Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শয়তানের সন্তান – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    সৈকত মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প226 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পতঙ্গ সঙ্গম – ৫

    পাঁচ

    সন্ধে সাড়ে আটটা। মোটামুটি যে-সময়ে টুনাই তার ছোট্ট হাতে প্লাস্টিকের ছুরি নিয়ে কেক কাটতে শুরু করল আর তার মতনই অনেকগুলো বাচ্চা বিপ্রদাসের সঙ্গে গলা মিলিয়ে গাইতে শুরু করল ‘হ্যাপি বার্থডে টু ইউ ডিয়ার তৃণাঞ্জনা’, সেই সময়েই তিতলি দেওয়াল-আলমারিটার পাল্লা খুলে, জামাকাপড়ের স্তূপ সরিয়ে, হাতটাকে বাড়িয়ে দিল আরো ভেতরে।

    বাড়িটা জরাজীর্ণ, তাই ঠিক ওই-জায়গাটায় দেওয়ালের একটা ইট সরিয়ে ফেলতে তিতলির অসুবিধে হয়নি। এই বাড়িটায় ঢোকার পর প্রথমদিনেই গোপন ওই খুপরিটা বানিয়ে নিয়েছিল তিতলি।

    ঠিক এরকমই একটা গোপন খুপরি ছিল তার পটারি-বস্তির ঘরে, দেওয়াল-আলমারির জামাকাপড়ের পেছনে। সুরেশ সিং বেহুঁশ হয়ে পড়লে মাঝেমাঝে ওর পকেট থেকে পয়সাকড়ি সরাত তিতলি। সেগুলো ওই খুপরির মধ্যে রেখে দিত সে।

    ফুলবাগানের ফ্ল্যাটে দেয়াল ছিল খুব শক্তপোক্ত, তাই সেখানে তিতলি তার মূল্যবান জিনিসগুলোকে রাখত সোফার মোটা ফোমের গদির ভেতরে। তখন টাকাপয়সা আর গয়নাগাটির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল একটা ষোলো জিবির পেনড্রাইভ।

    ফুলবাগান থেকে সিমবায়োটিকে আসার পর মেয়েদের হস্টেলে সে যে-ঘরটা পেয়েছিল, সেখানে স্টিলের লকার ছিল। কম্বিনেশন-লক লাগানো লকার। তাই এসব ঝঞ্ঝাট পোয়াতে হয়নি। জিনিসগুলোকে সে ওই লকারেই রাখত। ততদিনে পেনড্রাইভের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল আরো দুটো জিনিস—

    খুব স্লিক ডিজাইনের তিন ইঞ্চি বাই তিন ইঞ্চির একটা ক্রোমিয়াম প্লেটেড চ্যাপ্টা বাক্স। ওটা অরিজিনালি তাবাক ব্লন্ড পারফিউমের কৌটো। কাস্টমসের এক বড়কর্তা, যে সুরেশ সিং-এর মেহমান হওয়ার সুবাদে প্রায়ই তাকে ভোগ করত, সে তাকে ওই পারফিউমের সেটটা গিফট করেছিল। তিতলি পারফিউমের শিশি দুটো ফেলে দিয়েছিল। কিন্তু কৌটোটা যত্ন করে রেখে দিয়েছিল। সিমবায়োটিকে আসার পরে ওটা ঠিক যেভাবে ভেবেছিল, সেইভাবেই তার কাজে লেগেছে। এখন ওটার মধ্যে রয়েছে তিনটে কাচের ভায়াল আর একটা ছোট সিরিঞ্জ।

    দ্বিতীয় যে জিনিসটা তার গোপন সম্পদের তালিকায় যুক্ত হয়েছে, সেটা হল একটা আই-ফোন থার্টিন। এটাও তিতলির নিজের পয়সায় কিনবার ক্ষমতা হয়নি; ফুলবাগান থেকে পাততাড়ি গোটাবার সময় মরিয়া হয়ে জোগাড় করেছে। যিনি দিয়েছিলেন, তাঁকে এই রাজ্যের অনেকেই চেনে। কারণ, তুমুল স্মার্ট, সুদর্শন এবং মাঝবয়সি ওই ডাক্তারবাবু প্রায়ই টেলিভিসনে নানান আলোচনাসভায় যোগ দেন। ডাক্তারবাবুর শর্ত ছিল, তিনি সঙ্গমের আগে তিতলির পিঠে সিগ্রেটের ছেঁকা দেবেন। চেঁচানো চলবে না। তিতলি শর্তটা মেনে নিয়েছিল এবং পারিশ্রমিক হিসেবে ওই আই-ফোনটা পেয়েছিল।

    আই-ফোনটা তিতলি কারুর চোখের সামনে ব্যবহার করে না। ওটা শুধু হ্যাকিং-এর কাজে লাগে।

    হালকা-পাতলা ওই কৌটো, অ্যাপল ফোন এবং পেনড্রাইভ এই তিনটে জিনিস তিতলি কখনোই কাছছাড়া করত না। বাইরে বেরোলে ও জিনিসগুলোকে অন্তর্বাসের মধ্যে লুকিয়ে নিয়ে বেরোত।

    সেদিনও জিনিসগুলোকে সঙ্গে নিয়েই সে সিমবায়োটিকের ক্যাম্পাসের বাইরে বেরিয়েছিল। ভাগ্যিস সঙ্গে নিয়ে বেরিয়েছিল। তাই তো ওগুলো এখনো তার কাছে আছে।

    সিমবায়োটিকে তার ঘর, তার ফেলে আসা লকার, সবকিছুই নিশ্চয়ই এই তিনদিনের মধ্যে পুলিশের লোকেরা তোড়ফোড় করে দেখেছে। না দেখলে দু-একদিনের মধ্যেই দেখবে। তবে দেখলেও তিতলির কিছু যায়-আসে না। জামাকাপড়, বইখাতা আর গর্ভনিরোধক পিলের মতন নিরীহ কিছু জিনিসের বাইরে আর কিছুই পাবে না ওরা।

    তিতলি একবার দেওয়ালঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখল। সবে সন্ধে সাড়ে-আটটা। বিল্টুবাবু রাত দশটার আগে কোনোদিনই আসেন না। কাজেই এখন সে কিছু কাজ সেরে নিতে পারে।

    সে ধীরেসুস্থে ঘরের দেওয়ালের সঙ্গে সাঁটিয়ে-রাখা চৌকিটার ওপরে একটা ল্যাপটপ খুলে বসল। ল্যাপটপ-টা সস্তার জিনিস, এখানে আসার পরে কিনেছে। এটাকে তিতলি স্লেটের মতন ব্যবহার করে। স্লেট থেকে চকখড়ির দাগ মোছবার মতন করে, এই ল্যাপটপ থেকে ও প্রতিদিনের কাজ প্রতিদিন ডিলিট করে দিয়ে ওঠে। যদি কিছু সেভ করে রাখবার প্রয়োজন হয় স্টোর করে রাখবার প্রয়োজন হয় তার জন্যে রয়েছে আই-ফোন কিম্বা পেনড্রাইভ।

    সমস্যা হয় অন্য জায়গায়। সমস্যা করে তার নিজের স্মৃতিগুলো। নানান অপমান আর যন্ত্রণার স্মৃতি। ভাগ্যের কাছে বারবার হেরে যাওয়ার শোক। কাজ করতে বসলে তিতলির প্রথমে কিছুক্ষণ নিজের মনকে শান্ত করতে সময় লাগে। তারপর সে কাজ শুরু করতে পারে।

    আজও তিতলির মনে পড়ছিল সদ্য পিছনে ফেলে আসা ঘটনাবহুল নটা মাসের কথা।

    দুর্গাপুরে রওনা হবার আগে সে ফুলবাগানের ফ্ল্যাটটাকে সাঁওতালবাড়ির উঠোনের মতন নিকিয়ে পরিষ্কার করে দিয়ে বেরিয়েছিল, যাতে কেউ তার চিহ্ন না খুঁজে পায়। এমনিতে ওই ফ্ল্যাটের মালিকানা থেকে ইলেক্ট্রিক-মিটার, গ্যাসের কানেকশন সবই ছিল সুরেশ সিং-এর এক চাকরের নামে। কাজেই ওই ফ্ল্যাটের সঙ্গে তিতলির যোগাসূত্র খুঁজে বার করা কারুর পক্ষেই সম্ভব নয়।

    একমাত্র যার কাছ থেকে কেউ কিছু জানতে পারত, সেই সুরেশ সিংকে যে গোরখনাথ সেদিন রাত্রেই হাপিস করে দেবে, সে-ব্যাপারে তিতলির সন্দেহ ছিল না। পটারি-বস্তিতে থাকার সময় সে অনেকবার এরকম জলজ্যন্ত ইনসানকে হাপিস হয়ে যেতে দেখেছে। ওটা এমন কিছু কঠিন কাজ নয়।

    তাই যদি হয়, তাহলে অংশুমান ছাড়া আর কে তাকে খুঁজবে? আর অংশুমানের দম তার জানা ছিল। ও প্রেমিকা হারিয়ে যাওয়ার শোকে ছাদে উঠে তারা গুনতে পারে, দুটো কবিতা লিখতে পারে। কিন্তু থানা-পুলিশ করা কিম্বা তিতলির সহপাঠী অথবা হেড অফ দা ডিপার্টমেন্টের কাছে গিয়ে তিতলির খোঁজ নেওয়ার দম ওর যে হবে না সেটা তিতলি জানত। এমনিতেই ও অত্যন্ত আনস্মার্ট একটা লোক; তার ওপরে রিসেন্টলি তিতলি ওকে দিয়ে যে পাপকাজটা করিয়েছিল, তারপর থেকে ধরা পড়ার ভয়ে একেবারে শামুকের মতন নিজেকে খোলশের মধ্যে গুটিয়ে নিয়েছিল অংশুমান।

    অংশুমান মানে অংশুমান দত্ত। বায়োসায়েন্স ডিপার্টমেন্টের কেয়ারটেকার… তখনো অবধি যে ছিল তিতলির সবচেয়ে বড় মুরগি। সামান্য শরীরের ছোঁয়াতেই যে তার জন্যে হাট করে খুলে দিয়েছিল অ্যাডভান্সড ল্যাবরেটরির দরজা। দিনের পর দিন অংশুমানের ঠোঁটে একটা চুমু দিয়ে, নিজের ব্লাউজের মধ্যে ওর হাতদুটো একবার ঢোকাতে দিয়ে, বদলে তিতলি ওর কাছ থেকে চাবি নিয়ে ঢুকে গেছে সায়েন্স-কলেজের রিসার্চ-ফেলোদের জন্যে সংরক্ষিত ল্যাবরেটরিতে। হ্যাক করেছে একের পর এক কম্পিউটারের ক্ল্যাসিফায়েড ডাটা।

    সিমবায়োটিকে জয়েন করার পরে প্রদীপ কামাথ ওকে অনেকবার আড়েঠাড়ে জিগ্যেস করেছে এসব ইনস্ট্রুমেন্টের সঙ্গে ও কোথায় পরিচিত হল? কোথায় পেল জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর সাম্প্রতিকতম আবিষ্কারের হদিশ? প্রত্যেকবারই তিতলি তানা-না-না করে কাটিয়ে গেছে। আসল উত্তরটা ছিল ওই বেওকুফ অংশুমানের কাছে। সবচেয়ে হাসির কথা, অংশুমান ভাবত তিতলি ওর প্রেমে পড়েছে চল্লিশোর্ধ সংসারী মানুষ অংশুমান দত্তের প্রেমে!

    একা অংশুমানকে দোষ দেওয়া যায় না অবশ্য। তিতলি জানে, ওর চোখেমুখে এমন একটা গ্রাম্য সরলতা ছিল, যা দেখে অনেক পুরুষমানুষই ভেবে নিত যে, তাকে ইমপ্রেস করা খুব সহজ। অংশুমানও সেই একই ভুল করেছিল। বেচারা অংশুমান।

    এইসব কথা ভাবতে-ভাবতেই তিতলি অন্যমনস্কভাবে ল্যাপটপটাকে অন করল। স্ক্রিন-সেভার হিসেবে একটা ছবি ফুটে উঠল। মাইক্রোলেন্সে তোলা ছবি একটা গঙ্গাফড়িং জলের দিকে লাফ মেরেছে, যেন সুইসাইড করছে।

    সত্যিই তাই করছে কিন্তু। ওকে আত্মহত্যা করাচ্ছে যে, তার চেহারাটা প্রায় আণুবীক্ষণিক, কিন্তু নামটা রামপালতিলকসিং-এর থেকেও কঠিন। ওরা স্পিনোকর্ডোডেস্টিলিনি নামে একজাতের জলের পোকার লার্ভা একদম প্রথম-সারির এক প্যারাসাইট।

    ঝিঁঝি আর গঙ্গাফড়িং-এর মতন পোকামাকড় জল খাবার সময় ওই লার্ভাগুলোকেও খেয়ে ফেলে। এরপরেই শুরু হয় স্পিনোকর্ডোডেস্টিলিনির খেলা। একবার ফড়িং-এর পেটের মধ্যে পৌঁছে গেলেই সেই সুতোর মতন লার্ভাগুলো বাড়তে শুরু করে। কিন্তু শুধু বেড়ে উঠলেই তো হবে না, বড় হওয়ার পরে তাকে তার আসল বাসা, অর্থাৎ জলে ফিরে যেতে হবে। তাই স্পিনোকর্ডোডেস্টিলিনি সত্যিকারেই গঙ্গাফড়িং বা ঝিঁঝিকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করায়। পেটের মধ্যে পরজীবী নিয়ে বেচারা ফড়িং জলে ঝাঁপ মারে আর তার শরীর থেকে বেরিয়ে জলের পোকা জলে ফিরে যায়।

    ‘মাইন্ড-কন্ট্রোল।’ ফিসফিস করে তার প্রিয় শব্দটাকে কয়েকবার উচ্চারণ করল তিতলি। আবার ল্যাপটপের দিক থেকে তার মন ঘুরে গেল।

    কত সুন্দরভাবে এগোচ্ছিল তার মাইন্ড-কন্ট্রোলের প্রোজেক্ট; তার প্যারাসাইট হয়ে যাবার সাধনা। একদিকে প্রদীপ কামাথের জ্ঞানভাণ্ডার মামুলি হ্যাকিং-এর জোরে যার চাবি, মানে পাসওয়ার্ড, ততক্ষণে তিতলির করায়ত্ব। অন্যদিকে প্রয়োজনীয় ইনস্ট্রুমেন্ট আর ‘র-মেটেরিয়াল’, সবই আসছিল সিমবায়োটিকের পয়সায়। প্রদীপ কামাথের নামেই আসছিল, কিন্তু ব্যবহার তো করছিল তিতলিই।

    অতএব ফেব্রুয়ারি শেষ থেকে মে, এই তিনমাসের মধ্যে তিতলি যা চাইছিল, তা আবিষ্কার করে ফেলল। সে-এক ভয়ঙ্কর আবিষ্কার। কিন্তু তার কথা কাউকে বলা যাবে না। এমনিতেই জিন-মডিফিকেশনের ওপরে সারা পৃথিবীর বৈজ্ঞানিকদের শ্যেনদৃষ্টি থাকে, কারণ কাজটা প্রকৃতির বিরুদ্ধাচরণ তো বটেই। তার আলটিমেট রেজাল্ট মানবজাতির পক্ষে ভালো হবে কি মন্দ, সেটা কে বলতে পারে? তার ওপরে এই-ক্ষেত্রে তিতলির উদ্দেশ্যটাকে মোটেই সৎ বলা যায় না।

    না বলতে পারলে বয়েই গেল। তিতলি একা ভোগ করবে বলেই তো জিনিসটাকে বানিয়েছিল। কিন্তু তার পর থেকেই শুরু হল সমস্যা। জুনমাসের শুরুতেই একদিন প্রদীপ কামাথ নিজের ডাটা-ব্যাঙ্ক ঘাঁটতে গিয়ে হ্যাকিং-এর ব্যাপারটা ধরে ফেলল। যে-তাস তিতলি এই দেশের মধ্যে ফেলবে না বলেই স্থির করে রেখেছিল, সেই তাস তাকে ফেলে দিতে হল। একটা সাদা আরশোলার মতন সুড়সুড় করে প্রদীপ কামাথ উঠে এল নীলপরীর প্রসারিত দুই উরুর মাঝখানে।

    কাজটা সম্ভব হল ওই আবিষ্কারের প্রভাবেই। নাহলে এমনিতে সম্ভব ছিল না। কারণ, প্রদীপ কামাথ লোকটা সাদা চামড়ার মেয়ে ছাড়া শুত না। নিজের বউয়ের সঙ্গেও না। তার আগের তিনমাসে কতবারই তো সে তিতলির আর্টিফিসিয়াল ইনসেমিনেসন ঘটিয়েছে। যদিও সবসময়েই পাশে একজন নার্স থাকত, তবু প্রতিবারই তার ভ্যাজাইনার মধ্যে সিরিঞ্জ দিয়ে স্পার্ম পুশ করেছে তো ওই প্রদীপ কামাথই। কই, একবারের জন্যেও তো তার হাত কাঁপেনি।

    সেদিন কাঁপল।

    তার আগে অবশ্য বেশ কয়েকটা ঘটনা ঘটল। প্রথমত নার্স মহিলাটি হঠাৎই কেমন যেন ঘেমেটেমে অস্থির হয়ে উঠলেন। বললেন, তিনি একটা অস্বস্তিকর গন্ধ পাচ্ছেন। তিনি আশঙ্কা করছিলেন যে, ল্যাবরেটরির কোনো যন্ত্র থেকে গ্যাস লিক করছে, যদিও সেক্ষেত্রে অ্যালার্ম বাজার কথা। বাজেনি।

    প্রদীপ কামাথ তাঁকে দাবড়ানি দিয়ে বলল, ‘কী আবোলতাবোল বকছেন! গন্ধ একটা আমিও পাচ্ছি বটে, বাট ইট ইজ কোয়াইট অ্যালিওরিং। নেশা-ধরানো গন্ধ। যাই হোক, শরীর খারাপ লাগলে আপনি চলে যান। প্রসিডিওরটা আমি একাই সামলে নেব।’

    তিতলি দুধসাদা চাদরে ঢাকা বিছানার ওপরে শুয়ে সবটাই খেয়াল করছিল। তার ঠোঁটে ফুটে উঠেছিল রহস্যময় এক হাসি। নার্সটি বেরিয়ে যাবার পরে প্রদীপ কামাথ প্রতিদিনের মতন ফ্রিজ থেকে একটা কাচের ভায়াল বার করে, সিরিঞ্জের মধ্যে সংরক্ষিত পুরুষ-বীর্য টেনে নিয়েছিল। তারপর পায়ে-পায়ে তিতলির দিকে এগিয়েও এসেছিল। কিন্তু ওই অবধিই। তারপরেই তার হাতদুটো হঠাৎই থরথর করে কাঁপতে শুরু করল। মুখটা রক্তচাপে লাল হয়ে উঠল আর সারা কপালে ফুটে উঠল বিন্দু বিন্দু ঘাম। সিরিঞ্জটা হাত থেকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে, নিজের অ্যাপ্রনের বোতামগুলো দ্রুতহাতে খুলতে শুরু করল প্রদীপ কামাথ।

    তিতলির ঠোঁটের হাসিটা আরো একটু প্রসারিত হল। চোখের মণির মধুবনী আকাশে ঝলসালো বিদ্যুৎ। সে বুঝতে পারছিল, তার গবেষণার প্রথমভাগকে এখনই সফল বলা যায়।

    বিছানার মাথার কাছেই একটা বেসিন ছিল। মুখের ভেতর থেকে একটা চিবোনো চিউইংগাম বার করে তিতলি সেটাকে হাত বাড়িয়ে বেসিনের মধ্যে ফেলে দিল। চিউইংগামটা সাধারণ চিউইংগামই ছিল। কিন্তু ওটা চিবোনোর ফলে ওর মুখে যে-লালা জমেছিল, সেটা সাধারণ লালা ছিল না।

    গত তিনমাস ধরে তিতলি নিজের শরীরটাকে নানাভাবে বদলে ফেলেছে। তাই ওর মুখের লালাতেও এখন একধরণের উদ্বায়ী অ্যালিফ্যাটিক অ্যাসিডের প্রাবল্য। পুরুষের কাম-জাগানো গন্ধটা ওই লালা থেকেই আসছিল। নার্সটি যেহেতু নারী, তাই গন্ধটা তার কাছে অসহ্য ঠেকছিল। প্রদীপ কামাথ যেহেতু পুরুষ, তাই সে গন্ধটার মাদকতায় সম্মোহিত।

    চিউইংগামটা মুখ থেকে ফেলে দিয়ে, তিতলি প্রদীপ কামাথকে বলল, ‘স্যার! একটু ওয়েট করুন। আগে বলরাম রায়কে বলুন, সি.সি. টিভি অফ করতে। যদি প্রশ্ন করে কেন, বলবেন যেহেতু নার্স ভদ্রমহিলার শরীর খারাপ হয়েছে, তাই আপনাকে বাধ্য হয়েই আমার সঙ্গে কিছুক্ষণ একা থাকতে হচ্ছে। আপনি চান না ঘটনাটার কোনো রেকর্ড থাকুক। আর ঘরের লাইটটাও নিভিয়ে দেবেন।’

    এইখানটায় একটু ভুল হয়ে গিয়েছিল তিতলির। কটের চারিপাশে কার্টেনটা সে টেনে দেয়নি। অবশ্য ভুলও ঠিক বলা যায় না ওটাকে। কামাথ যেভাবে মুহূর্তের মধ্যে তাকে শরীরের নীচে চেপে ধরে ঠোঁটদুটো কামড়ে ধরেছিল, তাতে তার আর কিছু করার উপায় ছিল না। শুধু বিদ্ধ হওয়ার আগে নিজের পাতলা শালোয়ারটা ওই দরজার পাশের এমার্জেন্সি-লাইটটার ওপরে ছুঁড়ে দিতে পেরেছিল। ওই আলোটাকে ঘরের ভেতর থেকে নেভানো যায় না।

    ওই প্রথম রাতে তিতলি যে সামান্য ভুলটুকু করে ফেলেছিল, তাই নিয়েই নাকি পরে একটু শোরগোল উঠেছিল। সিকিউরিটি ডেস্কের কোন একটা উজবুক নাকি ওদের পাপকাজটা দেখে ফেলেছিল। বলরাম রায় অবশ্য লোকটাকে সঙ্গেসঙ্গেই দূর করে দিয়েছেন। যাই হোক, এগুলো মাইনর ইস্যু। কেউ জানবে না।

    যেটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা হল, প্রদীপ কামাথের পুরুষাঙ্গ তার শরীরে প্রবেশ করার চব্বিশ-ঘণ্টার মধ্যে তিতলি বুঝতে পেরেছিল, তার গবেষণার দ্বিতীয়ভাগও সফল। আর শুধু একটা পর্যায়ের কাজই বাকি ছিল। সেই কাজটুকু শেষ করতে পারলেই তিতলি যাদব বিশ্বজয়ে বেরোতে পারত। কিন্তু ভাগ্য যার খারাপ, তার কোনো কাজই কি সহজে হয়?

    তিতলিরও হল না।

    .

    হল কি, অগাস্ট-মাসের আঠারো-তারিখ সন্ধেবেলায় তিতলি বেনাচিতি বাজারে গিয়েছিল কিছু জিনিস কিনতে। একাই। ক্যাম্পাসের অন্যান্য লোকজনের সঙ্গে সে খুব একটা মেলামেশা করত না। মানুষ বড় কৌতূহলী জীব। কৌতূহল জিনিসটা তিতলির মতন মেয়ের পক্ষে ক্ষতিকর।

    বাজার করে ফেরার পথে তার মোবাইলে একটা কল এল।

    স্ক্রিনে নামটার দিকে তাকিয়ে তিতলির হার্ট দুটো বিট মিস করল। গোরখনাথ! সকেট গোখরো।

    এই ফোনটার জন্যেই তো সে কতদিন ধরে অপেক্ষা করছে। কতবার ভেবেছে একবার এই নম্বরে ফোন করে গোখরোকে জিগ্যেস করে, হ্যাঁ রে, সব কাজ ভালোয়-ভালোয় মিটেছে তো। তবু শেষ মুহূর্তে হাত সরিয়ে নিয়েছে। ফোন করা মানেই রেকর্ড থেকে যাওয়া।

    কলটা রিসিভ করেছিল তিতলি। খুব চাপা গলায়, টিপিকাল বালিয়া জেলার জবানে গোখরো বলেছিল, ‘পাশের গলিটার মধ্যে ঢুকে পড়, তিতলি। আমি তোকে দেখতে পাচ্ছি। এতদূর ছুটে এসেছি মানে বুঝতেই পারছিস, কথাটা জরুরি।’

    তিতলি সন্দেহ করেনি। ঢুকে পড়েছিল সেই অন্ধকার গলিটায়। দু-পা দূরে একটা অ্যাম্বাসাডর পার্ক করা ছিল। তিতলিকে দেখামাত্রই সেই অ্যাম্বাসাডর থেকে দুটো ছেলে নেমে এসেছিল। তাদের মধ্যে একজন ওর মাথার পেছনে ভারী কিছু দিয়ে সপাটে মেরেছিল। জ্ঞান ফেরার পর তিতলি দেখেছিল, তাকে একটা সরু কাঠের বেঞ্চির ওপরে পিছমোড়া করে বেঁধে ওরা শুইয়ে রেখেছে। আর সকেট গোখরো নয়, তার মুখের ওপরে ঝুঁকে আছে সুরেশ সিং।

    ‘অবাক হয়ে গেছিস, তাই না তিতলি?’ তিতলিকে চোখ মেলে তাকাতে দেখে প্রাণ খুলে হাসছিল সুরেশ সিং। ‘ভেবেছিলিস, এতদিনে কোনো জলার পাঁকের নীচে পচে গলে মিশে গেছি, তাই না?’

    ঘরটা ছিল ভাঙাচোরা। একটাই কম পাওয়ারের বালব জ্বলছিল। সেই আলোতে তিতলি দেখেছিল সেই ছেলেদুটোও ঘরের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে। ওরাও খুব মজা পাওয়ার ভঙ্গিতে হাসছিল।

    তিতলি বুঝতে পারছিল কী হতে চলেছে। তবুও একবার শেষ চেষ্টা করেছিল সে। চোখেমুখে যতটা সম্ভব সরলতা ফুটিয়ে বলেছিল, ‘আপনি কী বলছেন সুরেশচাচা, আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না। হ্যাঁ, দুর্গাপুরে আসার আগে আপনাকে একবার বলে আসা উচিত ছিল। কিন্তু আপনি যদি বারণ করেন সেই ভয়ে…।’

    ‘খামোশ!’ হঠাৎই হাসি থামিয়ে চিৎকার করে উঠেছিল সুরেশ সিং। আঙুল তুলে বলেছিল, ‘ওই যে ছেলেটাকে দেখছিস, ও ছিল গোখরোর দলের মধ্যে আমার ঢুকিয়ে-রাখা ইনফর্মার। তোর সঙ্গে গোখরোর যা-যা কথা হয়েছিল, সব ও আমাকে ডিটেইলসে বলে দিয়েছিল। সেইজন্যেই সেদিন জানে বেঁচে গিয়েছিলাম। তোর মায়ের মৃত্যুদিনে গেছিলাম অবশ্য। রাত দশটাতেই ফুলবাগানে গিয়েছিলাম। তবে একা যাইনি।’

    কিছুক্ষণ চুপ করে তিতলির ফ্যাকাশে মুখটার দিকে তাকিয়ে রইল সুরেশ সিং। তারপর সাফারির বুকপকেট থেকে একটা কালার্ড ফোটোগ্রাফ বার করে তিতলির মুখের সামনে এনে বলেছিল, ‘এই নে। দেখে নে তোর নাগরের ছবি।’

    তিতলি দেখেছিল, সকেট গোখরোর দুটো-চোখই সকেট থেকে বেরিয়ে দুই গালের ওপরে ঝুলছে। ওকে মারার পর নিজের হাতে ওর চোখ উপড়ে নিয়েছিল সুরেশ।

    ছবিটা দেখেই তিতলির ভীষণ গা গুলোচ্ছিল। তবু কোনোরকমে বলেছিল, ‘এ কে? একে আমি চিনি না। আমার প্রেমিক যদি কেউ থাকে তাহলে সে আপনিই, সুরেশচাচা। আপনার কাছেই আমার কুমারী-মন জমা রেখেছিলাম। কতদিন আপনি আমাকে আদর করেননি। আপনি কি আজ আরেকবার?’ তিতলি প্রাণপণে চেষ্টা অরছিল মুখে লালা আনতে, কিন্তু পারছিল না। ভয়ের চোটে তার গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গিয়েছিল।

    সুরেশ সিং মন দিয়ে ওর কথাগুলো শুনল। তারপর হাসল, তবে জোরে নয়। ওর এবারের হাসিটার মধ্যে নিষ্ঠুরতার সঙ্গে একটু বিষণ্ণতাও যেন মিশে ছিল। হাসতে-হাসতেই সে বলল, ‘না রে তিতলি। তোকে যদি নিজে রেপ নাও করি, এই ছোকরা দুটোকে বলতে পারতাম করতে।

    কিন্তু এই যে কোঠিটা দেখছিস, ষাট বছর আগে এখানে আমার মা শরীর বেচত। তখন স্টিল প্ল্যান্ট সবে চালু হচ্ছে। এই কোঠিতেই বেজন্মা সুরেশ সিং-এর জন্ম। তাই এই কোঠির ছাদের নীচে আমি কোনো অওরৎকে নাঙ্গা করতে পারব না। আর রেপ তো তোর মতন মেয়ের পক্ষে খুব ছোট শাস্তি, তাই না? তোকে জানে মেরে দিতে পারতাম। তবে সেটাও কিছু না। তোর জন্যে আমাদের অন্য প্ল্যান আছে। এই! শুরু কর!’

    শেষের কথাগুলো সুরেশ ওর সঙ্গী ছেলেদুটোকে উদ্দেশ্য করে বলল। ওদের মধ্যে একজন এগিয়ে এসে তিতলির মাথার মাথার নীচে একটা প্লাস্টিকের শীট গুঁজে দিল। অন্যজন একটা বোতল নিয়ে ওর পাশে এসে দাঁড়াল। তিতলি ততক্ষণে বুঝে গেছে, কী হতে চলেছে। ও চিৎকার করতে শুরু করেছিল। তবে এক-দুবারের বেশি গলা দিয়ে আওয়াজ বেরোয়নি। তারপরেই সুরেশের সঙ্গীরা ওর মুখের একদিকে অ্যাসিড ঢেলে দিয়েছিল।

    ঠিক কতদিন বাদে জ্ঞান ফিরেছিল তা জানে না তিতলি। এই কোঠিতেই ওর জ্ঞান ফিরেছিল। কোঠির মাসিকে জিগ্যেস করলে মারতে আসে। বলে, ‘তুই কি চাস আমার মুখেও সুরেশ সিং অ্যাসিড ঢেলে দিয়ে যাক?’

    তবে জ্ঞান ফেরার পরে তিতলি প্রথমেই ঘরের মধ্যে যে কমবয়সি মেয়েটিকে দেখতে পেয়েছিল, তার কাছে একটা আয়না চেয়েছিল। মেয়েটি দেয়নি। ছুটে পালিয়ে গিয়েছিল।

    একটা দীর্ঘনিশ্বাস ছেড়ে তিতলি আই-ফোনটা হাতে তুলে নিল। স্ক্রিন-সেভার হিসেবে তার নিজের মুখের ছবিই সেভ করা আছে। অ্যাসিড অ্যাটাকের পরের মুখ।

    কিছুক্ষণ সেটার দিকে তাকিয়ে থেকে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল তিতলি। টাইমটাও একবার ওই ফোনে স্ক্রিনেই দেখে নিল। পৌনে-দশটা। বিল্টুবাবু এখনই চলে আসবেন; আজ আর কাজ হবে না। অবশ্য কাজ আর কী? বসে বসে এটা-ওটা ডিজাইন করা। এখানে কোথায় ল্যাবরেটরি আর কোথায় ইনস্ট্রুমেন্টস?

    তিতলি স্বগতোক্তি করল, ‘বেরোতে হবে, তিতলি যাদব। খুব শিগগিরই তোমাকে এখান থেকে বেরিয়ে পড়তে হবে। রসদ তো জোগাড় করেই ফেলেছ। তাহলে আর দেরি করছ কেন?’

    তারপর পেনড্রাইভ, সেলফোন, ভায়ালের কৌটো সবকিছু আবার চোরাকুঠুরিতে ঢুকিয়ে রেখে সে বিছানার চাদরটা টানটান করে পাততে শুরু করল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমেসিয়ানার জ্যোৎস্নারাত – গৌতম ভট্টাচার্য
    Next Article ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    Related Articles

    সৈকত মুখোপাধ্যায়

    ১৬ আনা ভয় – সম্পাদনা : সৈকত মুখোপাধ্যায়

    January 6, 2026
    সৈকত মুখোপাধ্যায়

    খেলার নাম খুন – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    January 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }