Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪৬. তিন নম্বর ঈশ্বরপুকুর লেনে

     ছেচল্লিশ

    তিন নম্বর ঈশ্বরপুকুর লেনের একটা বিশেষ সুবিধে, আপদে বিপদে গাড়ি পেতে অসুবিধে হয় না। বিশেষ করে সকালের দিকটায়। ভোরে এখানে গাড়ি ধোওয়া হয় লাইন দিয়ে। প্রাইভেট গাড়ির ড্রাইভাররা নিমুর দোকানে চা খেতে খেতে সে কাজ তদারকি করে। পরিষ্কার গাড়ি নিয়ে তারা ডিউটি করতে যায় বাবুদের বাড়িতে। অতএব সাতসকালে নির্মলের গাড়িটা পেয়ে গেল অর্ক। তিন নম্বরের কেউ অসুস্থ, হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে কিন্তু গাড়ি পাওয়া যাবে না, এ হয় না।

    সারা রাত ঠায় জেগে কাটিয়েছে অর্ক। মাধবীলতার মুখে মাঝে মাঝে যন্ত্রণার ছাপ ফুটেছে, শরীর বেঁকেছে, আবার ঘুমে তলিয়ে গেছে। কিন্তু ভোরের দিকে আবার চেতনায় ফিরে এল সে। এবং তখন থেকেই একটা গোঙানি বেরিয়ে আসছে ওর সমস্ত শরীর ছেঁচে। দুহাতে পেট খামচে ধরে সমানে ককিয়ে যাচ্ছে মাধবীলতা। অর্ক ঝুঁকে পড়ে জিজ্ঞাসা করেছিল, ‘মা, খুব কষ্ট হচ্ছে তোমার? মা!’

    মাধবীলতা একবার চোখ মেলে ছেলের দিকে তাকিয়েছিল। ঘোলাটে চোখ। দাঁতে দাঁত। কথা বলতে পারেনি সে। আবার চোখ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বোঝা যায় প্রাণপণে সে যন্ত্রণাটাকে দমাতে চাইছে। লড়াই করার শক্তিটাকে তখনও জিইয়ে রেখেছে। মায়ের শরীরটা যেন ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। অর্ক আর অপেক্ষা করেনি। এক ছুটে সে বেরিয়ে এসেছিল নিমুর দোকানের সামনে। তখনও ভাল করে সকাল হয়নি কিন্তু রাতও নেই। নিমুকে ঘটনাটা বলতে নির্মল এগিয়ে এল চায়ের গ্লাস হাতে, ‘কোন হাসপাতালে যাবে? আর জি কর?’

    অর্ক ঘাড় নাড়তেই সে বলল, ‘নিয়ে এস।’ তারপর চিৎকার করে যে গাড়ি ধুচ্ছিল তাকে সে নির্দেশ দিল, ‘এখন জল ঢালিস না। হাসপাতাল থেকে ফিরে এলে ওসব হবে।’

    নির্মলকে এর আগে দেখেছে অর্ক। তিন নম্বরের পেছন দিকটায় থাকে। কথা হয়নি কখনও। নির্মল বলল, ‘তোমার মা হেঁটে আসতে পারবে?’

    অর্ক মাথা নাড়ল, ‘কোলে করে নিয়ে আসতে হবে।’

    ‘চল।’ চায়ের গ্লাস নামিয়ে রেখে নির্মল অর্কর সঙ্গী হল, ‘কদিন থেকে হচ্ছে?’ গলিতে পা দিতেই অর্কর নজরে পড়ল মোক্ষবুড়ি প্রায় হামাগুড়ি দিতে দিতে এগিয়ে আসছে গলির মুখে। সে নিচু গলায় জবাব দিল, ‘কাল থেকে। ডাক্তারবাবু বললেন আজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে।’

    ‘লিখে দিয়েছে সে কথা?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘তাহলে ভাল। নইলে আজকাল ভর্তির ব্যাপারে নানান ফ্যাচাঙ।’ নির্মল বলল।

    মায়ের শরীর এত হালকা তা আগে আন্দাজ ছিল না। পাঁজা কোলা করে অর্ক সহজেই ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে পারল, নির্মলের সাহায্য দরকার হল না। দরজায় তালা দিয়ে দিল নির্মল। বস্তির দু-একজন মানুষ তখন সবে জেগেছে। মাধবীলতা বাইরে বেরিয়ে আসতেই চোখ খুলল। তারপর কোনমতে জিজ্ঞাসা করল, ‘কোথায়?’

    অর্ক হাঁটতে হাঁটতে বলল, ‘চুপ করে থাকো।’

    গাড়ির কাছে পৌঁছাতেই কিন্তু ভিড়টা জমে গেল। দু-একজনের বদলে ততক্ষণে দশ বারো জন ভিড় করে দাঁড়িয়েছে। নির্মল গাড়ির দরজাটা খুলে দিয়ে হাত লাগাল। সবাই ঝুঁকে পড়ে মাধবীলতাকে দেখছে। নিমুর দোকানে যারা চা খাচ্ছিল তারাও নেমে এসেছে। কিন্তু কারো মুখে কোন শব্দ নেই। মায়ের মাথাটা কোলে নিয়ে অর্ক পেছনে বসতেই নির্মল দরজা বন্ধ করে ড্রাইভারের আসনে বসতে গেল। আর তখনি মোক্ষবুড়ির ভাঙ্গা গলা ছিটকে এল, ‘কৈ গেল?’

    সবকটা মানুষ অবাক হয়ে পেছন ফিরে তাকাল। মায়ের মাথা কোলে নিয়ে অর্ক জানলা দিয়ে দেখল মোক্ষবুড়ি উবু হয়ে বসে অন্ধচোখে দেখতে চেষ্টা করছে শূন্যে হাত নেড়ে, ‘কে গেল, কাকে নিয়ে গেল? বল না তোমরা?’

    কেউ পাশ দিয়ে গেলে মোক্ষবুড়ি বলত, কে যায়? কিন্তু এখন এই মুহূর্তে ‘কে গেল’ প্রশ্নটা যে মানে বোঝাল তাতে শিউরে উঠল অর্ক। কেউ একজন জবাব দিল, ‘অর্কর মা হাসপাতালে যাচ্ছে, অসুখ।’

    ‘অ হাসপাতালে! কার মা?’

    ‘অর্কর।’

    ‘অ্যাঁ। মাস্টারনি? মাস্টারনিও হাসপাতালে চলল।’ বলতে বলতে বুড়ি ডুকরে উঠল, ‘আমাকে ছোঁবে না রে। এই গুখেগোর ব্যাটা, অ্যাই ঢ্যামনা, সবাইকে নিচ্ছিস আমাকে নিবি না কেন? ও মাস্টারনি তুমি গেলে আমাকে খেতে দেবে কে? এই যে অ্যাদ্দিন ছিলে না কেউ কি আমাকে জিজ্ঞাসা করেছে আমি কি খেয়ে আছি!’

    শুরু করে কান্না ধরতেই নির্মল গাড়ি ছেড়ে বলল, ‘যত অযাত্রা। শালা বুড়িটা মরেও না।’

    অর্ক পাথরের মত বসেছিল। ওর চোখের ওপর চট করে হেমলতার মুখ ভেসে উঠল। মহীতোষ মারা যাওয়ার সময় হেমলতা ঠিক এই গলায় ভগবানের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। ভাষাটা আলাদা কিন্তু ভাবটা একই। সে দুহাতে মাধবীলতাকে জড়িয়ে ধরতেই শুনতে পেল, ‘কি হল?’

    মাধবীলতা চোখ মেলেছে, যেন চেতনা পরিষ্কার হচ্ছে, জিজ্ঞাসা করল, ‘তুই আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিস?’

    অর্ক কান্না চাপতে নিঃশব্দে মাথা নাড়ল। কথা বলতে গেলে কি হবে সে যেন অনুমান করতে পারছিল। মাধবীলতার হাত ছেলের কনুই স্পর্শ করল, ‘তুই অমন করছিস কেন? হাসপাতালে তো মানুষ রোগ সারাতেই যায়!’

    কথাগুলো এখন অনেক স্পষ্ট।

    গাড়িটা খুব জোরে চালাচ্ছে না নির্মল। কিন্তু বাইরের পৃথিবীটা যেন ছায়ার মত চোখের অগোচরে থেকে যাচ্ছিল অর্কর। কোনরকমে কান্নাটাকে গিলে সে অভিযোগ করল, ‘অসুখটা তুমি ইচ্ছে করে বাধিয়েছ!’

    ‘ইচ্ছে করে?’ মাধবীলতা হাসবার চেষ্টা করল, ‘না বাধালে তোর এত সেবা পেতাম? তুই আমার কত ভাল ছেলে।’ বলতে বলতে তার চোখ বন্ধ হল আবার। অর্ক বুঝল মায়ের যন্ত্রণাটা ফিরে আসছে ঢেউ-এর মত। সমস্ত শরীর কুঁকড়ে উঠছে। দুটো হাত দিয়ে পেট খিমচে ধরেছে মাধবীলতা। অর্ক এবার হু হু করে কেঁদে ফেলল, নিঃশব্দে।

    গাড়িটা থামিয়ে ঘুরে এল নির্মল, ‘অ্যাই, তুমি ছেলেমানুষ নাকি? ওঁকে নামাতে হবে। দাঁড়াও, আমি একটা স্ট্রেচার নিয়ে আসি।’

    অর্ক চোখ মুছল। আবার গোঙানি আরম্ভ হয়েছে মাধবীলতার। অর্কর কোলে মাথাটা এপাশ ওপাশ করছে। হাসপাতালের চত্বরে দাঁড়িয়ে আছে গাড়ি। এইসময় নির্মল দুজন লোককে নিয়ে ফিরে এল। লোকগুলো পেশাদার হাতে মাধবীলতাকে স্ট্রেচারে শুইয়ে ভেতরে নিয়ে যেতে নির্মল বলল, ‘চল ভর্তির কাজগুলো সেরে নিই।’

    নির্মলের যে এই হাসপাতালে কিঞ্চিৎ জানাশোনা আছে সেটা বোঝা গেল। ডাক্তারবাবুর চিঠিতে যতটা না কাজ হতো নির্মলের তদ্বিরে তার চেয়ে অনেক দ্রুত হল। আর জি কর হাসপাতালে একটা বিছানা পেয়ে গেল মাধবীলতা। নির্মলকে ডিউটিতে যেতে হবে বলে সে কিছুক্ষণ বাদেই গাড়ি নিয়ে ফিরে গেল। অর্ক দাঁড়িয়েছিল বারান্দায়। ডাক্তারবাবু দেখেশুনে বলবেন কোন ওষুধপত্র লাগবে কিনা।

    বাড়ি থেকে বেরুবার সময় অর্ক যা টাকা সামনে পেয়েছিল তাই তুলে নিয়ে এসেছিল। ওষুধ কেনার জন্যে কত টাকা লাগবে তা সে অনুমান করতে পারছে না। সে চারপাশে তাকিয়ে দেখছিল। এর আগে বিলাস সোমের সময়ে যে অবস্থায় সে হাসপাতালটাকে দেখে গিয়েছে এখনও সেই অবস্থায় রয়েছে। ন’টার আগে ডাক্তারবাবু রাউণ্ডে বের হবেন না। ততক্ষণ কিছুই করার নেই। সে ধীরে ধীরে নিচে নেমে এল। এবং তখনই তার মনে হল এই পৃথিবীতে সে একা। আজ দিনে কিংবা রাত্রে তাকে শাসন অথবা ভালবাসার মত মানুষ কেউ ধারে কাছে নেই। কারো সঙ্গে পরামর্শ কিংবা কারো কাছে একটু সাহায্য আশা করা যাবে না। এইসময় তার মনে পড়ল পরমহংসকে। কাল সন্ধ্যায় খবর দিয়ে এসেছিল, সে খবর পেয়েছে কিনা কে জানে। কিন্তু এই মানুষটির ওপর আর কতটা নির্ভর করা যায়? শেষ পর্যন্ত একটা একরোখা ভাব জোর করে টেনে আনল অর্ক। যা হবার তা হবে, সে তো আর বাচ্চা ছেলে নয়। মাকে যেমন করেই হোক সারিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এবং তখনই সে জলপাইগুড়ি প্রসঙ্গটি মন থেকে সরাসরি বাদ দিয়ে দিল। যে মানুষটার জন্যে মায়ের এই অবস্থা তাকে খবর দেওয়ার কোন কারণ নেই।

    হাসপাতালের এক কোণে ছোটখাটো ভিড়। সেখানে চা বিক্রি হচ্ছে। কাল রাত্রে পাঁউরুটিটা খাওয়া হয়নি। খিদেটা হঠাৎই টের পেয়ে অর্ক এগিয়ে গেল। চায়ের গ্লাস হাতে নিয়ে সে একটা সিগারেট কিনল। তারপর পাশের একটা বারান্দায় আরাম করে বসল।

    সিগারেট খেতে তার এমনিতে ভাল লাগে না কিন্তু এখন বেশ লাগল। দেখতে দেখতে অতবড় সিগারেটটা শেষ হয়ে যাচ্ছিল। খুব সাবধানে টান দিচ্ছিল অর্ক যাতে ছাইটা না ভাঙ্গে। আগুনটা যত নেমে আসছে তত সিগারেটের চেহারা পাল্টে যাচ্ছে। হালকা ছাইটা লম্বা হয়ে একটু বেঁকে আছে। দুই আঙ্গুলে সেটাকে ধরে রেখেছিল অর্ক। শেষের দিকে আর টান দিতে সে ভরসা পাচ্ছিল না। এখন একটু নড়াচড়া হলে ছাইটা নির্ঘাৎ পড়ে যাবে। অথচ এখন ধোঁয়া টানতেও ইচ্ছে করছে। অর্ক সাবধানে ওটাকে ঠোঁটের কাছে নিয়ে আসতেই ঝুর ঝুর করে ঝরে পড়ল এতক্ষণের বাঁচানো ছাই। নিজের ওপর বিরক্ত হয়ে সে ছুঁড়ে ফেলল সিগারেটটা, আর টানল না।

    ‘পারলে না ভাই?’

    অর্ক মুখ ফিরিয়ে দেখল একটু পাকা দাড়ি শুড্যা ওর দিকে তাকিয়ে কুতকুতে হাসছে। এবার এগিয়ে এল লোকটা, ‘হয় না, দুকূল রাখা যায় না। ছাইটা হল গিয়ে তোমার স্মৃতি আর আগুনটা হল বর্তমান। তা কি উদ্দেশ্যে আগমন তব, বলে ফেল।’

    অর্ক দেখল খুবই সাধারণ জামাকাপড় লোকটার পরনে। কথাবার্তায় কেমন যেন রহস্য, একটু যাত্রা যাত্রা ধরন আছে। সে পরিষ্কার জিজ্ঞাসা করল, ‘আপনি কে?’

    লোকটা হাসল। সামান্য হাত বোলানো দাড়িতে। তারপর বলল, ‘মুশকিল আসান। সব মুশকিলের আসান করি আমি। শুধু এই হাসপাতালের মুশকিলগুলো কিন্তু। আছে তোমার কোন মুশকিল, বলে ফেল, আসান করে দিচ্ছি। তবে হ্যাঁ, যদি বল কারো প্রাণ ফিরিয়ে দিতে হবে, পারব না। যদি বল কাউকে মারতে হবে, পারব। কিছু বুঝলে? কি বুঝলে?’

    ‘আমি কিছুই বুঝলাম না।’

    লোকটা বলল, ‘একটা সিগারেট দাও বুঝিয়ে দিচ্ছি।’

    অর্ক মাথা নাড়ল, ‘আমার কাছে সিগারেট নেই।’

    ছোট চোখে লোকটা যেন অর্ককে জরিপ করল। তারপর বলল, ‘সাবাস। আমার ব্যবসাক্ষেত্র হল এই হাসপাতাল। মানুষ এখানে রোজ আসছে বিপদে পড়ে। কিন্তু এলেই তো আর কাজ হয় না, আমি সেই কাজগুলো করিয়ে দিয়ে দুটো পয়সা পকেটে পুরি। তোমার কি কেস? কাউকে ভর্তি করতে হবে? কেবিন চাই? এক্সরে করাতে হবে? পোস্টমর্টেম রিপোর্ট এক্ষুনি দরকার। সব এই শর্মার হাতে। পনের বছর ধরে লাইন ঠিক রেখে চলছি ভাই। শুধু ওষুধ পাচারটা করি না কিন্তু দুনম্বর ওষুধের ব্যবস্থাটা করে দিই।’

    ‘দুনম্বর ওষুধ?’

    ‘বুঝলে না? ধরো তোমাকে ওরা একটা প্রেসক্রিপশন ধরিয়ে দিল। একশ টাকার ওষুধ বাইরে থেকে কিনে আনতে হবে। তুমি আমাকে ষাট টাকা দাও, ওগুলো এই হাসপাতালেই পাওয়া যাবে। এবার বুঝলে? না, চা সিগারেট ছাড়া এত কথা হয় না।’ লোকটা পাকা দাড়িতে হাত বোলাতে বোলাতে পাশ ফিরছিল কিন্তু অর্ক তাকে ডাকল। সে বুঝতে পারছিল লোকটা একটা দালাল, হয়তো চারশো বিশ কিন্তু ওর বলার ধরনটা তার ভাল লাগছিল। একটা সিগারেট কিনে এনে লোকটার হাতে দিয়ে বলল, ‘আমার কাছে দেশলাই নেই।’

    ‘আমিও রাখি না।’ বলে দড়ি থেকে ধরিয়ে বলল, ‘এই হাসপাতালের গেট পেরিয়ে এলে আমি আর নিজের পয়সায় কিছু খাই না। তা সমস্যাটা কি?’

    অর্ক ইতস্তত করে বলে ফেলল, ‘আমার মায়ের খুব অসুখ। পেটে যন্ত্রণা হচ্ছে! এইমাত্র এখানে ভর্তি করেছি।’

    ‘বেড পেয়েছে?’

    ‘মনে হয় পেয়েছে। ভেতরে নিয়ে গেল ওরা।’

    ‘নিয়ে গেলেই যে পাবে তার কোন মানে নেই। মেঝেতে ফেলে রাখতে পারে। নটার ডাক্তার আসার আগে টেঁসে যেতে পারে। আহা, ওভাবে তাকিও না। বাড়িতে তোমার মা কিন্তু এখানে তো পেশেন্ট। কেসটা নেব?’

    অর্ক কি বলবে বুঝতে পারছিল না। নির্মল যেভাবে ব্যবস্থা করে গেল তাতে মনে হচ্ছিল এখন আর কোন অসুবিধে নেই। কিন্তু এই লোকটার কথা শুনে সব গুলিয়ে যাচ্ছে। সে অসহায় গলায় বলল, ‘দেখুন, আমার কাছে বেশী পয়সা নেই। আপনি যা ভাল মনে করেন তাই করুন।’

    ‘পেশেন্টের নাম কি?’

    ‘মাধবীলতা।’ নামটা বলে অর্ক আবার উচ্চারণ করল, ‘মাধবীলতা দেবী।’

    ‘এখানে দাঁড়াও, আমি ঘুরে আসছি।’ সিগারেট খেতে খেতে লোকটা বারান্দায় উঠে গেল। অর্ক দেখল সেখানে দাঁড়িয়ে গাঁজা টানার ভঙ্গীতে দুই টানে পুরো সিগারেট শেষ করে সে ভেতরে ঢুকে গেল স্বচ্ছন্দে। অথচ এখন ভিজিটার্সদের ভেতরে যেতে দেওয়া হয় না। লোকটাকে কেউ আটকাল না।

    বেলা যত বাড়ছে হাসপাতালে মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। অনেকক্ষণ পরে লোকটাকে দেখতে পেল সে। বারান্দায় দাঁড়িয়ে ইশারা করে তাকে ডাকলে। কাছে যেতেই তাকে বলল, ‘মাটিতে ফেলে রেখেছিল, ফ্রি বেড নেই। পেয়িং বেড নেবে তো ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।’

    অর্ক ঘাড় নাড়ল। সে জানে না পেয়িং বেডে কত টাকা লাগে, কিন্তু মা মাটিতে পড়ে আছে এটা সে ভাবতে পারছিল না। ঘণ্টাখানেক বাদে লোকটা আবার ফিরে এল, ‘যাক, ব্যবস্থা হয়েছে। কেস মনে হচ্ছে ভাল না। সন্ধ্যের আগে চিন্তা করার কোন মানে হয় না। তার আগে তোমাকে আর দরকার হবে না। এখন আমার সঙ্গে অফিসে এসে, বাবু ডাকছে।’

    এগারটা নাগাদ হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে এল অর্ক। মাধবীলতা পেয়িং বেডে ভর্তি হয়েছে। ভাক্তার তাকে দেখেছেন। কিন্তু দেখে তিনি কি বুঝেছেন তা সে জানতে পারেনি। লোকটা তাকে বলেছিল, ‘তুমি গরীব মানুষ, তোমার কাছে বেশী নেবো না। তবে এ লাইনে বিনিপয়সায় কোন কাজ করতে নেই। তুমি তাই আমাকে পাঁচটা টাকা দাও, আমি তোমার মায়ের ওপর নজর রাখব।’ হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল লোকটা। অর্ক না দিয়ে পারেনি। এতক্ষণে তার বিশ্বাস হচ্ছিল মায়ের জন্য লোকটা অনেক করেছে।

    হাঁটতে হাঁটতে অর্কর মন তেতো হয়ে উঠল। শালা এই হল হাসপাতাল? একটা লোক অসুস্থ হয়ে এলে তার যত্ন হবে না যদি না সে বড় লোক হয় কিংবা তার কোন দালাল না থাকে? এটা নাকি গণতান্ত্রিক দেশ! সকলের সমান অধিকার আছে? বিলাস সোম যে আরামে এখানে থাকতো তার মা সেই আরাম পাবে না কেন? কেন ওরা ভিখিরির মত মেঝেতে ফেলে রেখেছিল? অর্কর মনে হচ্ছিল তার হাতে যদি ক্ষমতা আসতো তাহলে এরকমটা হতে দিত না। যারা পার্টি করে তারা এসব নিয়ে মাথা ঘামায় না কেন?

    বাসস্ট্যাণ্ডে এসে অর্ক অসহায় চোখে তাকাল। এত ভিড় যে দরজা পর্যন্ত খোলা যাচ্ছে না। অফিসে ছুটছে মানুষেরা মনুষ্যত্ব হারিয়ে ছাগলরাও বোধ হয় এর চেয়ে আরামে যায়। এরকম দৃশ্য দেখতে অর্ক অভ্যস্ত, কিন্তু আজ যেন নতুন করে এটা চোখে পড়ল। এই যে জন্তুর মত যাওয়া আসা তাতে কারো কোন ক্ষোভ নেই। সবাই এটাকে স্বাভাবিক বলে মেনে নিয়েছে। অর্কর ইচ্ছে করছিল বাসটার সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। সবাইকে বলে ওভাবে যাবেন না। প্রতিবাদ করুন। সবাই মিলে প্রতিবাদ করলে ওরা আমাদের মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি দেবেই। কিন্তু অর্ক কিছুই করতে পারল না। ঝুলন্ত মানুষগুলোকে প্রায় উড়ে যেতে দেখল সে। আর তখনই তার মনে হল ‘ওরা’ বলতে সে কাদের কথা ভাবছে? যারা সরকার চালায়? তাদের তো সাধারণ মানুষই ভোট দিয়ে পাঠায় ও খারাপ কাজ করলে সাধারণ মানুষই তাদের বাতিল করে অন্য দলকে সমর্থন করে। তবু অবস্থার হেরফের হয় না কেন? তাহলে কি সাধারণ মানুষ যদ্দিন সরকার তৈরি করছে তদ্দিন এরকম আর কষ্ট আর অবিচার চলবে?

    ঠিক সেই সময় চোখের ওপর কাণ্ডটা ঘটল। খালপাড় থেকে একটা মালবোঝাই লরি আসছিল। পুলের কাছে যে ট্রাফিক পুলিসটা দাঁড়িয়েছিল সে লরিটাকে আটকালো। প্রচণ্ড তর্কাতর্কি হচ্ছে ড্রাইভার আর পুলিসটার মধ্যে। দুপাশের গাড়িঘোড়া রাস্তা বন্ধ থাকায় দাঁড়িয়ে গেছে। অফিসযাত্রীরা বেশ অসহিষ্ণু গলায় চেঁচাচ্ছে। পুলিসটা হাত বাড়িয়েই আছে। কোনদিকে ভ্রূক্ষেপ নেই তার। শেষ পর্যন্ত ড্রাইভার একটা আধুলি ছুঁড়ে দিতে পুলিস লরি ছেড়ে দিল। আধুলিটা পিচের রাস্তায় গড়িয়ে এদিকে চলে আসছিল। পুলিস দৌড়ে আসছে ওটাকে ধরবার জন্য। বাসযাত্রীরা এবার হো হো করে হাসল, ‘শালা মাল নেবার জন্য জ্যাম করালো।’

    চকিতে অর্ক এগিয়ে গেল। আধুলিটা মুঠোয় নিয়ে সে পুলিসটার দিকে কটমটে চোখে তাকাল। পুলিস সেটা একদম লক্ষ্য না করে নিঃশব্দে হাত বাড়াল তার দিকে। অর্ক জিজ্ঞাসা করল, ‘কি চাই?’

    ‘হামারা পয়সা।’

    ‘ওটা তোমার পয়সা?’

    ‘হ্যাঁ। হামলোককা মিলতা হ্যায়।’

    হঠাৎ অর্কর মাথা গরম হয়ে উঠল, ‘মারব শালা এক থাপ্পড়। সবার সামনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঘুষ নিচ্ছে আবার বলছে মিলতা হ্যায়।’

    পুলিসটা যেন থতমত হয়ে গেল। একবার হলদে দাঁত বের করে হাসবার চেষ্টা করে শেষ পর্যন্ত হন হন করে ফিরে গেল ডানলপের বাক্সের ওপর। তারপরে সদর্পে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করতে লাগল সে। কিন্তু অর্ক দেখল লোকটা তাকে আড়চোখে লক্ষ্য করছে। ওকে দেখিয়ে অর্ক একটা ভিখিরি বুড়িকে ডেকে আধুলিটা তুলে দিল তার হাতে। তারপর লম্বা লম্বা পা ফেলে চলে এল শ্যামবাজারের মোড়ে।

    এতক্ষণে তার উত্তেজনা কমে এসেছিল। ভীষণ অবসাদ লাগছিল এখন। পেটের ভেতরটা কনকন করছে কিন্তু খিদে বোধটুকু পর্যন্ত হচ্ছে না। অর্ক ভেবে পাচ্ছিল না কোথায় যাওয়া যায়! তিন নম্বর ঈশ্বরপুকুর লেনে ফিরে যেতে একটুও ইচ্ছে করছিল না তার। একা ওই ঘরে থাকা অসম্ভব।

    মায়ের চিকিৎসার জন্য টাকা দরকার। ওর কাছে এখন গোটা পঞ্চাশেক পড়ে আছে। ভোরে মাকে নিয়ে আসার সময় এটাই এনেছিল সে। ঘরে মায়ের জমানো টাকা কিছু আছে কিনা জানা নেই। অবশ্য জলপাইগুড়ি থেকে ঘুরে আসার পর মায়ের হাতে টাকা না থাকাই স্বাভাবিক। কোথায় টাকার জন্য যাওয়া যায়? প্রথমেই মনে পড়ল তার মাধবীলতার স্কুলের কথা। সেখানে গিয়ে মায়ের অসুস্থতার খবর দেওয়া দরকার। দিলে নিশ্চয়ই কিছু টাকার ব্যবস্থা হবে। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে তার মনে হল খবর দেওয়া এক কথা আর টাকা চাওয়া—সেটা সম্মানের হবে কি? ওরা ভাবতে পারে যে এমন ছেলে যে মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারে না। অবশ্য মায়ের যদি চিকিৎসা বাবদ কোন টাকা স্কুল থেকে পাওনা হয় তাহলে আলাদা কথা। এই ব্যাপারটা সে কিছুই জানে না। তবে খবরটা দিতে হবে।

    এছাড়া আর কোত্থেকে টাকা পাওয়া যাবে? পরমহংসের মুখ মনে পড়ল তার। মায়ের অসুখের খবর পেলে পরমহংসকাকু নিশ্চয়ই কিছু সাহায্য করবে। এছাড়া? হঠাৎ তার মনে বিলাস সোমের মুখটা ভেসে এল। লোকটা বড়লোক। গিয়ে দাঁড়ালে কি ফিরিয়ে দেবে? তাছাড়া সে লোকটার দুর্বলতা জানে। ধ্যুৎ, ওটা একদম চারশো বিশি কারবার হবে। নিজের মনে মাথা নাড়ল সে।

    স্কুল থেকে বেরিয়ে অর্ক কিছুক্ষণ আচ্ছন্ন হয়ে রইল। মাকে যে এঁরা এতটা ভালবাসেন তা সে অনুমান করতে পারেনি। হেডমিসট্রেসকে খবরটা দেওয়ামাত্র হইচই পড়ে গেল যেন। অন্য টিচাররা ছুটে এলেন। এতক্ষণ ধরে অর্ককে খুঁটিয়ে প্রশ্ন করে জেনে নিয়েছেন ওঁরা মাধবীলতা কেমন আছে। কি হয়েছে তা স্পষ্ট করে না বলতে পারলেও উপসর্গ জেনে এক একজন এক একটা রোগের নাম করেছে। বিকেলে কখন গেলে দেখতে পাওয়া যাবে জেনে নিল সবাই। সৌদামিনী বললেন, ‘তোমার বাবা তো অশক্ত মানুষ, তাঁর পক্ষে ছুটোছুটি করা বোধহয় সম্ভব হবে না। তুমি দেখবে যেন তোমার মায়ের কোন অযত্ন না হয়। আমরা আছি যখন যা দরকার হবে বলবে! জেনে রেখো, পৃথিবীতে মায়ের সেবা করার চেয়ে পুণ্য আর কিছুতেই নেই।’ তারপর কিছু মনে পড়ায় জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমাদের কাছে টাকা পয়সা আছে তো!’

    আর একজন টিচার তখন বললেন, ‘এব্যাপারে মিস্টার মিত্রের সঙ্গে আলোচনা করাই ভাল।’

    সৌদামিনী ঘাড় নাড়লেন, ‘ঠিক। তোমার বাবার সঙ্গে কিভাবে দেখা হবে? উনি কি বিকেলে হাসপাতালে আসবেন?’

    অর্ক একটু ইতস্তত করল। মা কি বলেছে এঁদের তা সে বুঝতে পারছে না। কিন্তু সত্যি কথাটা লুকিয়ে কোন লাভ নেই। এঁরাই একমাত্র মায়ের প্রকৃত বন্ধু। সে নিচু গলায় বলল, ‘উনি এখন জলপাইগুড়িতে!’

    সৌদামিনীর কপালে ভাঁজ পড়ল, ‘তাই নাকি? তাঁকে খবরটা জানিয়েছ? জানাওনি! ইমিডিয়েটলি একটা টেলিগ্রাম করে দাও। ঠিক আছে, বিকেলে আমি গিয়ে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে যা করার করব।’

    স্কুল থেকে বেরিয়ে আচ্ছন্নভাবটা কেটে গেলে অর্কর একটু হালকা লাগল। যাক, মায়ের চিকিৎসার কোন ত্রুটি হবে না। কিন্তু তাই বলে সে কিছুতেই জলপাইগুড়িতে টেলিগ্রাম করতে পারবে না। মা নিজেও চায়নি তার অসুস্থতার কথা অন্য কেউ জানুক।

    শরীরটায় কেমন অস্বস্তি হচ্ছিল। স্নানটান করে একটু শুলে হয়তো ভাল লাগবে ভেবে অর্ক ঈশ্বর পুকুরে ফিরে এল। এখন ভর দুপুর। নির্জন গলি দিয়ে অর্ক বাড়িতে ঢুকল। অনুদের দরজায় তালা ঝুলছে। দরজা খুলে সে খাটের ওপর চিৎ হয়ে শুয়ে পড়তেই গা গুলিয়ে উঠল। মুখ তেতো হয়ে যাচ্ছে। এখন তার আর খিদে পাচ্ছে না। কিছুক্ষণ শোওয়ার পর তার আর উঠতে ইচ্ছে করছিল না। অবসাদ থেকে কখন যে ঘুম এসে যাচ্ছে তা সে টের পেল না।

    হঠাৎ কপালে একটা শীতল নরম স্পর্শ পেতেই চমকে উঠে বসল অর্ক। ঝুমকি জিজ্ঞাসা করল, ‘কি হল?’

    ‘তুমি কখন এলে?’ অর্ক বিস্মিত হয়ে ভেজানো দরজার দিকে তাকাল।

    ‘এই তো। মা কেমন আছে?’

    ‘ভাল। তুমি যাও।’

    ‘যাবই তো। আমি কি থাকতে এসেছি? ভাত খাবে?’

    ‘না আমি কিস্যু খাব না। তুমি চটপট চলে যাও নইলে বস্তির লোকে নানান কথা বলবে।’

    ‘বলুক। তুমি ভাত খেলে আমি রেঁধে দিতে পারি।’

    ‘তুমি রাঁধতে যাবে কেন?’

    এবার যেন লজ্জা পেল ঝুমকি। তারপর নিচু গলায় মুখ নামিয়ে বলল, ‘আমি খুব খারাপ মেয়ে তাই বলে আমার কিছু ইচ্ছে করতে নেই?’

    অর্ক হতভম্ব হয়ে বলল, ‘যাচ্চলে!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালবেলা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }