Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শয়তানের সন্তান – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    সৈকত মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প226 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পতঙ্গ সঙ্গম – ১

    এক

    নভেম্বর-মাসের সতেরো-তারিখ ছিল রবিবার। ওইদিন ভোররাতের দিকে দুর্গাপুরের ‘সিমবায়োটিক ইনটারন্যাশনাল’-এর একটা ঘরে বৈজ্ঞানিক প্রদীপ কামাথ আত্মহত্যা করেন। কোক-আভেন থানার সাব-ইনস্পেক্টর বিপ্রদাস মণ্ডল খবরটা পায় বেলা দশটা নাগাদ, কারণ সেদিন সে ছুটির মুডে বাড়িতেই ছিল। ওদের বাড়িটা দুর্গাপুরের গোপালমাঠ অঞ্চলে।

    বিপ্রদাস তখন খাটের ওপর বালিশে হেলান দিয়ে বসে, সাদা-তরকারি দিয়ে লুচি খাচ্ছিল। বালিশের পাহাড় বেয়ে তার ঘাড়ে মাথায় উঠে খেলা করছিল চারবছরের দস্যি ভাইঝি টুনাই। এমন আদর্শ ছুটির সকালটা মুহূর্তের মধ্যে ভণ্ডুল হয়ে গেল থানার ওসি সুধীর মাইতির একটা ফোনে। সুইসাইডের ঘটনাটা জানিয়ে মাইতিসাহেব বললেন, ‘দুজন কনস্টেবলকে দিয়ে জিপ পাঠিয়ে দিয়েছি। পনেরো-মিনিটের মধ্যে ওই ইনস্টিটিউটে চলে যাও। ইট ইজ আর্জেন্ট।’

    বিপ্রদাস একটু সন্দেহের সুরে জিগ্যেস করল, ‘সুইসাইড যে, সেটা ঠিক তো স্যার? নাকি?’

    ‘একদম কনফার্মড সুইসাইড। ইনসটিটিউটের ডিরেক্টর নিজেই ফোন করেছিলেন। বললেন, লোকটা ভেতর থেকে ঘরের দরজা আটকে বিষ খেয়েছে। তার ওপরে সি. সি. টিভির ফুটেজও রয়েছে। জলের মতন সহজ কেস। মর্গে চালান দেওয়া ছাড়া তোমার আর কোনো কাজ নেই। তবে আবারও বলছি, দেরি কোরো না। বড্ড চাপ আছে।’

    বিপ্রদাস জিগ্যেস করল, ‘চাপ কেন স্যার? লোকটা কি ভি.আই.পি.?’

    ‘তাই তো মনে হচ্ছে। সায়েন্টিস্ট হিসেবে নাকি ওয়ার্ল-ফেমাস। অনেক অ্যাওয়ার্ড-ট্যাওয়ার্ড পেয়েছে। তাছাড়া ”সিমবায়োটিক” হচ্ছে আমেরিকান কোম্পানি। সেইজন্যেই চারদিক থেকে ক্রমাগত কোয়ারি আসছে—কী হল? কেমন করে হল?’

    একটু দম নিয়ে মাইতিসাহেব বললেন, ‘শোনো মণ্ডল, হাসপাতালের সুপার-কে একটু বলে দেখো, যাতে ইনকোয়েস্টটা দুপুরের মধ্যে সেরে দেওয়া যায়। তাহলে দমদম থেকে বডিটাকে রাতের ফ্লাইট ধরিয়ে দিতে পারব।’

    ‘বডি কোথায় যাবে স্যার?’

    ‘পুণে। ওখানেই মিস্টার কামাথের ফ্যামিলি থাকে। ওঁর এক ভাই অলরেডি বডি নিয়ে যাওয়ার জন্যে রওনা হয়ে গেছেন।’

    মোবাইলটা নামিয়ে রেখে বিপ্রদাস শেষ দুটো লুচি একসঙ্গে মুখে পুরে বিছানা থেকে লাফিয়ে নামল। বিপ্রদাসের বউদি মৌসুমী প্রায় ওর সমবয়সি। সে একটা থালায় আরো কয়েকটা লুচি নিয়ে ঘরে ঢুকছিল। বিপ্রদাস হাত নেড়ে জানাল আর লাগবে না। তারপর বেসিনের দিকে হাত ধুতে দৌড়ল।

    মৌসুমী অবাক হয়ে জিগ্যেস করল, ‘ব্যাপার কী? বেরোতে হবে?’

    মুখভর্তি লুচি নিয়ে বিপ্রদাস কথা বলতে পারছিল না। ইশারায় জানাল, ‘হ্যাঁ।’

    মৌসুমী মুখ কালো করে বলল, ‘খুরে দণ্ডবৎ বাবা এমন চাকরির। রোববারেও একটু শান্তি নেই গো? দুপুরে বাড়িতে খেতে আসা হবে, না কি?’

    ‘খাব, খাব। আমার ফিরতে দু-তিনঘণ্টার বেশি সময় লাগবে না।’ বলতে-বলতেই বিপ্রদাস আলনা থেকে ধরাচুড়ো টেনে নিয়ে বাথরুমের দিকে পা চালাল এবং ঠিক পনেরো মিনিটের মাথাতেই জিপে চেপে রওনা হয়ে গেল দুর্গাপুর এক্সপ্রেস-ওয়ের দিকে। বছর তিনেক হল ওই রাস্তার ধারে চার-একরের ওপর জায়গা নিয়ে তৈরি হয়েছে সিমবায়োটিক ইন্টারন্যাশনালের রিসার্চ ইনস্টিটিউট।

    আগে কখনো এই ইনস্টিটিউটের ভেতরে পা রাখেনি বিপ্রদাস। গেট আগলে দাঁড়িয়ে-থাকা প্রাইভেট সিকিউরিটি-এজেন্সির লোকেরা পুলিশের গাড়ি দেখে স্যালুট দিয়ে সরে দাঁড়াল। তারাই বুঝিয়ে দিল, অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ- বিল্ডিংয়ের দিকে কীভাবে যেতে হবে।

    সিকিউরিটির লোকেরাই নিশ্চয়ই ইন্টারকমে পুলিশ আসার কথা জানিয়ে দিয়েছিল। গাড়িটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বিল্ডিং-এর পোর্টিকোর নীচে দাঁড়াতেই দুজন ভদ্রলোক এগিয়ে এলেন। পরিচয় হওয়ার পরে বিপ্রদাস জানতে পারল, ওঁদের মধ্যে একজন এই ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর শুভময় চ্যাটার্জি। অন্যজন সিকিউরিটি অফিসার বলরাম রায়।

    মিস্টার চ্যাটার্জির বয়স পঞ্চাশের আশেপাশে। নির্মেদ ছিপছিপে চেহারা, ছফুট লম্বা। তীক্ষ্ন নাক, পুরু চশমার পেছনে বড়-বড় চোখ আর ব্যাকব্রাশ করে আঁচড়ানো কাঁচা-পাকা চুলের জন্যে মনে হচ্ছিল, ডিরেক্টরের এই রোলটা প্লে করার জন্যেই তিনি মেক-আপ নিয়ে বেরিয়েছেন।

    বলরাম রায় এক্স-সার্ভিসম্যান। মজবুত চেহারা, চ্যাপটা নাক, সাবধানি চোখ। গায়ের রং কুচকুচে কালো। বয়স আন্দাজ করা কঠিন, তবে চল্লিশের ওপরে তো বটেই।

    নিজের পরিচয় দিয়ে বিপ্রদাস বলল, ‘ইনসিডেন্ট-টা যেখানে হয়েছে আগে সেখানেই চলুন।’

    ‘চলুন স্যার।’ বলরাম রায় ওদের নিয়ে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বিল্ডিং থেকে বেরিয়ে, ডানদিকের রাস্তাটা ধরে হাঁটা লাগালেন। শুভময় চ্যাটার্জিও সঙ্গে চললেন। থানার ড্রাইভার সুজিত একবার গাড়ির জানলা দিয়ে মুখ বাড়িয়ে প্রশ্ন করেছিল, ‘গাড়িটা নিয়ে আসব স্যার?’ বলরামবাবু হাত তুলে বললেন,’দরকার হবে না। জাস্ট পেছনের বিল্ডিংটাতেই যাচ্ছি।’

    রাস্তা ধরে হাঁটতে-হাঁটতে বিপ্রদাস সামনের দিকে তাকাল। একটা বড় মাঠকে ঘিরে ছ’টা বাড়ি মৌচাকের কুঠুরির স্টাইলে সাজানো। তার মধ্যেই একটার দিকে ওদের ছোট্ট মিছিলটা মোড় নিয়েছে। কোথাও কোনো মানুষের মুখ দেখা যাচ্ছিল না। বিপ্রদাস অনেকক্ষণ ধরে যে প্রশ্নটা করবে ভাবছিল, সেটা করেই ফেলল, ‘লোকজন এত কম দেখছি কেন বলুন তো?’

    উত্তরটা দিলেন মিস্টার চ্যাটার্জি। বললেন, ‘এমনিতে আমাদের এখানে এতটাই স্পেস প্রোভাইড করা হয়েছে যে, কখনোই আপনার মনে হবে না ভিড়ের মধ্যে কাজ করছেন। সেকেন্ডলি, আমাদের জুনিয়র সায়েন্টিস্টস, রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্টস এরকম প্রায় পঞ্চাশজন স্টাফ নানান ফিল্ড-ওয়ার্ক নিয়ে বাইরে ঘুরছেন। সেইজন্যেই জায়গাটা আরো ফাঁকা লাগছে।’

    ‘আই সি।’

    ওরা প্রথম-বাড়িটার স্যুইং-ডোর ঠেলে ভেতরের লাউঞ্জে পা দিল। মোট চারজন সিকিউরিটি গার্ড ডেস্কে বসে ডিউটি করছিলেন—দুজন মহিলা, দুজন পুরুষ। ওদের দেখে চারজনেই উঠে দাঁড়িয়েছিলেন। বলরামবাবু হাতের ইশারায় তাদের মধ্যে একজনকে ডেকে নিয়ে বাকিদের নিজের ডিউটি করে যেতে বললেন। যাকে ডেকে নিলেন সেই ছেলেটি একটা চাবির গোছা হাতে নিয়ে ওদের সঙ্গে যোগ দিল। তারপর সবাই মিলে এগিয়ে চলল করিডরের শেষে লিফটের দিকে।

    বাড়িটার ভেতরে পা দিতেই একটা চেনা গন্ধ বিপ্রদাসের নাকে এসে লেগেছিল। স্কুলের উঁচু ক্লাসে পড়াশোনা করার সেই দিনগুলো থেকেই আরো অনেকের মতন বিপ্রদাসের স্মৃতিতেও এই গন্ধটা জড়িয়ে গেছে। অনেকগুলো আলাদা আলাদা গন্ধের যোগফল এই বিশেষ গন্ধটা। ক্লোরিন, বেঞ্জিন, হাইড্রোজেন সালফাইড, বুনসেন-বার্নারের গ্যাস, ফর্মালিন সব মিলিয়ে এই গন্ধটা পৃথিবীর যে-কোনো ল্যাবরেটরির গন্ধ। দেয়ালের বোর্ডগুলোর দিকে তাকিয়ে বিপ্রদাস নিশ্চিন্ত হল, সে ভুল করেনি। প্রাণী ও উদ্ভিদ-বিজ্ঞানের নানান শাখাপ্রশাখার নাম লেখা ছিল বোর্ডগুলোর গায়ে। তীরচিহ্ন দিয়ে দেখানোও ছিল কোন দিকে কোন বিদ্যার হাতেকলমে চর্চা হয়। অর্থাৎ, এই বাড়িটাই সিমবায়োটিকের মূল ল্যাবরেটরি।

    করিডরের শেষে দুটো লিফট। প্রত্যেকটায় ষোলো জনের ক্যাপাসিটি। আপাতত একটা লিফটে উঠল মাত্র ছজন। দুজন কনস্টেবল, এই বিল্ডিংয়ের সিকিউরিটি গার্ড, বলরাম রায়, শুভময় চ্যাটার্জি আর বিপ্রদাস।

    থার্ড ফ্লোরের যে ঘরটার সামনে গিয়ে ওরা দাঁড়াল সেই ঘরের দরজার মতন দরজা বিপ্রদাস এতদিন দেখেছে শুধু ব্যাঙ্কের লকার-রুমে। চওড়া স্টিলের পাল্লা, তার গায়ে গাড়ির স্টিয়ারিংয়ের মতন একটা ব্যাপার। দরজার পাল্লায় চাবি ঢোকানোর পরে সিকিউরিটি গার্ড সেই স্টিয়ারিং ঘুরিয়ে কম্বিনেশন লক খুলে দিল।

    ঘরের ভেতর ঢুকে আরো অবাক হল বিপ্রদাস। প্রথাগত ল্যাবরেটরির সঙ্গে এই ঘরের যন্ত্রপাতির কোনো মিল নেই। চারিদিকে যে সব ইলেক্ট্রনিক সাজসরঞ্জাম সাজানো রয়েছে সেগুলো দেখলে ল্যাবরেটরির বদলে কোনো বড় হসপিটালের রেডিওলজি-রুমের কথাই মনে পড়ে। কম্পিউটার, ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপ, সেন্ট্রিফিউজ মেশিন, রেফ্রিজারেটর ইত্যাদি কয়েকটা মামুলি যন্ত্র চিনতে পারল বিপ্রদাস। বাকি সমস্তই তার অচেনা। একদিকে দেয়ালের গা ঘেঁষে একটা হসপিটাল-কট রাখা ছিল ডাক্তারদের চেম্বারে যেমন থাকে। সরু লোহার একটা খাট। ওপরে টান-টান করে সাদা চাদর বেছানো রয়েছে। খাটটাকে ঘিরে পর্দা ফেলে দেওয়ার বন্দোবস্তও রয়েছে ঠিক হাসপাতালের মতোই।

    ঘরের জানলাগুলো ভেতরদিক থেকে এঁটে বন্ধ করা ছিল। এ.সি. মেশিন চলছিল বলে ঘরটা ঠান্ডা এবং মৃতদেহজনিত দুর্গন্ধ ছিল না। দিনের বেলা হলেও ঘরে জোরালো আলো। মিস্টার চ্যাটার্জি বললেন, চব্বিশঘণ্টাই জ্বলে। এমনকী অন্য সব আলো ঘরের ভেতর থেকে সুইচ টিপে নিভিয়ে দিলেও, দরজার পাশের দেয়ালে যে চৌকোনা আলোটা, সেটা জ্বলতেই থাকবে। কারণটা বোঝা কঠিন নয়। প্রাকৃতিক আলো ঢুকবার উপায়ই তো নেই।

    ওই ল্যাবরেটরি ঘরেই একদিকে একটা চেয়ারের ওপর বসে ছিলেন প্রদীপ কামাথ। তাঁর মাথাটা সামনের টেবিলের ওপর নামানো। মনে হতে পারত ঘুমোচ্ছেন। কিন্তু আসলে ঘুমোচ্ছেন না। মারা গেছেন।

    একটা চকোলেট কালারের কাচের শিশি কামাথের হাত থেকে মেঝের ওপর পড়ে কয়েক টুকরো হয়ে গিয়েছিল। ভেতরের লিকুইডটা যেখান-যেখান দিয়ে গড়িয়ে গেছে সেখানে-সেখানে মেঝের ভিনাইল ফ্লোরিং জ্বলে ছাই হয়ে গেছে। কিছুটা লিকুইড কামাথের হাতের ওপরে পড়েছিল। সেই জায়গার মাংস পুড়ে হাড় বেরিয়ে গিয়েছে। ওই তরল আগুন যে প্রদীপ কামাথের শরীরের ভেতরের যন্ত্রপাতিগুলোর কী হাল করেছে সে কথা ভেবে বিপ্রদাস কিছুক্ষণের জন্যে অন্যমনস্ক হয়ে পড়েছিল। হুঁশ ফিরল পকেটের মোবাইল ফোনটার রিং টোনে।

    কলটা রিসিভ করে সে বুঝল ফোন করেছেন ফরেনসিক ডিপার্টমেন্টের একজন অফিসার। মাইতি সাহেবের কাছ থেকে অর্ডার পেয়ে ওঁরা এখানে চলে এসেছেন। বলরাম রায় ওঁদের এই ঘরে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করলেন।

    পরের এক ঘণ্টায় ফরেনসিকের লোকেরা নিখুঁত পেশাদারিত্বের সঙ্গে নানান অ্যাঙ্গেল থেকে মৃতদেহের ছবি তুললেন, ভাঙা বোতল আর লিকুইডের স্যাম্পেল কালেকশন করলেন। এমনকী বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, ফাইল-কভার, গ্লাস, প্লেট, এইসবের সারফেস থেকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট অবধি নিয়ে নিলেন।

    কাজ শেষ করে সকলকে নিয়ে নীচে নেমে আসতেই বিপ্রদাস দেখল অ্যাম্বুলেন্স এসে গেছে। বিপ্রদাস মনে মনে স্বীকার করল, মাইতি সাহেবের ব্যবস্থাপনা নিয়ে জাস্ট কোনো কথা হবে না। ডেডবডিটাকে কফিন-ব্যাগে পুরে নিয়ে কনস্টেবল দুজন দুর্গাপুর মেন হাসপাতালের দিকে রওনা হয়ে গেল। ওরা গেল অ্যাম্বুলেন্সে। সুজিতের জিপগাড়িটা রয়ে গেল বিপ্রদাসের জন্যে।

    সিকিউরিটি অফিসার বলরাম রায়, ডিরেক্টর শুভময় চ্যাটার্জি আর বিপ্রদাস পায়ে হেঁটেই আবার অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ বিল্ডিংয়ে ফিরে এল। বলরাম রায় আর বিপ্রদাসকে নিয়ে চ্যাটার্জিসাহেব নিজের চেম্বারেই বসলেন। বিপ্রদাস চট করে চারদিকটা একবার দেখে নিল। বাকি ক্যাম্পাসের সঙ্গে মানানসই বিশাল চেম্বার। ঝকঝকে স্টিল, অ্যালুমিনিয়াম, নানান শেডের মার্বেল, ভিনাইল আর টেন্টেড গ্লাসের এক নিখুঁত অর্কেস্ট্রা। সিল্ক ফিনিশড দেওয়ালে ঝুলছে এম এফ হুসেনের ঘোড়া। দেখে তো অরিজিনালই মনে হল। বিপ্রদাস মনে-মনে বলল, কর্পোরেট সেক্টরের ব্যাপার-স্যাপারই আলাদা।

    ইতিমধ্যে ওঁদের তিনজনের জন্যে অত্যন্ত দামি চা আর স্যান্ডউইচ এসে গিয়েছিল। চায়ের কাপে একটা চুমুক দিয়ে বিপ্রদাস প্রশ্ন করল, ‘ডক্টর চ্যাটার্জি, মিস্টার কামাথ যে সুইসাইড করেছেন সেটা কখন বোঝা গেল?’

    ‘যখন সুইসাইড করেছেন, সেই মুহূর্তেই। রাত চারটে সতেরোয়।’

    ‘তার মানে? ওঁর সঙ্গে কেউ ছিলেন?’

    এবার উত্তরটা দিলেন বলরাম রায়। তিনি বললেন, ‘আমাদের নাইট-ডেস্কের লোকেরা সারা-রাত সি.সি. টিভি-র মনিটরে চোখ রেখে বসে থাকে। ওরা অ্যাকচুয়ালি মিস্টার কামাথকে সুইসাইড করতে দেখেছিল। অ্যান্ড ইনস্ট্যান্টলি দে রাশড টু দা স্পট। কিন্তু’ একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে হাতের পাতা দুটো ওলটালেন বলরাম রায়।

    বিপ্রদাসের চোখের সামনে আরেকবার ভেসে উঠল পোড়া মেঝে আর মিস্টার কামাথের হাতের চেহারাটা। সত্যি। ওই অবস্থায় কারুরই আর কিছু করার থাকে না। বিপ্রদাস প্রশ্ন করল, ‘আচ্ছা, যেটা উনি গলায় ঢেলেছেন, সেই জিনিসটা কী?’

    মিস্টার চ্যাটার্জি উত্তর দিলেন, ‘ডাই-মিথাইল সালফোক্সাইড। দুর্দান্ত সলভেন্ট, তাই যে-কোনো ল্যাবরেটরিতেই দু-এক শিশি পাবেন। প্রায় সবকিছুকেই মুহূর্তের মধ্যে গলিয়ে ফেলে। তার মধ্যে মানুষের চামড়া আর মাংসও আছে।’

    রুমাল বার করে কপালের ঘাম মুছল বিপ্রদাস। তারপর বলল, ‘সি.সি. টিভি-র ফুটেজটা একটু দেখা যাবে?’

    বলরাম রায় বললেন, ‘শিওর। এই ঘরেই তো একটা টার্মিনাল রয়েছে, ফর দা বেনিফিট অফ দা ডিরেক্টর। আসুন স্যার এই চেয়ারটায় বসুন।’ তিনি ঘরের কোনায় একটা কম্পিউটারের সামনে বিপ্রদাসকে বসিয়ে মনিটর অন করলেন। কিছু অ্যাডজাস্টমেন্টের পরে স্ক্রিনে ওই ল্যাবরেটরির ছবি ফুটে উঠল। ঘরটার চেহারা একটু আগে বিপ্রদাস যেমন দেখে এসেছে, সেইরকমই। শুধু প্রদীপ কামাথ বসে আছেন ঘরের অন্য কোনায় একটা রিক্লাইনিং-চেয়ারের ওপরে। অত্যন্ত এলিয়ে পড়া ভঙ্গি। হাবভাবের মধ্যে গবেষণার কোনো উদ্যোগই চোখে পড়ছে না।

    বিপ্রদাস মনিটরের নীচের দিকে ডিজিটাল অক্ষরে ফুটে ওঠা সময় দেখে প্রশ্ন করল, ‘রাত একটা?’

    বলরামবাবু বললেন, ‘হ্যাঁ, গতকাল রাত একটার ছবি এটা। একটু ফাস্ট ফরোয়ার্ড করি স্যার? এই ধরুন আধ ঘণ্টা?’

    ‘করুন।’ মনিটরের দিকে ঝুঁকে উত্তর দিল বিপ্রদাস।

    রাত দেড়টার ছবির সঙ্গে একটার ছবির কোনো তফাত ছিল না, যেমন তফাত ছিল না দেড়টার সঙ্গে সাড়ে তিনটের। দশ মিনিট পনেরো মিনিট আধঘণ্টা এগিয়ে পিছিয়ে অনেকগুলো ফ্রেম দেখল বিপ্রদাস। সবকটা ফ্রেমেই দেখা গেল ওই বৈজ্ঞানিক প্রদীপ কামাথ জড়ভরতের মতন রিক্লাইনিং-চেয়ারটার ওপর বসে আছেন। কখনো মাথাটা একটু পেছনে হেলিয়ে দিলেন, কখনো হাত দিয়ে কপালটা মুছে নিলেন, কিম্বা দাঁত দিয়ে নীচের ঠোঁটটা কামড়ে ধরলেন—ব্যস, এইটুকুই।

    সারা রাতের মধ্যে এর চেয়ে বেশি নড়াচড়া করলেন না ভদ্রলোক। প্রথমবার চেয়ার থেকে যখন উঠে দাঁড়ালেন তখন ডিজিটাল-ক্লক সময় দেখাচ্ছে চারটে বেজে পাঁচ মিনিট। ওই সময়েই প্রদীপ কামাথ হঠাৎ মাথাটা তুলে সামনে তাকালেন, যেন দরজার বাইরে থেকে তাকে কেউ ডাকছে।

    বিপ্রদাস ঘাড় ফিরিয়ে বলরাম রায়ের মুখের দিকে তাকাল। বলরাম রায় ফিসফিস করে বললেন, ‘আপনি কী ভাবছেন বুঝতে পারছি স্যার। আমিও প্রথমে তাই ভেবেছিলাম। বন্ধ দরজার ওপাশে কেউ এসে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু না। দরজার বাইরেও একটা সি.সি. টিভি আছে। তার করেসপন্ডিং ফুটেজ আমি চেক করেছি। এই দেখুন।’

    মাউসের দুটো ক্লিকে ল্যাবরেটরির চৌখুপির পাশে আরেকটা চৌখুপি এসে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে গেল। এটা দরজার বাইরের ভিডিও ক্লিপিং। ওই চারটে বেজে পাঁচ মিনিট থেকেই শুরু হয়েছে। না, ওখানে কেউ নেই। শূন্য করিডর।

    বলরাম রায় আবার ল্যাবরেটরির ভেতরের দৃশ্যে ‘জুম ইন’ করলেন। প্রদীপ কামাথ উঠে দাঁড়িয়েছেন। চোখ বড় বড় করে কিছু শুনছেন। ওপরে নীচে ঘাড় নাড়ছেন। একবার বুকের কাছে হাতদুটো জোড় করে আবার নামিয়ে নিলেন। যে কেউ দেখলে ভাববে, ওঁর সামনে, ক্যামেরার লেন্সের আওতার বাইরে, আরেকজন কেউ দাঁড়িয়ে রয়েছে যার সঙ্গে ওঁর কথোপকথন চলছে। অথচ সি.সি. টিভি দেখাচ্ছে কেউ কোথাও নেই। উনি শুধু ছায়ার সঙ্গে কথা বলছেন। হাওয়ার সামনে হাতজোড় করছেন। অন্ধকারের আদেশ পালন করছেন।

    ভোর চারটে বেজে পনেরো মিনিট। ছবিতে দেখা গেল প্রদীপ কামাথ পেছন ফিরে কোথায় যেন চলে গেলেন। বলরাম রায় বললেন, ‘ওই কেমিকালটা আনতে গেলেন। অ্যান্টি-চেম্বারটা দেখলেন না, ওই জায়গাটা ক্যামেরায় ধরা পড়ে না।’

    ঠিক দু-মিনিটের মধ্যে আবার চেয়ারে এসে বসলেন ডক্টর প্রদীপ কামাথ। এখন ওঁর হাতে সেই ডাই-মিথাইল-সালফোক্সাইডের বোতল। তারপর হঠাৎই উনি বোতলের ঢাকনা খুলে ঢকঢক করে মুখের মধ্যে চালান করে দিলেন এক-বোতল সলভেন্ট।

    বিপ্রদাস তার পাঁচ বছরের পুলিশের চাকরিতে অনেক বীভৎস দৃশ্য দেখেছে। তবু তার মুখ দিয়েও একটা চাপা আর্তনাদ বেরিয়ে এল।

    ডিরেক্টর শুভময় চ্যাটার্জি আর্তনাদ করলেন না, তবে দাঁতে দাঁত চিপে কোনোরকমে বললেন, ‘ওহ, স্টপ ইট, স্টপ ইট, মিস্টার রয়। আই ক্যাননট বেয়ার দিস এনি মোর।’ সত্যিই, শুভময় চ্যাটার্জিকে দেখে মনে হচ্ছিল উনি অজ্ঞান হয়ে যাবেন।

    বলরাম রায় কম্পিউটার শাট ডাউন করে বললেন, ‘এই দৃশ্য দেখেই আমার লোকেরা ল্যাবরেটরিতে দৌড়ে যায়। দরজা ভেতর থেকে লক করা ছিল। কিন্তু সিকিউরিটির কাছে কোডনাম্বার ছিল। দরজা খুলতে অসুবিধে হয়নি। সি.সি. টিভির ফুটেজ দেখে বুঝতে পারছি, ইনসিডেন্টের পরে দরজা খুলে ঘরে ঢুকতে ওদের ঠিক ছ’মিনিট সময় লেগেছিল। কিন্তু ততক্ষণে মিস্টার কামাথ মারা গেছেন। সেটা বুঝতে পেরেছিলাম বলেই আমরা কেউ আর ডেডবডিতে হাত ছোঁয়াইনি। আমাদের এখানে একজন রেসিডেন্ট ফিজিশিয়ান আছেন, ডাক্তার এ কে সামন্ত। উনি খবর পাওয়ার দশমিনিটের মধ্যেই স্পটে গিয়ে ভিকটিমকে এগজামিন করেন। তবে উনিই বা কী করবেন?’

    বিপ্রদাস ভুরু কুঁচকে কী যেন ভাবছিল। একটু বাদে বলরাম রায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘একটা কথা জিগ্যেস করব মিস্টার রায়?’

    বলরাম রায় বললেন, ‘বলুন স্যার।’

    ‘এই যে একজন বৈজ্ঞানিক আপনাদে ল্যাবরেটরিতে সারা রাত একা বসে ছিলেন, এর মধ্যে কোনো অস্বাভাবিকতা ছিল না? আপনার লোকেরা কেউ খোঁজ নিতে গেল না কেন?’

    সিকিউরিটি অফিসার মুখ খুলবার আগেই শুভময় চ্যাটার্জি বললেন, ‘উত্তরটা আমি দিই মিস্টার মণ্ডল? ইফ ইউ পারমিট।’

    ‘শিওর।’

    ‘দেখুন, মিস্টার কামাথ ছিলেন একজন সিনিয়র সায়েন্টিস্ট। হি ওয়জ আ জিনিয়াস। একজন জিনিয়াসের কাজের প্যাটার্ন ইনস্টিটিউটের ডিসিপ্লিনের সঙ্গে মিলবে এরকম কোনো কথা নেই। ইন ফ্যাক্ট গত প্রায় একবছর ধরে মিস্টার কামাথকে আমরা দেখেছি, উনি রাত জেগে কাজ করতেই পছন্দ করতেন। কাজেই কাল রাতেও ওঁর ল্যাবরটরিতে থাকাটা কারুর কাছেই আনইউজুয়াল মনে হয়নি।

    ‘আর চুপ করে বসে থাকার কথা বলছেন? আমাদের এই ক্যাম্পাসে চড়াইপাখির থেকে সায়েন্টিস্টের সংখ্যা বেশি। আমি দেখেছি, সায়েন্টিস্টরা সকলেই ওইভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চুপ করে বসে থাকতে পারেন। থাকেনও। কথা বলে জেনেছি, কাজের কাজগুলো ওঁরা ওইসময়েই করে ফেলেন—ব্রেন-স্টর্মিং-এর কাজ, মাথা তোলপাড় করে একটা রহস্যের উত্তর খুঁজে আনার কাজ, এলোমেলো চিন্তাগুলোকে গুছিয়ে একটা প্যাটার্নে সাজিয়ে ফেলার কাজ।’

     ‘বুঝলাম।’ চায়ের কাপটা সরিয়ে রেখে উঠে দাঁড়াল বিপ্রদাস। বলল, ‘আমি এখন চলি। পরশু আরেকবার আসব। অন্য কিছু নয়, মিস্টার কামাথের বায়োডেটা, উনি কী কাজে এখানে এসেছিলেন, এইসব একটু জানার প্রয়োজন হবে।’

    ‘ইউ আর অলওয়েজ ওয়েলকাম।’ শুভময় চ্যাটার্জি এবং বলরাম রায় দুজনেই পর পর বিপ্রদাসের সঙ্গে শেক হ্যান্ড করলেন। ডক্টর চ্যাটার্জি নিজের ভিজিটিং-কার্ড বার করে বিপ্রদাসের হাতে দিলেন। বিপ্রদাসও নিজের পার্সোনাল মোবাইলের নম্বর ওদের দুজনকে দিয়ে বলল, কোনো প্রয়োজন হলেই যেন ওর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

    পোর্টিকোয় পৌঁছে যখন বিপ্রদাস গাড়ির দরজায় হাত রেখেছে তখন বলরাম রায় জিগ্যেস করলেন, ‘আমরা কি কেসটাকে ক্লোজড বলে ধরব, স্যার?’

    বিপ্রদাস বলল, ‘আগে ফরেনসিক আর ইনকোয়েস্টের রিপোর্টগুলো পাই, তারপর বলব। ভালো কথা, কাইন্ডলি ওই সি.সি. টিভির ফুটেজের একটা কপি করিয়ে রাখবেন। আমি পরশুদিন এসে নিয়ে যাব।’

    .

    হাসপাতাল এবং থানা ঘুরে বিপ্রদাস যখন নিজের বাড়িতে ঢুকল তখন বাজে সাড়ে তিনটে। মৌসুমী বাইরের ঘরের সোফায় শুয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল। কলিংবেলের আওয়াজ পেয়ে উঠে গিয়ে দরজা খুলল। বিপ্রদাস অপরাধীর মতন মুখ করে বলল, ‘না খেয়ে বসে আছ নাকি?’

    উত্তর এল, ‘যতদিন কাউকে বিয়ে করে ঘরে না নিয়ে আসছ ততদিন থাকতেই হবে। তাড়াতাড়ি চান সেরে এসো। নমিতাদির বাসন মাজতে আসার সময় হয়ে গেল।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমেসিয়ানার জ্যোৎস্নারাত – গৌতম ভট্টাচার্য
    Next Article ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    Related Articles

    সৈকত মুখোপাধ্যায়

    ১৬ আনা ভয় – সম্পাদনা : সৈকত মুখোপাধ্যায়

    January 6, 2026
    সৈকত মুখোপাধ্যায়

    খেলার নাম খুন – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    January 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }