Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. এক লাফে রিকশা থেকে নেমে

     বারো

    এক লাফে রিকশা থেকে নেমে দাঁড়াল অর্ক। ঝুমকি পাথরের মত বসে আছে। ওর দৃষ্টি হিলহিলে, অর্ককে যেন সর্বাঙ্গে চাটছে।

    ‘আমার মায়ের অ্যাকসিডেণ্ট হয়নি?’ তীক্ষ্ণ কণ্ঠস্বর ঝুমকির।

    ‘না। আমি তোমার কাছে হার চাইতে এসেছি।’

    ‘তুমি, তুমি আমাকে ভড়কি দিয়েছ?’ গলা চড়ায় উঠছিল, সামলে নিল ঝুমকি। ফ্রি স্কুল স্ট্রীটের এই মুখটায় দাঁড়ানো ধান্দাবাজ মানুষেরা এবার এদিকে তাকাল।

    ‘চিল্লাচ্ছ কেন? মালটা বের কর।’ অনেকক্ষণ পর অর্ক যেন কথাগুলো ফিরে পেল। সে আড়চোখে দেখছিল লোকগুলো একটু একটু করে বাড়ছে। নেহাতই ভেড়ুয়া মার্কা, ওদের মধ্যে কোন মাস্তান নেই।

    ঝুমকি রিকশা থেকে নেমে ভাড়া মেটালো। তারপর হন হন করে ট্রাম স্টপের দিকে এগিয়ে গেল। দ্রুত পা চালালো অর্ক। এতক্ষণে তার স্থির বিশ্বাস হয়ে গেছে ঝুমকি হার নিয়েছে। নাহলে নিশ্চয়ই অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করত, কিসের হার? সে ঝুমকির পাশে গিয়ে বলল, ‘আমার সঙ্গে নকশা করে কোন লাভ হবে না। তোমাকে যখন খুঁজে বের করেছি তখন ওটা আমি নিয়ে যাব। দাঁড়াও।’

    ‘পেছন পেছন এলে আমি চেঁচাবো।’ চাপা গলায় বলল ঝুমকি।

    ‘চেঁচাও। তারপর পাড়ায় ঢুকতে হবে। নিমতলায় পুরো বডি যাবে না, হেঁচুয়া করে ছেড়ে দেব।’ গর্জে উঠল অর্ক।

    ‘হেঁচুয়া?’ ফ্যাকাশে মুখে তাকাল ঝুমকি।

    ‘চিল্লাও না, চিল্লাও! কোন ভাতার তোমাকে বাঁচাবে পাড়ায় ঢুকলে? আমার মাল ঝেড়ে দিয়ে আবার রঙ নিচ্ছে!’ অর্কর কথা শেষ হওয়ামাত্র একজন মধ্যবয়সী লোক এগিয়ে এল, ‘কি হয়েছে, অ্যাই?’

    অর্ক ঘুরে দাঁড়াল। পেট মোটা, নাদুস-নুদুস। সে হাত নাড়ল, ‘কি দরকার আপনার, এখান থেকে ফুটুন।’

    ‘অ্যাঁ, এইটুকুনি ছেলে আবার রঙবাজি হচ্ছে!’ তারপরেই গলা পাল্টে ঝুমকিকে বলল, ‘ওকি তোমাকে ভয় দেখাচ্ছে?’

    লোকটার পেছনে এখন আরও কিছু জুটেছে। ঝুমকি তাদের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘না। এটা আমাদের ব্যাপার।’

    ‘অ। লোকটা যেন চুপসে গেল। তারপর মুখ বিকৃত করে ফুটপাথের ভিড়ের মধ্যে উঠে অন্যদের চাপা গলায় শোনাল, ‘প্রসটিটিউট।’

    সঙ্গে সঙ্গে অর্ক ঘুরে দাঁড়াল, ‘সেই ধান্দায় তো এসেছিলেন। এখন সুবিধে হল না বলে—.। আর একবার বলুন ভুঁড়ি ফাঁসিয়ে দেব।’

    লোকটা তোতলাতে লাগল, ‘কি—কি?’ তারপর প্রায় দৌড়ে চলে যেতে লাগল উল্টোদিকে। আর সঙ্গে সঙ্গে ভিড় ফাঁকা হয়ে গেল। এই সময় ঘন্টা বাজিয়ে এক নম্বর ট্রাম চলে এল সামনে। ঝুমকি উঠতে যাচ্ছিল। অর্ক দ্রুত তার সামনে চলে এসে মাথা নাড়ল, ‘হার না দিয়ে যাওয়া চলবে না।’

    ‘কিসের হার?’ এতক্ষণে ঝুমকি কথা বলল। ওর চোখ এবার অর্কর মুখের ওপর স্থির।

    ‘কিসের হার মানে? কলতলা থেকে যেটা কুড়িয়ে পেয়েছ!’

    ‘ওটা যে তোমার তার প্রমাণ কি?’

    ‘আবার নকশা হচ্ছে? আমি প্রমাণ দিলে মিস ডি হওয়া বেরিয়ে যাবে!’ অর্কর চোয়াল শক্ত হল।

    ‘তোমার হার? বাড়িতে জানে?’

    ‘না! হঠাৎ কেমন অসহায় বোধ করল অর্ক। ওই বাড়ি শব্দটাই যেন তাকে ঈষৎ শীতল করে দিল। ঝুমকি যদি মাকে গিয়ে বলে তাহলে হাজারটা ঝামেলা বাধবে। নিজের অজান্তেই গলার স্বর নরম হয়ে এল অর্কর, ‘ওটা আমার পরিচিত একজনের হার। তাকে ফেরত দিতে হবে! না দিতে পারলে আমি বিপদে পড়ব।’

    ‘কার?’

    ‘তুমি চিনবে না। খুব বড়লোক।’

    ‘বড়লোক তোমাকে হার দিতে যাবে কেন?’

    ‘দেয়নি কিন্তু আমি যে নিয়েছি তা জানে। ঝুমকি, তুমি হারটা ফেরত দাও।’ প্রায় অনুনয়ের গলায় বলল অর্ক।

    ‘আমার কাছে নেই।’

    ‘কার কাছে আছে?’

    ‘আমি জানি না।’ কথাটা শেষ করে বুকের ভেতর থেকে একটা রুমাল বের করল ঝুমকি। বেশ মোটা-সোটা গিঁট বাঁধা, ‘তিনশ টাকা পেয়েছি। ইচ্ছে করলে এটা নিতে পারো। মিথ্যে কথা বলছি না, তিনশ টাকা দিয়েছে।’ হাত বাড়িয়ে রুমালের পুঁটলিটা এগিয়ে ধরল ঝুমকি।

    ‘তুমি, তুমি বিক্রি করে দিয়েছ?’ প্রায় ককিয়ে উঠল অর্ক। ঝুমকি মাথা নাড়ল, বিক্রি না, বন্দক। আমি কি জানতাম ওটা তোমার হার। কলতলার ইটের কোণে পড়েছিল। টাকাটা নেবে?’

    পাগলের মত মাথা নাড়ল অর্ক, ‘না, না, টাকা দিয়ে আমার কি হবে? হার না পেলে, হার না পেলে—!’ অর্কর চোখ জ্বলছিল, ‘কার কাছে বন্দক রেখেছ?’

    ‘তাকে আমি চিনি না। মিস টি-র চেনা লোক।’

    ‘মিষ্টি?’

    ‘দূর! মিষ্টি কেন, মিস টি, তৃষ্ণা পাল। আমাদের ওখানে নাচ শিখে এখন খুব নাম করেছে। শোননি?’

    অর্ক পাগলের মত মাথা নাড়ল, ‘এক্ষুনি চল ওর কাছে।’

    ‘অসম্ভব। আমাকে টাকা দিয়ে ও প্রোগ্রামে চলে গিয়েছে। ডায়মণ্ডহারবারে হোল নাইট প্রোগ্রাম। কাল সকালে ফিরবে। তখন যেতে পারি।’

    অর্ক ঝুমকির চোখে চোখ রাখল, ‘সত্যি কথা বলছ?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘কোথায় থাকে?’

    ‘আগে যাদবপুরে থাকত, এখন চিৎপুরে।’ নম্বরটা বলল সে। কাল অবধি অপেক্ষা না করে উপায় নেই। অর্ক ছোঁ মেরে ঝুমকির হাত থেকে রুমালটা নিয়ে নিল, ‘কাল সকালে আমার হার চাই।’

    ঝুমকি নীরবে মাথা নাড়ল। এই সময় আর একটা ট্রাম এগিয়ে আসতে অর্ক লাফ দিয়ে উঠে পড়ল। একদম ফাঁকা ড্রাম। ঠিক ড্রাইভারের পিছনের সিটে গিয়ে জানলার ধারে বসল অর্ক। ঝুমকির দিকে আর তাকায়নি সে। কিন্তু ঝুমকিও একই ট্রামে উঠে লেডিস সিটের দিকে না গিয়ে সোজা এগিয়ে অর্কর পাশে বসে পড়ল। বিরক্ত হল অর্ক কিন্তু কিছু বলল না প্রথমে। ট্রামটা যখন ওয়েলিংটন ঘুরে বউবাজারের দিকে ছুটছে তখন ঝুমকি বলল, ‘তুমি কি হারখানার বেশী দাম পাবে?’

    চমকে উঠল অর্ক, ‘মানে?’

    ঠোঁট ওল্টালো ঝুমকি, ‘মালটা তো বেচে দিতেই হত।’

    ‘কে বলল?’

    ‘জানি বাবা জানি। খুরকি আমার কাছে একবার একটা আংটি সাতদিন রেখে একশ টাকায় ঝেড়ে দিয়েছিল। অবশ্য আমাকেও দশ টাকা দিয়েছিল খুরকি। সত্যি বলতে কি ওর দিল আছে।’

    ‘তোমার সঙ্গে যে খুরকির এত ভাব তা জানতাম না তো!’

    ‘এককালে ভাব ছিল। তখন এইসব লাইন চিনতাম না।’

    ‘এখন চিনলে কি করে?’

    ‘মালতীদি নিয়ে এল, তারপর কপাল। তবে এক বছর পরে আমি আর ওপাড়ায় থাকব না! খুরকির মত দশটা কুকুর তখন আমার পা চাটবে। ফোকটে অনেক দিয়েছি।’ ঠোঁট কামড়ালো ঝুমকি, ‘আমাকে কিছু দেবে তো?’

    অর্ক অবাক গলায় বলল, ‘কেন?’

    ‘বা রে, মালটা ঝেড়ে দিয়ে কামাই করিয়ে দিলাম যে!’

    অর্ক হিসহিসিয়ে উঠল, ‘তোর বাপের জিনিস যে ঝেড়েছিস! কাল সকাল দশটায় ট্রাম রাস্তায় চলে আসবি।’ বলে, উঠে পড়ল। দ্রুত দরজার দিকে এগিয়ে গেল ঝুমকিকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে। কণ্ডাক্টর হাত বাড়িয়েছিল, কিন্তু অর্ক ইশারায় ঝুমকিকে দেখিয়ে দিয়ে নেমে পড়ল চলন্ত ট্রাম থেকে। নকশা! মনে মনে খিস্তি করল অর্ক! শেয়ার চাইছে, ফোট। কিন্তু আর একটু থাকলে টিকিটটা কাটতে হত।

    তিনবার ট্রাম পাল্টে অর্ক শ্যামবাজারের মোড়ে যখন পৌঁছে গেল তখন রাত নটা। অন্যদিন হলে এখান থেকে হেঁটেই ফিরতো কিন্তু আজ পকেটে টাকা আছে। আর জি কর পুলের তলায় রাত নটায় হাওয়া খারাপ হয়ে যায়। সে দেখল কালীবাড়ির সামনে শেয়ার ট্যাক্সি লোক ডাকছে। দেখে দেখে পাঁচজন উঠে বসা ট্যাক্সিতে উঠল সে। সঙ্গে সঙ্গে ট্যাক্সি চলতে শুরু করল। আর জি কর হাসপাতালের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ওর বুক ধক্‌ করে উঠল। লোকটা বেঁচে আছে কিনা কে জানে। ভগবান যদি মেরে ফেলে তো পাঁচ টাকার ভোগ দেবে সে। ব্রিজের ওপর থেকে গাড়ি নামা শুরু করলে ও খুব অবাক হয়েছে এমন ভাব করে বলল, ‘আপনি ডানলপে যাচ্ছেন না?’

    ট্যাক্সিওয়ালা ঘাড় নাড়ল, ‘না। নাগেরবাজার।’

    ‘আরে! আমি ডানলপে যাব।’

    সঙ্গে সঙ্গে অন্য পাঁচজন যাত্রী বলে উঠল, ‘ভুল ট্যাক্সিতে উঠেছে, নামিয়ে দিন বেচারাকে। ইস্‌, কতটা দূর ফিরতে হবে।’

    ট্যাক্সিওয়ালা বেলগাছিয়ার মোড়ে গাড়ি থামাল, ‘না দেখে ওঠো কেন? আমি একটা প্যাসেঞ্জার লস করলাম, একটা টাকা দিয়ে যাও।’

    অর্ক দরজা খুলতে খুলতে বলল, ‘এত রাত্রে আমি চিনতে পারিনি। কি যে—।’

    অন্য যাত্রীরা হাঁ হাঁ করে উঠল, ‘আপনি মশাই কসাই নাকি! ঠিক পেয়ে যাবেন প্যাসেঞ্জার সামনে। চলুন, চলুন। এই যে ভাই, উল্টোদিকের স্টপ থেকে বাস ধরে শ্যামবাজারে ফিরে যাও।’

    ট্যাক্সিটা চলে যাওয়া অবধি অর্ক কোনরকমে দাঁড়িয়ে থাকল। তারপর আনন্দে একটু নেচে নিল, জোর ঢপ দেওয়া গেল। পা বাড়াবার আগে রুমালটা ভাল করে দেখে নিল সে। একটা মাল রাখা দরকার সঙ্গে, নাহলে যে কোন দিন ফুটকুড়ি হয়ে যেতে পারে। ঈশ্বরপুকুর লেনের মুখে আসতেই ও দাঁড়িয়ে পড়ল। খুরকি সেই দুটো লোকের সঙ্গে যাচ্ছে। কিলার কাছে শুনেছে যে ওই লোক দুটো ওয়াগন নিয়ে কারবার করে। খুরকি যেদিন ওয়াগনের কারবার করতে যায় সেদিন পাড়ার কারো সঙ্গে মেশে না। কারবার হয়ে যাওয়ার পর দশ দিন এদিকে আসে না। আজ তাহলে ওদের মশলা আছে। কিলা ওদের সঙ্গে নেই অথচ কিলাকে খুরকি কথা দিয়েছিল এবার যাওয়ার সময় ওকে পার্টনার করবে।

    ঈশ্বরপুকুর লেনে ঢুকতেই কিচাইন। সাদা রঙের একটা প্রাইভেট রেশনের লরির সামনে আটকে গেছে। পেছনে দু’তিনটে রিকশা, ঠেলা মিলে জোর ঝামেলা। এইসব মোকা কাজে লাগায় বিলুরা। রেশনের লরির কাছ থেকে কিছু পাওয়া যায় না কিন্তু প্রাইভেট যদি অচেনা হয় তাহলে তাকে কিছু ছাড়তেই হবে। অর্ক দ্রুত এগিয়ে গিয়ে দেখল পাড়ার চারটে ছেলে ড্রাইভারের সঙ্গে ঝামেলা করছে। পেছনের সিটে এক ভদ্রলোক হেলান দিয়ে অলস চোখে ওদের দেখছেন। এত চেঁচামেচিতেও যেন ওঁর কিছু এসে যাচ্ছে না। গিলেকরা পাঞ্জাবি আর ধুতি লোকটার কুচকুচে কালো চুলের প্রৌঢ় শরীরটার সঙ্গে চমৎকার মানিয়েছে। অর্ক এক নজরেই বুঝতে পারল পার্টি হেভি মালদার। কিন্তু এই ছেলেগুলো রুই মাছকে পুঁটি বানিয়ে ছেড়ে দেবে। সে এক হাতের ধাক্কায় রিকশাকে সরিয়ে চেঁচিয়ে উঠল, ‘কি হয়েছে, কি হয়েছে?’

    একজন জবাব দিল, ‘প্রাইভেট রং সাইডে ঢুকেছে।’

    অর্ক ড্রাইভারের দিকে ঝুঁকে বলল, ‘কি ব্যাপার?’

    ড্রাইভার পেছনে মুখ ফিরিয়ে বলল, ‘সাব্‌, হাম বোলাথা আপ মৎ আইয়ে। ইয়ে বহুৎ খতরনাক যায়েগা হ্যায়।’

    ভদ্রলোক একটু বিচলিত না হয়ে বললেন, ‘লরিওয়ালাকে বল বাঁ দিকে গাড়িটাকে সরিয়ে নিতে।’

    অর্কর মনে হল এই লোকটা খুব সহজে মুরগি হবে না। একটু বাজিয়ে দেখা দরকার। সে খুব মাতব্বরের মত বলল, ‘এই রাস্তা বেশীদূর যায়নি। আপনি কোথায় যাবেন?’

    ‘আমি এখানেই যাব।’

    ঈশ্বরপুকুর লেনের এপাশটায় অনেকগুলো কোঠাবাড়ি, সেখানে ভদ্রলোকরা থাকেন। এই নিয়ে অবশ্য কিলারা প্রায়ই ঝগড়া করে, ‘কি, কোঠাবাড়িতে থাকেন বলেই ভদ্রলোক হয়ে গেছেন, তাই না? মেরে বাপকে হিজড়ে করে দেব।’ তা এই লোকটা কি সেই রকম কারো কাছে যাচ্ছে যারা ওদের চিৎকার কানে গেলেই ভয়ে জানলা বন্ধ করে, রাস্তা দিয়ে হাঁটে চোরের মতন চোখ নামিয়ে। বোধহয় ব্রজমাধবের বাড়িতে যাচ্ছে। তবু সে যাচাই করার জন্যে জিজ্ঞাসা করল, ‘কত নম্বর?’

    ভদ্রলোক পাঞ্জাবির পকেট থেকে দুধের চেয়ে সাদা রুমাল বের করে নাক মুছলেন, ‘তিন নম্বর ঈশ্বরপুকুর লেন।’

    চোখ কুঁচকে গেল অর্কর। এত রাত্রে এই রকম মাল তো কখনই তিন নম্বরে আসে না। কোন কোন মালিক ড্রাইভার খুঁজতে আসে, কিন্তু সে তো সকালবেলায়।

    সে আর একটু ঝুঁকে প্রশ্ন করল, ‘কত নম্বর বললেন?’

    ‘তিন। তুমি কি কানে কম শোন? ওই লরিটাকে সরিয়ে নিতে বল।’

    ‘তিন নম্বরে কার কাছে যাবেন?’

    ‘কেন, তোমার কি দরকার?’ খুব বিরক্তি গলায়।

    ‘আমিও তিন নম্বরে থাকি।’

    এবার ভদ্রলোক একটু নরম হলেন, ‘ও, তাহলে ভালই হল! তুমি একটু দ্যাখো তো, বড্ড দেরি হয়ে যাচ্ছে।’ হাত বাড়িয়ে লরিটাকে দেখিয়ে দিলেন ভদ্রলোক।

    এর আগে ড্রাইভার নেমেছিল। কিন্তু তার কথা লরিওয়ালা শুনছে না। পাড়ার ছেলেদের সমর্থন পাচ্ছে সে। অর্ক চটপট ভেবে নিল প্রাইভেটকে হাত করতে হবে। তিন নম্বরের যার কাছেই যাক না কেন এই পথেই বের হতে হবে। সে কয়েক পা এগিয়ে ছেলেদের বলল, ‘সরে যা, কেস জণ্ডিস।’ তারপর ইশারায় লরিওয়ালাকে ব্যাক করতে বলল। মিনিট তিনেক লাগল রাস্তা পরিষ্কার হতে। ভদ্রলোক বললেন, ‘তুমি একটু উঠে আসবে ভাই? আমি তো চিনি না।’

    অর্ক এইটেই চাইছিল। সে গাড়ির দরজা খুলে সিটে শরীর রাখল। পাড়ার ছেলেরা যে তাকে ঈর্ষার চোখে দেখছে বুঝতে পেরে সে কার্নি মারল। তারপর ভদ্রলোকের দিকে তাকাতেই বুঝতে পারল এরকম লোকের সঙ্গে সে কোনদিন কথা বলেনি। এমনকি বিলাস সোমও এর কাছে কিছু না। ওঁর শরীর থেকে যা খুশবু বের হচ্ছে তা যে অত্যন্ত মূল্যবান বুঝতে অসুবিধে হবার নয়। যা ভেবেছিল তার চেয়ে অনেক বেশী বয়স ভদ্রলোকের। কিন্তু এমন মাঞ্জা দিয়েছে যে—। প্রাইভেট ততক্ষণে অনেকটা এগিয়েছে। ভদ্রলোক অলস চোখে বাইরে তাকিয়েছেন। নিমুর চায়ের দোকান দেখতে পেয়ে অর্ক বলল, ‘এই যে এসে গেছি।’ সঙ্গে সঙ্গে ড্রাইভার প্রায় নিঃশব্দে গাড়ি থামাল।

    নিমুর দোকানে তখন ধোওয়া-মোছা চলছে। পাশের সিগারেটের দোকানে গ্যাঁক গ্যাঁক করে বিবিধ ভারতী বাজছে। ভদ্রলোক মুখ বাড়িয়ে তিন নম্বরের চেহারা দেখলেন। বিস্ময়ের অভিব্যক্তি ওঁর চোখে। বললেন, ‘মাই গড, এটাই তিন নম্বর ঈশ্বরপুকুর লেন? ঠিক বলছ?’

    ‘হ্যাঁ। আপনি কার ঘরে যাবেন?’ দরজা খুলতে খুলতে জিজ্ঞাসা করল অর্ক। গাড়িটাকে দেখে ফুটে দাঁড়ানো কয়েকজন উৎসুক চোখে তাকাচ্ছে। ভদ্রলোক বললেন, ‘কার ঘর জানি না ভাই, আমি অনি, অনিমেষ মিত্রকে খুঁজছি।’

    হাঁ হয়ে গেল অর্ক। বাবাকে খুঁজছে লোকটা! কে এ? এই এত বছরে কোন মানুষকে সে বাবার সঙ্গে দেখা করতে আসতে দ্যাখেনি। এরকম বড়লোক বাবার খোঁজ করতে আসবে কেন? অর্ক কিছুই ঠাওর করতে পারছিল না। তাকে চেয়ে থাকতে দেখে ভদ্রলোক আবার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তুমি চেন?’

    অর্ক ধীরে ধীরে মাথা নাড়ল। ভদ্রলোক এবার দরজা খুলে নিচে নামলেন। চারপাশে তাকিয়ে বুঝতে চেষ্টা করলেন পরিবেশটার চেহারা। তারপর ড্রাইভারকে বললেন, ‘কিছুক্ষণ অপেক্ষা কর।’

    ততক্ষণে অর্ক অনেকগুলো সম্ভাবনার কথা ভেবেছে। বাবা এককালে নকশাল ছিল। এই লোকটাও কি তখন বাবার সঙ্গী ছিল? না, তা হতে পারে না। নকশালদের পুলিশ খুব প্যাঁদাতো, এই লোকটা কোনদিন ঝাড় খেয়েছে বলে মনেই হয় না। কিছুদিন আগে ও মাকে বলতে শুনেছে, ‘জানো, সুদীপ মন্ত্রী হয়েছে।’

    ‘সুদীপ?’ বাবা মুখ তুলে জিজ্ঞাসা করেছিল।

    ‘আঃ, সুদীপকে, তোমার মনে নেই? য়ুনিভার্সিটিতে য়ুনিয়ন করত। খুব একরোখা ছিল।’ মা বলেছিল।

    ‘তাই নাকি! সুদীপকে ওরা মিনিস্ট্রিতে নিয়েছে?’

    বাবা এবং মায়ের কথা থেকে অর্ক বুঝতে পেরেছিল ওই মন্ত্রীটাকে ওরা দুজনেই চেনে। অতএব দু’একটা ভদ্রলোকের সঙ্গে বাবার পরিচয় থাকতেই পারে। কিন্তু কি ধান্দায় তারা এত রাত্রে তিন নম্বরে দেখা করতে আসবে? এইটেই মাথায় ঢুকছিল না ওর।

    ভদ্রলোক বললেন, ‘অনিমেষ এখন হাঁটতে পারে?’

    অর্ক বলল, ‘ক্রাচ নিয়ে পারে।’

    গলিতে ঢুকল অর্ক, পেছনে খুশবু ছড়ানো ভদ্রলোক। ওঁর চেহারা দেখতে অনেকেই দাঁড়িয়ে পড়েছে। শুধু মোক্ষবুড়ি চেঁচিয়ে উঠল, ‘কে যায়?’

    অর্ক জবাব দিল না, কিন্তু ভদ্রলোক মোক্ষবুড়ির দিকে ঘুরে দাঁড়াতে গিয়েও দাঁড়ালেন না। অনুদের দরজা বন্ধ। হঠাৎ এতক্ষণ বাদে, অর্কর মনে হল এই ভদ্রলোক আসায় আজ সে বেঁচে গেল। দুপুরে মা যা বলেছে তারপরে আজ রাত্রে দেরিতে ফেরার কোন কৈফিয়ৎ দেওয়া যেত না। এই ভদ্রলোক যদি খুব বড় কেউ হয় তাহলে নিশ্চয়ই ওরা একে নিয়ে মেতে থাকবে।

    ভেজানো দরজা খুলতেই অর্ক দেখল মা চেয়ারে বসে বই পড়ছে, বাবা বিছানায় গুটিয়ে শুয়ে রয়েছে। শব্দ হতেই মাধবীলতা মুখ তুলল বই থেকে। ছেলেকে দেখামাত্র চোখের দৃষ্টি পাল্টে গেল, ‘কোথায় ছিলি?’

    অর্ক চোখেমুখে ইঙ্গিত করল এখন রাগারাগি করো না, ‘হাসপাতালে গিয়ে আটকে পড়েছিলাম। বাবাকে ডাকো।’

    ‘কেন?’ মাধবীলতার গলার স্বর শক্ত।

    ‘এক ভদ্রলোক বাবাকে খুঁজতে এসেছেন। গাড়ি নিয়ে।’ কথা বলতে বলতে অর্ক ঘরে ঢুকেছিল। একটা একশ পাওয়ারের বাল্ব ঝুলছিল ঘরে। অনিমেষ সম্ভবত ঘুমিয়ে পড়েছিল, কারণ এইসব কথার কোন প্রতিক্রিয়া তার মধ্যে দেখা গেল না। চোখের পাতা বন্ধ। মাধবীলতা এবার বিস্মিত ভঙ্গীতে উঠে দাঁড়াল। খাটের ওপর বই রেখে দরজার দিকে এগিয়ে গিয়ে ভদ্রলোককে দেখতে পেল। ষাটের আশেপাশে বয়স, গিলেকরা পাঞ্জাবি এবং ধুতি, চকচকে জুতো পরা লোকটি খুব স্মার্ট। সে অবাক গলায় জিজ্ঞাসা করল, ‘কাকে খুঁজছেন?’

    ‘অনিমেষ এখানে থাকে?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘ওকে ডেকে দেওয়া যেতে পারে?’

    মাধবীলতা ঘাড় ফিরিয়ে অনিমেষকে দেখল। মড়ার মত ঘুমুচ্ছে। ট্রাম লাইন অবধি ক্রাচ নিয়ে হেঁটে শরীর কাহিল হয়ে পড়েছে, তাছাড়া মনও খুব বিক্ষিপ্ত ছিল। অবিনাশদের প্রস্তাবের কথা সে বলেছে মাধবীলতাকে। শুনে আঁতকে উঠেছিল মাধবীলতা, ‘তোমার কি মাথা খারাপ হয়েছে? আর কক্ষনো তুমি এমনি করে কাজ খুঁজে বেড়াবে না!’

    এখন অনিমেষকে ডাকতে মায়া লাগছিল মাধবীলতার। সে আবার মুখ ফিরিয়ে জিজ্ঞাসা করল, ‘আপনার নামটা—?’

    ‘আমি অনিমেষের কাকা!’

    মাধবীলতা চমকে উঠল। সে জানে না কেন, সমস্ত শরীর তার রোমাঞ্চিত হতে লাগল। সে চট করে আঁচলটা মাথায় তুলে নিল, ‘আপনি, আপনি ছোটকাকা?’

    ‘হ্যাঁ। আমি ওর ছোটকাকা, প্রিয়তোষ মিত্র। ও কোথায়?’

    মাধবীলতা দ্রুত এগিয়ে প্রিয়তোষকে প্রণাম করল। ‘আহা, থাক থাক’, প্রিয়তোষ সরে দাঁড়াতে গিয়েও পারলেন না। মাধবীলতার হঠাৎ খুব আনন্দ হচ্ছিল। এই প্রথম সে অনিমেষের নিকট আত্মীয় কাউকে দেখছে। আর তখনই দুপ করে আলো নিভে গেল! কেউ একজন চেঁচিয়ে বলল কোন ঘর থেকে ‘জ্যোতিবাবু চলে গেলেন!’

    মাধবীলতার মনে হল সমস্ত পৃথিবীটা তার সঙ্গে শত্রুতা করছে। এই মানুষটা প্রথম যখন এল তখনই আলো নিবল! রোজই অবশ্য ঠিক দশটায় লোডশেডিং হয় তাই বলে এখনই দশটা বাজতে হবে? সে বলল, ‘আপনি একটু দাঁড়ান, আমি আলো জ্বালছি।’

    দ্রুত ঘরে ঢুকে সে হ্যারিকেন খুঁজতে খুঁজতে অন্ধকারেই উঠে এল ছেলের কাছে, ‘যা, প্রণাম কর। তোর ছোটদাদু।’ তারপরেই আবার হ্যারিকেন জ্বালাতে ছুটল। মিটমিটে আলো ঘরে ছড়ালে সে হ্যারিকেনটাকে টেবিলের ওপর রেখে অনিমেষের কাছে চলে এল, ‘অ্যাই, শোন, শুনছ?’

    চাপা গলার ডাকে অনিমেষ নড়েচড়ে উঠল, ‘আলো নেই?’

    ‘না। তাড়াতাড়ি ওঠ!’

    ‘কেন? অনিমেষের চোখে বিস্ময়। সদ্য ঘুম ভাঙ্গার পর সে আবছা আলোয় মাধবীলতাকে অন্যরকম দেখছিল।

    ‘ছোটকাকা এসেছেন।’ কথা বলতে বলতে মাধবীলতা ঘরের দিকে তাকাচ্ছিল। সর্বত্র অলক্ষ্মীশ্রী। অমন মানুষকে বসানো যায় না। দ্রুত হাতে সবচেয়ে ভাল বিছানার চাদরটা বের করে খাটের ওপর পাততে পাততে বলল, ‘সরো, সরে এস, এটাকে পাততে দাও, আঃ, বসে আছ কেন?’

    অনিমেষ তখনও অন্ধকারে, ‘কে এসেছে বললে?’

    ‘ছোটকাকা। তোমার ছোটকাকা।’

    গভীর কুয়োর তলা থেকে ভুস করে অনিমেষ ওপরে উঠে আসছিল, কোনরকমে বলল, ‘ছোটকাকা?’ বলে নেমে দাঁড়াল ক্রাচে ভর করে।

    ‘হ্যাঁ।’ চাদর ঠিক করে মাধবীলতা দরজায় গিয়ে ডাকল, ‘আসুন।’

    বাইরে তখন উঁকিঝুঁকি চলছে প্রিয়তোষকে কেন্দ্র করে। এরই মধ্যে মাধবীলতা লক্ষ্য করেছে যে বলা সত্ত্বেও অর্ক বাইরে গিয়ে প্রিয়তোষকে প্রণাম করেনি।

    প্রিয়তোষ দরজায় দাঁড়িয়ে চমকে উঠলেন, ‘একি? অনি!’

    অনেকদিন বাদে অনিমেষ লজ্জা পেল। খালি গা, কোমরের নিচ থেকে লুঙ্গি এবং দুই বগলে ক্রাচ নিয়ে যে অভ্যেস হয়েছে এতদিনে তা চট করে বেমানান মনে হল। তবু সে সহজ হবার চেষ্টা করল, ‘কবে এলে তুমি?’

    একথার জবাব দিলেন না প্রিয়তোষ। যেন নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছেন না এমন ভঙ্গীতে তাকিয়ে ছিলেন। মাধবীলতা চেয়ারটা এগিয়ে দিল, ‘বসুন।’

    প্রিয়তোষ সেদিকে একদম লক্ষ্য না করে বললেন, ‘এ আমি কখনও কল্পনাও করতে পারিনি। কি হয়েছিল?’

    অনিমেষ হাসল, ‘কি আবার হবে! বসো।’

    প্রিয়তোষ চেয়ারটা টেনে নিয়ে ধীরে ধীরে বসতেই মাধবীলতা হাত পাখা দিয়ে বাতাস করতে লাগল। প্রিয়তোষ হাত নাড়লেন, ‘না না, হাওয়া করতে হবে না।’

    ‘যা গুমোট গরম আপনি বসতে পারবেন না।’

    অনিমেষ আবার জিজ্ঞাসা করল, ‘কবে এলে?’

    ‘তিনদিন হল। সুদীপের কাছে তোর খবর পেলাম। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর আর তোর খবর ও জানত না। জেলে গিয়ে জানতে পারলাম তুই দীপক নামের একটি ছেলের বাড়িতে গিয়েছিস। তার ঠিকানা পেয়ে সুবিধে হল। দীপকের বাড়িতে গিয়ে অবশ্য ঝামেলা হয়েছিল।’

    প্রিয়তোষ থামতে অনিমেষ জিজ্ঞাসা করল, ‘কেন?’

    ‘দীপক তোর সঙ্গে জেলে ছিল। বছর পাঁচেক হল সে মারা গেছে। তার ঠাকুমা পাগল হয়ে গেছেন, মা-ও অ্যাবনর্মাল। অনেক কষ্টে এই ঠিকানা পেয়ে এলাম।’ প্রিয়তোষ অনিমেষকে খুঁটিয়ে দেখছিলেন।

    দীপক মারা গেছে! সেই বোবা-হাবা ছেলেটা! অনিমেষ চোখ বন্ধ করল। তারপর নিজেকে ফিরিয়ে আনতেই জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি সোজা মস্কো থেকে এখানে এলে?’

    ‘না। ন্যুয়র্ক থেকে। আমার কথা থাক, আগে তোর কথা আমি শুনতে চাই।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালবেলা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Our Picks

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }