Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026

    মন্দ মেয়ের উপাখ্যান – সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সব ভুতুড়ে – লীলা মজুমদার

    লীলা মজুমদার এক পাতা গল্প293 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চোর

    আপনারা হয়তো চোরকে ঘৃণা করেন? তা করুন, তবু এসব কথা প্রকাশ না করে পারছি না। চোর বলতে যদি ভাবেন আমাদের একটা আস্তানা আছে, সেখান থেকে রোজ রাতে গায়ে তেল মেখে, সিঁদকাঠি বগলে আমি চুরি করতে বেরোই, তা হলে ভুল ভেবেছেন। ও রকম করলেই হয়েছিল! সঙ্গে সঙ্গে হাজত। আমাকে দেখে কেউ চিনতে পারত না। ভিড়ের সঙ্গে মিশে থাকার মতো দেখতে আমি, কেউ আমার একটা বর্ণনা পর্যন্ত দিতে পারত না। আমি ট্রামে, বাসে, জাদুঘরের সামনে নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়াতাম! নিজের ঘরবাড়ি চাকরিবাকরি না থাকলেও, আমার কোনো অভাব ছিল না। আমার মানিব্যাগ থাকত লোকের পকেটে পকেটে। সেসব দিন বদলে গেছে। সুখ কারও পায়ের সঙ্গে বেড়ি দিয়ে বাঁধা থাকে না। তাই আমাকে প্রায় তিন মাস ধরে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছিল। কাউকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না, পকেটটা মনে হচ্ছিল একশো মণ ভারী। অথচ সে জিনিসটা খুব ছোট, চেষ্টা করলে ব্যাগের মধ্যে লুকিয়ে রাখা যায়। কানেই পরেছিল সেই মোটা গিন্নি হীরের ইয়ারিং। ওই তো চেহারা, তার আবার শখ দেখুন। স্ক্রুপ ঢিলে হয়ে গেছিল। জাদুঘরের সিঁড়ির মধ্যিখানে হাতে নিয়ে দেখছিল। দেখলেন তো বুদ্ধির বহর? ও জিনিসের মালিক হবার ওর যোগ্যতা কই?

    সিঁড়ির ওপরের বাঁক থেকে জিনিসটা ছিনিয়ে নিলাম। নিয়েই দৌড়। জাদুঘরটা চোরদের সুবিধার জন্যই তৈরি। পাঁচ মিনিটে দোতলা তিনতলা করে প্রায় নিখোঁজ হয়ে গেছি, এমন সময় দালান দিয়ে কয়েকটা লোক দৌড়ে এল আবার। আমি কেমন করে হাত ফসকে যে নীচে গিয়ে পড়লাম নিজেই বুঝতে পারলাম না। পড়েই উঠে পালিয়েছিলাম, ধরতে পারেনি। পায়ে চোট লাগেনি, হাতে লেগেছিল। কাঁধের ধারে। আর সে কী যন্ত্রণা, এমন ব্যথা যেন আমার কোনো শত্রুরও না হয়। আছে অনেক শত্রু আমার। ঐ গিন্নির স্বামী বিজ্ঞাপন দিয়েছিল, কানের ফুলের জোড়াটি উদ্ধার করে দিলে দু হাজার টাকা বকশিশ নাকি আলাদা করে একেকটা হীরের যত দাম, দুটোকে একসঙ্গে করলে তার দু’গুণ না হয় পাঁচগুণ। আমাদের জগতে বিশ টাকা দিয়ে খুনে ভাড়া করা যায়, দু হাজার টাকা লিখতে কটা শূন্য দিতে হয় তাই জানে না বেশিরভাগ লোক। পারলে আমার বন্ধুরাই আমাকে ধরিয়ে দিত। সেই ইস্তক পালিয়ে বেড়াচ্ছিলাম। কাউকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। সেই বিজ্ঞাপনে লিখেছিল, চোরের বর্ণনা দেওয়া গেল না, ময়লা শার্ট, সরু ঠ্যাং, কালো পেন্টেলুন পরা, খালি পা, আর তিনতলার সিঁড়ি থেকে পড়ে পা ছাড়া শরীরের অন্য জায়গায় জখম। পায়ে কিছু হয়নি, নইলে দৃষ্কৃতকারী পালাতে পারত না। এর পর আমার কোথাও গিয়ে যে গা ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করা কত অসম্ভব, সে তো বুঝতেই পারছেন।

    সেটাকে ময়লা কাগজে জড়িয়ে, শালপাতায় মুড়ে, পকেটে রেখেছিলাম। ফেলতে পারিনি। যার জন্য আমার এত কষ্ট, তাকে কখনো ফেলা যায়। ভালো মানুষ সেজে অচেনা পাড়ার দোকান থেকে খাবার কিনে খেয়েছি। এখন পকেটও প্রায় খালি হয়ে এসেছে অথচ কলিমুদ্দির কাছে আমার কিছু কাপড়চোপড়, টাকাকড়ি রাখা আছে। চাইতে গেলে সে-ই আগে আমাকে ধরিয়ে দেবে। দু হাজার টাকা কি চাট্টিখানিক কথা। ঐ হীরের লোকটা নিজেকে ভারী ধার্মিক ভাবে— নাকি কোথায় মন্দির করে দিয়েছে— অথচ টাকা দিয়ে ভালো মানুষকে বিশ্বাস করবে, চোরকে খুনে বানাতে একটুও দ্বিধা করে না।

    রাতে যেখানে সেখানে পড়ে থাকি। রাস্তায় বড় পাইপের ভেতর কিংবা তৈরি হচ্ছে বাড়ির সিঁড়ির নীচে, যেখানে চেনা লোকজন থাকে না এমন সব জায়গায়। এই মুহূর্তে একটা খালি বাড়ি পেলে, চুপ করে সেখানে সাতদিন পড়ে থাকতাম। এ ব্যথা আর সইতে পারছিলাম না। খাব না দাব না, নড়ব না চড়ব না, শুধু চুপ করে পড়ে থাকব। এমন কোনো জায়গায় যেখানে কেউ আমার খোঁজ করবে না।

    খালি বাড়ি বলে কিছু নেই আজকাল। খিদিরপুরের ডকের কাছে মুন্সীদের হানাবাড়ি ছাড়া। তার ত্রিসীমানায় কেউ যায় না। যারা যারা আগে আগে গেছিল, তারা নাকি কেউ ফেরেনি। সামনেটা গুদোমঘর, পেছনে ভাঙা বসতবাড়ি। নাকি সিরাজদ্দৌলার সময়কার বাড়ি, তাঁরি মুন্সীর। যেমন মুনিব তেমনি নফর। গুদোমটা অনেক কাল পরে তৈরি। সেকালে কাঠ, তুলোর বস্তা, পাট, জাহাজে তোলার আগে এখানে জমা করা হত। খুনে লেঠেলদের আস্তানা। খুব বিশ্রী একটা ব্যাপারের পর পুলিস এসে দরজায় এই বড় তালা লাগিয়ে সিল করে দিয়ে গেছে। সে-ও আজ পঁচিশ ত্রিশ বছর তো বটে। একদিক দিয়ে ভালোই হয়েছিল। সামনে নিরাপদ তালা মারা, পাশের করগেটের দেওয়ালে একটা খিড়কি দোর। তাই দিয়ে ঢুকে শহরের যত ঘরছাড়া বাউন্ডুলে, গুন্ডা, বদমায়েরা নিশ্চিন্ত আরামে রাত কাটাত। তারপর তারাও ও জায়গা ছাড়তে বাধ্য হল। রাতে নাকি কী সব দেখত। বছর কুড়ি গুদোম খালি। সাপখোপরা থাকে। পেছনেই মস্ত বাড়ি না প্রাসাদ। তাকে মরণদশায় ধরেছে। বাইরের পলেস্তারা খসে গেছে, ইঁট বেরিয়ে এসেছে, জানালা দরজা খুলে পড়েছে, বট অশ্বত্থ গজিয়েছে। চারদিকে একটা ভ্যাপসা গন্ধ। হাঁটু অবধি আগাছা; এ জমিতে কতকাল কেউ হাঁটেনি।

    আমার শরীর জবাব দিয়েছিল। কাঁধটা ফুলে ঢোল। পকেটে শালপাতায় মোড়া সেই জিনিসটে আর ডকের দোকান থেকে লুকিয়ে আনা ছোট একটা পাউরুটি। দিনের আলো প্রায় নেই বললেই হয়। আশ্চর্যের বিষয় মুন্সীবাড়ির ভাঙা সিং দরজার বাইরে একটা সরকারি কল। তার মুখ থেকে সরু ধারায় জল পড়ছে তো জলই পড়ে যাচ্ছে। নীচে চকচকে সবুজ শ্যাওলা জমে গেছে। সেই জলে হাত মুখ পা ধুলাম। কতকাল গায়ে জল পড়েনি সে আর কী বলব। আঁজলা ভরে জল খেলুম। জলের মতো আছে কী? ভগবানের দান। আমার মতো হতভাগাকেও কেমন প্রাণ ভরে জল খেতে দিলেন দেখে অবাক হলাম। তাও যদি অনুতাপ হওয়া পাপী হতাম। গির্জার বারান্দায় একবার শুয়েছিলাম। অনেক রাত্রে পাদ্রী এসে ডেকে তুলে আমাকে হাত-পা ধোবার জল, একটা মাটির হাঁড়ি ভরতি সুরুয়া আর বড় এক টুকরো রুটি দিয়েছিল। তখন শীতকাল, গায়ে দেওয়ার জন্য একটা ছেঁড়া কম্বলও দিয়েছিল। বলেছিল পাপীরা অনুতাপ করলে যীশু তাদের বুকে টেনে নেন। ভোরে কম্বলটা নিয়ে পালিয়েছিলাম। আমার মতো নোংরা ছেলেকে যীশু যে বুকে টেনে নেবেন না, তাতে কারো সন্দেহই নেই। সেই কম্বলটা এখনো আমার জিনিসপত্রের সঙ্গে কলিমুদ্দির ঘরে পড়ে আছে। চিরকাল তাই থাকবে। হীরে চুরি যেমন তেমন অপরাধ নয়। দশ বছরেও মাপ হয় না।

    মানুষের জীবনে এমন সব সময় আসে যখন মনের ভয় ভাবনা সব দূর হয়ে গিয়ে, শরীরের দরকারটাই সমস্ত জায়গা জুড়ে বসে। ভাবছিলাম ঐ হানাবাড়িটাতে গিয়ে শুয়ে থাকলেই তো ল্যাঠা চোকে। মুখ তুলে দেখি মুন্সীবাড়ি নিতান্ত খালি নয়। একজন সাদাকাপড় পড়া বুড়ো বামুন, হাতে একটা ছোট্ট তেলের কুপি নিয়ে আমার কাছে এসে দাঁড়ালেন। হাসি পেল। আজকাল কখনো বাড়ি খালি পড়ে থাকে? লোকটা সটাং আমার কাছে এসে বললেন, “কলটা বন্ধ করে দাও। জলপড়ার শব্দে আমার বিশ্রামের ব্যাঘাত হয়।” তাই দিলাম। বুড়ো খুশি হয়ে বললেন, “কী চাও? এখানে কেউ আসে না। এটাকে বলে হানাবাড়ি। ভয় পায়। আমি মায়ে খেদানো ঠগ জোচ্চোর বদমায়েস চোর।”

    বললাম, “গুরুঠাকুর, কিছু চাই না। শুধু সাত দিন কোথাও গিয়ে চুপ করে পড়ে থাকতে চাই। কাঁধে বড় ব্যথা। পা আর চলে না।”

    বুড়ো এদিক ওদিক চেয়ে বললেন, “এসো আমার সঙ্গে।”

    উঃফ! বাঁচা গেল! লোকও যেমন বলে কিনা ভূতের বাড়ি, তবু ভাগ্যিস তাই বলে, নইলে আর দেখতে হত না। ঘরে ঘরে কাঠের জ্বালে হাঁড়ি বসত। আমাকে পালাতে হত।

    তিন ধাপ সিঁড়ি বেয়ে দালানে উঠতে হয়। কিছুতেই পা আর উঠল না। হাঁটু দুটো কী রকম জুড়ে গেল। তারপর আর কিছু মনে নেই। বুড়ো ভদ্রলোকই নিশ্চয়ই আমাকে ধরে ঘরে তুলেছিলেন, দোতলার ঘর; বুড়োর হাড় শক্ত বলতে হবে। যখন জ্ঞান হল অমন যে ক্লান্তি, তাও দূর হয়ে গেছে। বলেছিলাম সাত দিন চুপ করে পড়ে থাকব। নিজের দরকারে একবার উঠে, সেই যে আবার শুলাম, চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আর জাগিনি। বুড়ো বামুনকেও আর দেখিনি। তিনিই বা আমাকে বিশ্বাস করবেন কেন? কাষ্ঠ হাসলাম। বিশ্বাস করবার মতো চেহারা বটে আমার! কেন জানি, একটুও খিদে পায়নি৷ তবু অভ্যাসের জোরে পকেটটা দেখলাম। কই পাঁউরুটিটা তো নেই। যাক গে পাঁউরুটি। পাশ ফিরে আবার ঘুমোলাম। খিদে নেই, তেষ্টা নেই, শরীরের আর কোনো দরকার নেই। শুধু ঘুম। হয়তো সত্যিই সাতদিন ঘুমিয়েছিলাম! তারপর একদিন সকালবেলায় জেগে উঠে দেখি, শরীরটা একেবারে ঝরঝরে হয়ে গেছে। বাইরে থেকে একটা মহা হট্টগোল কানে এল। ঘরের জানালার পাল্লা নেই। চেয়ে দেখি আগাছায় ভরা উঠোনে ট্রাক, কপিকল, অদ্ভুত চেহারার প্রকাণ্ড প্রকাণ্ড যন্ত্রপাতি। আর মেলা লোকজন।

    পাশে এসে বুড়ো ভদ্রলোক দাঁড়ালেন। বললেন, “এবার তোমাকে আমাকে এখান থেকে সরতে হয়। বাড়ি ভেঙে ফেলা হবে। বেওয়ারিশ সম্পত্তি, সরকার দখল নিচ্ছেন। ঐ কড়িকাঠের ওপর আমার মা-কালী লুকোনো আছেন, দেখো তো পাড়তে পার কি না!”

    হাসি পেল; আমি দেওয়াল বেয়ে দোতলায় উঠতে পারি। কুলুঙ্গীতে এক পা, জানালায় মাথায় এক পা হাত বাড়িয়ে কড়িকাঠের ওপর থেকে আমার কড়ে আঙুলটার মতো ছোট্ট মা-কালীর মুর্তিটি পেড়ে আলগোছে তাঁকে দিলাম। কে জানে সোনার কি না। সেই রকমই ঠাওর হল। তারপর তাঁর পায়ের কাছে গড় করে বললাম, “আপনি আমার প্রাণ বাঁচালেন। যা বলবেন তাই করব।”

    বুড়ো বললেন, “যা এবার। গলিতে ভূতের বাড়ি ভাঙা দেখতে ভিড় জমেছে, তাদের সঙ্গে মিশে যা গে। অন্য সব ব্যবস্থাও করে ফেলেছি। এবার রওনা দে। কোনো ভয় নেই।”

    হঠাৎ কাঁধে ব্যথার কথা মনে পড়তেই টের পেলাম সেটা এক্কেবারে সেরে গেছে। প্যান্টের পকেটে হাত দিয়ে দেখলাম, সেটাও নেই। উঃফ বাঁচা গেল। কিন্তু বুড়ো লোকটি কোথায় গেলেন? জানালা দিয়ে চেয়ে দেখলাম, ভিড়ের মধ্যিখান দিয়ে তিনি আস্তে আস্তে গঙ্গার দিকে চলেছেন। আমিও তখন নেমে এলাম। ভিড়ের লোকেরা গাদাগাদি হয়ে দাঁড়িয়ে কত রকম যে মন্তব্য করছিল তার ঠিক নেই। ভূত বাছাধন এবার টের পাবেন। দুশো বছরের মৌরসী পাট্টা এবার উঠল। হেনা তেনা কত কী! একজন আবার বললেন, “এদের চাইতে তার-ই অধিকার বেশি। তার বাপের সম্পত্তি! বামুন মানুষ, কালীভক্ত।” সবাই শূন্যে নমস্কার করতে লাগল। হাসি পেল। তখনো বুড়ো লোকটিকে দূরে দেখা যাচ্ছিল। লোকগুলোর মাথা খারাপ। গঙ্গার ধারে পৌঁছে নৌকোটৌকো চেপে থাকবেন, সেখানে গিয়ে আর তাঁকে দেখতে পেলাম না। ভেবেছিলাম সঙ্গে যাব।

    তার বদলে সটাং কলিমুদ্দির কাছে গেলাম। যা হয় একটা বোঝাপড়া হয়ে যাক। আর পালিয়ে বেড়াব না, মন ঠিক করে ফেলেছিলাম। আমাকে দেখেই কলিমুদ্দি ছুটে এসে পায়ে পড়ল। “আমাকে মাপ কর। দু হাজার টাকা বখশিস দেবে বলেছিল। লোভ হয় কিনা তুই-ই বল? এদিকে তুই ফিরছিস না দেখে, আমি কী ভাবতে কী ভেবে বসলাম রে! তোর নামধাম সব গিয়ে থানায় লিখিয়ে এলাম। ক দিন ধরে সরু চিরুনি দিয়ে শহরটাকে আঁচড়ে ফেলেছিল এরা। এখন কাগজে দিয়েছে ইয়ারিং মোটে হারায়নি, মোটা গিন্নির হাত ব্যাগের মধ্যেই পড়েছিল, এ্যাদ্দিনে পাওয়া গেছে। থানার লোক এসে আমাকে যা নয় তাই বলে গেছে। তোকে হেনস্তা করার জন্য মালিক তোর জন্য পাঁচশো টাকা জমা দিয়েছে। সেটি গিয়ে নিয়ে আয়। আমিও যাচ্ছি। তোকে সনাক্ত করতে হবে তো। তা ছিলি কোথায়?”

    আমি বললাম, “একটু বাইরে গেছলাম। থানার লোকে আমাকে চেনে, সনাক্ত করতে হবে না।”

    তবু সনাক্ত করতে বেশ হামলা হয়েছিল। শেষটা যখন টাকাটা সত্যি পাওয়া গেল, কলিমুদ্দিকে একখানা পোস্টকার্ড লিখে দিলাম, “আমার কাপড়-চোপড় আর টাকাকড়ি যা তোর কাছে আছে, সে সব তোকে দিয়ে আমি দেশে গেলাম।”

    তাই চলে যাচ্ছি দেশে এই রেলে চেপে। সেখানে আমার মা আছে, কিছু জমিজমাও আছে। চলে যাবে এক রকম করে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয়ঙ্কর ভূতের গল্প – লীলা মজুমদার সম্পাদিত
    Next Article হ্যান্স অ্যান্ডারসন রচনাবলী-১ – অনুবাদ: লীলা মজুমদার

    Related Articles

    লীলা মজুমদার

    বদ্যিনাথের বড়ি – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    হলদে পাখির পালক – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    বাঘের চোখ – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    গুপির গুপ্তখাতা – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    পদিপিসীর বর্মিবাক্স – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    টং লিং – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026
    Our Picks

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026

    মন্দ মেয়ের উপাখ্যান – সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }