Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শয়তানের সন্তান – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    সৈকত মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প226 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শয়তানের সন্তান – ৪

    চার

    দুপুরে ঘুম আসাটা যত সহজ হয়েছিল, রাতে হল ঠিক তার বিপরীত। কিছুতেই ঘুম আসছিল না। আসলে দুপুরে তো শরীর অনেকটাই বিশ্রাম পেয়ে গিয়েছিল। তার ওপরে এরকম অদ্ভুত জায়গা, অদ্ভুত সব ঘটনা। হাসিদির আশ্চর্য বিবৃতি। সবমিলিয়ে রগের শিরাগুলো দপদপ করতে শুরু করেছিল।

    আমি জানি, দশটা-পাঁচটা অফিস করেন যে ভদ্রমহোদয় ভদ্রমহোদয়াগণ, কিম্বা কলেজে পড়ে যে যুবক-যুবতীরা, কিম্বা দোকানে খাতা লেখে এরকম কোনো মানুষ—আজ সারাদিন যে-অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে আমি গেলাম, সেরকম অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলে—হয় চিৎকার করত, না-হলে পুলিশ ডাকত। কিছুই না করলে অন্তত এই জায়গাটা ছেড়ে পালাত। কিন্তু আমি ওসব কিছুই করতে পারব না। আমি অপেক্ষা করব, কারণ আমি জানি, এই সবই সত্যি। বিশাখার মৃত্যু সত্যি। হাসিদির জোড়া-অস্তিত্ব সত্যি। পঙ্কজদার ভেতরে মৃত আত্মার সঞ্চারও সত্যি।

    মাথার ভেতরে যে পোকাটা ঘুরে-ঘুরে এতদিন ধরে গুটি বুনছিল, তার কাজ প্রায় শেষ হয়ে গেছে। পরিষ্কার বুঝতে পারছি, এই মুহূর্তে যদি আমার খুলিটা একটা কৌটোর ঢাকনার মতন খুলে ফেলা যায়, তাহলে দেখা যাবে পুরো খুপরিটা জুড়ে একজন গুড়িসুড়ি মেরে শুয়ে আছে। সে কে? জানি না। হয়তো আমার মৃত্যু।

    অনেকক্ষণ বিছানার ওপরে ছটফট করতে-করতে অবশেষে রাত দেড়টা কি দুটো নাগাদ হালকা তন্দ্রার মধ্যে ডুবে গিয়েছিলাম। কিন্তু সে বেশিক্ষণের জন্যে নয়। এক রক্ত হিম করা আওয়াজে ছিটকে বিছানার ওপরে উঠে বসলাম।

    ওটা কোন প্রাণীর চিৎকার ভেসে এল আমার বন্ধ জানলার বাইরে, উঠোনের দিক থেকে?

    কুকুর নয়। কুকুরের ডাকের মধ্যে অমন অশুভ ইঙ্গিত, অমন মৃত্যুর আতঙ্ক মিশে থাকে না।

    বিছানা থেকে উঠে পা টিপে-টিপে জানলার পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। ঘরের আলোটা জ্বালতেই পারতাম, কিন্তু জ্বালিনি। মনে হয়েছিল, জন্তুটা যদি আলো দেখে পালিয়ে যায়। আমি ওটাকে স্বচক্ষে দেখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু জানলার পাল্লা সামান্য ফাঁক করে যে-দৃশ্য দেখলাম, তেমন দৃশ্যের কথা কোনোদিন দুঃস্বপ্নেও ভাবিনি।

    পূর্ণিমার রাত ছিল সেটা। কাপড়-কাচা গোলা সাবানের মতন হড়হড়ে আর হলুদ একটা চাঁদ উঠেছিল আকাশে। সেই মরা-চাঁদের ঘোলাটে আলোয় উঠোনটাকে তখন আরো বড় মনে হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল উঠোন নয়, একটা পাহাড়ি-উপত্যকা। কারখানা-ঘরের চিমনির মুখে আগুনের আভা হিলহিল করে কাঁপছিল। তার মানে ফার্নেসে নতুন করে আগুন জ্বলে উঠেছে। কীভাবে?

    জ্যোৎস্না আর আগুনের আভায় মাখামাখি সেই উঠোনের ঠিক মাঝখানে দুহাতে দুটো আগুনের মালসা নিয়ে ঘুরে ঘুরে নাচ করছিল এক নগ্ন নারী; কালো কাজল দিয়ে আঁকা তার শরীর। আমি সেই নারী-শরীরের প্রতিটি বক্ররেখা, প্রতিটি উত্তল-অবতল, এমনকি তার বামস্তনের বৃন্তের নীচে একটা নীল জড়ুল অবধি পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছিলাম।

    সম্মোহিত হয়ে পড়েছিলাম, কারণ পুরো দৃশ্যটার মধ্যেই এক আদিম জাদু ছিল। ওই উঠোন কি দু-হাজার একুশ সালের কলকাতার কোনো বাড়ির উঠোন নাকি হিমযুগের কোনো গুহামুখ? ওই আগুন কি কোনো কারখানার ফার্নেসের আগুন না গুহাবাসীদের অগ্নিকুন্ডের? আর ওই নগ্নিকা—ও তো আজকের কেউ নয়ই! হতেই পারে না। ওর ওই নগ্নতা, ওর ওই দু-হাতে আগুনের মালসা নিয়ে ঘুরে-ঘুরে নাচ—ওই নাচ আজকের পৃথিবীর নয়।

    পূর্ণিমার রাতে হাসি মণ্ডল এক গুহামানবী হয়ে গিয়েছিল।

    যেন আমার চিন্তার সঙ্গে তাল মিলিয়েই হঠাৎ আমার ঘরের সামনের সেই টানা দালানেরই অন্য প্রান্ত থেকে আবার সেই ক্ষুধার্ত নেকড়ে ডাক ভেসে এল—ওওও ওউ ওউ ওউ। উ উয়া। উ উয়া। উ উয়া।

    আবারও আমার শিরদাঁড়া দিয়ে ঠান্ডা স্রোত নেমে গেল। মানুষের কৌতূহল অদম্য! তাই জানলার পাল্লাদুটো আরো একটু ফাঁক করে চোখদুটো গরাদের ফাঁকে প্রায় সেঁটে দিয়ে কোনোরকমে দালানের ওই কোণটাকে নজরের মধ্যে নিয়ে এলাম। দেখলাম সেখানে দাঁড়িয়ে পঙ্কজ মিদ্যা একমনে হাসিদির নাচ দেখছে। আমি তাকিয়ে থাকতে-থাকতেই বোবা মানুষটা আবার চাঁদের দিকে মুখ তুলে নেকড়েবাঘের গলায় চিৎকার করে উঠল—উউউ হাহাহা। হাহাহা হাহাহা উউউ।

    পরক্ষণেই দালান থেকে উঠোনে ঝাঁপিয়ে পড়ল পঙ্কজ মিদ্যা। চার হাতে- পায়ে দৌড়ে গেল হাসিদির দিকে। অবিকল এক নেকড়ের মতোই ওকে ঘিরে লাফাতে শুরু করল। বহুদিন পরে প্রভু ঘরে ফিরলে তাকে ঘিরে পোষা কুকুরগুলোও ঠিক এইভাবে নাচতে দেখেছি। এটা নেকড়ের উল্লাস।

    হঠাৎই হাসিদির সেই কথাটার মানে পরিষ্কার হয়ে গেল আমার কাছে। ও বলেছিল না, পঙ্কজদা পুরুষমানুষই নয়? সত্যিই তো নয়। মানুষই নয় পঙ্কজ মিদ্যা, তার আবার নারী আর পুরুষ। ও একটা নেকড়েবাঘ।

    আরেকজনকেও এবার দেখতে পেলাম। বিশাখা। ব্যারাকবাড়ি থেকে নয়, অবাক হয়ে দেখলাম ভিজে কাপড়ে কারখানা ঘরের পেছনের দরজাটা খুলে বিশাখা বেরিয়ে এল। তারপর নৃত্যরতা হাসিদিকে মাঝখানে রেখে বিশাখা আর সেই নেকড়েটা গোল হয়ে ঘুরতে শুরু করল।

    মাঝখানে একবার বিশাখা মুঠো থেকে কী যেন একটা গুঁড়ো পদার্থ হাসিদির হাতে ধরে-থাকা আগুনের মালসাটার মধ্যে ছুঁড়ে দেওয়া মাত্র গলগল করে সবজেটে ধোঁয়া বেরিয়ে এসে আমার চোখের সামনের সমস্ত দৃশ্য আবছা করে দিল। কী কটু গন্ধ সেই ধোঁয়ায়! মনে হল শ্বাসনালি পুড়ে যাচ্ছে। অথচ ওদের তিনজনকে দেখে মনে হচ্ছিল গন্ধ-টন্ধ কিছু টেরই পাচ্ছে না।

    আমি পারলাম না, আমার অত সহ্যশক্তি নেই। জানলার পাল্লাদুটো বন্ধ করে দিয়ে ছুটে গেলাম ঘরের কোনায়, যেখানে জলের কুঁজো আর গ্লাস রাখা ছিল। ঢকঢক করে এক গ্লাস জল খেলাম। কিছুটা জল হাতের চেটোয় নিয়ে ঘাড়ে মুখে থাবড়ালাম। একটু আরাম পাওয়ার পর ভাবলাম, আরেকবার জানলা খুলে দেখি। মনে আশা ছিল, হয়তো দেখব উঠোন ফাঁকা; এতক্ষণ যা দেখেছি সবই ছিল আমার চোখের ভুল।

    ভুল ভেবেছিলাম। যা দেখে গিয়েছিলাম, তার চেয়ে আরো বীভৎস দৃশ্য অপেক্ষা করছিল আমার জন্যে। জানলার পাল্লাদুটো আবার অল্প একটু ফাঁক করে তার মধ্যে চোখ লাগাতেই দেখতে পেলাম, হাসিদি তার নাচ থামিয়ে, চার-হাত-পায়ে ভর দিয়ে, মাটির ওপরেই হাঁটু মুড়ে বসে পড়েছে। মাথা ঝুঁকিয়ে দিয়েছে নীচে। রাশি-রাশি চুলের আড়ালে ওর শরীরের ওপরের অংশটা ঢাকা পড়ে গেছে।

    ওর ঝুঁকে পড়া মাথার সামনে বিশাখা যে-জিনিসটাকে দুদিকে টান দিয়ে ধরে রেখেছিল, সেটাকে একটা প্রাণী বলে চিনতেই পারতাম না, যদি না হতভাগ্য কালো বেড়ালটা একবার ওর গলার ওপরে বিশাখার হাতের মুঠির চাপ আলগা হওয়ামাত্রই মরণ-যন্ত্রণায় কঁকিয়ে কেঁদে না উঠত। পরক্ষণেই হাসিদি এক ঝটকায় মুখটা ওপরে তুলে বেড়ালটার কন্ঠনালিতে দাঁত বসিয়ে দিল। নেতিয়ে পড়া বেড়ালটাকে ওর মুখ থেকে কেড়ে নিয়ে বিশাখা নিখুঁত লক্ষে কারখানা-ঘরের দরজার দিকে ছুড়ে দিল আর সেই-মুহূর্তেই বন্ধ-দরজাটা আবার খুলে গেল।

    ঘরের ভেতরে আগুন জ্বলছিল বলে দরজাটাকে দেখাচ্ছিল অন্ধকার দেয়ালের গায়ে একটা আগুনরঙের আয়তক্ষেত্রের মতন।

    আগুনের সেই চৌকো ফ্রেমের মাঝখানে কয়েকমুহূর্তের জন্যে একজনকে দেখতে পেলাম। এক বিশাল পুরুষশরীর—ষাঁড়ের মতন মাথা। আগুনের আভার সামনে এসে দাঁড়িয়েছেন বলে তাঁকে কালো পাথরের মূর্তির মতন দেখাচ্ছিল। বিশাল দুই বাহু সামনে বাড়িয়ে তিনি মরা বেড়ালটাকে লুফে নিয়ে আবার ঘরের মধ্যে ঢুকে গেলেন। তাঁর পেছন-পেছন ঢুকে পড়ল বিশাখা, হাসিদি আর সেই নেকড়ে বাঘটা যাকে কিছুক্ষণ আগে অবধি আমি পঙ্কজ মিদ্যা বলে জানতাম। দরজাটা বন্ধ হয়ে গেল।

    কাচ কারখানার পুরো কম্পাউন্ডটা এখন অস্বাভাবিক শান্ত। একটা ঝিঁঝিপোকা অবধি ডাকছে না কোথাও। আমি জানলাটা বন্ধ করে বিছানার ওপরে লুটিয়ে পড়লাম। এখন একটু ঘুম দরকার আমার—গভীর ঘুম। না-হলে রক্তের চাপে মাথার ভেতরের শিরা-উপশিরা সব ছিঁড়ে যাবে।

    ব্যাগ হাতড়ে একটা বাদামি কাচের শিশি বার করে এনে ভেতর থেকে কয়েকটা সাদা ট্যাবলেট হাতের তালুতে ঢেলে নিলাম। যখন খুব যন্ত্রণা বাড়ত, তখন…একমাত্র তখনই লেপ্রসি-সেন্টারের ডাক্তারবাবু এই ট্যাবলেটটা আমাকে খাওয়াতেন। একসঙ্গে দুটো ট্যাবলেট মুখে পুড়ে জল দিয়ে গিলে ফেললাম। মিনিট-পাঁচেকের মধ্যে আমার চোখ বুজে এল। এটা খেলে প্রতিবারই তাই হয়।

    .

    সেই ঘুম ভাঙল বেলা দশটায়। ওরা কেউ আমাকে ডাকেনি, নিজে থেকেই ভাঙল। কিছুক্ষণ চৌকির কিনারায় মাথা ঝুঁকিয়ে বসে রইলাম। যন্ত্রণায় মাথা ফেটে যাচ্ছিল। কাল রাতে একসঙ্গে দুটো ট্যাবলেট খেয়ে নেওয়ার এফেক্ট? তাই হবে। কিছুক্ষণ ওইভাবে বসে থাকার পর নিজের মনেই বললাম, না। যা দেখেছি সব ভুল। ওসব কিছুই ঘটেনি। আমি দুঃস্বপ্ন দেখছিলাম।

    কুঁয়োতলায় গিয়ে এক-বালতি ঠান্ডা জল তুলে মাথাটা ধুয়ে নিলাম। একটু আরাম হল। গামছা দিয়ে মাথাটা মুছতে-মুছতেই বুঝতে পারলাম, আমার পেছনে কেউ এসে দাঁড়িয়েছে। তাকিয়ে দেখলাম, ঠিকই। হাসিদি একটু দূরে দাঁড়িয়ে আমাকে দেখছে। খুব সাবধানী চোখে আমার কাজকর্ম লক্ষ করছিল।

    আমি তীব্রদৃষ্টিতে হাসিদিকে আপাদমস্তক জরিপ করলাম। ঠিক এই উঠোনেই কয়েকঘণ্টা আগে ওকে নগ্ন হয়ে ঘুরতে দেখেছিলাম।

    দেখেছিলাম কি? সত্যিই দেখেছিলাম? নাকি সবটাই আমার অন্তর্গত অভিশাপের ফসল—হ্যালুসিনেসন। এই প্রশ্নটার উত্তর আমার জানা দরকার এবং এখনই দরকার। জানবার একটাই উপায় আছে।

    একবার চারিদিকে চেয়ে দেখে নিলাম, হাসিদি ছাড়া আর কাউকে সামনা-সামনি দেখা যাচ্ছে না। হাসিদি বোধহয় আমার মনের কথা বুঝে থাকবে—বলল, ওরা এখনো ঘুম থেকে ওঠেনি। আমিই শুধু তোমার ঘুম ভাঙার জন্যে অপেক্ষা করছিলাম। তুমি চান করবার সময়েও পায়ের জুতো খোলো না রুদ্র?

    প্রায় চিৎকার করেই বললাম, না। খুলি না। কতবার বলব?

    হাসিদি একটুও ভয় পেল না। বরং ওর চোখ দেখে মনে হল, ও বলতে চাইছে, এসো জোসেফ রুদ্রনাথ এক্কা। দেখে নাও, যা তুমি দেখতে চাইছ। সন্দেহমুক্ত হও।

    আমি কুঁয়োতলা থেকে প্রায় দৌড়ে গিয়েই ওর হাত চেপে ধরলাম। তারপর এক হেঁচকা টানে ওকে ঢুকিয়ে নিলাম কলঘরের মধ্যে। ও একটু ‘উঃ’ শব্দ অবধি করল না। অদ্ভুত শান্ত-চোখে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। আমি ওর কুর্তার বোতামগুলো দ্রুত হাতে খুলতে শুরু করলাম। আমার মাথা ঝুঁকে পড়েছিল হাসিদির বুকের ওপরে আর আমার ভিজে মাথা থেকে ঝরে পড়া জলের ফোঁটায় ওর কুর্তার বুকের কাছটা ভিজে যাচ্ছিল।

    তাড়াহুড়োয় আমি একটা বোতাম ছিঁড়ে ফেললাম। হাসিদি আমার হাতটা ঠেলে দিয়ে গম্ভীরমুখে বলল, সরো। আমি খুলছি।

    নিজের হাতেই কুর্তাটা খুলে ফেলল হাসিদি। দেখলাম গোলাপিরঙের সস্তার প্যাডেড ব্রায়ের নীচে ওর শিশুমুঠি দুই স্তন। ওই ছোট স্তনকে বড় করে দ্যাখানোর ইচ্ছেটা দেখে আমার আবার মনে হল, না, এ নয়। এ তো পামার বাজার বস্তির সামান্য একটা মেয়ে। দু-হাতে দুটো আগুনের মালসা নিয়ে উঠোন জুড়ে উদ্দাম-নৃত্য এর দ্বারা সম্ভবই নয়। তবু নিশ্চিত হবার জন্যে আমি দু-হাতের মুঠোয় ওর ব্রায়ের কাপদুটোকে খামচে ধরে ওপরে তুলে দিলাম আর তুলে দিয়েই বুঝতে পারলাম, এই সেই অলৌকিক নর্তকী। কারণ, ওর বামস্তনের নীচে এই তো সেই নীল জড়ুল।

    এতক্ষণ যে মনের জোরটা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম, সেই জোরটা হঠাৎই আমাকে ছেড়ে চলে গেল। আমার পা দুটো থরথর করে কাঁপতে শুরু করল। বুঝতে পারলাম, কাল রাতে যা দেখেছি, যা শুনেছি, তার কিছুই আমার কল্পনা নয়; যেমন কল্পনা নয় আমার মাথার ভেতরে গুঁড়িসুঁড়ি মেরে বসে থাকা সেই প্রাণীটি কিম্বা কাল রাতে কারখানা-ঘরে পেছনের দরজা খুলে একমুহূর্তের জন্যে যে দেখা দিয়েছিল, সেই বৃষমানুষ।

    আমি অসহায়ের মতন চৌবাচ্চার পাড়েই বসে পড়লাম।

    হাসিদি আমার দিকে পিছন ফিরে ওর অন্তর্বাস ঠিক করে নিল। কুর্তাটা আবার পরে নিয়ে, আমার কাঁধে হাত রেখে বলল, ভয় পেও না, রুদ্র। আমি, পঙ্কজদা, বিশাখা, আমরা সবাই খুব সাধারণ মানুষ। আমাদের ভয় পাবার কিছু নেই। বরং আমরাই চারিদিকের স্বাভাবিক মানুষদের ভয়ে মরতে-মরতে, পালাতে-পালাতে এখানে এসে আশ্রয় নিয়েছি। লুসিফার আমাদের তার আশ্রয়ে ডেকে নিয়েছেন। চলো, খাবার ঘরে গিয়ে বসি।

    খাবার ঘরের টেবিলের দুপাশে দুটো চেয়ার টেনে আমি আর হাসিদি বসলাম। হাসিদি আমাকে জলখাবার সাজিয়ে দিয়েছিল, কিন্তু আমার খেতে ইচ্ছে করছিল না। হাসিদি কিছুক্ষণ চুপ করে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, বুঝতে পারছি, তুমি কাল রাতে আমাদের সাবাথ দেখেছ।

    ‘সাবাথ’! শব্দটা এই প্রথমবার শুনলাম, তাই মানে বুঝলাম না।

    আমি যে বুঝতে পারিনি সেটা হাসিদি বুঝতে পারল। বলল, সাবাথ মানে লুসিফারের সঙ্গে মিলিত হওয়ার দিন। বছরে দুবার এমন দিন আসে। কাল ছিল তার মধ্যে একটা।

    মনে মনে ভাবলাম, কাপালি স্যার কি জানেন, তার কারখানার মধ্যে এই বহিরাগত নারী-পুরুষগুলি কী করে চলেছে? কিছুই কি জানেন না? না জানলে হঠাৎ আমাকে এখানে নিয়ে আসার কারণ কী? আর কেউ না জানুক, আমি তো জানি এই তিন উড়ুক্কু ঝরাপাতার দলে আমিও আরেক ঝরাপাতা। যে-অপার্থিব বাতাস ওদের তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে সেই একই হাওয়া আমার শরীরে বুনে দিয়ে গিয়েছিল কুষ্ঠ রোগের বীজ। আমার মুখ দিয়ে নিজের মনেই বেরিয়ে এল একটা শব্দ—বেচারা।

    কাকে বলছ? জিগ্যেস করল হাসিদি।

    বললাম, তোমাকে। না, তোমাদের।

    তারপর একটু ভেবে বললাম, নিজেকেও বলছি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমেসিয়ানার জ্যোৎস্নারাত – গৌতম ভট্টাচার্য
    Next Article ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    Related Articles

    সৈকত মুখোপাধ্যায়

    ১৬ আনা ভয় – সম্পাদনা : সৈকত মুখোপাধ্যায়

    January 6, 2026
    সৈকত মুখোপাধ্যায়

    খেলার নাম খুন – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    January 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }