Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪২. অর্কর প্রণাম করা শেষ হলে

     বিয়াল্লিশ

    অর্কর প্রণাম করা শেষ হলে মাধবীলতা জিজ্ঞাসা করল, ‘আর একটা রিকশার কি দরকার?’ প্রশ্নটা অনিমেষের মুখের দিকে সরাসরি তাকিয়ে নয়।

    অনিমেষ বলল, ‘আমি ভেবেছিলাম স্টেশনে যাব।’

    সঙ্গে সঙ্গে হেমলতা বারান্দা থেকে বলে উঠলেন, ‘না, না, খোঁড়া মানুষ, রিকশায় ওঠাওঠি করে অদ্দূর যেতে হবে না।’

    মাধবীলতা এবার অনিমেষের দিকে তাকাল। এই সময় ছোটমা বললেন, ‘গেলে কিন্তু ভাল হত। ওরা এখানকার পথ-ঘাট চেনে না ভাল করে। অনি তো রিকশায় এর আগেও উঠেছে।’

    মাধবীলতা অর্ককে বলল, ‘তুই এগিয়ে যা। আর একটা রিকশা ডাক।’

    অর্কর যে ব্যবস্থাটা মনঃপূত হল না তা বোঝা গেল, ‘কিন্তু খুব দেরি হয়ে যাচ্ছে মা। যদি ট্রেন না পাও—।’

    মাধবীলতা আস্তে করে বলল, ‘ঠিক আছে।’

    গায়ে একটা জামা গলিয়ে অনিমেষ গেট ছাড়িয়ে রিকশার কাছে এসে বলল, ‘আমায় একটু ধরো তো ভাই।’

    রিকশাঅলা ক্রাচ দুটো টেনে নিচ্ছিল, মাধবীলতা পিছন থেকে বলল, ‘ওভাবে নয়, তুমি ওর পেছনটা ধর।’

    রিকশায় বসে অনিমেষ বলল, ‘এই ওঠার ব্যাপারটা যদি পারতাম তাহলে কোন অসুবিধে থাকত না আমার।’

    মাধবীলতা বারান্দার দিকে মুখ করে বলল, ‘এলাম’।

    দুটো গলা প্রায় একই সঙ্গে উচ্চারণ করল, ‘এসো।’

    মাধবীলতা আর দাঁড়াল না। এবং অনিমেষকে খানিকটা অবাক করে এগিয়ে গেল অর্ককে অনুসরণ করে। রিকশায় অনিমেষ একা বসে, পায়ের তলায় ওদের জিনিসপত্র। অনিমেষ লক্ষ্য করল আজ মাধবীলতার মাথায় সেই অর্থে ঘোমটা নেই। আঁচলটা খোঁপার ওপর কোনক্রমে রয়ে গেছে মাত্র। অনিমেষের খুব ইচ্ছে হচ্ছিল মাধবীলতাকে ডাকে। তার পাশে পর্যাপ্ত জায়গা আছে অতএব হেঁটে যাওয়ার কোন মানে হয় না। কিন্তু সেই মুহুর্তেই অর্ক দূর থেকে চেঁচাল, ‘মা, রিকশা পেয়ে গেছি!’

    অতএব দুটো রিকশা পর পর ছুটল স্টেশনে। কিছুটা অভিমান, কিছুটা অপমান বোধ আবার কিছুটা ক্রোধ অনিমেষকে পীড়িত করছিল। তার মনে হচ্ছিল মাধবীলতাকে একা পেলে সে বুঝিয়ে সুঝিয়ে হয় তো নরম করতে পারত কিন্তু অর্কর জন্যেই সেটা সম্ভব হচ্ছে না। কাল রাত্রের পর থেকে ছেলেটা এমন ব্যবহার করছে যা অন্য সময় হলে সহ্য করত না অনিমেষ। আর এখন, নিজেকে এমন অসহায় লাগছে যে—। অনিমেষ মাথা নাড়ল। না, এখন কোন ঝগড়াঝাঁটির সময় নয়। যা স্বাভাবিক তাকে সহজভাবে মেনে নেওয়াই ভাল।

    মালপত্র প্লাটফর্মে নামিয়ে অর্ক টিকিট কাটতে গেল। বেশ ভিড় প্লাটফর্মে। অফিসযাত্রীরা উপচে পড়ছে। জলপাইগুড়ি থেকে শিলিগুড়ি ডেইলি প্যাসেঞ্জারি চালু হয়েছে খুব। শেষ পর্যন্ত অনিমেষ বলে ফেলল, ‘তুমি এমন নিষ্ঠুর হয়ো না।’

    মাধবীলতা অন্যমনস্ক হয়ে মানুষ দেখছিল। এবার চমকে মুখ ফেরাতেই অনিমেষ ওর চোখ দেখতে পেল। মাধবীলতা কিছু বলতে গেল কিন্তু হঠাৎ ওর ঠোঁট কেঁপে উঠল আর দুই চোখের কোণে চোরা জল বাসা বাঁধল। অনিমেষের খুব ইচ্ছে করছিল ওই জল মুছিয়ে দেয়। কতদিন, কতদিন মাধবীলতাকে জড়িয়ে ধরে আদর করেনি। কতদিন আকণ্ঠ চুম্বন করেনি! ওই শরীরে মুখ ডুবিয়ে নিজের হৃৎপিণ্ডের শব্দ অনুভব করেনি। আর এখন, এই স্টেশনে দাঁড়িয়ে এই সব ইচ্ছেগুলো একসঙ্গে অনিমেষের মনে ঝাঁপিয়ে পড়ল। ঠিক এখনই একটি বিস্ময়সূচক শব্দ উচ্চারিত হল পাশ থেকে, ‘অনিমেষ না?’

    অনিমেষ মুখ ফিরিয়ে দেখল।

    ‘কি রে শালা চিনতে পারছিস না? কবে এসেছিস গুরু? আই বাপ, তোর পায়ে কি হল? ওহো, বুঝেছি।’

    চেহারাটা একটুও বদলায়নি। অথচ প্রায় বাইশ বছর পার হয়ে গেছে এর মধ্যে। সেই কোঁকড়া চুলের কায়দা, ভেঙেচুরে দাঁড়ানো আর ঠোঁটে বদমায়েসী হাসি ঝুলিয়ে মন্টু হাসছে। জলপাইগুড়ি শহরে অনিমেষের স্কুল জীবনে যে কজন বন্ধু ছিল মন্টু তার অন্যতম। যাবতীয় জ্ঞানবৃক্ষের ফল সে খেয়েছিল এর মারফৎ। অনিমেষের ওকে দেখে অবশ্যই খুশি হওয়া উচিত ছিল কিন্তু এই সময়টায় সে কাউকেই সহ্য করতে পারছিল না। তবু হাসতে হল, ‘কেমন আছিস?’

    ‘ফাইন!’ মন্টু চেঁচিয়ে উঠল, ‘এটা কি জেলে হয়েছে?’ আঙ্গুল নেড়ে অনিমেষের পা দেখাল মন্টু।

    ‘ফালতু। কোন মানে হয় না। তোকে কে মাথার দিব্যি দিয়েছিল নকশাল হতে? কি লাভ হল বল? যাক, কবে এসেছিস?’

    ‘কিছুদিন হল।’

    ‘বাঃ, এসে একবার দেখাও করিসনি! আমার বউকে মাইরি তোর সেই গল্পটা করতাম। বিরাম করের বউটা তোকে—।’ হো হো করে হেসে উঠল মন্টু। অনিমেষ দেখল এই বয়সেও মন্টুর মধ্যে তরল ভাবটা অটুট থেকে গিয়েছে। ওকে চাপা দেওয়ার জন্যে অনিমেষ জিজ্ঞাসা করল, ‘স্টেশনে কেন? কোথাও যাচ্ছিস নাকি?’

    মন্টু খুব কায়দা করে দাঁড়াল। এই বয়সে সেটা খুব বেমানান দেখাচ্ছে। পনের ষোল বছরে দেবানন্দকে যে নকল করত সে চল্লিশ পেরিয়েও তা ধরে রেখেছে। হয়তো অভ্যেস হয়ে গিয়েছে, যা করছে নিজের অজান্তেই করছে। তবে মোটা হয়ে গেলেও ভুঁড়ি হয়নি বলে বাঁচোয়া। মন্টু একটা হাত পেটের ওপর রাখল, ‘এই ধান্দায় রোজ স্টেশনে আসতে হয়। তোদের মত রাজনীতি করলে আর দেখতে হতো না। রোজ সকালের ট্রেন ধরে এন জে পি যাই আবার সন্ধ্যের ট্রেনে ফিরে আসি। আজকে শালা লেট করছে খুব।’ একটু বিরক্ত চোখে মন্টু হলদিবাড়ির দিকে তাকাল।

    ‘তুই কোথায় কাজ করছিস? কোন ডিপার্টমেন্টে?’

    ‘রেলে। ইণ্ডিয়ান রেইলওয়ে। তুই কোথায় যাচ্ছিস?’

    ‘আমি যাচ্ছি না।’

    এই সময় অর্ক একটু বিব্রত ভঙ্গীতে এসে দাঁড়াল, ‘মা, রিজার্ভেশন ছাড়া এরা টিকিট ইস্যু করে না। আমি এন জে পি পর্যন্ত টিকিট করেছি। অনেকে বলছে এই ট্রেনে গেলে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস ধরা যাবে না।’

    মন্টু মাথা নাড়ল, ‘কে বলেছে ভাই? গুজবে কান দিও না। বোধ হয় একদিন মাত্র ও-রকম ঘটনা ঘটেছিল। এরা কে রে অনিমেষ?’

    মাধবীলতা ততক্ষণে সামলে নিয়েছে। লোকটাকে তার বিন্দুমাত্র পছন্দ হয়নি। যে বয়সে যা মানায় তা না হলে বড় দৃষ্টিকটু দেখায়। এখন প্রশ্নটা শুনে সে অনিমেষকে দেখল। অনিমেষ বলল, ‘বউ আর ছেলে।’

    ‘তাই নাকি?’ মন্টু উৎফুল্ল হল, ‘নমস্কার, নমস্কার। আমার নাম মন্টু, অনিমেষের সঙ্গে পড়তাম। কোথায় চললেন?’

    মাধবীলতা যতটা সম্ভব সহজ ভঙ্গীতে বলল, ‘কলকাতায়।’

    ‘টিকিটের কথা শুনছিলাম, রিজার্ভেশন নেই?’

    মাধবীলতা মাথা নাড়ল। মন্টু হাত নাড়ল, ‘কোই ফিকির নেহি। যখন পরিচয় হয়ে গেল তখন ও দায়িত্ব আমার। কাঞ্চনজঙ্ঘায় আপনাদের বসিয়ে তবে আমি ছুটি নেব। কিন্তু হ্যাঁরে, তোর এত বড় ছেলে কি করে হল? বিয়ে করেছিস কবে?’

    অনিমেষ অস্বস্তিটা এড়াবার জন্যে পাল্টা প্রশ্ন করল, ‘কেন, তুই তো বউ-এর কথা বলছিস, ছেলে মেয়ে নেই?’

    ‘সেটাই তো ভাবছি। আমার মেয়ের বয়স দশ। তোমার বয়স কত হে, কুড়ি?’ প্রশ্নটা সরাসরি অর্ককে।

    হঠাৎ অর্কর চোয়াল শক্ত হয়ে গেল। সে মন্টুর দিকে তাকিয়ে বলল, ‘বয়স জেনে আপনার কি হবে?’ প্রশ্নটা কানে যাওয়া মাত্র অনিমেষ অবাক হয়ে তাকাল। মাধবীলতাও মুখ তুলে ছেলেকে দেখল। মন্টু কিন্তু মোটেই অপ্রস্তুত হয়ন, ‘খুব পার্সোনালিটি আছে তোর ছেলের, ভাল ভাল। যাক, ট্রেনটা এসে গিয়েছে।’

    দূরে শব্দ হচ্ছিল বটে কিন্তু তার আগে আকাশের গায়ে কালো ধোঁওয়া সবার চোখে পড়ল। প্লাটফর্মে হুড়মুড় করে মানুষজন ছোটাছুটি করছে। মন্টু মাধবীলতাকে বলল, ‘ব্যস্ত হবার দরকার নেই। জেনারেল কম্পার্টমেন্টে আপনারা উঠতে পারবেন না। সবাই উঠুক তার পর আমরা গার্ডের গাড়িতে উঠব।’

    অনিমেষ বলল, ‘গার্ডের গাড়িতে উঠতে দেবে?’

    মন্টু কাঁধ নাচাল, ‘ডোন্ট ফরগেট, আমি রেলের লোক।’

    ট্রেনটা প্লাটফর্মে দাঁড়ানো মাত্র ঝড় বয়ে গেল। ছুটোছুটি ধাক্কাধাক্কির শেষে গোটা প্লাটফর্মটা ট্রেনের গায়ে ঝুলে পড়ল। মন্টুর নির্দেশে ওরা গার্ডের কামরার কাছে চলে এল। সেখানেও কিছু লোক উঠেছে কিন্তু তবু স্বস্তিকর।

    মন্টু গার্ডের সঙ্গে কথা বলে অর্ককে ইঙ্গিত করল জিনিসপত্র তুলতে। সেগুলো নিয়ে অর্ক ওপরে উঠলে অনিমেষ চাপা গলায় মাধবীলতাকে বলল, ‘চিঠি দিলে উত্তর দেবে তো?’

    মাধবীলতা আবার তাকাল। তার পর বলল, ‘কি দরকার!’

    অনিমেষ প্রচণ্ড আবেগ নিয়ে জবাব দিল, ‘দরকার আছে, আমি তোমাকে ছাড়া কিছুই ভাবতে পারছি না। ছোটখাটো ত্রুটিকে এত বড় করে দেখো না। আমরা পরস্পরকে ছাড়া অসহায় হয়ে পড়ব। আমি এখানে রইলাম। তুমি যদি না পার তাহলে ডেকো। আর পিসীমা যদ্দিন বেঁচে আছেন তদ্দিন আমাকে না পার ওঁকে চিঠি লিখো। অন্তত এঁরা জানুক আমাদের সম্পর্ক অটুট।’

    ‘তোমার কথাবার্তা পরস্পর বিরোধী হয়ে যাচ্ছে।’

    সেটা অনিমেষ নিজেও বুঝছিল। কিন্তু এই দ্রুত গলে যাওয়া সময়টায় সে যে করেই হোক মাধবীলতাকে আঁকড়ে ধরতে চাইছিল। এই সময় অর্ক ডাকল, ‘মা, তাড়াতাড়ি উঠে এস, গাড়ি ছাড়ছে।’

    মাধবীলতা মুখ তুলল, ‘চলি, সাবধানে থেকো।’

    ‘তুমি কিছুই বললে না!’

    ‘কি বলব!’

    এই সময় ঠং ঠং শব্দ উঠল। ঘণ্টা বাজছে ট্রেন ছাড়ার নির্দেশ দিয়ে।

    ‘তুমি এইভাবে চলে যাবে?’

    ‘আমাকে তো যেতেই হবে। যাওয়াটা এর চাইতে আর কিভাবে সহজ হত!’

    মাধবীলতা ধীরে ধীরে ওপরে উঠতেই ঝরঝরে ট্রেনটা ছেড়ে দিল। জানলা দিয়ে মুখ বাড়াল মন্টু, ‘তুই চিন্তা করিস না, ওদের আমি কাঞ্চনজঙ্ঘায় বসিয়ে দেব।’

    অনিমেষ উন্মুখ হয়ে কম্পার্টমেন্টের দরজার দিকে তাকাল। না, মাধবীলতাকে আর দেখা গেল না, এমন কি অর্কও জানলায় এল না। দু’তিন পা এগিয়েও সে ওদের দেখতে পাচ্ছিল না। ট্রেনটা গতি বাড়িয়ে প্লাটফর্ম ছাড়িয়ে চলে যাচ্ছে। সামনের আকাশটা ধোঁওয়ায় কালো। হঠাৎ অনিমেষের বুকের ভেতর থেকে আর একটা দৃশ্য উঠে এল। তখন সন্ধ্যেবেলা। সে ট্রেনের দরজায়। সরিৎশেখর চলন্ত ট্রেনের পাশাপাশি লাঠি দুলিয়ে হাঁটছেন। ধীরে ধীরে গভীর অন্ধকার তাঁকে গ্রাস করে নিল। অনেক দূরে একটি আলোকিত স্টেশনকে রেখে সে অন্ধকারে ডুবে গেল।

    আজ অনেক অনেকদিন বাদে প্লাটফর্মের শেষ প্রান্তে এসে অনিমেষ কেঁদে ফেলল। এই প্রথম, নিজেকে প্রচণ্ড নিঃসঙ্গ মনে হচ্ছিল।

    মন্টুর কল্যাণে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে চমৎকার জায়গা পেয়ে গেল ওরা। আসাম থেকে আসা একটা ট্রেন দেরি করায় কাঞ্চনজঙ্ঘা সময়ে ছাড়েনি। বিশেষ ঋতু ছাড়া এই ট্রেনে তেমন ভিড় হয় না। কিন্তু ওভারব্রিজ পেরিয়ে টিকিট কিনে আনা, রিজার্ভেশন পাওয়ার জন্যে যা ঝামেলা তা মন্টুই করে দিয়ে জানলার পাশে ওদের জায়গা করে দিয়ে বলল, ‘এবার আমি চলি।’

    মাধবীলতা বলল, ‘আপনি অনেক করলেন!’

    ‘আরে এ সব তো নস্যি। আপনি জানেন না অনিমেষ আর আমি ছেলেবেলায় কি-রকম বন্ধু ছিলাম। এখন তো আপনি জলপাইগুড়ির বউ হয়েছেন, নিশ্চয়ই আবার দেখা হবে।’

    লোকটার চেহারা এবং ব্যবহারের চাপল্যের সঙ্গে আসল লোকটাকে ঠিক মেলানো যায় না। মাধবীলতা নিঃশ্বাস ফেলল, অনিমেষের মুখে মন্টু সম্পর্কিত অনেক ঘটনা সে শুনেছে। বেপরোয়া দুঃসাহসী ছেলে। কিন্তু এখন সে এমন ভঙ্গী করে ছিল যেন মন্টু মামটা প্রথম শুনছে। একমাত্র মানুষই পারে নিজের দুটো চেহারাকে আলাদা রাখতে।

    রোদ মাথায় নিয়ে ট্রেনটা ছাড়ল। অর্ক জানলার পাশে। ছেলে যে সকাল থেকেই অত্যন্ত প্রয়োজন ছাড়া কথা বলছে না সেটা লক্ষ্য করেছিল মাধবীলতা। তার নিজেরও কথা বলতে একটুও ইচ্ছে করছে না। সে চোখ বন্ধ করে সিটে হেলান দিল। কি হল, এই জীবনটায় কিছুই হল না। কেন এত কষ্ট করা, কেন নিজেকে নিংড়ে বেঁচে থাকার চেষ্টা করা? কোন মানে হয় না। এ দেশে মেয়েদের উচিত যা স্বাভাবিক সেই স্রোতে গা ভাসিয়ে দেওয়া। এখানে ব্যতিক্রম হওয়ার চেষ্টা মানে পরিণামে নিঃসঙ্গতা, বুকভরা নিঃস্বতা। মাধবীলতার সমস্ত শরীরে কাঁপুনি এল। যেন একটা ঢেউ এসে তাকে শূন্যে তুলে দূরে ছুঁড়ে দিচ্ছে এবং পরক্ষণেই আর একটা ঢেউ সেখান থেকে তুলে আরও দূরে ছুঁড়ে দিচ্ছে। আর সে ঠিক একটা জড়পদার্থের মত সেই ঢেউ-এর কাছে আত্মসমর্পণ করে চলেছে। নিজের শরীরের কিংবা মনের এই অস্থিরতার বিরুদ্ধে সে জোর করে শক্ত হতে চাইল। পরিণতি নেতিবাচক হলেই কাজটা ভুল হয়ে যাবে? না, কোন ভুল করেনি সে। সারা জীবনে যা করেছে নিজে জেনে শুনে করেছে। একটা জীবন আর কত বড়? যাকে সে ভালবেসেছিল তাকে তো দশ বছর নিবিড় করে পেয়েছে। তাই বা ক’জন পায়? এটাই তার জয় নয়? গত রাত্রে তো সে নিজে মরেও যেতে পারত!

    ঢেউটা যেন সামান্য জোর হারালো কিন্তু মাধবীলতা বুঝতে পারছিল এটা স্তোকমাত্র। তার শরীর ভারী হয়ে আসছিল এবং মাথার যন্ত্রণা শুরু হয়ে গেল। কাল রাত্রে সে কি খুব সামান্য কারণে পাগল হয়ে গিয়েছিল? যেটাকে তখন অপমান বলে মনে হয়েছিল সেটা কি সত্যি অপমান? এতটা ক্রোধ প্রকাশ না করলেও কি চলতো? অনিমেষ তাকে কোনরকম কটু কথা শোনায়নি। বারংবার আত্মসমর্পণ করার চেষ্টা করেছে। দৃশ্যটা মনে পড়া মাত্র ওর শরীরে জ্বলুনি ফিরে এল। একটা পুরুষ মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েও যদি আত্মসমর্পণ করে তাহলে—। বরং তখন যদি অনিমেষ বলতো সে ঠিক কাজ করেছে, যা করেছে ভাল মনে করে করেছে এবং মাধবীলতাকে তাই মেনে নিতে হবে তাহলে হয়তো সে নিজে আত্মসমর্পণ করত। সে কি মনে মনে চাইছিল না অনিমেষ সত্যিকারের পুরুষ মানুষ হয়ে উঠুক? যাক, যা হবার তা হয়েছে। এখন সে কি করবে? কলকাতায় সে আর অর্ক। তার সারা দিন রাত কাটাবে কি করে? মাধবীলতা হেসে ফেলল নিজের মনে যদিও তার কোন ছায়া ঠোঁটে পড়ল না। অনিমেষ থাকতে তার কিভাবে দিন কাটতো? সারা বছরে কদিন ভালবাসার কথা বলতো তারা? কদিন সুন্দর জিনিস দেখতে বের হতো দু’জনে? মাধবীলতা মাথা নাড়ল। একটা মেয়ের জন্ম শুধু একটি পুরুষের কাছে নতজানু হবার জন্যে এ কখনই হতে পারে না। এখন সে যা স্বাভাবিক তাই করবে। একমাত্র অর্ক ছাড়া কারো কাছে দায়বদ্ধ নয় সে। মাধবীলতার চোখের কোল ভিজছিল। অনেক কষ্টে সে নিজেকে সংযত করল। এতসব ভাবনা চিন্তা তাকে অনেকটা ঢেউ-এর বিরুদ্ধে হেঁটে আসতে সাহায্য করলেও হঠাৎ আর একটা চোরা স্রোত আচমকা পায়ের তলার বালি সরাল। এতদিনের সব পরিশ্রম এবং মন সে নিজের হাতেই নিঃশেষ করে এল? এক ঝটকায় মাধবীলতা সোজা হয়ে বসল। না, সে ঠিক করেছে। অনিমেষ ছাড়া তার জীবনে অন্য কোন পুরুষের অস্তিত্ব নেই, তাই বলে সে অনিমেষের ক্রীতদাস হয়ে থাকতে পারে না।

    ‘খানা চাহিয়ে?’

    প্রশ্নটা শুনে অর্ক মুখ ফেরাল। মাধবীলতা তখন চোখ খুলেছে। কিন্তু খুব শক্ত এবং কিঞ্চিত ফোলা লাগছে মুখ। অর্ক লোকটাকে জিজ্ঞাসা করল, ‘কি খাবার?’

    ‘ফিস চিকেন আউর আণ্ডা রাইস।’

    ‘কত দাম?’

    লোকটা উত্তর দেবার আগে মাধবীলতা বলল, ‘একটা মাছভাত আর, তোমরা নিরামিষ দাও না?’

    লোকটা মাথা নাড়ল, ‘হাঁ, ভেজ মিলেগা।’

    ‘তাহলে আমাকে নিরামিষ দিও।’

    একটা কাগজে অডার লিখে নিয়ে লোকটা চলে যেতে অর্ক জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি নিরামিষ খাচ্ছ কেন?’

    মাধবীলতা মাথাটা আবার হেলিয়ে দিল, ‘ট্রেনে মাছ মাংস খেতে ভাল লাগে না।’

    অর্ক মুখ ফিরিয়ে নিল। মায়ের কাছে কত টাকা আছে তা তার জানা নেই। স্টেশনে অনেককে পুরি তরকারি খেতে দেখেছে সে, তাই খেয়ে নিলে হত। মাছ-ভাতের দাম কত কে জানে! সে বাইরে তাকাল। প্রখর রোদের মধ্যে মাঠ ঘাট জঙ্গল পিছনে ছুটে ছুটে যাচ্ছে। আকাশে একটুকরো সাদা মেঘ পর্যন্ত নেই। এ-রকম ঝলসানো রোদে তাকিয়ে সুখ নেই। ওদের ঠিক উল্টো দিকে একটি মহিলা শিশুকোলে বসে ছিলেন। তার পাশে বেশ বয়স্ক পুরুষ। বাচ্চাটা নিঃশব্দে পড়ে রয়েছে। এরা কি মা বাবা আর ছেলে? লোকটাকে বউটার স্বামী বলে মনে হয় না কিন্তু কথাবার্তায় অন্যকিছু কল্পনা করা যায় না। সে ট্রেনের অন্য যাত্রীদের দিকে তাকাল। এই ট্রেনে শোওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই। মাঝখান দিয়ে প্যাসেজ রয়েছে এ কামরা ও কামরায় যাওয়ার। তাই যাত্রীদের হাঁটাচলার বিরাম নেই। অর্ক আবার মায়ের দিকে তাকাল। পাথরের মত মুখ, চোখ বন্ধ এবং কি ভীষণ সাদা দেখাচ্ছে। এই চেহারায় সে কোনদিন মাকে দ্যাখেনি। মা নিরামিষ খেতে চাইল। কেন? মা কি নিজেকে বিধবা ভাবছে? শব্দটা মনে আসতেই সে ঠোঁট কামড়াল। তোমার বাবার নাম কি? না, আর সে অনিমেষ মিত্র বলতে পারবে না। এই পৃথিবীতে তার কোন আইনসম্মত বাবা নেই। চমৎকার! এতদিন ধরে যাকে সে বাবা বলে ভেবেছিল এবং জেনেছিল আজ বলা হল তিনি তার জন্মদাতা মাত্র, বাবা নন। আর এ ব্যাপারে তার কিছু করার নেই। যদি বলা হত তিনি তার জন্মদাতাও নন তাহলেও তার করার কিছু ছিল না। কিন্তু মায়ের অস্তিত্ব তো অস্বীকার করা যাবে না। এইটেই পরম সত্যি। তার জন্মাবার পর কয়েক বছর মা দু’দিক আগলে ছিল। এই কয় বছর একজন বাবার ভূমিকা নিয়ে ছিলেন এখন আর নেই। অন্তত আইনের চোখে নেই। শুধু আইনের চোখে, তার নিজের কাছে? আজ যদি সে ঝুমকির সঙ্গে বাস করে এবং সন্তান হয় তাহলে তাদের সবাই মেনে নেবে?

    আবার ক্ষরণ শুরু হল অর্কর। এই সময় সামনের বউটা নাকিসুরে কিছু বলে উঠতেই লোকটা চাপা গলায় ধমকালো, ‘চোপ! কথা বলবে না একদম।’

    অর্ক লোকটার দিকে তাকাল। রোগা পটকা শরীর কিন্তু তেজ খুব। বাচ্চাটা যদি ওর হয় তাহলে সে জানল না তার মাকে ধমক খেতে হচ্ছে। সে হঠাৎ মাধবীলতার দিকে মুখ ফিরিয়ে বলল, ‘তোমার মন খুব খারাপ, না?’

    মাধবীলতা যেন সামান্য চমকালো। তার পর চোখ না খুলে বলল, ‘কই, না তো।’

    ‘তোমাকে অন্যরকম দেখাচ্ছে।’

    ‘কাল রাত্রে ঘুম হয়নি তাই হয়তো।’

    ‘তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞাসা করব?’

    মাধবীলতা সামান্য সময় নিল, ‘বল।’

    ‘তোমরা বিয়ে করোনি কেন?’

    মাধবীলতার চিবুক বুকের ওপর নেমে আসছিল কিন্তু সে কোনক্রমে সোজা হল, ‘সে অনেক কথা, তুই ঠিক বুঝবি না।’

    ‘তুমি আমাকে ছেলেমানুষ ভেবো না।’

    এবার মাধবীলতা অর্কর দিকে তাকাল। এবং অত্যন্ত দ্রুত সে মন ঠিক করে নিল। না, আর লুকোছাপা করে কোন লাভ নেই। অর্ক সত্যিই বড় হয়ে গিয়েছে। বাকি জীবনটা যদি একসঙ্গে থাকতে হয় তাহলে আর ওর সঙ্গে আড়াল রাখার কোন মানে হয় না। সে যেন নিজের সঙ্গে কথা বলল, ‘তখন ওর রাজনীতি আমাদের বিয়ে করার সময় দেয়নি। যখন সময় হল তখন তুই এসে গেছিস। মা হওয়ার পর, তোকে নিয়ে অত কষ্ট করার পর নতুন করে বিয়ে করতে চাইনি আমি।’

    ‘কেন?’

    ‘আমি ভেবেছিলাম দু’জন মানুষের মনের বন্ধন বিয়ের চেয়ে বড়।’

    ‘সেটা কি ভুল?’

    ‘জানি না।’

    ‘কিন্তু তোমরা বিবাহিত হলে আমি জানতাম উনি আমার বাবা। এখন তুমি বলছ বলে আমি জানছি। তাই না?’

    ‘কি বলতে চাইছিস তুই?’ মাধবীলতার গলার স্বরে ধার এল।

    ‘কাল রাত্রে তোমরা আমাকে বাস্টার্ড বলেছিলে!’

    মাধবীলতা চট করে অর্কর হাত ধরল, ‘খোকা!’

    অর্ক মাথা নাড়ল, ‘না মা, তার জন্যে আমি তোমাকে দোষ দিচ্ছি না। মোক্ষবুড়ি দুনিয়াসুদ্ধ লোককে বেজন্মা বলে গালাগাল দিত। তাতে কার কি এসে যায়। তবে কি জানো, এক পুরুষের ভুলের দায় পরের পুরুষের ওপর চেপে বসে। বাস্টার্ড মানে তো বেজন্মা?’

    মাধবীলতা দিশেহারা হয়ে পড়ছিল। ও বুঝতে পারছিল এ ছেলে ভীষণ পাল্টে গিয়েছে। এমন ভঙ্গীতে এত ভারী কথা তার চেনা অর্ক কখনও বলত না। কিন্তু সে প্রাণপণে চাইছিল পরিস্থিতির সামাল দিতে। এখনই যদি অর্ককে না ফেরানো যায় তাহলে পরে আর কিছুই করার থাকবে না। সে দাঁতে দাঁত চেপে বলল, ‘তুই আমার ছেলে।’

    অর্ক দেখল সামনের লোকটা মাধবীলতার দিকে তাকাচ্ছে। কিন্তু তারা যে গলায় কথা বলছে তাতে ওর কানে নিশ্চয়ই পৌঁছাচ্ছে না। ট্রেনের চাকার শব্দ অনেকটা আড়াল হয়ে দাঁড়িয়েছে। সে বলল, কিন্তু আমার বাবা-।’

    মাধবীলতা যেন নিঃশ্বাস বন্ধ করে বলল, ‘বেজন্মা মানে যাদের কোন শেকড় নেই, কারো কাছে কোন দায় নেই। কোনরকম ন্যায় নীতি বা মূল্যবোধ ছাড়া মানুষকে বেজন্মা বলে। তারা খুব ভীষণ, তুই কি তাই?’

    অর্ক চমকে উঠে মাধবীলতার দিকে তাকাল। যাদের বাবা মায়ের ঠিক নেই তাদের তো কারো কাছে দায় থাকে না। বাপ মায়ের স্নেহ যে পায়নি তার মনে কারো প্রতি টান আসার কথা নয়। শেকড়হীন হয়ে সে বেঁচে থাকে। নীতিবোধ কিংবা মূল্যবোধ তার কাছে ফালতু। মা যে সংজ্ঞা বলল সেই সংজ্ঞার সত্যতা তার কাছে স্পষ্ট হল।

    আর তখনই গাদা গাদা মুখ তার চোখের সামনে ভেসে উঠল। খুরকি কিলা, কোয়া বিলু থেকে শুরু করে শ্মশানের সেই মাস্তানটা। কিংবা ন্যাড়া। কারো কোন দায় নেই কারো কাছে। শুধু এরা? নুকু ঘোষ কিংবা বিলাস সোম? তাদের কি দায় আছে সমাজের কাছে? কোন নীতিবোধে তারা বিশ্বাস করে? কিলা খুরকি যেমন নিজের লাভটুকু গোছাবার জন্যে খুর চালায় পেটো ছোঁড়ে ওরাও তেমন নিজের পজিশন রাখার ধান্দায় ঘুরে বেড়ায়। এমন কি সতীশদা, সতীশদাও যখন প্রতিবাদ করে ধমক খায় তখন মুখ বুজে সহ্য করে। তিন নম্বর ঈশ্বরপুকুর লেনের মানুষগুলো আজ সমস্ত কলকাতায় ছড়িয়ে গেছে। এই জলপাইগুড়ি শহরটাও তার ছোঁওয়া থেকে বাঁচতে পারেনি। নুকু ঘোষ, সতীশদা আর বিলাস সোমরা তাদের ব্যবহার করছে স্বার্থ নিয়ে। সঙ্গে সঙ্গে ওর মনে সেই ছেলেটার মুখ ভাসল যে ট্রামে ঊর্মিমালাকে বেইজ্জত করতে চেয়েছিল। অর্ক মাথা নাড়ল, ‘ঠিক বলেছ মা, ঠিক।’ তার পর মুখ তুলে কামরার লোকগুলোকে দেখল। ওর নিজের বয়সী ছেলেগুলোর চুল, পোশাক, চাহনি যেন সব একরকম। মায়ের সংজ্ঞায় বাস্টার্ডরা যেমন হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালবেলা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }