Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শয়তানের সন্তান – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    সৈকত মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প226 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শয়তানের সন্তান – ৯

    নয়

    তারপর আরো তিনটে দিন কেটে গেছে। কারখানা আর ব্যারাকবাড়ির পরিবেশটা উত্তরোত্তর কেমন যেন গুমোট হয়ে উঠছে। এই পরিবর্তনটা যে আমার কল্পনা নয়, সেটা ওদের তিনজনকে দেখলে বুঝতে পারি। যেমন, কয়েকদিন আগে হাসিদি হঠাৎ আমাকে বলল, সবকিছু কেমন যেন বদলে যাচ্ছে, তাই না?

    আমি বললাম, মানে?

    ও বলল, কিছুদিন আগে অবধিও মনে হত আমার শরীর-মনের মালিক আমি নিজে। এখন মনে হয় কে যেন ভেতর থেকে আমার দখল নিয়ে নিচ্ছে।

    হাসিদির কথা শুনে আমি চট করে একবার ঘাড় ঘুরিয়ে পঙ্কজদা আর বিশাখার দিকে তাকালাম। সেটা হাসিদির চোখ এড়ালো না। হাসিদি আজকাল খুব কমই হাসে। তবু তখন একবার হেসে উঠল। হাসতে-হাসতেই বলল, হ্যাঁ, ওরাও। ওরা আমাকে বলেছে, মনে হচ্ছে যেন কেউ খুব কাছে…একেবারে বুকের ভেতরে এসে দাঁড়িয়েছে। তোমারও কি এরকমই মনে হচ্ছে, রুদ্র?

    আমি বললাম, আমার ভেতরে একজন তো অনেক আগেই থেকে রয়েছেন। তবে হ্যাঁ। ইদানিং তাঁকে খুব স্পষ্ট করে টের পাই।

    কাল থেকে মাঝে-মাঝে শুধু কাচ কারখানার মাথার ওপরের আকাশে বারুদ-রঙের মেঘ জমা হচ্ছে। পঙ্কজদার শরীরের ঘন বাদামি লোমের ভেতরে চিরচির শব্দ করে স্ট্যাটিক-ইলেকট্রিসিটির নীল আগুন দৌড়োদৌড়ি করে। বোবা মানুষটা অসহায়ের মতন আকাশে মুখ তুলে আর্তনাদ করে ওঠে—ওওওউউউ ওহ ওহ ওহ!

    সুন্দরী বিশাখা মাথা নীচু পা ওপরে করে বিশাল টিকটিকির মতন কুঁয়োর দেয়াল বেয়ে সরসর করে নীচে নেমে যায়। একটু বাদে আবার ঠিক টিকটিকির মতই দেয়াল বেয়ে ওপরে উঠে আসে। তখন ওর সর্বাঙ্গ ভিজে সপসপ করে। ওর চুল থেকে, ওর সাদা কাপড়ের থান থেকে মোটা হয়ে জলের ধারা ঝরে পড়ে। সেই অবস্থাতেই ও কারখানা-ঘরের দরজা ঠেকে ভেতরে ঢুকে যায়।

    কেন যায়, কার কাছে যায়, কে জানে। তবে তখনকার মতন মেঘ কাটে। শুধু কারখানা-চত্বরের মধ্যে স্থায়ী একটা গুমোট ভাব থেকেই যায়। ঝড়ের আগে যেমন গুমোট হয়ে থাকে, ঠিক সেইরকম।

    দুদিন আগেও পালাবার কথা ভেবেছি। কাল থেকে আর তাও ভাবতে পারছি না। মনে হয় ওরাও পারে না। পারলে পালাতো।

    ব্যাভেরিয়া পোর্সেলিন ইন্ডাস্ট্রির এই ভাঙাচোরা বাড়িটাকে মনে হচ্ছে একটা বিরাট মাকড়শা। বিশ্বনাথ কাপালি মারা যাওয়ার পরেও, গত পঞ্চাশ বছর ধরে মাকড়শাটা গোরে বিবির রোডের একধারে, এই পোড়ো জমির মাঝখানে বসে, বিষাক্ত জাল বুনে যাচ্ছিল। তারপর সেই জালে জড়িয়ে টেনে এনেছে বিরাজ কাপালি, হাসিদি, পঙ্কজ, আর বিশাখাকে। ওই জার্মান মহিলাদের। এবং শেষমেষ আমাকেও—এই রুদ্রনাথ দত্তকে। এরপর সে কী করবে? আমাদের রক্ত শুষে খাবে?

    .

    শেষমেষ সেই দিনটা এল। শুক্রবার, এগারোই এপ্রিল। রাত বারোটা। কাপালি স্যার খবর পাঠিয়েছিলেন, ওই মহিলারা আসবেন। ঠিক বারোটার সময় কারখানার গেটের বাইরে একটা কালো স্টেশন-ওয়াগন এসে দাঁড়াল। ওদের নামিয়ে দিয়ে গাড়িটা আর দাঁড়াল না, দ্রুত উধাও হয়ে গেল।

    কারখানা ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে দেখছিলাম, কালো গাউন, কালো লেসের ভেল দিয়ে আপাদমস্তক ঢেকে চারটে মেয়ে বাগানের রাস্তা ধরে এগিয়ে আসছে। ওদের মধ্যে সামনের মেয়ে দুটি একটা হুইল-চেয়ার ঠেলে নিয়ে আসছে। চেয়ারটায় বসে আছেন বিরাজ কাপালি। আমি পঙ্কজদা আর হাসিদি ওদের অনুসরণ করে কারখানা ঘরে ঢুকলাম। আজ সন্ধে থেকেই ফার্নেসের আগুন দ্বিগুণ তেজে জ্বলছে। এখন শুনলাম, মেঝের নীচের রক্তের চৌবাচ্চার ভেতর থেকে জোরালো একটা ঘাই মারার শব্দ।

    চারটে মেয়েই ঝটকা মেরে যে যার মুখের ভেল সরিয়ে দিল। দেখলাম ওদের নীল চোখের মণি প্রাইমাস স্টোভের শিখার মতন উজ্জ্বল। ওদের ঠোঁট রক্তরাঙা আর উদ্ধত চিবুকে একইসঙ্গে আগুনের কমলা আলো আর ইহুদি-ক্রকারির সবুজ ফসফোরেসেন্সের আলো দাপাদাপি করে বেড়াচ্ছে।

    ঘরের ঠিক মাঝখানে কাপালি স্যারের হুইল চেয়ারটাকে খুব সাবধানে দাঁড় করিয়ে রেখে এমা, হানা, সোফিয়া, লীনারা একটু সরে দাঁড়াল। এতক্ষণে কাপালি স্যারকে ভালো করে দেখতে পেলাম। উনিও আজ একটা লম্বা ঝুলের কালো পাঞ্জাবি পরে এসেছেন। কোলের ওপরে পাতা রয়েছে একটা গাঢ় লাল চাদর। সেটা পায়ের পাতাদুটোকে ঢাকা দিয়ে মাটি অবধি লুটিয়ে পড়েছে। তফাতের মধ্যে আজ ওঁর গলায় একটা মোটা সোনার চেন—যেটা হয়তো সোফিয়াদের উপহার। সব মিলিয়ে সেদিন সার্পেন্টাইন লেনের বাড়িতে বিরাজ কাপালির চেহারা আর কথাবার্তার মধ্যে যে ক্লিষ্ট ভাব লক্ষ্য করেছিলাম, আজ তার কোনো চিহ্ন খুঁজে পেলাম না। মানুষটিকে একটা পালিশ করা পেতলের মূর্তির মতন ঝকমকে লাগছিল।

    দেখলাম, উনি সেই কাঠের বাক্সটা নিয়ে এসেছেন। দু-হাতে আলতো করে ওটাকে কোলের ওপরে ধরে রেখেছেন।

    হঠাৎই কাপালি স্যার ঘাড় ঘুরিয়ে দেখলেন হাসিদি আর পঙ্কজদা ওঁর ঠিক পেছনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। উনি খুব রূঢ় গলায় বললেন, গেট আউট। বেরিয়ে যাও এখান থেকে। না ডাকলে ঢুকবে না।

    ওরা দুজন মাথা নীচু করে বেরিয়ে গেল।

    আমিও ওদের পেছন-পেছন বেরিয়ে যাচ্ছিলাম। কাপালি স্যার খুব অবাক হয়ে বললেন, একি রুদ্রনাথ। তুমি কোথায় যাচ্ছ? তুমি তো আজকের যজ্ঞের ঋত্বিক। এসো, আমার পাশে এই বেঞ্চটায় বসো। ন্যুড মেয়েদের দেখতে ভালো লাগে না তোমার? দ্যাখো, এই জার্মান ছুঁড়িগুলোর জিনিসপত্র অসাধারণ।

    এমা, লীনা, সোফিয়ারা ইতোমধ্যে কাপালি স্যারের কাছ থেকে সেই বাক্সটা নিয়ে ভেতরের জিনিসগুলোকে ফার্নেসের সামনে মেঝের ওপরে সাজিয়ে ফেলেছিল। সেই ঘট, সেই ছুরি আর আসন। তাছাড়াও আরো অনেক কিছুই ছিল ওদের সঙ্গে। তার মধ্যে যেটা সবচেয়ে চোখ টানছিল, সেটা হল একটা তারের বাজনা। মেলায় যেরকম মাটির বেহালা কিনতে পাওয়া যায়, তারই একটা বড় সংস্করণ। সেটার তারে কয়েকবার টান দিল সোফিয়া বলে মেয়েটা। কান্নার মতন একটা আওয়াজ উঠল।

    একটা কাচের বোতল থেকে ঘন সবুজ একটা আরক ওরা গলায় ঢেলে নিল। তারপর মাথার ওপর দিয়ে গলিয়ে যে যার গাউন খুলে ফেলল। গাউনের নীচে কোনো অন্তর্বাস ছিল না। কাপালি স্যারের শ্বাস টানার শব্দ পেলাম।

    নারীশরীর সম্বন্ধে আমার কোনো অভিজ্ঞতা নেই। তবু ওদের সরল তলপেট আর স্তনের গড়ন দেখে মনে হল ওরা কেউই আগে কখনো সন্তান ধারণ করেনি।

    ওরা চারজনেই সুন্দরী। অসম্ভব সুন্দরী। ওদের অলিভ তেলের মতন সোনালি ত্বকে আগুনের আভা খেলা করে বেড়াচ্ছিল। আবছা অন্ধকারের মধ্যেও ভুট্টার কেশরের মতন ঝলমল করছিল ওদের যোনিকেশ। তবু আমার মনে কাম জাগছিল না। উল্টে প্রচণ্ড ঘৃণা হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল এরা সুযোগ পেলে একজন কালো মানুষকে নীলনদীর জলে কুমিরের মুখে ফেলে দিয়ে মজা দেখতে পারে।

    অবশ্য, খুব বেশিক্ষণ এসব ভাবতে পারলাম না। কারণ, এরমধ্যে ওরা চারজন নাচতে শুরু করেছিল। ওদের মধ্যে তিনজন মেঝেয় সাজিয়ে রাখা উপকরণগুলোকে ঘিরে গোল হয়ে ধীর লয়ে ঘুরে ঘুরে নাচছিল। আর চতুর্থজন সেই বেহালার মতন যন্ত্রটায় সুর তুলছিল।

    আস্তে আস্তে ওদের নাচের গতি বাড়তে শুরু করল। একটা সময় এলো, যখন ওদের আর আলাদা করে দেখতে পাচ্ছিলাম না। মনে হচ্ছিল তিনটে দীঘল ইউক্যালিপটাস ঝড়ের মুখে দোল খাচ্ছে। ঠিক তখনই ফার্নেসের দরজাটা নিজে থেকেই খুলে গেল। কী এক অদ্ভুতভাষায় রিনরিনে গলায় ওরা জয়ধ্বনি করে উঠল। কিন্তু ওদের নাচ থামল না। শুধু যে-মেয়েটি এতক্ষণ বেহালার মতন যন্ত্রটা বাজাচ্ছিল, সে বাজনাটা মাটিতে নামিয়ে রেখে তাক থেকে একপাঁজা চিনেমাটির প্লেট তুলে নিয়ে ছুঁড়ে দিল ফার্নেসের ভেতরে। কাচ ভাঙার ঝনঝন শব্দকে ছাপিয়ে আগুনের শিখার ভেতর থেকে তৃপ্তির নিশ্বাসের মতন একটা শব্দ ভেসে এল।

    আরো কিছুটা সময় চলে গেল। একবার স্কাই-লাইটের দিকে তাকিয়ে দেখলাম আকাশে কাগডিমে রঙ লেগেছে আর…আর একটা মাত্র বিশাল তারা সেই স্কাইলাইটের ভেতর দিয়ে এই কারখানা ঘরের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। শুকতারাই, কিন্তু আমার হাতের মুঠির মতন বড়।

    ঠিক তখনই লেলিহান আগুনের শিখার আড়ালে একটা গ্র্যানাইট রঙের মূর্তির আদল ফুটে উঠল। দু-হাত দিয়ে আগুনের পর্দা সরিয়ে ফার্নেসের দরজার কাছে এসে দাঁড়াল বৃষমানুষ!

    ওরা আবার জয়ধ্বনি করে উঠল এবং এবার নাচের পরিবর্তে যেটা শুরু করল সেটাকে এককথায় বলা যায় কামুক অঙ্গভঙ্গি। ফার্নেসের সামনের মেঝেয় শুয়ে বসে ওরা নানানভাবে নিজেদের স্তন উরু এবং যোনিকে মেলে ধরছিল সেই বৃষপুরুষের সামনে।

    কিছুক্ষণ আগে অবধি ওরা একটা গান গাইছিল। ভারি দোলা লাগানো একটা সুর। হঠাৎ সেই গানের পর্দাও উচ্চগ্রাম থেকে অশ্লীল এক ফিসফিসানিতে নেমে এল। ভাষা না বুঝলেও, ওদের অঙ্গভঙ্গির কারণে সেই গানের অর্থ বুঝতে অসুবিধে হচ্ছিল না!—এসো। আমাকে তোমার প্রবল শিশ্ন দিয়ে বিদ্ধ করো। দেববীর্য উৎক্ষিপ্ত হোক আমার জরায়ুমুখে।

    অনেক দূর থেকে মেঘের ডাক ভেসে এলে যেমন শোনায়, ফার্নেসের গভীর কোনো তলদেশ থেকে ঠিক সেইরকম একটা গর্জন ভেসে এল। চার নাৎসি তনয়ার মুখে ফুটে উঠল পরিষ্কার হতাশা। ওরা একসঙ্গেই ফিরে তাকাল কাপালি স্যারের মুখের দিকে। ওদের মধ্যে একজন ভাঙা ভাঙা ইংরিজিতে বলল, হি ইজ এগেইন আস্কিং ফর হিজ সন।

    কাপালি স্যার জোর গলায় উত্তর দিলেন, ইয়েস, ইট হ্যাজ বিন অলরেডি অ্যারেঞ্জড।

    তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, রুদ্রনাথ! জুতোটা খোলো। তারপর ফার্নেসের দিকে হেঁটে যাও।

    আমি?

    হ্যাঁ হ্যাঁ, তুমি। তোমাকে বলেছিলাম না, আজ বলব কেন তোমাকে পুরুলিয়া থেকে এখানে নিয়ে এসেছি। তুমি ওই শয়তানের বাচ্চা। তোমাকে আমি অর্ধেক সত্য বলেছিলাম। দু-বছর আগে নয়, আমি এখানে প্রথম এসেছিলাম আজ থেকে বাইশ বছর আগে। আমার সঙ্গে একটা মেয়েকে নিয়ে এসেছিলাম, আমাদের পাড়ারই গরিব ঘরের মেয়ে। অসামান্য সুন্দরী এবং ভার্জিন।

    অনেক টাকার লোভ দেখিয়ে ওকে রাজি করিয়েছিলাম। তবে ও সবটা জানত না। আসলে আমি দেখতে চেয়েছিলাম, ইভা স্টাইনবেক যেটা করতে পেরেছিলেন, সেটা তখনো সম্ভব কিনা। সম্ভব হয়েছিল। তুমি জন্ম নিয়েছিলে। কিন্তু তারপরেই মেয়েটি মারা গেল। মনে হয় সেটাই নিয়ম। শয়তানের বাচ্চার জন্ম দেওয়ার পরে মায়েরা বেশিদিন বাঁচে না। বড়জোর একবছর, যতদিন বাচ্চা দুগ্ধপোষ্য থাকে। তারপর সে মারা যায়।

    আমি, হ্যাঁ, আমিই তোমাকে শর্বরী মোড়ের অনাথ আশ্রমে রেখে এসেছিলাম। জানতাম, একদিন না একদিন তোমাকে কাজে লাগবে।

    আমার কাছে কাপালি স্যারের কথাগুলো একটুও নতুন ঠেকছিল না। মাথার ভেতরে সেই গুটিপোকাটা গত তিনদিন ধরে এইসবই আমার কানে ফিসফিস করে বলে গেছে। তাই বরফ গলায় বললাম, আমাকে আবার এর মধ্যে টানছেন কেন? আপনি নিজেই তো যেতে পারেন।

    মানে! উনি চমকে উঠলেন।

    মানে হচ্ছে—

    বলতে বলতে একঝটকায় বিরাজ কাপালির কোলের ওপর থেকে লাল চাদরটা টেনে ফার্নেসের দিকে ছুড়ে দিলাম। হাওয়ায় ভাসতে-ভাসতেই সেটা আগুনের তাপে দাউদাউ করে জ্বলে উঠল। তার মধ্যে আমি লাথি মেরে ওঁর দু-পায়ের দুটো জুতো খুলে ফেলে দিয়েছি। জ্বলন্ত চাদরটা তখনো হাওয়ায় ভাসছিল। সেই আলোয় আমরা সকলেই দেখতে পেলাম কাপালি স্যারের দুই পায়ের কোনোটাতেই আঙুল নেই। পায়ের পাতাও না। তার জায়গায় রয়েছে অবিকল ষাঁড়ের খুরের মতন দুটো চ্যাটালো খুর।

    চিবিয়ে চিবিয়ে বললাম, অনেক কিছুই বলেননি আমাকে। লুকিয়ে গিয়েছিলেন। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যপার হল, ইভা স্টাইনবেকের গর্ভে ওই বৃষদেবতার ঔরসে আপনারই জন্ম হয়েছিল। আপনিই ইভার সেই হারানো ছেলে, যার সম্বন্ধে আপনি নিজেই সেদিন বলেছিলেন, ‘হয়তো মারা গেছে’। আসলে ইভা স্টাইনবেক মারা যাওয়ার পরে সোমেশ্বর কাপালি আপনাকে বুকে আঁকড়ে ধরে বৃষ্টির মধ্যে দিয়ে সার্পেন্টাইন লেনের বাড়িতে পৌঁছেছিলেন। তারপর নিজের পুত্রবধূর হাতে আপনাকে তুলে দিয়েই মারা যান। আপনি যাদের বাবা-মা বলছেন, তারা কেউ আপনার জন্মদাতা নন, পালক বাবা-মা।

    কথা বলতে-বলতেই আমি আমার নিজের পায়ের জুতোদুটোও খুলে একপাশে ছুড়ে ফেলে দিলাম। মুহূর্তে যে দৃশ্য বেরিয়ে এল, সে আমি জানি। দেখলেই মনে হয়, পাগল হয়ে যাব। তবু আজ অনেকদিন বাদে ফের দেখতে হল।

    আসলে, সেই যে আঙুলগুলো কুষ্ঠ হয়ে খসে গেছিল, তারপর থেকে আমার চামড়ার জুতোর আড়ালে ক্রমশ পায়ের পাতাদুটোও বদলে গেল। রক্তমাংসের পাতাই রইল না পায়ে। তার বদলে গজিয়ে উঠেছিল হাড়সর্বস্ব দুটো খুর। ঠিক ওই কাপালি স্যারের মতন। আমরা দুজনেই তো আসলে শয়তানের বাচ্চা।

    কাউকে বলিনি এতদিন, কাউকে দ্যাখাইনি। তবু এই খুরদুটো এখন আমাকে দেখতেই হবে। দেখাতে হবে ওদের—ওই নিও-নাৎসি মেয়েগুলোকে।

    হ্যাঁ, ওরা দেখছে। আমি নিশ্চিন্তে খুরওলা পা দুটো ওয়ার্কিং বেঞ্চের ওপরে তুলে আরাম করে বসি। ওরা চারজনেই ছেড়ে ফেলা গাউনগুলো তুলে নিয়ে গায়ে জড়িয়ে নিয়েছে। এবার এগিয়ে আসছে।

    হঠাৎই ওদের মধ্যে একজন, সোফিয়াই বোধহয় ওর নাম, কথথেকে একটা রিভলভার বার করে কাপালি স্যারের কপালে সাঁটিয়ে ভাঙা ইংরেজিতে চেঁচিয়ে উঠল—ইউ স্কাউন্ড্রেল! ইউ নেভার টোল্ড আস অ্যাবাউট দিস কার্স।

    আমি হাসলাম। আমি জানতাম কাপালি স্যার এই খুঁতো পায়ের কথা ওদের বলবেন না। বললে ওরা তো এত পয়সা ঢালতে রাজিই হত না। তাই এখন ওঁর মুখটা ভয়ে ফ্যাকাশে হয়ে গেছে।

    এবার মেয়েগুলো আমার পায়ের দিকে তাকাল। বলল, অ্যান্ড হি ইজ অলসো আ কার্সড ওয়ান।

    আমি বললাম, ইয়েস ডার্লিং, এভরি চাইল্ড ইউ বিগেট হিয়ার উইল আলটিমেটলি আর্ন টু হুভস, ফ্রি অফ কস্ট। এখান থেকে যে বাচ্চাই পেটে ধরো, শেষ অবধি সে পায়ে দুটো খুর পাবেই পাবে, একেবারে বিনিপয়সায়। বাট ডোন্ট ইউ থিঙ্ক দে উড মেক আ ফাইন নিও-নাৎসি রেজিমেন্ট?

    সত্যি, দৃশ্যটা কল্পনা করে আমার নিজেরই বেদম হাসি পাচ্ছিল। সারি সারি যুবক অটোমেটিক মেশিনগান এবং আরো নানান ভয়ানক অস্ত্র নিয়ে রণাঙ্গনে দাঁড়িয়ে আছে। তারা প্রত্যেকেই আমার আর কাপালি স্যারের মতনই শয়তানের সন্তান—এককথায় বেজন্মা। আমাদের মতনই রূপবান এবং বুদ্ধিমান—অভিজাত আর্য।

    কম্যান্ডার হুকুম দিলেন, মার্চ। যুবকরা একবার ইউনিফর্মের বুকে আঁকা স্বস্তিকা চিহ্নে হাত বুলিয়ে নিল। তারপর পা ফেলল—লেফট রাইট লেফট! লেফট রাইট লেফট!

    ব্যস! তারপরেই এলোমেলো কিছু খটখট আওয়াজ। পাথরের সঙ্গে জোড়া জোড়া খুরের সংঘাত। খিস্তি খেউড় হট্টগোল। একে-একে তারা হুমড়ি খেয়ে পড়তে শুরু করল।

    কারণ তারা আমার এবং বিরাজ কাপালির মতোই খোঁড়া।

    নিজের কল্পনাতে নিজেই কিছুক্ষণের জন্যে ডুবে গিয়েছিলাম। হঠাৎ কপালের ওপরে ঠান্ডা মেটালের চাপে সম্বিৎ ফিরল। সোফিয়া তার রিভলভারটা ঘুরিয়ে আমার কপালে চেপে ধরেছে। মেয়েটার চোখে খুনের ঝলক। ও দাঁতে দাঁত ঘষে বলল, মিশন অ্যাবান্ডনড। ডেভিলকে আমরা আর কোনোদিনই ডাকবো না। আমরা চলে যাব। তবে তার আগে তোমাদের লাশ দুটো ওই বাইরের মাঠে ফেলে দিয়ে যাব। নাও মুভ!

    আমি উঠে দাঁড়ালাম। এমা, হানা, লীনারা সেই কাঠের বাক্স আর শয়তান-পুজোর উপকরণগুলো টান মেরে ফার্নেসের ভেতরে ছুঁড়ে দিল। সঙ্গে-সঙ্গে আগুনের আড়াল থেকে ভেসে এল সেই মন্দ্র মেঘগর্জন অথবা খ্যাপা ষাঁড়ের ডাক। তিনি চাইছেন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হোক। আমাদের ধুলোমাটির পৃথিবীতে পা রাখতে চাইছেন। কিন্তু চার জার্মান যুবতী সেই গর্জনের তোয়াক্কা করল না।

    তবে ওরা তোয়াক্কা না করলেও অন্য কেউ করল।

    আচমকা কারখানা ঘরের পেছনের দরজাটা খুলে গেল। একটা বিদ্যুৎ রেখা! শব্দহীন ছায়াশরীর নিয়ে ফার্নেসের মধ্যে লাফিয়ে পড়েছে একটা নেকড়ে বাঘ। তার শরীর নিমেষে জ্বলে উঠল। নেকড়েটা একটাও শব্দ করল না। জ্বলতে জ্বলতে ফার্নেসের মুখে শুয়ে পড়ল। মাংস পোড়ার গন্ধ উঠল।

    নেকড়ে-পোড়া ছাইয়ের ওপরে একটা পা পড়ল। আমার মতোই খুরওলা পা। যার পা, তার বাকি শরীর তখনো আগুনের আড়ালে।

    প্রায় নেকড়ের মতনই বিদ্যুৎবেগে ছুটে এসে আগুনের মধ্যে লাফিয়ে পড়ল হাসিদি। আবারও তৈরি হল একটা ছাইয়ের স্তূপ! বাতাসে ভেসে এল কিছুটা পোড়া মাংসের গন্ধ।

    ভয়ংকর দেবতার দ্বিতীয় পা-টা এসে পড়ল হাসিদির ভস্মাবশেষের ওপরে। এখন তার বিশাল শরীরের অর্ধেকটা দেখা যাচ্ছে। পেশল দুই পা, রোমশ তলপেট আর সরু কোমর।

    ওই জার্মান মেয়েগুলোর মধ্যে কে একটা গোঙানির গলায় বলে উঠল, হায় ভগবান! ও যে বেরিয়ে আসছে।

    আমি আর বিরাজ কাপালি তো বটেই, মেয়েরা সকলেই তখন তাকিয়ে রয়েছে খোলা দরজাটার দিকে। আর কি কেউ রয়েছে ওর ছাইয়ের সিঁড়ি সম্পূর্ণ করার জন্যে?

    এইসময় ওদের সম্বিৎ ফিরে এল। চারটে মেয়েই একসঙ্গে ছুটে গিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে উঠোনের দরজাটা বন্ধ করে, ভেতর থেকে খিল তুলে দিল। তারপরে দুজনে এসে ধরল কাপালি স্যারের হুইল চেয়ারের দুটো হাতল। ঠেলে নিয়ে যেতে শুরু করল সামনের দরজার দিকে। সোফিয়া আমার পিঠে একটা ধাক্কা দিয়ে বলল, মুভ মুভ মুভ। ডোন্ট স্টপ! থামলেই গুলি করব।

    হোঁচট খেতে খেতে দরজার দিকে এগোচ্ছি। ওরা জিতে যাবে? একবার শুধু ঘাড় ফিরিয়ে দেখলাম, জ্বলন্ত আগুনের মধ্যে গ্রানাইটের খোদাই করা মূর্তির মতন দুটো পা স্থির হয়ে রয়েছে। কোমরের ভঙ্গি দেখে বোঝা যাচ্ছে আর একটা সিঁড়ি পেলেই সে বাইরে বেরিয়ে আসবে। কিন্তু ওকে আনবে কে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমেসিয়ানার জ্যোৎস্নারাত – গৌতম ভট্টাচার্য
    Next Article ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    Related Articles

    সৈকত মুখোপাধ্যায়

    ১৬ আনা ভয় – সম্পাদনা : সৈকত মুখোপাধ্যায়

    January 6, 2026
    সৈকত মুখোপাধ্যায়

    খেলার নাম খুন – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    January 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }