Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সব ভুতুড়ে – লীলা মজুমদার

    লীলা মজুমদার এক পাতা গল্প293 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শেল্টার

    জায়গাটার নাম বলা বারণ। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় যেমন, এখনো ঠিক তেমনি সংকটময় অবস্থান। মালিক বদলায়, জায়গা বদলায় না। এইটুকু বলি যে ভারতের উত্তর-পুব কোণের নাকের ডগা। দুদিকে ভারত, একদিকে বাংলাদেশ, একদিকে বর্মা। চারদিকে পাহাড়। সেইসব পাহাড়ের চাইতে উঁচু এই পাহাড়। ঠিক যেন ঝাণ্ডা তুলে বলছে— এই দেখ, এইখানে আমি! কী করতে পার, কর।

    চমৎকার জায়গা। যেমনি অবস্থান, তেমনি আবহাওয়া। মশা নেই, মাছি নেই, আরশুলো নেই। তবে হ্যাঁ, সাপ আছে, শুঁয়োপোকা আছে; গুবরেপোকা, মাকড়সা, মৌমাছি, বোলতা, বনের গহনে ছোট ছোট রঙের ভালুক, বুনো কুকুর যারা নেকড়ের মতো হিংস্র, প্রকাণ্ড বাদুড়, প্যাঁচা, অজস্র পাখি— এ সমস্তই আছে। প্রকৃতির লীলাভূমিতে এরা থাকবে না-ই বা কেন? মানুষই বরং পরে এসেছে।

    বন-সম্পদের তুলনা হয় না। ঝাউ, সরল, তুঁতফল, বাঁশঝাড়। গাছের ডালে অর্কিড ঝোলে। সেকালে সায়েবরা বিলিতী ফলের গাছ পুঁতেছিল— আপেল, পিচ, এপ্রিকট, ন্যাসপাতি। আরো নিচে আনারস, বাতাবি। তাছাড়া বাজারে বিদেশি জিনিস উপচে পড়ছে, খোদ্দেরে গমগম করছে। বেআইনী ছাড়া আবার কী! বলিনি স্রেফ নন্দনকানন!

    অসীমের বড় মামা হলেন বন-বিভাগের মাঝারি কর্তা। ওইখানে সর্বেসর্বা। তিনি লিখলেন, “চলে আয়। স্বর্গের সঙ্গে কোনও তফাৎ নেই। কখনো যাইনি অবিশ্যি সেখানে। আমার কোয়ার্টারটাও একটা ঐতিহাসিক ব্যাপার, অল্পদিনের মধ্যেই হয়তো স্বর্গীয় হয়ে যাবে। দেখতে চাস তো এই বেলা আয়। তাছাড়া চারদিকটা রহস্যে গজগজ করছে। নেহাৎ আমার সময় নেই। তোর শ্যামরতনদা এলে হাতে চাঁদ পাবেন। তাঁকেও আলাদা লিখছি। মোট কথা দুজনে চলে আয়। ইতি। বড় মামা। পুঃ— ছোড়দিকে বলে আমার জন্য আমসত্ত্ব আনিস। ঐটে পাইনে।”

    কাজেই চলে গেল অসীম। একাই গেল। প্রায় ষোল বছর বয়স, ইলেভেনে পড়ে, যাবে না-ই বা কেন? শ্যামরতনদাদের বাড়ি রং হচ্ছিল। বললেন পরে যাবেন। অসীমের যদি সত্যি ভূ-বিদ্যায় আগ্রহ থাকে তাহলে এমন সুযোগ ছাড়ে না যেন। নাকি প্লেনে গেলে সুবিধা হত। সুবিধার সঙ্গে অসীমের কী? সুবিধার বড্ড খরচ। খানিকটা রেলে, পাহাড়ি পথে বাসে, তাই বা মন্দ কী। বেশ দেশ দেখতে দেখতে যাওয়া গেল। পথটা খুব ভালো ছিল না, দেড় ঘণ্টা লেট্‌ হল। বড়মামা বাস আপিসে জিপ নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। ঐ বাসেই ওঁদের কিছু ওষুধপত্রও এল।

    ঐ জিপে করে পাহাড়ের আরো খানিকটা ওঠা গেল। বন-বিভাগের ঘরবাড়িগুলো সুরক্ষিত বনের গা ঘেঁষে। সব কিছুর কেমন বিদেশি চেহারা। বড়মামা বিয়ে-থা করেননি। বিধবা বড় মাসিই বাড়ির গিন্নি। বেশ রেগে ছিলেন। বোধহয় লেট্‌ দেখে ভাবনা হচ্ছিল। অসীম প্রণাম করতেই চুক্‌ করে একটু আদর করে বললেন, “তাও ভালো। ভাবলাম আরো দুজন বুঝি নিখোঁজ হল।” অসীমের দু’কান খাড়া। বড়মামা বিরক্ত হয়ে বললেন, “আঃ, দিদি! কী যে বাজে বক! ছেলেটা রেলেও বিশেষ খাবার-দাবার পায়নি।”

    আর বলতে হল না। সঙ্গে সঙ্গে মাঝের ঘরের গোল টেবিলে ভুনি খিচুড়ি, আলু-মটরের চচ্চড়ি, বুনো হাঁস ভাজা আর শেষে বড় বাটি করে খোবানি দেওয়া ক্ষীর! বড়মাসি বললেন, “এই মগের মুলুকের একটা সুবিধা হল সারা বচ্ছর শীতের তরকারি পাওয়া যায়।”

    খেয়েদেয়ে উঠতেই পশ্চিমের পাহাড়ের পেছনে সূর্য নেমে গেল, সঙ্গে সঙ্গে অন্ধকার। বড়মামা চিঠিপত্র নিয়ে বসলেন। অসীম সোয়েটার গায়ে দিয়ে ঘুরঘুর করে বাংলোটা দেখতে লাগল। এ ধরনের বাড়ির কথা আগেও শুনেছিল। একতলাটা দোতলার সমান উঁচুতে, বড় বড় গাছের গুঁড়ির ওপর বসানো। এমনি পাকা কাঠ যেন শক্ত পাথর, সহজে পেরেক ঢোকে না। চারদিকে জালে ঘেরা চওড়া বারান্দা। নিচের থেকে মজবুত কাঠের সিঁড়ি ঐ বারান্দায় উঠে এসেছে। সেটাকে আবার কপি-কলের সাহায্যে ভাঁজ করে তুলে ফেলা যায়। ভারী ইন্টারেস্টিং। বারান্দায় পড়ার টেবিলে বসা বড়মামা শীতের চোটে উঠে পড়লেন। বললেন, “সেকালে বুনো জানোয়ারের উপদ্রব ছিল তাই এই ব্যবস্থা। নিচে সায়েবদের টবের ফুলের সংগ্রহ দেখিস কাল সকালে। টবে স্ট্রবেরি করেছিল। মাশরুম করেছিল। এখনো হয়। যাই বলিস ব্যাটাদের গুণ ছিল। টিনের চালের তলা থেকে ঐ যে সারি সারি অর্কিড ঝুলছে, ওগুলোর বয়স কম করে পঞ্চাশ বছর! লং ডে হয়েছে তোর, এবার শুয়ে পড়া যাক। জানলায় জাল লাগানো, কাজেই বাদুড় ঢুকবে না। তবু বালিশের নিচে টর্চ রাখিস।”

    ব্যস, এক ঘুমে রাত কাবার। চওড়া বারান্দায় পুবের রোদ। বড়মামা ব্রেকফাস্ট করতে বসেছেন। ভুট্টার পরিজ, ঘন লালচে দুধ, বিচি-ওয়ালা মিষ্টি কলা, টোস্ট, মাখন, ডিম সিদ্ধ, মাসির হাতের জ্যাম। বড়মামা বললেন, “বোস, খা। সারা রাতের না-খাওয়ার পর সকালে এইসব পুষ্টিকর খাদ্য খেতে হয়। সকালে খাটবি। দুপুরে বড়দির ঘণ্ট চচ্চড়ি— সেগুলোও নট ব্যাড, এই আমি বলে দিচ্ছি— বিকেলে স্রেফ্‌ এক পেয়ালা চা, রাতে আর্লি ডিনার। তাহলে ৪৭ বছর বয়সেও আমার মতো ইয়ং থাকবি!” এই বলে সত্যি সত্যি নিজের বুকে গুমগুম করে দুটো কিল বসিয়ে দিলেন।

    কাজে যাবার আগে বলে গেলেন, “সকালে বাড়ির চারদিকটা ঘুরেফিরে দেখিস! লাঞ্চের পর সংরক্ষিত বনে নিয়ে যাব। আমার টোবি কুকুরটাকে সঙ্গে নিস, পথ হারালে খুঁজে দেবে।” এই বলে একটা টাট্টু ঘোড়া চেপে পাহাড়ে পথ দিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেলেন। দুজন লোক সঙ্গে গেল।

    বড়মামা চোখের আড়াল হলেই, মাসি বললেন, “তাই বলে শেল্টারের দিকে যাস না যেন।” অসীম অবাক হল, “শেল্টার? সে আবার কী বড়মাসি? মামু তো কিছু বললেন না।”

    “তা বলবে কেন শুনি? বললেই তো সেখানে ছুটবি। যার কথা অজানা তাকে তো আর কেউ দেখতে যায় না। চালাক কম নাকি ঐ ছেলে! কিন্তু আমিও বলি যাসনে বাপু।”

    “সব জিনিস দেখা ভালো। যাব না-ই বা কেন।”

    “আরে সাপখোপ কত, আর তার চেয়েও খারাপ জিনিস আছে। তা ছাড়া পথও চিনিস না। কেউ যায়ও না ওদিকে। একা তো নয়ই।”

    “একা তো যাচ্ছিনা, টোবি সঙ্গে যাচ্ছে।” মাসি চটে গেলেন, “পুরুষমানুষদের ভালো কথা বলা কেন! যা খুশি কর গে যা। তবে মোজা পায়ে দিস আর ওই সেঁপো লাঠিটা নিস।”

    সেঁপো-লাঠিটা কোনো মজবুত লতার শেকড় দিয়ে তৈরি মনে হল। মুণ্ডুটা অবিকল সাপের মতো দেখতে। ওটা নেওয়া মন্দ হবে না। কাঠের সিঁড়ি দিয়ে নিচে আসতেই দেখি লালবেহারী চৌকিদার ঝাঁকড়াচুল লাসা টেরিয়ার টোবিকে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তাকেও বড়মাসি কিছু বলে থাকবেন।

    টোবির বকলস থেকে চেন খুলে অসীমের হাতে দিয়ে লালবেহারী বলল, “একতলার টবের বাগান, অর্কিড, সামনের বাগানের বিলিতী ফুলগাছ দেখে যান— গোড়ায় সায়েবরা লাগিয়েছিল। বছরে বছরে তার বিচি থেকে মালি নতুন চারা তোলে। ঐ মালিকেও সায়েবরা ট্রেনিং দিয়ে গেছে। তখন গাছে জল দেনেওয়ালা ছোকরা ছিল। এখন গোঁফ পেকেছে। তবে ফুলবাগানে কারো ঘোরা পছন্দ করে না।”

    বাস্তবিকই তাই। মাথায় সাড়ে চার ফুট, পাকা দড়ির মতো চেহারা মালির। বাগান থেকে অসীমকে তাড়াতে পারলে বাঁচে। ওরই মতো চেহারার আরেকটা লোকও ছিল। সে বলল, “এখানে কেন? যাও না ওপরে শেল্টার দেখে এসো। জব্বর জিনিস। ঐখানে সায়েবরা শেষ ঘাঁটি করেছিল। সবাই বলত তোজি পল্টন নিয়ে এই এল বলে! বোমা পড়বে। সব তচনচ হবে। সায়েবরা তখন জিনিসপত্র নিয়ে ওই শেল্টারে গিয়ে উঠল।”

    অসীমের বেজায় কৌতূহল, “গেছ নাকি তোমরাও ওখানে? বল না কী ব্যাপার!” বুড়ো তো তাই চায়। তড়বড় করে এগিয়ে এসে বলল, “চল তোমায় এগিয়ে দিই। যাইনি আবার ওখানে! দিনে চল্লিশ বার যাওয়া-আসা করে জান বেরিয়ে যেত। ঘড়ি ঘড়ি বোতল লাও, সোডা লাও, মুরগি রোস্ট লাও। ক্লাস সিক্স অবধি পড়েছিলাম তো, ইংরেজি সড়গড় ছিল। আমাকেই সব বলত। হরকু মালির পিঠে জিনিস চাপিয়ে নিয়ে আসতাম।”

    “তুমি এখানে কী করতে? পল্টনে ছিলে নাকি?” মংলু লোকটার কী হাসি৷ “আমি লিখতে পড়তে জানি, আমি পল্টনে যাব কেন? তাছাড়া ওই গোলাগুলির মধ্যে যেতে লামা মানাও করেছিলেন। আমি এখানে রসদ জোগাতাম। নিচে বাবার দোকান ছিল। হিসাবও রাখতাম। এখনো পেনশন পাই মিলিংটারি থেকে। নিচে দোকানদারিও করি। কিন্তু কথা বলবার লোক পাই না, তাই ওপরে আসি। আরও উঠবে নাকি?”

    অসীম অবাক হল। “সে কী! শেল্টারে যাব না আমরা?” বুড়ো থমকে দাঁড়াল, “ও বাবা! আমি যাচ্ছিনে, আমার পায়ে গুপো আছে। শেল্টারে দেখবার আছেই বা কী? পাহাড়ের গায়ে একটা গুহা। তার ধারে ধারে পাথর কেটে তাক করা। লোহার কড়ি-বর্গা দিয়ে ছাদে ঠেকা দেওয়া। এই যে খুদে নালাটা দেখছ, ওটাও ঐখান থেকে উঠেছে। ঝোপেঝাড়ে গুহার মুখ এমনি আড়াল করা যে উড়ো জাহাজ থেকেও কিচ্ছু মালুম দেয় না।

    সবার কী ভয়! ঐ নেতাজি আসছে! লক্ষ লক্ষ জাপানী আর বন্দুক বোমা নিয়ে। ওপরে উড়োজাহাজ, ডাঙায় সেপাই আর স্নাইপার। ওরা জাদু জানত তা জান? বনের মধ্যে একবার ঢুকলে বেমালুম নিখোঁজ হয়ে যেত। এখানকার গ্রামবাসীরা সবাই ওদের দলে ছিল। নানাভাবে সংকেত দিত।’

    অসীম বলল, “কী করে? দাঁড়াও একটু টুকে নিই।”

    মংলু বিগড়ে গেল, “কিছু টুকেছ তো এই আমি চললাম। ও-সব চালাকি আমার জানা আছে। আমি কিছু সায়েবদের মিলিংটারি গোপন কথা বলিনি, বাবু।” অসীম বলল, “অত ভয় কীসের? ও-সব ১৯৪৭ সালে চুকেবুকে গেছে। এখন আমাদের দেশ স্বাধীন হয়েছে, আমাদের নিজেদের মিলিটারি, নেতাজির নামে পথঘাট হয়েছে, ওঁর মূর্তি আছে নানা জায়গায়— এখন সায়েবদের সে মিলিংটারি আর নেই।”

    মংলু বলল, “শুনেছি। হতেও পরে তাই। সায়েবরা তো আর আসে না এদিকে। জিনিসপত্রের দামও বড্ড বেশি। মোট কথা আমি আর ওপরে যাচ্ছি না। তুমিও যেও না। কেউ যায় না। জায়গাটা খারাপ!” এই বলে দে-দৌড়!

    খারাপ! এমন ভালো জায়গায় কেউ যায় না। এখান থেকে বাইনকুলার লাগালে একশো কিলোমিটার দেখা যাবে। এইখান থেকে বন শুরু। এটা বড়মামার সংরক্ষিত বন নয়। সেটা অনেক নিচে। আসবার সময় জিপে তার মধ্যে দিয়ে আসতে হয়েছে। অদ্ভুত সুন্দর। নানা জন্তু দেখা যায়। দেখেনি ওরা কিছু অবিশ্যি।

    তবে কি যাবে না একা একা? একা মোটেই নয়। টোবি ছুটতে ছুটতে বনের মধ্যে ঢুকে গেল। অগত্যা অসীমও চলল। গাছে ছাওয়া পথ, নিচের মাটি স্যাঁৎসেঁতে। গাছের গায়ে বুড়োদের দাড়ির মতো লাইকেন। এক-হাত চওড়া আধখানা থালার মতো ব্যাঙের ছাতা। আড়ালে খুদে ঝরনা লাফিয়ে নামছে, সব সময় কানে আসছে একটা ঝরঝর শব্দ। দেখা যাচ্ছে না।

    পায়ে চলা পথে আগাছা হয়েছে। কেউ যায়নি এ পথে হয়তো ৪০ বছরের বেশি। খোলাখুলি না বললেও, মনে হয় এদের সব অশরীরীদের ভয়, স্রেফ ভূতের ভয়। তা এখানে কেন? এখানে তো আর ঝাঁকে ঝাঁকে নির্দোষ লোকদের কেউ মারেনি যে ছায়া হয়ে ফিরে আসবে। কিন্তু টোবিও একটু রোদ দেখে শুয়ে পড়ল।

    শ্যামরতনদা এ রকম কথা শুনলে চটে যান; বলেন, “তাই যদি বল, কোন জায়গাটাতে ভূত নেই শুনি? ভূত অর্থাৎ মরা মানুষের আত্মা। তাদের শরীরগুলো তো পঞ্চভূতে মিশে যায়, তা সে পোড়াও আর পোঁত আর যাই কর। জান নিশ্চয়, বস্তুর এক কণাও নষ্ট হয় না। আগেও যতখানি ছিল পরেও ততখানিই থাকে। বরং বাড়ে বলতে পার, কারণ মহাকাশ থেকে সারাক্ষণ ঝুরঝুর করে মিহি বস্তুর গুঁড়ো অদৃশ্যভাবে পড়ছে তো পড়ছেই। শরীরের ধ্বংসাবশেষ নষ্ট হয় না আর শরীরটাকে বাঁচিয়ে রাখত যে শক্তি— তাকে আত্মাই বল কি যাই বল— সে ফুরিয়ে যায়!! এ কি একটা কথা হল? থাকবেই তো। চারদিকে গিজগিজ করে থাকবে। হয়তো মিলে গিয়ে একটাই বিরাট আত্মা হয়ে থাকবে। তাই বলে তাকে ভয় পাবি? তুই তাকে না ঘাঁটালে সে কিছু বলেও না, করেও না। তোর সহযোগিতা ছাড়া কিচ্ছু হয় না। খনিজ সম্পদ নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করি, এর বেশি জানি না।”

    অসীমেরও তাই মনে হয়। এবার সে শেল্টারের ছায়ায় ঢাকা পথ ধরল। থাক পড়ে টোবি। ভূতের ভয় না আরো কিছু! স্রেফ কুঁড়েমি। সাবধানে উঠতে হচ্ছিল। পথের ওপর গোল গোল নুড়ি ছড়ানো। পা হড়কাবার ভয়। হয়তো কোনো কালে ছোট ঝরণাটা এই খাতে বইত, তারি নুড়ি। নয়তো মিলিটারি সায়েবরা ইচ্ছা করে ছড়িয়েছিল। যাতে কেউ এলে জানান দেয়। শত্রুরা যদি সত্যিই পাহাড় ভেদ করে বর্মা থেকে এসে হাজির হয়, এই শেল্টারটি হবে সায়েবদের শেষ আশ্রয়। কে জানে এর মুখটা বন্ধ করার কোনো উপায় থাকাও অসম্ভব নয়।

    এইসব ভাবতে ভাবতে অন্যমনস্কভাবে কখন পথের শেষে পৌঁছে গেছে অসীম, নিজেই টের পায়নি। সামনে একটা স্বাভাবিক পাথরের দেয়াল। সেইখানেই পথ শেষ। তা হলে শেল্টারটা কোথায় গেল? উচিত ছিল পাথরের দেয়ালের আড়ালে, একটু উঁচুতে ঢুকবার রাস্তা করা। পাথরের খাঁজে দূরে দেখবার জন্য লুক-আউট রাখা। এই কথা ভাবতে ভাবতে ক্যাম্বিসের জুতোপরা পা পাথরের খাঁচে খাঁচে রেখে অসীম উঠে পড়ল। বেঁচে থাক অযোধ্যা পাহাড়ের ট্রেনিং।

    ঐ উঁচু পাহাড়টা একটা স্বাভাবিক দেয়ালের মতো, ঠিক যা অসীম মনে করেছিল। ওতে ছোট ছোট ফাঁক আছে, অনেক দূরে চোখ যায়। বন্দুকের নলও যায়। ওপরে লতাগাছ একটা ছাদ তৈরি করে রেখেছে। জংগুলে ছাদ। প্রায় চল্লিশ বছরে যতটা হয়। পাথরের আড়ালে শেল্টারের মুখ। হঠাৎ দেখলে মনে হবে স্বাভাবিক। সম্ভবত সত্যিই তাই। তবে তার ওপর যে কারিগরি করা রয়েছে, ভেতরে ঢুকতেই সেটা বোঝা গেল। শক্ত পাথর কংক্রিটের থাম্বা দিয়ে ছাদ ঠেকানো। মেঝেটা পাথরের চ্যাপ্টা চাঁই দিয়ে বাঁধানো, দেয়ালের কাছে জল বেরোবার নালি। ভেতর থেকে বাইরের দিকে ঢালু। বোমা ঠেকাবার ব্যবস্থা, তাই বলা বাহুল্য জানলা নেই। ঢুকবার দরজাতেও লোহার পাতের গেট বসানো। এখন অবিশ্যি খোলা। সব খালি ভোঁ— ভাঁ করছে।

    ভেতর দিকে দরজার মাথায় পাথরের মাচার মতো। ব্যালকনিও বলা যায়। তাতে দুটি জানলা কাটা। তার লোহার পাল্লা খোলা। আলো আসছে। অসীম পাথরের গায়ে কাটা সিঁড়ি দিয়ে ব্যালকনিতে উঠে, জানলার কাছে গেল। পাথরে কাটা বসবার জায়গা। পাথরের তাক, পাথরের টেবিলের মতো।

    জানলা বেশি উঁচু না। খুব চওড়া। দাঁড়ালে অসীমের মুণ্ডুটা তার ওপরে থাকে, কিচ্ছু দেখতে পায় না। পাথরের সিটে বসলে, গুহার সামনের পাথরের দেয়ালের ওপর দিয়ে দূর দিগন্ত অবধি চোখে পড়ে। বাইরে মাথার ওপরের পাথর একটু ঝুঁকে পড়েছে, তাই জানলাটা বাইরে থেকে চোখে পড়ে না।

    এমন চমৎকার কারিগরি দেখে অসীম মুগ্ধ। সাধে কি আর ইংরেজরা অর্ধেক পৃথিবীর ওপর রাজত্ব করেছে। কীরকম কার্যকরী মাথা ওদের।

    হঠাৎ নাকে একটা চেনা সুগন্ধ এল। অসীম চমকে উঠে এদিক ওদিক তাকাল। অন্য জানলার সিটে খাকি শার্ট প্যান্ট পরা কাঁচা-পাকা চুলওয়ালা একটা গোরা! বছর ৬৫ বয়স হবে, পাকানো দড়ির মতো মজবুত শরীর। পাটকিলে চোখ, ঠোঁটে মৃদু হাসি। এখানে লোকের আনাগোনা আছে তাহলে। বন-বিভাগের এলাকা ছাড়াও অন্য পথ আছে নিশ্চয়। বেশ লাগল মানুষটিকে। বললেন, সমস্ত সমতলটা একটা মস্ত খাতার খোলা পাতার মতো। ঐখানে গাঁয়ের লোকরা সুভাষের জাপানি উড়োজাহাজের ঝাঁককে পথের নিশানা দিত।”

    “কেমন করে দিত?”

    “সে এক মজা। চারদিকে মিলিটারি গিজগিজ করছে। তারি মধ্যিখানে কাপড় কেচে ধোপারা একটা তীরের আকারে কাচা কাপড় শুকোতে দিত। যেদিকে ব্রিটিশ সৈন্য আছে, সেদিকে তীরের ফলা। তবে এই শেল্টারের কথা কেউ জানত না, এ বড় গুহ্য ব্যাপার ছিল। ছাদ অবধি বোমা বারুদ, গোলাগুলি জমা করা থাকত, এ আমি নিজের চোখে দেখেছি।”

    অসীম অবাক হল। তবে হতেও পারে। লোকটির হয়তো তখন ২৫ বছর বয়স ছিল। পাইপে দু-চারটে টান দিয়ে, ভকভক করে ধোঁয়া ছেড়ে বললেন, “অবিশ্যি এ-ভাবে পারেনি সুভাষ। অন্যভাবে জিতেছিল। ব্রিটিশরাজ পাততাড়ি গুটিয়েছিল শেষ পর্যন্ত। আমাকেও গা-ঢাকা দিতে হয়েছে, সেই ইস্তক।”

    অসীম বলল, “কেন?” লোকটি হাসলেন, “ওদের নুন খেয়েছি, বিশ্বাসঘাতকতা করতে তো আর পারা যায় না। খবর সরবরাহ করতাম। সবাই জানত খ্যাপা বিশুবাবু ওষুধ বিক্রি করে। লোকের মন ভাঙাবার জন্য মেলা টাকা দিয়েছিলেন স্টিল ওয়েল। তাঁর নাম শুনেছ বোধহয়? বীরত্বের আদর্শ ছিলেন। এ-কথা একশোবার বলব। অকালে মরেও গেলেন। বীররা বাঁচে না বেশি দিন। আমারও মাজা ভেঙে গেল। লড়াই শেষ হলে দেখি লক্ষ লক্ষ টাকা আমার হাতে রয়েছে।

    অসীম তো হাঁ! টাকা? কোথায়?

    ঐ তো তোমার মাথার ওপর, পাথরের ওই কুলুঙ্গিটার একেবারে ভিতরে। কেউ ওর খোঁজ পায়নি।’

    “আপনি নিয়ে নিলেন না কেন? ওর তো দরকার ছিল না।”

    মানুষটি যেন আকাশ থেকে পড়লেন, “যুদ্ধে যে জয়ী হয়, এসব তার প্রাপ্য। দেশের প্রাপ্য। আমাকে দেশের প্রতি বিশ্বাসঘাতক বলতে পার, কিন্তু একটু আদর্শবাদী আছি। খোলাখুলি মুখ দেখাবার উপায় নেই আমার। তুমিই এই কাজটি করে দাও। আছ কোথায়?”

    অসীম বড়মামার কথা বলতেই তিনি খুশি হয়ে গেলেন, “তবে তো ভালো কথা। খ্যাপা বিশুদা বললেই সে আমাকে চিনতে পারবে। বলবে তো?”

    অসীম বলল, “নিশ্চয়।” ভারি ভালো ভদ্রলোক। কোথায় থাকেন, কী খান কিছু জিজ্ঞাসা করতে লজ্জা হল। কথা দেওয়াতে ভারি নিশ্চিন্ত হলেন। সঙ্গে নিয়ে সমস্ত শেল্টারটা ঘুরিয়ে দেখালেন। কোথায় রসদ থাকত, বিছানাপত্র, কাপড়চোপড়, ওষুধ, অস্ত্র সব দেখালেন। শূন্য খাঁ খাঁ করছে। যুদ্ধ থামতেই যত রাজ্যের লুটেরা এসে চেঁচেপুঁছে সব নিয়ে গেছে। কুলুঙ্গির অন্ধকার মুখটা পাথর দিয়ে বন্ধ থাকাতে কারো চোখে পড়েনি। টাকাগুলো বেঁচে গেছে।

    ততক্ষণে বেলা বেড়েছে, অসীমকে যেতে হয়। ওকে গুহার মুখ অবধি এগিয়ে দিলেন ভদ্রলোক। এবার অসীম বলেই ফেলল, “চলুন আমার সঙ্গে নীচে। মাসিমার রান্না খেলে খুশি হবেন।” মাথা নাড়লেন। “সেই ইস্তক আগলাচ্ছি ওগুলো। ওর একটা বিহিত না করে আমার ছুটি নেই।” খাকি রুমাল নেড়ে বাই-বাই করে দিলেন।

    শেষ পর্যন্ত অনিচ্ছা সত্ত্বেও নেমে এল অসীম। কাঠের সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠেই যেমনি অবাক, তেমনি খুশি। শ্যামরতনদা বেতের চেয়ারে বসে বড়মামার সঙ্গে গল্প করছেন। তাড়া খেয়ে চানের ঘরে গিয়ে গায়ে মাথায় দু-মগ গরম জল ঢেলে, খাবার টেবিলে অন্যদের সঙ্গে জমায়েৎ হল।

    বড়মামার আপিসের এক ভদ্রলোক এসেছিলেন। তাই বুদ্ধি করে খাবার টেবিলে কিছু বলেনি অসীম। লোকটি এতকাল পালিয়ে বেড়িয়েছেন, এখন তাঁর অনিষ্ট করা অসীমের পক্ষে সম্ভব নয়। বড় ভালো লেগেছিল; তা হতে পারেন স্টিলওয়েলের ভক্ত। কিন্তু খাবার পর বড়মাসি যখন কাজ সেরে নিজে খাওয়াদাওয়া করতে চলে গেলেন, অসীম মুখে একটু ভাজা-মশলা ফেলে বলল, “খ্যাপা-বিশুদা বলে একজনের সঙ্গে দেখা হল।” বড়মামার হাত থেকে পান পড়ে গেল।

    “কী যা-তা বলছিস! কোথায় দেখা হল?” তখন অসীম সব কথা খুলে বলল। একটা পিন পড়লে শোনা যায়। অসীম আরো বলল, “উনি চান ওই টাকা এনে দেশের কোনো কল্যাণ তহবিলে জমা দেওয়া হোক। নইলে ওঁর ছুটি নেই।”

    বড়মামার মুখে কিছুক্ষণ কথা নেই। কিন্তু— কিন্তু উনি তো যুদ্ধের পর থেকেই নিখোঁজ! “চিনতে তাহলে?” কাষ্ঠ হাসলেন বড়মামা, “বাঃ, বিশুদাদাকে চিনব না? বাবার নিজের কাকা, যদিও সমবয়সী। সায়েবদের সঙ্গে ভিড়লেন। দেশের লোক ছি-ছি করত, এ আমার স্পষ্ট মনে আছে, যদিও তখন নিচের ক্লাসে পড়তাম। আছেন তাহলে এখনো! কী করা যায় বলুন দিকি শ্যামরতনদা?”

    শ্যামরতনদা মুচকি হসলেন, “করবে আবার কী? চল, দুপুরে কাজকর্ম নেই এই সময়ে টাকাগুলো নিয়ে আসি। ওই খ্যাপা বিশুর সঙ্গে আলাপ করলে নিশ্চয় অনেক প্রত্যক্ষদশীর বিবরণী পাওয়া যাবে।”

    গেলেন ওঁরা দুজন আর অসীম। বারণ সত্ত্বেও ওখানে গেছিল বলে কেউ অসীমকে বকলেন না। কিন্তু খ্যাপা বিশুর সঙ্গে দেখা হল না। কেউ ছিল না ওখানে। তবে অসীম ছোট একটা সাবল নিয়ে গেছিল। জানলার ওপরে যেখানটা ভদ্রলোক দেখিয়েছিলেন, সেখানে জোরসে দুটো খোঁচা দিতেই, ঝুরঝুর করে একরাশ নুড়ি, পাথরের কুচি, ভাঙা সিমেন্ট বেরিয়ে এল। তার পেছনের কুলুঙ্গিতে হাত গলাতেই একটা ভারি ওয়াটারপ্রুফ থলি বেরোল। সোনার মোহরে ঠাসা। ওই সময় ঘুস নিতে হলে নাকি কাগজের টাকা কেউ ছুঁত না। শ্যামরতনদা বললেন।

    আর বেরোল বাঁকা একটা বিলিতী পাইপ। পাইপটার মুখের কাছে একটা সাদা দাগ। সকালেও অসীম সেটা লক্ষ করেছিল। আস্তে আস্তে সে পাথরের সিটে বসে পড়ল। পা কাঁপছিল।

    অনেকক্ষণ পরে বড়মামা বললেন, “তাই বলি ১৯৪৩ সালে বিশুদাদার ৬৫ বছর বয়স ছিল। পাকা দড়ির মতো শরীর, খাকি শার্ট পেন্টেলুন পরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, গুপ্তচর বলে কেউ সন্দেহও করত না। ছোটবেলায় দেখেছি।”

    তারপর অসীমের দিকে ফিরে বললেন, “তা হলে এখন তাঁর বয়স কত হয়? ১১২ না?”

    অসীমের সব গুলিয়ে যাচ্ছিল। শ্যামরতনদার মুখের দিকে তাকাতেই তিনি ওর পিঠে একটা হাত রেখে বললেন, “কী হল?” অসীম বলল, “তবে কি উনি সত্যি নন? শুধু ছায়া? স্পষ্ট দেখলাম, থুতনিতে কাটার দাগ, আইডিন লাগানো। আর এই টাকাগুলো, ঐ পাইপ, এ-সব তো বাস্তব।”

    শ্যামরতনদা হাসলেন, “কাকে ছায়া আর কাকে বাস্তব বলবি জানিনে। বালিগঞ্জে আমাদের বাড়িতে সারি সারি কাচের জানলা। তার ভেতর দিয়ে মাঠের ওপারের সত্যিকার নতুন বাড়ি দেখা যায়, তৈরি শেষ হয়নি, খালি, রাতে ভুষো অন্ধকার। ওই জানলার কাচেই দেখতে পাই দূরে মোড়ের মাথার আলোজ্বালা লোক-গমগম বাড়ির ছায়া। ভুষো অন্ধকারময় খালি বাড়ি আর লোকজন-ভরতি আলোজ্বালা বাড়ি মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। কোনটা সত্যি কোনটা ছায়া চিনতে পারি না। কাচের জানলা খুলে তবে বুঝতে পারি কোনটা কী। এবার ওঠ, ওঠ শিবু, উনি যা যা বলেছেন সেই মতো কাজটা তো করে ফেল!” হঠাৎ অসীমের মনটা ভালো হয়ে গেল। “হ্যাঁ, হ্যাঁ, চলা যাক, মাসি দুধপুলি করেছে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয়ঙ্কর ভূতের গল্প – লীলা মজুমদার সম্পাদিত
    Next Article হ্যান্স অ্যান্ডারসন রচনাবলী-১ – অনুবাদ: লীলা মজুমদার

    Related Articles

    লীলা মজুমদার

    বদ্যিনাথের বড়ি – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    হলদে পাখির পালক – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    বাঘের চোখ – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    গুপির গুপ্তখাতা – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    পদিপিসীর বর্মিবাক্স – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    টং লিং – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }