Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫৩. মাধবীলতার অপারেশন হয়ে গেল

     তিপ্পান্ন

    মাধবীলতার অপারেশন হয়ে গেল। ডাক্তার দত্তগুপ্তের ইতস্তত ভাবটা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ছিল। শরীরে যার রক্ত নেই তাকে অপারেশন করায় বড় ঝুঁকি। কিন্তু এ ছাড়া অন্য উপায় নেই। দ্বিতীয়ত মাধবীলতার শরীরে যে গ্রুপের রক্ত চলাচল করে সেই গ্রুপের রক্ত হাসপাতালে পাওয়া যাচ্ছিল না। একে অস্বস্তি ছিল তার ওপর স্বাভাবিক শ্রেণীর রক্ত না হওয়ায় অন্যরকম ইঙ্গিত দিচ্ছিল। ডাক্তারদেরও মনে বোধহয় সংস্কার খুব বেশী কাজ করে। শরীরে রক্ত না থাকাটা অস্বাভাবিক ব্যাপার নয় কিন্তু সেই পেশেন্টের রক্তের শ্রেণী অসাধারণ হবে কেন?

    পরমহংস, সৌদামিনী যখন শহরের সমস্ত রক্তসংরক্ষণ কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন তখন অর্কর সঙ্গে মুশকিল-আসান লোকটার দেখা হয়ে গেল। পাকা দাড়িতে হাত বোলাতে বোলাতে এক ভদ্রলোককে সান্ত্বনা দিচ্ছিল সে, ‘অল্পবয়সী স্ত্রী চলে গেছে বলে শোক করছেন। কেউ গেলে তো কষ্ট হবেই। কিন্তু ভেবে দেখুন উনি আপনার পঞ্চাশ পঞ্চান্ন বছরে চলে গেলেন! তখন তো আরও খারাপ হত। তাই না? একটা সিগারেট দিন।’

    ভদ্রলোকের অসাড় হাত থেকে প্যাকেটটা নিয়ে মুখ তুলতেই লোকটা অর্ককে দেখতে পেল। অর্কর খেয়াল হল লোকটা বলেছিল এই হাসপাতালের যা কিছু মুশকিল ও আসান করে দিতে পারে, একমাত্র মৃতকে জীবিত করা ছাড়া। মায়ের জন্যে যে রক্ত দরকার সেটাও কি ও সংগ্রহ করে দিতে পারবে? যেখানে বড় ডাক্তারের প্রভাব কোন কাজে লাগছে না সেখানে এ কি করবে?

    লোকটি সিগারেট ধরিয়ে এগিয়ে এল, ‘কেমন আছে তোমার মা?’

    ‘ভাল নয়। অপারেশন হবে।’

    ‘কোন মুশকিল আছে?’

    অর্ক মাথা নাড়ল, ‘হ্যাঁ, মায়ের জন্য রক্ত দরকার। কিন্তু মায়ের গ্রুপের রক্ত পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ সময় বেশি নেই।’

    ‘পাওয়া যাচ্ছে না বলে কোন কথা নেই। সবই পাওয়া যায়। কেসটা কি আমাকে নিতে হবে?’ লোকটা সিগারেটে জোরে জোরে টান দিতে লাগল।

    ‘আপনি পারবেন?’ অবিশ্বাসী চোখে তাকাল অর্ক।

    ‘বলেছি তো শুধু প্রাণ ফিরিয়ে দিতে পারি না।’ লোকটা হাসল, ‘তবে যত রেয়ার গ্রুপ হবে তত দাম বাড়বে। এটা ভাই বাজারের নিয়ম।’

    ‘আপনি আমার সঙ্গে একবার পরমহংস কাকুর কাছে চলুন।’

    ‘কেন?’

    ‘আমার কাছে বেশী টাকা নেই।’

    ‘কোথায় থাকা হয়?’

    ‘তিন নম্বর ঈশ্বরপুকুর লেন।’

    ‘তাই? সেখানে তো জোর গোলমাল চলছে। মাস্তানদের প্যাঁদাচ্ছে।’

    ‘মাস্তানরাও মারছে।’ অর্ক জামার বোতাম খুলে ব্যাণ্ডেজ দেখাল।

    ‘আরে বাব্বা! তুমিই নাকি?’

    ‘আমিই নাকি মানে?’

    ‘শুনলাম কয়লার চেলা একটা ছেলেকে ছুরি মেরেছিল বলে পাবলিক তাদের শুইয়ে দিয়েছে। তোমাকে ছুরি মেরেছিল?’ লোকটার চোখে বিস্ময়।

    ‘হ্যাঁ, তবে বেশি লাগেনি। হাসপাতাল থেকেও তাই বলল।’

    লোকটা যেন খুব বিমর্ষ হয়ে গেল। তারপর এক ঝটকা দিয়ে দ্বিধাটা কাটিয়ে উঠল। বিড় বিড় করে কিছু একটা হিসেব করে নিয়ে বলল, ‘ওপারের জন্যে খানিকটা মাল জমা করে নিই। তোমার কাছে আর নাফা করব না। কি গ্রুপের ব্লাড লাগবে বল?’

    যে জিনিস সমস্ত শহর ঘুরেও পাওয়া যাচ্ছিল না সেটা পেতে মাত্র ঘণ্টাখানেক সময় লাগল। মুশকিল-আসানের সন্ধানে বেশ কিছু মানুষ আছে। তাদের এক একজনের রক্তের শ্রেণী আলাদা। হাসপাতালের যে রেট তার থেকে বেশি এদের দিতে হয়। একমাত্র মুশকিল-আসান খবর দিলেই এরা আসে রক্ত দিতে। ব্যাঙ্কে জমা পড়লে সেটা যাতে নির্দিষ্ট পেশেন্ট পায় সেই ব্যবস্থা মুশকিল-আসান করে দেয়। কিন্তু তার বদলে পেশেন্টকে সমপরিমাণ রক্ত দিতে হয়। এসব ব্যাপার করতে একটুও সময় লাগল না।

    বিলু এবং কোয়া অর্কর সঙ্গে হাসপাতালে এসেছিল। পাড়ার মধ্যে দিয়ে ওদের বের করে আনার ঝুঁকি ছিল। যে পথে ওরা তিন নম্বরে ঢুকেছিল সেই পথ এর মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অর্ক যখন বড় রাস্তা দিয়ে ওদের সঙ্গে নিয়ে এসে ট্রাম ধরল তখন অনেকের চোখে বিস্ময় ছিল। কিন্তু শুধু অর্কর জন্যে কেউ মুখে কিছু বলেনি। বিকল্প রক্ত দেওয়ার যখন প্রয়োজন হল তখন বিলু এবং কোয়া এগিয়ে এল। অর্ক ভেবেছিল ওদের নিষেধ করবে। কিন্তু ওদের মুখের দিকে তাকিয়ে পারল না। যেন খুব পবিত্র কাজ করছে এরকম মুখের ভাব ছিল ওদের মুখে।

    অপারেশন শেষ করতে দশটা বেজে গেল। পরমহংস এবং সৌদামিনী তখনও বসে। স্কুলের টিচাররা অনেকক্ষণ অপেক্ষা করে ফিরে গেছেন। নীপা মিত্র বলেছেন ভোরে আবার আসবেন। বলেছেন, ‘আমি দক্ষিণেশ্বরে মানত করেছি, কোনও ভয় নেই, ঠিক ভাল হয়ে যাবে।’

    অর্কর দমবন্ধ হয়ে আসছিল। এই হাসপাতালে জীবন আর মৃত্যু এত কাছাকাছি বাস করে যে কোন আশা খুব জোর দিয়ে করা যায় না। তার হাত পা ঠাণ্ডা হয়ে আসছিল অথচ কপালে ঘাম জমছিল। এবং হঠাৎই অর্কর মনে হল মা আর বাঁচবে না। এই হাসপাতাল থেকে মা আর ফিরে যাবে না। কথাটা ভাবা মাত্র ওর শরীরে প্রবল কাঁপুনি এল। অর্ক চেষ্টা করেও নিজেকে সুস্থির রাখতে পারছিল না।

    বিলু আর কোয়া তার পাশে বসে ছিল। কাঁধে হাতের স্পর্শ পাওয়ায় অর্ক মুখ তুলতেই দেখল বিলুকে, ‘কি হয়েছে?’

    অর্ক মাথা নাড়ল, ‘কিছু না।’

    আর কি আশ্চর্য, কিছু না বলামাত্র তার শরীরটা স্থির হয়ে গেল। কিছু না ভাবলে কোন কিছুই গুরুত্বপূর্ণ হয় না। যে কোন সমস্যাকেই কিছু না বলে ধার কমিয়ে দেওয়া যায়।

    দশটা নাগাদ খবরটা পাওয়া গেল। অপারেশন হয়ে গেছে। মাধবীলতার অবস্থা বাহাত্তর ঘণ্টা না কাটলে বলা যাবে না। এখন সে অচেতন। ডক্টর দত্তগুপ্ত সৌদামিনীকে বললেন, ‘প্রচণ্ড সহ্য শক্তি মহিলার। ওঁর যা কেস তাতে বেঁচে ফেরার চান্স থার্টি পার্সেন্ট। কিন্তু, আশা করছি এ যাত্রায় বেঁচে যাবেন। আপনাদের তো এখন কিছু করার নেই। থেকে আর কি করবেন।’

    সৌদামিনী অর্কর দিকে এক পলক দেখে নিয়ে বললেন, ‘একবার দেখে আসতে পারি ওকে?’

    ‘মাথা খারাপ। এখন উনি ইনটেনসিভ কেয়ারে আছেন। প্রার্থনা করুন, ওঁর জন্যে প্রার্থনা করুন। আর কিছু বলার নেই।’

    পরমহংস সৌদামিনীকে একটা ট্যাক্সিতে পৌঁছে দেবে ঠিক হল। রাত এগারটা নাগাদ অর্ক বেরিয়ে এল হাসপাতাল থেকে। কোয়া এবং বিলু তার সঙ্গ ছাড়েনি। আলোয় লেখা গেটের নিচে দাঁড়িয়ে অর্ক আবার হাসপাতালটার দিকে তাকাল। ওরই একটা ঘরে মা অজ্ঞান হয়ে শুয়ে রয়েছে। এই মুহূর্তে পৃথিবীর কোন সমস্যা কারো অস্তিত্ব ওঁর অনুভবে নেই। এমন দুশ্চিন্তামুক্ত অবস্থায় মা বোধহয় অনেককাল থাকেনি।

    কোয়া বলল, ‘গুরু, খাবে না?’

    অর্ক মাথা নাড়ল, ‘নাঃ। আমার খেতে ইচ্ছে করছে না।’

    বিলু বলল, ‘তুই মাইরি হেভি গিলে খেয়ে গেছ। ডাক্তার তো বলল কোন ভয় নেই। দরকার হলে আবার রক্ত দেব আমরা।’

    অর্ক ওর মুখের দিকে তাকাল, ‘শুধু রক্ত দিয়ে কি কাউকে বাঁচানো যায়?’

    ‘তাহলে? মানে আমরা তো আর কিছুই করতে পারি না।’

    ‘ঠিক। আমাদের কিছুই করার নেই। চল।’

    বিলু কোয়ার দিকে তাকাল। তারপর নিচু গলায় বলল, ‘আমরা যাব না।’

    ‘কেন?’

    ‘আমাদের আজকে পাড়ায় থাকা ঠিক হবে না। তুমি গিয়ে কথাবার্তা বল, তারপর।’

    অর্ক বিলুর ইতস্তত করার কারণ বুঝতে পারল না। সে মাথা নেড়ে জিজ্ঞাসা করল, ‘তোরা আর কোথায় যাবি?’

    কোয়া বলল, ‘দেখি কোন শ্মশানে গিয়ে শুয়ে পড়ব।’

    ‘শ্মশানে?’

    ‘হ্যাঁ। ফাস্টকেলাস জায়গা। কেউ কোন পাত্তা নেবে না। আমরা কাল সকালে হাসপাতালে আসব।’

    অর্ক আর কথা বাড়াল না! একটা ট্রাম গুমটিতে ঢুকবে বলে আসছিল। সেটায় সে চড়ে বসল। ওঠার সময় আঘাতটার কথা খেয়াল ছিল না অর্কর, সামান্য চাড় লাগতেই টনটন করে উঠল সেটা। অর্ক চোখ বন্ধ করল। তার মনে হচ্ছিল নিশ্চয়ই ক্ষতের মুখ থেকে রক্ত বেরিয়েছে।

    গলির মুখে তিনচারজন লোক দাঁড়িয়ে। তাদের হাতে লাঠি। অর্ক সন্দিগ্ধ চোখে সেদিকে তাকাতেই লোকগুলো হেসে ফেলল, ‘আরে আমরা! আজ থেকে নাইট গার্ড পার্টি কাজ শুরু করেছে। ওই যে পুলিস ভ্যানও দাঁড়িয়ে আছে।’

    অর্ক এবার দেখতে পেল। গলির উল্টোদিকের অন্ধকারে একটা ভ্যান রয়েছে। কয়েকজন পুলিস তার পাশে অলস ভঙ্গীতে দাঁড়িয়ে!

    তিন নম্বরের সামনে এসে অর্ক দেখল সমস্ত দোকানপাট বন্ধ। শুধু নির্মল ড্রাইভার শিবমন্দিরের রকে বসে বিড়ি খাচ্ছিল। ওকে দেখেই উঠে এল নির্মল, ‘মা কেমন আছে?’

    ‘অপারেশন হয়েছে। এখনও জ্ঞান ফেরেনি।’

    ‘তাহলে ভাল হয়ে যাবে। সাধারণত অপারেশন টেবিলেই যা হবার হয়। শুনলাম ওরা নাকি তোমাকে ঝেড়েছে?’

    ‘এমন কিছু নয়।’

    ‘এবার শালাদের পাড়া থেকে হঠাতে হবে। পুরো পাবলিক জেগে গেছে। চল, ওরা সবাই অপেক্ষা করছে।’

    ‘কারা?’

    ‘সুবল, সতীশ, নিরঞ্জন।’

    তৃতীয় নামটা শুনে অবাক হলেও ভাল লাগল অর্কর। নিরঞ্জন কংগ্রেস করে। তবে নুকু ঘোষের মত পুরনো কংগ্রেসী নয়। নিরঞ্জন এবং সতীশদা একই সঙ্গে বসেছে এটাই অভিনব ব্যাপার। যদিও নিরঞ্জনদের অস্তিত্ব এ পাড়ায় নেই বললেই চলে তবে গত নির্বাচনে ওরাই তো বেশী ভোট পেয়েছে।

    নির্মলের সঙ্গে অর্ক হেঁটে এল কপোরেশন স্কুল বাড়িতে। সেখানেই শান্তি কমিটির অফিস হয়েছে। ওকে দেখা মাত্র সুবল জিজ্ঞাসা করল, ‘মা কেমন আছেন?’

    অর্ককে একই জবাব দিতে হল। ঘরে তখন ছয়সাতজন মানুষ। এত রাত্রেও এই এলাকার কয়েকজন বিশেষ ভদ্রলোককে দেখে অবাক হল অর্ক। এঁরা সাধারণত সাতে পাঁচে থাকেন না। নিজের নিজের স্বার্থ নিয়ে গা বাঁচিয়ে চলেন। অনেকক্ষণ ধরে অর্ককে ওরা সমস্ত ঘটনা বিশদভাবে জানাল। এলাকার তরুণদের সংগঠিত করার দায়িত্ব অর্কর ওপর। কোনরকম রাজনৈতিক মতামত ছাড়াই সবাই এলাকার শান্তি বজায় রাখার জন্যে কাজ করবে। এই জন্যে এলাকার সম্মানীয় মানুষদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সুবল এবং অর্ক তার যুগ্ম সম্পাদক। সুবল বলল, ‘আমরা আমাদের এলাকা থেকে যে কোন রকমের সমাজবিরোধীদের সরিয়ে দিতে চাই। এ ব্যাপারে আমরা কোন নরমনীতি গ্রহণ করব না। সাধারণ মানুষ একবার যার দ্বারা অত্যাচারিত হয়েছে তাকেই পুলিসের হাতে তুলে দিতে হবে। অবশ্য আমরা সক্রিয় হবার পর এই সব সমাজবিরোধীরা পাড়া ছেড়ে পালিয়েছে। এদের আর পাড়ার ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হবে না যতক্ষণ তারা আইনের কাছে মাথা না নোয়াচ্ছে। আমরা একটা লিস্ট করেছি। তুমি দেখতে পারো।’

    অর্ক লিস্টটা হাতে নিল। এই মুহূর্তে তার নিজের বয়স অভিজ্ঞতার কথা একটুও খেয়ালে আসছে না। নিজেকে যেন আচমকা খুব দায়িত্ববান বলে মনে হচ্ছে। এই মানুষগুলো তাকে যে গুরুত্ব দিচ্ছে সে যেন তার মর্যাদা রাখতে পূর্ণ সক্ষম। লিস্টে চোখ বোলাতে বোলাতে সে কোয়ার নাম দেখতে পেল। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, এলাকায় ছুরি দেখিয়ে চাঁদা তোলা, অকারণে মানুষকে হুমকি দেওয়া, মদ্যপান করে এলাকার শান্তিভঙ্গ করে অশ্লীল শব্দ বলা ইত্যাদি ইত্যাদি। যেসব দোকানদার কোয়ার দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের নামও পাশে রয়েছে। মোট সমাজবিরোধীর সংখ্যা একশ ছত্রিশ জন। এবং এই লিস্টে বিলুর নাম নেই।

    অর্ক এক মুহূর্ত চিন্তা করে সতীশদার দিকে তাকাল, ‘আমরা যদি সত্যি এই তালিকাটাকে গুরুত্ব দিতে চাই তাহলে আর একটা নাম লেখা উচিত।’

    ‘কার নাম?’ সুবল জিজ্ঞাসা করল।

    ‘বিলু।’

    সতীশ চোখ বন্ধ করে ভাবল, ‘বিলু, বিলু তো তোমার বন্ধু।’

    ‘হ্যাঁ, আমি জানতাম না ও কয়লার হয়ে কাজ করছে। গতকাল যে হামলা হয় তার জন্যে বিলু কিছুটা দায়ী। কয়লার ধারণা ও বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল।’

    ‘তুমি এসব জানলে কি করে?’

    ‘বিলুরা দুপুরে আমার কাছে এসেছিল।’

    সঙ্গে সঙ্গে ঘরে বসা একজন বলে উঠল, ‘হ্যাঁ, সে কথা আমরা শুনেছি। আপনি ওদের পাড়া থেকে বের করে নিয়ে গেছেন। এটা অত্যন্ত অন্যায় ব্যাপার। যারা সমাজবিরোধী বলে পরিচিত তাদেরই যদি আমরা আশ্রয় দিই তাহলে এই ধরনের আন্দোলনের কোন যৌক্তিকতা থাকে না।’

    অর্ক মাথা নাড়ল। ‘তখন আমি ঠিক কি করা উচিত ভেবে উঠতে পারছিলাম না। তাছাড়া আমি মনে করি বিলু সাধারণ মানুষের ক্ষতি করতে পারে না। সংসার চালাবার জন্যে লোভে পড়ে ও স্মাগলিং-এর ব্যবসায় ঢুকেছিল।’

    সতীশদা বললেন, ‘তাহলে ওর নাম লিস্টে তুললে কেন?’

    ‘কারণ ও কয়লার সঙ্গে কাজ করেছে। তবে থানা থেকে ঘুরে এলে ওর বিরুদ্ধে যেন শান্তিকমিটি কোন অ্যাকশন না নেয়।’

    সুবল বলল, ‘না, আমার মনে হয় কারো বিরুদ্ধে আমরা জেদ ধরে থাকব না। এই কারো বলতে আমি সেইসব মাস্তানদের বোঝাচ্ছি যারা খুবই সাধারণ স্তরের। তবে এদের একবার থানা থেকে ঘুরে আসা উচিত। কিন্তু কয়লা এবং তার প্রধান সঙ্গীদের আমরা কিছুতেই ছেড়ে কথা বলব না।’

    মোটামুটি সিদ্ধান্ত সেইরকম হল। আজ সন্ধ্যায় শান্তি কমিটির নেতৃত্বে এই এলাকার চোলাই মদের আড্ডাগুলো তুলে দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে দুঃখের ব্যাপার যে কটি আড্ডা ছিল তার সবগুলোই পরিচালনা করত ঘরের মেয়েরা। পরিবারের ছেলেরা কোন রোজগার করে না, মেয়েরা মদ বোতলে করে বিক্রি করে। সন্ধ্যের পর তাদের ঘরের সামনেই আসর বসে যায়। এই মেয়েগুলো শরীরের ব্যাপারে যথেষ্ট আত্মমর্যাদাসম্পন্ন। এদের পরিবারের ছেলেদের বলা হয়েছে আবার মদ বিক্রি করলে পাড়া ছেড়ে চলে যেতে হবে।

    সুবল বলল, ‘মুশকিল হল পুলিসকে নিয়ে। কয়লার লোকদের উৎখাতের পর পুলিস সম্পর্কে আমরা নানান অভিযোগ পাচ্ছি। আজ সারাদিন ধরে এলাকার নিপীড়িত মানুষেরা এসে সেসব আমাদের দিয়ে গেছেন। এই এলাকা যে দুটো থানার মধ্যে পড়ে তার অফিসার এবং লালবাজারের একজন বড় অফিসারের প্রশ্রয় ছাড়া এই সমাজবিরোধী কাজকর্ম চলতে পারত না। আজকে অবশ্য পুলিস বলছে তারা আমাদের সাহায্য করবে। কিন্তু একই পুলিস ওদের সাহায্য করে আমাদের পাশে দাঁড়াবে এটা বিশ্বাস করা শক্ত। কারণ ওরা তো আমাদের কাছ থেকে কোন টাকা পাচ্ছে না। নিজেদের নির্ভরযোগ্য রোজগার বন্ধ হয়ে যাক সেটা ওদের কিছুতেই কাম্য হতে পারে না।’

    নিরঞ্জন এতক্ষণ চুপচাপ বসে ছিল। এবার বলল, ‘কথাটা ঠিক কিন্তু বিশ্বাস করা ছাড়া আমাদের আর কি উপায় আছে। যেমন আজ দুটো থানায় বলা হয়েছে সমাজবিরোধীরা আশেপাশের পাড়ায় আশ্রয় নিয়েছে। পুলিস যদি তল্লাশি করে তাদের খুঁজে পাবে। কিন্তু থানা দুটো থেকে কোন অ্যাকশন নেওয়া হয়নি।’

    আর একজন বলল, ‘শুনেছি শ্যামবাজারের মোড়ের কাছে ওরা অপেক্ষা করেছে। এই এলাকার লোকজন দেখলেই মারবে।’

    সতীশদা বলল, ‘দেখুন, ভয় পেলে ওরা পেয়ে বসবে। কিন্তু আমরা যদি এক থাকি, ওদের কেয়ার না করি, পাড়ায় ঢুকতে না দিই তাহলে উল্টে ওরাই ভয় পাবে। কিন্তু আমার কাছে খবর আছে কয়লাকে কংগ্রেসকর্মী হিসেবে দাবি করে কংগ্রেসের নেতারা থানায় গিয়েছিলেন।’

    সঙ্গে সঙ্গে নিরঞ্জন বলল, ‘বাজে কথা। নুকু ঘোষ সেই লাইনে চেষ্টা করেছিলেন। সমাজবিরোধীদের সঙ্গে যোগাযোগ নেই এমন রাজনৈতিক পার্টি অন্তত ভারতবর্ষে নেই। কয়লা নিজের স্বার্থে আমাদের হয়ে যদি একসময় কাজ করে থাকে তাহলে সেই কাজটায় কোন অন্যায় ছিল না। কিন্তু তাই বলে আমরা এখন কয়লাকে পলিটিক্যাল শেল্টার কিছুতেই দিতে পারি না।’

    সতীশদা জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আপনাদের নেতা থানায় যাননি?’

    ‘যদি গিয়ে থাকেন অন্যায় করেছেন। তিনি নিজের দায়িত্বে গিয়েছেন দল তাঁকে পাঠায়নি। আমরা এটাকে সমর্থন করছি না। এই যে আমি শান্তি কমিটিতে আছি সেটাই তার প্রমাণ নয় কি?’ নিরঞ্জন স্পষ্ট গলায় বলল।

    সতীশদা বললেন, ‘এই কথাটা মনে রাখতে হবে। আমরা কোনরকম রাজনৈতিক মতামত ছাড়াই শান্তিকমিটি তৈরি করেছি। আমাদের কার্যকলাপে যেন সেই ধারা বজায় থাকে। আমরা যদি এলাকার মঙ্গল চাই তাহলে এই ঐক্য বজায় রাখতেই হবে।’

    সুবল বলল, ‘কিন্তু আমাদের পরবর্তী কার্যকলাপ ঠিক করতে হবে। আমার মনে হয় পুলিস কমিশনারকে অনুরোধ করা উচিত যাতে তিনি এখানে আসেন। এখানে আমরা যতটা না ক্ষতিগ্রস্ত কয়লার এলাকায় মানুষকে তার থেকে অনেক বেশি মূল্য দিতে হয়েছে। শুধু ঈশ্বরপুকুর নয় এই পুরো এলাকা জুড়ে শান্তি কমিটি কাজ করবে।

    অর্ক আলোচনা শুনছিল। এর অনেকটা সে টুকরো টুকরো ভাবে আগে শুনেছে। একটা লোক কিভাবে শক্তি প্রয়োগ করে একটা অঞ্চলকে ক্রীতদাস করে রেখেছিল এবং তার ইচ্ছায় সব কিছু নিয়ন্ত্রিত হত তা শুনলে মাথা ঠাণ্ডা রাখা যায় না।

    রাত বাড়ছিল। অর্ক উঠে পড়ল। তার কাঁধের ব্যথা শুরু হয়েছে। মুখে তেতো স্বাদ। ভীষণ ক্লান্ত লাগছে এখন। সুবল বলল, ‘আমরা এখনই তোমাকে সক্রিয় হতে বলছি না। তোমার মা সুস্থ হয়ে উঠুন।’

    অর্ক মাথা নাড়ল তারপর নির্মলের সঙ্গে বেরিয়ে এল। নির্মল বলল, ‘শালাকে সেদিনই খতম করা যেত যদি ওই পুলিস অফিসারটা না বাঁচাত।’

    অর্ক নিচু গলায় বলল, ‘কিন্তু কথা হল আমরা এতদিন কি করছিলাম! আমাদের দাদারা এত অত্যাচার মুখ বুজে সহ্য করছিল কেন?’

    ‘মাল্লু। মাল্লুর লোভে সব শালা চুপ করে ছিল। এখন পাবলিক খেপেছে বলে সব্বাইকে বেরিয়ে আসতে হয়েছে। কিন্তু কয়লা যখন ছাড়া পাবে তখন কি হবে তাই ভাবছি। শালা তো বদলা নেবেই। আর উত্তেজনা কমে গেলে পাবলিক ভেড়ুয়া হয়ে যায়। তদ্দিনে শান্তিকমিটি থাকলে হয়।’ নির্মল চিন্তিত হল।

    ‘আগেই খারাপটা ভাবছেন কেন? কয়লাকে আমরা এই এলাকায় ঢুকতে দেব না। মানুষ যদি আবার ভুল করে তাহলে তাদেরই ঠকতে হবে।’

    রাস্তা ফাঁকা। মাঝে মাঝে শান্তিকমিটির সদস্যদের লাঠির আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। হঠাৎ অর্ক সচকিত হল। জড়ানো গলায় চিৎকার ভেসে আসছে সামনে থেকে। ওরা তখন তিন নম্বরের সামনে এসে পড়েছিল। সেই মাতালটি আসছে। টলতে টলতে কোনরকমে শরীরটা নিয়ে চলে আসছে তিন নম্বরে। অর্ক দেখল ওর বউ ঠিক একই ভঙ্গীতে বস্তির গলিতে দাঁড়িয়ে আছে স্বামীর অপেক্ষায়।

    এরকম একটা দিনেও লোকটা মদ খেয়ে ফিরতে পারল? অর্ক অবাক হয়ে যাচ্ছিল। মনে হচ্ছিল বেধড়ক পিটিয়ে লোকটাকে জ্ঞানে ফিরিয়ে আনার দরকার। কিন্তু তার আগেই ঘটনাটা ঘটে গেল। লোকটির বউ অর্ককে দেখে ছুটে এল। দুহাত জড়ো করে বলল, ‘তোমার পায়ে পড়ি ওকে কিছু বলো না। আমরা আজ সারাদিন খাইনি। আর পাচ্ছি না।’

    বলতে বলতে বউটা কেঁদে ফেলল। অর্ক নির্মলের দিকে তাকাল। এবং ঝপ করে ওর সমস্ত উত্তেজনা থিতিয়ে গিয়ে অদ্ভুত ক্লান্তি ফিরে এল। নির্মলের কাছ থেকে ইশারায় বিদায় নিয়ে অর্ক গলিতে ঢুকে পড়ল।

    আর একটা রাত অভুক্ত কাটল অর্কর। অভুক্ত এবং নির্ঘুম।

    ওর কানে একটা কথাই বারংবার বাজছিল, আমরা আজ সারাদিন খাইনি। ঘুম আসছিল না তার। একটা কথা হঠাৎ তার মাথার মধ্যে চলকে উঠল। কয়লাদের পাড়া থেকে মেরে তাড়ানো হয়েছে শান্তির জন্যে। শুধু শান্তিতে কি হবে যদি মানুষ অভুক্ত থাকে?

    এই যে বউটা আর তার বাচ্চাগুলো না খেয়ে আছে তার জন্যে দায়ী কে? ওই মাতালটা? তাহলে মাতালটাও সমাজবিরোধী। আবার মাতালটির যে যুক্তি তাতে আর একজনকে সমাজবিরোধী হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। বাইরের সমাজবিরোধীদের চোখে পড়ে, ভেতরের সমাজবিরোধীরা তো আরও মারাত্মক, কিন্তু তাদের কথা কেউ ভাবে না কেন?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালবেলা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026
    Our Picks

    মেলানকোলির রাত – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    প্রফেসর সোম আবার! – কৌশিক সামন্ত

    April 25, 2026

    ধূসর আতঙ্ক – অনীশ দাস অপু সম্পাদিত

    April 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }