Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শয়তানের সন্তান – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    সৈকত মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প226 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পতঙ্গ সঙ্গম – ৩

    তিন

    তিতলি সেদিন জানত না, তার হাসির আয়ু আর একবছর।

    একবছর বাদে বি.এস.সি.-র রেজাল্ট বেরোল। তিতলি শুধু প্রথমই হয়নি, অনেকগুলো পেপারে রেকর্ড-মার্ক পেয়েছে। এই নম্বর নিয়ে কি ও কলকাতাতেই পড়াশোনা করবে, নাকি বিদেশের কোনো ইউনিভার্সিটিতে যাওয়ার চেষ্টা করবে? ওর রেজাল্ট দেখে কলেজের অনেক অধ্যাপক ওকে এই প্রশ্ন করছিলেন। তিতলি নিজেও প্রবলভাবে চাইছিল বিদেশের, বিশেষত আমেরিকার কোনো ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স এবং পি. এইচ. ডি. করে আসতে। গবেষণার বিষয়ও ততদিনে ঠিক করে ফেলেছিল তিতলি। সে হবে প্যারাসাইটোলজিস্ট। পরজীবীদের নিয়ে গবেষণা করবে সে।

    তিতলির এই সিদ্ধান্তের মূলে ছিল ওর ছোটবেলার সেই নীলপরী। ততদিনে তিতলি জেনে গেছে, ওই জুয়েল-ওয়াস্প হচ্ছে একধরনের প্যারাসাইট, যাকে বাংলায় বলে পরজীবী। আর আরশোলারা হচ্ছে তার হোস্ট, অর্থাৎ পালক। একেক পরজীবীর একেক নির্দিষ্ট পালক থাকে। প্যারাসাইটরা হোস্টদের যেভাবে নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করে, যেভাবে তিলে-তিলে তাদের মারে, তা অকল্পনীয়। সাধে কি স্বয়ং ডারউইন বলেছিলেন যে, আমি কিছুতেই নিজেকে বিশ্বাস করাতে পারি না, করুণাময় ঈশ্বর জেনেবুঝে ওই পিশাচ পরজীবীগুলোকে সৃষ্টি করেছিলেন!

    তিতলি বুঝতে পারত না, ডারউইন সাহেবের কেন এমন মনে হয়েছিল।

    সারভাইভাল। বেঁচে থাকা। তার ওপরে যে কিছু নেই সেটা ডারউইনের থেকে বেশি কে বুঝত? প্যারাসাইটরা যা করে তা তো বেঁচে থাকার জন্যেই করে। তিতলিও বাঁচতে চায়। শুধু বাঁচতে চায় না, রানির মতন বাঁচতে চায়। তার মতন নিঃসঙ্গ নির্যাতিত এক মেয়ের পক্ষে সেটা তখনই সম্ভব, যখন সে প্যারাসাইট হয়ে যেতে পারবে। যখন তার হোস্ট হবে পুরুষরা, পুরুষদের মাইন্ড কন্ট্রোল করবে সে—তিতলি যাদব।

    তাই কলেজে অ্যাডমিশন নেওয়ার পর থেকেই তিতলি বইয়ের পাতায়, কম্পিউটারের স্ক্রিনে কিম্বা ফর্ম্যালিনে চোবানো স্পেসিমেনের জারে একের পর এক পরজীবী আক্রান্ত পশু-পতঙ্গের অবাক করা কাহিনি খুঁজে বেড়াত।

    যেমন এককোষী এক পরজীবী, নাম তার Toxoplasma gondii। সে জীবন কাটায় ইঁদুরের অন্ত্রে! কিন্তু বাচ্চা পয়দা করার জন্যে তাকে ঢুকতে হয় বেড়ালের খাদ্যনালীতে। এর জন্যে Toxoplasma gondii করে কি, ইঁদুরের ব্রেনটাকেই পালটে দেয়! ইঁদুর তখন আর বেড়ালকে ভয় পায় না, বরং বেড়ালের গন্ধ শুঁকে শুঁকে তার কাছে গিয়ে ঘোরাফেরা করতে শুরু করে। আশ্চর্য ব্যাপার! আর সব দিক দিয়ে কিন্তু ইঁদুরটা তখনো নর্মাল থাকে, শুধু তার মনে বেড়াল সম্বন্ধে ভয়ের বদলে ভালোবাসা জেগে ওঠে। তারপরে আর কি? বেড়ালে ইঁদুর খায় আর ইঁদুরের পেটের মধ্যে থেকে Toxoplasma চালান হয়ে যায় বেড়ালের পেটে।

     কিম্বা Dicrocoelium dendriticum নামে আরেক পরজীবী! জীবনচক্রের একটা স্টেজে ওই আণুবীক্ষণিক জীবটি পিপড়েদের অন্ত্রের ভেতরে বেড়ে ওঠে। কিন্তু পরের স্টেজে তাকে আবার পৌঁছতে হয় গরু, ছাগলের মতন তৃণভোজী প্রাণীদের পেটে। সেখানে ওদের মেটিং হয়, ওরা ডিম পাড়ে। পিপড়ের পেট থেকে গোরু ছাগলের মতন প্রাণীর পেটে পৌঁছনোর তো একটাই উপায়। গরু, ছাগলকে ওই Dicrocoelium বয়ে নিয়ে বেড়ানো পিপড়েকে ঘাসের সঙ্গে চিবিয়ে খেয়ে ফেলতে হবে। আর তার জন্যে পিপড়েগুলোকে চড়ে বসে থাকতে হবে ঘাসের ডগায়।

    কিন্তু ঘাসের ডগায় চড়ে বসে থাকার জন্যে তো পিপড়েদের জন্ম হয়নি।

    আশ্চর্যের ব্যাপার, Dicrocoelium নামে সেই পরজীবী পিপড়েদের দিয়ে ঠিক সেই কাজটাই করিয়ে নেয়। দেখা গেছে পিপড়ের শরীরে ঢোকার পরেই দু-তিনটে Dicrocoelium তার ব্রেনে গিয়ে কেমিকাল ছড়াতে শুরু করে। পিপড়েরা তখন সকাল হলেই ঘাসের ডগায় চড়ে বসে থাকে। কিন্তু রোদ চড়ার পরেও যদি সেই পিপড়ে ঘাসের ডগায় বসে থাকে তাহলে তার রোদে ঝলসে মরে যাওয়ার চান্স থাকে আর সেই সঙ্গে তার পেটের মধ্যে বাসা বেঁধেছে যে Dicrocoelium-গুলো তাদেরও মরার সম্ভাবনা থাকে। তাই দুপুরবেলায় তারা পিপড়েদের স্বাভাবিকভাবে ছায়ায় ঘোরাফেরা করতে দেয়, কিন্তু রাত হলেই ভূতের মতন আবার তাদের ঘাড়ে চেপে বসে।

    তিতলির এসব কথা পড়তে পড়তে কান গরম হয়ে যেত। সে কেবলই ভাবত, বীজাণুর মতন ছোট প্যারাসাইটগুলোর কী কম্যান্ড! কী নির্মম, কী নিখুঁত ওদের অপারেশন! ওরা মাইন্ড কন্ট্রোল জানে। মনকে মুঠোয় পুরে নেওয়ার জাদু জানে ওরা।

    আসলে তো জাদু নয়, জটিল বায়োকেমিস্ট্রি। প্যারাসাইটের শরীরের কেমিক্যালের প্রভাবে তার হোস্ট অবশ হয়ে যায়। সম্মোহিত অবস্থায় যা করার নয়, তাই করে। যদি প্যারাসাইটদের কাছ থেকে এই রণনীতি শিখে নেওয়া যায়! পারবে না? পারবে না তিতলি মানুষকে চাকর বানাতে?

    পরেরদিন যখন সুরেশ সিং ওর ফ্ল্যাটে এল, তখন তাকে আমেরিকায় পড়তে যাওয়ার ইচ্ছের কথাটা বলেই ফেলল তিতলি। সুরেশ শান্তস্বরে জিগ্যেস করল, ‘কত টাকা লাগবে?’

    তিতলি ইতস্তত করে বলল, ‘ইনিশিয়ালি পনেরো লাখ মতন।’

    ‘কতদিনের মধ্যে লাগবে?’

    তিতলি হিসেব করে বলল, ছ’মাস।

    বিছানা ছেড়ে উঠে সুরেশ সিং বলল, ‘তার মানে মাসে আড়াই-লাখ। দিনে দশ হাজারের একটু কম। ঠিক আছে, হয়ে যাবে।’

    তিতলি ওই দৈনিক হিসেবের মানে বুঝতে পারল না, তবে তাই নিয়ে আর ঘাঁটালোও না। সুরেশ সিং বলেছে, আমেরিকা যাওয়ার টাকা দেবে, এতেই সে মনে-মনে নাচছিল।

    সুরেশ সিং ফুলবাগানের ফ্ল্যাট ছেড়ে বেরিয়ে যাবার পরে তিতলি চান-টান করে আরাম করে চৌকির ওপরে পা ছড়িয়ে বালিশে হেলান দিয়ে বসেছিল। অনেকদিন বাদে সে নিজেই নিজেকে পড়াশোনার থেকে ছুটি দিয়েছিল সেদিন। তার মনে হচ্ছিল, এটা সেলিব্রেট করার মতন একটা সন্ধে। কোল্ডড্রিংকস আর পোট্যাটো-চিপস সহযোগে তিতলি ওয়েব- সিরিজ দেখতে বসল।

    এইভাবে বড়জোর ঘণ্টাদুয়েক কেটেছে। রাত তখন সাড়ে-ন’টা। যখন সবে সে ভাবছে এবার উঠে রাতের খাবারগুলো গরম করবে, তখনই দরজায় কলিংবেল বাজল। আই-হোলে চোখ রেখে তিতলি দেখল সুরেশ সিং ফিরে এসেছে। ওর পেছনে আরেকজন কেউ দাঁড়িয়ে রয়েছে। ভারি অবাক হয়ে তিতলি দরজা খুলে দিল। জিগ্যেস করল, ‘কী ব্যাপার? ফিরে এলেন যে?’

    সুরেশ সিং ওর কথার উত্তর না দিয়ে পেছনের লোকটাকে বলল, ‘আইয়ে। অন্দর আইয়ে।’

    ওরা দুজনে তিতলিকে প্রায় ধাক্কা মেরেই ভিতরে ঢুকে এল। সুরেশ সিং দরজায় ছিটকিনি তুলে দিয়ে তিতলিকে ঠেলে ঘরের একদিকে নিয়ে গেল। তারপর হিসহিস করে বলল, ‘ইয়ে হ্যায় দ্বিবেদীসাব। মেরা মেহমান। রেভিনিউ ডিপাটের বড় অফিসার। ঠিকঠাক খাতিরদারি করবি। কোনো লাফড়াবাজির কথা শুনলে জানে মেরে দেবো, মনে থাকে যেন।’

    তিতলিকে ছেড়ে দিয়ে সুরেশ সিং দ্বিবেদীর দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে বলল, ‘আমি তাহলে চললাম, দ্বিবেদীসাহেব। আপ মস্তি মানাইয়ে। ফ্রেশ গার্ল চেয়েছিলেন, দিয়ে গেলাম। একটু দেখবেন ওকে।’

    রাত এগারোটা নাগাদ পরিতৃপ্ত দ্বিবেদীসাহেব বেরিয়ে যাবার পরে তিতলি ওর ফ্ল্যাটের দরজা লাগিয়ে খাটের ওপরে এসে বসল। বালিশের পাশে একটা পাঁচশোর নোটের বান্ডিল পড়েছিল। ওটা হাতে না নিয়েও তিতলি বুঝতে পারছিল, ওর মধ্যে দশহাজারই রয়েছে—ওর একরাতের রেট। এইভাবেই ওকে আগামী ছ’মাসে আমেরিকা যাওয়ার পনেরো লাখ টাকা তুলতে হবে।

    বান্ডিলটাকে হাতের এক ঝটকায় মেঝেতে ফেলে দিয়ে, দুই হাঁটুর মধ্যে মুখ গুঁজে বসে রইল তিতলি। ও বুঝতে পারছিল, আমেরিকায় পড়তে যাবার কথায় সুরেশ সিং খেপে গেছে। যেতে তো দেবেই না, বরং ওকে বেশ্যা বানিয়ে ফেলবে।

    ভোরের দিকে বিছানা ছেড়ে উঠে জানলার ধারে গিয়ে দাঁড়াল তিতলি। রাস্তায় লোক চলাচল শুরু হয়ে গেছে। কলকাতা জেগে উঠছে। রাতজাগা লাল চোখে রাস্তার দিকে তাকিয়ে তিতলি নিজের মনেই বলল, ‘সেটা তো হবে না সুরেশ সিং। তুমি বুঝতে পারছ না, বাজারি-বেশ্যা হবার জন্যে তিতলি যাদবের জন্ম হয়নি।’

    .

    ফুলবাগানে থাকলেও বেঙ্গল পটারির হালের খবর সবই তিতলির কাছে নিয়মিত পৌঁছে যেত। ওখানকার সাথী-সহেলিরাই তিতলিকে ফোনে সব খবরাখবর দিত। সেইভাবেই তিতলি জানতে পেরেছিল, বাজারে সুরেশ সিং-এর একজন প্রতিদ্বন্দ্বী চড়চড় করে উঠে আসছে।

    ইন্ডিয়ান পটারির রাজত্বে সে নতুন ডন। সে-ও বালিয়া জেলার বাহুবলী সম্প্রদায়ের ছেলে। ত্রিশ বছরের তরতাজা যুবক গোরখনাথ সিং। মুখে মুখে নামটা হয়ে গিয়েছিল গোখরো। সকেট গোখরো। ‘সকেট’, মানে দেশি পিস্তল চালাতে সিদ্ধহস্ত ছিল গোখরো।

    সকেট গোখরো এককালে সুরেশ সিংএরই চ্যালা ছিল। এসব ক্ষেত্রে তাই হয়ে থাকে। সুরেশের তেজ কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সকেট গোখরো তোলাবাজি, মালচুরি, ড্রাগের পেডলিং ইত্যাদি সবকটা ব্যবসাতেই হিস্যা মারতে শুরু করল। এমনকি নিজের একটা আলাদা গ্যাঙ অবধি তৈরি করে ফেলেছিল গোখরো।

    গোখরোর দল আর সুরেশের দলে গতমাসে যে কয়েকদিন ব্যাপক বোমাবাজি হয়েছে, সেটাও তিতলির কানে এসেছে। ও জানে, গোখরো এখন বেশ ব্যাকফুটে, কারণ, সুরেশ তো শুধু নিজের গ্যাঙ নিয়ে লড়ছে না সুরেশের হয়ে লড়ছে লোকাল থানার ঘুষখোর দারোগা, লোকাল এম.এল.এ.-র চ্যালাচামুন্ডা, সবাই। ইতিমধ্যেই গোখরোর দলের বেশ কয়েকজনকে পুলিশ লক-আপে ঢুকিয়ে দিয়েছে।

    সুরেশ সিং-এর সঙ্গে কীভাবে টক্কর নেওয়া যায় সেই কথা ভেবে যখন গোখরো মাথার চুল ছিঁড়ছে, তখনই একদিন তার কাছে পৌঁছে গেল তিতলি যাদবের টেলিফোন কল। তিতলি তাকে বলে দিল, ফুলবাগানের ফ্ল্যাটের হদিশ। কবে, কোন সময়ে সুরেশ সিং ওই ফ্ল্যাটের দিকে যাবে সেটাও খুব শিগগিরই জানাবে বলল।

    সকেট গোখরো হাতে চাঁদ পেল। সে তিতলিকে আশ্বাস দিল, সুরেশ সিং-এর সদগতি হয়ে যাওয়ার পর তিতলিকে সে নিজের পার্টনার করে নেবে। তিতলি ফোঁস করে উঠল। বলল, খবরদার, ওসব কথা যেন সে স্বপ্নেও না ভাবে। সে শুধু সুরেশ সিং-এর হাত থেকেই মুক্তি চায় না, পুরো পটারি বস্তির হাত থেকেই মুক্তি চায়। পিছনের জীবনটাকে একেবারে মুছে ফেলে সে চলে যাবে নতুন জীবন শুরু করতে আমেরিকায়।

    পরদিন তিতলি একবার কলেজে গেল। ডিপার্টমেন্টাল-হেড প্রফেসর সত্যপ্রিয় বসাক কিছুদিন আগে তাকে একটা চাকরির কথা বলেছিলেন। উনি জানতেন, তিতলির বাবা-মা নেই। আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। অথচ মেয়েটা ব্রিলিয়ান্ট। সেইজন্যেই তিনি ওর জন্যে একটা চাকরির চেষ্টা করছিলেন।

    সেদিন তিতলি প্রফেসর বসাকের সঙ্গে দেখা করে বলল, ‘স্যার। সেই যে চাকরিটার কথা বলেছিলেন, সেটা কি পাব?’

    প্রফেসর বসাক ভারি খুশি হয়ে বললেন, ‘আরে তিতলি, আমি তো কথাবার্তা অনেক দূর এগিয়ে রেখেছিলাম। তুমি ইন্টারেস্ট দেখাচ্ছিলে না বলে ফাইনাল করিনি।’

    কথাটা সত্যি। ক’দিন আগে অবধিও তিতলি জানত, বিদেশে পড়তে যাওয়ার জন্যে তার টাকার অভাব হবে না। সুরেশ সিং ব্যবস্থা করবে। গত কয়েকদিনে সিচুয়েশন আমুল বদলে গেছে।

    তিতলি ওড়নার পাড়টা আঙুলে জড়াতে-জড়াতে মুখ নীচু করে বলল, ‘করব স্যার। চাকরিটা আমার খুব দরকার।’

    প্রফেসর বসাক বললেন, ‘এটা ঠিক সাধারণ চাকরি নয়। এটা একটা সুবর্ণ সুযোগ। তুমি ভালো স্যালারি তো পাবেই, তার সঙ্গে পাবে একজন বিশ্ববিখ্যাত বৈজ্ঞানিকের অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে একটা স্টেট অফ দা আর্ট ল্যাবরেটরিতে কাজ করার সুযোগ। ডক্টর প্রদীপ কামাথের নাম শুনেছ?’

    নামটা শুনেই তিতলির হৃদপিণ্ডে দামামা বেজে উঠল। ডক্টর প্রদীপ কামাথ! তিনি তো ভগবান। সারা পৃথিবীতে হাতে গোনা যে কয়েকজন বৈজ্ঞানিক CRISPR টেকনোলজির নিয়ে কাজ করেছেন, তাঁদের মধ্যে ডক্টর কামাথ অগ্রগণ্য। CRISPR টেকনোলজিকে জিনোম অপারেশনের সূক্ষ্মতম ছুরি বলা যায়। একবার এই টেকনোলজিকে ঠিকঠাক আয়ত্ব করতে পারলে জিন-ঘটিত বহু রোগকে নির্মূল করে দেওয়া যাবে। সে কোনোরকমে বলল, ‘শুনেছি স্যার!’

    তিতলির মুখের চেহেরা দেখে প্রফেসর বসাক হেসে ফেললেন। বললেন, ‘ফরচুনেটলি, ডক্টর কামাথ খুব শিগগিরই দুর্গাপুরের একটা ল্যাবরেটরিতে কাজ করতে আসছেন। কোম্পানিটার নাম সিমবায়োটিক—আমেরিকান কোম্পানি। আমাদের এই সাব-কন্টিনেন্টের টিপিকাল কিছু অসুখের ওষুধ বার করার চেষ্টা করছে ওরা। সেইজন্যেই দুর্গাপুরে ল্যাবরেটরি আর রিসার্চ-সেন্টার বানিয়েছে।

    ‘ডক্টর কামাথ আমার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেন। উনি কিছুদিন আগে আমাকে একজন মহিলা রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্টের খোঁজ দিতে বলেছিলেন।’

    তিতলির মুখ ফসকে বেরিয়ে গেল, ‘মহিলাই কেন?’

    প্রফেসর সত্যপ্রিয় বসাক প্রথমটায় একটু আমতা-আমতা করলেও নিজের নামের প্রতি সেদিন সুবিচার করেছিলেন। সত্য কথাই বলেছিলেন তিনি তিতলিকে। বলেছিলেন, ‘শুধু রিসার্চ-অ্যাসিস্ট্যান্ট নয়, উনি চান ওঁর এক্সপেরিমেন্টের জন্যে একজন ভলান্টিয়ার; যার ওপরে উনি এক্সপেরিমেন্ট করে রেজাল্টগুলো দেখতে পারবেন। এবং সেটা এমন কোনো এক্সপেরিমেন্ট, পুরুষের শরীরে যেটা টেস্ট করা যাবে না। এর বেশি আমাকে কিছু বলেননি উনি। আর বুঝতেই পারছ, গবেষণার এই স্টেজে আমার পক্ষেও বেশি কিছু জানতে চাওয়াটা ডিসেন্ট নয়। বাট আই সাজেস্টেড ইওর নেম। এবার বলো, কাজটা করবে?’

    ‘করব স্যার। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমি জয়েন করতে চাই। বেঁচে থাকার জন্যে আমার টাকার খুব দরকার, স্যার’।

    নিজের সেলফোনে প্রদীপ কামাথের নাম্বার ডায়াল করতে-করতে, প্রফেসর বসাক বলেছিলেন, ‘শুধু টাকা নয়। তোমার কাজ, তোমার কোয়ালিটিজ যদি ডক্টর কামাথের পছন্দ হয় হবেই আমি শিওর, তাহলে উনিই তোমার ভবিষ্যৎ তৈরি করে দেবেন। পরের ধাপে হয়তো তোমাকে বিদেশের… কোনো নামকরা ল্যাবরেটরিতে।’

    ডক্টর কামাথ কল রিসিভ করলেন, ‘গুড-ইভনিং মিস্টার বসাক। বলুন, কী খবর।’

    প্রফেসর বসাক কিছুক্ষণ কথা বলে ফোনটা রেখে দিলেন। তারপর তিতলির দিকে তাকিয়ে একগাল হেসে বললেন, ‘ডান। উনি ঠিক এক-সপ্তাহ বাদে দুর্গাপুর সিমবায়োটিকে জয়েন করছেন। তোমাকে যেতে বললেন দশদিন বাদে, মানে দেয়ালে ক্যালেন্ডারের দিকে তাকিয়ে প্রফেসর বসাক বললেন, তেইশে ফেব্রুয়ারি।’

    তিতলি প্রফেসর সত্যপ্রিয় বসাকের পা ছুঁয়ে প্রণাম করে বলল, ‘আপনার ঋণ জীবনে শোধ করতে পারব না, স্যার।’

    প্রফেসর বসাক তিতলির মাথায় হাত দিয়ে বললেন, ‘ভালো থেকো। যোগাযোগ রেখো।’

    কলেজ থেকে বেরিয়ে বালিগঞ্জ ফাঁড়ির পাশের একটা টেলিফোন বুথ থেকে তিতলি পরপর দুটো ফোন করল। প্রথমটা সুরেশ সিংকে। সুরেশকে বলল, আগামী তেইশ-তারিখ সে কোনো গেস্টকে এনটারটেইন করতে পারবে না। কিন্তু সুরেশ নিজে যেন ওইদিন রাত দশটার সময় অবশ্যই আসে।

    সুরেশ একটু অবাক হয়ে প্রশ্ন করল, ‘কী ব্যাপার? হঠাৎ এত পেয়ার?’

    তিতলি কান্নাভেজা গলায় বলল, ওদিন তার মায়ের জন্মদিন। এই পৃথিবীতে সুরেশ ছাড়া তার মায়ের আর কোনো আপনজন ছিল না। তাই সেদিন সুরেশকে সঙ্গে নিয়ে ও একটু মায়ের ছবির সামনে বসতে চায়।

    প্রত্যাশামতই সুরেশ কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। তারপর ভারী গলায় বলল, ‘আয়েঙ্গে। জরুর আয়েঙ্গে।’

    তিতলি জানে ওর মায়ের জন্যে সুরেশ সিং-এর মনে সত্যিই কিছুটা ভালোবাসা ছিল। সেইজন্যেই মায়ের জন্মদিনের টোপটা দিয়েছিল।

    সুরেশ সিং-এর সঙ্গে কথা বলার পর তিতলি সকেট গোখরোকে ফোন করল। বলল, ‘তেইশে ফেব্রুয়ারি রাত দশটায় পৌঁছে যাবি। আমি থাকব না, তবে সুরেশ সিং ওইসময়ে আসবে। আর শোন, যা করার করবি বড় রাস্তায়। আমার ফ্ল্যাটের ধারে-কাছে খুনখারাপির কোনো চিহ্ন যেন না থাকে।’

    উল্টোদিক থেকে সকেট গোখরোর প্রাণখোলা হাসি ভেসে এল। ‘বেফিকর রহে তু তিতলি। কাম বন যায়েগা। মগর সাচমুচ মিস করেঙ্গে তুঝকো।’

    .

    .

    তেইশে ফেব্রুয়ারি সকালে তিতলি সিমবায়োটিকে ডক্টর কামাথের আন্ডারে ল্যাবরেটরি-অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে জয়েন করল। বিকেল চারটে অবধি ডক্টর কামাথ এই একুশ বছরের তরুণীকে বাজিয়ে দেখলেন এবং সত্যিই অবাক হয়ে গেলেন। প্রফেসর বসাক তাঁর এই ছাত্রীটি সম্বন্ধে কোনো অতিশয়োক্তি করেননি। এ সত্যিই জিনিয়াস।

    শুধু একটা জিনিসকেই তিনি জিনিয়াস দিয়ে ব্যাখ্যা করতে পারছিলেন না। তিতলির মতন একজন সাধারণ গ্র্যাজুয়েট-স্টুডেন্ট কেমন করে জিন ট্র্যান্সপ্ল্যান্টের টেকনিকাল খুঁটিনাটির দিকটায় এতটা পারঙ্গম হয়ে উঠল? এর জন্যে যে সব ইন্সট্রুমেন্টের ব্যবহার করতে হয়, গ্র্যাজুয়েশন-লেভেলের ল্যাবরেটরিতে তো সেসব থাকবারই কথা নয়। অথচ এই তিতলি যাদবের কাছে সেসব মেশিন কিম্বা ইনস্ট্রুমেন্ট মোটেই অপরিচিত নয়। এটা কীভাবে সম্ভব হল?

    মনে-মনে শ্রাগ করলেন ডক্টর কামাথ। বোঝাই যাচ্ছে, তাঁদের স্টুডেন্ট-লাইফে যেমন ছিল, তার থেকে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক এগিয়ে গেছে।

    যাই হোক, দুর্গাপুরের একটা ল্যাবরেটরিতে যে এরকম দক্ষ একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট পাওয়া যাবে এটা ডক্টর কামাথ আশা করেননি। মনে-মনে প্রফেসর বসাককে একটা থ্যাঙ্কস দিলেন তিনি, আর সিমবায়োটিকের ডিরেক্টর শুভময় চ্যাটার্জিকে টেলিফোনে খুব সংক্ষিপ্ত একটা নির্দেশ দিলেন ‘রিটেইন দিস গার্ল, দিস তিতলি যাদব, অ্যাট এনি কস্ট। হার সার্ভিস ইজ এসেনসিয়াল ফর মাই রিসার্চ।’

    ল্যাবরেটরি থেকে ডিরেক্টরের অফিস ঘুরে তিতলি সেদিন সোজা লেডিজ-হস্টেলে নিজের ঘরে ফিরে এসেছিল। শুভময় চ্যাটার্জি যে স্যালারি এবং পার্কসের কথা তাকে বলেছিলেন, অন্তত পাঁচ বছর চাকরি না করলে সিমবায়োটিকের মতন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে সেই বেনিফিট পাওয়া যায় না। তিতলি মনে-মনে একটু হেসেছিল। এর পিছনে যে ডক্টর কামাথের রেকমেন্ডেশন কাজ করছে সেটা বুঝতে তার দেরি হয়নি।

    কিন্তু এই সাফল্যকে সে ঠিকমতন উপভোগ করতে পারছিল না। তার কারণ, দিনটা ছিল তেইশে ফেব্রুয়ারি। রাত দশটার পর সকেট গোখরোর হাতে সুরেশ সিং-এর কোতল হওয়ার কথা।

    দশটার পর থেকেই তিতলি ছটফট করতে শুরু করল। সকেট গোখরোর ফোনটা এবার আসার কথা নয়? কিন্তু না। ফোন এল না। সারা রাত জেগে রইল তিতলি। ভোরের দিকে অবশেষে সে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছল যে, তার নিরাপত্তার কথা ভেবেই গোখরো তাকে তার মোবাইলে ফোন করছে না। মোবাইলের কল থেকে দুজনের যোগসাজশের কথা ধরা পড়ে যায়। এই কথাটা মাথায় আসার পর সে একটু শান্ত হল এবং তারপর ঘণ্টা চারেকের জন্যে ঘুমোতে পারল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমেসিয়ানার জ্যোৎস্নারাত – গৌতম ভট্টাচার্য
    Next Article ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    Related Articles

    সৈকত মুখোপাধ্যায়

    ১৬ আনা ভয় – সম্পাদনা : সৈকত মুখোপাধ্যায়

    January 6, 2026
    সৈকত মুখোপাধ্যায়

    খেলার নাম খুন – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    January 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }