Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শয়তানের সন্তান – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    সৈকত মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প226 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শয়তানের সন্তান – ৮

    আট

    কাপালি স্যারের ঘরের দেওয়ালের সবকটা ঘড়ি, মায় ঘরের কোণে দাঁড়িয়ে-থাকা গ্র্যান্ডফাদার-ক্লকটা অবধি ঠিক এইসময়ে একসঙ্গে বেজে উঠল। দশটা বাজল। কথায়-কথায় যে কখন প্রায় একঘণ্টা কেটে গেছে বুঝতেই পারিনি। তবে অসুবিধে নেই। কলকাতা শহরে এই এপ্রিল মাসে রাত দশটা মানে সন্ধে। তাছাড়া আমাকে পৌঁছে দেওয়ার জন্যে প্রশান্তবাবু রয়েছেন।

    ঘণ্টার আওয়াজ থামার পরে কাপালি স্যার বললেন, আমাদের কথা আর খুব বেশি বাকি নেই। তবু সংক্ষেপেই বলছি।

    যে জিনিসগুলো বাবাকে আতঙ্কিত করে তুলেছিল, আপাতদৃষ্টিতে সেগুলো এতই সাধারণ যে বলবার কথা নয়। একজন মানুষ রাস্তায় এগুলোকে পড়ে থাকতে দেখলে হয়তো পাশ কাটিয়ে চলে যেত। কিন্তু বাবা ছিলেন অ্যান্টিক-কালেক্টর। তিনি সেগুলোকে শয়তান-সাধনার উপকরণ বলে চিনতে পেরেছিলেন। ওই তুমি যাকে একটু আগে বললে ডেভিল-ওয়রশিপ।

    বলেন কী! কাপালি স্যারের কথা শুনে আমি চমকে উঠলাম।

    হ্যাঁ। জিনিসগুলোর প্রকৃত পরিচয় জানলে তুমি বুঝতে পারবে বাবার আতঙ্কিত হওয়ার কারণ। সেটাই তোমাকে আগে বলি।

    তুমি জানো নিশ্চয়ই, আফ্রিকা এবং ইওরোপে শয়তানের আরাধনা বা ডেভিল-ওয়রশিপের ইতিহাস আজকের নয়। খ্রিস্টধর্মের থেকেও প্রাচীন তার ইতিহাস এবং ওরা স্বীকার করুক বা নাই করুক, আজ অবধি কখনোই সেই সাধনায় ছেদ পড়েনি। বরং আমেরিকাতেও দিব্যি ছড়িয়ে পড়েছে।

    নানান কালচারের মানুষদের কাছে শয়তানের নানারকম নাম। মিশরে ডেভিল-ওয়ারশিপারদের কাছে তিনি ছিলেন বেড়ালমুখো বাস্টেট। ব্যাবিলন কিম্বা সিরিয়ায় বৃষদেবতা ব্যাল। গ্রিসে অজ-মানব প্যান। আর লুসিফার কিম্বা বিলজিবাবের উল্লেখ তো বাইবেলের মধ্যেই রয়ে গেছে।

    এই দেবতাদের মধ্যে একটা জায়গায় মিল রয়েছে। স্যাটানই হোক কিম্বা প্যান, বাস্টেট কিম্বা ব্যাল, তারা কেউ কাল্পনিক অস্তিত্ব নন। পদ্ধতি মেনে ডাকলে তাঁরা এই ধুলোমাটির পৃথিবীতে সশরীরে নেমে আসেন। ভক্তের মনোবাঞ্ছা পূরণ করেন। এমনকী নারীদের সঙ্গে মিলিত হয়ে সন্তানও দেন তাদের।

    আশ্চর্য ব্যাপার হচ্ছে, এই শয়তান-আরাধনার পদ্ধতি আর উপকরণগুলোও সারা পৃথিবীতেই প্রায় এক। হয়তো শয়তানও আসলে একজনই, পৃথিবীর নানান কোণে তাকে নানান নামে ডাকা হয়।

    ব্যাভেরিয়া পোর্সেলিন ইন্ডাস্ট্রির কারখানায় বাবা এরকমই এক সেট উপকরণ খুঁজে পেয়েছিলেন। একজন অ্যান্টিক কালেকটার হিসেবে সারা পৃথিবীর ফোক-আর্টের সঙ্গেই বাবার পরিচয় ছিল। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন সেগুলোর অরিজিন রুমানিয়ার কোনো জায়গায়।

    আমি বললাম, তার মানে স্টিফেন মেয়ার এগুলো নিয়ে এসেছিলেন?

    একদম ঠিক। দাদুর এই ডায়েরিগুলো আমার বাবা যে পড়েননি তা তো হতে পারে না। কাজেই বাবাও জানতেন স্টিফেন মেয়ার রুমানিয়ার জিপসি সম্প্রদায়ের মানুষ। মেঘালয়ের যাজকের পরিচয়টা একটা ব্লাফ। আসলে তিনি ছিলেন ডেভিল-ওয়রশিপার। তবে ভারতে যে অনেকদিন ধরে ঘুরছিলেন সেটা সত্যি। মনে হয় নিজের সাধনার জন্যে একটা মনোমতন জায়গা আর একজন সহচরী খুঁজছিলেন। কবরডাঙার কারখানা তাঁকে দিয়েছিল প্রথমটা আর ইভা দ্বিতীয়টা।

    অবশ্য ইভার নিজেরও একটা অ্যাজেন্ডা ছিল। হ্যাঁ, ওই লেবেনসবর্ন প্রোগ্রাম নিয়েই। ডিটেলসটা একটু পরে বলছি।

    যাই হোক, মূল কথা হল ইভা আর স্টিফেন দুজনে মিলে এই কবরডাঙার নির্জন মাঠে সেই শয়তান নামানোর বিদ্যা হাতে-কলমে কাজে লাগিয়েছিলেন।

    হয়তো আমার চোখে অবিশ্বাসের চিহ্ন ফুটে উঠেছিল। তাই কিছুক্ষণ দোনামোনা করে বিরাজ কাপালি বললেন, আচ্ছা, জিনিসগুলো তোমাকে দেখাই। আমার মাথার কাছের আলমারিটা খোলো। দ্যাখো, নীচের তাকে একটা বড় কাঠের বাক্স আছে, ওটা নিয়ে এসো।

    বাক্সটা বার করে নিয়ে এলাম। কাপালি স্যারের নির্দেশমতন সেটা ওঁর কোলের ওপরে নামিয়ে রাখলাম। উনি চাদরের মধ্যে থেকে হাত বার করে বাক্সটার ডালা খুলে, তার ভেতর থেকে একে-একে বার করলেন একটা পোড়ামাটির ঘট, একটা বাঁশের চলটা দিয়ে বানানো ছুরি আর তাঁতে বোনা খুব রংচঙে একটা কাপড়ের টুকরো।

    সেগুলোকে বিছানার চাদরের ওপরে সাজিয়ে রেখে বিরাজ কাপালি নিজের মনেই বললেন, আমি নিজেও রিসেন্টলি রুমানিয়ার ফোক-আর্টের অ্যালবামের সঙ্গে এগুলোকে মিলিয়ে দেখেছি। ছুরি আর পাত্রের এই গড়ন, কাপড়ের মোটিফ সবই মিলে যাচ্ছে। বাবা কিছু ভুল বলেননি। এবং জেনে রাখো, সারা পৃথিবীতেই ঠিক এই জিনিসগুলোই ডেভিল ওয়ারশিপের কাজে ব্যবহৃত হয়। অঞ্চলভেদে শুধু তাদের উপাদান বদলে যায়। গ্রিসের কোনো দ্বীপে হয়তো এই ঘটিটা তৈরি হত ব্রোঞ্জ দিয়ে। আবার মিশরে হয়তো এই উলেন কাপড়ের বদলে সুতির কাপড় ব্যবহৃত হত। কিন্তু জিনিসগুলোর চরিত্র একই থাকত।

    বললাম, চরিত্র মানে?

    কাপালি স্যার হেসে বললেন, চরিত্র মানে যা চোখে দেখা যায় না। যেমন, চোখে দেখে তুমি বুঝতে পারবে না যে, এই ঘটিটার মধ্যে একটা প্ল্যাসেন্টা ছিল—যাকে বাংলায় বলা হয় নাড়ি কিম্বা ফুল। যে নাড়ির মধ্যে দিয়ে গর্ভের ভ্রূণের সঙ্গে মায়ের রক্তের যোগ থাকে। শিশুর জন্মের পরে ফুলটাকে এইধরনের ঘটিতে করে মাটির নীচে পুঁতে রাখা হয়। এটাকেও মাটির নীচ থেকেই চুরি করে তুলে আনা হয়েছে।

    এই যে বাঁশের ছুরি! এটাও ব্যবহার করা হয় বাচ্চার নাড়ি কাটার কাজে। আর এই কাপড়টা আসলে মৃত শিশুর দেহ আচ্ছাদনের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। আমার বাবা এগুলোর আসল চরিত্র জানতেন।

    বললাম, এই উপকরণগুলো হাতে পেলেই যে কেউ শয়তানকে ডেকে আনতে পারবে?

    কাপালি স্যার বললেন, উঁহু! একেবারেই না। তারও বিশদ পদ্ধতি আছে এবং বাবা সত্যিকারে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন তখনই, যখন তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, ব্যাভেরিয়া পোর্সেলিন ইন্ডাস্ট্রির কারখানা ঘরের ভেতরে সেই পদ্ধতি মেনে শয়তান নামানোর পালা শেষ হয়ে গেছে।

    দ্যাখো, সেই পদ্ধতি যে কেমন, তা আমি অত ডিটেলে বলতে পারব না। আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগে বাবার মুখে শোনা কিছু কথা—তার সব তো আমার মনে নেই। তবে যেটা মনে আছে, সেটা হল, ডেভিল, ডেমন কিম্বা শয়তান যাই বলো, তাকে নিয়ে আসার জন্যে প্রথমে নরকের সঙ্গে পৃথিবীকে একটা ঘরের মধ্যে দিয়ে জুড়ে দিতে হয়। যেমন মাটির নীচে যে-জল, সেই জলের কাছে পৌঁছতে গেলে একটা কুঁয়ো খুঁড়তে হয়, সেইরকমই। শয়তান-উপাসকদের কাছে এই কুঁয়োটা একটা ঘর। নরকের সঙ্গে সেটা যুক্ত। শয়তানকে ডাকলে তিনি সেই ঘরে আবির্ভূত হন।

    ঘরটাকে এমন হতে হবে, যে-ঘরের বাতাসে অনেক মানুষের আতঙ্ক আর শোক জমে পাথর হয়ে আছে। রুমানিয়ার জিপসিরা সাধারণত মড়কে উজার হয়ে যাওয়া কোনো গ্রামের একটা তাঁতঘর বেছে নিত। তাঁতঘর বোঝো তো? কাপড় বুনবার তাঁতযন্ত্র বসানো থাকে যে ঘরে। ওরা সেই ঘরটাকেই নানান গুহ্য প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে শয়তানের ঘরে রূপান্তরিত করত।

    কাপালি স্যারের কথা শুনতে-শুনতে আমার মাথার মধ্যে একটা ছবি আস্তে আস্তে পরিষ্কার হয়ে উঠছিল। বললাম, তাঁতঘরের বদলে পোর্সেলিনের কারখানা হলে হবে?

    কাপালি স্যার অদ্ভুত এক দৃষ্টিতে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে বললেন, হবে নয়, বললামই তো, হয়েছিল। তবে তার জন্যে স্টিফেন মেয়ারের মৃত্যুর প্রয়োজন ছিল না।

    তাহলে যে আপনি বললেন, সেই ঘরে অনেক মানুষের আতঙ্ক আর শোক জমে থাকতে হবে। স্টিফেন মেয়ার ছাড়া আর কেউ তো…

    কাপালি স্যার বললেন, আর কেউ ওই কারখানায় মারা যায়নি, তাই তো? তা হয়তো যায়নি, কিন্তু তবুও বহু নিরীহ মানুষের দীর্ঘশ্বাস ওই ঘরে তখনো ছিল এবং এখনো জমে রয়েছে।

    কীভাবে?

    এইভাবে—!

    বিরাজ কাপালি সেই কাঠের বাক্সটার ভেতর থেকে খুব সাবধানে একটা নরম কাপড়ের মোড়ক বার করে আনলেন। তারপর মোড়কটা খুলে একটা পোর্সেলিনের প্লেট বার করে কোলের ওপরে রেখে আমাকে বললেন, কাছে এসো। ভালো করে দ্যাখো। রক্তের দাগ দেখতে পাচ্ছ?

    আমি ওঁর কোলের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে দেখলাম, সত্যিই, সাদা প্লেটটার গায়ে কোনো তরল শুকিয়ে জমাট বেঁধে রয়েছে। কালচে রঙ দেখে সেটাকে রক্তের দাগ বলেই মনে হল। আমি চোখে প্রশ্ন নিয়ে কাপালি স্যারের দিকে তাকালাম। উনি বললেন, এরকম রাশি-রাশি পোর্সেলিনের প্লেট আর মিনিয়েচার স্ট্যাচু তুমি নিশ্চয়ই ওখানে দেখেছ; মানে ব্যাভেরিয়া পোর্সেলিন ইন্ডাস্ট্রির কারখানা-ঘরের র‌্যাকে। এর প্রত্যেকটির সঙ্গে মৃত-মানুষের দীর্ঘশ্বাস জড়িয়ে রয়েছে।

    কেন? আমি জিগ্যেস করলাম।

    হলোকস্টের সময় জার্মান গেস্টাপো-বাহিনী যখন দলে-দলে ইহুদিদের ধরে কনসেনট্রেসন-ক্যাম্পে নিয়ে যাচ্ছিল, তখন সেই হতভাগ্য ইহুদি-পরিবারগুলোর ঘর থেকে যত বাসন-কোসন আর আসবাবপত্র তুলে নিয়ে গিয়েছিল ইভা স্টাইনবেকের মতন এস এস বাহিনীর কর্মীরা। ম্যুনিখ শহরের বড়-বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে নিলামে বিক্রি করা হত সেই ইহুদিদের সম্পত্তি। এখনো তুমি গুগল সার্চ করলে সেরকম নিলামখানার ছবি দেখতে পাবে।

    বিশ্বযুদ্ধের শেষে ভারতে পালিয়ে আসার সময় ইভা স্টাইনবেক বাক্স ভর্তি করে ওরকম ইহুদি ক্রকারির স্তূপ সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন। তিনি জানতেন, ব্যাভেরিয়া পোর্সেলিন ইন্ডাস্ট্রির ফার্নেসে একটি-দুটি করে এই কাচের বাসন আহুতি দিতে হবে। তাতেই শয়তানের টনক নড়বে। তিনি সহজে দেখা দেবেন।

    জিগ্যেস করলাম, এইভাবে ইভা স্টাইনবেক আর স্টিফেন মেয়ার দুজনে মিলে ব্যাভেরিয়া পোর্সেলিন ইন্ডাস্ট্রির কারখানাটাকেই শয়তানের ঘর বানিয়ে তুলেছিলেন?

    হ্যাঁ। প্রথম থেকেই সেটাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। ওসব ব্লাড চারকোল ফারকোল সবই বাজে কথা। কসাইখানার ওই রক্ত, এই কাচের বাসন, ওই ফার্নেস—সবই ছিল শয়তানের ঘর বানানোর প্রক্রিয়া।

    ওদের উদ্দেশ্য কী ছিল?

    তক্ষুনি আমার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বিরাজ কাপালি আবারও বাক্সের ভেতর থেকে একটা নরম কাপড়ের মোড়ক বার করে আনলেন। বাক্সটা খালি হয়ে গেল। তিনি মোড়কটা খুলে বার করে আনলেন একটা দশ ইঞ্চি মাপের স্কাল্পচার। জিনিসটা দেখে মনে হল, কোনো পশুর হাড় খোদাই করে সেটাকে তৈরি করা হয়েছে। এবার আমাকে আর কাছে যেতে হল না। এতই নিখুঁত ছিল সেই ভাস্কর্য যে, আমি নিজের জায়গায় বসেই তার সমস্ত ডিটেলস পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছিলাম।

    মোট তিনটে ফিগার ছিল মূর্তিটার মধ্যে।

    একদম পেছনে এক বৃষ-মানুষ। তার পেশিবহুল হাত, পা এবং দেহকান্ড সবকিছুই মানুষের মতো। শুধু ঘাড়ের ওপরে মাথাটা মানুষের নয়, ষাঁড়ের। যেন বিজয়গর্বে মাথাটা সামান্য পেছনে হেলিয়ে রেখেছে সেই মহাষন্ড। তার দুই উরুর মাঝখানে প্রকট অতিদীর্ঘ লিঙ্গটিও মানুষের নয়, ষাঁড়ের। আর দুই পায়ে পাতার বদলে চেরা-ক্ষুর।

    বৃষমানুষের সামনে একটা পাথরের ওপরে বসে রয়েছে এক নারী। এক জননী। তার কোলে শুয়ে রয়েছে এই ভাস্কর্যের তৃতীয় মূর্তিটি—যা এক সদ্যোজাত শিশুর মূর্তি। নারীটি পরম মমতায় তাকিয়ে রয়েছে কোলের শিশুটির দিকে। শিশুটিকে সে স্তন্যদান করছে।

    এই স্কাল্পচারটা পৃথিবীর আর সমস্ত স্কাল্পচার থেকে আলাদা শুধু ওই স্তনের কারণে। নারীটির বুকে তিনটি স্তন। শিশুটি মাঝের স্তন থেকে দুগ্ধপান করছে।

    আমি আর সহ্য করতে পারছিলাম না। নিজের অজান্তেই আমার মুখ দিয়ে বেরিয়ে এল, ‘ওহ মাই গড।’

    বিরাজ কাপালি বললেন, এইসব মূর্তির উপস্থিতিতে গডের নাম কোরো না হে জোসেফ রুদ্রনাথ। এরা গডের প্রতিদ্বন্দ্বী। শয়তান পরিবারের সদস্য এরা।

    বললাম, কিন্তু কেন? কেন স্যার?

    কী ‘কেন’? তৃতীয় স্তন? শোনো। ডেভিল, ডেমন, প্যান, বাস্টেট কিম্বা ব্যাল—এদের সঙ্গে জড়িত যত মিথ—সবক’টাতেই এই তৃতীয় স্তনের কথা আছে। নারীর স্বাভাবিক যে-দুটি স্তন, সে তো ঈশ্বরের দান। স্বাভাবিক মানবশিশুদের জন্যে ওই স্তনদুটি ঈশ্বরের করুণাধারার পাত্র। কিন্তু শয়তান তার নিজের ঔরসজাত সন্তানের জন্যে ঈশ্বরের অনুগ্রহ নেবে কেন? তাই শয়তানের সঙ্গে মিলনের ফলে কোনো নারী গর্ভবতী হলে, তার বুকে গজিয়ে ওঠে ওই তৃতীয় স্তন। যেমন গজিয়ে উঠেছিল…

    তাঁকে কথা শেষ করতে না দিয়ে আমি বলে উঠলাম, ইভা স্টাইনবেকের বুকে।

    এগজ্যাক্টলি।

    তারপর আপনার বাবা কী করলেন?

    তিনি এই জিনিসগুলো বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন। মাকে যখন বিশদে সবকিছু বুঝিয়ে বলছিলেন, তখন আমার কানেও কিছু কথা এসেছিল। খুব একটা মনোযোগ দিইনি। তবে বাবার একটা কথা মনে গেঁথে আছে। বাবা বলেছিলেন, ঈশ্বরের নামে খুব নিরাপদে রাজনীতি করা যায়। দুনিয়া জুড়ে পুরুত মোল্লা, পাদ্রী আর রাষ্ট্রনায়করা তার প্রমাণ রেখে চলেছে। কিন্তু শয়তানকে যে রাজনীতির কাজে লাগানো যায় না, সেটা বুঝতে নাৎসি-মেয়ে ইভা স্টাইনবেকের একটু দেরি হয়ে গিয়েছিল। ফলে সে তো মরলোই, মাঝখান থেকে প্রাণ গেল আমার বেচারা বাবার। উনি সোমেশ্বর কাপালির কথা বলছিলেন, বুঝতেই পারছ।

    বাবা নিজে যেটা বুঝতে পারেননি সেটা হল, শয়তানের-জমি বিক্রিও করা যায় না। ওই ঘটনার ক’দিন পরেই বাবা এক ডিমোলিশন-ফার্মকে ব্যাভেরিয়া পোর্সেলিনের কারখানা দেখিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পরের সপ্তাহেই ওই বিল্ডিং ডিমোলিশ করার কথা হয়েছিল। কিন্তু তিনিও আর বাড়িতে ঢুকতে পারলেন না। যে-কানাগলিটা ধরে এই বাড়িতে তুমি আজ ঢুকলে, ওই গলির একটু ভেতরেই তিনি উপুড় হয়ে পড়েছিলেন।

    খুন?

    হ্যাঁ, খুন।

    কে করল? কেনই বা করল?

    কাপালি স্যার বললেন, লোকে বলে নকশালেরা। পুলিশও একই অনুমানে কেসটা ক্লোজ করে দিয়েছিল। সালটা উনিশশো উনসত্তর। কাজেই অবিশ্বাস করার কিছু নেই, যদিও বাবার মতন অরাজনৈতিক লোক কেনই বা নকশালদের টার্গেট হবেন তা বোঝা কঠিন। তাছাড়া বাবার ডেডবডির পাশে যে-ছুরিটা পড়েছিল, যেটা দিয়ে বাবার গলার নলি কেটে ফেলা হয়েছিল, সেটা ঠিক এইরকম একটা ছুরি। বাঁশের চোঁচ দিয়ে বানানো। কলকাতার নকশাল-যুবকেরা রুমানিয়ার জিপসি-ছুরি দিয়ে অপারেশন করছে, এটা কি তোমার বিশ্বাসযোগ্য লাগছে?

    সে যাইহোক, মোদ্দা কথা হল, বাবার মার্ডার নিয়ে তেমন কোনো উচ্চবাচ্য হল না। তখন সকাল-বিকেল কলকাতায় লাশ পড়ছে। তার মধ্যেই আরেকটা লাশ হয়ে মিশে গেলেন বিশ্বনাথ কাপালি।

    ব্যাভেরিয়া পোর্সেলিন ইন্ডাস্ট্রির কারখানার তো আগে থেকেই ভূতুড়ে বাড়ি দুর্নাম ছিল। বাবা মারা যাওয়ার পরে সেই দুর্নামের মাত্রা চড়ল। উনিশশো উনসত্তরের পর আবার পঞ্চাশ-বছর সেই কারখানা ফাঁকা পড়ে রইল, কেউ ওখানে পা দিল না। তারপর আজ থেকে দু-বছর আগে আবার আমি গেলাম ওখানে। মানে যেতে বাধ্য হলাম। অনেকটাই আমার বাবা যে-কারণে গিয়েছিলেন সেই একই কারণে—অর্থসংকটে।

    তারপর একটু ইতস্তত করে বিরাজ কাপালি বললেন, না। মিথ্যে বলব না। অর্থসংকটে নয়, অর্থলোভে।

    লোভটা দেখাল, ওই নীচের ঘরে যে বিদেশিনীদের দেখলে, তারা। দু-বছর আগে থেকে ওরাই যাতায়াত শুরু করল এখানে, আমার কাছে। ওদের একটাই অনুরোধ। ডেমনের সঙ্গে সঙ্গমের ব্যবস্থা করে দিতে হবে।

    সে কী! ওরা কারা? আমি অবাক হয়ে জিগ্যেস করলাম।

    ‘নিও-নাৎসি’। সোজা কথায় নতুন নাৎসি। গোপনে-গোপনে ওরা আবার ছড়িয়ে পড়ছে জার্মানির আনাচে-কানাচে। কিন্তু ওদের দর্শনটা পুরোনো। সেই হিমলারের দর্শন—জার্মান নারীদের গর্ভে জন্ম নেবে এমন সব সন্তান যাদের রক্তে কোনো নীচ জাতির ভেজাল থাকবে না। ইহুদিদের নয়, অনার্যদের নয়। অতএব আদিম দেবতা বা ডেমনের সন্তান চাই ওদের। সেই আশা নিয়েই ওরা এখানে, সার্পেন্টাইন-লেনের এই কানাগলিতে খুব গোপনে যাতায়াত করছে। তার বদলে ওরা আমাকে যে পয়সাটা কবুল করছে, সেটা অবিশ্বাস্য। আমার এই-মুহূর্তে পয়সার খুব দরকার। সম্পত্তি বেচে খাচ্ছি।

    কিন্তু ওরা আপনার কারখানার সঙ্গে শয়তানের যোগসূত্রের কথা জানল কেমন করে?

    কেন? ইভা স্টাইনবেক যে সংগঠনের সদস্যা ছিলেন ওরাও তো তারই সদস্যা। ওরাও তো লেবেনসবর্ন-গার্লস। ইভা স্টাইনবেক কোন উদ্দেশ্যে ভারতের কোথায়-কোথায় ঘুরেছিলেন তার কিছু নথি তো ওদের হাতে পৌঁছবেই।

    ইভা নাকি সেই সত্তরবছর আগে শয়তানের সঙ্গে সফল মিলনের পরে আনন্দে পাগল হয়ে ওদের সেই গোপন-সংগঠনের সর্বময় কর্তাকে চিঠি লিখেছিল—আমি আমার স্বপ্নের খুব কাছে এসে পৌঁছেছি। সবচেয়ে আশ্চর্য কী জানো রুদ্র, এই মেয়েগুলো সঙ্গে করে নিয়ে এসেছে ইভা আর স্টিফেনের সাধন-প্রক্রিয়ার পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা। প্রথম যখন আমার সঙ্গে দেখা করেছিল, তখন ওরা খুব কনফিডেন্টলি বলেছিল, শুধু ব্যাভেরিয়া ইন্ডাস্ট্রির ঘরটা পেলে বাকি কাজটা ওরা নিজেরাই করে ফেলতে পারবে।

    ইভা স্টাইনবেক আর সোমেশ্বর কাপালির অপঘাত মৃত্যুর কথা আপনি ওদের বলেননি? বলেননি আপনার বাবার মৃত্যুর কথা?

    সব বলেছি। কিন্তু ওরা নাছোড়। ফ্যানাটিকদের সাইকোলজি এরকমই হয়।

    তারপর?

    এখনো অবধি ওরা সাফল্য পায়নি। ওরা বলছে, ডেমন নাকি ওদের দেখাও দিয়েছেন। কিন্তু তিনি খুঁজছেন তাঁর আগের সন্তানকে। তাকে না পেলে তিনি আর নতুন সন্তান দিতে রাজি নন।

    কিন্তু তাকে আপনারা পাবেন কোথায়? সেই বাচ্চা তো মারাই গেছে মনে হয়।

    বিরাজ কাপালি কাঠের বাক্সের মধ্যে জিনিসগুলো একে একে গুছিয়ে তুলে রাখতে-রাখতে বললেন, জানি না। ওদের বক্তব্য, সে বেঁচে আছে। ডেমন নিজেই তাকে নিয়ে আসবেন।

    আচ্ছা, একটা কথা বলুন তো। ওদের আপনি ওই কারখানায় রেখেছেন কেন? ওই হাসি, পঙ্কজ, বিশাখাদের?

    বিরাজ কাপালি বললেন, ওরা এমনিই চলে আসে রুদ্র। যখন সোমেশ্বর কাপালি আর ইভা স্টাইনবেক ওই কারখানায় ছিলেন, তখনও এরকম অদ্ভুত কিছু নারী-পুরুষ সেখানে এসেছিল। আমার ধারণা, এই পৃথিবীতে কিছু-কিছু মানুষের ওপরে খুব স্বাভাবিকভাবেই শয়তানের প্রভাব এসে পড়ে। তাদের মধ্যে কিছু-কিছু অলৌকিক ক্ষমতা দেখা যায়। আলো দেখলে যেমন মথেরা আপনা থেকেই সেদিকে ছুটে যায় ওরাও সেইভাবেই ওই কারখানায় চলে আসছে। আমি ওদের তাড়াইনি। আছে থাক। যদি ওদের অস্তিত্ব শয়তানের মনঃপূত হয়, যদি ওদের জন্যে তার এখানে আসার টান বাড়ে, তাহলে ক্ষতি কী?

    আমাকে কেন নিয়ে এলেন? আমিও কি বিশাখা, পঙ্কজ আর হাসিদির দলে? শয়তানে পাওয়া ছেলে?

    না না! কখনোই নয়। এর উত্তরও আমি তোমাকে দেব। তবে আজ নয়। এগারোই এপ্রিল। আর ঠিক পাঁচদিন পরে। সেদিন শুকতারা মানে শুক্রগ্রহ পৃথিবীর খুব কাছে আসছে। ভোরের আকাশে এক জ্যোতিষ্কের ঔজ্জ্বল্যে সেদিন ফুটে উঠবে সেই তারা। তুমি জানো কিনা জানি না, খ্রিস্টধর্ম যাকে শয়তান বলে দেগে দিয়েছে, সেই ঈশ্বরবিরোধী লুসিফার আসলে শুকতারার সন্তান। তিনি ভোরের দেবদূত। আমি নিজেও জানতাম না। ওরাই আমাকে বলল—ওরা মানে ওই এমা, হানা, সোফিয়া, লীনারা। সেদিনই ওরা আবার লুসিফারের কাছে সঙ্গম প্রার্থনা করবে। ওদের ধারণা সেদিন ওরা সফল হবেই। সেদিনই তোমাকে আমি বলব, তোমাকে কেন এখানে এনেছি।

    আমি উঠে দাঁড়িয়ে বললাম, বেশ। তাই হবে। এই ক’দিন কি আমাকে ওখানেই থাকতে হবে স্যার? না, মানে ভাবছিলাম যদি এদিকে একটা হোটেল-টোটেলে মাঝের এই ক’টাদিন কাটিয়ে দিই। নিজের টাকাতেই থাকব, আপনাকে চিন্তা করতে হবে না।

    বৃদ্ধ কাপালি স্যার হাত বাড়িয়ে আমার হাতটা চেপে ধরে বললেন, না রুদ্র, প্লিজ। ওখানেই থাকো। তোমার ওখানে থাকাটা খুব জরুরি।

    আচ্ছা বেশ। তবে ওই অবধিই। তারপরে আর থাকব কিনা সেটা বলতে পারছি না।

    .

    শেষ অবধি রাত বারোটা নাগাদ প্রশান্তবাবুর গাড়িতে কাচ কারখানায় পৌঁছেছিলাম। ওরা জেগেই ছিল। ক্লান্ত লাগছিল খুব। সেটা যতটা না শরীরের ক্লান্তি, তার চেয়ে বেশি মনের। কোনোরকমে দুটো রুটি পেটে চালান করে, নিজের ঘরে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে শুয়ে পড়লাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমেসিয়ানার জ্যোৎস্নারাত – গৌতম ভট্টাচার্য
    Next Article ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    Related Articles

    সৈকত মুখোপাধ্যায়

    ১৬ আনা ভয় – সম্পাদনা : সৈকত মুখোপাধ্যায়

    January 6, 2026
    সৈকত মুখোপাধ্যায়

    খেলার নাম খুন – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    January 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }