবাদি তখন আর কী করবেন? ফুঁপিয়ে-ফুঁপিয়ে কাঁদতে-কাঁদতে মেঝেতে শুয়ে পড়লেন। তারপর অজ্ঞান হয়ে গেলেন। প্রত্যেকটি কথাই সত্যি। বিয়ের একমাস পর থেকেই লোকটি ওর থেকেও আরও ঢের বেশি অত্যাচার করেছে। রেবাদি একথা কারুকে বলতে পারেননা।—কারণ তিনি নিজেই জোর করে বিয়ে করেছেন—সেইজন্য তিনি বাইরে হাসিখুশি থাকতেন। সবার সামনে নিজেকে সুখী দেখাতে চাইতেন।

    তপনের গল্প শুনতে-শুনতে আমার মনে পড়ল, ভদ্রমহিলার মুখ। বেশ উৎফুল্ল মুখে তিনি বলেছিলেন, ‘ভালো আছি’। সেটা সবটাই অভিনয়? তাহলে তো তিনি কাননবালা কিংবা ইনগ্রিড বার্গমানের চেয়েও বড় অভিনেত্রী। না, সবটাই অভিনয় হতে পারেনা! কিন্তু দুবার বলেছিলেন—সে বোধহয় অন্যরকম ভালো থাকা। তপনকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘রেবাদি তখন কোর্টে মামলা করলেন?’

    তপন বলল, ‘শোন্-না! জনপ্রিয় ঔপন্যাসিকরা নভেলে যত স্টান্ট দেন— অনেক সত্যি ঘটনায় তার চেয়ে অনেক বেশি চমক থাকে। অদ্ভুত ধরনের সামাজিক গণ্ডগোল শুধু বিলেত-আমেরিকাতেই হয়না-কলকাতাতেও অহরহ ঘটছে। রেবাদি, কোর্টে কেস করতে বাধ্য—কারণ লিগাল সেপারেশনের পর দুবছরের মধ্যে বিয়ে করা এদেশে বেআইনি। লোকটা তাই করেছে। কোর্টেও জজ রায় দিলেন, বিয়েটা সম্পূর্ণ অসিদ্ধ। আইনত, লোকটির সঙ্গে রেবাদির যে-বিয়ে হয়েছে—সেটা মানা হবেনা। কিন্তু—’

    তপন আমার চোখে চোখ রেখে বলল, ‘কিন্তু রেবাদি তখন পাঁচ মাসের প্রেগনেন্ট। সেই অজাত শিশুটির জন্য আদালত থেকে কোন নির্দেশই দেওয়া হলনা। তাহলে সেই সন্তানটির পিতৃ-পরিচয় কী হবে? এই অবস্থায় যা স্বাভাবিক সবাই সেই পরামর্শটি দিয়েছিল রেবাদিকে, কিন্তু রেবাদি তা কিছুতেই মানতে চাইলেননা। তোর একটা অনুমান ঠিক, রেবাদির মেয়ে হয়নি ছেলেই হয়েছে, রেবাদির ছেলের বয়স এখন চারবছর—ভারি সুন্দর ছেলেটা। কিন্তু এরপর তোকে যা বলব, শুনলে তোর সত্যিই অবিশ্বাস্য মনে হবে, ভাববি হয়তো রূপকথা কিংবা আরব্যোপন্যাস—কিন্তু এর প্রতিটি বর্ণ সত্যি। আমি নিজে সাক্ষী আছি, আমি রেবাদির ছেলের অন্নপ্রাশনে নেমন্তন্ন খেতে গিয়েছিলাম। বিরাট ধুমধাম করে অন্নপ্রাশন হয়েছিল—

    রেবাদির স্বামীর সেই প্রথম পক্ষের স্ত্রী, তাঁর নাম অনসূয়া, তিনি কিন্তু ঐ লোকটিকে প্রেম করে বিয়ে করেননি। তাঁর বাবা দেখেশুনেই—অমন চমৎকার চেহারার ছেলে, তখন ইনকামট্যাক্স অফিসে ভালো চাকরিও করত—ঘুষ নিতে গিয়ে ধরা পড়ে চাকরি গেছে—বেশ জাঁকজমক করে বিয়ে দিয়েছিলেন। অতিকষ্টে পাঁচবছর অনসূয়াদি থাকতে পেরেছিলেন স্বামীর সঙ্গে—তারপর তাঁর মন ও শরীর দুই-ই ভেঙে পড়ে। রেবাদির ছেলে হবার পর তিনি হঠাৎ এসে একদিন বললেন, ‘তোমার ছেলেকে আমায় দিয়ে দাও, আমি ওকে নিয়েই থাকব। তোমার তো বয়েস কম—তোমার হয়তো আবার কারুর সঙ্গে ভাবটাব হতে পারে—কিন্তু আমার জীবনে আর কিছুই নেই, আমি ঐ ছেলেটাকে নিয়ে তবু বাঁচতে পারি।’ রেবাদি ছেলেকে একেবারে দিয়ে দিতে কিছুতেই রাজি নন। অনেক লজ্জা-অপমান সত্ত্বেও তিনি ঐ ছেলেকে পৃথিবীতে এনেছেন। সুতরাং একটা অন্য ব্যবস্থা হল। অনসূয়াদি বেশ বড়লোকের মেয়ে, কিন্তু তিনি বাড়ি ছেড়ে রেবাদির সঙ্গে একসঙ্গে থাকেন এখন—ছেলেকে সবসময় দেখতে পাবার জন্য। আমি ওঁদের বাড়িতে গিয়েছিলাম —অনসূয়াদি আর রেবাদি অবিকল দুবোন কিংবা দুই সখীর মতো চমৎকার মিলেমিশে আছেন—খুব ভাব ওঁদের, কখনো মতের অমিল হয়না—অনসূয়াদি তাঁর বাড়ি থেকে মাসে আড়াইশো টাকা পান—রেবাদি চাকরি করেন—সুতরাং বেশ সচ্ছল সংসার ওঁদের—ছেলেটির যদিও পিতৃপরিচয় নেই—কিন্তু তাকে ওঁরা রাজপুত্রের মতন যত্নে রেখেছেন। রেবাদি সধবা সেজে থাকেন—লোকে জানে ওঁর স্বামী বিদেশে আছে। এখন ওঁরা যেভাবে আছেন—তাকেও সব মিলিয়ে বেশ ভালো থাকাই বলে—তবে দুবার ‘ভালো আছি’ বলার মতন ভালো থাকা, তাই না?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Ek Pata Golpo সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }