Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সব ভুতুড়ে – লীলা মজুমদার

    লীলা মজুমদার এক পাতা গল্প293 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সন্ধ্যা হল

    প্রতি মাসে একবার করে আমাদের মহিলা সমিতি বসে শনিবার সন্ধ্যাবেলায়। সেদিন হিসাবপত্র দেখা হয়, কাজ গুছোনো হয়, একটু চাও খাওয়া হয় আর এনতার গল্পগুজব হয়। এক একদিন ফিরতে একটু রাত হয়ে যায়, কারো কিছু গাড়িঘোড়া নেই, দূরও নয়, যে যার দরকার মতো উঠে পড়ে। আবার এক একদিন কেউ একা বাড়ি ফিরতে চায় না। সব গাদাগাদি ঠাসাঠাসি করে পথ চলে সেদিন। মহিলা সমিতির সেজপিসিমার হাতে সুতো, কাপড় ইত্যাদির ভার থাকে, তার হিসেব সব সময় মেলাতে পারেন না, মিস মল্লিকের সঙ্গে তাই নিয়ে কত সময় কথা কাটাকাটিও হয় দু’চার মাস কথাও বন্ধ থাকে। তারপর সেজপিসিমা আবার ঘুসঘুসে জ্বরে পড়েন, নিজের একতলা ঘরখানিতে একা শুয়ে থাকেন। মিস মল্লিক সন্ধ্যাবেলায় হাঁড়িমুখ করে, হাতে এক শিশি লাল কাচের মতো পেয়ারার জেলি নিয়ে সেজপিসিমাকে দেখতে যান, দু’জনায় খানিক কাঁদাকাটিও করেন। পরের শনিবার দু’জনা পাশাপাশি বসেন, সবাই একটু মুখ টিপে হাসে। তাতে ওঁদের কিছু এসে যায় না। একদিন মেজপিসিমা বললেন, “ভূতে বিশ্বাস করি কি করি না এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাই না, কারণ বললেই তো ভূত কেন হতে পারে না, তোরা তার একশো রকম প্রমাণ এনে দিবি। কিন্তু পথেঘাটে ট্রামেবাসে এই যে হাজার হাজার মানুষ দেখিস, এরা কি সবাই জ্যান্ত মানুষ বলতে চাস নাকি? তবেই তো হয়েছিল! যেটুকু চাল ডাল পাওয়া যাচ্ছে তাও উঠে যেত।”

    আমাদের করবী বললে, “জ্যান্ত মানুষ নয় তো কী তারা, সেজপিসিমা।”

    সেজপিসিমা বিরক্ত হয়ে বললেন, “বলেছি তো এ বিষয় কিছু বলতে চাই না। কিন্তু আমাদের সেন্টারের নুটুকে জানিস তো, তাঁতের সুতোর ব্যবস্থা করতে গেছিল ডালহৌসি, ফিরতে সে কী দেরী। বিকেলে ওখানকার ট্রামেবাসে কী হয় জানিসই তো। যেন থিক্ থিক্ পোকা ধরে যায়। কোথায় ক্যান্টিন ম্যান্টিনে চা খেয়ে, কে চেনা লোকের সঙ্গে দেখা হয়ে গেল, মোট কথা মেলা দেরী হয়ে গেল। শেষটা ট্রামস্টপে এসে দেখে পথঘাট ভোঁভাঁ, গাড়িঘোড়া জনমনিষ্যি নেই। কেন যেন গা ছমছম করতে লাগল। ওসব অঞ্চল কী পুরনো আর সেকালে ওখানে কী না বীভৎস কাণ্ড হয়ে হয়ে গেছে, কে না জানে। এমন সময় দুটো লোক এসে একেবারে ওর গা ঘেঁষে দাঁড়াল। ভয়ে তো নুটুর প্রাণ উড়ে গেল। ঠিক সেই সময় অন্ধকার থেকে একগাদা কাগজপত্র বগলে নিয়ে তিনজন বুড়ি মেম বেরিয়ে এসে নুটুর সঙ্গ নিল। মিশনারি মেম, ভাঙা ভাঙা বাংলা বলে। তাদের দেখেই লোক দুটি চোঁচাঁ দৌড় মারল। মেমরা বলল, এরকম নির্জনে একলা দাঁড়িয়ে থাক কেন, তোমাদের হিন্দুদের বুদ্ধির বহর দেখে আশ্চর্য হতে হয়। নুটুর একটু বিরক্ত লাগলেও, ত্রাণকর্ত্রীদের চটানোটা ভালো বলে মনে করল না। ওরা ওকে বলল, চল তোমাকে মোড় অবধি এগিয়ে দিই। একটু আগেই লোকজন গাড়িটাড়ি সব পাবে। তারপর সমস্ত রাস্তা খ্রিস্টান ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে করতে ওরা ওকে এগিয়ে নিয়ে চলল। বলল, তোমরা তোমাদের মরাদের ভগবানের হাতে ছেড়ে দিতে ভয় পাও, মলে পর নিশ্চিন্ত হতে পার না, বছরে বছরে আবার নতুন করে শ্রাদ্ধ কর, ছিঃ! মরা আগলাতে লজ্জা করে না! ততক্ষণে ওরা মোড়ের মাথায় পৌঁছে গেছে, আলো, লোকজন, ট্রাম সব নাগালের মধ্যে এসে গেছে, নুটুরও সাহস বেড়ে গেছে। সে বললে, যাও, যাও আর বোলো না, আমরা মরা আগলাই না আরও কিছু। আমরাই বরং পুড়িয়ে ঝুড়িয়ে ছাইগুলোকে পর্যন্ত জল দিয়ে ধুয়ে সাফ করে দিই। তোমরাই মরাদের ছেড়ে দিতে পারো না, সাজিয়ে গুছিয়ে, বাক্সবন্দী করে, যত্ন করে মাটিতে পুঁতে, তার উপর থাম্বা গেড়ে, তার উপর ফুল রাখো— বলতে বলতে ট্রাম আসছে কিনা দেখবার জন্য একটু মুখ ঘুরিয়েছি কী, অমনি ফিরে দেখি তিনটে মেমই অদৃশ্য! কোথায় গেল তারা? থুড়থুড়ে বুড়ি, এমন নয় যে তর্কে কোণঠাসা হয়ে টেনে দৌড় মারবে, তাছাড়া সোজা পথ, দু’দিকে অনেক দূর পর্যন্ত দেখা যায়। গেল কোথায়?”

    রমাদি বললেন, “হ্যাঁ, ওরা তর্ক সইতে পারে না শুনেছি।”

    করবী কিছু বলল না। মিস মল্লিক প্রমাণ সাইজ পাঞ্জাবিটার পকেট লাগানো পরীক্ষা করতে করতে বললেন, “তা তো বটেই। নেই বলে প্রমাণ দিলেই তো আর নেই হয় না। প্রমাণের কী-ই বা দাম বল। অবিশ্যি খ্রিস্টানদের সম্বন্ধে নুটুদি যা বলেছিলেন তার সঙ্গে আমি একমত হতে পারলাম না, কারণ আমাদের খ্রিস্টান ধর্মে মানুষের দেহটাকে অত প্রাধান্য দেওয়া হয় না, সে থাকল কি গেল, তাতে কারো কিছু এসে যায় না, থাম্বা গাড়া কি ফুল দেওয়াটেওয়া কিছু নয়, আত্মাটাই হল সব। তবে যিশুকেই সব আত্মার গতি করে দিতে হবে, এও তো কম আবদার নয়! আর ইচ্ছে হলে তারা ফিরবে না-ই না কেন? জায়গা জুড়ে থাকছে না, খাচ্ছে-দাচ্ছে না—”

    মিস্ মল্লিকের ছোট বোন বিন্দু মল্লিকের চার কাঁটায় মোজা বোনার অনেকগুলো ঘর পড়ে একেবারে দু’তিন লাইন নেমে গেছিল বলে, এতক্ষণ সে আলোচনায় যোগ দেয়নি। তবে সেও ছেড়ে দেবার পাত্রী নয়। সমাদ্দার মাসিমার ক্রুশকাঁটা চেয়ে নিয়ে, সে ঘরগুলিকে বুনে কাঁটায় তুলে, নিরাপত্তার জন্য আর এক ঘর বুনে নিয়ে, তারপর সমাদ্দার মাসিমাকে ক্রুশ কাঁটা ফিরিয়ে দিয়ে বললে, “খবরদার না বোলো না— কিছু মনে করলেন না তো মাসিমা, এতক্ষণ আটকে রাখলাম বলে?” এতক্ষণ ধরে লেস বোনার সুতোর ফাঁস আঙুলে পরিয়ে বসে থেকে থেকে, আসলে সমাদ্দার মাসিমা খুবই বিরক্ত হয়ে উঠেছিলেন, যারা চারটে বিলিতি কাঁটা কিনে এত বোনাবুনি করতে পারে, তারা কি একটা প্লাস্টিকের ক্রুশ কাঁটাও কিনে রাখতে পারে না? আর ক্রুশকাঁটা কেন, মাথার কাঁটা দিয়েও তো বুদ্ধি থাকলে পড়া ঘর তুলে নেওয়া যায়। তবু সে বিষয় কিছু উত্থাপন না করে অসহিষ্ণুভাবে বললেন, “আহা, কী বলছিলে তাই বলল না। খায়-দায় না কী যেন?”

    বিন্দু মল্লিক তিন কাঁটার সব ক’টি ঘর এক জায়গায় জড়ো করে এনে, তার চারদিকে দু’ ফাঁস উল জড়িয়ে— বলা তো যায় না, আবার পড়তে কতক্ষণ— মোজাটাকে কোলের উপর নামিয়ে বললে, “একেবারে যে কখনই খায়-দায় না— ও কী, লিলিদি, অমন শিউরে ওঠার মতো কিছু হয়নি— কী বলছিলাম, হ্যাঁ, একেবারে যে কখনই খায়-দায় না তাও বলা যায় না।”

    লিলিদি সমিতির সেজপিসিমার আর একটু কাছে ঘেঁষে বললেন, “যা বলবার চটপট বলেই ফেল না রে, বাপু, ওরকম আধখ্যাঁচড়া বললে যে গায়ে কাঁটা দেয়। ও, অপু, আচ্ছা, বারান্দার আলোটা আজ জ্বালিসনি কেন বল দিকিনি? যা, সুইচটা নামিয়ে দিয়ে আয় তো।”

    অপু বললে, “ওবাবা! আমি পারব না।”

    বিন্দু মল্লিক বললে, “গল্পটা শুনবে, না শুনবে না।”

    “না না, তুমি বল।”

    “আমার ঠাকুমার কাছে শোনা বুঝলে; মিথ্যে হবার জো নেই। ঠাকুমার শাশুড়ি ছিলেন যাকে বলে দজ্জাল মেয়েমানুষ। তিন তিনটা বউমা আর তিন আইবুড়ো মেয়েকে দীর্ঘকাল জ্বালিয়ে পুড়িয়ে খেয়ে, শেষটা হার্টের রোগে ধরল। কিন্তু হলে হবে কী, যেই না অবস্থা সঙ্গীন হয়ে আসে, মেয়ে বৌরা হাসিমুখে এ ওর দিকে তাকাতে শুরু করে, অমনি দু’এক ফোঁটা ওষুধ খেয়ে আবার চাঙ্গা হয়ে ওঠেন। ওদের কপালে আর সুখ লেখা ছিল না। এমনি সময় একদিন দারুণ জলঝড়ের রাতে শাশুড়ির শরীরটা একটু খারাপ বোধ হওয়াতে মহা হাঁকডাক লাগালেন, যাও এক্ষুনি ডাক্তার ডেকে আনো, পাড়ার ডাক্তারের অসুখ তো হালসিবাগানে কে নতুন ডাক্তার বসেছেন তাকেই আনো। শেষ পর্যন্ত বড় বৌ ওই দুর্যোগ মাথায় করেই ডাক্তার আনতে গেল। খানিকবাদে ডাক্তারও এলেন, কালো পোষাক, কালো ব্যাগ নিয়ে। দেখে শুনে ওষুধ দিলেন, ব্যাগ থেকে বের করে ছোট্ট সাদা একটা বড়ি। শাশুড়ি মহা খুশি, দে ওঁকে চা দে, কী কেকটেক করেছিস আমাকে লুকিয়ে, তাই দে ওঁকে। ডাক্তারও কেকের খুব তারিফ করলেন, ঐ এক চিমটি নুনও দিয়ে দেবেন গোলার সঙ্গে, দেখবেন আরো হালকা হবে। আরেকটু চিনি পেতে পারি কি চায়ে? শেষ চুমুকটি খেয়ে ডাক্তার উঠছেন আর শাশুড়িও খাবি খেতে শুরু করেছেন। ঠিক সেই সময় বড় বৌমা চুপ্পুড় ভিজে হালসিবাগানের ডাক্তারকে সঙ্গে নিয়ে এসে হাজির। হৈ-চৈ। আগের ডাক্তার উঠে দাঁড়িয়ে লজ্জিত হেসে বললেন, ভুল ওষুধ দিয়েছিলাম কি না। বলেই দরজা দিয়ে বেরিয়ে গেলেন। আরে উনি তবে কে? ও আবার কী কথা? সঙ্গে সঙ্গে এরাও দু-চার জনা বেরিয়ে এলেন, কিন্তু সিঁড়ির মাথায় কিংবা সিঁড়িতে কোথাও জনমানুষ নেই।” বিন্দু মল্লিক আবার বোনাটা তুলে নিল।

    করবী মাথায় ঝাঁকি দিয়ে বলল, “ও আবার কী ভূতের গল্প হোল? ও হয়তো একটু দুষ্টু লোক, কী একটা পাগল ছিল। কিংবা ওই মেয়ে বৌদের কেউই হয়তো ওকে ভাড়া করে এনেছিল। শাশুড়িকে সাবাড় করবার জন্য।”

    মিস মল্লিক শুকনো গলায় বললেন, “সে তোমার যা ইচ্ছে মনে করতে পারো কিন্তু আমরা খ্রিস্টানরা ধর্মে বিশ্বাস করি আর ঐ দারুণ জলঝড়ের মধ্যে দিয়ে এলেও লোকটার কাপড়চোপড় ছিল খটখটে শুকনো। নীচে দরওয়ান ছিল, সে কাকেও গাড়ি করে আসতেও দেখেনি, বেরুতেও দেখেনি। তোমরা বিশ্বাস কর না কিছু; ওই জন্যই আমি কিছু বলিনি, বিন্দুটার সবটাতেই বেশি বেশি।” বিন্দু মল্লিক তাই শুনে ফোঁস করে একটা নিশ্বাস ছাড়ল।

    সবাই করবীর উপর রাগ করতে লাগল। সেজপিসিমা বললেন, “আমার দাদা খুব রাত করে ট্রামে বাড়ি ফিরছেন, এমন সময় কালীতলার মোড়ে চেক চেক আলোয়ান গায়ে দিয়ে একটা লোক উঠে দাদার পাশে বসল। তার সারা গায়ে ন্যাপথালিনের গন্ধ। চোখ দুটো ঢুলুঢুলু। টিকিটের পয়সা চাইলে দিল বের করে একটা এই বড় মহারানি ভিক্টোরিয়ার টাকা। কন্ডাক্টারও তা কিছুতেই নেবে না, ওর কাছেও আর কিছু নেই। শেষটা দাদাই ওর ভাড়া ঢুকিয়ে দিলেন। হেদোর মোড়ে দাদাও নামলেন সেও নামল। নেমেই বলল, দাঁড়ান, এইখানেই আমি থাকি, পয়সাটা না দিলেই নয়, কারো কাছে ঋণী থাকতে হয় না।

    এই বলে পাশেই একটা গলির মধ্যে ঢুকে গেল, আবার তখুনি ফিরে এসে দাদার হাতে চারটে পয়সা গুঁজে দিয়েই মিলিয়ে গেল, সে তোমরা বিশ্বাস করো আর নাই করো। দাদা একরকম ছুটতে ছুটতে বাড়ি এসে দেখেন সে পয়লাগুলোও মহারানী ভিক্টোরিয়ার আমলের ভারী পয়সা।”

    করবী আবার বলল, “আহা, মহারানী ভিক্টোরিয়ার মুখ দেওয়া কত পয়সা তো এমনি চলে। তাছাড়া পয়সারও ভূত হয় বলতে চান?”

    সেজপিসিমা কোনো উত্তর না দিয়ে সুতোর লচ্ছির গিট খুলতে লাগলেন।

    লিলিদিও হঠাৎ উঠে এসে একেবারে আসরের মাঝখানে বসে বললেন, “তোমরা তো আমার মাসিমাকে চেনো? এযে যাঁর সঙ্গে আমি থাকি। ওঁর যখন প্রথম ছেলে হয় কর্নওয়ালিশ স্ট্রিটে সাহাদের যে ওই বিরাট বাড়িতে দুটো ঘর নিয়ে থাকেন ওঁরা। স্বামীটা তো একটা লক্ষ্মীছাড়া, কোনোদিন রাত বারোটায় বাড়ি ফিরল আবার কোনোদিন হয়তো ফিরলই না। ছেলেটার একবার দারুণ জ্বর, মাসিমার নিজেরও জ্বর, তিনদিন স্বামীর দেখা নেই, কে কাকে দেখে তার ঠিক নেই। ভাবছেন না খেয়ে বুঝি মরতে হবে, এমনি সময় দরজায় কড়া নেড়ে— ই-ইক টুপ করে সমিতি ঘরের আলোটা নিভে গেল।

    ওরকম হামেসাই আলো নেভে, পুরোন সব তার, কথায় কথায় ফিউজ হয়। তবু কীরকম যেন মনে হয়। সেজপিসিমা হাতড়ে হাতড়ে সেলাইকলের দেরাজ থেকে মোমবাতির টুকরো বের করেন, প্যান্ট সেলাইতে মোটা জোড়ার জায়গাতে মোম না ঘসে দিলে ছুঁচ উতরোয় না, তাই সর্বদা মোমবাতি মজুত থাকে। টিমটিম করে আলো, যে যার ব্যাগ থলি চটি খুঁজে নিয়ে একসঙ্গে উঠে পড়েন। সভা ভঙ্গ হয়, করবী সেজপিসির সঙ্গে বাড়ি যায়। কী জানি!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয়ঙ্কর ভূতের গল্প – লীলা মজুমদার সম্পাদিত
    Next Article হ্যান্স অ্যান্ডারসন রচনাবলী-১ – অনুবাদ: লীলা মজুমদার

    Related Articles

    লীলা মজুমদার

    বদ্যিনাথের বড়ি – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    হলদে পাখির পালক – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    বাঘের চোখ – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    গুপির গুপ্তখাতা – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    পদিপিসীর বর্মিবাক্স – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    টং লিং – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }