Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সব ভুতুড়ে – লীলা মজুমদার

    লীলা মজুমদার এক পাতা গল্প293 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পাঠশালা

    শম্ভুর মেজদাদু পঞ্চাশ বছর আমেরিকায় কাটিয়ে, ৭০ বছর বয়সে মেলা টাকাকড়ি নিয়ে দেশে ফিরলেন। যাদের উনি বিদেশ থেকে এটা-ওটা পাঠাতেন, তারা কত বারণ করেছিল— অমন কাজ-ও কর না, এটা খুব খারাপ জায়গা, নোংরা, গরম, বেকারে আর জোচ্চোরে ভরা, দেখতে দেখতে তোমার পয়সাকড়ি আর তোমাকে আলাদা করে দেবে। তাছাড়া অসুখবিসুখ লেগেই আছে, মুখ্যুর একশেষ, মাদুলীতে বিশ্বাস করে, ভূত মানে। দেশের পৈতৃক বাড়িতে শেষ পর্যন্ত নাকি কী সব— যাক্ গে, সেকথা দিয়ে আর কী হবে— মোট কথা, এসো না। ওখানেই আরও রোজগার করতে থাক।

    এ সমস্ত শুনে, খুশি হয়ে, মেজদাদু তাঁর আসার দিন আরো এক মাস এগিয়ে দিলেন। পঞ্চাশ বছর ধরে উনি নাকি ওই জিনিসই খুঁজে বেড়িয়েছেন, কিন্তু পাননি। এখন দেখছ কাণ্ড! নিজের বাড়ির দোরগোড়ায় সমস্তই তাঁর জন্যে অপেক্ষা করে আছে। তাছাড়া বাপের ভিটে তো বটে!

    শম্ভুর বাবার ছোটপিসি বললেন, “তা হলে বেহালার সে-বাড়িটা কিনলে না কেন? তখন কত কম দাম ছিল। বাপের ভিটেতে তো কেউ বাস করতে পারবে না— স্রেফ ভূতের বাড়ি!”

    “কেন পারবে না? আমেরিকায় এ-রকম বাড়ি লাখ লাখ ডলারে বিক্রি হয়, তা জানিস? এই নিয়ে গবেষণা হয়। তাছাড়া পঞ্চাশ বছর বিদেশে থেকে, আমিও ঠিক মানুষ নেই। কিচ্ছু ভাবিসনে তোরা। আমার বন্ধু ছ্যাঁচড়কে মনে আছে? সেই-যে ছ্যাঁচড়, যে বাবার ল্যাজওয়ালা ঘড়ি সারাবে বলে নিয়ে গিয়ে স্রেফ হারিয়ে ফেলল?— আমি তাকে তার পুরোনো ঠিকানায় চিঠি দিতেই, সে ফোন করে জানিয়েছে যে তার মেরামতির ব্যবসা উঠে গেলেও, আমার ঘড়িটি সারিয়ে নতুনের মতো করে দেবে। আমার দয়ার দেনার একটুখানি তাহলে শোধ হবে।”

    ছোটপিসির মুখ হাঁড়ি হল, “ও! তা সময় কাটাবে কী করে?” মেজদাদু বললেন, “কেন, আমার “নবেল পাঠশালা”টি এবার খুলব। আমার কত দিনের স্বপ্ন এবার সত্যি হবে।” মেজপিসি আঁতকে উঠলেন, “এ্যাঁ! নবেল পড়াবার পাঠশালা খুলবে? তাহলেই হয়েছে! তোমার পাঠশালায় কেউ ছেলেমেয়ে পাঠাবে না, দেখো।” মেজদাদু চটে গেলেন, “না, পাঠাবে না!! মুখে মুখে ইতিহাস, ভূগোল, অঙ্ক, জীব-বিজ্ঞান শেখাব। লিখতে পড়তে শিখলেই প্রাইজ দোব। তাছাড়া এ সে নবেল নয়। নবেল মানে নয়া, নতুন নিয়মে পড়াব কিনা। তাতে পড়তে জানবার দরকার হবে না—” “কী যে বাজে কথা বল মেজদা! পড়াবেটা কে শুনি? একা তো পারবে না।” “কেন, তুই আর তোর বর। তুই ঘরকন্না দেখবি, সে পড়াবে। সকালে সব পোড়ারা মুড়ি, কলা, আখের গুড় খাবে। তারপর একঘণ্টা পড়া, একঘণ্টা গাছে চড়া, বাগান সাফ করার ক্লাস, “তারপর পুকুরে চান, মাছ ধরা— যারা লিখতে পড়তে পারবে তারা নিজেদের মাছ বাড়ি নিয়ে যেতে পারবে, তারপর—”

    ছোটপিসি উঠে পড়লেন, “তা, কবে থেকে পাঠশালা শুরু হবে? কবে যেতে হবে? বাড়িওলাকে তো নোটিশ দিতে হবে।” মেজদাদু মহা খুশি হয়ে বললেন, “ধরে নে ১ বৈশাখ প্রতিষ্ঠা দিবস। ছ্যাঁচড়টাকে পঞ্চাশ বছর দেখিনি, কিন্তু আগের ঠিকানায় চিঠি দিতেই, ফোনে কথাবার্তা হয়ে গেল। আগের মতোই গলা, তবে নস্যি নিয়ে একটু খারাপ হয়ে গেছে।”

    তাই হল শেষ পর্যন্ত। মেজদাদু এর মধ্যে প্রতি হপ্তায় অমর্তপুরে ঘুরে এলেন। একটা চেনা লোক দেখলেন না, সব হয় চলে গেছে, নয় বোধ হয় মরেটরে গেছে। পুরোনো বন্ধু ছ্যাঁচড়ের সঙ্গেও দেখা হল না। তবে মিস্তিরিরা উদয়াস্ত খাটছে। ওদের দলের মালিক সাত দিনের কাজের হিসাব দেয়, মালমশলা এত, মজুরি এত, চা জলখাবার এত। সঙ্গে সঙ্গে মেজদাদু খরচা মিটিয়ে দেবার কথা বলেন। ওস্তাদ হাত জোড় করে বলে, “টাকাটা আমি ছোঁব না। মালিককে বলবেন।”

    অচেনা হলেও গাঁয়ের লোকের মহা উৎসাহ। মিনি-মাগনার পাঠশালা, জলখাবার দেবে, নেকাপড়া শেখাবে, সারা সকাল এঁটকে রাখবে— এর চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে! তবে সূয্যি ডোবার পর এ-পাকে কেউ আসবে না, এ-কথাটা তারা পষ্টাপষ্টী বলে গেল। মিস্তিরিরাও সূর্য ওঠার সঙ্গে আসে, সূর্য ডোবার সঙ্গে যায়। তখন মেজদাদু এক কিলোমিটার হেঁটে রেল-স্টেশনের ধাবায় রুটি কাবাব খেয়ে, সন্ধ্যের গাড়ি ধরে কলকাতায় ফিরতে লাগলেন।

    এক মাসে বাগান সাফ; একতলা ফিটফাট; পেছনের উঠোনে ছোট ইঁদারা আর বাগানের বড় ইঁদারা ঝালাই শেষ; পুরোনো তক্তাপোষ, টেবিল, বেঞ্চি, টুল বাইরে এনে মেরামত শুরু। মেজদাদু এবার ঠিক করলেন এখানেই থেকে যাবেন। স্টেশনের পাশে পল্লীমঙ্গল ব্যাংকে টাকা রাখার ব্যবস্থা করলেন। গ্রামের মোড়ল কিছু টাকার বদলে খুশি হয়ে দুটো হ্যাজাক, কতকগুলো তেলের বাতি, মোমবাতি, বাসনপত্র কেনার ভার নিল। মেজদাদুর ভাগ্নে বগাকেও অতি সহজেই নিয়ে আসা গেল। কারণ বগা বেকার এবং প্রেত-তত্ত্ববিদ্‌। বগা যাচ্ছে শুনে ছোটপিসি আর পিসেমশাই চটে কাঁই৷ “ঐ দেখ মেজদাকে ভালোমানুষ পেয়ে মন ভাঙিয়ে নিচ্ছে।”

    শেষটা ফাল্গুন মাসের গোড়ার দিকের একটা সকালে ট্রাক-বোঝাই স্যুটকেস, গেরস্থালির জিনিস, বিছানা, ছবির বই, সেলেট, রঙিন খড়ি ইত্যাদির সঙ্গে ছোটপিসি, ছোট পিসে, আর বগা সহ হোমিওপ্যাথিক ওষুধের বাক্স কোলে মেজদাদু এসে পৈতৃক ভিটেয় উঠলেন। এটাতে আর কারো ভাগ ছিল না। তাঁর অনুপস্থিতিতে বাপের সম্পত্তি যখন ভাগ হয়েছিল, অমর্তকুটির বলে এই বাড়ি তাঁর ভাগে পড়েছিল। তখন ছিল কুড়ি বছরের অব্যবহারের স্রেফ একটি পোড়ো বাড়ি। চোররা পর্যন্ত রাতে ইদিকে পা দিত না।

    ছোটপিসি ট্রাক থেকে নেমেই বললেন, “বগা, সেই প্রেত-তাড়ানি পুজোটা দে। প্রসাদ খেয়ে উপোস ভাঙব। খিদেয় পেট জ্বলে গেল।” সঙ্গে সঙ্গে বাড়ির সদর দরজা দিয়ে কালো, রোগা কোঁকড়া-চুলওয়ালা একটা লোক ছুটে বেরিয়ে এসে মেজদাদুকে বুকে জড়িয়ে ধরে ডুকরে কেঁদে উঠল। মেজদাদুও এক গাল হেসে তার পিঠ চাপড়ে বললেন, “ও কী রে ছ্যাঁচড় তোর ছিঁচকাঁদুনে স্বভাবটা এখনো গেল না। খুশি হলেই তুই ডুকরে কেঁদে উঠতিস। তোকে আজ দেখব একবারও ভাবিনি। চেহারাটা তো বিশেষ বদলায়নি। তা কী মনে করে?”

    ছ্যাঁচড় ওদের আদর করে ভেতরে নিয়ে যেতে যেতে বলল, “আছি এখানেই, কাজকর্মের শেষটুকু নিজের চোখে দেখব ভাবলাম। তা দিদিমণি, ওই পুজোটুজোগুলো এখনি করলে খারাপ দেখাবে। আগে কর্মগুলো শেষ হোক। এখন চানটান করুন, বিশ্রাম নিন, জল খান।”

    মেজদাদুও বললেন, “সেই ভালো রে বগা। অসম্পূর্ণ কাজের ওপর কখনো পুজো হওয়া উচিত বলে তো মনে হয় না। চল রে ছ্যাঁচড়, তুইও আমাদের সঙ্গে বসে যা।” ছ্যাঁচড় কিছুতেই রাজি নয়, তার অনেক কাজ বাকি। সে হন্তদন্ত হয়ে বেরিয়ে গেল। ছোটপিসি ভুরু কুঁচকে বললেন, “হুঃ। কাজ না আরো কিছু! বলিনি এরা বড্ড গোঁড়া। আমেরিকার যা-তা খেয়েছ তুমি, তা উনি তোমার সঙ্গে খাবেন কেন? তবে আমেরিকায় রোজগার করা টাকা নিতে কোনো আপত্তি হবে না।”

    মেজদাদু দুঃখিত হয়ে চুপ করে রইলেন। তারপর বললেন, “এক পয়সাও নেয়নি আজ পর্যন্ত। বাড়ি সারাবার মাল-মশলা, মজুরির জন্যেও নয়। বরং পারলে আমাকে কিছু দেয়।” বলার সঙ্গে সঙ্গে ছ্যাঁচড় একটা মরচে ধরা ক্যাশ-বাক্স আর এক গাল হাসি নিয়ে ঘরে ঢুকল।

    “কই, খাওয়াদাওয়া চুকল? কাণ্ড দেখ ভাই, বড় ইঁদারা থেকে যেসব রাবিশ উঠেছে, তার মধ্যে এটাকে পেলাম। মনে হচ্ছে তোমার পিসির বিয়েতে যে ক্যাশবাক্স ভরতি যৌতুকের মোহর উধাও হওয়ার গল্প শুনেছিলাম, সেটা সত্যি! চোর সেটিকে কুয়োর মধ্যে ফেলে দিয়ে ভেবেছিল পরে উদ্ধার করবে। তারপর আর হয়ে ওঠেনি।”

    মেজদাদুও আকাশ থেকে পড়লেন, “আরে তাই তো! এই তো ঠাকুরদার নাম খোদাই করা রয়েছে! ই—স্! এইজন্য বিয়েটা ভেঙে গেছিল। তাপ্পর তোর কাকা এসে পিঁড়িতে বসল, তবে পিসির বিয়ে হয়েছিল।” “আছেন দুজনে স্বর্গে।” এই বলে এমনি ভক্তি ভরে ছ্যাঁচড় তাঁদের উদ্দেশে নমো করল যে মেজদাদুর বেজায় হাসি পেল।

    সেদিন থেকে পাঠশালায় ভরতি হবার জন্যে গাঁয়ের সব ছেলেমেয়ে লাইন দিল। মেজদাদু সকাল থেকে বাইরের ঘরে বসে সবার নাম লিখলেন। বগা কিছুদিন হোমিওপ্যাথি পড়েছিল, তাকে দিয়ে ৫১টা ছেলেমেয়ের নাকের ও কানের ভেতর পরীক্ষা করালেন। গাঁয়ের লোক মহা খুশি। তার ওপর জলখাবার! একদিনে প্রায় সব সিট ভরে গেল। তাই বলে সিট মানে সত্যি বেঞ্চিটেঞ্চি নয়, ওই খানিকটা বসার জায়গা।

    পরদিন থেকে মহা হইচই করে পাঠশালা আরম্ভ হয়ে গেল। পোড়োরা হাঁ করে দত্যি-দানোর গল্প শুনল। তেঁতুল-বিচি দিয়ে বিশ-পঁচিশ বলে চমৎকার একটা খেলা শিখল। গাছে চড়ে পাখির বাসা দেখল। ডিমে হাত দেওয়া বারণ। বাগানের আগাছা তুলল। খেল-দেল। মাছধরার ছিপ তৈরি করল। তারপর দুপুরে সব বাড়ি গেল।

    রাতে নতুন খাতায় মেজদাদু সব নাম তুলছেন, এমন সময় ফস করে ছ্যাঁচড় ঘরে ঢুকে বলল, “হাঁরে, দেখ তো এঁকে চিনতে পারিস কি না?” মেজদাদু অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলেন, “সে কী! পণ্ডিতমশাই! আমি ভেবেছিলাম ইয়ে—” পণ্ডিতমশাই বললেন, “না রে বাবা, সে সব নয়। আমি এসেছি তোর পাঠশালায় ভরতি হতে।”

    “এ্যাঁ। বলেন কী, পণ্ডিতমশাই!” “হ্যাঁ, তাই, তোর ঐ তেঁতুল-বিচির খেলা দিয়ে গুণতে শেখাটা আমার না জানলেই নয়। মাঝে মাঝে ভারি অসুবিধায় পড়ি। সমস্কিতের মানুষ, আঁকটাঁক আমার মাথায় ঢোকে না। তোর ক্লাসের এক কোণে মাটিতে বসে থেকে সব দেখব-শুনব, তাতে তোর আপত্তিটে কী বল?”

    মেজদাদু বললেন, “না, না, সে তো সৌভাগ্যের কথা। তবে কী জানেন, দুটো পোড়ো এনে গার্জেন হয়ে ঢুকলে ভালো হত।”

    পণ্ডিতমশাই এক গাল হেসে উঠে পড়লেন। “বেশ তাই হবে। আনব দুটোকে ধরে।”

    আনলেন-ও তাই। পরদিন সবে মাত্র তেঁতুল-বিচি ভাগ করা হচ্ছে, দুটি ছাত্র নিয়ে পণ্ডিতমশাই এসে ঢুকলেন। তারপর আর দেখতে হল না। পোড়ো দুটি মহা ছটফটে, মাঝে একবার উঠে নারকেল গাছে সড়সড় করে চড়ে বসল। পণ্ডিতও তেমনি। পেছন পেছন গাছে চড়ে, কান ধরে নামিয়ে আনলেন। ব্যাপার দেখে ক্লাসসুদ্ধ সব হাঁ! কিন্তু তেঁতুল-বিচি দিয়ে গুণতে শেখার সময় মেজদাদু আরো অবাক হলেন। দেখতে দেখতে ১, ২ থেকে একেবারে ভগ্নাংশ, দশমিক, তেঁতুল-বিচি দিয়ে কষে ফেলতে লাগল। তার মধ্যে বার দুই ঝপাং করে পুকুরে নামল, চ্যাঁচাল হাসল, এ-ওকে নাকানিচুবানি খাইয়ে নিল। আবার ভালো মানুষের মতো এক পাশে এসে বসল।

    ক্রমে মেজদাদু হাঁপিয়ে উঠলেন। যখন ছুটি হল, একটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেললেন। দুঃখের বিষয় পণ্ডিতমশাই কি তাঁর ছাত্রদের টিকিটি দেখতে পেলেন না যে, ক্লাসের রীতিনীতি সম্বন্ধে কিছু শেখান। অথচ শুধু যে তরকারির বাগান সাফ করে দিয়ে গেছে তা নয়, কচি কচি চারাও লাগিয়ে দিয়ে গেছে। সেদিন সন্ধ্যায় বগা ঘটা করে ভূত-তাড়ানি পুজো দিল।

    সেই যে অমর্ত পাঠশালার প্রতিষ্ঠা হল, আজ পর্যন্ত তার কী নাম-যশ! অথচ পণ্ডিতমশাই আর তাঁর ছাত্ররা, এমনকী ছ্যাঁচড়ও আর কোনোদিনও এল না। ছ্যাঁচড় টাকাকড়ি পর্যন্ত নিয়ে গেল না। তার মিস্তিরিরাও কাজ সেরে সেই যে বিদায় নিল, আর তাদের দেখা গেল না। মেজদাদু তাজ্জব বনে গেলেন।

    শেষটা আর থাকতে না পেরে, একটা রবিবার কাউকে কিছু না বলে ছ্যাঁচড়ের পুরোনো ঠিকানায় গিয়ে দেখেন, সেখানে অচেনা লোকের বাস। তারা ছ্যাঁচড়ের দাদার বংশধর। মেজদাদুকে প্রণাম করে, তারা বার বার বলতে লাগল, কাকা শেষ বয়সে ভারি ধার্মিক হয়ে গেছিলেন। বুড়ো পণ্ডিতমশায়ের শিষ্য হয়ে তাঁর সঙ্গে হিমালয়ে চলে গেছিলেন। সে-ও বছর কুড়ি হয়ে গেল, আর তাঁদের কোনো পাত্তা নেই। সব সম্পত্তি ভাইপোদের দিয়ে গেছেন। তারা বলল, “খালি একটা দুঃখ ছিল যে আপনার কাছ থেকে নাকি অন্যায় ভাবে কী সব নিয়েছিলেন, যেমন করেই হোক সেটি শোধ না করে ছাড়বেন না। কী আর বলব আমরা, আপনাকে প্রণাম করে মনে হচ্ছে কাকাকে বুঝি আবার ফিরে পেলাম।”

    মেজদাদু বিষণ্ণ মনে বাড়ি ফিরে এসেই বগাকে বললেন, “আচ্ছা বগা, সেদিন তোর অত ঘটা করে ভূত-তাড়ানি পুজো দেবার কী দরকারটা ছিল শুনি? ও-সব হল গিয়ে ইয়ে—কুসংস্কার, তাও জানিস না!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয়ঙ্কর ভূতের গল্প – লীলা মজুমদার সম্পাদিত
    Next Article হ্যান্স অ্যান্ডারসন রচনাবলী-১ – অনুবাদ: লীলা মজুমদার

    Related Articles

    লীলা মজুমদার

    বদ্যিনাথের বড়ি – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    হলদে পাখির পালক – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    বাঘের চোখ – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    গুপির গুপ্তখাতা – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    পদিপিসীর বর্মিবাক্স – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    টং লিং – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }