Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৫. প্রচণ্ড অবিশ্বাসে অর্ক

     পঁচিশ

    ‘যাঃ, হতেই পারে না।’ প্রচণ্ড অবিশ্বাসে অর্ক ছবিটার দিকে ফিরে তাকাল।

    ঊর্মিমালা অবাক, ‘হতে পারে না মানে? ওটা রবীন্দ্রনাথের ছবি বিশ্বাস হচ্ছে না?’ এতক্ষণে অবশ্য অর্কর খেয়াল হয়েছে। রবীন্দ্রনাথেরও তো অল্প বয়স ছিল। সেই সময় তিনি কি রকম দেখতে ছিলেন সেটা সে জানে না। সাধারণ সাদা দাড়িওয়ালা এক বৃদ্ধের কথাই রবীন্দ্রনাথ শুনলে মনে ভাসে। সে আর একটু এগিয়ে প্রশংসার চোখে বলল, ‘এতো সুন্দর দেখতে ছিলেন! আমি ভাবলাম—।’

    অর্ককে থেমে যেতে দেখে ঊর্মিমালা জিজ্ঞাসা করল, ‘কি ভাবলেন?’

    ‘এ বাড়ির কোন ছেলে হয়তো, কোন আত্মীয়।’

    ‘রবীন্দ্রনাথ আমাদের সবার আত্মীয়।’ ঊর্মিমালা পরিষ্কার হাসল।

    ‘সবার মানে?’

    ‘যারা ভালবাসতে চায় ভালবাসা পেতে চায় তাদের সবার। আপনি গীতবিতানের গানগুলো আলাদা করে পড়েছেন?’ ঊর্মিমালা কেমন ভারী গলায় প্রশ্ন করল। হঠাৎ অর্কর মনে হল সে আবার ছোট হয়ে যাচ্ছে। ঊর্মিমালা পড়াশুনা এবং বোধে যে তার চেয়ে অনেক বড় তা আর একবার প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে অন্যরকম প্রতিক্রিয়া হল তার। সে রবীন্দ্রনাথ পড়েনি তো কি হয়েছে? কত লোক তো কত কিছু পড়ে না। একটা এরোপ্লেন কিভাবে চালাতে হয় ঊর্মিমালা কি জানে? শোলের আমজাদ খাঁর পুরো ডায়ালগ কি ও বলতে পারবে? রাস্তাঘাটে লক্ষ লোক ঘুরে বেড়াচ্ছে তাদের কয়জন রবীন্দ্রনাথের একটা পুরো কবিতা মুখস্থ বলতে পারবে? সে মাথা নেড়ে বলল, ‘নাঃ, পড়ার বই-এর বাইরে রবীন্দ্রনাথের কোন বই আমি পড়িনি। ওসব পড়তে আমার ভাল লাগে না। নির্মল তরুণ ঊষা, শীতল সমীর, শিহরি শিহরি উঠে শান্ত নদী নীর। সকালবেলার এইসব বর্ণনা এখন আমরা পড়ে কি করব! যাদের কোন কাজ নেই তারা ওইসব পড়ে।’

    ঊর্মিমালা হেসে ফেলল। এক মুহূর্ত ভাবল, তারপর বলল, ‘তাহলে আমার আঁকা ছবি দেখে কি করবেন। যাদের কোন কাজ নেই তারাই ছবি আঁকে।’

    অর্ক বুঝতে পারল তার কথা ঊর্মিমালা ভালভাবে নেয়নি। সে হেসে বলল, ‘দূর! ছবি তো বিক্রি হয়। সেদিন কাগজে বেরিয়েছে কার একটা ছবি কয়েক লক্ষ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ওটা অকাজ হবে কেন?’

    ‘তাই? আর যারা সেই ছবি কিনে দেওয়ালে টাঙায় তারা কি পায়?’

    ‘কি পাবে আর! দেখে ভাল লাগে তাই কেনে।’

    ‘তাহলে স্বীকার করছেন মানুষ তার ভাল লাগার জন্যে অনেক পয়সা খরচ করতে পারে। ভাল লাগার তাহলে দাম আছে বলছেন?’

    ‘বাঃ, ভাল লাগার দাম থাকবে না? তবে আমার যেটা ভাল লাগে তা আমার মার নাও লাগতে পারে, তাই না?’

    ‘নিশ্চয়ই, আবার আপনার বাবার লাগতে পারে। কিন্তু জন্তু-জানোয়ারদের শুধু খাওয়া আর ঘুমানোই ভাল লাগে এবং এ-ব্যাপারে তাদের সবার মত এক। তাদের মনের খুব পার্থক্য নেই। আমাদের আছে।’

    ‘নিশ্চয়ই।’ অর্ক ভেবে পাচ্ছিল না ঊর্মিমালা কি বলতে চাইছে।

    ‘তাই কারো কথা শুনলে আমাদের ভাল লাগে। অসুখ হলে মা যখন কপালে হাত বোলায় তখন ভাল লাগে। সেটা কোন কাজে লাগছে? না, আমার মনটাকে তৃপ্তি দিচ্ছে। আমরা যখন কষ্ট পাই তখন কেউ সান্ত্বনা দিলে ভাল লাগে। ওতে কি কাজ হয়? না, আমার মনটা আরাম পায়। এসব মানেন তো?’ বড় বড় চোখে তাকাল ঊর্মিমালা।

    ‘হুঁ।’ মাথা নাড়ল অর্ক।

    ‘রবীন্দ্রনাথের লেখা পড়লে আমি মনে জোর পাই, আমার অনেক সময় কষ্ট হয় দুঃখ হয় আবার খুশি লাগে। আমার চারপাশের মানুষকে আমি অন্যরকম চোখে দেখতে পাই। আমার কাছে তার দাম নেই?’

    অর্ক দেখল ঊর্মিমালা একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। এইভাবে ভেবে কেউ তার সঙ্গে কখনও কথা বলেনি। সে মাথা নাড়ল, ‘আছে, কিন্তু আমার তো নাও থাকতে পারে।’

    এবার হেসে ফেলল ঊর্মিমালা, সামান্য শব্দ হল, বলল, ‘যে মানুষ কখনও গান শোনেনি, ফুল দ্যাখেনি তাকে সেসব বললে হয়তো একই গলায় বলবে ওসবের কি দাম? কিন্তু যদি ভুলেও একবার কোন গান তার কানে যায় তাহলে—।’ বলতে বলতে ঊর্মিমালা চকিতে তাকাল, ‘আমার মনে হচ্ছে আপনি আমার সঙ্গে রসিকতা করছেন!’

    অর্ক মাথা নাড়ল, ‘না। আমার পড়ার বইতে রবীন্দ্রনাথের যেসব কবিতা আমি পড়েছি তা শুধুই বর্ণনা। ওইসব পড়ে এরকম কিছুই মনে হয়নি।’

    ‘আপনি গল্পের বই কবিতার বই পড়েন না?’

    ‘কয়েকটা ডিটেকটিভ বই পড়েছি। আর হ্যাঁ, কিছুদিন আগে মা একটা বই এনেছিল, পথের পাঁচালি, কয়েক পাতা পড়েছিলাম।’

    ‘পড়েছিলেন? কেমন লেগেছে?’

    ‘ভাল্লাগেনি। শুধু বর্ণনা আর গ্রামট্রামের ব্যাপার—। মা বাবার ওই বইটাকে আবার খুব ভাল লাগে। কি জানি।’

    ‘আপনি পড়ার সময়ের বাইরে কি করেন?’

    অর্ক হাসল, ‘আগে আড্ডা মারতাম। পাড়ার রকে।’

    ‘আপনার সহপাঠীদের সঙ্গে?’

    ‘না। ওরা কেউ পড়াশুনা করে না। অবশ্য এখন আর রকে বসতে ভাল লাগে না।’

    ঊর্মিমালা একটা নিঃশ্বাস ফেলল যেটা অর্কর কান এড়াল না। তারপর ছবিগুলো টেবিল থেকে তুলে বলল, ‘আমি তো তেমন আঁকতে পারি না, তবু দেখুন।’ প্রথম ছবিটা উঁচু করে ধরল সে। অর্ক দেখল, একটা বড় রাস্তা তাতে ট্রাম চলছে। দুপাশে বড় বড় বাড়ি দাঁড়িয়ে। একটা ঘুড়ি উড়ছে। পরের ছবি একটি ভিখারিনী হাত বাড়িয়ে দাঁড়িয়ে আর তার ছেঁড়া আঁচলের আড়ালে একটা ন্যাংটো ছেলে মুখ লুকিয়ে আছে। তৃতীয়টি একটি নদীর ছবি। আকাশে মেঘ এবং একটা হালভাঙ্গা নৌকো মাঝ নদীতে ভাসছে। কোন মাঝি বা যাত্রী নেই। নৌকোটার দিকে তাকালেই মনটা কিরকম হয়ে ওঠে। চতুর্থ ছবিটি দেখে থতমত হয়ে গেল অর্ক। বড় রাস্তা, একটা ট্রাম সদ্য স্টপেজ ছেড়ে যাচ্ছে এবং তার পেছনের ফুটপাথে তিনটি গুণ্ডা ধরনের লোক একটি ছেলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে মারছে। বেশ কিছুটা দূরে নিরাপদে দাঁড়িয়ে কতগুলো লোক দৃশ্যটা উপভোগ করছে। ছবিটা থেকে চোখ তুলতেই ঊর্মিমালা মাথা নামাল। আর এই সময় দরজায় ঊর্মিমালার মা এসে দাঁড়ালেন, ‘কিরে, ওকে এখানে আটকে রেখেছিস কেন? এসো বাবা, সামান্য কিছু মুখে দাও।’ অর্ক মহিলার দিকে তাকাল, তারপর বসবার ঘরে চলে এল। সেখানে টেবিলের ওপর কয়েকটা প্লেটে খাবার দেওয়া হয়েছে। মাধবীলতা চুপচাপ হাত গুটিয়ে বসে ঊর্মিমালার বাবার কথা শুনছিল। পরমহংসর হাতে প্লেট, তার মুখ চলছে। ঊর্মিমালার বাবা বলছিলেন, ‘অতুলপ্রসাদের নিজের গলার রেকর্ড। একটা বিশাল সূর্যের ঠিক পাশে দাঁড়িয়েও উনি এখনও আমাদের কাছে বেঁচে আছেন, ক্ষমতা না থাকলে এরকমটা হতে পারে না। ওঁর গলাটিও ভারী মিষ্টি।’

    পরমহংস মিষ্টিটা মুখে নিয়ে বলল, ‘রবীন্দ্রনাথের চেহারার সঙ্গে কিন্তু গলাটা একদম মানায় না। ওরকম বিশাল চেহারার কণ্ঠস্বর মেয়েদের মত—।’

    ‘আপনি ভুল করছেন।’ ঊর্মিমালার বাবা পরমহংসকে থামিয়ে দিলেন, ‘ওঁর গলা মোটেই মেয়েদের মত ছিল না। ওরকম তেজোদীপ্ত কণ্ঠস্বর খুব কম পুরুষের দেখা যায়। এমনিতেই বুড়ো বয়সে রেকর্ডিং হয়েছিল তার ওপর অযত্নে ওই হাল হয়েছে। আকাশবাণীর রেকর্ড শুনলে ভুল ধারণা হতে বাধ্য। আমি একবার শান্তিনিকেতনে গিয়ে কবির গলায় আবৃত্তির রেকর্ড শুনেছি। সম্পূর্ণ আলাদা। কি স্বরক্ষেপণ, কি উদাত্ত কণ্ঠ।’

    ঊর্মিমালার মা বললেন, ‘তুমি একটু চুপ করো তো! নাও অর্ক, তুমি খাও, আপনি যে হাত গুটিয়ে বসে আছেন। না বললে শুনব না।’

    মাধবীলতা বলল, ‘আমি শুধু চা খাব। এগুলো তুলে নিন।’

    ‘কেন? না না, ওসব চলবে না—।’ ঊর্মিমালার মা আপত্তি করলেন।

    ‘খুব অবেলায় খেয়েছি আজ। এমনিতেই আমার লিভার ভাল নয়। এখন খেলে অম্বল হয়ে যাবে আর—। আমি চা নিচ্ছি।’

    ঊর্মিমালার বাবা বললেন, ‘জোর করছ কেন, শরীরকে কষ্ট দিয়ে খেয়ে কি দরকার। আপনি চা খান।’

    অর্ক দেখল ঊর্মিমালা এসে বাবার পেছনে দাঁড়িয়েছে। চোখাচোখি হতেই ঠোঁটের কোণে ভাঁজ পড়ল। ওটা কি হাসির! হঠাৎ ঊর্মিমালা মাধবীলতার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করল, ‘আপনার পথের পাঁচালি খুব ভাল লাগে, না?’

    ‘হ্যাঁ।’ মাধবীলতা অবাক হল।

    ‘আমারও।’ ঊর্মিমালা বলল, ‘আমি কেঁদে ফেলেছিলাম।’

    ঊর্মিমালার বাবা বললেন, ‘মানুষমাত্রই কাঁদবে। কেউ প্রকাশ্যে কেউ মনে মনে।’

    মাধবীলতা বলল, ‘ওটা আমার প্রিয় বই। কিন্তু তুমি জানলে কি করে?’

    ঊর্মিমালা অর্ককে দেখাল, ‘তখন শুনলাম।’

    মাধবীলতা এবার ছেলের দিকে বিস্ময়ে তাকাল। তার ভাল লাগা বা মন্দ লাগার খবর কখনও ও রেখেছে বলে মনে হয়নি। তাছাড়া, পথের পাঁচালি যে তার ভাল লাগে একথা কখনও জানায়নি অর্ককে। তারপরেই খেয়াল হল অনিমেষের সঙ্গে কখনো কথা হয়েছিলো হয়তো যেটা ও শুনেছে। হেসে বলল, ‘তুমি বুঝি খুব পড়?’

    ঊর্মিমালার মা বললেন, ‘ওই তো জ্বালা। স্কুল থেকে এসে বই মুখে নিয়ে বসে আছে নইলে রঙ তুলি।’

    মাধবীলতা বলল, ‘খুব ভাল। আমার ইনি আবার মুখ্যুসুখ্যু লোক। বই পত্তরের ধার ঘেঁষে চলেন না। আচ্ছা, আজ আমরা চলি। খুব ভাল লাগল আপনাদের সঙ্গে আলাপ হয়ে।’

    ঊর্মিমালার মা বললেন, ‘আবার কবে আসবেন?’

    মাধবীলতা বলল, ‘আমরা তো আপনাদের পাড়ায় চলে আসছি। একটু গুছিয়ে বসলে আমি খবর দেব। তখন আপনাদের আমার ওখানে আসতে হবে। বেশী দূরে নয়।’

    ঊর্মিমালার মা বললেন, ‘নিশ্চয়ই যাব।’

    ওরা দরজা ছাড়িয়ে কয়েক পা এগোতে মাধবীলতা বাধা দিল, ‘না, না, আপনাদের আসতে হবে না, কি আশ্চর্য।’

    ঊর্মিমালার মা বললেন, ‘অর্কর বাবাকে বলবেন এখানে এলে আমরা গিয়ে ওঁর সঙ্গে আলাপ করে আসবো। উনি কি কখনই সুস্থ হবেন না?’

    মাধবীলতা চোখ তুলে তাকাল। হঠাৎ যেন শূন্য হয়ে যাচ্ছিল দৃষ্টি। খুব দ্রুত নিজেকে ধাতস্থ করে বলল, ‘জানি না।’

    ঊর্মিমালা কিন্তু ফুটপাথ অবধি নেমে এল। মাধবীলতা তাকে বলল, ‘তোমাকে আমার খুব ভাল লাগল। আর হ্যাঁ, যত পার বই পড়বে। পৃথিবীতে এত বই আছে যে না পড়লে নিজেকে অপরাধী মনে হয়। যতদিন মাথার ওপরে অন্য চাপ না আসছে ততদিন সুযোগ ছেড়ো না।’ কথাগুলো বলতে বলতে সে আর একবার ছেলের দিকে তাকাল। অর্কের নজর তখন দূরের বাসস্টপের দিকে। সেখানে সেই তিনটে ছেলে দাঁড়িয়ে কথা বলছে। সেই তিনজন যারা তাকে মারতে এসেছিল। হঠাৎ একটা সিরসিরানি ভয় তাকে আচ্ছন্ন করে ফেলল। আজ তার সঙ্গে সেই কলম-ছুরি নেই। এবং মা সঙ্গে রয়েছে। মাধবীলতা তখন বলছিল, ‘এলাম।’

    অর্ক ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল ঊর্মিমালা মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলল কিন্তু তার চোখ ওর দিকে। মাধবীলতা এবং পরমহংস তখন হাঁটতে শুরু করেছে। অর্ক কোনরকমে বলল, ‘চলি।’ নিজের গলার স্বর নিজের কানেই বেসুরো ঠেকল।

    ঊর্মিমালা হেসে বলল, ‘চলি বলতে নেই।’

    অর্ক দ্রুত পা চালিয়ে মায়ের পাশে চলে এল। ওরা যেদিকে যাচ্ছে সেদিকেই ছেলে তিনটে।

    এখনও ওরা এদিকে নজর দেয়নি কিন্তু এবার দেখতে বাধ্য হবে। ওরা যদি আজ ঝামেলা করতে চায় তাহলে সে কি করবে? একা তিনজনের সঙ্গে হাতাহাতি করা মুশকিল এবং সবচেয়ে বড় কথা মা রয়েছে সঙ্গে। মাকে কি ওদের কথা বলবে? ছেলে তিনটে নির্ঘাৎ এপাড়ার এবং এখানে বাড়িভাড়া নেওয়ায় এদের সঙ্গে প্রায়ই তার দেখা হবে। অর্ক খুব নার্ভাস হয়ে পড়েছিল।

    মাধবীলতা তখন বলল, ‘এঁরা কিন্তু সত্যি খুব ভদ্রলোক।’

    পরমহংস বলল, ‘হ্যাঁ। তবে একটু বেশী বেশী ভদ্রলোক। এতটা এখন বড় একটা দেখা যায় না। এমন ব্যবহার করলেন যেন আমরা ওঁদের কত বড় আত্মীয়। আর এইটেই আমার কাছে খটকা লাগছে।’

    মাধবীলতা হাসল, ‘দিন দিন এমন অবস্থা হয়েছে যে আমরা আর কোন ভাল জিনিসকে ভাল মনে গ্রহণ করতে পারি না। তোমার দোষ নেই, এইটেই এখন আমাদের অভ্যেস হয়ে গিয়েছে। ওখানে বসে একসময় আমারও তাই মনে হচ্ছিল। সন্দেহ করার রোগ আমাকেও ধরেছে।’

    পরমহংস জিজ্ঞাসা করল, ‘তাই মিষ্টি খেলে না?’

    ‘যাঃ,’ মাধবীলতা সলজ্জ হাসল, ‘আমার খেতে ভাল লাগে না।’

    এইবার তিনটে ছেলে একসঙ্গে বাঁ দিকে মুখ ফেরাতেই অর্ক সিঁটিয়ে গেল। ওর মনে হচ্ছিল মা সঙ্গে না থাকলেই ভাল হত। মায়ের উপস্থিতি যে তাকে দুর্বল করে দিচ্ছে এটা বুঝেই সে নিজেকে জোর করে শক্ত করতে চাইল। হঠাৎ মাধবীলতা ওকে কিছু বলবার জন্যে মুখ ফেরাতেই অবাক হল, ‘একি কি হয়েছে তোর?’

    ‘কিছু না।’ এবং ওটা বলবার পরই অর্ক স্থির করল ওরা যদি আক্রমণ করে তাহলে সে ছেড়ে দেবে না। তিনজনেই অর্ককে চিনতে পেরেছে। একজন মুখ খুলতে যাচ্ছিল কিন্তু তৎক্ষণাৎ আর একজন বলল, ‘এই, না!’

    এই সময় অর্ক শুনল পরমহংস বলছে, ‘কিরে, এখানে কি করছিস?’

    দলের একজনের মুখ একটু কাঁচুমাচু হল। অর্ক চিনতে পারল, এই লোকটাই তাকে মারতে এসেছিল রাস্তা পেরিয়ে। ট্রামের অপরাধীটি ওর পাশে দাঁড়িয়ে, কিছুটা কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থায়। যাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল সে জবাব দিল, এই এমনি গল্প করছি।’ পরমহংস মাধবীলতাকে বলল, ‘এ হচ্ছে আমার জ্যাঠতুতো দাদার ছেলে। খুব হেল্পফুল। লোক্যাল ট্যালেন্ট বলতে পার। সুবীর, এরা হল আমার খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধুর স্ত্রী এবং ছেলে। ওরা আমাদের পাড়ায় বাড়ি নিয়ে উঠে আসছে।

    অর্ক দেখল লোকটার মুখ ফুটো বেলুনের মত হয়ে যাচ্ছে। যদিও বয়সে পরমহংসের চেয়ে অনেক ছোট তবু চেহারায় লোক লোক হয়ে গিয়েছে।

    সুবীর কিছুটা জড়তা নিয়ে বলল, ‘আমাদের পাড়ায়?’

    ‘হ্যাঁ, ওই গলিটায়।’

    মাধবীলতা বলল, ‘ভালই হল ভাই। তুমি যখন ওর ভাইপো তখন আমাদেরও। যদি আপদে বিপদে দরকার হয় তাহলে সাহায্য করো।’

    সুবীর ঘাড় নাড়ল, ‘নিশ্চয়ই।’

    পরমহংস আর কথা বাড়াল না। রাস্তা পেরিয়ে এদিকের ট্রামস্টপেজে চলে এল। অর্কর খুব হাসি পাচ্ছিল। ও বুঝতে পারছিল ওরা এখন নিস্ফল আক্রোশে এদিকে তাকিয়ে আছে। যতই রাগ থাক আর ওদের কিছু করা সম্ভব নয়। ভাগ্যিস পরমহংসকাকু সঙ্গে ছিল নইলে—। কিন্তু পরমহংসকাকুর ভাইপো এ পাড়ার ভাল মস্তান। কাকার ব্যবহার এবং চেহারা দেখে ভাইপোর এই স্বরূপের কথা ভুলেও কল্পনা করা যায় না। সে হঠাৎ শব্দ করে হেসে উঠতেই মাধবীলতা বলল, ‘কিরে, হাসছিস কেন? একটু আগে দেখলাম মুখচোখ কাঠ হয়ে গেছে আবার এখন হাসি হচ্ছে, মাথা খারাপ হয়ে গেল নাকি!’

    ‘মাথা খারাপ হবে কেন?’ অর্ক আবার হাসল। মাধবীলতা একবার ভ্রূকুটি করে মুখ ফিরিয়ে নিল। নাঃ, অর্ক ভাবল, এসব কথা মা কিংবা পরমহংসকাকাকে বলা যাবে না। হয়তো এপাড়ায় এলে পরমহংসকাকার ভাইপোর সঙ্গে আলাপ হয়ে যেতেও পারে। তবে কিছুতেই ওই ট্রামের অপরাধীটির সঙ্গে সে কথা বলবে না। এক নম্বরের নোংরা লোকটা।

    একটা বেলগাছিয়ার ট্রাম আসছিল। মাধবীলতা পরমহংসকে বলল, ‘চল।’

    ‘যাবো? কোথায় যাবো?’ পরমহংস আঁতকে উঠল।

    ‘আমাদের ওখানে চল। তোমাকে দেখলে ও খুশি হবে।’

    ‘আর একদিন হবে, আজ নয়। আমি অবশ্য ট্রামে উঠছি, হাতিবাগানে নামব। ওঠ ওঠ।’ প্রায় তাড়া দিয়ে পরমহংস ওদের ট্রামে তুলল। বেশ ফাঁকা ট্রাম। মাধবীলতা মেয়েদের জায়গায় বসল। সেখানে আর কোন মহিলা না থাকায় অর্ক মায়ের পাশে বসল কিন্তু পরমহংস দাঁড়িয়ে রইল। মাধবীলতা তাকে বলল, ‘কি হল, বসো।’

    পরমহংস ঘাড় নাড়ল, ‘মাথা খারাপ। এর পরে একটি মহিলা উঠবেন আর আমাকে সুড়সুড় করে সিট ছেড়ে দিতে হবে। যেচে কেউ গলাধাক্কা খায়!’

    মাধবীলতা মাথা নাড়ল, ‘কিন্তু তুমি চললে কোথায়?’

    পরমহংসের উঁচু দাঁতের সামনে থেকে ঠোঁট সরে গেল। গোল মুখটি লজ্জা মেশানো হাসিতে উদ্ভাসিত হল। বলল, ‘সিনেমায়।’

    ‘অ্যাঁ, কি সিনেমা?’

    ‘প্যার কা তুফান!’

    মাধবীলতা যেন মুখ বন্ধ করতে ভুলে গেল। অর্ক অবাক চোখে এখন পরমহংসকে দেখছে। মাধবীলতা কোনরকমে সামলে নিয়ে বলল, ‘তুমি হিন্দী সিনেমা দ্যাখো?’

    পরমহংস মাথা নাড়ল, ‘সপ্তাহে একবার, ছুটির দিন। ওই একটি নেশা। অন্যদিন অফিস থেকে তাস খেলে বাড়ি ফিরতে রাত হয়ে যায় বেশ। এই ছুটির দিনটাই কাটতে চাইতো না তাই এই ব্যবস্থা করে নিয়েছি। তিন দিন আগে অ্যাডভান্স কেটে রাখি। ফার্স্ট ক্লাশ চলে যায়।’

    মাধবীলতা বলল, ‘আমার মাথায় কিছুতেই ঢুকছে না। তুমি হিন্দী সিনেমা প্রত্যেক সপ্তাহে দেখতে পারো? বাংলা দ্যাখো না?’

    ‘বাংলা? ওরে বাপ, নেভার। বাংলা ছবি কোন ভদ্রলোক দ্যাখে না। শালা সেই প্যানপাননি, গল্পের মাথাআগা নেই, একটা ভাল অ্যাকট্রেস নেই যে বসে থাকব, ফটোগ্রাফি যাচ্ছেতাই। তার ওপর যদি ইনটেলেকচুয়াল ডিরেক্টার হয় তো দফারফা। আঁতুড়ঘরের ঘুম এসে যাবে চোখে। সাধ করে পয়সা নষ্ট আর যন্ত্রণা পেতে কে যাবে বল? তার চেয়ে হিন্দী ছবি দ্যাখো। কি পাবে না, দারুণ দারুণ দৃশ্য, হিট গান, ফাইটিং, আর রাজকন্যেদের মত সুন্দরী, কি করে সময় কেটে যায় টের পাই না।’ কথা শেষ করে পরমহংস সামান্য ঝুঁকে বাইরেটা দেখল। ট্রামটা তখন হাতিবাগানে বাঁক নিচ্ছে। মাধবীলতা দ্রুত বলে উঠল, ‘তোমার আজ সিনেমা দেখা চলবে না।’

    ‘অ্যাঁ?’ পরমহংস অবাক হয়ে তাকাল।

    ‘হ্যাঁ। আজ আমাদের ওখানে গিয়ে আড্ডা মারবে।’

    ‘কিন্তু—।’

    ‘কিন্তু কিন্তু নয়। তোমার তো সময় কাটানো নিয়ে কথা।’

    ‘তাহলে, আমার জলজ্যান্ত চার পঁয়ষট্টি নষ্ট করে দেবে?’

    ‘ও তো দেখলেও নষ্ট হতো।’

    ‘মোটেই নয়। ওটা দেখে বাড়ি গেলে চমৎকার ঘুম আসতো।’

    ‘আমি কিছু জানি না। যা ভাল বোঝ কর।’

    ‘মাইরি, এই তো মুশকিলে ফেললে। এখন এটা নিয়ে কি করি?’

    পকেট থেকে একটা সবুজ টিকিট বের করে দেখাল পরমহংস। একটি মধ্যবয়সী লোক ট্রাম থেকে নামবে বলে দাঁড়িয়েছিল এবার সে মাথা বাড়িয়ে বলল, ‘দাদা, টিকিটটা কি প্যার কা তুফানের?’

    ‘হ্যাঁ। পরমহংস বিমর্ষভঙ্গীতে মাথা নাড়ল।

    চট করে ভেতরে চলে এল লোকটা। ওর হাতে তখন পাঁচ টাকার নোট। সেটা বাড়িয়ে দিয়ে বলল, ‘সকালে হাউসফুল দেখে গিয়েছি, এখন ফ্লাইং টিকিট ধরতে এসেছিলাম। কপালে ছিল বলে আপনার দেখা পেলাম।’ টাকাটা গছিয়ে দিয়ে টিকিটটা হাতিয়ে নিয়ে লোকটা দরজার দিকে এগোল। পরমহংস এমন হতবুদ্ধি হয়ে গিয়েছিল যে অসাড় চোখে চেয়ে রইল। ট্রামটা যখন সিনেমা পাড়া ছাড়িয়ে যাচ্ছে তখন ওর খেয়াল হল, ‘আরে, লোকটা যে পঁয়ত্রিশ পয়সা ফেরত পাবে! কি আশ্চর্য।’

    মাধবীলতা হেসে উঠল, ‘এ মা তুমি টিকিট ব্ল্যাক করলে?’

    মুখ ভেটকে পরমহংস কণ্ডাক্টরকে ভাড়া দিতে দিতে বলল, যাই হোক, লোকটা আমায় তোমাদের বাড়িতে যাওয়ার ভাড়া দিয়ে গেল। যাচ্ছি যখন তখন বেশ ভাল করে খাওয়াতে হবে।’

    ‘কি খাবে বল?’

    ‘কড়া করে পেঁয়াজ ভেজে তেল মাখা মুড়ি আর লঙ্কা।’ পরমহংস চোখ বুজে বলল।

    ট্রাম থেকে নেমে মাধবীলতা ইঙ্গিতে অর্ককে কাছে ডাকল। তারপর হাঁটতে হাঁটতেই একটা পাঁচ টাকার নোট ওর হাতে দিয়ে চাপা গলায় বলল, ‘তেলেভাজা আর মুড়ি নিয়ে আয়।’ অর্কর মাথায় কিছুতেই আসছিল না যে ঊর্মিমালার বাড়িতে অত খেয়েও কি করে পরমহংসকাকুর আবার খিদে পাচ্ছে। ওই বেঁটে খাটো মানুষটির পেটে কত খিদে কে জানে! তার নিজের তো একটুও খেতে ইচ্ছে করছে না।

    ট্রাম ডিপোর ঠিক উল্টো দিকে চমৎকার তেলেভাজা ভাজে। মাধবীলতা এবং পরমহংস ঈশ্বরপুকুরে ঢুকে গেলে অর্ক তিনজনের মত তেলেভাজা আর মুড়ি কিনে নিল সেখান থেকে। তারপর গলির মধ্যে ঢুকতেই অশ্লীল খিস্তি শুনতে পেল। কয়েক পা এগোতেই নজরে এল একটা রকের ওপর দু’পা ফাঁক করে দাঁড়িয়ে কোয়া সামনের বাড়ির দিকে তাকিয়ে বাপ-বাপান্ত করে যাচ্ছে। কোয়ার ঠিক পাশেই এ পাড়ার কয়েকটা ছোকরা হাসি হাসি মুখ করে বসে আছে। এদের বোধহয় হাতেখড়ি দিচ্ছে কোয়া। অর্ককে দেখেও কোয়া তোয়াক্কা না করে চেঁচালো, টেংরি ভেঙ্গে দেব। কোঠাবাড়িতে বাস করছে বলে মাথা কিনে নিয়েছে! রকে বসেছি বলে ইংরেজিতে গালাগালি দিচ্ছে। বেরিয়ে আয় শালারা।’

    অর্ক বুঝতে পারল কোয়া তাকে ইচ্ছে করেই চিনতে পারছে না। খুরকি-কিলা মারা যাওয়ার পর কোয়া এখন ঈশ্বরপুকুরের এক নম্বর হতে চাইছে। এরকম দু-একটা কেস করতে পারলেই হয়ে যাবে। হাতে তেলেভাজা তাই মেজাজটা গরম হয়ে গেলেও কোনরকমে নিজেকে সামলালো অর্ক। সে ঠাণ্ডা গলায় বলল, ‘কি হয়েছে?’

    ‘রকে বসেছি বলে ননসেন্স বলল। ইংরেজিতে গালাগালি। আমরা নাকি এখানে বসে খিস্তি করছি। তুই যা, আমি এটা বুঝে নেব।’ কাঁধ ঝাঁকিয়ে শেষ কথাটা বলে কোয়া আবার ওপরের দিকে তাকাল।

    অর্ক আর দাঁড়াল না। ফালতু ঝামেলায় এখন জড়াতে ইচ্ছে করছে না। হন হন করে তিন নম্বরের সামনে আসতেই একটা ছোট জটলা দেখতে পেল। ওকে দেখে নিমু বলে উঠল, ‘ওই যে, ওর বাবা, ওর সঙ্গে যান।’

    অর্ক দেখল একটা লোক সাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে। তাকে দেখে জিজ্ঞাসা করল, ‘অনিমেষ মিত্র আপনার বাবা?’ অর্ক মাথা নাড়ল।

    ‘টেলিগ্রাম আছে। চলুন।’

    হতভম্ব হয়ে গেল অর্ক। তাদের টেলিগ্রাম করবে কে? গলিতে পা দিয়ে দেখল মোক্ষবুড়ি পাথরের মত বসে আছে। ঘরের দরজা খোলা। অর্ক অনিমেষকে ডাকল, ‘বাবা, তোমার টেলিগ্রাম এসেছে।’

    লুঙ্গি পরে খাটের ওপর অনিমেষ বসেছিল। চমকে উঠে বলল, ‘টেলিগ্রাম?’

    হঠাৎ যেন চারধার শব্দহীন হয়ে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালবেলা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }