Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫০. সারাটা রাত হাসপাতালের বারান্দায়

     পঞ্চাশ

    সারাটা রাত হাসপাতালের বারান্দায় কেটেছে এবং কি আশ্চর্য, ভোরের দিকে বসেই বসেই ঘুমিয়ে পড়েছিল অর্ক। হঠাৎ সংবিৎ ফিরতেই সে উঠে দাঁড়াল। কাল রাত্তিরে অনেক চেষ্টা করেও সে মায়ের কাছে পৌঁছতে পারেনি। কড়া নিয়মকানুনগুলোকে সে মানতে বাধ্য হয়েছিল। কিন্তু তিন নম্বরের ঘরে বসে যা হয়নি এখানে এসে তা হয়েছিল। মনের ছটফটানিটা কমেছিল। এই বিশাল বাড়ির একটা ঘরের বিছানায় মাধবীলতা শুয়ে আছে আর সে তারই কাছাকাছি বারান্দায়—এটাই যেন অনেকটা আরামের মনে হয়েছিল। মা এখন হাতের মধ্যেই, এই বোধ তাকে নিশ্চিত করেছিল। একটা মানুষের জন্যে আর একটা মানুষের বুকের মধ্যে এই যে একধরনের আঁচড়কাটা শুরু হয় এবং তার একটা মানানসই সান্ত্বনায় না আসা অবধি যে উপশম হয় না তাকে কি বলে? অর্ক যেন এসবই বুঝতে পারছে। এইভাবে সে ভাবতে পারত না আগে, বড্ড তাড়াতাড়ি সে অন্য মানুষের চেয়ে বড় হয়ে যাচ্ছে। আর কি আশ্চর্য, নিজেকে বড় ভাবতে ভাল লাগছে তার।

    ভাঁড়ের চা হাতে নিয়ে সে হাসপাতালটাকে দেখছিল। চারধারে কেমন ঢিলে ঢিলে ভাব। অথচ এর মধ্যেই কিছু মানুষ আউটডোরের সামনে জড় হয়েছে। সেই লোকটা কোথায়? যে সব মুশকিল আসান করে দেয় এই হাসপাতালে! অর্ক তাকে দেখতে পেল না।

    শরীর থেকে বিচ্ছিরি গন্ধ বের হচ্ছে। জামাকাপড় বেশ ময়লা। আজকাল ঠিকঠাক কাচাকুচি হয় না। নিজের দিকে তাকিয়ে শরীর গুলিয়ে উঠল। এত ময়লা পোশাকে সে ঘুরে বেড়াচ্ছে? অর্ক বসার জায়গা পাচ্ছিল না। এখন স্বচ্ছন্দে বারান্দায় বসতে পারল। অনেক লোক এখানে বসে আছে এবং তাদের পোশাক ও চেহারা দেখলে বোঝা যায় যে কোনরকম মানসিক খুঁতখুঁতুনি নেই। যে-কোন পরিবেশেই এরা হাঁটু গেড়ে বসে ভবিতব্যের জন্যে অপেক্ষা করতে পারে।

    সকালবেলায় হাসপাতালের ভেতরটা অন্যরকম দেখায়। টাটকা ওষুধের গন্ধ এবং একটা অগোছালো ঘরোয়া ভাব বেশ টের পাওয়া যায় ভেতরে ঢুকলে। এমনকি রুগীদের চেহারাও স্বাভাবিক দেখায়। অর্ক মাধবীলতার কাছে যাওয়ার অনুমতি যখন পেল তখন রুগীদের ছিমছাম করে দেওয়া হয়েছে। মায়ের বিছানার সামনে গিয়ে অর্কর হৃৎপিণ্ড যেন লাফিয়ে উঠল। মাধবীলতা বালিশে পিঠ দিয়ে আধো-শোওয়া হয়ে আছে। ওকে দেখামাত্রই মিষ্টি হাসি ছড়িয়ে পড়ল মুখে। অর্ক মুগ্ধ চোখে মায়ের দিকে তাকিয়েছিল। মুখের চামড়া সাদা, সমস্ত দেহে ক্লান্তি এঁটে বসেছে অথচ মুখখানায় একটু হাসি প্রতিমার মত সৌন্দর্য এনেছে। ছেলে দাঁড়িয়ে আছে দেখে মাধবীলতা চোখ ছোট করল, ‘কি হল, আয়!’

    অর্ক পায়ে শক্তি পাচ্ছিল না। মাকে দেখা মাত্র তার সব দুশ্চিন্তা যেন মুহূর্তেই উধাও হয়ে গিয়েছে কিন্তু অদ্ভুত একটা অবসাদ তাকে গ্রাস করল। তার মা যদি এত ভাল তাহলে সে বাস্টার্ড হয় কি করে? কেন তার কোন মূল্যবোধ থাকবে না? সঙ্গে সঙ্গে ভেতর থেকে কেউ প্রতিবাদ করল, কে বলেছে তা নেই? না থাকলে মাকে দেখামাত্র বুকের ভেতরটা এমন টনটন করবে কেন? এমন আনন্দিত হবে কেন? হঠাৎ সে আবিষ্কার করল কেউ বাস্টার্ড হয়ে জন্মায় না, জন্মাবার পর তার আচরণ তাকে বাস্টার্ড করে তোলে।

    মাধবীলতার বিস্ময় বাড়ছিল। সে আবার ডাকল, ‘কি রে?’

    এবার অর্ক কাছে এল। এবং কাছে আসবার সময় সে আবেগের শিকার হল। তার গলার স্বর কেঁপে উঠল, ‘কেমন আছ?’

    ‘আমি ভাল আছি। দ্যাখ না আমার কোন ব্যথা নেই। সকাল থেকে নার্সকে দু’বার বললাম আমায় ছেড়ে দিতে কিন্তু শুনতেই চাইছে না। কি জ্বালা!’ মাধবীলতা হাসল এবং তারপরেই গম্ভীর হল, ‘কিন্তু তোর কি হয়েছে?’

    অর্ক অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করল, ‘আমার আবার কি হবে?’

    ‘আয়নার সামনে দাঁড়িয়েছিস এর মধ্যে? ছি ছি।’ মাধবীলতা ঠোঁট কামড়াল।

    অর্ক হতভম্ব হয়ে নিজের দিকে তাকাল। মাকে দেখতে এসে যে আক্রান্ত হতে হবে তা কল্পনা করেনি সে। লজ্জিত ভঙ্গীতে অর্ক বলল, ‘জামাপ্যান্টের কথা বলছ? ময়লা হয়ে গেছে, না?’

    ‘ময়লা? ওগুলো কোন ভদ্রলোক গায়ে দিতে পারে? কাল সারা দিন স্নান করিসনি? চুল আঁচড়াসনি? ইস, কি চেহারা হয়েছে তোর?’ মাধবীলতা ছেলের কাঁধে হাত দিল। বিছানার পাশের টুলটায় ততক্ষণে বসেছে অর্ক।

    ‘ছেড়ে দাও তো আমার কথা!’ অর্ক মাথা নাড়ল।

    ‘কেন, ছাড়ব কেন? দুদিন আমি না থাকলে যদি তোমার এই অবস্থা হয় তাহলে লোকে বলবে কি? মায়ের আদরে ছেলে এতকাল খোকা হয়ে ছিল!’

    ‘বেশ ছিলাম তো ছিলাম।’

    ‘কাল কোথায় খেয়েছিলি?’

    অর্ক এবার হেসে ফেলল, ‘আমি কি এখনও ছেলেমানুষ আছি যে এসব প্রশ্ন করছ? ঠিক আছে, বিকেলে যখন আসব তখন দেখবে কি ফিটফাট।’

    মাধবীলতা ছেলের গালে হাত রাখল। অর্কর মুখে এখন লাল-কালোয় মেশানো লোম যা আর কিছুদিনের মধ্যেই দাড়ির চেহারা নেবে। যদিও এখন তা খুবই নরম এবং সুন্দর দেখায় তবু আঙ্গুলের ডগা মাধবীলতাকে মনে করিয়ে দিল ছেলে বড় হয়েছে।

    মাধবীলতা জিজ্ঞাসা করল, ‘কাল রাত্রে ঘুমিয়েছিলি?’

    ‘বা রে, ঘুমাবো না কেন?’

    ‘আমাকে এখান থেকে কবে ছাড়বে খোঁজ নে তো! আর ভাল লাগছে না। শরীরে যখন কোন অসুবিধে নেই তখন এখানে খামোকা পড়ে থাকব কেন? আর কিইবা এমন হয়েছিল যে সাততাড়াতাড়ি আমাকে হাসপাতালে নিয়ে এলি?’

    ‘তুমি অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলে।’

    ‘ও কিছু নয়, অম্বল টম্বল থেকে এসব হয়।’

    ‘তোমাকে এরা কিছু বলেনি?’

    ‘না তো।’

    অর্ক অস্বস্তিতে পড়ল। মাকে সব কথা খুলে বলা ঠিক হবে কিনা কে জানে। অসুস্থ মানুষকে নাকি অসুখের বিবরণ জানাতে নেই। মাধবীলতা ছেলের হাত ধরল, ‘কি হয়েছে আমার? কি বলেছে এরা?’

    ‘তুমি এতকাল খুব অনিয়ম করেছ, খাওয়া দাওয়া করোনি। তোমার পেটে বেশ বড় ঘা হয়েছে। আজকালের মধ্যে অপারেশন করবে। অপারেশন না করলে তুমি বাঁচবে না। কিন্তু তোমার শরীরে রক্ত এত কম যে—।’ অর্ক চুপ করে গেল।

    মাধবীলতা অর্কর হাতটা মুঠোয় ধরেছিল। এবার সেটাকে ছেড়ে হাসল, ‘তুই ওরকম মুখ করে কথা বলছিস কেন? আমি কি মরে গেছি?’

    অর্ক বলল, ‘তুমি সত্যিই অদ্ভুত। আমাদের খাইয়েছ আর নিজে খাওনি? শরীরের রক্ত কমে গেছে সেকথা তুমি জানতে না?’

    মাধবীলতা চোখ বন্ধ করল, ‘বাংলাদেশের কটা মেয়ের শরীরে ঠিকঠাক রক্ত আছে!’ তারপর চোখ খুলে বলল, ‘যাক এসব কথা। কিন্তু তুই একা এসব ঝামেলা সামলাবি কি করে? তার চেয়ে হোমিওপ্যাথি করালে ভাল হত।’

    শক্ত মুখে অর্ক বলল, ‘কি করলে ভাল হত তা তোমাকে চিন্তা করতে হবে না। আর আমি একা হব কেন? তোমার স্কুলের টিচার্সরা এসেছিলেন, পরমহংসকাকু আছে। দেখো কোন অসুবিধে হবে না।’

    ‘টিচার্সরা এসেছিল? কে কে?’

    অর্ক বিশদ ব্যাখ্যা করল। সৌদামিনীর পরিচিত ডাক্তার অতএব কোন ভয় নেই। টাকা পয়সা যা লাগে তা ওঁরাই দেবেন। মাধবীলতার এসব নিয়ে মোটেই মাথা ঘামাতে হবে না। মাধবীলতা ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আমি যখন এখানে পড়ে থাকব তখন তোর চলবে কি করে? তুই কার কাছে থাকবি? কি খাবি?’

    ‘আমি আমার কাছেই থাকব। আর কোলকাতায় সব খাবার পাওয়া যায়।’

    মাধবীলতা ঠোঁট দাঁতে চাপল, ‘আমার সুটকেসটা খুলে দেখবি বাঁ দিকের কোনায় কিছু টাকা আছে। দুশো টাকার মত। ওটা নিয়ে সাবধানে খরচ করবি। বাড়িতে স্টোভে ফুটিয়ে নিতে যদি পারিস তাহলে সবচেয়ে ভাল হয়। হোটেলের রান্না তোর সহ্য হবে না। আর খুব সাবধানে থাকবি। পাড়ার কোন ঝামেলার মধ্যে যাবি না।’

    ‘আচ্ছা।’ অর্ক মাথা নাড়ল।

    ‘আর হ্যাঁ, পড়াশুনা কর। এখন তো কোন ঝামেলা রইল না। সকাল বিকেল আমাকে দেখতে আসা ছাড়া অফুরন্ত সময় পাচ্ছিস। মন দিয়ে পড়াশুনা কর যাতে আমি সবাইকে বলতে পারি স্কুলে না গিয়েও আমার ছেলে ভালভাবে পাশ করেছে। আমি তোর পরীক্ষা দেবার সব ব্যবস্থা করে এসেছি।’

    ‘তুমি বলছ যখন তখন আমি পড়ব, পরীক্ষা দেব।’

    ‘তুই নিজের ভেতর থেকে কোন তাগিদ পাস না, না?’

    ‘না মা। টাকা রোজগার করার জন্যে যদি পড়াশুনা করতে হয় তাহলে সেটা না করেও উপার্জন করা যায়। হ্যাঁ, বড় চাকরি পাওয়া যায় না একথা ঠিক কিন্তু চাকরি যারা করে তারা আর কত রোজগার করে?

    ‘চাকরি ছাড়া আর কি করে উপার্জন করবি? ব্যবসা করে? তার জন্যে টাকার দরকার। এছাড়া আছে গুণ্ডামি আর ডাকাতি? নিশ্চয়ই শেষদুটো করবি বলছিস না?’

    ‘কি করব আমি জানি না। তবে তুমি নিশ্চিন্ত হও এবার আমি পরীক্ষা দেব। আমি এমন কাজ করব না যাতে তুমি দুঃখ পাও।’

    ‘সত্যি?’ মাধবীলতা উদ্ভাসিত হল।

    ‘হ্যাঁ। কিন্তু মা, তুমি তাড়াতাড়ি সেরে ওঠো। তোমাকে ছাড়া আমার একটুও ভাল লাগে না। আমার কোন বন্ধু নেই, কোন আত্মীয় নেই—।’ অর্কর জিভ আড়ষ্ট হয়ে গেল। মাধবীলতার দুচোখের কোলে টলটলে জল, চোখের পাতা বন্ধ হতেই গাল ভিজিয়ে গড়িয়ে পড়ল নিচে।

    আর তখনই গম্ভীর গলা শুনতে পেল অর্ক, ‘কি ব্যাপার কান্নাকাটি কেন?’

    মুখ ফিরিয়ে সে পরমহংসকে দেখল, দেখে টুল ছেড়ে উঠে দাঁড়াল। পরমহংসর উপস্থিতি মাধবীলতাকেও সচেতন করেছিল। কারণ সে চট করে চোখের জল মুছে ফেলে হাসবার চেষ্টা করল, ‘কেমন আছো?’

    পরমহংস হাঁ হয়ে গেল, ‘যাঃ বাবা। হাসপাতালের বিছানায় নিজে শুয়ে আমাকে জিজ্ঞাসা করছ কেমন আছি? চমৎকার। তা ম্যাডাম, এই রোগটা তো পাকামি না করলে হয় না। খুব স্যাক্রিফাইস করেছ না? এখন বোঝ ঠ্যালা। সব রিপোর্ট এসে গিয়েছে?’ শেষ প্রশ্নটা অর্কর উদ্দেশে।

    অর্কর গলা ধরেছিল, ‘আমি জানি না।’

    তার দিকে তাকিয়ে পরমহংস জিজ্ঞাসা করল, ‘ডাক্তার খোঁজ নিতে আসেনি?’

    এবার মাধবীলতা জবাব দিল, ‘সব দেখাশোনা হয়েছে। নার্স বলেছে তোমাদের অফিসে খোঁজ খবর নিতে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম কিন্তু ভাঙ্গতে চাইল না।’

    পরমহংস চিন্তিত হল, ‘সকালে ডাক্তার বসে নাকি! তুমি বসো অর্ক, আমি দেখে আসি।’

    মাধবীলতা বলল, ‘ঠিক আছে, ওসব পরে হবে। তোমরা এমন করছ যেন আমি মরতে বসেছি। আমি তো এখন ভাল আছি। কোন অসুবিধে নেই। খোকা, তুই কিন্তু ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করবি আমাকে আজ ছেড়ে দেবে কিনা। এখানে আর মোটেই ভাল লাগছে না।’

    ঠিক এইসময় ওরা সৌদামিনীকে দেখতে পেল। অর্ক একটু অবাক হল, সকালবেলায় সৌদামিনীর আসার কথা ছিল না। তাঁর ভারী শরীর নিয়ে তিনি দ্রুত পায়ে কাছে হেঁটে এসে বললেন, ‘বাঃ, বেশ তো উঠে বসেছ। তা তলে তলে এরকম একটা রোগ বাধিয়ে বসে আছ টের পাওনি?’

    ‘কি রোগ?’ মাধবীলতা হাসবার চেষ্টা করল। ওকে এখন সঙ্কুচিত দেখাচ্ছিল।

    ‘ন্যাকা, জানো না কি রোগ? শোন, আজ সকালে ডাক্তারের সঙ্গে কথা হল। অপারেশন ছাড়া কোন উপায় নেই। এসব ব্যাপার নিয়ে একটুও চিন্তা করো না, সুধীরের হাত খুব ভাল।’ কথা বলতে বলতে ঝোলা থেকে একটা ছোট তোয়ালে চিরুনি পাউডারের কৌটো আর সাবান বের করলেন সৌদামিনী। ওগুলোকে পাশের ছোট আলমারিতে রেখে বললেন, ‘শুধু আমাদের ভরসায় থাকলে তো চলবে না, স্বামীকে খবর দিয়েছ?’

    অর্ক চট করে মায়ের মুখ দেখল। চোয়াল শক্ত হয়ে গেছে মাধবীলতার। তারপরেই ঠোঁটের কোণে ভাঁজ পড়ল তার, একটু যেন হাসল, ‘আমার তাহলে অপারেশন হচ্ছেই।’

    ‘হ্যাঁ হচ্ছে। এইটে মাথার নিচে রাখবে। না, মাথার নিচে থাকলে তো চলবে না। আমি আবার লালসুতো আনতে ভুলে গেলাম। আচ্ছা এখন জামার মধ্যে রাখো তো। ধরো, মাথায় ছুঁইয়ে নাও।’ ছোট্ট বেলপাতায় মোড়া একটা ফুল সন্তর্পণে এগিয়ে দিলেন সৌদামিনী মাধবীলতার হাতে।

    মাধবীলতা সেটাকে ধরে বিস্ময়ে জিজ্ঞাসা করল, ‘এটা কি?’

    ‘ইয়ার্কি মেরো না। বাঙালির মেয়ে হয়ে চিনতে পারছ না, না? খুব জাগ্রত কালী, সঙ্গে থাকলে কোন অমঙ্গল হবে না। সুধীরের হাত যদিও ভাল তবু সাবধানের মার নেই। অপারেশনের সময় ওটাকে সঙ্গে রাখবে। আমি চলি।’

    মাধবীলতা যেন সাপ দেখছে। সৌদামিনীর চরিত্র এবং চেহারা যেন হঠাৎ বদলে গেছে তার কাছে। সে জিজ্ঞাসা করল, ‘এসব আপনি বিশ্বাস করেন?’

    ‘যা বলছি তাই করো। আমি কি করি না করি তাতে তোমার কি দরকার? হ্যাঁ, আপনার নাম কি যেন?’

    ‘পরমহংস।’

    ‘এরকম নাম কারো হয় নাকি? পরমহংস, মানে—।’

    ‘বক। চুপচাপ একপায়ে জলার ধারে দাঁড়িয়ে থাকে।’ হাসল পরমহংস।

    ‘উস্‌। রসবোধ আছে দেখছি। আপনি আসুন আমার সঙ্গে। অফিসে গিয়ে খোঁজখবর নিই। রক্ত লাগবে বলল সুধীর। আসুন।’

    সৌদামিনী হাঁটা শুরু করতেই পরমহংস মাধবীলতার দিকে তাকিয়ে হাসল, ‘তাড়াতাড়ি ভাল হয়ে ওঠো। আমরা আছি, কোন চিন্তা নেই। আর হ্যাঁ, কাল রাত্রে আমি অনিমেষকে টেলিগ্রাম করে দিয়েছি।’

    ওরা চলে গেলে অর্ক চুপচাপ দাঁড়িয়েছিল। শেষ কথাটা শোনার পর মায়ের মুখের চেহারা হঠাৎ পাল্টে গেল। রক্তশূন্য, সাদা কাগজের মত দেখাচ্ছে এখন। কেমন নিথর হয়ে শুয়ে রয়েছে। দুটো চোখ বন্ধ। এমন কি সে যে পাশে দাঁড়িয়ে আছে সেটাও খেয়ালে নেই। অর্ক টুলটা টেনে নিয়ে বসল। তারপর খুব নিচু গলায় ডাকল, ‘মা!’

    মাধবীলতা চোখ খুলল না, ‘খোকা, আমি যদি আর ফিরে না যাই তোর খুব কষ্ট হবে, না? কি করি বল তো?’

    অর্কর সারা শরীরে কাঁপুনি এল। সে কোন কথা বলতে পারল না।

    কিছুক্ষণ আবার চুপচাপ। শেষপর্যন্ত মাধবীলতাই বলল, ‘না, আমি মরব না। মেয়েরা এত সহজে মরে না। মরলে তো সব ফুরিয়ে গেল। তুই ভাবিস না খোকা।’

    এইসময় দুজন নার্সকে নিয়ে একজন হাউস সার্জেন এগিয়ে আসতেই অর্ক উঠে দাঁড়াল। হাউস সার্জেন জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কি খবর, কেমন আছেন? আরে, আবার কান্নাকাটি কেন? ব্যথা লাগছে?’

    মাধবীলতা নীরবে মাথা নাড়ল কিন্তু চোখের জল মোছার চেষ্টা করল না।

    অর্ক দেখল একজন নার্স তাকে ইশারা করছে চলে যাওয়ার জন্যে। মায়ের কাছ থেকে উঠে যেতে তার বিন্দুমাত্র ইচ্ছে করছিল না। এইসময় মাধবীলতা বলল, ‘খোকা, একটা কাজ করতে পারবি?’

    ‘বল!’ অর্ক ঠোঁট টিপল।

    ‘একটা টেলিগ্রাম করে দে এখনই, ব্যস্ত হয়ে আসার দরকার নেই, আমি ভাল আছি।’

    মাধবীলতার গলার স্বরে ডাক্তারও চমকে তাকালেন। অর্কর খুব ইচ্ছে করছিল মাকে জড়িয়ে ধরতে। ওর মনে হচ্ছিল এই শেষবার মাকে সে সুস্থ মানুষের মত দেখতে পাচ্ছে। আজ যদি অপারেশন হয় এবং—। ও আর কিছু ভাবতে পারছিল না। কিন্তু কি আশ্চর্য, ও বেশ সহজেই মায়ের কাছ থেকে একটু একটু করে দূরে সরে এল। লম্বা বারান্দা দিয়ে আচ্ছন্নের মত হাঁটতে লাগল অর্ক। প্রতিটি পদক্ষেপের সঙ্গে সঙ্গে মাধবীলতার সঙ্গে দূরত্ব বেড়ে যাচ্ছে তার।

    যা করবার সব পরমহংসই করল। সৌদামিনী হুকুম দিয়ে স্কুলে চলে গিয়েছিলেন। বারোটা নাগাদ হাসপাতালের বাইরে দাঁড়িয়ে পরমহংস জিজ্ঞাসা করল, ‘কোথায় যাবে?’

    ‘স্নান করব।’ অর্ক জবাব দিল, ‘আমার কিছুই ভাল লাগছে না।’

    পরমহংস ওর কাঁধে হাত দিল। তারপর খুব সান্ত্বনা দেবার গলায় বলল, ‘মন শক্ত করো। তোমার মা ভাল হয়ে যাবে।’

    অর্ক কোন কথা বলল না। পরমহংস রাস্তাটা দেখল, ‘সকাল থেকেই তো এখানে বসে আছ, খাওয়া দাওয়া করেছ?’

    ‘আমার খেতে ভাল লাগছে না।’

    ‘কি পাগলামি করছ! তুমি আমার ওখানে চল। স্নান করে খেয়ে বিশ্রাম নিয়ে বিকেলে একসঙ্গে ফিরব।’ পরমহংস প্রায় হুকুমের গলায় বলল।

    অর্ক মাথা নাড়ল, ‘না, এই জামাপ্যান্ট খুব ময়লা হয়ে গিয়েছে। আপনি চিন্তা করবেন না। আমি বাড়িতে যাচ্ছি।’

    পরমহংস ওর দিকে তাকাল। সত্যি খুব নোংরা দেখাচ্ছে অর্কর পোশাক। সে জিজ্ঞাসা করল, ‘খাবে কোথায়?’

    অর্ক হেসে ফেলল, ‘আমি দোকানে খেয়ে নেব। চলি।’ তারপর ব্রিজের দিকে হাঁটতে লাগল। কয়েক পা গিয়ে অর্কর কথাটা মনে পড়তেই ঘুরে দাঁড়াল। সে দেখল পরমহংস তখনও সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে তার যাওয়া দেখছে। সে চিৎকার করে জিজ্ঞাসা করল, ‘আপনি কি সত্যি কাল টেলিগ্রাম করেছিলেন?’

    ‘টেলিগ্রাম, ও হ্যাঁ। কাল রাত্রে করেছি। মনে হয় আজ সকালেই পেয়ে গেছে। কেন?’

    ‘মা বলেছেন আর একটা টেলিগ্রাম পাঠিয়ে ওঁকে আসতে নিষেধ করতে।’

    পরমহংস খুব অবাক হয়ে গেল, ‘সে কি! কেন? এইসময় তো অনিমেষের আসা উচিত।’

    ‘আমি জানি না।’ কথাটা বলে অর্ক আর অপেক্ষা করল না। হন হন করে ব্রিজের ওপর দিয়ে হাঁটতে লাগল। ওর মনে হচ্ছিল একটা দায়িত্ব মাথার ওপর থেকে নেমে গেল। মায়ের অনুরোধ রাখতে তাকে টেলিগ্রাম করতেই হত।

    মা ভাল আছে এই মিথ্যে কথাটা সে লিখতে পারত না। অতএব যে প্রথম টেলিগ্রামটা পাঠিয়েছিল তার ওপর দায়িত্বটা দিয়ে সে হালকা হয়ে গেল।

    বেলগাছিয়ার মুখটায় আসতেই অর্কর জিভে একটা তেতো স্বাদ উঠে এল। পিত্তি পড়ে গেলে এমনটা হয় নাকি? ঠিক তখনই তিনটে ছেলে রাস্তার উল্টোদিক থেকে পায়ে পায়ে তার সামনে এসে দাঁড়াল। তিনজনের চেহারা এবং মুখভঙ্গী দেখে অর্কর বুঝতে বাকি রইল না এরা কোন জাতের। কিন্তু অর্ক বিস্মিত হচ্ছিল এই ভেবে যে তার ওপর এদের রাগ কেন?

    ‘তোর নাম কি বে? অক্ক?’

    অর্ক সতর্ক চোখে দেখল একজনের হাত গেঞ্জির মধ্যে ঢোকানো। সেখানে যে-কোন যন্তর থাকতে পারে। সে বুঝতে পারছিল রাস্তার দুধার থেকে লোকজন সরে যাচ্ছে নিঃশব্দে। এই তিনটেই যে পেশাদারী খুনী তা বুঝতে অসুবিধে হচ্ছে না। কি করা যায় ভেবে পাচ্ছিল না অর্ক। তবে এদের সঙ্গে লড়াই করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। সে নিচু গলায় জিজ্ঞাসা করল, ‘কেন অর্ককে কি দরকার?’

    ছেলেটার মুখ বেঁকে গেল, ‘কিমা বানাবো। শালা কয়লাদার—।’ এইটুকু বলেই সামনে নিল ছেলেটা। তারপর মুখে বিকট চিৎকার করে ছুটে এল অর্কর দিকে। অর্ক শুধু ওর নড়াচড়ার আরম্ভটুকু দেখতে পেয়েই দৌড় শুরু করেছিল। ওদের তিনজনের ফাঁক দিয়ে যে অর্ক দৌড়াবে এটা বোধহয় মাথায় আসেনি কারণ তিনটে ছেলেই একটু থিতিয়ে গিয়ে ওর পিছু নিল। তিনজনেই উৎকট শব্দ করছে ছোটার সময়। যেন একটা মুরগির পিছু নিয়েছে তিনটে খ্যাঁকশেয়াল এরকম ভঙ্গী তিনজনের। অর্ক ঈশ্বরপুকুরের মুখে চলে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। মৃত্যুভয় মানুষের গতি বাড়িয়ে দেয়। অর্ক মরিয়া হয়ে ছুটছিল বলে ব্যবধান বাড়ছিল। এইসময় ছেলেটা অদ্ভুত কায়দায় শূন্যে হাত ঘোরালো ছুটতে ছুটতে। আর তীব্রগতিতে রোদ চলকে যেটা ভেসে গেল সামনে সেটা বিদ্ধ হল অর্কর বাঁ কনুইয়ের সামান্য ওপরে। সঙ্গে সঙ্গে অর্ক স্থির হয়ে গেল। প্রচণ্ড ব্যথা এবং সেইসঙ্গে বেরিয়ে আসা রক্ত তার চিন্তাশক্তিকে অবশ করে দিলেও সে আবার দৌড় শুরু করল ওই অবস্থায়।

    রক্ত বোধহয় মানুষের চেতনাকে খুব জলদি জাগিয়ে দেয়। একটা ছেলেকে তিনজনে মিলে ধাওয়া করে ছুরি মেরেছে এই দৃশ্য চোখের ওপর দেখে কিছু মানুষ চিৎকার করে উঠল। সেই চিৎকার অনুসরণকারীদের পায়ের জোর কমাল। অর্ক তখন ঈশ্বরপুকুরে পৌঁছে গেছে। গলির মুখে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকটা ছেলে অর্ককে ওই অবস্থায় দেখতে পেয়ে সামনে এসে দাঁড়াতেই ওরা থেমে গেল। একজন চিৎকার করে উঠল, ‘যা শালা, খুব বেঁচে গেলি। কয়লাদার গায়ে হাত? সাবধান করে দিচ্ছি, তিনদিনে ঈশ্বরপুকুর জ্বালিয়ে শ্মশান করে দেব।’

    কথাটা শেষ হওয়ামাত্রই একটা অন্যরকম প্রতিক্রিয়া হল। বিস্মিত এবং স্থবির জনতা যেন হঠাৎই জেগে উঠে তেড়ে গেল ছেলে তিনটের দিকে। তিনজন এরকমটা হবে আশা করেনি। ওরা পালাবার চেষ্টা করল। দুজন ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে সীমানা ছাড়ালেও একজন শেষপর্যন্ত ধরা পড়ল।

    এর মধ্যে ঈশ্বরপুকুরে খবরটা ছড়িয়ে পড়েছে। অর্ককে কয়লার লোক ছুরি মেরেছে শুধু এই খবরটাই তিন নম্বরের মানুষগুলোকে উত্তেজিত করল। ধরাপড়া ছেলেটিকে প্রায় আধমরা করে তিন নম্বরের সামনে ফেলে রাখা হয়েছে। তাকে ঘিরে উৎসুক মানুষের ভিড়। চারধারে উত্তেজিত আলোচনা।

    ছুরিটা অর্কর বাঁ হাতের মাংসে বিদ্ধ হয়েছিল। হাড়ে লাগেনি। ঈশ্বরপুকুরের ডাক্তারবাবু সেটাকে বের করে বললেন, ‘হাসপাতালে নিয়ে গেলে ভাল হত। আমি ব্যাণ্ডেজ করে দিচ্ছি আপাতত। কিন্তু হাসপাতালে দেখিয়ে নেওয়া দরকার।’

    কিন্তু ঈশ্বরপুকুরে উত্তেজনা বেড়ে চলল। কেউ কেউ চাইছে অর্ধমৃত ছেলেটিকে শেষ করে দিতে। সতীশদা আর সুবল জনতাকে সামলে রাখার চেষ্টা করছে। অর্কর খুব দুর্বল লাগছিল। তার হাত খুব ব্যথা করছে, পেটে কেমন যেন অস্বস্তি। কিন্তু তার একটুও রাগ হচ্ছিল না। সাক্ষাৎ মৃত্যুর হাত থেকে বেরিয়ে এসে কেমন যেন ফাঁকা লাগছিল।

    সুবল জিজ্ঞাসা করল, ‘কি করা যায় বলুন তো!’

    অর্ক বলল, ‘আমরা প্রতিবাদ করব।’

    ‘কিভাবে?’

    ‘আমাদের এলাকা থেকে সমস্ত সমাজবিরোধীদের বের করে দিয়ে।’

    ‘কিন্তু তা কি সম্ভব? এপাড়া থেকে বেরিয়ে পাশের পাড়ায় তারা আশ্রয় নেবে।’

    ‘পাশের পাড়ার মানুষ যদি তাদের বের করে দেয় তাহলে তারা কোথায় যাবে? সতীশদা, আপনি শুধু বলুন কোনরকম দলবাজি ছাড়া আমরা এই কাজটা করতে পারি কিনা।’ অর্ক সতীশদাকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করল।

    সতীশ একমুহূর্ত ভাবল। তারপর মাথা নাড়ল, ‘ঠিক আছে। তবে মনে রাখা দরকার সি পি এম যেমন নয়, কংগ্রেস বা অন্য কোন দলের আন্দোলন নয়, এ এলাকার শান্তিপূর্ণ মানুষের আন্দোলন। এতে আমি অন্যায় কিছু দেখছি না।’

    সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার উঠল, ‘সমাজবিরোধীর কালো হাত ভেঙ্গে দোও। কয়লা গুণ্ডা নিপাত যাক।’

    অর্ক বলল, ‘কিন্তু সতীশদা, এভাবে হবে না। আপনারা একটা শান্তিকমিটি তৈরি করুন এলাকার সমস্ত মানুষকে নিয়ে। শান্তিকমিটি যা বলবে আমরা তাই শুনব।’

    এই সময় খবর এল দুটো পুলিসের ভ্যান ঈশ্বরপুকুরের মুখে এগিয়ে এসেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালবেলা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Our Picks

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }