Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শয়তানের সন্তান – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    সৈকত মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প226 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শয়তানের সন্তান – ৭

    সাত

    গল্প জমে গিয়েছিল। আমি জিগ্যেস করলাম, তারপর?

    লোকদুটো চলে যাওয়ার পর চটপট স্নান-আহ্নিক সেরে দাদু কারখানার দিকে রওনা হয়ে গেলেন। পকেটে কারখানার চাবির গোছা।

    বাঁ-দিকের ব্যারাক বাড়িটায় ইভা আর স্টিফেন থাকতেন। স্টিফেনের মৃত্যুর পর তখন ইভা একাই থাকেন। ব্যারাক বাড়ির দিকে যেতে গিয়েও দাদু থেমে গেলেন। কারণ, ভেতরদিক থেকে এঁটে বন্ধ করা দরজা-জানলাগুলো দেখে বোঝা যাচ্ছিল, ইভা তখনো ঘুম থেকে ওঠেননি। দাদু ঘড়ি দেখলেন—বারোটা বাজতে তখনো কয়েক মিনিট দেরি ছিল। তিনি ভাবলেন, থাক। আর কিছুক্ষণ বাদে উনি হয়তো নিজেই উঠে পড়বেন। তখনই না হয় কথা বলব। আপাতত কারখানাটা একটু দেখে আসা যাক।

    তোমাকে আগেই বলেছি, কারখানার প্রোডাকশনের ব্যাপারে দাদু কোনোদিন মাথা ঘামাননি। সত্যি কথা বলতে কি ব্যাভেরিয়া পোর্সেলিন ইন্ডাস্ট্রির তিনি ছিলেন স্লিপিং-পার্টনার।

    কিন্তু সেই-দিনটার কথা ছিল স্বতন্ত্র। স্টিফেন মারা গেছেন, কারিগরেরাও কাজ ছেড়ে দিয়ে চলে গেল। ইভার অবস্থা তিনি চোখের সামনেই দেখতে পাচ্ছিলেন। মাত্র বছরখানেক আগেই যে প্রাণোচ্ছল এবং আত্মবিশ্বাসী যুবতী তাঁর সঙ্গে কারখানা কেনার ‘ডিল’ করেছিলেন, তিনি কি আর আগের মতন আছেন?

    সোমেশ্বর কাপালির বয়স তখন বাহান্ন। দুনিয়াদারি অনেকটাই দেখে নিয়েছেন। তিনি বুঝতে পারছিলেন, এখনো যদি তিনি ব্যাভেরিয়া ইন্ডাস্ট্রির ব্যাপারে মনোযোগ না দেন তাহলে তাঁর শেষ বয়সের অবলম্বন এই ব্যবসাটাও ডুববে।

    এইসব চিন্তা করতে-করতেই সোমেশ্বর কাপালি সেদিন, পাঁচই মার্চ উনিশশো-একান্ন, বেলা বারোটার সময়, জীবনে প্রথমবারের জন্যে ব্যাভেরিয়া পোর্সেলিন ইন্ডাস্ট্রির কারখানা-ঘরের দরজার গা-তালা খুলে ভেতরে ঢুকলেন। তারপর বাড়ি ফিরে তিনি সেদিন যা-যা করেছিলেন, যা-যা দেখেছিলেন, সবটাই পরিষ্কার করে ডায়েরিতে লিখে রাখলেন।

    কারখানা-ঘরের ভেতরে সেদিনও কোনো বৈদ্যুতিক আলো জ্বলেনি। তবু হালকা সবুজ একটা আভায় পুরো ঘরটাই ভরে ছিল। সোমেশ্বর কাপালি পরিষ্কার বুঝতে পারছিলেন, ঘরটায় তিনি ছাড়াও আরেকজন কেউ রয়েছেন। না, কাউকে দেখতে পাননি। কোনো শব্দও শোনেননি। তবু তাঁর মনে হচ্ছিল কেউ যেন তাঁর ওপরে নজর রাখছে।

    বেশ কিছুক্ষণ বেঞ্চের নীচে, ফার্নেসের ভেতরে উঁকিঝুঁকি মারার পরেও বুঝতে পারলেন না যে, সে রয়েছে কোথায়! শুধু যে দেখছিল তাই নয়, সোমেশ্বর কাপালি তাঁর ডায়েরিতে লিখেছেন, সেই অদৃশ্য অস্তিত্ব ক্রমাগত তাঁর কানে বলে চলছিল, আর বেশি এগিও না সোমেশ্বর। তুমি এখানে অবাঞ্ছিত। ভালো চাও তো এইমুহূর্তে এখান থেকে বেরিয়ে যাও।

    বেরিয়েই আসছিলেন সোমেশ্বর কাপালি।তার আগেই একটা ভারি অদ্ভুত জিনিস চোখে পড়ল তাঁর। যতদিন কারখানা-ঘরে জটাকেশী ফার্মেসির ওষুধপত্র তৈরি হত, ততদিন জিনিসটা ওখানে ছিল না। সেটা আর কিছুই নয়, ফার্নেসের কাছাকাছি মেঝের ওপরে একটা চৌবাচ্চা। হঠাৎ করে দেখলে বোঝা যায় না যে, ওখানে চৌবাচ্চাটা রয়েছে। কারণ, ঠিক ম্যানহোলের ঢাকনার মতন একটা গোলাকার ঢালাই-লোহার ঢাকনা দিয়ে চৌবাচ্চাটার মুখ এঁটে বন্ধ করা ছিল।

    সোমেশ্বর পাশ দিয়ে যেতে-যেতেই কী মনে হতে ঢাকনাটার আংটা ধরে একটা টান দিয়ে সেটাকে খুলে ফেললেন, আর খোলামাত্রই বীভৎস পচা গন্ধে তিনি প্রায় জ্ঞান হারাচ্ছিলেন। অলৌকিক সবুজ আলো সেই চৌবাচ্চার ভেতরেও নেচে বেড়াচ্ছিল! সেইজন্যেই তিনি দেখতে পেলেন চৌবাচ্চাভর্তি রক্ত। তিনি বুঝতে পারলেন, কসাইখানা থেকে পশুর রক্ত এনে এই মেঝের নীচের চেম্বারেই জমানোর বন্দোবস্ত করেছিলেন ইভা আর স্টিফেন।

    সোমেশ্বরের চোখের সামনেই সেই রক্তের চৌবাচ্চার মধ্যে একটা ঢেউ উঠল। পুকুরের মধ্যে বড় কোনো মাছ ঘাই মেরে জলের নীচে ডুবে গেলে তার মাথার ওপরের জলটুকু যেমন একমুহূর্তের জন্যে ফুলে ওঠে, ঠিক সেইরকম। তিনি পরিষ্কার বুঝতে পারলেন, ওই রক্তের সঞ্চয়ের মধ্যে বাস করছে বৃহদায়তন কোনো জীব। সেটা যে কী, তা নিয়ে তদন্ত করার সাহস তাঁর ছিল না।

    তিনি তড়িঘড়ি ম্যানহোলের ঢাকনাটা নামিয়ে দিয়ে কারখানা-ঘরের ভেতর থেকে আবার উঠোনে বেরিয়ে এলেন। উঠোন পেরিয়ে গিয়ে দাঁড়ালেন বাঁ-দিকের ব্যারাক বাড়ির দালানে। হ্যাঁ রুদ্র, যে-বাড়িটায় এখন তোমার থাকবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তোমাকে তো একটু আগেই বললাম, সত্তর বছর আগে ওই চারটে ঘরের মধ্যেই কোনো একটায় থাকতেন ইভা স্টাইনবেক। স্টিফেন মেয়ার মারা যাওয়ার পরে তিনি একাই থাকতেন।

    শূন্য কারখানা। শূন্য উঠোন। এবং ব্যারাক বাড়ি দুটোতেও তখন থাকার কথা একমাত্র ইভার। সোমেশ্বর একবার কব্জিতে বাঁধা ঘড়িটায় সময় দেখলেন। সাড়ে বারোটা। তিনি চিন্তা করলেন, ডাকব কি ইভাকে? পায়ে-পায়ে ইভার ঘরের দরজায় গিয়ে দাঁড়ালেনও তিনি।

    কিন্তু দরজায় নক করার আগেই তাঁর কানে এল ইভার গলা। একঘেয়ে সুরে এবং অচেনা-ভাষায় ইভা কিছু বলে যাচ্ছিলেন। সোমেশ্বরের মনে হয়েছিল সুরটা সাপুড়ে-বাঁশির সুরের মতন—যার মধ্যে একইসঙ্গে আদিমতা এবং সম্মোহন মিশে ছিল। সেই গান কিছুক্ষণ শুনলেই মন অবশ হয়ে যায়; অন্তত সোমেশ্বর কাপালির সেদিন তাই হয়েছিল।

    ইভা কি মন্ত্র পড়ছেন? কোনোরকম প্রার্থনায় ব্যস্ত রয়েছেন? এইসময় তাঁকে ডাকা কি ঠিক হবে? কী করবেন বুঝতে পারছিলেন না সোমেশ্বর।

    ঠিক তখনই তাঁর চোখে পড়ল, ঘরের একটা জানলার পাল্লা অল্প একটু খোলা রয়েছে। হয়তো ছিটকিনি আলগা থাকায় জানলাটা সামান্য ফাঁক হয়ে গিয়েছিল। ইভা কী করছেন দেখার জন্যে সোমেশ্বর সেই ফাঁকটায় চোখ লাগালেন! যা দেখলেন তা কোনো জীবিত মানুষের দেখার কথা নয়!

    আমি একটু অধৈর্য হয়েই কাপালি স্যারকে জিগ্যেস করলাম, কী দেখলেন?

    দেখলেন, ইভা স্টাইনবেক মেঝের ওপরে হাঁটু মুড়ে বসে আছেন। দালানের দিকেই মুখ ফিরিয়ে বসেছিলেন, তাই দাদু তাঁকে সামনের দিক থেকে দেখেছিলেন। গায়ে একটা সুতোও ছিল না মহিলার—সম্পূর্ণ নগ্ন। আধো অন্ধকার ঘরটার মধ্যে সেই শ্বেতাঙ্গিনীকে দেখে মনে হচ্ছিল একটা মোমের মূর্তি। সোনালি চুলের রাশি পিঠের ওপরে লুটোচ্ছিল। চোখদুটো আধবোজা। তিনি ওই অবস্থাতেই দুর্বোধ্য ভাষায় একটানা মন্ত্র পড়ে যাচ্ছিলেন।

    দাদু লিখছেন—ইভার তলপেটের দিকে একপলক তাকিয়েই বুঝতে পারলাম যে, তিনি গর্ভবতী। আমি একজন চিকিৎসক। গর্ভলক্ষণ চিনতে আমার ভুল হয় না। অন্তত পাঁচমাসের গর্ভভার বহন করছেন তিনি।

    আর যা দেখলাম তা আমার সমস্ত অভিজ্ঞতা এবং সমস্ত অধ্যায়নের অতীত। চিকিৎসা-শাস্ত্র অথবা শরীরবিদ্যার কোনো গ্রন্থে এমন কোনো লক্ষণের কথা আমি পড়িনি। দেখলাম, ইভার স্বাভাবিক দুই স্তনের মাঝখানে, ওঁর সম্পূর্ণ স্তনসন্ধি জুড়ে তৃতীয় একটি স্তন। বাকি দুটি স্তনের মতই সেটি পরিপূর্ণ, নিটোল এবং অপরূপ।

    আমার পা কাঁপতে শুরু করল। আমার মনে হল ওই তৃতীয় স্তনটির শীর্ষে যা আছে, তা সাধারণ বৃন্ত নয়—চোখ। অদ্ভুত এক সম্মোহক-দৃষ্টিতে সেই চোখটি আমার দিকে তাকিয়ে ছিল। এমনই সেই সম্মোহনের টান যে, প্রবল উচ্ছা সত্তেও আমি সেই জানলার সামনে থেকে এক-ইঞ্চিও নড়তে পারলাম না।

    ঠিক তখনই মন্ত্রপাঠ থামিয়ে ইভা আমার দিকে তাকালেন। বিন্দুমাত্র অবাক হলেন না, সঙ্কুচিতও নয়। যেন সত্যিই ওই স্তনের চোখ দিয়েই তিনি আমাকে অনেক আগেই দেখে নিয়েছিলেন। তিনি বললেন, প্লিজ কাম ইন মিস্টার কাপালি। আই নিড ইউ। আই নিড ইয়োর হেল্প ব্যাডলি। অফকোর্স ইউ উইল বি রিওয়ার্ডেড ফর ইট।

    এরপর দাদু লিখছেন, ইভা আমাকে সমস্ত কথা খুলে বলেছেন। লেবেনসবর্ন-প্রোগ্রামের কথা শুনে আমি তো হতভম্ব। উনি এখন এই কারখানায় সেই প্রোগ্রাম চালিয়ে যেতে চান। উনি যে-পথে হাঁটছেন সেই পথে হাঁটার জন্যে জার্মানিতে নাকি অসংখ্য মেয়ে অপেক্ষা করে রয়েছে। সেই মেয়েদের পেছনে আবার রয়েছে নাৎসিদের গোপন সংগঠন। যুদ্ধ শেষ হলেও তারা শেষ হয়নি। সংগঠনের ধনকুবের সদস্যেরা আমাকে সোনা দিয়ে মুড়ে দেবে, শুধু যদি ইভা স্টাইনবেকের সঙ্গে থাকি।

    শুধু মুখের কথা নয়, ইভা আমাকে আজকেই একটা বিশাল হিরের ব্রোচ দিয়েছে, যেটার দাম কয়েক লক্ষ টাকা হবে। আমি ওকে বলেছি, আমার বাড়ি-জমির বিলি-বন্দোবস্ত করে কয়েকদিন বাদেই আমি ফিরে আসছি। কারণ, আমি জানি এই আগুন নিয়ে খেলায় আমি যেমন বড়লোক হতে পারি, তেমনি আমার প্রাণটাও চলে যেতে পারে। আমার পরিবারকে তো আর পথে বসিয়ে যেতে পারি না।

    এই ঘোষণা দিয়েই সোমেশ্বর কাপালি তাঁর ডায়েরির লেখা শেষ করেছিলেন। ডায়েরির শেষ এন্ট্রি বলতে যা বোঝায়, তা হল এই। তবে বাবার কাছে শুনেছি, পরের দিনই তিনি আবার ব্যাভেরিয়া পোর্সেলিন ইন্ডাস্ট্রির কারখানায় ফিরে গিয়েছিলেন। তারপর আবার বারবার। এবং তার মাসখানেক পরেই সার্পেন্টাইন-লেনের পাট চুকিয়ে ওই কারখানার ব্যারাক বাড়িতেই থাকতে শুরু করেছিলেন। একবছরের কিছু বেশি সময় তিনি ওখানেই ছিলেন।

    .

    বিরাজ কাপালি কথা শেষ করে পর-পর দু-গ্লাস জল খেলেন। তারপর ডায়েরিগুলো গোছা করে তুলে বেডসাইড টেবলে নামিয়ে রাখলেন।

    ফ্রেঞ্চ-উইন্ডোর কাচের বাইরে শিয়ালদার স্টেশনবাড়ির চুড়োগুলো দেখতে পাচ্ছিলাম। কান পাতলে শুনতে পাচ্ছিলাম, ফ্লাই-ওভারের ওপর দিয়ে ছুটে চলা ট্রামের চাকার ঘর্ঘর শব্দ। সবই কত সহজ, কত স্বাভাবিক।

    কিন্তু এও জানি যে, মাত্র কুড়ি-মিনিটের দূরত্বে অন্ধকারে ডুবে আছে গোরে বিবি কি মহল্লা। সেখানে সন্ধের অন্ধকারে গাছের ওপরে ফুলের মতন ফুটে থাকে সুন্দর এক মৃত-মেয়ে—বিশাখা। সেখানে দ্বৈতসত্তা নিয়ে ঘুরে বেড়ায় হাসি মণ্ডল।

    এসব তো আমার নিজের চোখেই দেখা।

    আর যা দেখিনি, তার কথা এখন শোনালেন বিরাজ কাপালি। তিনি বললেন ইভা স্টাইনবেকের তৃতীয় স্তনের কথা।

    প্রকৃতির রাজ্যে মানবীর তৃতীয় স্তনের মতন কিছু কি হয়? নাকি, ওই স্তনও সেই সমান্তরাল পৃথিবী থেকে কালো হাওয়ায় ভর করে ভেসে এসেছিল?

    .

    কোলের ওপরে নামিয়ে-রাখা একটা ছোট রুমাল দিয়ে ঠোঁটের কোনগুলো মুছে নিয়ে বিরাজ কাপালি আবার কথা শুরু করলেন। তাঁর মুখ দেখেই বুঝতে পারছিলাম, তিনি আজ এই রাতের মধ্যেই আমাকে সব কিছু বলে যেতে চাইছেন। যেন তাঁর হাতে আর বেশি সময় নেই।

    তিনি বলে চললেন…

    সেই উনিশশো-একান্নর মার্চমাসে পাকাপাকিভাবে গৃহত্যাগের আগে দাদু তাঁর সমস্ত সম্পত্তি চার ছেলেমেয়ের মধ্যে ভাগ করে দিলেন। স্থাবর-সম্পত্তি বলতে ছিল সার্পেন্টাইন-লেনের এই বাড়ি আর দমদমের কাছে ন’বিঘে জমি। দমদমের জমি তিনি তিন মেয়ে-জামাইয়ের নামে লিখে দিয়েছিলেন। বাবাকে দিয়ে গিয়েছিলেন এই বাড়ি, তবে বলে গিয়েছিলেন, সেটা তিনি পাবেন ঠাকুমা মারা যাওয়ার পরে। বাবা তাই পেয়েছিলেন। তার জন্যে বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি। দাদুর গৃহত্যাগের লজ্জা সহ্য করতে না পেরেই সম্ভবত, ঠাকুমা ঠিক তার পরেপরেই মারা যান।

    এই বাড়ি ছাড়াও তিনি আমার বাবা বিশ্বনাথ কাপালিকে একটা বড় অঙ্কের টাকা দিয়ে গিয়েছিলেন। শুনেছি পরিমাণটা ছিল ন’লক্ষ। এত টাকা পেয়ে বাবা তো অবাক। কারণ, ব্যাভারিয়া ইন্ডাস্ট্রি যে খুব ভালো চলছে না সেটা তিনি জানতেন। তাহলে সোমেশ্বর কাপালি এতগুলো টাকা পেলেন কোথা থেকে? ছেলের প্রশ্নের উত্তরে দাদু বলেছিলেন, এনিমি প্রপার্টি ট্র্যান্সফারের ফলে তিনি সবেমাত্র ঢাকার কারখানা আর জমি বাবদ পাকিস্তান সরকারের কাছ থেকে ওই টাকা পেয়েছেন। তবে মনে হয় কথাটা মিথ্যে। আসলে তিনি হিরের ব্রোচ বিক্রি করে পেয়েছিলেন ওই টাকা।

    এই ডায়েরিগুলো দাদু সঙ্গে করে কবরডাঙার কারখানায় নিয়ে গিয়েছিলেন এবং বহুদিন সেখানেই পড়েছিল। কাজেই আরও অনেক রহস্যের মতন ওই ন’লক্ষ টাকার রহস্যও আমার বাবার কাছে রহস্যই থেকে গিয়েছিল, যতদিন না তিনি নিজে ওই কারখানায় ঢুকে তত্ত্বতালাশ করে এগুলো হাতে পেয়েছিলেন।

    যাই হোক, দাদু চেয়েছিলেন, ওই টাকায় বাবা নিজের ব্যবসা শুরু করুন। কিন্তু তা হয়নি। বাবা সারাজীবনে আর কোনো কাজই করেননি; বাবুয়ানি করেছেন। তবে সুরা, নারী বা ঘোড়দৌড়ের তামসিক বাবুয়ানি নয়। তাঁর ছিল সাত্ত্বিক নেশা। বইয়ের নেশা। পেন্টিং আর ভাস্কর্যের নেশা। দামি-দামি সুগন্ধী আর দেশি-বিদেশি পাখি পোষার নেশা। এইসবের পেছনেই তিনি অকাতরে ওই টাকা উড়িয়েছেন।

    বাবার কথা পরে বলছি। আগে দাদুর কথা বলে নিই।

    ওই যে বললাম, দাদু সার্পেন্টাইন-লেনের এই বাড়ির পাট চুকিয়ে ব্যাভেরিয়া পোর্সেলিন ইন্ডাস্ট্রির ব্যারাকবাড়িতেই থাকতে শুরু করেছিলেন, কথাটা এতটুকু মিথ্যে নয়। প্রথম-প্রথম বাবা এবং আমার তিন পিসেমশাই অনেকভাবে তাঁকে ফিরিয়ে আনবার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু কিছুতেই সেই কাজে সফল হননি।

    তারপর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাবা এবং পিসেমশাইদের সেই চেষ্টায় ভাঁটা পড়েছিল।

    স্বাভাবিক। টাকাকড়ি আর সম্পত্তির বিলিবন্দোবস্ত করে দিলে সংসারে একজন প্রৌঢ়ের আর কী দাম থাকে? আছেন তিনি নিজের মতন, থাকুন না। বরং পাড়ায় ফিরলেই তাঁর পরিবারকে আরো অস্বস্তিকর অবস্থার সম্মুখীন হতে হত। এমনিতেই ‘সোমেশ্বর কবিরাজ বুড়োবয়সে একটি মেম-মাগির পাল্লায় পড়েছে’—এটাই ছিল তখন বৈঠকখানা বাজারের সবচেয়ে মুখরোচক কেচ্ছা। লোকটা চোখের আড়ালে থাকলে সেই কেচ্ছা থিতিয়ে আসবে, এরকমটাই সকলে ভেবেছিলেন।

    খুব একটা ভুলও ভাবেননি। কারণ দেখা গেল সত্যিই, বছর ঘুরবার আগেই লোকজন সোমেশ্বর কাপালির কেচ্ছা ভুলে নতুন-নতুন বিষয়ে মেতে উঠল। পিসি আর পিসেমশাইদের এ-বাড়িতে আসা-যাওয়া কমতে-কমতে একরকম বন্ধই হয়ে গেল। বাবা তাঁর পড়ে-পাওয়া বড়লোকি নিয়ে মেতে রইলেন। ঠাম্মা বুকে পাথর বেঁধে এককোণে পড়ে থাকতে-থাকতেই একদিন হঠাৎ করে স্বর্গে চলে গেলেন আর আমার মা, তখন নতুনবউ, মনের সুখে একেশ্বরীর মতন সংসার করতে লাগলেন।

    সেই-দাদু তাঁর নিজের বাড়িতে আবার ফিরে এলেন উনিশশো বাহান্নর জুলাই মাসে। অর্থাৎ পাক্কা একবছর চারমাস বাদে।

    সেদিন সকাল থেকেই নাকি প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। এমন-যে জমজমাট কোলে-মার্কেট, সেই বাজারেও সেদিন জনমানুষ ছিল না। রাস্তায় এক কোমর জল। ট্রাম-বাস বন্ধ। তার মধ্যেই আমার মা শুনলেন, সদর দরজায় কে যেন কড়া খটখটাচ্ছে।

    দরজা খুলে মা দেখলেন শ্বশুরমশাই দাঁড়িয়ে রয়েছেন। কিম্বা শ্বশুরমশাইয়ের প্রেত—অন্তত আমার মা সেরকমই ভেবেছিলেন। রক্তহীন ফ্যাকাশে চেহারা। তার ওপরে শরীরের ওপর দিয়ে ক্রমাগত বৃষ্টির জল বয়ে যাওয়ার ফলে গোটা গায়ের চামড়া যেন হেজে গিয়েছে। ধুতি আর পাঞ্জাবি গায়ের সঙ্গে লেপটে গেছে। দাদু সদর দরজার সামনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে টলছিলেন। মা দরজা খোলা মাত্রই দাদুর প্রাণহীন শরীরটা ওইখানেই লুটিয়ে পড়েছিল।

    .

    পুরো দৃশ্যটা মাথার মধ্যে থিতোতে একটু সময় লাগল। খুব স্বাভাবিকভাবেই কিছু প্রশ্ন মাথায় ঘুরছিল। কাপালি স্যারকে জিগ্যেস করলাম, মাঝের একবছর চারমাস আপনার দাদু কী করেছিলেন? ইভা স্টাইনবেকের বা তার সন্তানের কী হয়েছিল? কারখানাটারই বা কী হল তারপরে?

    বিরাজ কাপালি বললেন, তোমার প্রথম প্রশ্নের উত্তর দিতে পারব না। কারণ দাদু যখন মারা যান, তখন আমার বয়স মাত্র একবছর। কাজেই আমার স্মৃতিতে কিছুই ধরা নেই। আর বাবা-মা কখনো আমার সামনে সেসব কথা আলোচনা করেননি। মনে হয়, ওই কারখানায় বসবাসের সময়টুকুতে দাদু আর ইভা কী করেছিলেন না করেছিলেন তা বাবা কিম্বা মাও জানতেন না। এখানে বসে ওদের পক্ষে জানা সম্ভবও ছিল না।

    ইভা স্টাইনবেকের কী হয়েছিল জিগ্যেস করছ? তিনি মারা গিয়েছিলেন। কীভাবে মারা গিয়েছিলেন কেউই সঠিক বলতে পারে না। তবে ওই কবরডাঙা রোডের ধারেই একজায়গায় তাঁর কবর আছে। আমার দাদুই বস্তির লোকেদের কাজে লাগিয়ে ওই কবর বানিয়েছিলেন।

    মনে পড়ল সেদিনই সন্ধেবেলায় হাসিদি আমাকে একটা ইটে বাঁধানো বেদির কাছে নিয়ে গিয়েছিল। ওখানেই আমরা বসেছিলাম। তখন অবশ্য ওটাকে কবর বলে বুঝতে পারিনি।

    কাপালি স্যার বলে চলেছিলেন—যারা কবর বানানোয় হাত লাগিয়েছিল, তাদের মধ্যে দু-একজন এখনো বেঁচে আছে। ট্যাংরা বস্তিতে সেরকম একজনের খোঁজ পেয়েছিলাম, নাম নাসিরুদ্দিন মিস্ত্রি। এখন তার বয়স প্রায় নব্বই-বছর, স্মৃতি অনেকটাই ঝাপসা হয়ে গেছে। তবু তার কথা শুনে মনে হল, দাদু যেদিন মারা গিয়েছিলেন, তার আগের দিনই মারা গিয়েছিলেন ইভা স্টাইনবেক। ইভাকে সমাধি দিয়ে দাদু শূন্য কারখানা থেকে নিজের সংসারে ফিরতে চেয়েছিলেন। পারলেন না। দরজার বাইরেই মারা গেলেন।

    ইভার পেটের সন্তানটিও নিশ্চয় মারা গিয়েছিল। জন্মের আগে না পরে, জানি না। হয়তো আগেই।

    বস্তির বাসিন্দাদের কাছে শুনবে, ইভা স্টাইনবেক এখনো ওই রাস্তায় ঘোরাফেরা করেন। মাঝরাতে ওই কবরের ওপরে তাঁকে বসে থাকতে দেখা যায়। সেই থেকেই লোকের মুখে-মুখে রাস্তাটার নাম হয়ে গেছে গোরে বিবি রোড।

    আর কারখানার কথা জিগ্যেস করছ? ওই অভিশপ্ত কারখানার যা হবার কথা, তাই হয়েছিল। গত সত্তর-বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়েছিল। মজার কথা কী জানো, কলকাতার যে কুখ্যাত চোরেরা সুযোগ পেলে রেলগাড়ির কামরা অবধি পিস পিস করে খুলে নিয়ে গিয়ে বেচে দেয়, তারাও কখনো গোরে বিবি কি মহল্লার ওই কারখানার একটা ইটেও হাত দিতে সাহস পায়নি।

    সত্তর-বছরের মধ্যে একবারই মাত্র সেই সাহস দেখিয়েছিলেন আমার বাবা—বিশ্বনাথ কাপালি। আমার তখন সতেরো বছর বয়স। তখনো স্কুলে যাতায়াত করতে পারতাম। জানতাম না, আর কয়েক-বছর বাদেই এই অসুখে পঙ্গু হয়ে যাব…

    কথা বলতে-বলতে হঠাৎই তিনি থেমে গেলেন। চোখের দৃষ্টিতে শূন্যতা ঘনিয়ে উঠল। বুঝতে পারলাম, নিজের দুর্ভাগ্যের কথা ভাবছেন। বাধ্য হয়ে বললাম, কী হয়েছিল?

    কীসের কী হয়েছিল? চমকে উঠলেন বিরাজ কাপালি।

    বললাম, আপনার সতেরো বছর বয়সে কী হয়েছিল?

    হ্যাঁ। আমার যেহেতু তখন সতেরো বছর বয়স, কাজেই অনেককিছুই মনে আছে। বাবা-মার কথাবার্তা শুনে বুঝতে পারতাম, চরম আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি আমরা। দাদুর দান করে-যাওয়া টাকা তলানিতে ঠেকেছে। ন্যাচরালি, বাবার তখন মনে পড়েছিল গোরে বিবি মহল্লার কারখানাটার কথা। নিজে ব্যবসা চালাবার কথা ভাবেননি, কারণ সেটা তিনি পারতেন না। অভিজ্ঞতা ছিল না। জমিটা বিক্রি করার কথাই ভেবেছিলেন।

    মনে আছে, বাবা প্রসঙ্গটা উত্থাপন করা মাত্র মা প্রবল আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিছুতেই তিনি বাবাকে ওই ভুতুড়ে জায়গায় যেতে দিতে রাজি ছিলেন না। কিন্তু বাবা শোনেননি মায়ের কথা। তিনি দালাল-টালাল নিয়ে ওদিকে যাতায়াত শুরু করেছিলেন। কিন্তু তারপরে হঠাৎই তিনি খুব ভয় পেয়ে গেলেন।

    ভয় পেয়ে গেলেন! কেন? কিছু দেখেছিলেন?

    কিছু দেখেছিলেন কিনা জানি না। তবে ওই কারখানা-ঘরেই তিনি এই ডায়েরিগুলো ছাড়াও আরো কয়েকটা জিনিস খুঁজে পেয়েছিলেন। আর এইসব পড়ে আর দেখেই তিনি প্রচণ্ড আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমেসিয়ানার জ্যোৎস্নারাত – গৌতম ভট্টাচার্য
    Next Article ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    Related Articles

    সৈকত মুখোপাধ্যায়

    ১৬ আনা ভয় – সম্পাদনা : সৈকত মুখোপাধ্যায়

    January 6, 2026
    সৈকত মুখোপাধ্যায়

    খেলার নাম খুন – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    January 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }