Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শয়তানের সন্তান – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    সৈকত মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প226 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পতঙ্গ সঙ্গম – ৭

    সাত

    মিনিট দশেক বসে থাকার পরে ঘরের দরজায় একটি মেয়ে এসে দাঁড়ালো। মুখ দেখার আগেই তার ফিগার দেখে বিপ্রদাসের বুকটা কেঁপে উঠল। তন্বী শ্যামা বলতে যা বোঝায় একেবারে তাই। একটা সাধারন সুতিশাড়ি পরে আছে মেয়েটা। সাপের মতন লম্বা বিনুনি বুকের ওপর এনে আঙুল দিয়ে ডগাটা একবার জড়াচ্ছে, একবার খুলছে। মেয়েটার মুখটা তখনো দরজার পাল্লার ছায়ায় ঢাকা। বিপ্রদাস বলল, ‘আপনি তিতলি যাদব? ভেতরে আসুন। কয়েকটা কথা জিগ্যেস করার আছে।’

    মেয়েটা জড়তাহীন পায়ে ঘরের ভেতরে ঢুকে এল। বিপ্রদাসের বুক দ্বিতীয়বারের জন্যে কাঁপল, তবে এবার রিখটার স্কেলে তার মাপ অনেকটাই বেশি। সে দেখল, তিতলির মুখের বাঁ-পাশটা অপূর্ব সুন্দর কিন্তু ডানদিকটা পুড়ে ঝামাপাথরের মতন কুঁকড়ে গেছে। বাঁ-দিকে হরিণের চোখ, ডানদিকে চোখের জায়গায় একটা মাংসরঙের ছোট গর্ত। ভুরু নেই, পলক নেই। এমনকী ডানদিকের কানের পাতাটা অবধি গুটিয়ে সাজা পানের মতন ছোট্ট হয়ে গেছে।

    ‘কী করে হল?’ কথাগুলো যেন আপনা থেকেই বিপ্রদাসের মুখ থেকে বেরিয়ে এল।

    তিতলি মাসির ছেড়ে যাওয়া মোড়াটা টেনে নিয়ে বসল। তারপর বলল, ‘সুরেশ সিং-এর নাম শুনেছেন কি?’

    ‘সুরেশ সিং মানে পটারি-বস্তির সুরেশ সিং? সে আপনাকে কোথায় পেল?’

    ‘দুর্গাপুর বাজারে। দেখুন স্যার, আপনি আমার কাছে এসেছেন মানে ডক্টর প্রদীপ কামাথের মৃত্যুর তদন্তের ব্যাপারেই এসেছেন, তাই তো! কিন্তু ওটা সুইসাইড। ওর পেছনে আমার কোনো হাত নেই। বরং বলতে পারেন, সকেট গোখরোর মৃত্যুর ব্যাপারে পরোক্ষে আমার হাত ছিল। কীভাবে ছিল, আমি না বললে আপনি জানতে পারবেন না। কারণ আর যে জানে, অর্থাৎ সুরেশ সিং, তার কাছে আপনার মতন ছোটমাপের অফিসার কোনোদিন পৌঁছতে পারবেন না। আপনি যদি চান আমি পুরো ঘটনাটাই বলতে পারি।’

    কিছুটা রেখেঢেকে প্রায় পুরোটাই বলল তিতলি। রুগ্না মায়ের কথা থেকে শুরু করে তার নিজের সুরেশ সিং-এর রক্ষিতা হয়ে যাওয়ার কথা, বি এস সি-তে তার ব্রিলিয়ান্ট রেজাল্ট করার কথা, তার আমেরিকায় যাবার স্বপ্নের কথা সবই বলল ধীরে-ধীরে। বলল, অকপটভাবে, শান্তস্বরে। বাচনভঙ্গি আর শব্দ নির্বাচনের মধ্যে বিপ্রদাস ওর শিক্ষার পরিচয় পাচ্ছিল; আর একইসঙ্গে ওর মনে হচ্ছিল, একটা মেয়ের কপালে এত দুর্গতি থাকতে পারে?

    সবশেষে তিতলি বিপ্রদাসকে বলল ওর স্বপ্নের কথা জানবার পরে সুরেশ সিং কীভাবে ওকে বেশ্যাবৃত্তিতে নামিয়ে দিয়েছিল তাও।

    এতক্ষণ তিতলি শিরদাঁড়া সোজা করে বসেছিল। এবার বিপ্রদাসের দিকে একটু ঝুঁকে পড়ে খুব করুণ-গলায় বলল, ‘কিন্তু বিশ্বাস করুন, খুনটা আমি করাইনি। গোখরো আমার এক সহেলির কাছ থেকে জানতে পেরে গিয়েছিল যে, আমার ফ্ল্যাটে সুরেশ সিং-এর নিয়মিত যাতায়াত আছে। সুরেশকে মারতে এসে ও নিজেই বলি হয়ে গেল, কারণ, গোখরোর দলের মধ্যে সুরেশ সিং-এর ইনফর্মার ছিল। ব্যস, এই ঘটনায় আমার ভূমিকা এইটুকুই।

    ‘আর আমার দুর্গাপুরে আসার দিনটার সঙ্গে গোখরোর মৃতুদিন যে মিলে গিয়েছিল, সেটা নিতান্তই কো-ইনসিডেন্স।’

    বিপ্রদাস উঠে দাঁড়াল। বলল, ‘গোরখনাথের মার্ডারের কেসটা রি-ওপেন করাব। তখন আপনার এজাহার লাগবে। আপনি পালাবেন না আশা করি।’

    তিতলি তার ভালো চোখটায় একরাশ বিস্ময় ফুটিয়ে তুলে বলল, ‘আমি পালাব! কোথায় পালাব? পালালেও লুকোব কীভাবে? এই কোঠির মালকিন সুরেশ সিং-এর নিজের লোক বলে আমাকে লুকিয়ে রাখতে বাধ্য হয়েছে। না-হলে বেশ্যাবাড়িতেও তো আমার স্থান হত না। আর শুনুন স্যার। আজ এই-মুহূর্তে আমার হাতে ঠিক পাঁচশোটি টাকা আছে।’

    তিতলি ব্লাউজের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে একটা নোট বার করে বিপ্রদাসকে দেখিয়ে আবার ঢুকিয়ে রাখল। বলল, ‘বিল্টুবাবুর থেকে চেয়েচিন্তে নিয়েছিলাম। মাসির নজর থেকে লুকিয়ে রেখেছি। তবে এখন ভাবছি, এটা নিয়েই বা কী করব? বাজারে বেরিয়ে শখের কেনাকাটা তো করতে পারব না। এখন আমার জীবনে একটাই ইচ্ছে পূরণ হতে বাকি আছে। সুরেশ সিংকে ফাঁসিকাঠে ঝুলতে দেখা। আপনি যদি আমার সেই শখটা মিটিয়ে দেবেন বলেন, তাহলে আপনার জন্যে আগামী একশোবছর আমি এখানেই অপেক্ষা করব।’

    বিপ্রদাস বলল, ‘ঠিক আছে। আমি দু-একদিনের মধ্যেই আবার আসব। তবে আজ আর একটা কথাই জেনে যেতে চাই। প্রদীপ কামাথের আত্মহত্যা সম্বন্ধে আপনার কী ধারণা? কেন উনি আত্মহত্যা করলেন? অন্য কিছু না, আপনি দীর্ঘদিন ওনার সহকারী ছিলেন, তাই আপনাকে জিগ্যেস করছি।’

    তিতলি ভাবতে সময় নিল না। প্রায় সঙ্গে-সঙ্গেই উত্তর দিল, ‘জিনিয়াসরা অনেক সময়েই এক্সেন্ট্রিক হন, উনিও তাই ছিলেন। যখন-তখন মুড স্যুইং করত। এই হাসছেন তো এই গবেষণার কাগজপত্র হাওয়ায় উড়িয়ে দিচ্ছেন। এক্সেন্ট্রিক না হলে কেউ মৃত্যুর আগের মুহূর্তে ওরকম ক্রীতদাসের মতন ব্যবহার করে? হাতজোড় করছেন, ঘাড় নাড়ছেন, অদৃশ্য কারুর সঙ্গে কথা বলছেন। এসব দেখেও আপনাদের মনে কোনো সন্দেহ হয়নি? আশ্চর্য!’

    বিপ্রদাস তিতলিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বারান্দায় বেরিয়ে এল। বেরিয়ে এসে প্রথমেই বুক ভরে শ্বাস টানল। হোক সালফারে আর পাঁকের গন্ধ মেশা হাওয়া; তবু সেই হাওয়াটাকেই তখন তার বসন্তের বাতাসের মতন মিষ্টি লাগছিল। তিতলির ঘরের মধ্যে, তিতলির সামনে বসে তার কথা শুনতে-শুনতে মন যেন অসাড় হয়ে গিয়েছিল বিপ্রদাসের। কিছুটা সাড় ফিরল।

    সিঁড়ির নীচে মাসি দাঁড়িয়েছিল। বিপ্রদাস যাবার সময় তাকে বলে গেল, ‘তিতলি যাদবের মুখে যখন অ্যাসিড ঢালা হচ্ছিল, তখন তুমি এইখানে, এইভাবেই দাঁড়িয়েছিলে তো? কান খুলে শোনো মাসি! এমনিতে তুমি বাঁচবে না। তবে আমি তোমাকে বাঁচিয়ে নেব যদি কথা দাও কাল কিম্বা পরশু আমি যখন ফিরছি, তার আগে একটা মাছিও এই কোঠি থেকে বেরোবে না।’

    মাসির থলথলে মুখটা নিমেষের মধ্যে কাগজের মতন সাদা হয়ে গেল। সে বোধহয় ভাবতে পারেনি, তিতলি পুলিশকে সবকথা বলে দেবে। তাই বিপ্রদাসের কথা শুনে মাসি কোনোরকমে শুধু ঘাড়টাকে একদিকে হেলাতে পারল।

    অবশ্য পাঁচমিনিটের মধ্যে ওই মাসিই সুরেশ সিংকে ফোন করে বলল, ‘আব হামারা কেয়া হোগা? তিতলিনে পোলিশবালোকো যো সবকুছ বাতা দিয়া।’

    সবকিছু শুনে সুরেশ সিং উত্তর দিল, ‘কিঁউ আপ ঝুটমুট ঘাবড়াতি হ্যায় বুয়া? বেফিকর রহিয়ে। হাম সবকুছ সামহাল লেঙ্গে। বিল্টুবাবু আভি উধারই হ্যায় না? বাহার তো নেহি গিয়া?’

    .

    মিশিরজির কোঠি থেকে বেরিয়ে একটা মোড় ঘোরার পর বিপ্রদাস পকেট থেকে মোবাইল বার করল। সুধীর মাইতি সাহেবের সঙ্গে এক্ষুনি একবার কথা বলাটা ভীষণ জরুরি। কিন্তু পাঁচ-সাত মিনিট ধরে ক্রমাগত চেষ্টা করেও কনেক্ট করতে পারল না। ব্যাপারটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। টাওয়ারের কানেকশন এখানে মাঝে-মাঝেই এরকম গড়বড় করে।

    ইতিমধ্যে সে সুজিতের গাড়ির কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। কী যেন ভেবে নিয়ে বিপ্রদাস সুজিতকে বলল, ‘গ্লাভস কম্পার্টমেন্টে একটা রাইটিং-প্যাড আছে, দে তো।’

    সুজিতের হাত থেকে প্যাডটা নিয়ে খসখস করে কাগজে লিখল, ‘ফোনে আপনাকে কানেক্ট করতে পারছি না। তিতলি প্রদীপ কামাথের আত্মহত্যার ব্যাপারে অনেক কিছু জানে, যেগুলো বলছে না। ওকে এক্ষুনি কাস্টডিতে নেওয়া দরকার। আপনি স্যার একটা টিম পাঠান। সেই টিমে অন্তত দুজন হলেও লেডি-অফিসার রাখবেন। অ্যারেস্ট ওয়ারেন্টও পাঠাবেন। বিপ্রদাস।’

    কাগজটা ভাঁজ করে সুজিতের পকেটে ঢুকিয়ে দিয়ে বিপ্রদাস গাড়ি থেকে নেমে পড়ল। বলল, ‘যা। এটা বড়সাহেবের হাতে দিবি। অন্য কাউকে নয়।’

    সুজিত ভয়ার্ত স্বরে বলল, ‘আপনি? আপনাকে একা রেখে আমি যাব না স্যার।’

    বিপ্রদাস কঠিন গলায় বলল, ‘আমার যাবার উপায় নেই। চিন্তা করিস না। আমার কিছু হবে না। তুই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঘুরে আয়।’

    সুজিত আর কথা না বাড়িয়ে দুর্গাপুরের দিকে রওনা হয়ে গেল। বিপ্রদাস একবার চারদিকে তাকিয়ে দেখে নিল, কেউ ওকে দেখছে কিনা। না। আপাতত ধারে কাছে কেউ নেই। ঘড়ি দেখল। রাত ন’টা। বৃষ্টিটা এবার জোরে নেমেছে। সেটা একদিক দিয়ে ভালোই হয়েছে। রাস্তায় লোক চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। তবে অন্যদিকে ঠান্ডা হাওয়ার ঝাপটায় তার কাঁপুনি লেগে যাচ্ছিল।

    কিছু করার নেই। আজ ভিজতে হবে।

    ভিজতে-ভিজতেই আবার মিশিরজির কোঠির দিকে ফিরে চলল বিপ্রদাস। তবে পুরোটা গেল না। কোঠি থেকে কিছুটা দূরে একটা চালাঘর ছিল। এমনিতে সেটার নীচে নিশ্চয় কোনো চায়ের দোকান-টোকান বসে; তবে তখন শুধু একটা নেড়িকুকুর শুয়ে ঘুমোচ্ছিল। বাড়িটার দিকে লুকিয়ে নজর রাখবার পক্ষে এত ভালো জায়গা আর হয় না। বিপ্রদাস মাথা নীচু করে চালাটার মধ্যে ঢুকে পড়ল। কুকুরটা ওকে দেখে ভুক-ভুক করে দুবার ডাকল। তারপর আবার থাবার মধ্যে মাথা গুজে ঘুমিয়ে পড়ল।

    মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই একটা কালো মার্সিডিজ খানাখন্দের ওপর দিয়ে টলতে টলতে বাড়িটার সামনে এসে দাঁড়াল। নেড়িটা যেভাবে একবার মাত্র ঘাড় তুলে গাড়িটাকে দেখে আবার ঘুমিয়ে পড়ল, তাতে বিপ্রদাসের মনে হল গাড়িটা ওর চেনা।

    গাড়ির দরজা খোলা আর বন্ধ করার আওয়াজে বিপ্রদাস বুঝতে পারল গাড়ি থেকে কেউ নামল।

    মিসিরজির কোঠির ভাঙাচোরা সদর দরজার ঠিক মাথার কাছে খোলা তার থেকে একটা বালব ঝুলছিল। স্বাভাবিক-রাতে ওই আলোতেই নিশ্চয় এ-বাড়ির খরিদ্দাররা জিনিস পছন্দ করে। আজ বাদলার রাতে না আছে খরিদ্দার, না বিক্রেতা। গাড়ি থেকে যে নেমেছিল, সে ওই আলোর বৃত্তের মধ্যে দিয়েই কোঠির মধ্যে ঢুকল। তখনই কয়েক সেকেন্ডের জন্যে বিপ্রদাস লোকটাকে দেখতে পেল। বেঁটে মোটা কদাকার একটা অবয়ব। কিন্তু আয়তনের তুলনায় অসম্ভব চটপটে পায়ে ছোট্ট একটা লাফে উঁচু চৌকাঠ ডিঙিয়ে লোকটা বাড়ির ভেতরে ঢুকে গেল।

    এ-ই নিশ্চয়ই বিল্টুবাবু! কোল-মাফিয়া বিজন উপাধ্যায়। ওর অপারেশনের জায়গা রানিগঞ্জ, তাই বিপ্রদাস ওর সুরত কখনো দেখেনি।

    হঠাৎই বিপ্রদাসকে অবাক করে দিয়ে আরো একটা গাড়ি প্রায় নিঃশব্দে বিল্টুবাবুর গাড়িটার ঠিক পেছনে এসে দাঁড়াল। এতটা নিঃশব্দে যে আসতে পারল, তার কারণ, গাড়িটা বিদেশি। অন্ধকারের মধ্যে গাড়ির মেক কিম্বা মডেল কিছুই বুঝতে পারছিল না বিপ্রদাস। তবে ল্যান্ডরোভার হবার সম্ভাবনা বেশি। কোনো দেশি গাড়ির চাকায় অত চওড়া রেডিয়ালের টায়ার লাগানো থাকে না। এসব গাড়ি জাঙ্গল-সাফারির পক্ষে উপযুক্ত, কিম্বা পাথর ছড়ানো পাহাড়ি উপত্যকা র‌্যাফলিতে। ওয়ারিয়ার খানাখন্দে ভরা রাস্তা তো এই-গাড়ির কাছে রাজপথ।

    ওই দ্বিতীয়-গাড়িটা থেকে কিন্তু কেউ নামল না উঠলও না। ততক্ষণে অন্ধকারে চোখদুটো অনেকটা সয়ে এসেছে বলেই বিপ্রদাস বুঝতে পারল, গাড়িটায় ড্রাইভার ছাড়াও আরো দুজন লোক রয়েছে। একজন ড্রাইভারের পাশের সিটে। আরেকজন পেছনের সিটে। তার মানে বিল্টুবাবু একা আসেননি। সঙ্গে খুনখারাপির জন্যে হেঞ্চম্যান নিয়ে এসেছেন।

    ব্যাপারটা বোঝামাত্রই বিপ্রদাস শেলটার নিল। চালাঘরটার ভেতরে এককোণায় একটা পাকাপোক্ত মাটির উনুন আর তার ঠিক পাশেই একটা লোহার তৈরি জলের ড্রাম নামানো ছিল। বিপ্রদাস খুব সাবধানে বেঞ্চি ছেড়ে ওই উনুন আর জলের ড্রামের পেছনে গিয়ে হাঁটু মুড়ে বসল। তারপর পকেট থেকে মোবাইলটা বার করে দেখল, যদি মাইতি-সাহেবকে একটা মেসেজ অন্তত পাঠানো যায়।

    নাঃ, চান্স নেই। এখনো টাওয়ারের নাগাল পায়নি ওর সেলফোন।

    বেকার-যন্ত্রটাকে পকেটে ভরে রেখে কোমরের হোলস্টার থেকে কাজের যন্ত্রটাকে বার করে মুঠোর মধ্যে চেপে ধরল বিপ্রদাস। দুটো খুনে গুন্ডা যখন দশফিট দূরত্বে বসে জমি মাপে, তখন মোবাইলের চেয়েও একটা কোল্ট রিভলভার যে অনেক বেশি ভরসা জোগায় সে-ব্যাপারে সন্দেহ নেই।

    .

    মিশিরজির কোঠার দোতলার সবচেয়ে বড় ঘরটা মাসি তিতলির জন্যে ছেড়ে দিয়েছে। দিতেই হয়েছে। বিল্টুবাবু যে কেন ওই মুখপোড়া মেয়েটার জন্যে এরকম পাগল হল, পঞ্চাশ বছরের ওপর কাম-রিপুর কারবারি হয়েও মাসি তা বুঝতে পারে না। মাঝে-মাঝে মনে হয় যাদুটোনা জানে মেয়েটা।

    সত্যিই জানে। মাসি নিজে অনেকবার বিল্টুবাবুকে নিয়ে দরজা বন্ধ করার পর তিতলির ঘরের জানলায় কান পেতেছে। কানে কিছু শুনতে পায়নি কখনো, তবে প্রতিবারই মাসির নাকে ভারি অদ্ভুত একটা গন্ধ এসেছে। গন্ধটা কোনো জানোয়ারের শরীরের গন্ধের মতন। মাদি-জানোয়ারের। সহ্য করা যায় না।

    কিছুক্ষণ পরেই সেই গন্ধ মিলিয়ে গেছে। তারপর শুরু হয়েছে শীৎকার আর ঘন শ্বাসের শব্দ। সেগুলো তো স্বাভাবিক। কিন্তু তার আগের ওই গন্ধটা কিসের? একদিন আর না পেরে মাসি তিতলিকে গন্ধটার উৎস জিগ্যেস করে বসেছিল। ধূর্ত মেয়েটা বাঁকা হাসি হেসে বলেছিল, অমন কোনো গন্ধের কথা তার জানা নেই।

    ওই ঘরেই এখন তিতলি শুয়ে আছে। তার পেটিকোট আর শাড়ি পায়ের কাছে জড়ো করা রয়েছে, ব্রা আর ব্লাউজ মাথার পাশে। বকফুলের পাপড়ির মতন মসৃণ বুক পেট আর উরু থেকে নাইটল্যাম্পের নীল আলো প্রতিফলিত হচ্ছে। মনে হচ্ছে ওই নীল আলো যেন তার শরীরের চামড়া ফুঁড়েই ফুটে বেরোচ্ছে। এই অবস্থায় তিতলির পোড়ামুখের দিকে তাকালে তাকে মনে হবে এক অন্য গ্রহের প্রাণী, যার অনিন্দ্যসুন্দর শরীরটা মানবীর কিন্তু মুখটা দুঃস্বপ্ন দিয়ে তৈরি।

    তিতলি অন্যমনস্কভাবে হাতের ফোনটা নিয়ে খেলা করতে-করতে একটা কথাই ভাবছিল। এত বড় বোকামিটা সে কেমন করে করে বসল? কেমন করে সে বিপ্রদাসের সামনে বলে বসল প্রদীপ কামাথের শেষ প্রতিক্রিয়াগুলোর কথা। তার তো জানার কথা নয়। যদি ইনস্টিটিউটের ওরা সি.সি. টিভির ফুটেজ দেখে থাকে তাহলে আলাদা কথা। না-হলে ওদেরও জানার কথা নয়।

    সে জানত, কারণ প্রদীপ কামাথের শরীরে যে-জাতের মডিফায়েড প্যারাসাইট সে ঢুকিয়েছে, তাতে হ্যালুসিনেসনের ধরনটা ওরকমই হবার কথা।

    ঠিক আছে। জানত তো জানত। পুলিশ অফিসারের সামনে বলতে গেল কেন?

    এর একটা উত্তর তিতলির কাছে আছে। সে নার্ভাস হয়ে পড়েছিল। বাইরে যতই শান্ত-ভাব দেখাক, বিপ্রদাস মণ্ডল নামে ওই অফিসারটির সামনে বসে থাকতে তার ভয় করছিল। সে পরিষ্কার বুঝতে পারছিল, নামটা মান্ধাতার বাবার আমলের হলেও ছেলেটা আধুনিক। সাজপোশাকে নয়, দৃষ্টিভঙ্গিতে। ও এই জমানার ব্যুরোক্রাট যে ব্যুরোক্রেসির সঙ্গে কর্পোরেট-ওয়ার্ল্ডের খুব বেশি তফাত নেই। এরা আগের চেয়ে অনেক বেশি ইনফর্মড, অনেক বেশি টেক-স্যাভি। এরা প্রয়োজনে বাঁধা গতের বাইরে বেরিয়ে ভাবতে পারে। যাকে বলে ‘প্যারালাল থিঙ্কিং’।

    ওর সামনে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল সে, যে প্রদীপ কামাথের জীবনের শেষ মুহূর্তগুলো কেমন হতে পারে সেটা বলে ফেলেছিল।

    এবং ওর সেই কথাগুলো শোনামাত্রই বিপ্রদাসের ভুরুদুটো এক মুহূর্তের জন্যে কুঁচকে গিয়েছিল। একমুহূর্তের জন্যে কিন্তু সেটাই তিতলির পক্ষে ছিল যথেষ্ট। সে বুঝতে পেরেছিল যে, ধরা পড়ে গেছে।

    যাগগে। যা হবার তা হয়ে গেছে। এখন এই জায়গাটা ছেড়ে পালাতে হবে। পালাতে হবে অনেক দূরে, শুরু করতে হবে জীবনের নতুন একটা চ্যাপটার। তারই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে ওখানে।

    তিতলি কনুইয়ের ওপরে ভর দিয়ে রতিক্লান্ত শরীরটাকে একটু তুলল। দেখল, ঘরের অন্যদিকে একটা টেবিলের ওপরে টেবিল-ল্যাম্পের আলোয় বিল্টুবাবু একটা একটা করে কাগজ চেক করে অ্যাটাচি-কেসের মধ্যে ঢুকিয়ে রাখছেন। ওখানেই রয়েছে তার স্টুডেন্ট-ভিসা, পাসপোর্ট, প্লেনের টিকিট, মেলবোর্ন-ইউনিভার্সিটির রিসার্চ ফেলোশিপের কাগজপত্র। বিজন উপাধ্যায়ের মতন একজন মাফিয়া ছাড়া মাত্র তিনমাসের মধ্যে এই জিনিসগুলো জোগাড় করা কোনো ভদ্রলোকের সাধ্য ছিল না।

    বেচারা বিজন উপাধ্যায়! বেচারা বিল্টুবাবু। তিতলির সঙ্গে গত তিনমাসের সহবাসে যার শরীর ভরে গিয়েছে প্যারাসাইটে। প্যারাসাইটগুলো যতই ওর সেন্ট্রাল-নার্ভাস সিস্টেমের মধ্যে জমিয়ে বসছে, ততই ওর কাজকর্ম হয়ে উঠছে আরো নিখুঁত, আরো একমুখী। পয়সার লালচ নয়, প্রতিপত্তির গরম নয়। এখন বিজন উপাধ্যায়ের সমস্ত অ্যাক্টিভিটির অভিমুখ শুধু তিতলির কেরিয়ার।

    তিতলির মাথার মধ্যে একটা ছবি ভেসে উঠল। কতবার কতরকমের মিডিয়ায় যে সে ছবিটা দেখেছে তার সীমা-পরিসীমা নেই। বইয়ে দেখেছে, ইন্টারনেটে দেখেছে, অ্যানিমেটেড ফিল্মে দেখেছে। চাক্ষুষ দেখেনি কখনো। তবে সেই শখটাও মিটে গেছে বিল্টুবাবুকে দেখে।

    ছবিটা আর কিছুই না একটা গাছের ডালে ছোট-ছোট মুড়ির দানার মতন অনেকগুলো পোকার লার্ভা, আর সেই ডালেই, লার্ভাগুলোর পাশে বসে রয়েছে একটা শুয়োপোকা। দেখলে মনে হবে কী সুন্দর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান। কিন্তু পেছনের গল্পটা অন্যরকম।

    Glyptapanteles হচ্ছে এক-জাতের পরজীবী বোলতা, যারা শুয়োপোকাদের শরীরে ডিম পেড়ে যায়। তারপর শুয়োপোকার সঙ্গে-সঙ্গে তার পেটের মধ্যে বোলতার লার্ভাগুলোও বাড়তে শুরু করে। পুরোপুরি বেড়ে উঠলে লার্ভাগুলো শুয়োপোকার শরীর ছেড়ে বেরিয়ে আসে, কিন্তু তার আগে লার্ভাগুলো শুয়োপোকাটার ওপর কি জাদু করে আসে কে জানে, দেখা যায় শুয়োপোকাটা মায়ের মতন ওই বোলতার বাচ্চাগুলোকে আগলাচ্ছে।

    মুখের লালা দিয়ে তাদের ঢেকে রাখছে, পিপড়ে-টিপড়ের মতন ক্ষতিকর জীবরা কাছে এলে প্রবলভাবে মাথা নেড়ে তাদের তাড়া করছে। সহজ কথায়, যে-লার্ভাগুলোর জন্যে সে মরতে বসেছে, মৃত্যুর আগের মুহূর্ত অবধি তাদের বাঁচানোর জন্যেই সম্মোহিত শুয়োপোকাটা প্রাণপাত করে যায়।

    বিল্টুবাবুও বাঁচবে না। কিন্তু মরার আগে অবধি ও তিতলিকে বাঁচিয়ে যাবে।

    কাকে বাঁচাবে? না, সেই তিতলিকে, যার অর্ধেকটা মুখ অ্যাসিডে পোড়া।

    কে বাঁচাবে? না, সেই বিজন উপাধ্যায়, যে কিনা কয়েকমাস আগেও তার গলফগ্রিনের ফ্ল্যাটে, মাসে অন্তত একদিন, টালিগঞ্জের কোনো না কোনো রূপবতী উঠতি নায়িকার সঙ্গে রাত কাটাত।

    ঘড়ির দিকে চোখ পড়তেই তিতলি তাড়াহুড়ো করে শাড়িটা কোনোরকমে গায়ে জড়িয়ে বিছানা ছেড়ে নেমে এল। তারপর অর্ধনগ্ন-শরীরেই বিল্টুবাবুর পেছনে দাঁড়িয়ে, ওর মাথাটা দু-হাতে জড়িয়ে ধরে ফিসফিস করে বলল, ‘শোনো ডার্লিং! থানার ওই ছোটবাবু মোস্ট প্রোব্যাবলি হারুদার ঝুপড়ির নীচে বসে এই বাড়ির ওপরে নজর রাখছে। তুমি এসে পৌঁছবার একটু আগে কুকুরটা কয়েকবার ডেকে উঠেছিল। তখন এই জানলার ফাঁক দিয়ে ভেতরে মানুষের নড়াচড়াও দেখতে পেয়েছিলাম। সেইজন্যেই বলছি, ছোটবাবুর সঙ্গে একটু ট্রিক্স খেলতে হবে। পারবে তো?’

    বিল্টুবাবু অ্যাটাচি-কেসটা বন্ধ করে উঠে দাঁড়াল। তেতো-গলায় বলল, ‘ওসব ট্রিক্স-ফিক্স আমার লাইন নয়। পেছনের গাড়িতে আখতার আর শীতলের হাতে দুটো আমেরিকান মেশিন আছে। ওরা আমাদের কভার করে নিয়ে যাবে। বস্তিতে ঢোকার মুখেও একটা দলকে দাঁড় করিয়ে রেখে এসেছি। বলে রেখেছি বিপ্রদাস মণ্ডলের গাড়ি যেন এখান থেকে দুর্গাপুরে ফেরত না যায়।’

    ‘গাড়ি তো আটকাবে। ফোন-কল আটকাতে পারবে? ও তো ফোন করে ফোর্স ডেকে নেবে।’

    বিল্টুবাবু মুচকি হেসে বলল, ‘এখান থেকে ফোনের কানেকশন পাওয়া অত সহজ? জবরদখল বস্তিকে গভর্মেন্ট কতভাবে কোনঠাসা করে রেখে দিয়েছে জানো না।’

    তিতলি কিছুক্ষণ দাঁত দিয়ে নীচের ঠোঁটটা কামড়ে ধরে কী যেন ভাবল। তারপর বলল, ‘উঁহু। আমি সিওর, থানা থেকে আরো ফোর্স আসছে। শোনো, মুখে যাই বল, ওদের সঙ্গে তুমি পেরে উঠবে না। তাই একটু মন দিয়ে আমার প্ল্যানটা শোনো।’

    বেশ কিছুক্ষন ধরে তিতলি বিল্টুবাবুকে কী যেন বোঝাল। তারপর অ্যাটাচড ওয়াশ-রুমে ঢুকে ড্রেস পরে বেরিয়ে এল। ওকে দেখে বিল্টুবাবু একবার হেসে উঠেই চুপ করে গেল।

    জলের ড্রামটার পেছনে বসে বিপ্রদাস সেই হাসির শব্দটা পরিষ্কার শুনতে পেল। সে মনে-মনে বলল, ‘আর কিছুক্ষণ এইভাবে হেসেখেলে কাটা শুয়োরের বাচ্চা। আর একটু সময় দে আমাকে। তারপর তোদের নিয়ে কী করতে হয় আমি দেখে নিচ্ছি।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমেসিয়ানার জ্যোৎস্নারাত – গৌতম ভট্টাচার্য
    Next Article ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    Related Articles

    সৈকত মুখোপাধ্যায়

    ১৬ আনা ভয় – সম্পাদনা : সৈকত মুখোপাধ্যায়

    January 6, 2026
    সৈকত মুখোপাধ্যায়

    খেলার নাম খুন – সৈকত মুখোপাধ্যায়

    January 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }