Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৬. খাওয়া দাওয়া শেষ করতেই

     ষোল

    খাওয়া দাওয়া শেষ করতেই দুপুর গড়িয়ে গেল। শেষ পাতে দই দেখে একটু অবাক হয়ে গিয়েছিল অর্ক। কাল রাত্রের নিয়ে আসা মিষ্টিও ছিল সঙ্গে। এসব সচরাচর তাদের বাড়িতে হয় না। পরিবেশন করার সময় মাধবীলতাকে খুব সুন্দর দেখাচ্ছিল। রবিবারের মেনু ডিমের ঝোল, একটা তরকারি আর ভাত। দুটো ডিম নিয়ে এসে একটা পুরো অর্কর জন্যে বাকিটা দুজনে আধাআধি। এটা এখন নিয়মের মত। সে বাড়ি ফেরার আগেই করে রেখেছিল নিশ্চয়ই কিন্তু দই কখন এল? হয়তো যখন কল-পায়খানায় গিয়েছিল তখনই মা নিয়ে এসেছে। খেতে বসে অর্ক আড়চোখে মায়ের দিকে তাকিয়েছিল, মাকে আজ অন্যরকম লাগছে।

    অনিমেষ আর অর্ক পাশাপাশি বসে, মাঝখানে খাবার, উল্টো দিকে মাধবীলতা। বাঁ হাতে হাঁড়ি থেকে এক হাতা ভাত তুলে ছেলের থালায় ঢেলে দিয়ে মাধবীলতা বলেছিল, ‘অনেকদিন আমরা মাংস খাইনি, না?’ সামনের রবিবার আনিস তো খোকা।’

    অনিমেষ খেতে খেতে মুখ তুলে তাকিয়েছিল, তারপর হেসে বলেছিল, ‘মাংসের দাম কত জানো?’ মাধবীলতা নিজের পাতে খাবার নিয়ে অন্যমনস্ক গলায় বলেছিল, ‘কত আর হবে। একদিন তো খাবো!’

    অর্ক বলেছিল, ‘রবিবার খুব লাইন পড়ে ঠাকুরের দোকানে।’

    মাধবীলতা এক গালে ভাত রেখে জবাব দিয়েছিল, ‘খুব ভোরে উঠিস।’

    অর্কর হঠাৎ মনে হয়েছিল আজ ঘরের চেহারাটা একদম বদলে গিয়েছে। এত শান্তির ছাপ ওই মানুষগুলোর মুখে সে কি কখনো দেখেছে? কি করে এমন হল? মায়ের কাছে আত্মসমর্পণ করার পর থেকেই এই ঘরটা অন্যরকম হয়ে গেল। তার মানে খুব অল্প পেলেই মানুষ তার কষ্ট ভুলে যেতে পারে। তাই তো? মাধবীলতা ঝুঁকে দই-এর ভাঁড়টা বাঁ হাতে যখন আনছিল তখন অর্ক দেখতে পেল মায়ের ডান দিকের জামা অনেক খানি ফেঁসে গিয়েছে। পাঁজরের চামড়া দেখা যাচ্ছে। সে আচমকা বলে বসল, তুমি ছেঁড়া জামা পরেছ কেন?’

    চকিতে আঁচল টেনে ঢেকে ঢুকে ঠোঁট কামড়ে মাধবীলতা বলল, ‘ছেঁড়া কোথায়?’ বলে অনিমেষকে আড়চোখে দেখে নিল।

    ‘তুমি জানো তুমি ছেঁড়া জামা পরেছ।’ অর্ক দই দিয়ে ভাত মাখছিল।

    ‘ঠিক আছে, তুই আমাকে নতুন জামা যখন কিনে দিবি তখন আর পরব না। আর ভাত নিবি? তুমিও একটু নাও।’ মাধবীলতা প্রসঙ্গ ঘোরাতে চেয়েছিল।

    অর্ক সঙ্গে সঙ্গে অনিমেষকে সজাগ করেছিল, ‘বাবা আর নিও না তাহলে মা না খেয়ে থাকবে।’

    অনিমেষ হয়তো নিতে চাইছিল কিন্তু কথাটা শোনামাত্র ঢেকুর তুলে বলেছিল, ‘আমার পেটে আর এক ফোঁটা জায়গা নেই।’

    মাধবীলতা হেসে ফেলল। তারপর খেতে খেতে বলেছিল, ‘কাঁকুড়গাছিতে সরকারি ফ্ল্যাট নাকি পাওয়া যাচ্ছে। বিয়াল্লিশ টাকা ভাড়া।’

    অনিমেষ শব্দ করেছিল গলায়, ‘দূর। ওই টাকায় পাখির খাঁচাও পাওয়া যায় না।’

    মাধবীলতা বলেছিল, ‘তবু আমি একবার দেখে আসব। আমাদের একজন টিচারের নাকি হোল্ড আছে। আচ্ছা, সুদীপকে বললে ও ব্যবস্থা করে দিতে পারে না?’

    ‘কে সুদীপ?’ অনিমেষের খাওয়া হয়ে গিয়েছিল। এই সময়টাই তার কাছে খুব পীড়াদায়ক। মাধবীলতা একটা মগে জল আর খালি সসপ্যান এগিয়ে দিত ওর মুখ ধোওয়ার জন্যে। কিন্তু ইদানীং সেটা নিজের কাছেই বিশ্রী ঠেকে। এখন পাতে ডান হাত ধুয়ে নিয়ে খাট ধরে সোজা হয়ে ক্রাচে ভর করে বাইরে যেতে হয় কুলকুচি করার জন্যে। মাধবীলতা বলেছিল, ‘ওঃ, তুমি এত ভুলে যাও। য়ুনিভার্সিটির সুদীপ মন্ত্রী হয়েছে। তুমি বললে নিশ্চয়ই শুনবে।’

    অনিমেষ হেসেছিল, ‘তুমি সত্যি অদ্ভুত।’

    ‘মানে?’

    ‘যার পকেটে একটা টাকা থাকে সে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভাঁড়ের চা খায়, চিনে বাদাম ছাড়িয়ে খেতে খেতে হাঁটে। তার পকেটে এক লক্ষ এলে সে আর কখনই ভাঁড় হাতে নিতে পারে না। তুমি কোন ধনী মানুষকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে বাদাম খেতে দেখেছ? এটা তার দোষ নয়। পরিবেশ কিংবা ক্ষমতাই তাকে এমন আচরণ করায়। সুদীপ যদি কিছু করে তাহলে অনুকম্পাবশত করবে। তোমার সেটা ভাল লাগবে?’

    মাধবীলতার খাওয়া হয়ে গিয়েছিল। ছেলে বসে আছে দেখে বলেছিল, ‘তুই বসে আছিস কেন, যা হাত ধুয়ে আয়।’

    অর্ক জিজ্ঞাসা করেছিল, ‘তোমাদের বন্ধু মন্ত্রী?’

    অনিমেষ মাথা নেড়েছিল, ‘পরিচিত, ওকে বন্ধু বলে না। এতে অবাক হবার কিছু নেই।’

    ‘উনি নকশাল ছিলেন?’

    এবার মাধবীলতা এবং অনিমেষের চোখাচোখি হয়েছিল, অনিমেষ হেসেছিল, ‘না।’

    মাধবীলতা একটু অবাক হয়েছিল, ‘তোর তাহলে ওসব মনে আছে।’

    ‘কেন থাকবে না। তবে সি পি এম করলে বাবা এতদিনে মন্ত্রী হয়ে যেত, না!’

    বলে উঠে হাত ধুতে চলে গেল অর্ক।

    ‘কি বুঝছ? ছেড়ে দাও এসব।’ মাধবীলতা বলল, ‘যেকথা বলছিলে, আমার এখন যা চাই তা আদায় করে নিতে হবে। ওসব চক্ষুলজ্জা নিয়ে অনেক দূরে সরে থেকেছি। কেউ যদি আমার আড়ালে কিছু বলে তাতে কি এসে যায় যদি কাজ হয়? আমার সামনে না বললেই হল। আমি আর ওসব কেয়ার করি না।’

    অনিমেষ চমকে উঠেছিল, ‘তুমি খুব বদলে যাচ্ছ।’

    বদলে যাচ্ছে কি না তা মাধবীলতা জানে না কিন্তু এখন মেঝেতে পাতা শীতলপাটিতে শুয়ে মনে হল এতদিনে যা যা ও করে এসেছে সব ঠিক করেনি। শুধু সয়ে যাওয়ার কোন মানে হয় না। কেউ আমার রুচির মূল্য না দিলে অভিমানে সরে থাকার কোন যুক্তি নেই। আজকে একটুর জন্যে বিরাট ভুল হয়ে যাচ্ছিল। অন্তত আজকের দিনে অর্ক কোন অন্যায় করেনি তবু সেই একই অভিমানে ওকে বোঝার চেষ্টা সে প্রথমে করেনি। তার পরেই ওর স্নেহ প্রকাশ হয়ে যাওয়ার পর ছেলেটা কেমন বদলানো ব্যবহার করছে। অন্তত এই মুহূর্তে ওর বই নিয়ে বসা স্বাভাবিক নয়। অর্কর পিঠের দিকে তাকাল মাধবীলতা। খালি পিঠ, পরিষ্কার এবং ভরাট। ছেলেটা সত্যি বড় হয়ে গেল। পড়ার কথা সে বলেনি। পাটিতে গড়াগড়ি দিতে দিতে বই টেনে নিয়েছে। মাধবীলতার মনে হল ওরও কিছু দোষ আছে। আমরা কতগুলো নিয়ম নিজেরাই তৈরি করে নিয়েছি রুচি এবং শোভনতার দেওয়াল দিয়ে। আমরা চাই সবাই তার মধ্যে আটকে থাকুক। অন্যথা হলেই সব কিছু এলোমেলো হয়ে গেল বলে ভয় পাই। কিন্তু আজ সামান্য আদর এবং স্নেহের স্পর্শ পেতেই ছেলেটার একরোখা ভাবটা চলে গেল। হয়তো সাময়িক, হয়তো আজ বিকেল পর্যন্ত এটা থাকবে কিন্তু তাও তো হল!

    দরজায় শব্দ হল। বই মুড়ে রেখে অর্ক জিজ্ঞাসা করল, ‘কে?’

    ‘একজন ডাকছে।’ গলাটা ন্যাড়ার বলে মনে হল অর্কর। উঠে দরজার দিকে পা বাড়াতে গিয়ে সে মায়ের দিকে তাকাল। মাধবীলতার চোখ এখন তার দিকে। অনিমেষ খাটে শুয়ে রয়েছে চোখ বন্ধ করে, ঘুমোয়নি যে তা নড়াচড়ায় বোঝা যাচ্ছে। অর্কর অস্বস্তি হচ্ছিল। কিন্তু সেই সঙ্গে মনে হল কিলা খুরকিরা এলে ন্যাড়া ‘একজন ডাকছে’ বলত না। অতএব এই ডাকে সাড়া দেওয়া মানে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে যাওয়া নয়। সে মাধবীলতাকে বলল, ‘কে ডাকছে দেখে আসি।’

    মাধবীলতা কোন কথা বলল না কিন্তু তার ঠোঁটে যে হাসি ফুটছিল তাকে কোনমতে সামলালো। অন্য সময় হলে অর্ক এই দ্বিধা দেখাতো না। দরজা খুলে অর্ক বলল, ‘কেউ নেই।’ তারপর কয়েক পা হেঁটে অনুদের বাড়ির সামনে এসে ফিরে যাচ্ছিল। শালা, হারামিরা এইভাবে ভড়কি দিয়ে মজা পায়। কিন্তু তার সঙ্গেই যে কেউ বাতেলা করতে সাহস পাবে! অর্ক চারপাশে তাকাল। ঠিক তখন অনুপমা সেজেগুজে দরজা খুলে মাটিতে পা রাখল। চোখাচোখি হতে কেমন একটা লাজুক লাজুক হাসি হেসে এগিয়ে গেল রাস্তার দিকে। ওর ছোট্ট ভাইগুলো ড্যাবডেবিয়ে দরজায় দাঁড়িয়ে দিদির যাওয়া দেখতে লাগল। ওপাশ থেকে ন্যাড়া চিৎকার করে উঠল, ‘তোমাদের একজন ডাকছে।’

    অর্ক দেখতে পেল। একটা পাঁচিলের ওপর পা ঝুলিয়ে বসে ন্যাড়া বিড়ি খাচ্ছে। খালি গা কিন্তু অশৌচের চিহ্ন রয়েছে। হঠাৎ অর্কর মনে পড়ল, ওদের মা নেই। কিন্তু অনুপমার সাজগোজ দেখে কেউ সে কথা বলবে না। অমন সেজে ও কোথায় গেল! অর্ক জিজ্ঞাসা করল, ‘কোথায়?’

    ‘বাইরে, চায়ের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।’

    নিমুর চায়ের দোকানের সামনে আসামাত্র ড্রাইভারটাকে চিনতে পারল অর্ক। এই লোকটাই গতরাত্রে এসেছিল। গাড়ি পাল্টে গিয়েছে কিন্তু লোক একই। সে জিজ্ঞাসা করল, ‘আমাকে খুঁজছেন?’

    মাথা নেড়ে লোকটা জানাল, সাহেব তাদের নিয়ে যাবার জন্যে গাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন। আর বার বার বলে দিয়েছেন যেন অর্ক তার মাকে সঙ্গে নিয়ে যায়। খুব জরুরী দরকার। ফেরার জন্যে চিন্তা করতে হবে না।

    অর্ক খুব অবাক হল। বাবার ছোটকাকা এত ভদ্রলোক! কিন্তু মাকে নিয়ে যেতে বলছে কি জন্যে! সে লোকটাকে দাঁড়াতে বলে পিছু ফিরছিল এমন সময় চায়ের দোকান থেকে ডাক ভেসে এল, ‘আবে অক্ক!’

    এই সময় নিমুর দোকান ফাঁকা থাকে। নিমুর ছেলে চা বানাচ্ছে। পেছনের বেঞ্চিতে আধশোয়া হয়ে বিলু তার দিকে তাকিয়ে। বিলুকে দেখেই বুকের ভেতর খচ করে উঠল। সে জিজ্ঞাসা করল, ‘কি বলছিস?’

    ‘এদিকে এস দোস্ত।’

    অর্ক ঈষৎ বিরক্ত হয়ে দোকানে উঠে বলল, ‘তাড়াতাড়ি বল, কাজ আছে।’

    ‘সে তো দেখতেই পাচ্ছি। গাড়িটা কার? লেকটাউনের মাগীটার?’

    ‘আই বিলু, মুখ সামলে কথা বল!’

    ‘যাঃ বাবা। এতেই দিল বাম্প করল! ওই মেয়েছেলেটাকে পেয়ে সেদিন আমাকে কি হাম্পুটাই না দিলি। ভদ্দরলোকের ছেলে ভদ্দরলোকের সঙ্গেই মিশে যায়, তাই না?’

    বিলু উঠে বসল, ‘তোকে আমি দোস্ত ভেবেছিলাম।’

    ‘আমি তাই আছি। অনেক সময় উপায় থাকে না—।’ অর্ক ওকে শান্ত করার জন্যে বলল।

    ‘মাল খিঁচেছিস?’

    ‘কার কাছ থেকে?’

    ‘হাসপাতাল পার্টির কাছ থেকে।’

    ‘না। আমি আর যাইনি।’ তারপর জুড়ে দিল, ‘হয়তো অ্যাদ্দিনে টেঁসে গেছে।’

    ‘না। দিব্যি বেঁচে আছে। ওর বউটা মনে হয় খুব কান্নি খায়। আমি আজ হাসপাতালে গিয়েছিলাম তোর খোঁজে।’ বিলু হাসল।

    ‘আমি যাইনি সে তো দেখেছিস। যাক, আমি তোর সঙ্গে পরে দেখা করব, লোকটা দাঁড়িয়ে আছে।’ অর্কর ভাল লাগছিল না। বিলু যখন হাসপাতালে গিয়ে বিলাস সোমের খোঁজখবর নিয়েছে তখন ওকে বিশ্বাস নেই।

    ‘গাড়িটা কার?’

    ‘আমার ছোটদাদুর।’

    ‘আই বাপ! তারা এত বড়লোক।’

    ‘আমরা নই। বাবার ছোটকাকার গাড়ি ওটা। এর আগে কোনদিন দেখিনি। তুই খোঁজ নিলে দেখবি তোরও কোন না কোন আত্মীয় খুব বড়লোক কিন্তু তাতে তোর কি এসে গেল।’ অর্ক চটজলদি কথাগুলো বলে গেল।

    ‘দূর বে। আমার সব বড়লোক আত্মীয় পাকিস্তানে, অ্যাদ্দিনে হয়তো তারা মিয়া সাহেব হয়ে গিয়েছে। টিকিটগুলো দে।’ হাত বাড়াল বিলু।

    ‘কিসের টিকিট?’ বলেই মনে পড়ে গেল অর্কর। সেই সিনেমার টিকিটগুলো। কোথায় রেখেছিল সে। দুটো জায়গা তার বাছা আছে ঘরে। সে মাথা নাড়ল, ‘দিয়ে যাচ্ছি। তুই তো এখানে আছিস।’

    বিলু বিস্মিত ভঙ্গী করল, ‘সেকি রে! তুই আমাকে বিশ্বাস করে ছেড়ে দিবি? যদি টিকিট ঝেড়ে দিয়ে হাওয়া হয়ে যাই!’

    ‘সে তোর ধর্ম।’ কথাটা বলে ফিরে আসছিল অর্ক, খপ করে বিলু ওর হাত চেপে ধরল, ‘গুরু, এত বড় কথা যখন তুমি বললে তখন আর আমার কোন রাগ নেই। তোমার সঙ্গে একটা জরুরী কথা আছে। ন্যাড়ার মায়ের শ্রাদ্ধ লাগাতে হবে। কিলা চাইছে ও সেকেটারি হবে, আমি সেটা চাইছি না। তুমি হবে?’

    ‘কিসের সেক্রেটারি?’

    ‘বাঃ, চাঁদা তুলতে হবে না? ন্যাড়াদের তো পয়সা নেই। চাঁদা তুলে ফাণ্ড করতে হবে, শ্রাদ্ধের আগে চব্বিশ ঘণ্টা কীর্তন লাগাতে হবে। হেভী খরচ। কিলা সেকেটারি হলে আমরা ভোগে যাব। তুমি যদি আমার সঙ্গে হাত মেলাও তাহলে কিলাকে ফুটিয়ে দিতে পারব।’ বিলুর গলা খুব আন্তরিক।

    ‘ঠিক আছে, পরে কথা বলব।’

    ‘পরে নয়। আজ বিকেলেই মিটিং।’

    ‘ঠিক আছে।’

    হাত ছাড়িয়ে অর্ক গলিতে ঢোকার মুহূর্তে আড়চোখে দেখল ড্রাইভারটা তার দিকে হাঁ করে তাকিয়ে আছে। বিলুর কথা কি ওর কানে গিয়েছে? কে জানে?

    খবরটা শোনামাত্র মাধবীলতা উচ্চারণ করল, ‘সেকি!’

    ‘হ্যাঁ। খুব জরুরী দরকার বলছে।’

    ‘আমার সঙ্গে আবার কি দরকার!’

    ‘তা জানি না। গাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ড্রাইভার।’

    মাধবীলতা অনিমেষের দিকে তাকাল, ‘কি ব্যাপার বলো ত?’

    অনিমেষ মাথা নাড়ল, ‘কি করে বলব। ছোটকাকাকে বোঝা খুব মুশকিল।’

    ‘আমি কি করব?’

    ‘যা ভাল বোঝ।’ অনিমেষ হাসল।

    ‘বাঃ, তোমার ছোটকাকা, তুমি বলবে না? তাছাড়া ওসব হোটেল মোটেলে আমার যাওয়া অভ্যেস নেই। অস্বস্তি হয়। তার চেয়ে থোকা তুই গিয়ে জেনে আয়।’ এই সমাধানটা মাধবীলতার নিজেরই ভাল লাগল।

    হঠাৎ অর্কর মনে হল মায়ের সঙ্গে রাস্তায় বের হলে বেশ হয়। অনেক, অনেকদিন সে মায়ের সঙ্গে কোথাও যায়নি। আজ যখন এই রকম সুযোগ এসেছে। সে বলল, ‘কিন্তু ওঁর বোধহয় তোমার সঙ্গেই দরকার। আমি তো সঙ্গে আছি, তুমি চল।’

    ‘দূর পাগল। তেমন প্রয়োজন হলে তিনিই আসতেন।’ মাধবীলতা শেষ করতে চাইল।

    ‘না মা, তুমি চল। বেশ ঘোরা যাবে গাড়ি করে।’ আবদারে গলা অর্কর।

    মাধবীলতা কৃত্রিম বিস্ময়ে অনিমেষকে বলল, ‘দ্যাখো, বুড়োধাড়ীর কাণ্ড।’

    অনিমেষ বলল, ‘বলছে যখন, যাও না ঘুরেই এসো।’

    ‘সেকি!’

    ‘সেকি বলছ কেন? অনেক দিন, অনেকদিনই বা বলি কেন, কোনদিনই তো কোথাও বেড়াতে গেলে না! অর্ক সঙ্গে আছে, চিন্তা করার কিছুই নেই।’

    অনিমেষের কথা শেষ হওয়ার আগেই মাধবীলতার মুখে সিঁদুর জমছিল। এত বছর ধরে শুধু ঘর দোকান আর স্কুল ছাড়া অন্য কোন জীবন যে তার নেই এটা নিজেরই খেয়াল ছিল না। অথচ অনিমেষ সেই কথাটা মনে করেছে জানতে পেরে—একে কি আনন্দ বলে, কে জানে, তাই হল। অন্যদিকে তাকিয়ে মাধবীলতা বলল, ‘তোমাকে ফেলে আমি বেড়াতে যাব, অদ্ভুত কথা।’

    ‘তুমি বেড়াতে যাচ্ছ ভাবছ কেন? প্রয়োজনে যাচ্ছ।’ অনিমেষ বোঝাল।

    ‘ছেলেমানুষী কর না।’

    অর্ক বুঝতে পারছিল বাবাকে ফেলে মা যাবে না! সে তাড়াতাড়ি বলে উঠল, ‘আচ্ছা মা, বাবাও তো আমাদের সঙ্গে যেতে পারে!’

    মাধবীলতার যেন খেয়াল হল, ‘ও, হ্যাঁ, তাই তো! তুমি তো মোড় অবধি ক্রাচ নিয়ে হেঁটেছিলে। তুমি গেলে আমি যেতে পারি।’

    মাধবীলতার মুখের দিকে অবাক হয়ে তাকাল অনিমেষ, ‘তুমি পাগল হয়েছ। আমার মত বিকলাঙ্গ মানুষ বাড়ির বাইরে যাবে!’

    ‘চমৎকার। তুমি ক্রাচ নিয়ে গলিতে গিয়ে গাড়িতে উঠবে আর হোটেলের সামনে নামবে। আমরা তো আছি।’

    ‘তারপর সিঁড়ি ভাঙ্গবো কি করে?’

    ‘সিঁড়ি ভাঙ্গতে হবে কেন? লিফট নেই? অতবড় হোটেলে লিফট না থেকে পারে? না, আর আপত্তি করো না। এত বছর ধরে তুমি তো বন্দী হয়েই আছ, আজ যখন সুযোগ এসেছে তখন আর আপত্তি করো না। আমি তো রোজ নানান কাজে বাইরে যাচ্ছি, তোমার তো তাও হয় না।’

    অনিমেষ ক্রমশ বোধ করছিল আকর্ষণ তীব্র হচ্ছে। এই ঘর এবং গলিতে দিনের পর দিন আটকে থেকে সে একসময় ক্লান্ত হয়েছিল এবং এখন আর সে বোধ বেঁচে নেই বলে মনে হয়েছিল। কিন্তু অর্ক এসে বলা মাত্র সে মনে মনে বিষন্ন হয়ে পড়েছিল। ছোটকাকা শুধু মাধবীলতাকে যেতে বলেছে? ওঁর তো তার কথাই আগে বলা উচিত ছিল। হয়তো ভেবেছেন সে হাঁটতে পারবে না কিন্তু ভদ্রতাও তো এটাই করতে বলে। তার মানে ছোটকাকা তাকে বাতিলের দলে ফেলে দিয়েছেন। অভিমান, এতক্ষণ যা ছিল চাপা, তা তীব্র হল, ‘উনি তোমাকে যেতে বলেছেন লতা, আমাকে নয়। তাই আমার যাওয়া অশোভন।’

    মাধবীলতা বলল, ‘তুমি যে যেতে পার তা বোধহয় ওঁর মনে আসেনি।’

    ‘সেই জন্যেই আমার যাওয়া উচিত নয়।’

    ‘তাহলে তুই একা ঘুরে আয় খোকা।’

    অর্ক বুঝতে পারছিল আবার পরিস্থিতি পাল্টে যাচ্ছে। সে মাথা নাড়ল, ‘তোমরা দুজনেই চল। ড্রাইভার তো ঠিকঠাক নাও বলতে পারে।’

    অনিমেষ যেন চট করে কথাটা ধরল, ‘কেন, ড্রাইভার তোকে শুধু মাকে নিয়ে যেতে বলেনি? এতে ঠিক বেঠিকের কি আছে?’

    ‘শুধু মাকে নিয়ে যাওয়ার কথা কিন্তু বলেনি।’ অর্ক সত্যি কথা বলতে পেরে খুশি হল, ‘বলেছিল মায়ের সঙ্গে খুব দরকার। তার মানে শুধু মাকে নিয়ে যেতে হবে, তা নয়।’

    মাধবীলতা বলল, ‘ওই তো! তুমি মিছিমিছি ভাবছ। চল, সবাই মিলে ঘুরে আসি। তোমাদের দুজনকে নিয়ে আমি কখনও বেড়াতে যাইনি।’

    মাধবীলতা যে মুখ করে তার দিকে তাকাল তা অনেকদিন দ্যাখেনি অনিমেষ। মুহূর্তেই সব অভিমানের ধুলোয় যেন ঝড়ের ছোঁয়া লাগল, ‘বেশ, যখন বলছ।’

    সাদা হ্যাণ্ডলুমের পাঞ্জাবি আর পাজামা অনিমেষের পরনে। দুই বগলে ক্রাচ। এত পরিষ্কার জামাকাপড়ে আজ ওকে খুব রোগা দেখাচ্ছে। হাত দুটো শরীরের তুলনায় বড় বেশী ভারী। মাধবীলতা সাদা ব্লাউজের সঙ্গে সাদা শাড়ি মিলিয়েছে। অবশ্য পুরো সাদা নয়, মাঝে মাঝে হালকা নীলের নকশা রয়েছে। এখনও খোঁপা বেঁধে পরিষ্কার মুখে সিঁদুরে-টিপ পরলে ওকে চমৎকার দেখায়। অনিমেষ ঠাট্টা করল, ‘তোমার টিপের আঠা ঠিক আছে তো?’

    ‘বাঃ, এটা নতুন। কেন, খারাপ লাগছে?’

    সাদা প্যান্টের ওপর লাল গেঞ্জিশার্ট পরে অর্ক চুল আঁচড়াচ্ছিল, বলল, ‘দারুণ।’

    মাধবীলতা হাত তুলল, ‘ইয়ার্কি হচ্ছে মায়ের সঙ্গে, না?’

    অর্ক হেসে উঠল, ‘বাঃ, তুমি সুন্দরী, এটা তো সত্যি কথা।’

    ‘আবার?’

    ‘বাবা, বলো তো। এই বস্তিতে মায়ের চেয়ে সুন্দরী আর কেউ আছে?’

    অনিমেষ কিছু বলার আগেই মাধবীলতা বলল, ‘ও, তুই বুঝি এই সব দেখে বেড়াস আজকাল। অনেক গুণ হয়েছে দেখছি। চল, তোমরা বাইরে যাও, আমি আসছি।’

    অনিমেষ খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে অর্কর পাশাপাশি ঈশ্বরপুকুর লেনে বেরিয়ে এল। অর্ক লক্ষ্য করল এখনও মোক্ষবুড়ি গলিতে বসেনি। কিন্তু আর যত বউঝি ইতস্তত ছড়িয়ে ছিল তারা অবাক হয়ে অনিমেষকে দেখছে। তাদের চোখে যে ব্যাপারটা নতুন তাই বিস্ময়ের। এর ওপর যখন মাধবীলতা খোঁপা ঘোমটায় ঢেকে ওদের পেছনে চলে এল তখন বিস্ময় আরও বাড়ল। অর্কর মনে হচ্ছিল, পাবলিক যেন সিনেমা দেখছে। মাধবীলতা বলল, ‘অত তাড়াতাড়ি পা ফেলা ঠিক নয়।’

    অনিমেষ কিছু বলতে যাচ্ছিল এই সময় চিৎকারটা তীরের মত ওদের বিদ্ধ করল। আর এই প্রথম অর্কর মনে হল এই শব্দগুলো মা বাবার সামনে শোনা যায় না। চিৎকার করছিল ন্যাড়া। মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে শরীর বেঁকিয়ে শব্দগুলো ছুঁড়ছিল, ‘কোন শালা খানকির বাচ্চা তোমার দোকানে আর চা খায়, অমন চায়ের কাপে আমি—’ তার পরেই অনিমেষদের দেখতে পেয়ে যেন বাকি শব্দ গিলে ফেলল সে। ওদিকে নিমু তখন আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়েছে, ‘মেরে তোর হাড় ভেঙ্গে দেব বদমাস ছেলে। মা মরার পর বিনিপয়সায় চা দিয়েছিলাম বলে জমিদারি পেয়েছ? আজ পয়সা চেয়েছি বলে খিস্তি হচ্ছে। শালা সেদিনের মাল আজ খিস্তি করছে!’

    ন্যাড়ার ছেড়ে দেওয়া শব্দগুলো কানের পর্দায় গম গম করছে। অর্ক ছুটে গিয়ে চাপা গলায় বলল, ‘এই ন্যাড়া, মুখ খারাপ করবি না!’

    ন্যাড়া শরীর মোচড়ালো, ‘যা বে। আমার সঙ্গে লাগলে আমি ছেড়ে দেব না।’

    ‘ন্যাড়া!’ রক্ত গরম হয়ে উঠেছিল অর্কর। পেছন থেকে মাধবীলতার চাপা গলা সে শুনতে পেল, ‘আঃ, কি হচ্ছে!’

    অনেক কষ্টে নিজেকে সামলে অর্ক ওদের নিয়ে গাড়িটার সামনে চলে আসতেই ড্রাইভার দরজা খুলে দিল। অত্যন্ত সাবধানে অনিমেষকে গাড়িতে তোলা হল। দুই হাতে ভর দিয়ে পেছনের আসনে অনিমেষ ঠিকঠাক বসলে ক্রাচ দুটো তুলে দিয়ে মাকে উঠতে বলে পেছন ফিরে তাকাল। ছোটখাটো ভিড় জমেছিল সেটা যত না ন্যাড়ার বচন শুনতে তার চেয়ে এদের যাত্রা দেখতে। বিলু নেমে এসেছিল দোকান থেকে। মাকে আড়াল করে পকেট থেকে টিকিট বের করে ওর হাতে চালান করে দিল অর্ক, ‘সবগুলো আছে। তুই যা ইচ্ছে তাই করিস। আমি এর মধ্যে নেই।’ কথাটা বলেই সে দ্রুত এগিয়ে গিয়ে গাড়িতে উঠে বসতেই ড্রাইভার ইঞ্জিন চালু করল। গাড়ি যখন ন্যাড়ার পাশ দিয়ে যাচ্ছে তখন অর্ক মুখ বের করে বলল, ‘দাঁড়াও, ফিরে আসি, তোমার হচ্ছে।’

    সঙ্গে সঙ্গে মাধবীলতা বলল, ‘মানে? তুই ওকে বলার কে?’

    ‘বাঃ, তাই বলে তোমাদের সামনে খারাপ কথা বলবে!’

    ‘আমাদের তো বলছে না।’

    ‘কিন্তু শুনতে হচ্ছে তো। ওকে আমি শিক্ষা দেব।’

    ‘ঠাস করে চড় মারবো। এখন আমরা সঙ্গে আছি বলে খুব গায়ে লাগছে না? দিনরাত রকে বসে যখন ওগুলো বমি করিস তখন খেয়াল থাকে না কারো না কারো মা বোন এসব শুনছে। এখন বোঝ কেমন খারাপ লাগে। ন্যাড়াকে মারবি, তোর ওই গুণ্ডা বন্ধুদের মুখ বন্ধ করতে পারবি? কিছু বলতে হবে না ন্যাড়াকে। নিজেকে ঠিক রাখ, তাই যথেষ্ট।’

    অর্ক গুম হয়ে বসেছিল। মায়ের প্রত্যেকটা কথাই যে সত্যি তা বুঝতে পেরে আরও অসহায় লাগছিল । গাড়ি তখন বেলগাছিয়া ব্রিজে উঠে এসেছে। ডান দিকে তাকিয়ে অনিমেষ বলে উঠল, ‘ওইটে কি? পরেশনাথের মন্দির, না?’

    মাধবীলতা বলল, ‘হ্যাঁ।’ তার পরে হেসে বলল, ‘অ্যাই রামগরুড়ের ছানা, এদিকে তাকা।’

    অর্ক গম্ভীর হতে গিয়ে হেসে ফেলল, ‘তুমি নিজেকে রামগরুড় বলছ।’

    হাসিটা বিস্তারিত হল, ‘বাঃ, মাথায় বুদ্ধি আছে দেখছি।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালবেলা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }