Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫১. কাঁধ টনটন করছে

     একান্ন

    কাঁধ টনটন করছে, ছুরিটা যদিও বেশী ঢোকেনি কিন্তু রক্ত বেরিয়েছে অনেকটা। ইনজেকশন এবং ওষুধের দৌলতে তাকে আর হাসপাতালে যেতে হবে না ধরে নিয়েছে অর্ক। তখন রক্ত দেখে ডাক্তারবাবু হাসপাতালের কথা বললেও অর্কর মনে হয়েছে ক্ষতটা তেমন মারাত্মক নয়। যদিও ব্যথা আছে, জায়গাটা আড়ষ্ট হয়ে আছে কিন্তু নিজের অসুবিধে তো বোঝা যায়।

    আজ ঈশ্বরপুকুর উত্তাল। কয়েক’শ মানুষ পুলিসের ভ্যান ঘেরাও করে রেখেছিল। সমাজবিরোধীদের এলাকা থেকে দূর করতেই হবে। পুলিসকে কথা দিতে হবে যাতে তারা সমাজবিরোধীদের মদত না দেয়। ছোট অফিসারদের কথায় কাজ হয়নি, লালবাজার থেকে বড় অফিসাররা এসে সেইরকম প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাওয়ার পর ওই অধমৃত ছেলেটিকে ওদের হাতে তুলে দেওয়া হল। এর মধ্যে একটা শান্তি কমিটি ঠিক হয়ে গেছে। যারাই সমাজবিরোধীদের বিরুদ্ধে তারাই শান্তি কমিটির সদস্য। এলাকার শিক্ষিত বিশিষ্ট ভদ্রজন যাঁরা এতকাল গোলমাল হলেই জানলা বন্ধ করে দিতেন তাঁরাও নেমে এসেছেন পথে।

    পুলিস চলে যাওয়ার পর একটা বিরাট দল নিয়ে গেল অর্ককে থানায়। ডায়েরি করতে হবে। প্রকাশ্যে হত্যার ষড়যন্ত্র। আজকে থানার চেহারা অন্যরকম। এত মানুষকে দেখে অফিসারদের সেই গা-ছাড়া ঔদাসীন্য নেই। অভিযোগে লেখা হল, সম্প্রতি ঈশ্বরপুকুর এলাকায় সমাজবিরোধীদের কাজকর্ম বেড়ে গিয়েছিল। কয়লা ওই এলাকায় সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিল এক শ্রেণীর পুলিসের সাহায্যে। গতরাত্রে কয়লা দলবল নিয়ে ঈশ্বরপুকুরে হামলা করে। তার প্রতিবাদ করায় কয়লার অনুচররা অর্ককে ছুরি মেরেছে। এই আঘাত প্রাণহানি ঘটাতে পারত।

    থানার অফিসার একটু ইতস্তুত করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল অভিযোগ লিপিবদ্ধ করতে কোন আপত্তি নেই, শুধু পুলিসের কথা উল্লেখ না করলেই হয়। কিন্তু সুবলরা কিছুতেই অন্য কথা বলতে না চাওয়ায় ওইভাবেই ডায়েরি করা হল।

    অর্কর শরীর ভাল লাগছিল না। কাঁধের ব্যথা এবং ক্লান্তি তার খিদেটাকেও চাপা দিয়েছিল। এবং আশ্চর্য, একটি ছুরির আঘাত তাকে রাতারাতি নায়ক তৈরি করে ফেলেছে যেটা তার পছন্দ হচ্ছে না। সে একটু বিশ্রাম চাইছিল। থানা থেকে বেরিয়ে অর্ক সোজা ঈশ্বরপুকুরে চলে এল।

    কিন্তু ব্যাপারটা ওখানেই থেমে থাকল না। ঈশ্বরপুকুরের মানুষের সঙ্গে বেলগাছিয়ার সাধারণ মানুষ মিলিত হয়ে গেল। তারপর সেই ক্ষুব্ধ মিছিল গিয়ে আছড়ে পড়ল পাশের পল্লীতে। কয়লার দোতলা বাড়িটি মুহূর্তেই লুণ্ঠিত হয়ে গেল। এতদিনের আক্রোশ মিটিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়ে জনতা পাগল হয়ে গেল। কয়লার স্ত্রী এবং বাবা মাকে করুণা করে বলা হল অবিলম্বে পাড়া ছেড়ে যেতে। তারপর জনতা খুঁজতে লাগল কয়লার চামচেদের। যারা এতকাল ওয়াগন লুঠ করার সঙ্গী ছিল, যারা তোলা তুলত কয়লার হয়ে, ছুরি এবং বোমার ভয়ে যাদের বিরুদ্ধে কেউ টুঁ শব্দ করার সাহস করত না এখন তাদের খুঁজে বের করার জন্যে সবাই মরিয়া হয়ে গেল। ঘন্টা দেড়েকের মধ্যে ঈশ্বরপুকুর এবং তার আশে পাশের এলাকা থেকে সমাজবিরোধী হিসেবে চিহ্নিত মানুষগুলো হয় পালিয়ে গেল দত্তবাগান কিংবা শ্যামবাজার এলাকায়।

    অর্ক এসব জানতো না। ঘন্টা দেড়েক নিঃঝুম পড়ে থেকে মনে হল মাথাটা পরিষ্কার হয়েছে। ঘরটা এখন নোংরা, অগোছালো। অর্ক চারপাশে তাকাল। একটুও ইচ্ছে করছে না উঠে পরিষ্কার করতে। আর তখনই খিদেটা ফিরে এল। এখন দুপুর শেষ হতে চলেছে। ঘরে কোন খাবার আছে বলে মনে পড়ছে না। মুখে একটা বিশ্রী তেতো স্বাদ।

    অসহায় চোখে অর্ক তাকাচ্ছিল কিন্তু যেন কিছুই তার চোখে পড়ছিল না। কোথা থেকে কি হয়ে গেল। আজ যদি মায়ের অপারেশন হয় তাহলে তার অনেক কাজ বেড়ে যাবে। কিন্তু ঘাড় যেমন টনটন করছে সে যে কিছু করতে পারবে এমন মনে হয় না। তাছাড়া এই ব্যাণ্ডেজ নিয়ে মায়ের সামনে যাওয়াও যাবে না। যতই শাটের নিচে চাপা থাক মা ঠিক বুঝতে পারবে। যে রক্ত শরীর থেকে বেরিয়ে গেল সেটা মায়ের জন্যে রাখতে পারল না সে। অর্কর শরীরে কাঁপুনি এল। নিজেকে ছিন্নভিন্ন নিঃস্ব মনে হচ্ছে।

    রান্নার বাসন যেখানে চাপা দেওয়া থাকে সেখানে উঠে এল অর্ক। ওগুলো এখনও নোংরা, ধোয়া হয়নি সময়মত। কৌটোগুলো খুলতে খুলতে অর্কর মুখে হাসি ফুটল। নিমকিগুলো একটু কালচে হয়ে গেছে। কবে কখন মা করে রেখেছিল জলখাবারের জন্যে। একটু গন্ধ হয়ে গেছে, ঠাণ্ডা তেলের চিমসে গন্ধ, কিন্তু অর্ক তৃপ্তির সঙ্গে খেতে গিয়ে আবিষ্কার করল এতে খিদেটা বেড়ে যাচ্ছে। ঘরে চাল আছে, স্টোভে তেলও আছে। এক হাতে বালতিটা ঝুলিয়ে বেরিয়ে আসতেই সে অনুপমাকে দেখতে পেল। ওদের ঘরের দরজায় পা ঝুলিয়ে বসে আছে। ওকে দেখতে পেয়ে অনুপমা জিজ্ঞাসা করল, ‘কেমন আছ?’

    অর্ক বলল, ‘ঠিক আছি।’

    ‘বালতি নিয়ে কি করবে?’

    ‘জল আনবো।’

    ‘দাও, আমাকে দাও। আমি এনে দিচ্ছি।’

    ‘কেন? আমিই পারব।’

    ‘থাক। আর একটু হলেই তো প্রাণ যেত। দেখি বালতিটা।’ প্রায় ছিনিয়ে নিয়ে চলে গেল অনুপমা। অর্ক আকাশের দিকে তাকাল। তামাটে আকাশে দুটো চিল পাক খাচ্ছে। রোদের তেজ নরম হতে চলেছে। কটা বাজল কে জানে। নিমকি খাওয়ার পর মুখটা আরও বিশ্রী লাগছে। যে কাঁধে ছুরি লেগেছিল সেদিকটা সামান্য নাড়াতে চেষ্টা করল। না তেমন লাগছে না। লাগলে ভাল হত। একটা কষ্ট অনেকসময় আর একটা কষ্টকে ঢেকে দেয়। ব্যথাটা বাড়লে খিদেটা থাকতো না। অনুপমা জল নিয়ে ফিরে এসে জিজ্ঞাসা করল, ‘কি হবে জল নিয়ে?’

    ‘কিছু না। এমনি।’

    ‘খেয়েছ?’

    অর্ক মাথা নাড়ল এমনভাবে যাতে দুইই বোঝায়। তারপর জলটা নিয়ে ঘরে ঢুকতে অনুপমা ফিরে গেল। স্টোভ জ্বেলে ভাত চাপিয়ে দিল অর্ক। ঘরে আর কিছুই নেই, সামান্য আলুও চোখে পড়ল না। স্টোভের শব্দ একধরনের তৃপ্তি এনে দিল মুহূর্তেই। কিছু একটা হচ্ছে এই ঘরে এই রকম বোধ এল ওই শব্দ থেকে।

    আজ স্নান করা যাবে না। অথচ স্নান জরুরী ছিল। বিশ্রী গন্ধ বের হচ্ছে শরীর থেকে। কাঁধের ব্যাণ্ডেজে জল লাগলে ক্ষতি হবে। কিন্তু ওটাকে বাঁচিয়ে যদি কিছু করা যায়। অর্ক জামা কাপড় ছাড়ল। তারপর কোনরকমে কলতলা থেকে পরিষ্কার হয়ে এল। হাতে পায়ে এবং মাথায় সামান্য জল দিলে যে পবিত্র আরাম হয় তা যেন এমন করে কোনদিন টের পায় নি অর্ক।

    পরিষ্কার জামাকাপড় পরে সে চেয়ারটায় বসল। এবং তখনই তার মনে হল আবার, পৃথিবীতে সে একা। এখন থেকে যা করবার তা তাকে একা একা করতে হবে। মা যাই বলুক পড়াশুনা করে সে কোনকালে চাকরি পাবে না। অথচ মাকে দেওয়া কথা রাখতে তাকে পরীক্ষা দিতে হবে। কিন্তু এভাবে যদি একটার পর একটা ঘটনায় সে জড়িয়ে পড়ে তাহলে পড়াশুনা করবে কখন। অপারেশনের পর তো মা অনেক দিন অসুস্থ হয়ে থাকবে। তখন তাদের চলবে কি করে। সে এই কদিনে অনেক বড় হয়ে গিয়েছে। আচমকা কেউ যেন তাকে টেনে বড় করে দিয়ে গেল। অতএব এখন থেকে তাকেই দায়িত্ব নিতে হবে যে। কিভাবে দায়িত্ব নেওয়া যায় তা সে জানে না। কিন্তু নিতে হবে এটা তো পরিষ্কার।

    ঘরের বাতাস এখন পাল্টে গিয়েছে। চমৎকার ভেতো গন্ধ বের হচ্ছে সসপ্যান থেকে। ঢাকনাটা নড়ছে। ঠিক তখনই একটা চাপা গলায় নিজের নাম শুনতে পেল সে, ‘অক্ক!’

    গলাটা চিনতে অসুবিধে হল না। সে ‘আয়’ বলতেই দরজা ঠেলে কোয়া যেন ছিটকে ঢুকে পড়ল। তার পেছনে বিলু। ঘরে ঢুকেই ওরা দরজা বন্ধ করে দিল।

    অর্ক ওঠার সুযোগ পেল না, তার আগে কোয়া প্রায় ঝাঁপিয়ে পড়ল ওর পায়ের ওপর, ‘গুরু আমাকে বাঁচাও। আমি সারা জিন্দেগী তোমার গোলাম হয়ে থাকব। গুরু, আমি কোন দোষ করিনি।’

    অর্ক পা সরাবার চেষ্টা করল কিন্তু পারল না। সে অস্বস্তিতে চিৎকার করল, ‘কি হচ্ছে, পা ছাড়।’

    ‘না গুরু, তুমি কথা দাও, ওরা আমাদের পেলে মেরে ফেলবে।’ ককিয়ে উঠল কোয়া। অর্ক দেখল ওর মুখে মৃত্যুভয় স্পষ্ট। কিন্তু বিলু কোন কথা বলছে না। ঠোঁট কামড়ে দরজায় ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

    ‘কারা মারবে?’

    ‘পাড়ার লোক আমাদের খুঁজছে আবার কয়লার পার্টিও পেলে শেষ করে দেবে।’

    ‘পাড়ার লোক তোদের খুঁজছে কেন?’

    ‘আমাদের সমাজবিরোধীদের লিস্টে ঢুকিয়ে দিয়েছে। গুরু, তুমি বাঁচাও।’

    ‘পা ছাড়।’

    কোয়া এবার সরে বসল। ওকে খুব ভীতু প্রাণীর মত মনে হচ্ছিল। অর্ক ওর দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করল, ‘কাল থেকে কোথায় ছিলি?’

    ‘গঙ্গার ধারে। আজকে সেখানে কয়লার ছেলেরা শেল্টার নিয়েছে তাই পালাতে হল। আমি মাইরি কসম খাচ্ছি, আর কখনও মাস্তানি করব না। আমি এই পাড়ায় ভদ্দলোকের মত থাকব। তুমি ওদের বলে দাও নাম কেটে দিতে।’

    কোয়া আবার ককিয়ে উঠল।

    প্রথমে অর্ক ব্যাপারটা বুঝতে পারছিল না। কয়লাকে ভয় পাওয়ার কারণ থাকতে পারে কিন্তু পাড়ার লোকদের কোয়া এত ভয় পাচ্ছে কেন? পাড়ার লোকদের অভিযোগ কোয়ার বিরুদ্ধে। তাকে ছুরি মারার জন্যে কয়লার ছেলেরা দায়ী। কোয়া তো কখনই কয়লার চেলা হিসেবে পরিচিত নয়। কিন্তু কোয়া যা বলল তাতে চমৎকৃত হল অর্ক। প্রথমে আক্রোশটা ছিল কয়লা এবং তার ছেলেদের ওপর। তাদের সবাইকে পাড়া ছাড়া করার পর ওরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাড়ায় যারা মাস্তানি করত তাদেরও তাড়ানো হবে। যদি যেতে না চায় তাহলে গণধোলাই-এর ব্যবস্থা। সেই লিস্টে কোয়ার নাম আছে।

    অর্ক চুপচাপ শুনল। তারপর জিজ্ঞাসা করল, ‘কাল রাত্রে একজন পুলিস অফিসার তোকে খুঁজছিল কেন?’

    ‘আমাকে খুঁজছিল? কে? দত্ত সাহেব?’

    ‘নাম জানি না। মোক্ষবুড়িকে মারার পর তোর নাম উঠল কেন?’

    ‘আমি জানি না গুরু। তুমি বিশ্বাস করো, একজন দত্তসাহেব আমার কাছে হিস্যা চেয়েছিল। সে শালার আমার ওপর খার আছে। কিন্তু আমি কোন বড় গোলমাল করিনি। তুমি তো আমাকে জানো, আমি তো খুরকি কিলার মত কাউকে জবাই করিনি। বল, করেছি?’

    অর্ক কি করবে বুঝতে পারছিল না। সে অন্যমনস্ক গলায় বলল, ‘কিন্তু আমার কথা ওরা শুনতে চাইবে কেন?’

    কোয়া যেন আঁতকে উঠল, ‘কি যে বল গুরু! তোমার কথা শুনবে না? তুমিই তো সব। তোমাকে ওরা সেক্রেটারি করেছে।’

    ‘সেক্রেটারি? কিসের?’

    ‘শান্তিকমিটির। মাইরি গুরু, কি করে সবাই এক কাট্টা হয়ে গেল কে জানে!’

    ‘শান্তি কমিটি?’ অর্ক হোঁচট খেল। এর মধ্যে কখন শান্তি কমিটি গঠিত হল আর তাকে সম্পাদক করা হল তা সে নিজেই জানে না। নিশ্চয়ই সুবল নেতৃত্ব নিচ্ছে। সতীশদা কখনই সামনে আসবে না এরকম কথা একবার হয়েছিল। সতীশদা নেতৃত্বে থাকলেই আন্দোলনে রাজনীতির ছায়া পড়বে। এলাকার মানুষ কোন পার্টি! ফেস্টুন ছাড়াই ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এইটে সচরাচর হয় না। আজ অবধি কোন কারণে এরকম হয়েছে কি না অর্ক জানে না। জ্ঞান হবার পর থেকে তো কখনই দ্যাখেনি কংগ্রেস এবং সি পি এমের সমর্থকরা একসঙ্গে কাজ করছে। সেটা যখন হয়েছে তখন এলাকার পক্ষে মঙ্গলজনক বলতেই হবে। কিন্তু রাজনীতি নেই বলে সতীশদাদের বাদ দিয়েও হতে পারে না।

    এই সময় সসপ্যানের ঢাকনাটা খানিকটা সরে গেল আর সোঁ করে বাষ্প ছিটকে উঠল। অর্ক এগিয়ে গিয়ে সেটাকে স্টোভ থেকে নামিয়ে দেখল জল প্রায় মরে এসেছে। এখন ফ্যান গালা প্রায় অসম্ভব। ওর মনে হল, এতে ভালই হয়েছে। শুধু ভাত খাওয়ার চেয়ে এই গলা ভাত তবু সহজে পেটে পাঠানো যেতে পারে। ঢাকনাটা নামিয়ে স্টোভ নিবিয়ে অর্ক মুখ ফিরিয়ে জিজ্ঞাসা করল, ‘তোরা খেয়েছিস?’

    কোয়া মাথা নাড়ল, ‘না গুরু, তুমি খাও।’

    ‘খেয়েছিস কিনা বল। ভাত বেশী আছে।’

    ‘তাহলে একটু দাও। কাল রাত থেকে কিছু খাইনি।’

    ‘কিন্তু শুধু ভাত, তরকারি টরকারি নেই।’

    কোয়া হাসল, ‘গরম ভাত পাচ্ছি তাই বাপের ভাগ্যি আবার তরকারি।’

    অর্ক থালার দিকে হাত বাড়াতেই বিলু বলল, ‘আমি খাব না।’

    ঘরে ঢোকার পর বিলু এই প্রথম কথা বলল। অর্কও এতক্ষণ ইচ্ছে করেই বিলুর দিকে তাকাচ্ছিল না। সেই থেকে দরজায় হেলান দিয়ে রয়েছে।

    অর্ক স্বাভাবিক গলায় বলতে চাইল, ‘কেন?’

    ‘আমার খিদে নেই।’

    ‘মিথ্যে কথা গুরু, ও সকাল থেকে আমার সঙ্গে ঘুরছে।’ কোয়া বলে উঠল।

    অর্ক দেখল সসপ্যান থেকে বেশ ধোঁয়া উঠছে। এই অবস্থায় খাওয়া সম্ভব নয়। সে উঠে দাঁড়িয়ে বলল, ‘তোর সঙ্গে কয়লার কি সম্পর্ক?’

    বিলুর চোখ ছোট হল, ‘সম্পর্ক আছে তা কে বলল?’

    ‘কয়লার ছেলেরা, কয়লা বলে গেছে।’

    ‘এমন কিছু না, চিনতাম।’

    ‘কোনদিন আমাকে বলিসনি তো।’

    ‘বলার প্রয়োজন মনে করিনি।’

    ‘আজ আমার কাছে এসেছিস কেন?’

    ‘আমি আসতে চাইনি, কোয়া জোর করে নিয়ে এসেছে।’

    অর্ক ঠোঁট কামড়ালো, ‘তুই পাড়ায় ফিরতে চাস না?’

    ‘চাইলেই পাড়ার লোক আমাকে ফিরতে দেবে?’

    ‘কেন দেবে না?’

    ‘আমার সঙ্গে কয়লার সম্পর্ক ছিল।’

    বিলু এত স্পষ্ট এবং সরাসরি কথা বলছে যে অর্ক অবাক হচ্ছিল। এই সময় যে কেউ কয়লার সঙ্গে সম্পর্ক অস্বীকার করবে কিন্তু বিলু সেটা করছে না। গতকাল বিকেলে শ্যামবাজারের পাঁচমাথার মোড়ে বিলুর হাবভাব এবং পালিয়ে যাওয়াটা এখন চোখের ওপর ভাসছে। বিলু কিছু অন্যায় করছিল সেটা তো তখনই মনে পড়েছিল।

    অর্ক জিজ্ঞাসা করল, ‘কিন্তু তুই তো কয়লার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিস।’

    ওটাকে বিশ্বাসঘাতকতা বলে না। আমি মন থেকে সায় দিতে পারিনি।’

    ‘কি সেটা?’

    ‘আমি বলতে পারব না। শোন, আমি কয়লার টানা মাল যারা কিনতো তাদের কাছে যেতাম ঠিক কত টাকা দিয়েছে সেটা জানবার জন্যে। তাতে যে বিক্রি করছে সে কয়লাকে ঢপ দিতে পারত না। এ ছাড়া কয়লার কিছু জিনিস আমি পাচার করেছি অন্য জায়গায়।’ বিলু একই রকম ভঙ্গীতে বলল।

    অর্কর মনে পড়ল কাল রাত্রে বিলু সম্পর্কে ওদের অভিব্যক্তির কথা। সে বলল, ‘কয়লা তোকে পেলে ছিঁড়ে খাবে।’

    ‘আমি ভয় পাই না। জীবনে তো একবারই মরব।’

    ‘কিন্তু তুই এইসব জঘন্য কাজ করেছিস তোর লজ্জা করে না?’

    ‘লজ্জা? দ্যাখো গুরু, ওসব লজ্জা ফজ্জার কথা আমার কাছে বলো না। আমার বাড়িতে পাঁচটা খাওয়ার লোক। বাবা অসুস্থ, একটাও রোজগারের মানুষ নেই। সবাই আমার মুখ চেয়ে বসে আছে। আমার যা বিদ্যে কোন শালা আমাকে চাকরি দিতে পারে না। আমাকে ওদের বাঁচাতেই হবে। যে কোন নম্বরী কাজ করতে আমি তাই রাজি ছিলাম।’

    ‘তাহলে বিশ্বাসঘাতকতা করলি কেন?’

    ‘না আমি বিশ্বাসঘাতকতা করিনি। একটা মেয়েকে বাঁচাতে চেয়েছিলাম শুধু।’

    ‘মেয়েকে বাঁচাতে চেয়েছিলি? কাকে?’

    ‘বলতে পারব না।’

    ‘বাঁচাবার কি দরকার ছিল?’

    ‘হয়তো ছিল না। আমি বাঁচালেও অন্য কেউ মারবে। তবু পারলাম না। তাই কয়লার খুব খার আমার ওপর। পালিয়ে গঙ্গার ধারে গিয়েছিলাম। ওখানে কোয়ার সঙ্গে দেখা হল। কোয়া বলল তোমার কাছে আসতে। আমি আসতে চাইনি, কিন্তু ও জোর করল। বলল এখানে এলে একটা ফয়সালা হবে।’

    অর্ক বুঝতে পারছিল না কি ফয়সালা সে করতে পারে। বিলুকে সমাজবিরোধী হিসেবে এলাকায় কেউ জানে না। বিলু কোয়া কিলা খুরকির মত পাড়ায় কখনও মাস্তানি করেনি। তাছাড়া কয়লা কাল রাত্রে বিলুর বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে গিয়েছে। সেইটেই অবশ্য কাল হতে পারে। হয়তো এর মধ্যে কেউ কয়লার সঙ্গে বিলুর সম্পর্ক আবিষ্কার করে ফেলেছে। কিন্তু তা ছাড়া সে নিজে কি করে বিলুকে বাঁচাবে। কয়লাকে যে সাহায্য করেছে সে তো পরিষ্কার সমাজবিরোধী। না বিলুকে সাহায্য করার প্রশ্নই ওঠে না। অর্ক মুখে এসব কিছুই বলল না। তিনটে থালায় থকথকে ভাত ঢেলে বলল, ‘খেয়ে নে। এখানে নুন আছে।’

    কোয়া যেন কথাটার জন্যেই অপেক্ষা করছিল। চট করে নিজেরটা তুলে বিলুর দিকে তৃতীয়টা এগিয়ে দিল। বিলু কিছুটা ইতস্তত করে থালাটা নিল। ভাত খুবই কম। তিনজনের পক্ষে অতিরিক্ত কম। কিন্তু খেতে গিয়ে অর্ক বুঝল নিমকি তার উপকার করেছে। এতক্ষণে খিদে বোধটুকুই মেরে ফেলেছে। অথচ গরম ভাতের যে মায়াময় গন্ধ সেটা চমৎকার লাগলো। এমন করে শুধু নুন দিয়ে চটচটে ভাত সে আগে কখনও খায়নি।

    কোয়া বলল, ‘একটা ভাজা থাকলে দারুণ জমত।’

    ‘নিমকি আছে, খাবি?’

    ‘নিমকি? তাই দাও।’

    অর্ক অবশিষ্ট নিমকিটা বের করে দিতেই কোয়া সেটাকে বেগুন ভাজার মত ভাতের সঙ্গে চটকে খেয়ে নিল। অর্ক দুজনের দিকে তাকাল। বিলুরও যে প্রচণ্ড খিদে পেয়েছে সেটা বোঝা যাচ্ছে। এই বিলুকে কোয়া পছন্দ করত না। কোয়াকেও বিলু ঈর্ষা করত। অথচ দুজনে এখন পাশাপাশি ভাত খাচ্ছে, একই বিপদে পড়ে পালিয়ে এসেছে একসঙ্গে। এটা আগে ভাবা যেত না।

    খাওয়াদাওয়া হয়ে গেলে অর্ক বিলুকে বলল, ‘আমি তোকে কোন সাহায্য করতে পারব না বিলু। তোর সঙ্গে কয়লার সম্পর্ক ছিল, তুই থানায় যা।’

    ‘থানায়?’ বিলু হাসল, ‘এখনও পুলিস আমার সম্পর্কে জানে না। যেচে গলা বাড়িয়ে দেওয়ার পার্টি আমি নই।’

    ‘তাহলে তোর যা ইচ্ছে তুই কর।’

    বিলু পকেটে হাত দিল। তারপর পাঁচটা একশ টাকার নোট বের করে অর্কর সামনে ধরল, ‘এগুলো আমার মাকে দিয়ে দিতে পারবে?’

    ‘তুই নিজেই দে না।’

    ‘আমার পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়।’

    ‘এখানে এলি কি করে তোরা?’

    ‘পেছনের বস্তি দিয়ে।’ টাকাগুলো হাতে নিয়ে বিলু একটু ভাবল। তারপর দরজার দিকে এগোতে অর্ক তাকে ডাকল, ‘বিলু।’

    বিলু মুখ ফেরাতেই অর্ক ইতস্তত করে বলল, ‘আমি যদি পাড়ার লোকদের বলে রাজি করাই তাহলে তুই ওসব দু নম্বরী কাজ ছেড়ে দিবি?’

    বিলু হাসল, ‘বলতে পারছি না। সত্যি কথা বলছি গুরু, আমাকে বাঁচতে হবে। আজ যারা তোমাদের সঙ্গে মাথা বাঁচাবার জন্যে আছে তাদের অনেকেই কাল আবার লাইনে ফিরে যাবে। মিথ্যে কথা বলে কি লাভ?’

    ‘ঠিক আছে। কিন্তু সবাই যে একটা ভাল কাজের জন্যে একসঙ্গে হয়েছে এটা কম কথা নয়। তুই কয়লার সঙ্গে কোন সম্পর্ক রাখবি না, এলাকার মানুষের ক্ষতি হোক এমন কাজ করবি না, এই কথা দিতে হবে।’

    ‘আমি এখনও কোন মানুষের ক্ষতি করিনি। আর কয়লা তো পেলে আমাকে ছিঁড়ে খাবে, সম্পর্ক রাখার কোন কথাই ওঠে না।’ বিলু মাথা নাড়ল।

    এইসময় বাইরে অনেক লোকের গলা পাওয়া গেল। অর্ক দেখল কোয়ার মুখ শুকিয়ে গেছে, বিলুও খুব ভয় পেয়েছে। কেউ একজন ডাকল, ‘অর্ক।’

    অর্ক চাপা গলায় বলল, ‘তোরা খাটে উঠে বস।’ তারপর বিলুর পাশ দিয়ে এগিয়ে দরজা খুলতেই দেখল সুবল এবং আরও কয়েকজন বিশিষ্ট ভদ্রলোক দাঁড়িয়ে আছে। সুবল জিজ্ঞাসা করল, ‘কেমন আছ?’

    অর্ক বলল, ‘ভালই, মনে হচ্ছে আর কিছু হবে না।’

    ‘তবু একবার হাসপাতালে গিয়ে দেখানো উচিত ছিল।’

    ‘আমি তো বিকেলে হাসপাতালে যাবই, তখন নাহয় দেখাবো।’

    ‘হ্যাঁ, শুনলাম তোমার মা অসুস্থ। অপারেশন হবে?’

    ‘হ্যাঁ।

    ‘তুমি আজ সন্ধ্যেবেলায় আসতে পারবে?’

    ‘কেন?’

    ‘আমরা একটা শান্তি কমিটি তৈরি করেছি। তোমাকে এবং আমাকে যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে।

    তুমি অল্পবয়সীদের দেখবে আমি বয়স্কদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখব। এলাকার সমস্ত মানুষ আজ এগিয়ে এসেছে। কিন্তু আমাদের বিশ্বাস পুলিসের একটা অংশ এখনও সমাজবিরোধীদের সাহায্য করছে। আমরা সমাজবিরোধীদের একটা লিস্ট করছি। ঠিক কি কি করতে চাই সে ব্যাপারে আজ আলোচনা হবে।’ সুবল জানালো।

    অর্ক বলল, ‘ঠিক আছে, যদি হাসপাতালে আমি না আটকে যাই তবে চলে আসব।’

    ভিড়ের মধ্যে থেকে একজন বলল, ‘কিন্তু একা একা পাড়ার বাইরে যাওয়া ঠিক হবে না। ওরা বদলা নিতে পারে।’

    অর্ক হাসল, ‘কিন্তু আমাকে তো যেতেই হবে।’

    সুবল বলল, ‘তা হলে আমরা কয়েকজন তোমার সঙ্গে যাব।’

    অর্ক মাথা নাড়ল, ‘সেটা একবার হতে পারে কিন্তু রোজ তো সম্ভব নয়। তাছাড়া ওরা বদলা নিতে পারে এই ভয়ে পাড়ায় সবাই কদিন বসে থাকতে পারবে? এতে তো ওদেরও জোর বেড়ে যাবে। ওরা ভয় পেয়েছে কিন্তু আমরা ভয় পাব কেন?’

    আরও কিছুক্ষণ কথার পর সুবলরা যখন ফিরে যাচ্ছে তখন অর্ক বলল, ‘আর একটা কথা। একসময় যারা পাড়ায় মাস্তানি করেছে কিংবা কোন অন্যায় কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল তাদের সম্পর্কে কঠোর হওয়ার আগে চিন্তা করা দরকার তারা কতটা খারাপ, আর ভাল হতে পারে কিনা!’

    ‘মানে?’ সুবল অবাক হল।

    ‘কেউ কেউ তো পাল্টেও যেতে পারে।’

    ‘সে দায়িত্ব কে নেবে?’

    ‘আমি যাদের নাম বলব তাদের দায়িত্ব আমার।’

    সুবল একটু ভাবল, ‘ঠিক আছে, সন্ধ্যেবেলায় এসো, লিস্ট ফাইন্যাল করার সময় আমরা আলোচনা করব। তবে কোন ঝুঁকি নেওয়া উচিত হবে না।’

    ওরা চলে যাওয়ার পর ঘরে ঢুকতেই দেখল কোয়া একটা ছুরি টেবিলের ওপর রেখে দিল। বিলু জিজ্ঞাসা করল, ‘মাসীমার কি হয়েছে?’

    ‘আলসার। তোরা এখানে থাকতে পারিস ইচ্ছে করলে। আমাকে এখনই হাসপাতালে যেতে হবে। বলা যায় না আজ বিকেলেই হয়তো অপারেশন হবে।’

    বিলু বলল, ‘চলো আমরাও যাচ্ছি তোমার সঙ্গে।’

    ‘তোরা যাবি মানে?’

    ‘এখানে পাথরের মত বসে না থেকে ওখানে গেলে কোন কাজে লাগতে পারি। শালা, আমরা অবশ্য কোন কাজেই আসব না। মা ঠিকই বলতো, দুনিয়ার আবর্জনা। কিন্তু শরীরে এখনও রক্ত আছে। সেইটে তো দিতে পারি। শুনেছি অপারেশনে রক্ত লাগে। কিন্তু, মাসীমার শরীরে আমাদের রক্ত গেলে কাজ হবে?’ বিলু অর্কর মুখের দিকে তাকাল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালবেলা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }