Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প243 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নীললোহিতের চোখের সামনে – ২৪

    ২৪

    এমনিতে আমার কোন চোখের দোষ নেই, কিন্তু মাঝে-মাঝে লোকে আমাকে ট্যারা বলে। মাঝে-মাঝে অর্থাৎ আমার চোখের দিকে কেউ চোখ রেখে তাকালে কোন খুঁত পাবেনা, বেশ গোল-গোল নিরীহ ধরনের চোখ, চোখের মণি যেখানে থাকার কথা সেইখানেই থাকে, ট্যারা বলে চেনার কোন উপায় নেই। কিন্তু মাঝে-মাঝে, একটু অমনোযোগী হলেই আমার চোখের তারাদুটো পাশের দিকে অদ্ভুতভাবে বেঁকে যায়, ঘাড়টাও একটু কাৎ হয়ে আসে। কোন অদ্ভুত বা বিস্ময়কর ব্যাপার দেখে যে আমার চোখ ট্যারা হয়ে যায়, তা কিন্তু নয়, যে-কোন সময়েই এরকম হতে পারে। অর্থাৎ আমার সামনে হয়তো কোন রূপসী যুবতী, কিন্তু আমার মুখ দেখলে মনে হবে, আমি তখন দেয়ালের পোস্টার পড়ছি মন দিয়ে। কিংবা রাস্তা পার হবার সময় পাশ দিয়ে ছুটে আসা ভয়ংকর ট্রাকটিকে লক্ষ্য করছি মনোযোগ দিয়ে, কিন্তু লোকের ধারণা, আমি নাকি তখন রাস্তার ওপারের কোন গজেন্দ্রগামিনীর দিকে তাকিয়ে বিমোহিত হয়ে আছি। অনেকসময় পাশের কোন লোক আমার হাত চেপে ধরে আর্তকণ্ঠে সাবধান করেছেন, ‘কী করছেন! মরবেন নাকি’ কী অর্থে তাঁরা মরার কথা বলেন, আমি বুঝতেই পারিনা।

    মোট কথা, আমার চোখের তারার এইরকম খেয়ালী পাগলামি নিয়ে আমি ছেলেবেলা থেকেই মনঃকষ্টে আছি। বন্ধুবান্ধবরা সান্ত্বনা দিয়ে বলেছে, ও কিছু নয়, তুই একটু লক্ষ্মীট্যারা! লক্ষ্মীট্যারা কথাটা শুনতে খারাপ নয়, ওটা আমার খুব অপছন্দ নয়, কিন্তু অচেনা লোকেরা ভাবে, ওরকম করা আমার বদমাইসী! কেননা, ট্যারা লোকদের চোখ দেখলেই বোঝা যায়, আমার চোখ দেখে কিছুই বোঝার উপায় নেই, আমার চোখ দেখে বড়জোর কেউ বলতে পারে গোরুর মতন ড্যাবডেবে কিংবা ইঁদুরের মতন কুচো-কুচো কিংবা ভেড়ার মতন বোকা-বোকা (আকালে নিভৃতে যে-দু-একজন একেবারেই প্রশংসা করেনি, তাও অবশ্য নয়) —কিন্তু ট্যারা কেউ বলবেনা। কিন্তু সম্পূর্ণ আমার অনিচ্ছা সত্ত্বেই, মাঝে-মাঝে হঠাৎ আমার চোখের তারা দুটো কোণের দিকে চলে যায়, ঘাড়টা বেঁকে যায়, তখন আমার কিছুই খেয়াল থাকেনা, কিন্তু অন্য লোকে ভাবে আমি টেরিয়ে তাকাচ্ছি। হয়তো গভীর মনোযোগ দিয়ে সিনেমা দেখছি, হঠাৎ অন্ধকারে পাশের দম্পতির কাছ থেকে কথা ভেসে আসে আমার উদ্দেশ্যে, লোকটা কী অসভ্য, সিনেমা না-দেখে আমাদের দিকেই তাকিয়ে আছে! আমি লজ্জিত হয়ে চমকে সোজা হয়ে বসি, ওঁদের তো বোঝানো যায়না যে, আমার ঘাড়টা ওঁদের দিকে বেঁকে গেলেও চোখের মণি দুটো আছে সিনেমার পর্দাতেই! একথা মুখে বলা যায়না, সেইসঙ্গে অবশ্য একথাও বুঝতে পারিনা, ওঁরাই-বা সিনেমার পর্দার দিকে না-তাকিয়ে আমার দিকে তাকালেন কেন! অথবা কোন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি হয়তো আমাকে কোন উপদেশ দিচ্ছেন, আমি খুবই আন্তরিকভাবে শুনছি, হঠাৎ তিনি ধমকে উঠলেন, কী, কথা গ্রাহ্যই হচ্ছেনা! অন্যদিকে তাকিয়ে থাকা হচ্ছে!— কলেজে পড়ার সময় যে এইরকম বকুনি কত খেয়েছি। বিনাদোষে আমার এই বকুনি খাওয়া

    আমার এই দোষের কারণ সম্পর্কে অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি। ডাক্তাররা কিছু বলতে পারেননা। আমার বাড়িতে একটা কথা শুনেছি, জানিনা সেটা কতখানি বিশ্বাসযোগ্য। শুনেছি, আমার জন্মের পর, আমার যিনি ধাত্রী বা ধাইমা ছিলেন, তিনি ছিলেন ট্যারা। জন্মের পর বেশ কয়েকবছর আমি তাঁর কোলেই মানুষ হয়েছি এবং আমি তাঁর মতন নকল করে তাকাবার চেষ্টা করতাম। ছেলেবেলা সেই ট্যারা ধাইমাকে নকল করা থেকেই নাকি আমার এই সাময়িক ট্যারা-দৃষ্টির অভ্যেস হয়ে গেছে। অনেক শিশু যেমন লম্বা কবিতা আবৃত্তি করে কিংবা দাঁত ওঠার আগেই রবীন্দ্রসংগীত গেয়ে কিংবা ভালো করে দাঁড়াতে শেখার আগেই টুইস্ট নেচে কিংবা বেড়ালের ইংরেজি বলতে পেরে প্রতিভার স্ফুরণ ঘটায় ও বাপ-মায়ের মুখ আনন্দে উদ্ভাসিত করে, আমারও তেমনি প্রতিভার বিকাশ ঘটেছিল—তিনবছর বয়েসেই আমি ট্যারা ধাইমার নকল করতে পারতাম, অবিকল তার মতন তাকাতে পারতাম লোকজনের অনুরোধে, সবাই তাই দেখে হাততালি দিতেন।

    কিন্তু ছেলেবেলায় যা ছিল আমার প্রতিভার প্রকাশ, এখন সেই জিনিশই আমার প্রতিভার সমস্ত পথ আটকে রেখেছে। সোজাভাবে দেখতে না-পারা, সামনে তাকিয়ে পাশের জিনিশ দেখা, কিংবা পাশে তাকিয়ে সামনে দেখা—এই গোলমালই মনে হয়, আমার সমস্ত দুর্ভাগ্যের মূল কারণ। সে-কথা যাকগে, আমার এই সাময়িক ট্যারাত্ব কাটাবার আমি বহু চেষ্টা করেছি, পারিনি, একটু অন্যমনস্ক হলেই দেখেছি—সব ভুল হয়ে যাচ্ছে আমার। সুতরাং ভেবেছিলাম, চোখ দুটোকে ঢেকে রাখলে কেমন হয়। অর্থাৎ চশমা। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমার এমনই প্রবল যে, হাজার চেষ্টা করেও চশমা নিতে পারিনি। চোখ দুটো আমার যতই দেখতে খারাপ হোক, আমার দৃষ্টিশক্তি সত্যিই খুব জোরালো। রাস্তায় বাস আসতে দেরি হলে শ্যামবাজারে দাঁড়িয়ে বন্ধুবান্ধবরা আমাকে অনুরোধ করে দ্যাখ তো, বালিগঞ্জ থেকে বাস ছাড়ল কিনা!—রামায়ণের যুগে জন্মালে আমার ধারণা, হনুমানের দরকার হতোনা, কন্যাকুমারিকায় দাঁড়িয়েই আমি অনায়াসে লঙ্কার অশোকবনে বন্দিনী সীতাকে দেখতে পেতাম। সুতরাং চোখের ডাক্তারের কাছে আমার কোন সুবিধে হয়নি, উল্টোপাল্টা এ বি সি ডি চার্টের একেবারে নিচে লেখা প্রিন্টেড অ্যাট ক্যালকাটা—তাও পড়ে দিয়েছিলাম বলে তিনি চোখ রাঙিয়ে আমাকে নিষেধ করে দিয়েছিলেন, যাতে আর কোনদিন তাঁর মূল্যবান সময় আমি নষ্ট না-করি!

    হঠাৎ একদিন একটা সুযোগ এসে গেল। একদিন বাড়ি ফিরে দেখি, আমার মায়ের কাছে একজন বেশ বুড়ি মতন মহিলা বসে আছেন। বেশ পুষ্ট চেহারার বিধবা, নির্ভেজাল বাঙাল ভাষায় ঘর ভর্তি করে রেখেছেন। মা বললেন, একে চিনতে পারিস! এ হচ্ছে বিলুর মা, এ তোকে ছেলেবেলায় মানুষ করেছিল। শুনে আমি স্তম্ভিত হয়ে গেলাম। এই সেই, এই সেই আমার ছেলেবেলার ধাত্রী? আমার ওঁকে চিনতে পারার কথা নয়। আমি ওঁকে দেখছি অন্তত পঁচিশ বছর বাদে। জন্মেছিলাম পুববাংলার এক গ্রামে, সেই গ্রামের, মাটির কথা এখনো মনে আছে, কিন্তু মানুষজন সব আবছা হয়ে গেছে।

    শুনলাম, আমার ধাত্রী, অর্থাৎ, বিলুর মা, পাকিস্তান হবার পরও পুববাংলায় ছিলেন, বছর পাঁচেক আগে মাত্র রিফিউজি হয়ে এসেছেন, আছেন রানাঘাটের এক কলোনিতে। সত্তরের বেশি বয়েস, শরীর এখনো ভাঙেনি, কিন্তু চোখ দুটো নষ্ট হয়ে গেছে প্রায়, চোখে প্রায় কিছুই দেখতে পাননা।

    চোখ দুটো নষ্ট হয়ে গেছে শুনে আমি দমে গেলাম। ওঁর কথা শোনা মাত্রই আমার মনে হয়েছিল ওঁর ট্যারা চোখের দিকে তাকিয়ে একবার মিলিয়ে নিতে হবে তো! ছেলেবেলার সেইসব কথা সত্যি কিনা! কিংবা ওঁর চোখের সামনে যদি আবার নকল করা শুরু করি, তবে এবার উল্টো ফলও হতে পারে এখন, আমার দোষ কেটে যেতে পারে! কিন্তু বিলুর মা এখন অন্ধ। ওঁর চোখের দিকে তাকিয়ে এখন আমার চোখ কী দেখবে?

    বিলুর মা এসেছেন সাহায্য চাইতে। বাচ্চা নাতির হাত ধরে, খোঁজ করতে—করতে এসেছেন আমাদের বাড়িতে। মা একটা কাপড় আর কয়েকটা টাকা দিয়ে দায় মেটালেন।

    বিলুর মা আমাকে একেবারে আদরে আদরে অস্থির করে তুললেন। আমার গায়েমাথায় হাত বুলিয়ে বিস্ময়ে আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে বলতে লাগলেন, ‘সেই দুধের বাচ্চা এখন এত বড় হয়ে গেছে? অ্যাঁ? এ যে ডাঙর জোয়ান! অ্যা? আমার বুকের দুধ খাইয়েছি ওকে, সেই দুধের শিশু আজ এত বড়? অ্যাঁ?’ আমি খানিকটা অভিভূত হয়ে পড়ছিলাম বটে, কিন্তু একজন শহুরে আধুনিক যুবকের পক্ষে এইরকম নোংরা কাপড়-পরা বুড়ির হাত ছোঁয়া আদরে যতখানি অস্বস্তি প্ৰকাশ করা উচিত, তাও করছিলাম।

    বিলুর মা আমাকে একটা অনুরোধ করে বসলেন। বললেন, ‘তোদের এত চেনাশুনো, আমার চোখের একটু চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিতে পারিস? গত পাঁচবছর ধরে চোখের এই অবস্থা। কলকাতা শহরে এলাম, অথচ কলকাতা শহর যে কী জিনিশ, চোখ মেলে দেখতে পারলামনা। ও আমার সোনা, ও আমার মণি, একটু ব্যবস্থা করে দিবি? বড় ইচ্ছে করে মরার আগে একবার চোখ মেলে দেখে যাই। দিবি?’

    এই বৃদ্ধা সম্পর্কে কোন স্মৃতিই আমার মনে নেই, একেবারেই অচেনা লাগছে। কিন্তু, ওঁর বুকের দুধ খেয়েছিলাম—সেই কথা শুনে আমার বুকের মধ্যে একবার মুচড়ে উঠল। চোখের চিকিৎসা করা কি সহজ কথা? কত টাকা খরচ হবে, কোথায় কী ব্যবস্থা করতে হবে কিছু জানিনা, তবু মুখে না উচ্চারণ করতে পারলামনা, বললাম, ‘আচ্ছা, আমি ব্যবস্থা করে দেব, তোমার চোখ ভালো হয়ে যাবে!’ বিলুর মা আমার মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ করতে লাগলেন।

    কোথায় আমার নিজের চোখ ভালো করার কথা, তার বদলে যাঁর কাছ থেকে আমি চোখ-ট্যারা রোগ পেয়েছি, তাঁর চোখ ভালো করার চেষ্টাতেই আমাকে ব্যস্ত হতে হল। বিলুর মা মাঝে-মাঝেই নাতির হাত ধরে আমাদের বাড়ি আসা শুরু করলেন। আমিও বন্ধুর মামা, কলিগের কাকা, প্রতিবেশীর শ্বশুর—ইত্যাদিদের ধরাধরি করে এক চোখের হাসপাতালে সীট জোগাড় করে ফেললাম, প্রায় *বিনাপয়সাতেই বিলুর মার চিকিৎসার ব্যবস্থা হল। ওঁর স্বাস্থ্য তখনো ভালো, চিকিৎসায় সুফলের আশাও পাওয়া গেল। প্রথমে ডাক্তাররা ওঁর দাঁতগুলো তুলে ফেললেন, মুখখানা তো ফোকলা হয়ে চুপসে গেল, তারপর চোখ অপারেশন হবে!

    সেই সময় বিশেষ কাজে আমাকে যেতে হয় উড়িষ্যায়। মাসখানেক বাদে ফিরলাম, যথারীতি এই মাসখানেক আমার অন্যান্য বিষয় নিয়ে এত কিছু ভাবার ছিল যে, বিলুর মার বিষয়ে ভাবার সময় পাইনি। হঠাৎ একদিন বিলুর মা-কে আমাদের বাড়িতে দেখলাম। বুড়ি নিষ্পলক এক চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছেন, অন্য চোখটি তুলোর প্যাড দিয়ে ঢাকা। অপারেশন সার্থক হয়নি, আগে তিনি দুটি চোখেই সামান্য ঝাপসা দেখতে পেতেন, একটা চোখ অপারেশন করার পর সে-চোখটা একেবারে অন্ধ হয়ে যায়। বাকি চোখটা ডাক্তাররা আর অপারেশন করতে ভরসা পাননি। দয়াবশত ডাক্তাররা ওঁর অন্ধ চোখটায় একটা পাথরের চোখ বসিয়ে দিয়েছেন। সেই পাথরের চোখ নিষ্পলক।

    বাকি চোখটা থেকে তুলোর প্যাড সরিয়ে অতিশয় ঝাপসাভাবে তাকিয়ে বুড়ি বললেন, ‘আমার আর কলকাতা শহর দেখা হলনা। তাতে কী! তুই তো চেষ্টা করিছিলি! বেঁচে থাকো, সুখে থাকো, রাজা হও, মানিক আমার, আহা, সেই দুধের ছেলে আজ কত বড়, আহা’—বুড়ির ঝাপসা চোখ দিয়ে জল গড়াতে লাগল।

    খেয়াল করিনি, কখন আমার চোখের মণি দুটো কোণের দিকে সরে গেছে, ঘাড় বেঁকে গেছে। আমি অন্য দিকে তাকিয়ে আছি, আমারও চোখে জল এল হঠাৎ। এখনো সেই অনুকরণ! বুড়ির চোখের জল দেখে আমার অমনি চোখের জল!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Ek Pata Golpo সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }