Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সব ভুতুড়ে – লীলা মজুমদার

    লীলা মজুমদার এক পাতা গল্প293 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মোটেল

    বটুকদা যখন হঠাৎ জুয়ো খেলা ছেড়ে দিয়ে, শ্বশুরের কাঠগুদামের ব্যবসায় দস্তুরমতো পয়সা দিয়ে মোটা শেয়ার কিনে, সভ্যভব্য হয়ে কাজকর্ম নিয়ে দিন কাটাতে শুরু করলেন, তখন ওঁর বুড়ি মা, বৌ আর আত্মীয়স্বজনরা যত খুশি হলেন, বন্ধুরা ততটা হননি। এ আমার ছোটমামার নিজের মুখে শোনা। আগে তিনিই ছিলেন বটুকদার যাকে বলে বুজুম ফ্রেন্ড। এখন বটুকদা তাঁকে একরকম ঝেড়ে ফেলে দিয়েছেন। তাতে খুব ক্ষতিও হয়নি, কারণ আগেকার সেই কথায় কথায় বাজি-ধরা আমুদে বটুকদা আর নেই। ছোটমামার কাছে যেমন শুনলাম, ব্যাপারটা বেশ অদ্ভুত। নাকি স্বয়ং বটুকদাকে জেরা করে তিলে তিলে সংগ্রহ করা। সেই কথাই বলি।

    বছর দুই আগে জাত-জুয়াড়ি বটুকদা জুয়ো খেলে খেলে দেউলে হয়ে দেশান্তরী হয়েছিলেন। তাই বলে কোপ্‌নি পরে ছাই মেখে সাধু সেজে পথ নেননি। ওসব বটুকদা ঘৃণা করতেন। নিউম্যাটিক স্লিপিং ব্যাগ, টর্চ, ওয়াটার বটল, খুদে হ্যাভারস্যাকে যা-নইলে চলে না এমনি কয়েকটা জিনিস আর যৎসামান্য পথ-খরচা নিয়ে, হাইকার সেজে নৈনিতালের কাছে কাঠগুদামে শ্বশুরের বাংলো থেকে গোপনে বেরিয়ে পড়লেন। লাখ খানেক টাকা জমিয়ে তবে এদের মুখ দেখবে এই প্রতিজ্ঞা।

    সারা সকাল হাঁটলেন। দুপুরে টুরিস্ট বিভাগের একটা আস্তানা থেকে একটা আঞ্চলিক ম্যাপ আর রুটি মাখন তাজা চিজ আর ডিম সিদ্ধ কিনে, বোতলে জল ভরে আরো ঘণ্টাখানেক হাঁটবার পর, পায়ের গুলি যখন পাকিয়ে উঠল আর পেট কামড়াতে লাগল তখন দেখলেন একটা ঘন বনের মধ্যে গিয়ে পৌঁছেছেন। অগত্যা একটা বড় বড় পাতাওয়ালা গাছতলায় পা ছড়িয়ে বসে পায়ের গুলি দুটোকে কিঞ্চিৎ ম্যাসাজ করতে বাধ্য হলেন। ভারি আরাম লাগল।

    পেট ব্যথাটাও কিছু নয়, স্রেফ খিদের জন্যে। তাছাড়া কালীঘাটের পেটব্যথার মাদুলীও ছিল। তাতেই পেটব্যথা কিছুটা কমল। বাকিটা চলে গেল পেটে কিছু পড়তেই। গাছতলায় পাকা ন্যাসপাতি পড়েছিল। সে যে কী মিষ্টি আর রসাল। এক দিকে একটু বাদুড়ে খুবলানো, সেটুকু পুরোনো পেন-নাইফ দিয়ে কেটে ফেললেই হল। খাবার পর হ্যাভারস্যাক মাথায় দিয়ে একটু বিশ্রাম। পায়ে মিষ্টি রোদ লাগছিল।

    বিশ্রাম মানেই ঘুম। সে ঘুম যখন ভাঙল, তখন গাছের ছায়া লম্বা হয়ে এসেছে। রোদটা আর গরম নেই। জলের বোতল থেকে রুমালে একটু জল ঢেলে চোখেমুখে লাগিয়ে, গা ঝেড়ে চাঙা হয়ে উঠে, বটুকদা আবার হাঁটা দিয়েছিলেন। এর আগেই কখন যে পথটা পাহাড়ে উঠতে শুরু করেছিল তা টের পাওয়া যায়নি। এখন নীচে তাকিয়ে বোঝা গেল। অতক্ষণ ঘুমনো ঠিক হয়নি।

    এ পথে গাড়ি যায়, অন্তত জিপ যায়। চাকার দাগ দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু রাস্তাটা পিচ-ঢালা নয়। হয়তো হিমালয়ে যাবার কোনো বিকল্প পথটথ হবে। কিংবা সাময়িক কিছু। তাহলে এ-পথে কোনো মোটেল বা হোটেল, বা ট্যুরিস্ট হস্টেল থাকার সম্ভাবনা নেই। মনটা একটু দমে গেল। পথে একটা লোক দেখা যাচ্ছিল না; একটা কুঁড়েঘর পর্যন্ত নেই; নেড়ি-কুত্তার ডাক নেই; গোরুর হাম্বা নেই; সবজি-বাগান বা মাকাইক্ষেত নেই! এদিকে আলো কমে আসছে, রাত কাটাবার সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে। ট্যুরিস্ট ক্যান্টিনে এক বুড়ো সায়েব তার কাঁটাওয়ালা বুট সাফ করছিল, সেও বলেছিল এটা পুরনো মিলিটারি পথ। যত তাড়াতাড়ি পার হয়ে যাওয়া যায়, ততই ভালো। আরো ওপরে গেলে একটা “হিন্ডু পিলগ্রিম প্লেস” আছে। সেখানে প্রায় বিনা খরচায় থাকা-খাওয়া মেলে। কিন্তু ম্যাপে পথটাকে চিনতে পারা গেল না।

    পাহাড় চড়বার সময় এক কিলোমিটারকে চার কিলোমিটার মনে হয়। কাজেই কতখানি হাঁটা হল বোঝা গেল না। কিন্তু এটুকু বোঝা গেল যে বটুকদা আর হাঁটতে পারছেন না। পথের ধারে একটা পাথরে বসে ভাবলেন, বাকি খাবারটুকু শেষ করে, তলানি জলটুকু গলায় ঢালা যাক, তারপর যা থাকে কপালে। বেশি খিদে পেলে মনে কেমন একটা বেপরোয়া ভাব এসে যায়, এ কথা ভ্রমণকারী মাত্রেই জানে। বটুকদারও তাই হল।

    খাবারটা একটা কার্ডবোর্ডের বাক্সে ছিল। সেটা বের করতেই, পাশের ঝোপটা একটু নড়ে উঠল। একটা লোমশ কালো কুচকুচে হাত বেরিয়ে এসে টুপ করে বাক্সটি তুলে নিয়ে আবার ঝোপের মধ্যে ঢুকে গেল। ঝোপ থেকে বিশ্রী কচরমচর শব্দ হতে লাগল। বটুকদা আর বসলেন না।

    আগে যদি মনে আশা থাকে, তাহলে সেটা হারালে তবে নিরাশা আসে। বটুকদার সে-সব জিনিস ছিল না। কিন্তু ভয় ছিল, সায়েব বলেছিল বুনো জানোয়ার থেকে সাবধান। ক্লান্তি, খিদে, তেষ্টা, ঘুম— এসবও ছিল। চারদিকের একটানা ঘন বন কোথাও একটু পাতলা হয়ে এসেছে— সেইরকম একটা জায়গায় পৌঁছে, বাঁক ঘুরেই বটুকদা থমকে দাঁড়ালেন। সামনেই একটা বাজপড়া মরা ঝাউ গাছ। আর পাহাড়ের কোল ঘেঁষে, লাল টিনের ছাদের একটা দোতলা মোটেল! সারি সারি আলোকিত জানলা দেখে বটুকদা বুকে বল পেলেন। শুধু আলো নয়, লোকজনের হেঁড়ে গলায় হাঁকডাকও কানে এল। এসব জায়গায় হাইকাররাই ওঠে। তাদের গলার স্বর খুব মিষ্টি হয় না।

    সদর দরজার ওপর একটা ফুলন্ত লতাগাছ। তার নিচে একটা চারকোণা লণ্ঠন প্যাটার্নের তেলের বাতি ঝুলছিল। ওপরে হয়তো একটা নামও লেখা ছিল, তবে পড়া যাচ্ছিল না। তাছাড়া বটুকদার মাথা বোঁ বোঁ করছিল, পড়বার ক্ষমতাই ছিল না। খোলা জানালা দিয়ে কানে এল মানুষের গলা, নাকে এল রান্নার সুগন্ধ। দরজাটা ভেজানো।

    কোনোমতে ধুঁকতে ধুঁকতে, হোঁচট খেতে খেতে, হুড়মুড় করে ঘরে ঢুকেই বটুকদা মুচ্ছো যান আর কী! এমন সময় কানে এল, “দশটা রূপোর টাকা বাজি, এক মিনিটের মধ্যে লোকটা ভির্মি যাবে! কে বাজি ধরবে?” “ডান্ (DONE)!” বলে বটুকদা মুণ্ডু ঝেড়ে কান-বোঁ বোঁ সারিয়ে, হাত পাতলেন। সব কথাই যে ইংরিজিতে হচ্ছে খেয়াল করলেন না।

    “ও মাই গড!” বলে লোকটা পকেট থেকে দশটা টাকা বের করে তাঁর হাতে দিয়ে দিল। অন্যরাও টেবিল ছেড়ে উঠে পড়ে, চারদিকে ঘিরে দাঁড়াল। বটুকদা পেছনের কাঠের বেঞ্চিতে বসে পড়লেন। পায়ে জোর পাচ্ছিলেন না।

    লোকগুলো সব বিদেশি হিপি। কারও মুখে বড় চুরুট, কারও বাঁকা পাইপ। লম্বা চুল ঘন জুলপি তার চেয়েও বেশি গোঁপ, কারো কারো দাড়ি। রংচং-এ ওয়েস্টকোট, শার্টের হাত গুটোনো। চিমনিতে কাঠের আগুন জ্বলছিল, কেমন একটা ধুনো ধুনো গন্ধ বেরুচ্ছিল। টেবিলে চাদর নেই, খাটের ওপর এলুমিনিয়ম মগে মোদো গন্ধওয়ালা কিছু আর জোড়া জোড়া তাস, বড় বড় সাদা রঙের ডাইস।

    মনটা আনচান করে উঠল। মা-কালী তা হলে ঠিক জায়গাতেই এনে ফেলেছেন! জুয়াড়ির জুয়াড়ি চিনতে দেরি হয় না! হিপিরা ওঁর পিঠ চাপড়ে, হাঁকডাক করতে লাগল, কোই হ্যায়! খানা লাও!” দেখতে দেখতে খানাও এসে গেল। চাকলা চাকলা মাংস রোস্ট, আলু, গোল গোল পাঁউরুটি, তাল তাল মাখন। পুডিং। পানীয়। হিপিরা খায়দায় ভালো। বটুকদা আগেও শুনেছিলেন ওদের অবস্থা ভালো, ব্যবহার ভদ্র। অন্তত বন্ধুলোকের সঙ্গে। এখন তার চাক্ষুষ প্রমাণ পেলেন। খাওয়াদাওয়ার পর বটুকদা সরু মনিব্যাগ বের করে দাম দিতে গেলেন। দলের পাণ্ডা ওঁর হাত সরিয়ে দিয়ে পকেট থেকে এক মুঠো মোহর বের করে চ্যাপ্টামুখ মালিকের হাতে গুঁজে দিল। এ কথা কেউ বিশ্বাস না করলে আর কী করা যায়! চকচকে সোনার মোহর, বটুকদা স্বচক্ষে দেখলেন। সোনা-বাঁধানো দাঁতওয়ালা আধা-চীনে মালিক, পকেট থেকে চামড়ার বটুয়া বের করে ভরল। বটুকদার চোখ থেকে রাজ্যের ঘুম বিদায় নিল। মনের মতো সঙ্গী পেলে অমনি হয়। তিনি ঘরের চারদিকে তাকিয়ে বুঝতে পারলেন, সরাইয়ের মালিক ঐ আধা-চীনে হতে পারে না। এখানে রুচির পরিচয় পাওয়া যাচ্ছে। দেয়ালে চমৎকার সব বিলিতী ছবির রঙিন প্রিন্ট— পাখি মারার, মাছ ধরার, ঘোড়ায় চড়ার। মেলা খরচ করে এগুলো বিলেত থেকে আনাতে হয়েছে তাতে সন্দেহ নেই।

    শিরার রক্ত টগবগ করে ফুটতে লাগল। বটুকদা হাঁক পাড়লেন, “আপেলের ছবির নিচেকার সাদা টিকটিকি আরও পিছু হটবে, এই আমি বলে দিলাম।” লাল-চুলে বাঁকা-পাইপ গর্জে উঠল, “কালোর কাছে সাদা হটবে! নেভার! একশো রূপোর টাকা বাজি, সব কালোর মতো এ কালোও আগে হটবে!”

    ঠিক যেন ওর কথা শুনতে পেয়ে সাদা টিকটিকি পিছু ফিরে সুড়সুড় করে ছবির পেছনে লুকোল। বটুকদা হাসি চাপলেন। ঘরে কোনো শব্দ নেই! তারপরেই টেবিল চাপড়ে লাল-চুল বলল, “ভাগ্যদেবীকে হাত করেছ দেখছি!” বটুকদার হ্যাভারস্যাকে একশো টাকা উঠল।

    এতক্ষণ চুপ করে ছিল পাকা-চুল আধ-বুড়ো। এবার সে বলল, “বড় জানলার কাচে দু-ফোঁটা জল। একশো টাকা বাজি, ডাইনেরটা আগে গড়াবে।” বটুকদা বলে বসলেন, “বাঁ দিকেরটা আগে গড়াবে।” সঙ্গে সঙ্গে হলও তাই! আরো একশো টাকা জমল। এবার সায়েবগুলো একটু বেপরোয়া হয়ে উঠল। যা-তা বাজি ধরতে লাগল আর প্রত্যেকবার বটুকদা জিতলেন।

    ঘরের আবহাওয়া আর ওদের মেজাজ ক্রমে গরম হয়ে উঠতে লাগল। সব জাত-জুয়াড়ি। পয়সাকড়িও আছে। টাকা খোয়াবার চেয়ে হেরে যাবার লজ্জা বেশি। সঙ্গে সঙ্গে টাকা শোধ করে দেয়। শেষকালে লাল-চুলে বলল, “শুধু চান্সে এমন হয় না! কিছু জাদুকর্ম করেছ নিশ্চয়!” বটুকদা তখনো অবস্থাটা বোঝেননি। হেসে বলেছিলেন, “জাদুটাদু নয় বন্ধু, মা-কালী আমাকে জিতিয়ে দিচ্ছেন। তাঁর সঙ্গে কে পারবে!”

    শুনে ওদের চুল-দাড়ি খাড়া। “হোয়াট! ওকে কেউ সাহায্য করছে! তাই বলি শুধু চান্সে একটা নেটিভ কখনো এত জিততে পারে! ওকে তল্লাসী করা হোক। ওর কাছে কোনো শয়তানের কল আছে কি না দেখা যাক! হরিড আগলি ফেলো! যা-তা খায়!”

    ওঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল সব। বোতাম ছিঁড়ে, পকেট ফেড়ে চুলচেরা তল্লাসি। কিচ্ছু পেল না। রাগে ফোঁস ফোঁস করতে করতে শার্ট টেনে বের করেই পৈতে চোখে পড়ল। তাতে একটা চাবি আর মা-কালীর পেটব্যাথার মাদুলী বাঁধা। “ও-ও-ওঃ! যা ভেবেছিলাম ঠিক তাই! ওই দেখ! ডেভিলের কারচুপি! এরি সাহায্যে এতক্ষণ জিতেছে! ছুঁয়ো না! পুড়িয়ে ফেল! মারো ব্যাটাকে।”

    অত কষ্টে জোগাড় করা মাদুলীটা আগুনে দেয় আর কী! বটুকদার শরীরে অমানুষিক বল এল। মাদুলী গেলে পেট-ব্যথা কে সারাবে শুনি। হেঁচকা টানে পৈতে ছাড়িয়ে, চাবি আর মাদুলী হাতে চেপে ধরে, সেই শীতের রাতে জিনিসপত্র ফেলে টেনে দৌড়!

    পেছনে একটা হৈ-হৈ-রৈ-রৈ, তারপর সব চুপ। নিজের বুকের হাপরের শব্দ ছাড়া কিচ্ছু শোনা গেল না। হাঁপাতে হাঁপাতে খোঁড়াতে খোঁড়াতে রাত বারোটায় যখন পাহাড় চূড়োর মঠে গিয়ে পৌঁছলেন, তখন সেখানে জনমানুষের সাড়া নেই। মন্দিরের দরজা চব্বিশ ঘণ্টা খোলা থাকে। পাথরের মূর্তির সামনে প্রদীপ জ্বলে। তারি সিঁড়িতে গিয়ে আছড়ে পড়লেন। আবছা মনে হল মন্দির থেকে দু-চার জন কম্বলমুড়ি দেওয়া বুড়ো মানুষ “ই ক্যারে!” বলতে বলতে বেরিয়ে এলেন। তারপর আর কিছু মনে নেই।

    জ্ঞান হল পরদিন সকালে, সূর্য ওঠার অনেক পর। দেখলেন কে তাঁর জুতো ছাড়িয়ে, কোট ছাড়িয়ে, লেপ-কম্বল চাপা দিয়ে দিয়েছে। সব কষ্ট দূর হয়েছে।

    বটুকদাকে উঠে বসতে দেখে একজন সাধু এসে তাঁকে বড় এক গেলাস মিষ্টি দুধ খাইয়ে, হাসিমুখে বললেন, “ভালো বোধ করছ তো, বাবা?” ধড়মড় করে বটুকদা পৈতে হাতড়ালেন, নাঃ, চাবি আর মাদুলী ঠিকই আছে।

    খুব আদর যত্ন করলেন সাধুরা। এখানে তীর্থযাত্রী কম আসে। লোকে ভয় পায়। এখানকার শিব নাকি যার ওপর চটেন তাকে নাকাল করেন; যার ওপর খুশি হন তাকে অজস্র দেন। সবই হল, কিন্তু কাল রাতের কথা ওঁরা বিশ্বাস করলেন না। বললেন, “বেশি ক্লান্ত হলে মানুষ ভুল দেখে। খাওয়াদাওয়ার পর চল জায়গাটা দেখেই আসা যাক। তোমার ভুলও ঘুচবে আর জিনিসপত্রও উদ্ধার হবে।”

    সে বিষয়ে বটুকদার যথেষ্ট ভয় ছিল। গেলেন সবাই। বাজপড়া ঝাউগাছ চিনতে খুব অসুবিধা হল না। তার পেছনে শ্যাওলা ধরা পুরনো বাড়ির ভাঙা ভিতের খানিকটা দেখা যাচ্ছে। খানিকটা আগাছায় ভরা সমান জায়গা। তার ওপর দিয়ে একটা ফুলন্ত লতা গাছ। বাড়িটাড়ির চিহ্ন নেই।

    এতক্ষণ পরে বটুকদার গায়ের লোম খাড়া হয়ে উঠল। আগাছার মধ্যিখানে বটুকদার নিউম্যাটিক বেডিং-ব্যাগ আর হ্যাভারস্যাক পাশাপাশি রাখা আছে।

    বড় সাধু হেসে বললেন, “যা বলেছিলাম, এই অবধি এসে ক্লান্তিতে অবসন্ন হয়ে পড়েছিলে। মনও ভালো ছিল না। বাকি সব স্বপ্ন দেখেছ। এবার চল, ক’দিন আমাদের কাছে কাটিয়ে যাও। তারপর কী করবে দেখা যাবে।”

    জিনিসগুলো বড্ড ভারি মনে হচ্ছিল, শরীরটা তখনো ধাতস্থ হয়নি। হ্যাভারস্যাকটা সাধুদের একজন তুলে নিলেন।

    মঠে পৌঁছে হ্যাভারস্যাক খুলে বটুকদার চক্ষুস্থির! তার মধ্যে রাশি রাশি মহারাণী ভিক্টোরিয়ার মুখ-দেওয়া বড় বড় রুপোর টাকা! বড় সাধু বললেন, “বলিনি আমাদের দেবতা যার ওপর খুশি হন, তাকে কোল ভরে দেন। কাল রাতে ঘুমের ঘোরে ঘরের কথা অনেক বলেছিলে বাবা।” “কিন্তু— কিন্তু এ ত পুরনো টাকা!” “তাতে কী! দেবতাদের ট্যাঁকশালের তারিখ থাকে না।”

    পনেরো দিন ছিলেন ওখানে বটুকদা। তারপর কাঠগুদামে ফিরে গেলেন। তার আগে মঠের দরিদ্র ভাণ্ডারে একশো রুপোর টাকা দিয়ে এসেছিলেন। সেগুলো পাহাড়তলীর জহুরী পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে কিনে নিলেন। তিনিও মঠের ভক্ত। বাকি টাকাগুলোও তিনি নিলেন। বটুকদাও নিশ্চিন্ত হয়ে কাঠগুদামে শ্বশুরের ব্যবসায় শেয়ার কিনে, কাজকর্মে মন দিলেন। জুয়োখেলাও চিরকালের মতো ছেড়ে দিলেন। প্রতি বছর পুজোর সময় ওঁরা পায়ে হেঁটে মঠে যান। আমার ছোটমামাও নাকি এবার সঙ্গে যাবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয়ঙ্কর ভূতের গল্প – লীলা মজুমদার সম্পাদিত
    Next Article হ্যান্স অ্যান্ডারসন রচনাবলী-১ – অনুবাদ: লীলা মজুমদার

    Related Articles

    লীলা মজুমদার

    বদ্যিনাথের বড়ি – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    হলদে পাখির পালক – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    বাঘের চোখ – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    গুপির গুপ্তখাতা – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    পদিপিসীর বর্মিবাক্স – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    টং লিং – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }