Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প243 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নীললোহিতের চোখের সামনে – ৯

    ৯

    ঠিক বিকেল পাঁচটা বেজে পনেরো মিনিট, আউট্রাম ঘাটের সামনে যে-মূর্তি তার ডানদিকের কোণ ঘুরে আসবে একটি মেয়ে, মেয়েটির পরনে একটি বোম্বাই ছাপাশাড়ি, পায়ে গোলাপি রঙের ‘লাকি’ চটি, চুল বিনুনি-করা নয়, এলোখোঁপা, মেয়েটির হাতে থাকবে লাল রঙের হাতব্যাগ।

    আর ঠিক সেই সময়েই ঐ মূর্তিটার দিক থেকে অকস্মাৎ বাঁক নেবে একটি ছেলে; ছেলেটির পরনে চওড়া-পাড় ধুতি এবং মুগার পাঞ্জাবি, মাথার চুল একটু কোঁকড়া, হাতে থাকবে ডি এইচ লরেন্সের কাব্যসংগ্রহ (পেপারব্যাক)।

    ছেলেটি এবং মেয়েটি ঠিক পাঁচটা পনেরোয় ঐ মূর্তির দুপাশ দিয়ে এসে মুখোমুখি হবে। ছেলেটি বলবে, আরেঃ! কিন্তু মেয়েটির উদ্দেশ্যে নয়। মেয়েটির পিছন-পিছন আসা একটি মাঝবয়সী ভদ্রলোকও এইসময় বলবেন, আরেঃ! যদিও আগে থেকেই জানা, কিন্তু দুজনকেই আরেঃ! বলতে হবে যথোচিত বিস্ময় ফুটিয়ে। তারিখ, কোন এক রবিবার।

    ওরা থমকে দাঁড়াবে। ভদ্রলোকটি এগিয়ে এসে যুবকটির কাঁধ চাপড়ে সোল্লাসে বলবেন, কী খবর! বহুকাল পর দেখা। আলাপ করিয়ে দি, এই আমার ভাগনি, অরুণা, অরুণা রায়, এখন স্কটিশে বি.এ. পড়ছে। আর, অরুণা, এ হচ্ছে সুবিমল সান্যাল—আমার অনেককালের চেনা। মেয়েটি রক্তিমগণ্ডে হাত তুলে নমস্কার করবে আলতোভাবে—ততক্ষণে ছেলেটির নমস্কার সারা হয়ে যাবে।

    ঐ-যে ভদ্রলোকটি সুবিমল সান্যালের কাঁধ চাপড়ে বহুকাল পরে দেখা হবার জন্য পুলক সোচ্চার করলেন, তিনি অবশ্য সুবিমলকে কস্মিনকালেও চেনেননা, আগে কখনও দেখেননি। তবু তিনি বলবেন, এসো সুবিমল একটু চা-খাওয়া যাক। তাড়া নেই তো তোমার? আরে, অরুণার সামনে অত লজ্জা করছ কেন, অরুণা খুব স্মার্ট মেয়ে, কলেজে কত ডিবেট করেছে।

    তারপর—

    এখানেই স্বীকার করা ভালো, আমি রহস্যময় বা রোমাঞ্চকর লেখা একেবারেই লিখতে পারিনা। ঘটনার সাসপেন্স শেষ পর্যন্ত টিকিয়ে রাখা আমার পক্ষে অসম্ভব। খালি মনে হয়, শেষটা আগে বলে ফেলি, পাঠক আমার চেয়ে ঢের বুদ্ধিমান, সে বহু আগেই বুঝে ফেলে আমার বোকামির প্রয়াস দেখে হাসছে। কোন-এক রবিবার আউট্রাম ঘাটে পাঁচটা পনেরোয় কী-কী ঘটবে—তা আমি আগে থেকেই কী করে জানলাম, সেই কারণটাই বলি আগে।

    কারণ খুব সোজা। সুবিমল আমার কাছে এসেছিল। সুবিমলের বিয়ে হবার কথাবার্তা চলছে। ওর বাড়ির লোক উনচল্লিশ জায়গায় পাত্রী দেখে, শেষ পর্যন্ত অরুণা রায়কে প্রায় পাকা পছন্দ করেছে। অন্যান্য জরুরি বিষয়েও মতের মিল হয়েছে দুপক্ষের। কিন্তু সুবিমল আধুনিক ছেলে, সে প্রেম করে অসবর্ণ বিরাহ করতে পারেনি বটে, কিন্তু একবারে চোখে না-দেখে বাপ-মায়ের কথা শুনেই একটা অচেনা মেয়েকে বিয়ে করে ফেলবে—এত কাঁচাও সে নয়। এ-বিষয়ে সে-বাড়িতে একটা বিদ্রোহই করেছে বলা যায়। অথচ, পাত্রীপক্ষের বাড়িতে গিয়ে ফরাসে বসে একটি লাজুক-লাজুক মেয়েকে দেখা—এ-প্রাচীন প্রথাতেও তার মত নেই। এতে নাকি নারীত্বের অবমাননা না কী-যেন হয়।

    সুতরাং এই অভিনব পরিকল্পনা। পরিকল্পনাটা সুবিমলেরই। রাত্রে শুয়ে-শুয়ে এই পরিকল্পনাটা তৈরি করে সুবিমল নিজের বুদ্ধিতে কীরকম খুশি হয়েছে বুঝতে পারি। সুবিমল আমাকে বলল, এর মধ্যে খারাপ কিছু আছে, বল্? সহজ—সরলভাবে আলাপ-পরিচয় হবে—দুজনেই দুজনকে জানতে পারব আগে থেকে!

    যাইহোক, বন্দোবস্ত সব ঠিকঠাক। ডুয়েল লড়ার সময় যেমন একজন সেকেন্ড ম্যান’ লাগে সেইরকম, সুবিমল আমাকে সঙ্গে নিয়ে যেতে চায়।

    আধুনিক হবার প্রাণপণ চেষ্টায় সুবিমল হয়তো শেষপর্যন্ত একটা ‘প্রেম’ করে বিয়ে করার চেষ্টাই করে যেত, কিন্তু ইতিমধ্যে ও একটা ভালো সরকারি চাকরি পেয়েছে, এবং বছর না ঘুরতেই, ওকে ট্র্যান্সফার করেছে দুমকায়। সেই নির্জন জায়গায় কী করে একা-একা থাকবে—সেইজন্যই ওর বাবা-মা বিয়ের জন্য জোর করেছেন। সুবিমলও মত নাদিয়ে পারেনি।

    আমি শুনে প্রচণ্ড খুশিতে হো-হো করে হেসে উঠে বললাম, ‘বাঃ, এ-তো চমৎকার ব্যাপার, মাইরি! বল, বল, তারপর কী হবে? মেয়েটা কি আগে থেকেই—তোর পরিচয় জানবে?’

    —জানার তো কথা নয়। যদি না, নিজে গোপনে জেনে থাকে। মেয়েদের কৌতূহল তো জানিস!

    —মনে কর ঐ সময়টাতেই যদি বাইচান্স আর-একটা তোরই মতো বা তোর চেয়েও ভালো চেহারার ছেলে এসে পড়ে—তবে ঐ মামা ভদ্রলোক তাকেই সুবিমল বলে পিঠ চাপড়াবে? ভদ্রলোক তো তোকে কখনো দেখেননি।

    —ছবি দেখেছেন।

    -বাঃ! সময়টাও বেছে নিয়েছিস চমৎকার! পাঁচটা পনেরো-পাঁচটা নয়, সাড়ে পাঁচটাও নয়—তাহলে প্ল্যান ধরা পড়ে যেতে পারত! তাছাড়া, শীতকালের ঠিক ঐ সময়টাতেই কনে-দেখা-আলো পড়ে, নারে?

    সুবিমল এবার একটু লজ্জা পেল। আমি বললাম, ‘যদি এই মেয়েকেই তোর পছন্দ হয়—তবে ফুলশয্যার রাত্রে এই ঘটনাটা নিয়ে তোরা দুজনে খুব হাসাহাসি করতে পারবি। আচ্ছা বল, তারপর কী কী হবে?’ চা-খেতে তো বসা হল, বুঝলাম —কথাবার্তা কীরকম হবে?

    —তারপর আর-কিছু ঠিক করা নেই। কথাবার্তা যে-ভাবে এগোয় আর-কী। হঠাৎ দেখা হলে লোকে যা কথা বলে আর কী!

    —যাঃ! আমাকে তো সব জেনে রাখতে হবে! আমি যাতে আবার কোন বেফাস কথাবার্তা না-বলে ফেলি! আমার বোধহয় বেশি কথা বলাও ঠিক হবেনা। তাহলে না শেষকালে মেয়েটির আমাকেই পছন্দ হয়ে যায়। আমাকে একটু গম্ভীর প্রকৃতির লোক সাজতে হবে। তোর ভয় নেই, আমি ভুরু কুঁচকে নাকটা বেঁকিয়ে আমার মুখটা যতদূর সম্ভব কুচ্ছিৎ করে রাখব আগাগোড়া। কথাবার্তা কী বলবি বল, তুই নিশ্চয়ই কিছু ভেবে রেখেছিস।

    সুবিমল হেসে বলল, ‘যাঃ, আগে থেকে ভেবে কোন কথা বলা যায়না।’

    আমি বললাম, ‘কথাবার্তা কীরকম হবে আমি কল্পনা করতে পারি। মামা ভদ্রলোকটি পাকেচক্রে তোর চাকরির কথা জিজ্ঞেস করবে। তুই মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করবি তার কলেজের কথা। কোন্-কোন্ সাবজেক্‌ট বেশি ভালোবাসে। এম.এ. পড়ার ইচ্ছে আছে কিনা। মাঝখানে একবার, গঙ্গার দিকে তাকিয়ে, গঙ্গানদীতে চড়া পড়ে যাওয়ার সমস্যা আর সি এম পি ও’র দ্বিতীয় ব্রিজ বানাবার পরিকল্পনা নিয়ে কথা হয়ে যাবার পর—তুই তোর হাতের লরেন্সের কাব্যসংগ্রহটা নিয়ে নাড়াচাড়া করতে-করতে একফাকে অরুণা নাম্নী মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করবি, লরেন্সের কবিতা তার ভালো লাগে কিনা। মেয়েটি জানাবে, সে লরেন্সের ‘রকিং হর্স উইনার’ নামে একটি গল্প পড়েছে, (‘লেডি চাটার্লিস লাভার’ পড়ে থাকলেও বলবেনা)—তুই লরেন্সের যে-কোন একটা কবিতার চার-পাঁচলাইন চেঁচিয়ে পড়ে বলবি, আঃ, এটা পড়ে দেখুন, কী চমৎকার কবিতা। ঐ-ফাঁকে তোর দেখে নেওয়া উদ্দেশ্য, মেয়েটির ইংরেজি উচ্চারণ কেমন। কারণ, অফিসারের বউদের নানা পার্টিতে যেতে হয়—ইংরেজিটা একটু ভালো জানা দরকার!’

    সুবিমল বলল, ‘যাঃ, তুই বেশি ইয়ার্কি করছিস। রবিবার ফ্রি আছিস কিনা বল্।’

    আমি বললাম, ‘সুবিমল, তুই একটা গাধা!’

    —বিয়ের আগে সবাইকেই গাধা-গাধা দেখায়!

    —তুই ব্ল্যাকমার্কেট করছিস কেন?

    —ব্ল্যাকমার্কেট?

    —তাছাড়া কী? ঠিকঠাক করা বিয়েকে তুই প্রেমের বিয়ে বলে চালাতে চাস্! যেন এক সন্ধেবেলা দুজনেরই দুজনকে গভীর পছন্দ হয়ে গেল! তোর বাবা অবশ্য পণ নেবেননা জানি, বউভাতের খরচ বলে হাজার চারেক টাকা নিতে পারে! দানসামগ্রী নিয়ে কোন কথাই উঠবেনা, সে তারা মেয়েকে যা ভালো বোঝেন দেবেন। অবশ্য, তোর হাতঘড়িটা যে খারাপ হয়ে গেছে, সে-কথাটা কোনক্রমে ওঁরা জেনে যাবেনই। আর দুমকাতে গিয়ে নতুন সংসার পাততে হবে—সেজন্য আসবাবপত্র যদি মেয়ের মা মেয়ের জন্য শখ করে কিনে দেন, তাতে কার কী বলার আছে?

    –তুই ঠাট্টা করছিস, কিন্তু ব্যাপারটা এত সহজ নয়।

    —জানি। সকলেই বিদ্রোহী নয়। বিদ্রোহী সাজাও যায়না। মূর্তিমান উগ্র আধুনিক যখন একটি শাড়ি পরানো টাকার পুটলিকে বিয়ে করে, তখন সে বন্ধুদের কাছে কাঁচুমাচুভাবে বলে, কী করব ভাই—মা বুড়ো হয়েছেন, মায়ের ইচ্ছে—। কথাটা সম্পূর্ণ মিথ্যেও নয়। মা যদি অবুঝও হন, তবু তোকে দুঃখ দিয়ে ক’জন বিদ্রোহ করতে পারে, জানিনা। আমি তোকে সে-কথা বলছিও না।

    –তুই জানিস না, আমি মা-বাবাকে বোঝাবার অনেক চেষ্টা করেছিলাম। তাছাড়া, বাড়ির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করব, কার জন্য? সেরকম মনের মতো মেয়ে পেলাম কোথায়? মনের মতো দূরের কথা, এই তিরিশ বছরের জীবনে একটা মেয়ের সঙ্গে তেমনভাবে আলাপই হল না। অথচ আমি মোটামুটি সুস্থ-স্বাভাবিক ছেলে! তোর যে-সমাজ পণপ্রথা ওঠাতে চায়, জাতিভেদ, কাস্টসিস্টেম ঘোচাতে চায়—সে-সমাজ ছেলেমেয়েদের সহজভাবে মেলামেশা করার সুযোগ দিয়েছে? খুব তো বিদ্রোহ-ফিদ্রোহ বড়-বড় কথা বলছিস! একটা ভিন্নজাতের মেয়েকে বিয়ে করে যে বাড়ির গোঁড়ামি ভাঙব—সেরকম একটা মেয়ের সঙ্গে আলাপ হল কোথায়? ওসব বড়লোকদের মধ্যে হয়—অথবা কবিটবিদের, আমরা মেশার সুযোগ পেলাম কোথায়? একটা মেয়ের সঙ্গে একটু একা কথা বললেই তো— অমনি সবার ভুরু কুঁচকে উঠল! তাই শেষ পর্যন্ত ভাবলাম, দূর ছাই!

    —তুই যা করছিস তাতে আমি কোনই আপত্তি করিনি। আমি শুধু বলছি ইস্কাবনকে ইস্কাবন বলে ডাকতে। ঠিক করা বিয়ে যখন হচ্ছে, তখন পুরোপুরিই হোক! চল, আমরা মেয়ে দেখতে যাই মেয়েরই বাড়িতে। ফরাসের ওপর বসে লুচি-সন্দেশ সাঁটতে-সাঁটতে পাত্রীকে বলব, একটু হাঁটো তো মা! হারমোনিয়ামে রবীন্দ্রসংগীত শুনি। চুলের গোছায় হাত দিয়ে দেখি মোজা লুকোনো আছে কিনা! ভূদেব মুখুজ্যের লেখা থেকে ডিকটেশান দিয়ে হাতের লেখা দেখব, জিজ্ঞেস করব নেপোলিয়ানের ছোট ছেলের জন্মসাল। কলেজে ডিবেট-করা মেয়ে যখন বাপ—মায়ের কথাতেই বিয়ে করছে, তখন সে এসবও করতে বাধ্য।

    সুবিমল আমার দিকে ভূ-কুঁচকে তাকাল আমার মতলব বোঝার জন্য। আমাকে তখন বক্তৃতায় পেয়ে বসেছে। আমি বললাম, ‘তুই পণই-বা নিবিনা কেন? তুই ইস্কুলে ‘পণপ্রথার কুফল’ সম্পর্কে রচনা লিখে ফার্স্ট হয়েছিলি, তাতে কী হয়েছে? যে-ছেলে অসুখের সময় বার্লি খেতে একেবারেই পছন্দ করতনা, সে যেমন পরে ডাক্তার হয়ে আবার সব ছোট ছেলেকে বার্লি খেতে বলে, কিংবা, প্রবীণ লেখকদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছে যে-নবীন লেখক—সেই যেমন এক সময় প্রবীণ হয়ে পরবর্তী নবীনদের দুচক্ষে দেখতে পারেনা, কিংবা ট্রেনের কামরায় খুব ভিড়—একজন লোক উঠতে পারছে না—কামরা শুদ্ধু লোক বলছে জায়গা .নেই জায়গা নেই—খুব কাকুতি-মিনতি করে উঠে আসার পর—সেই লোকটাই যেমন পরের স্টেশনে লোকদের সঙ্গে গলা মিলিয়ে ওইরকম আরেকটা লোককে বলে জায়গা নেই, জায়গা নেই—সেই একই যুক্তিতে তুইও ঠিক করছিস।’

    বলাই বাহুল্য, সেই রবিবার সুবিমল আমাকে সঙ্গে নেয়নি। কিন্তু দুঃখের কথা এই যে, অরুণা রায় নাম্নী মেয়েটির সঙ্গে সুবিমলের বিয়েও হয়নি। সুবিমল যে তাকে পছন্দ করেনি তা নয়। কিন্তু পাকা দেখার দু-একদিন আগে স্কটিশচার্চ কলেজের একটি ছেলের চিঠি আসে তার কাছে, সুবিমল যদি অরুণাকে বিয়ে করে, তবে সেই ছেলেটি নাকি আত্মহত্যা করবে! ফলে সুবিমল অরুণার চরিত্রে সন্দিহান হয়ে, আর-একটি ম্যাট্রিক পাশ—কলেজে-না-পড়া মেয়েকে দ্রুত বিয়ে করে ফেলল। সেই বিয়েতে গতকাল আমি চানাচুর, কাটলেট এবং মুগের ডালের সন্দেশের নেমন্তন্ন খেয়ে এলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আকাশ পাতাল – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Ek Pata Golpo সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026

    নীললোহিতের অন্তরঙ্গ – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }