Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026

    মন্দ মেয়ের উপাখ্যান – সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সব ভুতুড়ে – লীলা মজুমদার

    লীলা মজুমদার এক পাতা গল্প293 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কলম সরদার

    আমার ছোট ঠাকুরদা একদিন বললেন, ভূতফুত কিছু না। কেন যে পাঁচির মা রাতে ছাদে গিয়ে কালো কুকুরকে অদৃশ্য হয়ে যেতে দেখে ভয় পেল এ আমি ভেবে পেলাম না। ভূত আবার কী?

    বুঝলি, গত দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় বোমার ভয়ে কলকাতা শহর ভোঁ-ভোঁ। রাতে পাড়ার মধ্যেও থমথম করে। বাড়িতে থাকলে বাইরে যেতে ভয় করে, বাইরে থাকলে অন্ধকারে খালি বাড়িতে ঢুকতে ভয় করে। ভয়টা শুধু জাপানি বোমার ভয় নয়। চুরি-ডাকাতি, নিখোঁজ হওয়া, সব রকম। ভয় ছিল লোকের। খানিকটা সত্যি, খানিকটা মন-গড়া।

    সে একদিন গেছে। পাছে শত্রুদের বোমারু আলো দেখতে পেলে ঠিক জায়গাটিতে বোমা ফেলে, তাই আলো দেখানো বারণ ছিল। আলো দেখালে পুলিশে ধরত। সবার জানালা-দরজা বন্ধ, মোটা কালো পরদা দিয়ে ঘেরা, আলোর চারদিকে কালো কাগজের ঘেরাটোপ। শুধু বাতির তলায় একটুখানি আলো পড়ে, বাকি সব অন্ধকার। পড়াশুনো কাজকর্ম সকলের মাথায় উঠেছিল। রাত আটটার পর বাইরে বেরুতে হলে পারমিট দরকার হত।

    তবে আমার কথা আলাদা। আমি নতুন পুলিসে ঢুকেছি, আমাদের সুদ্ধ মিলিটারি বানিয়ে দিয়েছে। জানিস্ নিশ্চয়, যারা নতুন পুলিসে চাকরি নেয়, তাদের দিয়েই সবচেয়ে বিপজ্জনক কাজ করানো হয়। কারণ দক্ষ দুঁদে লোক মরে গেলে বেশি ক্ষতি হয়।

    সে যাই হোক, আমার উপর চব্বিশ ঘণ্টা কালীঘাটে খানা-তল্লাসীর ডিউটি পড়ল। কুখ্যাত চোর-গুণ্ডা কলম সরদারকে খুঁজে বের করতে হবে। মেলা সোনাদানা নিয়ে সে ফেরারী হয়েছে, অথচ পুলিসের খবর যে সে শহরের মধ্যেই কোথাও গা ঢাকা দিয়েছে। সম্ভবত কালীঘাটে কি খিদিরপুরে, কি চেতলায়। এমনিতেই কলমের পিছু নেওয়া মানে প্রাণটি হাতে নিয়ে বেরুনো। তার উপর খাঁ-খাঁ খালি, কালীঘাট মানেই ভূতের হাট। সত্যি কথা বলতে কী আমি খুব সাহসীও ছিলাম না তখন। সঙ্গে একটা লোক পর্যন্ত দেয়নি আপিস থেকে।

    সুখের বিষয় কলমের মোটা বেঁটে কদমছাঁট চুলওয়ালা চেহারা দূর থেকেও চেনা যেত, সাবধান হওয়া যেত, বামাল ধরতে পারলে এখুনি প্রমোশন, নচেৎ— এই অবধি— বলে আমাদের বড়সায়েব আমার দিকে একবার তাকিয়ে এক দাঁত কিড়িমিড়ি করলেন। আমি জিভ দিয়ে শুকনো ঠোঁট ভিজিয়ে নিয়ে বললাম— হ্যাঁ স্যার, ধরে আনছি স্যার। বড়সায়েব আমাকে তিন দিন সময় দিলেন।

    আসলে কালীঘাটে তদন্ত করতে আমার খুব বেশি আপত্তি ছিল না। ঐখানে খালের ধারে আমার বন্ধু জগার বাড়ি। বাড়ির বাকি সবাই ঘাটশীলায় ছিল; শুধু জগা আর তার রাঁধুনে বামুন শঙ্কর, যার রান্না একবার খেলে আর ভোলা যায় না। ঠিক করলাম ওদের বাড়িটাকেই তদন্তের হেডকোয়ার্টারস্ করতে হবে। কলমকে সঙ্গে না নিয়ে আর আপিসমুখো হওয়া নয়।

    পথের আলোয় ঘেরাটোপ দেওয়া, কিছুই দেখা যায় না। প্রায় অনেকটা আন্দাজে তদন্ত চলল। তবে কলম নিজেও নিশ্চয় ভারি নিরাপদ মনে করে খানিকটা অসাবধান হয়ে পড়েছিল। তাছাড়া আমিও একরকম অদৃশ্যভাবেই চলাফেরা করতাম। আগাগোড়া কালো পোশাক, পায়ে কালো রবারের জুতো, মাথায় তখন কালো কুচকুচে চুলও ছিল। জুতোর জন্যে প্রায় নিঃশব্দে চলি। রাত হয়তো একটা হবে, রাস্তার মিটমিটে আলোয় চমকে দেখি আমার হাত পাঁচেক সামনে যে হনহনিয়ে চলেছে সে যে কলম সরদার, সে বিষয়ে কোনো ভুল হতে পারে না।

    সামনেই প্রকাণ্ড পুরোনো বট-অশ্বত্থে ছাওয়া আমলা-বাড়ি। পঞ্চাশ-ষাট বছর সেখানে কাউকে বাস করতে দেখা যায়নি। জগা বলে— বাড়িটার বড় বদনাম, দিনের বেলাতেও কেউ সেখানে যায় না। কলম দেখলাম স্বচ্ছন্দে তার ফটকের মধ্যে ঢুকে পড়ল। বলা বাহুল্য আমিও ঢুকলাম। ঘাস-গজানো খানিকটা কাঁকরের পথ, তারপরেই নড়বড়ে গাড়িবারান্দা দেওয়া বিশাল বাড়ি। সেদিকে তাকালে গা শিরশির করে।

    মধুমালতীর ছায়ায় দাঁড়িয়ে দেখলাম, কলম পকেট থেকে একটা পেন্সিল টর্চ আর লম্বা চাবি বের করে, সদর দরজাটা খুলে ফেলল। তারপর কোনোদিকে না তাকিয়ে ঢুকে পড়ল, দরজাটা আধ-ভেজানো রইল। বেজায় ঘাবড়িয়ে গেলাম। টর্চ জ্বাললেই ও দেখতে পাবে। না জ্বেলেই বা যাই কী করে, এদিকে হাত-পা তো পেটের মধ্যে সেঁদিয়েছে। ইতস্তত করছি, এমন সময় কাঁধের কাছ থেকে কে যেন বলল, “কী মুস্কিল, এটা কি থামবার সময় হল? সঙ্গে সঙ্গে ঢুকে পড়তে হয়, নইলে কোথায় গিয়ে গা-ঢাকা দেবে আর ধরতে পারবে না। তারপর বড়সায়েব যখন—”

    আঁৎকে উঠলাম, ব্যাটা এত কথা জানল কী করে? নিশ্চয় স্টোফানো সাহেব আমাকে অবিশ্বাস করে আমার উপর চোখ রাখার জন্যে গুপ্ত-গোয়েন্দা লাগিয়েছে। যত না রাগ হল, তার চেয়ে বেশি নিশ্চিন্ত হলাম। যাক, ভূতের বাড়িতে তাহলে একা ঢুকতে হবে না! সে বললে, “আবার কী হল? চল, চল, এক মিনিটও নষ্ট করার নয়। আমার পিছন পিছন এসো।”

    একরকম বাধ্য হয়েই ঢুকে পড়লাম। ভীষণ অন্ধকার। কলম নিজেকে নিরাপদ ভেবে বেশ দুমদাম শব্দ করে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। তিনতলায় তার টর্চের আলো দেখতে পেলাম। লোকটা বলল, “এই রে ছাদের নিচের চোরা-কুঠরিতে সেঁদিয়েছে। তা যাক। সিঁড়িটা না তুললেই হল।” ঠুক করে একটা দরজা বন্ধ হবার শব্দ, তারপর চুপচাপ, ঘুটঘুটে অন্ধকার।

    লোকটা বলল, “তোমার সঙ্গে আলো নেই?” এবার নিশ্চিন্তে টর্চ জ্বাললাম। যতটা সম্ভব ভালো করে গুপ্তগোয়েন্দাকে দেখে নিলাম। কালো তাল ঢ্যাঙা, কপালের মাঝখানে তিলকের মতো কাটা দাগ; পরনে পরিষ্কার সাদা ফতুয়া, ধুতি, গলায় পৈতে, পায়ে বিদ্যাসাগরী চটি। বাড়িময় তিন ইঞ্চি পুরো ধুলো জমেছে, তাই লোকটার চটির শব্দ পর্যন্ত শোনা গেল না।

    ধুলোর নীচে মনে হল মার্বেল পাথরের সিঁড়ি। নিঃশব্দে তিনতলায় উঠলাম। লোকটা আমাকে হলঘরের পাশে একটা ছোট ঘরে নিয়ে গিয়ে ছাদের কড়িকাঠে ঠেকানো লম্বা একটা কাঠের মই দেখিয়ে দিল। ছাদটা প্রায় পঁচিশ ফুট উঁচুতে হবে।

    লোকটা বলল, “মইয়ের মাথায় ওই চোরা-কুঠরি। ভালো করে দেখ ওইখানে গোল ঢাকনির মতো দরজা ছাড়া আর পথ নেই। তবে ঘুলঘুলি দিয়ে হাওয়া ঢোকে, দম আটকেও মরে যাবে না। চটপট সিঁড়ি বেয়ে ওঠ দিকিনি। কড়িকাঠের আড়ালে হুড়কো আছে। ওটি টেনে দিলেই খাঁচা বন্ধ। তারপর থানা থেকে লোকজন বন্দুক এনে ধরে ফেললেই হল।”

    আমি বললাম, “বড্ড উঁচু যে। ইয়ে আপনার সব চেনা জানা, আপনি উঠলেই ভালো হত না?” লোকটা মুখ চেপে হাসতে লাগল। “কী যে বল! আমি উঠব ওই সিঁড়ি বেয়ে, তবেই হয়েছে! নাও, নাও, উঠে পড়, শেষটা বড় বেশি দেরি হয়ে যাবে।”

    সত্যিই উঠলাম, হুড়কোও টানলাম, সঙ্গে সঙ্গে দড়াম করে চোরা দরজার উপর ভারী কিছু পড়ল। ভয় পেলাম, “ভাঙবে না তো?”

    “আরে না, না, লোহার তৈরি। এবার নেমে এসে সিঁড়িটা নিয়ে নিচে চল। পঁচিশ ফুট উঁচুতে থাকুন বাছাধন।”

    মই কাঁধে তার সঙ্গে একতলায় এসে সিঁড়ির পিছনে মই রাখলাম। তারপর সদর দরজা দিয়ে বাইরের আবছা অন্ধকারে এলাম। লোকটাও বেরিয়ে এসে, দরজাটাকে ঠেলে ভেজিয়ে দিল। তারপর বলল, “চল থানার দিকে এগুনো যাক।”

    আমি বললাম, “আচ্ছা স্যার, চোরা-কুঠরির কথা জানলেন কী করে? এখানে আরও এসেছেন নাকি?” সে খুব হাসল। “আসিনি আবার! হাজারবার এসেছি। তোমার সাহায্য ছাড়া ব্যাটাকে ধরতে পারছিলাম না। এবার বুঝুক ঠেলা।”

    “কিছু মনে করবেন না স্যার, আপনিও কি পুলিসের গুপ্ত গোয়েন্দা?”

    সে বেজায় রেগে গেল। “গুপ্ত-গোয়েন্দা? আরে ছো ছো। আমি সর্বদা পুলিস-ফুলিস এড়িয়ে চলি। ফুলিস বললাম বলে আবার চটে যেও না যেন। তুমি কিন্তু বেশ চালাক?”

    একটু খুসি না হয়ে পারলাম না। “তবে কি কলম আপনার জিনিসই সরিয়েছে নাকি? নাকি আপনি প্রাইভেট ডিটেকটিভ?”

    ততক্ষণে থানায় পৌঁছে গেছি আমরা। লোকটি বলল, “মোটেই না। ব্যাটাচ্ছেলে কাগজ না কলম সে খবরও রাখি না, আর লোকে যদি নিজেদের জিনিস নিজেরা রক্ষা করতে না পারে, তাহলে নিলে আমার কোনোই আপত্তি নেই। কিন্তু আমাদের বোষ্টম-বাড়িতে দু’বেলা মটন চপ আর পাঁঠার ঘুগনি সাঁটাবে, এ আমার সহ্যের বাইরে।”

    এই বলে লোকটা আমার চোখের সামনে হাওয়ায় মিলিয়ে গেল; থানার ক্ষীণ আলোয় স্পষ্ট দেখলাম। আমিও ঝুপ করে মূৰ্ছা গেলাম। পরে শুনলাম বামাল কলম গ্রেপ্তার।

    জিজ্ঞাসা করলাম, “কী করে ধরলেন? আমি তো কিছু না বলেই অজ্ঞান হয়ে গেছিলাম।” থানার ও-সি বললেন, “কেন, আপনাকে পড়ে যেতে দেখে কে একজন লম্বা কালো ভদ্রলোক অন্ধকার থেকে বেরিয়ে এসে সব কথা বললেন। আমাদের লোকও তখুনি বেরিয়ে গেল। বেশ মজার ভদ্রলোক, আপনার যথেষ্ট যত্ন হচ্ছে না বলে খুব রাগ দেখালেন। বললেন, ‘ষাট বছর আগে হলে এরকম অযত্ন হত না।’ ওই বলে হনহন করে বেরিয়ে গেলেন, আর কাউকে দেখতে পেলাম না।”

    দরজার কাছ থেকে থানার বুড়ো চৌকিদার বলে উঠল, ‘দেখবেন কাকে স্যার? ও কি দেখার মানুষ? পঞ্চাশ-ষাট বছর ধরে ভূতের বাড়ি আগলাচ্ছে, ও কি যে-সে নাকি? কপালে একটা কাটার দাগ ছিল তো?”

    আমি বললাম, “ছিল, ছিল!” বলে আবার প্রায় মূৰ্ছা যাচ্ছিলাম। এমন সময় আমার খাবার এল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয়ঙ্কর ভূতের গল্প – লীলা মজুমদার সম্পাদিত
    Next Article হ্যান্স অ্যান্ডারসন রচনাবলী-১ – অনুবাদ: লীলা মজুমদার

    Related Articles

    লীলা মজুমদার

    বদ্যিনাথের বড়ি – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    হলদে পাখির পালক – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    বাঘের চোখ – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    গুপির গুপ্তখাতা – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    পদিপিসীর বর্মিবাক্স – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    লীলা মজুমদার

    টং লিং – লীলা মজুমদার

    November 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026
    Our Picks

    নিমফুলের মধু – অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

    April 25, 2026

    মন্দ মেয়ের উপাখ্যান – সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }