Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৭. শ্যামবাজারের পাঁচ মাথার মোড়

     সতের

    শ্যামবাজারের পাঁচ মাথার মোড় ছাড়াতেই অনিমেষ অবাক গলায় জিজ্ঞাসা করল, ‘ওখানে কি হচ্ছে, পাতাল রেলের রাস্তা?’

    মাধবীলতা বলল, ‘হ্যাঁ। সমস্ত পথটাই খুঁড়ে একসা হয়ে গেছে। চট করে দেখলে চিনতে পারা যায় না।’ বলতে না বলতে গাড়ি দাঁড়িয়ে গেল। অর্ক মুখ বের করে দেখল রাজবল্লভ পাড়া পর্যন্ত ঠাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে গাড়িগুলো। সে ড্রাইভারকে বলল, ‘ডানদিকের রাস্তাটা ধরুন। মনি কলেজের সামনে দিয়ে।’ লোকটা অজানা পথে গাড়ি নিয়ে যেতে নারাজ, একবার সেদিকে তাকিয়ে বিরক্ত মুখে বসে রইল। অনিমেষ জিজ্ঞাসা করল, ‘এত রাস্তা তুই চিনলি কখন?’

    অর্ক জবাব দিল না। মাধবীলতা বলল, ‘এই রাস্তায় ঢোকা আমাদের ভুল হয়েছে। সোজা সার্কুলার রোড দিয়ে গেলে সুবিধে হত। কথাটা শুনে ড্রাইভার ঘাড় নাড়ল। সে-ও ভুল বুঝতে পেরেছে। অনিমেষ চারপাশে তাকিয়ে দেখছিল। কি দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে শহরটা। এই পথে একদিন সে নিজেও ঘুরে বেড়িয়েছে অথচ এখন আর সে-পথটাকে চেনা যাবে না। রাস্তার একটা দিক বন্ধ করে বিরাট বিরাট যন্ত্র দিয়ে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে সশব্দে। সামনের গাড়ির ড্রাইভার দরজা খুলে মাটিতে নেমে চিৎকার করে উঠল, ‘পাতাল রেল হচ্ছে গুষ্টির পিণ্ডি হচ্ছে। শালা টাকা ঝাড়বার কল। এখন দাঁড়িয়ে থাক এখানে।’

    ওদের গাড়ির ড্রাইভার মুখ বাড়িয়ে বলল, ‘ঠিক বলেছেন দাদা। এর চেয়ে সার্কুলার রেল হলে কত ভাল হত। বিধান রায় তাই চেয়েছিলেন।’

    ‘চাইবেন না কেন? উনি তো আর নাড়ি-টেপা ডাক্তার ছিলেন না!’ সামনের ড্রাইভারটি জানাল। অনিমেষ দেখল, এরা দুজনেই বয়স্ক। দুজনেই পাতাল রেল প্রকল্পকে অপছন্দ করছে। যে কোন পরিবর্তনে বয়স্কদের সমর্থন দেরিতে পাওয়া যায়। অথচ এই পথের তলা দিয়ে যখন পাতাল রেল ছুটবে তখন এই মানুষগুলোই গর্ব করে বলবে, ‘ওঃ, কি কষ্টই না করেছিলাম আমরা সেদিন। কথাটা ভাবতেই অনিমেষের বুকের ভেতরটা টনটন করে উঠল। নতুন কোন উদ্যোগ মেনে নিতে পারেনি বলেই এই দেশের মানুষ সাতষট্টির আগে যেমন ছিল এখনও তেমনই রয়েছে। শুধু ওই উদ্যোগটাকে মনে প্রাণে গ্রহণ করতে পারলে নিশ্চয়ই এমনটা হত না। অনিমেষ দেখতে পেল একটি লোক মনি কলেজের ফুটপাথে দাঁড়িয়ে হাসিমুখে গাড়িদের আটকে-পড়া দেখছে। খুব মজা পেয়েছে যেন। হঠাৎ অনিমেষের মনে হল লোকটকে সে চেনে। অনেক বছর পার হয়ে গেলেও একটুও পাল্টায়নি। শুধু মুখের গড়ন আরও গোল হয়েছে। না, তার ভুল হয়নি । ওই দাঁড়ানোর ভঙ্গী, ওই আকৃতি এবং ধুতি পরা দেখে ভুল হবার কথা নয়। সে উত্তেজিত হয়ে হাত নাড়ল। কিন্তু যার উদ্দেশ্যে হাত নাড়া তার নজর অন্যদিকে। অনিমেষের খুব আফসোস হচ্ছিল। এখান থেকে চেঁচিয়ে ডাকলে শোনা যাবে না। মাধবীলতা বেশ অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করল, ‘কি হল? চেনা কেউ?’ বলে উঁকি দিয়ে দেখবার চেষ্টা করল।

    ‘চিনতে পারছ!’ অনিমেষ মাধবীলতার দিকে তাকাল। মাধবীলতা তখনও ঠিক লোকটিকে বুঝে উঠতে পারছে না। অনিমেষ চাপা গলায় অর্ককে বলল, ‘চট করে নেমে ফুটপাথ থেকে ওই লোকটিকে ডেকে নিয়ে আয় তো। দেখিস, গাড়ি না ছেড়ে দেয়। ভাগ্যিস জ্যামে আটকালাম।

    অর্ক দরজা খুলে প্রায় দৌড়ে গেল ফুটপাথ ধরে। এদিকের ফুটপাথ এখনও বাঁচিয়ে রেখেছে পাতাল রেল-ওয়ালারা। অনিমেষ দেখল অর্ক মনি কলেজের সামনে গিয়ে চারপাশে তাকাচ্ছে। তারপর গাড়ির দিকে মুখ করে জানতে চাইল কাকে বলবে? অনিমেষ হাতের ইশারা করতেই অর্ক উল্টো মুখ করে দাঁড়ানো লোকটাকে ডাকল, ‘শুনুন।’

    লোকটা চশমার আড়ালে চোখ বড় করে ওর দিকে তাকাতেই অর্ক হাত নেড়ে গাড়িটা দেখাল, ‘আপনাকে ডাকছে।’

    ‘আমাকে ডাকছে? গাড়ি থেকে?’

    অনিমেষ দেখল ওরা এগিয়ে আসছে। ড্রাইভার শেষ পর্যন্ত আশা ছেড়ে গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়াল। কেউ একজন চেঁচিয়ে উঠল, ‘ভোর হয়ে যাবে বাড়ি ফিরে যান।’ অনিমেষ মাধবীলতাকে বলল, ‘কি আশ্চর্য, এখনও চিনতে পারছ না?’ সঙ্গে সঙ্গে মাধবীলতার মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল। একটা আন্তরিক হাসিতে দুটো ঠোঁট দীর্ঘতর, ‘ওমা পরমহংস!’

    ততক্ষণে গাড়ির পাশে এসে চোখ ছোট করে পরমহংস এদের দেখছে। অনিমেষ হাত বাড়াল, ‘কেমন আছিস?’ বলতে বলতেই তার খেয়াল হল য়ুনিভার্সিটিতে সে ওকে তুমি বলত। কিন্তু এখন তুই বলতে খুব ভাল লাগল।

    প্রায় লাফিয়ে উঠল পরমহংস, ‘আই বাপ! গুরু তুমি বেঁচে আছ!’ ওর কথা বলার ভঙ্গী দেখে মাধবীলতার হাসি বাঁধ ভাঙল। অনিমেষ ওর হাত জড়িয়ে ধরে বলল, ‘থাক, চিনতে পারলি শেষ পর্যন্ত। কিন্তু আমি মরতে যাব কোন দুঃখে।’

    এবার একটু আমতা আমতা করল পরমহংস, ‘আমি সেরকমই শুনেছিলাম। আঃ, কদ্দিন বাদে দেখা হল! আরে বাবা, আপনিও সঙ্গে আছেন। ওঃ, আজ কার মুখ দেখে উঠেছি আমি।’ এই সময় একসঙ্গে অনেকগুলো হর্ন বাজতে থাকল। সামনের গাড়িগুলো এবার নড়ছে। ড্রাইভার দৌড়ে এসে দরজা খুলতেই অনিমেষ বলল, ‘উঠে আয়, উঠে আয়।’

    পরমহংস বলল, ‘কি আশ্চর্য, আমি উঠব কেন?’ সে অর্কের দিকে তাকাল। মাধবীলতা মুখ বের করার চেষ্টা করে বলল, ‘আগে উঠুন তারপর ভাবা যাবে কেন উঠবেন, উঠে পড়ুন।’

    তখন আর দ্বিধা করার সময় ছিল না। সামনের গাড়ি অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে। অর্ক দৌড়ে ড্রাইভারের পাশে জায়গা নিতে পরমহংস তাকে অনুসরণ করল। গাড়ি চলতে শুরু করলে অনিমেষ জিজ্ঞাসা করল, তোর হাতে এখন কোন কাজ আছে? কোথাও যাচ্ছিলি?

    ‘হ্যাঁ। ছাত্র পড়াতে যাচ্ছিলাম। ছেড়ে দে এসব কথা, আজ আমি ডুব মারছি।’ বলে উল্টো দিকে ঘুরে বসল সে, ‘তোরা মাইরি একদম বুড়িয়ে গেছিস। তোর তো মুখচোখে পঞ্চাশ বছর আর, তোকেও তুই বলচি, আপনি টাপনি বলতে পারব না, হ্যাঁ তুইও বুড়ি হতে চলেছিস। অথচ লাস্ট যখন দেখেছিলাম তখন কি ছিলি মাইরি, শালা য়ুনিভার্সিটি কেঁপে যেত।’

    অনেক অনেকদিন বাদে মাধবীলতা ব্লাস করল, ‘যাঃ, কি অসভ্য।’

    ‘অসভ্য মানে? ইয়ার্কি। বিখ্যাত নকশাল নেতা অনিমেষ মিত্তির যদি তোকে তুলে না নিত তাহলে অ্যাদ্দিনে—।’ পরমহংস পাছে বেফাঁস কিছু বলে বসে তাই মাধবীলতা দ্রুত বলে উঠল, ‘কি হচ্ছে কি, সামনে কে বসে আছে জানো?’ তারও সম্বোধন আপনি থেকে কখন তুমিতে পৌঁছে গেছে।

    পরমহংস একটু সোজা হবার চেষ্টা করে অর্ককে দেখল। তারপর চোখের ইশারায় জিজ্ঞাসা করল, কে? মাধবীলতা হাসল, ‘পুত্র।’

    ‘অ। পরমহংসের চোখ ছানাবড়া হয়ে গেল, ‘এত বড় ছেলে তোর? অসম্ভব। এই যে ভাই, কি নাম তোমার বল তো?’

    ‘অর্ক মিত্র।’ অর্ক ঠিক বুঝতে পারছিল না তার বিরক্ত হওয়া উচিত কিনা।

    ‘মিত্র? ওরা যা বলছে তা ঠিক?’ চোখ সরাচ্ছিল না পরমহংস।

    ঠোঁট টিপে অর্ক মাথা নাড়ল। সঙ্গে সঙ্গে পায়ের তলা থেকে যেন মাটি সরে গেল এমন ভঙ্গী করল পরমহংস, ‘এটা কি করে হল?’

    অনিমেষ হাসল, ‘বিয়ে করেছিস? কথা ঘোরানো দরকার।

    ‘আমি? খ্যাপা! শুধু হংস নই পরমহংস। জলটুকু ফেলে দিয়ে দুধ গিলে নিই। যা রোজগার করি নিজেরই পেট ভরে না তো বিয়ে। পরমহংস যখন কথা বলছিল তখন অর্ক দেখছিল ওঁর দাঁত বেশ উঁচু, এমনিতেই মনে হয় হাসি হাসি মুখ। পরমহংস বলল, ‘কিন্তু ব্যাপারটা কি বল তো? এই গাড়িতে তোকে কখনও দেখব ভাবিনি। কিনলি কবে?’

    অনিমেষ মাথা নাড়ল, ‘এটা আমার গাড়ি নয়।’

    ‘যাচ্চলে! তাহলে এটা কার গাড়ি?’

    ‘আমার ছোট কাকা পাঠিয়ে দিয়েছেন। আমরা ওঁর কাছে যাচ্ছি।’

    ‘ও। তাহলে আমাকে নিয়ে যাচ্ছিস কেন?’

    ‘ছোট কাকার সঙ্গে দেখা করার কথা অর্ক আর ওর মায়ের। আমি বাইরে তোর সঙ্গে বসে গল্প করব। অনিমেষ ওকে আশ্বস্ত করতে চাইল।

    ‘বাইরে মানে? কারও বাড়িতে গিয়ে—।’

    ‘বাড়ি না, হোটেল। পার্ক হোটেল।’

    ‘উরে ব্বাস! নামিয়ে দে নামিয়ে দে, অতবড় হোটেলে আমি যেতে পারব না। তোর ছোট কাকা পার্ক হোটেলে থাকে। সেই কাকা নাকি রে যার সিগারেট আমাদের খাইয়েছিলি। তখনও তো হোটেলে থাকত।’ পরমহংস মনে করার চেষ্টা করছিল। অনিমেষ ঘাড় নাড়ল, ‘হ্যাঁ সেই কাকাই। তবে এবার তিনি ওদের সঙ্গে কথা বলবেন। আমার পক্ষে হাঁটাচলা অসম্ভব তাই—।’

    বোধহয় এতক্ষণ উত্তেজনায় পরমহংসর চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল, এবার সে ক্রাচটাকে দেখতে পেল। সে আর একটু ঝুঁকে অনিমেষের পায়ের দিকে তাকাল। পাজামা পরা সত্ত্বেও একটা পায়ের অস্তিত্ব যে নেই তা বুঝতে অসুবিধে হল না। এসব দেখার সময় ওর মুখ গম্ভীর হয়ে আসছিল। তারপর অদ্ভুত চোখে অনিমেষের মুখের দিকে তাকাল। সেই হাসিখুশি ভাবটা এখন উধাও হয়ে গিয়েছে। ঠোঁট কামড়ে ধরেছে পরমহংস। অনিমেষ হাত বাড়িয়ে ওর হাত ধরল, ‘এখন এসব অভ্যাস হয়ে গেছে রে।’

    ‘পুলিস?’ কোন রকমে প্রশ্নটা উচ্চারণ করল পরমহংস। মাধবীলতা তখন জানলার দিকে মুখ ফিরিয়ে। অনিমেষের মনে হল অনেকদিন বাদে একটা উষ্ণ আত্মীয়তার স্পর্শ পাচ্ছে সে। পরমহংসের মুখ এখন মাধবীলতার দিকে, ‘বিয়ের আগেই পুলিস এই অবস্থা করেছিল?’

    মাধবীলতা ধীরে ধীরে মাথা নাড়ল, ‘না। বিয়ের পরে।’

    অনিমেষ একবার সেদিকে তাকিয়ে হেসে ফেলল, ‘ছেড়ে দে এসব কথা। একটা লোক হাঁটতে পারল কি পারল না তাতে পৃথিবীর কিছু যায় আসে না।’

    ‘একদম ফালতু, একদম ফালতু কারণে তুই নিজের জীবনটা দিলি অনিমেষ। তোদের নকশাল আন্দোলনে দেশের কি হাল পাল্টেছে বল।’ পরমহংসের গলাটা ধরে এল, ‘অবশ্য আবার দ্যাখ, এখন তো আমরা সমস্ত শরীরে বিকলাঙ্গ হয়ে বাস করছি চলছি ফিরছি কেউ দেখতে পাচ্ছে না কিন্তু আমাদের হাত পা মেরুদণ্ড সব বেকানো। তোর হয়তো শুধু পা দুটো গিয়েছে কিন্তু মনে মনে সান্ত্বনা পাস যে একদিন প্রতিবাদ করেছিলি। কিন্তু আমি তো তাও পাই না। সারা দিন রাত কেঁচো হয়ে আছি। বাবার অফিসে ঢুকেছিলাম, সেখানে কোন প্রমোশন নেই। চারধারে জিনিসপত্রের দাম হু হু করে বাড়ছে, বাস ট্রামে ওঠা যাচ্ছে না কিন্তু ভাড়া দ্বিগুণ হচ্ছে। আর এসবের প্রতিবাদ করলেই বলা হবে সমাজ বিরোধী। তোকে বলব কি, আমারই রকে বসে আমার ভাইপো যে খিস্তি করে তা আমাকেই মুখ বুজে শুনতে হয়। প্রতিবাদ করার সাহস হয় না ওদের চেহারা দেখে। কেমন ক্ষয়াটে বাবরি চুল। এসব বিকলাঙ্গ না হলে কেউ সহ্য করে?

    অনিমেষ তো বটে মাধবীলতাও অবাক হয়ে পরমহংসর কথাগুলো শুনছিল। য়ুনিভার্সিটির সেই হাসিখুশি ছেলেটা যে ক্রিকেটের পরিভাষায় জীবন নিয়ে ঠাট্টা করত, রাজনীতি থেকে সযত্নে সাত হাত তফাতে থাকাটা শ্রেয় বলে মনে করত সে কি উপলব্ধি থেকে এই কথাগুলো বলছে! আবার ঘাড় ঘোরাল পরমহংস, ‘তুই ওটা ছাড়া একদম হাঁটতে পারিস না, না?’

    ‘না। এটা নিয়েও খুব বেশিদূর নয়। তুই এখন কোথায় আছিস?’

    ‘সেই পৈতৃক ভবনেই। তুই?’

    ‘বেলগাছিয়ায়।’

    ‘ঠিকানাটা বল। অ্যাদ্দিন জানতাম না, এখন যখন জানলাম তখন যোগাযোগটা থাক। আমি শুনেছিলাম তোকে নাকি নর্থ বেঙ্গলে পুলিস মেরে ফেলেছে। তোদের যে বিয়ে হয়ে গেছে, এতবড় ছেলে হয়েছে তা কি করে জানব বল। ঠিকানা কি?’

    ‘তিন নম্বর ঈশ্বরপুকুর লেন। ওটা বেলগাছিয়া ট্রাম ডিপোর কাছে একটা বস্তি। ওখানে গিয়ে আমাকে না খুঁজে অর্ককে খুঁজলে তাড়াতাড়ি পেয়ে যাবি। জানি না খোঁড়া লোক বললে কেউ দেখিয়ে দেবে কিনা। অনিমেষ কথাটা শেষ করা মাত্র অর্ক মুখ ঘুরিয়ে মায়ের দিকে তাকাল।

    ‘তোরা বস্তিতে আছিস? পরমহংস অবাক হয়ে গেল।

    ‘একটা ভাল ফ্ল্যাট দেখে দাও না। দেড়খানা ঘর হলেই হবে। বেশি ভাড়া দিতে পারব না। আমি স্কুলে পড়াই, সেই আয়ে চলে আমাদের।’ মাধবীলতা অনুরোধ করতেই অনিমেষ হেসে উঠল। মাধবীলতা অপ্রতিভ মুখে জিজ্ঞাসা করল, ‘হাসলে কেন?’

    অনিমেষ বলল, ‘অনেকদিন আগে আমি পরমহংসকে ওই রকম গলায় বলেছিলাম, আমাকে একটা টিউশনি যোগাড় করে দাও না, যা মাইনে দেবে দিক! বেচারাকে আবার আজ শুনতে হল ফ্ল্যাট দেখে দিতে হবে। তুই সেদিন জিজ্ঞাসা করেছিলি অবস্থা খুব টাইট? আজ জিজ্ঞাসা করলেও একই উত্তর শুনবি, হ্যাঁ।’

    পরমহংস কিছু বলার আগেই মাধবীলতা বলল, ‘ঠিক আছে, দরকার নেই।’

    পরমহংস বলল, ‘কোলকাতায় চাকরি পাওয়া যত সোজা ফ্ল্যাট তত নয়। যদি রাইটার্সে ধরাধরি করার কেউ থাকে তাহলে সরকারী ফ্ল্যাট পাওয়া যায়। ওহো জানিস কি সুদীপ এখন মন্ত্রী হয়েছে। য়ুনিভার্সিটিতে অ্যাসিস্টেন্ট জি এস ছিল, চুরুট খেত! মাইরি কি কপাল। অথচ ওর চেয়ে বিমান কি শার্প ছিল, সেই বিমানের এখন আর পাত্তা নেই। সুদীপকে বলবি?’

    ‘আমার পক্ষে সম্ভব নয়।’

    ‘ঠিক আছে, তুমি একটা দরখাস্ত লিখে দিও, আমি ওটা নিয়ে যাব। অত আদর্শ টাদর্শ নিয়ে থাকলে চলে না। দাঁড়াও। দেড়খানা ঘর হলেই হবে? আমাদের পাড়ার এক ভদ্রলোক সল্ট লেকে উঠে যাচ্ছে। বাড়িওয়ালি যদি হেভি সেলামি চায় তো হয়ে গেল। দেখি। পরমহংস এবার অর্কর দিকে তাকাল, তুমি কি পড়ছ?’

    ‘ক্লাস নাইন।’

    ‘ও, তাই বল। তোমার চেহারা দেখে মনে হচ্ছিল বোধহয় কলেজে টলেজে পড়ছ। আমার অবশ্য ভুল হয়েছে, তোমার অত বয়েস হতেই পারে না। আরে, আমরা যে পার্ক স্ট্রীটে চলে এসেছি। গাড়ি তখন পার্ক হোটেলে ঢুকছে। গলি দিয়ে ঠিক সদর দরজার সামনে পৌঁছে ড্রাইভার দরজা খুলে দিল। মাধবীলতা নিচে পা রেখে জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি নামবে না?’ অনিমেষ বলল, ‘ওকে জিজ্ঞাসা কর তো আমাদের পৌঁছে দেওয়ার হুকুম পেয়েছে কি না?’

    ড্রাইভার কথাটা শুনতে পেয়েছিল, বলল, ‘হ্যাঁ সার।’

    অনিমেষ বলল, ‘তাহলে আর কষ্ট করে কি হবে। পরমহংস, তুই বরং পেছনে চলে আয়, ওরা ঘুরে আসুক। তুমি ভাই গাড়িটাকে কোন নিরিবিলি জায়গায় রেখে দাও।’

    পরমহংস পেছনের সিটে বসতে বসতে বলল, ‘তাই ভাল। আমার আবার এসব জায়গায় এলেই কেমন অস্বস্তি হয়।’

    মাধবীলতার হাঁটতে সঙ্কোচ হচ্ছিল। হোটেলে যারা ঢুকছে বের হচ্ছে তাদের দিকে তাকালেই বোঝা যায় তারা কোন তলার মানুষ। অর্কর অবশ্য সে ধরনের কোন প্রতিক্রিয়া হচ্ছিল না। সে আগ্রহ নিয়ে চারধারে চোখ বোলাচ্ছিল। সামনেই রিসেপশন। ওরা সেখানে গিয়ে দাঁড়াতেই এক ভদ্রলোক ওপাশ থেকে বললেন, ‘ইয়েস।’

    ঠিক দু মিনিট পরে ওরা নির্দিষ্ট ঘরের দরজায়। মাধবীলতা লক্ষ্য করছিল অর্ক একটুও আড়ষ্ট নয়। এই ঝকঝকে হোটেলের কোন কিছুই যেন ওর কাছে ভীতিকর নয়। বরং সে নিজে অসুবিধে বোধ করছিল। দরজার কাছে এসে মনে হচ্ছিল যার সূত্রে এই ভদ্রলোকের কাছে আসা সে-ই রইল নিচে গাড়িতে বসে আর ওরা উঠে এল।

    দরজা খুলে প্রিয়তোষ বললেন, ‘এসো এসো। আমার এমন কয়েকটা জরুরী কাজ রয়েছে যে আজ তোমাদের ওখানে যেতে পারলাম না, ফলে তোমাকেই ডেকে আনলাম বউমা, তুমি কিছু মনে করো না। ওই সোফায় বসো।

    প্রিয়তোষ হাত বাড়িয়ে দেখিয়ে দিতেই মাধবীলতা সন্তর্পণে বসল। অর্ক দেখল কি নরম যেন ডুবে যাচ্ছে শরীর। এই ঘরটাই এত তরিবত করে সাজানো যে চোখ টেরা হয়ে যায়। প্রিয়তোষ বললেন, ‘ব্যাপারটা কি জানো, আমি এদেশে থাকি না, বয়সও হচ্ছে। কবে চট করে চলে যাব কে বলতে পারে তাই তোমাদের সঙ্গে কয়েকটা বিষয়ে আলোচনা করতে চাইছি।’

    মাধবীলতা আঁচলটা আর একটু টেনে বসল, ‘আমি ঠিক বুঝতে পারলাম না। প্রিয়তোষ উল্টোদিকের সোফায় শরীর এলিয়ে বসলেন, ‘বউমা তোমাকে বুদ্ধিমতী বলে আমার মনে হয়েছে। তবে সেই সঙ্গে কিছুটা, কিছুটাই বা বলি কেন প্রচণ্ড ইমোশনাল। আমি তোমার সব কথা আজ সকালেই জেনেছি। আমাদের বংশ তোমার কাছে কৃতজ্ঞ।’

    মাধবীলতা মুখ নামাল, ‘এসব কথা বলছেন কেন?’

    ‘বলছি তার প্রয়োজন আছে। তুমি শুনেছ কিনা জানি না, জলপাইগুড়ি শহরে আমাদের যে বাড়ি বাবা করে গিয়েছিলেন সেটার দাবি নিয়ে অনেকেই সোচ্চার হয়েছে। আমি যখন গেলাম তখন অনিমেষের জ্যাঠামশাই আমাকে ধরেছিল যাতে আমি আমার অংশ তার নামে লিখে দিই। ওদের ধারণা অনিমেষকে পুলিস মেরে ফেলেছে অতএব দাদা মারা গেলে পুরো সম্পত্তি ওরাই পাবে। কিন্তু আমি ঠিক করেছিলাম দিদিকে আমার অংশ দিয়ে দেব যাতে তাঁকে কেউ হেনস্থা না করতে পারে। এখানে এসে যখন তোমাদের সন্ধান পেলাম তখন মনে হচ্ছে, ভালই হল। তোমরা যদি ওখানে চলে যাও তাহলে সমস্ত ব্যাপারটার একটা সুরাহা হয়। আমি আমার অংশ তোমার নামে লিখে দিচ্ছি এবং বিশ্বাস করছি যে তুমি দিদিকে দেখাশোনা করবে। প্রিয়তোষ একনাগাড়ে কথাগুলো বলে মাধবীলতার মুখের দিকে তাকালেন।

    মাধবীলতা বলল, ‘আপনার জিনিস আপনি দিতে যাবেন কেন?’

    ‘ওই যে বললাম। তাছাড়া ওখানে তো আমি কখনও থাকতে যাব না।’

    ‘তা হোক। আমি এই দায়িত্ব নিতে রাজি নই।’

    ‘কেন? তুমি দিদির দায়িত্ব নিতে রাজি নও?’

    ‘আমি সেকথা বলিনি। ওঁর সেবা করার সুযোগ পাওয়া আমার ভাগ্যের কথা। আপনাদের ছেলের কাছে আমি সব শুনেছি। কিন্তু কোন সম্পত্তি আমি নিতে পারব না। আমাকে ক্ষমা করবেন।’

    ‘কেন?’

    মাধবীলতা হাসল মুখ নিচু করে কিন্তু জবাব দিল না। প্রিয়তোষ খানিকক্ষণ তার দিকে তাকিয়ে থাকলেন তারপর নিজের মনে বললেন, ‘তুমি আমাকে সত্যি অবাক করলে। তোমরা কি খাবে, চা কফি? কফিই বলি।’ রিসিভার তুলে রুম সার্ভিসকে হুকুমটা জানিয়ে প্রিয়তোষ অর্কর দিকে তাকালেন, ‘তোমরা যে পরিবেশে থাকো তাতে ওর উন্নতি করা খুব মুশকিল। শুধু ওর জন্যেই তোমাদের জলপাইগুড়িতে চলে যাওয়া উচিত। ওখানে আর যাই হোক এখনও পড়াশুনার আবহাওয়া আছে।’

    মাধবীলতার মনে তখন কফি ঘুরছে। অনিমেষকে নিচে রেখে এই ঘরে বসে ওরা কফি খাবে? কিন্তু উনি এমন ভঙ্গীতে বললেন যে মুখের ওপর না বলতে পারা গেল না। সে প্রিয়তোষের কথার উত্তরে বলল, ‘দেখি কি করা যায়!’

    ‘দেখাদেখি নয়, যত তাড়াতাড়ি পারো চলে যাও। আমি তোমাদের কথা আজই দাদাকে লিখে দিয়েছি।’

    ‘ও যদি যেতে রাজি হয়—।’

    ‘রাজি হবে না কেন? তোমার ওপর সমস্ত বোঝা চাপিয়ে দিতে ওর সঙ্কোচ হয় না? বাই দি বাই, তোমার মা-বাবা কোথায় থাকেন?’

    মাধবীলতা ঠোঁট কামড়ালো। তারপর স্পষ্ট উচ্চারণ করল, আমার সঙ্গে যোগাযোগ নেই। আমাকে ওরা মেনে নিতে পারেন নি।

    ‘তুমি তো দারুণ মেয়ে!’ প্রিয়তোষ গর্বিত ভঙ্গীতে বললেন, ‘তোমার জন্যে আমি খুব খুশি। অনিটা সত্যিই ভাগ্যবান।’

    কফি এল। মাধবীলতা ভেবেছিল তাকেই হাত লাগাতে হবে কিন্তু এখানকার বেয়ারাগুলো বোধহয় খুবই কেতাদুরস্ত। কফিতে চুমুক দিয়ে প্রিয়তোষ বললেন, ‘এবার তাহলে চলি। আমি মনে মনে যা ঠিক করেছি তা তোমার কথায় আরও জোর পেল ‘দ্যাখো বউমা, সারাজীবন আমি বাইরে বাইরে। বাবার জন্যে ইচ্ছে হলেও আমি কিছু করতে পারিনি। শুনেছি শেষ বয়সে ওঁকে খুব অর্থকষ্টে কাটাতে হয়েছে। জলপাইগুড়িতে গিয়ে দেখে এলাম ওঁদের অবস্থাও ভাল নয়। দাদার পক্ষে কিছু করা সম্ভব নয়, দিদি অশক্ত, বউদিকে আমি আগে দেখিনি। এই অবস্থায় বড় কিছু করার ব্যাপারে আমার দ্বিধা ছিল। তোমাকে দেখার পর অনিকে ফিরে পাওয়ার পর এবং এই শ্রীমানকে আবিষ্কার করে মনে হচ্ছে আমি আমার বংশের প্রতি কিছুটা কর্তব্য করে যাই। আমার যা ঋণ তা এবার শোধ করার সুযোগ দাও।

    অর্ক কফি শেষ করে ফেলেছিল, মাধবীলতার হাতের কাপ নড়ে উঠল। সে ধীরে কাপটা নামিয়ে রাখল। প্রিয়তোষ বোধহয় সেটা লক্ষ্য করেন নি। নিজের সঙ্গে কথা বলছেন এমন ভঙ্গীতে বললেন ‘অনেক তো হল, এবার পেছনে তাকানো যাক। বউমা মানুষের জীবনে একটা সময় থাকে যখন শুধুই সামনে তাকানো। তাকাতে তাকাতে হঠাৎ যখন মনে হয় এই যে পেছনটাকে আমি ফেলে এলাম সেটা কি রকম দেখি তখনই বুঝবে সামনে আর তাকানোর কিছু নেই। আর বোধহয় আমার ভারতবর্ষে আসা সম্ভব হবে না। তাই, আমি এখানে আমার যা আছে তা তোমার আর তোমার ছেলের নামে ট্রান্সফার করে যেতে চাই। মোটামুটি দু লক্ষ টাকার মত হবে। শুধু ওই টাকায় তুমি আমার বুড়ি দিদি আর দাদাকে দেখো, এই ছেলেটাকে মানুষ করো।’

    মাধবীলতা বুঝল অর্ক চমকে উঠেছে। এই বৃদ্ধ এখন এক দৃষ্টিতে তার মুখের দিকে তাকিয়ে! সেই দৃষ্টিতে আত্মসমর্পণ পরিষ্কার। একটুও দানের অহঙ্কার নেই। দু লক্ষ টাকা। মাধবীলতা অর্কের দিকে তাকাল। কি আশ্চর্য! ছেলে মুখ নামিয়েছে। প্রিয়তোষ মিনতি করলেন, ‘বউমা তুমি আবার না বল না। এই বুড়োর অনুরোধ রাখ।’

    মাধবীলতা খুব সতর্ক গলায় কথা বলল, ‘ওঁর সঙ্গে কথা বলে দেখি।’

    ‘কার সঙ্গে? অনির সঙ্গে? ওর সঙ্গে কথা বলে কি হবে। একটা বিকলাঙ্গ মানুষ তোমাকে কি যুক্তি দিতে পারে?’

    ‘না।’ মাধবীলতা প্রায় স্থানকাল ভুলে গেল, ‘এভাবে বলবেন না।’

    প্রিয়তোষ বললেন, ‘তুমি কেন বুঝতে চাইছ না অনিমেষের নিজে থেকে কিছু করার সামর্থ্য নেই। তুমি যা করবে ও তাই মেনে নেবে।’

    মাধবীলতা উঠে দাঁড়াল, ‘আপনি এত ব্যস্ত হচ্ছেন কেন? আপনার চলে যাওয়ার দিন তো এখনও আসেনি।’

    ‘আসেনি কিন্তু আসবে। তাছাড়া আমাকে ট্রান্সফারের ব্যবস্থা করতে হবে। এই টাকায় আমাদের একমাত্র উত্তরাধিকারী মানুষ হবে।’

    মাধবীলতা বলল, ‘আপনাকে আমি জানাবো। আর অর্কর কথা যদি বলেন তাহলে বলি, আমি যদি নিজের রোজগারে ওকে মানুষ না করতে পারি তাহলে ওই টাকা ওকে অমানুষ হতে দ্রুত সাহায্য করবে। আমরা চলি।’

    দরজায় এসে প্রিয়তোষ শেষবার বললেন, ‘তুমি হ্যাঁ বলে যাও।’

    মাধবীলতা হাসল, ‘আপনি গুরুজন। আপনার মুখের ওপর এত কথার পর না বলতে বাধে। কিন্তু দোহাই, আমার পায়ের তলা থেকে মাটি কেড়ে নেবেন না! আপনি তো জানেন আমি খুব ইমোশনাল, এটুকু নিয়েই বেঁচে থাকি।’

    লিফটে নয়, সিড়ি ভেঙ্গে ওরা নিচে নেমে এল। নামতে নামতে প্রচণ্ড বিস্ময়ে অর্ক বলল, ‘তুমি দু লাখ টাকা ছেড়ে দিলে মা, কেন?’, মাধবীলতা বলল, তোর বাবাকে জিজ্ঞাসা কর।’

    ‘তুমিই বল না। ওই টাকা থাকলে তোমাকে আর কষ্ট করতে হতো না, আমরা অনেক ভাল জায়গায় থাকতে পারতাম। অর্ক মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে দেখল সেই মুখ থমথম করছে। ড্রাইভার ওদের পথ চিনিয়ে গাড়ির কাছে নিয়ে গেল। অনিমেষ আর পরমহংস পেছনের সিটে বসে গল্প করছে। ওদের দেখে পরমহংস ঠাট্টা করল, ‘ওঃ, এত দেরি করলে, খুব খেয়েছ মনে হচ্ছে। আমাদের এক ভাঁড় চা জোটেনি।’

    মাধবীলতা অনিমেষের মুখোমুখি হল, ‘উনি জলপাইগুড়ির বাড়ির অংশ লিখে দিতে চান।’

    ‘সেকি! না, না, তুমি রাজি হওনি তো!’ অনিমেষ আঁতকে উঠল।

    ‘উনি অর্ক এবং তোমার বাবা মায়ের জন্যে আমাকে দু লক্ষ টাকা দিতে চান। আমি এড়াতে চেয়েছিলাম শেষ পর্যন্ত—।’

    ‘তুমি পাগল হয়েছ লতা! শেষ পর্যন্ত দান নেবে?’ অনিমেষের গলায় অবিশ্বাসের সুর।

    মাধবীলতা পরমহংসকে বলল, ‘এই যাও না, একটা ট্যাক্সি ডেকে আনো। তোমাকে আমি ভাঁড়ের চা খাওয়াবো কথা দিচ্ছি। এদের গাড়িটা আর আটকে রাখা উচিত নয়।’

    অর্ক অবাক হয়ে মায়ের মুখ দেখছিল। এত সুন্দর, দুর্গার মত মা কি করে দেখতে হয়ে গেল?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালবেলা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Our Picks

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }