Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২২. দিন সাতেক বাদে সুস্থ হল অর্ক

     বাইশ

    দিন সাতেক বাদে সুস্থ হল অর্ক। এই সাতদিনের প্রথম দুদিন ঠিক চেতনায় ছিল না। তারপরে এত দুর্বল হয়ে পড়েছিল যে মাধবীলতার ঘর থেকে বের হওয়া মুশকিল হয়ে দাঁড়াল। এই সময়ে ছেলেকে একটু একটু করে অন্যরকম হয়ে যেতে দেখল সে। কথা যতটা সম্ভব কম বলে, আনমনে চেয়ে থাকে, বোঝা যায় কিছু ভাবছে এবং জিজ্ঞাসা করলে শুধু ম্লান হাসে। এর মধ্যে দুদিন বিলু এসেছিল ওকে ডাকতে। উঠে বাইরে যাওয়ার সামর্থ্য ছিল না। মাধবীলতাকে বলেছিল, ‘বলে দাও আমি ঘুমুচ্ছি, শরীর খারাপ।’

    দ্বিতীয়দিন মাধবীলতা ঈষৎ চমকেছিল। বিলুকে আজ এড়িয়ে যাচ্ছে অর্ক সেটা বুঝে ধন্দে পড়েছিল। এড়িয়ে যাওয়ার কোন কারণ নেই। এখন সে বেশ স্বচ্ছন্দে কথা বলতে পারে, ঘরের ভেতর হাঁটাচলা ছাড়া কল-পায়খানায় যাচ্ছে। তাহলে? বিলুকে বিদায় করে মাধবীলতা জিজ্ঞাসা করেছিল, ‘কি ব্যাপার?’

    অর্ক প্রশ্নটা যেন ধরতে পারেনি এমন ভঙ্গীতে তাকাল।

    ‘বন্ধুর সঙ্গে দেখা করছিস না কেন?’ বন্ধু শব্দটা ইচ্ছে করেই বেঁকিয়ে বলল সে।

    ‘ভাল লাগছে না।’ অর্ক চোখ বন্ধ করল।

    ‘তুই কি ভাবিস বল তো দিন রাত?’

    ‘কিছু না।’ অর্ক এড়িয়ে গেল।

    এই ব্যাপারটা অস্বস্তিতে ফেলল মাধবীলতাকে। যে ছেলে দিনরাত বাইরে পড়ে থাকতো সে সুস্থ হয়েও ঘর ছেড়ে বের হচ্ছে না। দু’দুবার অসুস্থতার জন্যে স্কুল কামাই হয়ে গেছে, আগেও ঠিক মত যেত না হয়তো, এভাবে চলতে দেওয়া উচিত নয়। যদিও সুস্থ হবার পর অর্ক বইপত্তর নিয়েই পড়ে থাকে কিন্তু এটা ওর স্বাভাবিক জীবন নয়। এর মধ্যে বস্তিতে যে ঘটনাটা ঘটল তা নিয়েও ওকে একটুও চিন্তা করতে দেখল না মাধবীলতা। অনুপমাকে পাওয়া যাচ্ছে না। পাওয়া যাচ্ছে না মানে নিরুদ্দেশ নয়, সে ইচ্ছে করেই চলে গেছে। কালীঘাটে বিয়ে সেরে সেই হকার ছেলেটির সঙ্গে উধাও হয়ে গিয়েছে। শুনে অর্ক হেসে বলল, ‘বেঁচে গেল।’

    চমকে উঠেছিল মাধবীলতা। চোখাচোখি হয়েছিল অনিমেষের সঙ্গে। এত বড় সত্যি কথাটা ছেলের মুখ দিয়ে কি সহজে বেরিয়ে এল! শেষ পর্যন্ত তাকে মাধবীলতাই ঠেলেঠুলে বাইরে পাঠাল। স্কুলে যেতে হবে, ভদ্র বন্ধুদের সঙ্গে মিশতে হবে এবং স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে হবে। ছেলের জন্যে ওর নিজেরও স্কুলে যাওয়া হয়নি অনেকদিন। এভাবে ছুটি পাওয়া আর সম্ভব নয়। অর্ক অবশ্য এখন বাধ্য হয়ে বেরুচ্ছে কিন্তু তার দিনরাতের সেই আড্ডাটা উধাও হয়ে গিয়েছে।

    খুরকি এবং কিলার মৃত্যুর পর তিন নম্বর ঈশ্বরপুকুর লেন হঠাৎ চুপচাপ হয়ে গিয়েছে। অশ্লীল কথাবার্তা চিৎকার করে ক’দিন কেউ বলছে না। পেটো পড়েনি এই ক’দিন। শুধু রাত বিরেতে কয়েকটা বুড়ো মাতাল এখনও চেঁচায়। বিলু ছাড়া অনেককেই পুলিস তুলে নিয়ে গিয়েছিল। বেধড়ক পিটিয়ে জানতে চেয়েছিল খুরকি-কিলার সঙ্গে কি সম্পর্ক ছিল এদের। সতীশের কাছে ছুটে গিয়েছিল ওদের আত্মীয়রা। সতীশ কিন্তু সরাসরি না বলে দিয়েছে, ‘অসম্ভব। সমাজ বিরোধীদের আমি কখনই সমর্থন করব না। পার্টি এইসব ছেলেদের জন্যে ও সি-কে বলা পছন্দ করবে না। তাছাড়া দুটো সমাজবিরোধী মরেছে, দেশ বেঁচেছে। আপনাদের ছেলেরা দিনরাত লাল চোখে মাস্তানি করবে, ওদের ছাড়িয়ে আনলে সাধারণ মানুষ আমাদের বিরুদ্ধে যাবে।

    সতীশ যে এরকম কথা বলবে তিন নম্বরের বাসিন্দারা ভাবতে পারেনি। চিরকাল যে পার্টি ক্ষমতায় থাকে তারাই থানা থেকে ছাড়িয়ে আনে। জানি ভোট দেওয়া, মাঝে মাঝে পোস্টার মারা থেকে অনেক কাজ এরা পাটির জন্যে চিরকালই করে আসে। আজ সতীশ এক কথায় বলে দিল সাহায্য করবে না! যাঁদের ছেলে তাঁদের লাগল কিন্তু তিন নম্বরের বেশীর ভাগ মানুষ খুশি হল। অবিনাশ একদিন সতীশকে একা পেয়ে বলেই ফেলল, ‘আচ্ছা সতীশ, ওদের আজীবন থানায় আটকে রাখা যায় না? কিংবা ধরো, হাত পা ভেঙ্গে ছেড়ে দিল—।’

    সতীশ মাথা নেড়েছিল, ‘পাগল হয়েছেন! কোন আইনে ওসব করবে। তার চেয়ে আপনারা সবাই নাগরিক কমিটিতে আসুন। আমরা সবাই একজোট হলে ওরা চুপ করে যেতে বাধ্য হবে।’

    অবিনাশ ঢোক গিলে বলেছিল, ‘নাগরিক কমিটি মানে তো তোমাদের পার্টি—!’

    ‘না কক্ষনো না।’ সতীশ প্রতিবাদ করেছিল, ‘এই এলাকার সমস্ত সুস্থ শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষকে নিয়ে আগাদের নাগরিক কমিটি।’

    অবিনাশ মাথা চুলকেছিল, ‘তোমাকে যে কথাটা বললাম তা যেন কাউকে বলে ফেল না!’ সতীশদের নাগরিক কমিটি যখন সমাজবিরোধীদের উৎখাতের জন্যে আলোচনা শুরু করেছে তখন নুকু ঘোষকে ঘন ঘন নিমুর চায়ের দোকানে আসতে দেখা গেল। সি পি এম ক্ষমতায় আসার পর নুকু ঘোষের আর পাত্তা পাওয়া যেত না খুব একটা। এবার এই ঘটনার পর জমিয়ে আড্ডা মারতে দেখা গেল তাকে। থানা থেকে ছাড়া পাওয়া ছেলেরা এখন নুকু ঘোষের সঙ্গে। আড্ডা মারে। কোয়াকে নুকু, ঘোষের ডান হাত বলছে সবাই। তারপরেই একটা কাণ্ড হয়ে গেল। নুকু ঘোষের নেতৃত্বে একটা মাঝারি মিছিল ঈশ্বরপুকুর লেনে শ্লোগান দিতে দিতে চারপাক খেল। মিছিলের প্রথমেই থানা ফেরত, ছেলেগুলো। তারপর যারা, তাদের চেনে না ঈশ্বরপুকুরের বাসিন্দারা। প্রত্যেকের চোয়াড়ে চেহারা, কারো কারো মুখে অতীতের কাটা দাগ। কোয়া চিৎকার করছিল, ‘পুলিসের কালো হাত ভেঙ্গে দাও, গুড়িয়ে দাও। প্রকৃত সমাজবিরোধী দূর হঠো হঠো। সমাজবিরোধী কারা—দেশের শত্রু যারা।’

    আবহাওয়াটা আবার গরম হয়ে গেল। এবং দেখা গেল নাগরিক কমিটির সেই সক্রিয় ভাবটা কেমন যেন আচমকা থিতিয়ে এসেছে। সতীশকে কয়েকদিন একটু মনমরা হয়ে যাওয়া আসা করতে দেখা গেল। কানাঘুষায় শোনা গেল সতীশ নাকি এইভাবে থেমে যাওয়াটা সমর্থন করেনি। এই কারণে বেশ ঝামেলায় পড়েছে। সে নাকি সরাসরি বলেছিল, ‘এলাকার সমাজবিরোধীদের না সরাতে পারলে আমরা জনসমর্থন পাব না। আপনারা একটা জিনিস ভেবে দেখছেন না, আমরা এত বছর ক্ষমতায় আছি কিন্তু এখনও সাধারণ নাগরিকদের বিশ্বাস অর্জন করতে পারিনি। ভদ্রপল্লীতে প্রকাশ্যে চোলাই মদ বিক্রি হচ্ছে, সমাজবিরোধীরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তা খাচ্ছে এবং পুলিস জেনে শুনে চুপ করে রয়েছে। আমরা যদি এলাকার মানুষকে এর বিরুদ্ধে একত্রিত না করতে পারি তাহলে পার্টির পেছনে জনসমর্থন থাকবে কেন? পার্টির একজন নেতা উত্তর দিয়েছিলেন, ‘এলাকার মানুষ তাঁদের সমস্যা নিয়ে জোট বেঁধে এগিয়ে আসুন, আমরা তাঁদের সমর্থন করব। কোন ব্যক্তিবিশেষের অসুবিধে দেখার মত সময় পার্টির নেই।’

    সতীশদা বোঝাতে চেয়েছিলেন, ‘চোলাই-এর দোকান যে বাড়ির সামনে হয়েছে অসুবিধে তাদেরই বেশী কিন্তু এটা সামাজিক অপরাধ। আমরা মার্কসিজমে বিশ্বাস করি কিন্তু জনসাধারণের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলি, এটা ঠিক নয়। সাধারণ মানুষকে সংগঠিত করার দায়িত্ব আমাদের, কোন কালেই তারা নিজেরা সংগঠিত হয় না।

    সতীশদার এই ভাষ্য নাকি ওপর তলার নেতাদের পছন্দ হয়নি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটা সামগ্রিক প্রতিবাদ কর কিন্তু সরাসরি খুঁচিও না—এই নীতি নাকি সতীশদাও পছন্দ করেন নি। অন্তরঙ্গদের বলেই ফেলেছিলেন, ‘এর চেয়ে পার্টি যদি বিরোধী দল হয়ে থাকতো তাহলে আমরা বেশী কাজ করতে পারতাম। শোনা যাচ্ছে, সতীশদার বিরুদ্ধে একটা ব্যবস্থা নেবার কথা উঠেছিল। কিন্তু এই এলাকায় সতীশদার কাজকর্ম এবং জনসংযোগের কথা ভেবে সেটা থেমে গেছে। এসব খবর চাপা থাকেনি। নুকু ঘোষের দল বুঝে গেছে যে সতীশকে একটু-আধটু আওয়াজ দিলে পার্টি খুব একটা প্রতিরোধ করবে না। একদিন রাত্রে কোয়া মাল খেয়ে সতীশদাকে ঝেড়ে খিস্তি করে গেল তিন নম্বরের সামনে দাঁড়িয়ে। খুরকি-কিলা মারা যাওয়ার পর সেই প্রথম প্রকাশ্যে খিস্তি করা হল। দল বেঁধে বেরিয়ে এসে মানুষ সেগুলো বেশ জম্পেশ করে শুনল। মাঝে মাঝে কেউ অবশ্য বলছিল, এই কোয়া বাড়ি যা। কিন্তু সেটা যেন কোয়ার উৎসাহ আরো বাড়িয়ে দেওয়ার জন্যে বলা। সেই সময় পুলিসের একটা জিপ ওখান দিয়ে যেতে যেতে দাঁড়িয়ে পড়েছিল। কোয়ার তখন এমন অবস্থা যে পুলিসকেও চিনতে পারছে না। মজা-দেখার ভিড় হাওয়া হয়ে গেলেও কোয়া থামছিল না। ওকে সিপাইরা তুলে নিয়ে গেল থানায়। কিন্তু পরদিনই হাসতে হাসতে ফিরে এল পাড়ায়। পাড়ার লোক বুঝে গেল ব্যাপারটা। এখন কিছুদিন কোয়াই এখানকার রাজত্ব চালাবে।

    স্কুল থেকে ফিরছিল অর্ক। মোড়ের মাথায় সতীশদার সঙ্গে দেখা। সতীশ ওকে দেখে যেন অবাক হল, ‘কি খবর তোমার, আজকাল পাড়ায় দেখতে পাই না।’

    অর্ক এড়িয়ে যাবে ভেবেছিল, না পেরে বলল, ‘অসুখ করেছিল।’

    ‘হ্যাঁ, খুব খারাপ হয়ে গেছে চেহারা। বাড়ি থেকে বের হও না বুঝি?’

    ‘হ্যাঁ। আমি যাচ্ছি।’

    ‘না। দাঁড়াও। তোমার সঙ্গে আমার কিছু কথা আছে। সতীশদা চারপাশে তাকিয়ে বলল, ‘আচ্ছা চল, পার্টি অফিসে বসে কথা বলি।’

    ‘পার্টি অফিসে?’ অর্ক একটু অবাক এবং অস্বস্তি মেশানো গলায় বলল।

    ‘হ্যাঁ। তোমার আপত্তি আছে? কেউ নেই ওখানে এখন।’

    অতএব সতীশদার সঙ্গে অর্ককে পার্টি অফিসে ঢুকতে হল। মিষ্টির দোকানের কারিগর ছাড়া এসময় কোন লোক ছিল না সেখানে। তাকে বিদায় করে সতীশদা ঢালাও সতরঞ্জির ওপর বাবু হয়ে বসে বলল, ‘তুমি এসব সমর্থন কর?’

    ‘কি সব?’

    ‘এই দিনরাত খিস্তি খেউড়, রকে বসে তাস খেলা আর মাল খাওয়া?’

    ‘না।’

    ‘কোয়া তোমার বন্ধু ছিল। তুমি জান কোয়া এখন নিজেকে পাড়ার মাস্তান ভাবছে?’

    ‘আমি এখন পাড়ার কোন খবর রাখি না।’

    ‘কেন?’

    ‘আমার এসব ভাল লাগে না।’

    ‘কিন্তু সামাজিক মানুষ হিসেবে তুমি দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পার না। সমাজ যেমন তোমাকে কিছু দেবে তেমনি তোমার কাছ থেকেও কিছু আশা করবে। আমি চাই তুমি এ ব্যাপারে আমাদের সাহায্য করবে।’

    ‘কি করতে বলছেন আমাকে?’

    ‘বস্তির মানুষকে বোঝাবে যে এসব অন্যায়ের প্রতিবাদ করা দরকার। বলবে একজন অন্যায় করবে এবং দশজন তা মেনে নেবে না।’

    হঠাৎ অর্কর মুখ থেকে বেরিয়ে এল, ‘দূর, এসব কেউ শুনবে না।’

    ‘শুনবে না কেন?’

    ‘জ্ঞান দিলে মানুষ তা শুনতে চায় না। ভাবে বড় বড় কথা বলছে। যতক্ষণ তাদের খাওয়া পরায় হাত না পড়ছে ততক্ষণ এসবে পাবলিকের কিছু যায় আসবে না। তাছাড়া আপনাদের দেখলেই সবাই ভাবে ভোট চাইতে এসেছেন। এই যে আমাদের পাড়ার একটা মেয়ে হাওয়া হয়ে গেল, কেন গেল ভেবে দেখেছেন? আর একটা মেয়ে রোজ শরীর বিক্রি করতে যায়, কেন যায় তা আপনারা জানেন না? কি করেছেন তার?’

    উত্তেজিত হয়ে কথা বলতে গিয়ে অর্কর দুর্বলতা বেড়ে গেল। কপালে ঘাম জমছিল ওর। সতীশদা কিছুক্ষণ ওর দিকে তাকিয়ে থাকলেন। তারপর বললেন, ‘এই জন্যেই তো তোমার মত ছেলেকে আমাদের চাই। পার্টির ভেতরে থেকে পার্টির সমালোচনা করা দরকার। আমি চাই তুমি নিয়মিত পার্টি অফিসে আসবে।’

    অর্ক মাথা নাড়ল, ‘আমার এসব ভাল লাগে না।’

    ‘কেন? তুমি গরীব পরিবারের ছেলে। দেশের আশীভাগ মানুষ ভাল করে খেতে পায় না, কেন তুমি তাদের পাশে দাঁড়াবে না?

    অর্ক সতীশদার দিকে তাকাল, ‘তার জন্যে তো আপনারা আছেন।’

    ‘নিশ্চয়ই। কিন্তু আমরা কে? তোমরা আমাদের পাশে এসে না দাঁড়ালে আমরা কিছু করতে পারব? তুমি ভেবে দ্যাখো; এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে না।’

    পার্টি অফিস থেকে বেরিয়ে আসা মাত্র বিলুর সঙ্গে দেখা হয়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে বিলুর চোখ কপালে উঠল, ‘আই বাপ গুরু, তুমি লালু হয়ে গেলে!’

    ‘লালু? হতভম্ব হয়ে গেল অর্ক।

    ‘তাই বলি! বেশ কিছুদিন তোমার পাত্তা নেই। বাড়িতে গেলে বলে অসুস্থ আর এদিকে তলায় তলায় জব্বর লাইন করে নিয়েছ। সাবাস।’ বিলু এগিয়ে এসে অর্কর কাঁধে হাত রাখল।

    কেউ কাঁধে হাত দিলে বেশ অস্বস্তি হয় অর্কর। হাতটা সরিয়ে দিয়ে বলল, ‘কি আজেবাজে কথা বলছিস?’

    ‘আজেবাজে? চেপে গিয়ে কি হবে বল। আমরা হলাম জিগরি দোস্ত। ধান্দাটা কি? তুমি শালা সি পি এম হয়ে গেলে?’ বিলু অবিশ্বাসী হাসল।

    ‘কেন, সি পি এম হলে অন্যায়টা কি?’ অর্কর মনে হঠাৎ এক ধরনের প্রতিরোধ করার ইচ্ছে জন্মাল।

    ‘কি আর হবে। কোয়া ফক্কা হয়ে যাবে। তুমি তিন নম্বরের শের বনে যাবে। একটু লাইন টাইন জোরদার করতে পারলে বড় চিড়িয়া মারতে পার!’

    ‘আমি যদি সি পি এম হই তাহলে তিন নম্বরে খিস্তি করা চলবে না আর মাল খাওয়া বন্ধ করতে হবে। বুঝলি!’ অর্ক বিলুর দিকে তাকাল।

    হাঁ হয়ে গেল বিলু, ‘যা ব্বাবা। তাহলে তুমি ফুটে যাবে গুরু। ও দুটোকে বাদ দিয়ে তিন নম্বরদুটো দিন থাকতে পারবে না। ওই যে দাড়িওয়ালা সাহেবটা, মোড়ের মাথায় ছবি আছে দেওয়ালে আঁকা, কি যেন নাম—?’

    ‘মার্কস।’

    ‘হ্যাঁ, ওই সাহেব এলেও পারত না। এসব করতে যেও না গুরু। সি পি এম হয়েছ, সরের ওপর ওপর হেঁটে বেড়াবে, দুধের মধ্যে ডুববে না।’

    অর্ক হেসে বলল, ‘তুই তো দারুণ কথা বলতে পারিস।’ আর তখনই ওর নজরে পড়ল তিন নম্বরের সামনে দাঁড়িয়ে একজন বেঁটে মতন লোক এদিক ওদিকে তাকাচ্ছে। তারপরেই চিনতে পেরে সে বিলুকে বলল, ‘আমি যাচ্ছি পরে দেখা হবে।’

    বিলু কিছু বলতে যাচ্ছিল কিন্তু অর্ক দাঁড়াল না। হন হন করে কাছে পৌঁছে একটু হেসে জিজ্ঞাসা করল, ‘আপনি?’

    পরমহংস ঘুরে দাঁড়িয়ে ওকে দেখে যেন মাটি পেল, ‘আরে এই যে, কেমন আছ?’ অর্ক গোলগাল মানুষটির দিকে স্মিত চোখে তাকাল। ওর হাবভাব, চেহারা এবং গায়ের রঙের মধ্যে বেশ বাঙালি বাঙালি ভাব আছে।

    ‘ভাল। আপনি কি আমাদের বাড়িতে এসেছেন?’

    ‘হ্যাঁ, আর কোন চুলোয় আসব? তোমার বাবা কেমন আছে?’

    ‘ভাল। আসুন।’ অর্ক পরমহংসকে নিয়ে গলির ভেতরে ঢুকল। মোক্ষবুড়ি সেই একই রকম ভঙ্গীতে পাথরের মত বসে আছে। কিলা মারা যাওয়ার পর থেকে জোর করে ঘরে নিয়ে না গেলে বুড়ি ওখান থেকে ওঠে না, কথাও বলে না। এক হাতে ধুতির কোঁচা তুলে সাবধানে পা ফেলে পরমহংস বলল, ‘বস্তিটা খুব ডেঞ্জারাস, না?’

    ‘মানে?’ অর্ক অবাক হয়ে ফিরে তাকাল।

    ‘সব ধরনের মানুষ থাকে এখানে মনে হচ্ছে।’

    ‘হ্যাঁ। এদিকে বাঙালি বেশী, ওপাশে বিহারীরা।’

    ‘এরকম একটা জায়গা খুঁজে পেলে কি করে?’

    ‘আমি তো ছোটবেলা থেকেই এখানে আছি।’

    ওরা অনুদের বাড়ির পাশ ঘুরে আসতেই মাধবীলতার মুখোমুখি হয়ে পড়ল। মাধবীলতা তখন টিউশনি করতে বের হচ্ছিল। পরমহংসকে দেখে সমস্ত মুখ উদ্ভাসিত হল, ‘কি সৌভাগ্য আপনি, মনে ছিল তাহলে?’

    খুব অপ্রস্তুত হয়েছে এমন ভান করে পরমহংস বলল, ‘এটা কি ঠিক হল? দশ নম্বর ব্যাটসম্যানকে বাম্পার দেওয়া নিষেধ, আইনে নেই।’ বুঝতে পারল না মাধবীলতা, ‘তার মানে?’

    পরমহংস হেসে পাশ কাটালো কথাটার, ‘কর্তা কোথায়?’

    ‘ঘরে। আসুন আসুন।’ মাধবীলতা আবার দরজার দিকে ফিরে গেল।

    ‘আপনি কোথাও বের হচ্ছিলেন বলে মনে হচ্ছে? পরমহংস জিজ্ঞাসা করল। মাধবীলতা মাথা নাড়ল, ‘হ্যাঁ, পড়াতে।’ তারপর দরজায় দাঁড়িয়ে বলল, এই কে এসেছে দ্যাখো। ভেতর থেকে অনিমেষ চেঁচিয়ে বলল, ‘আয়।’

    পরমহংস দরজায় দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণ করল। ওর মুখে একটা ছায়া নেমে আসছিল কিন্তু খুব দ্রুত সেটাকে সরিয়ে দিয়ে বলল, ‘না দেখে ডাকলি?’

    ‘দেখার দরকার নেই। জীবনের মাঠে না নেমে খেলার সব পরিভাষা একমাত্র তোর মুখেই শুনে আসছি। অতএব ভুল হবার কথা নয়।’ অনিমেষ বাবু হয়ে বসে বইটাকে সরিয়ে রাখল এক পাশে।

    ‘আমি হলাম নন প্লেয়িং ক্যাপ্টেন।’ তারপর মাধবীলতার দিকে একটা ঢাউস প্যাকেট কাঁধের ব্যাগ থেকে বের করে এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘সোজা অফিস থেকে আসছি, এগুলো বিতরণ করলে খিদেটা মেটে।’

    মাধবীলতা রাগ করতে গিয়েও পারল না, ‘কেন আমরা বুঝি খাওয়াতে পারতাম না তাই হাতে করে প্যাকেট আনতে হল। গরীব, তবে এতটা বোধহয় নয়।’ পরমহংস অনিমেষের দিকে ঘুরে বলল, ‘ভাই, তোর বউ-এর মুখে খুব ধার তো! আমি কোথায় নতুন বউ-এর মুখ দেখব বলে প্যাকেটটা আনলাম, আরে বাবা খালি হাতে তো আসতে পারি না।’

    মাধবীলতা প্রতিবাদ করতে গিয়ে হেসে ফেলল, ‘আপনি না, যাচ্ছেতাই।’

    ‘যা ইচ্ছে আমি তাই। গুড।’ প্যাকেটটা ধরিয়ে দিয়ে পরমহংস সোজা অনিমেষের পাশে খাটের ওপর গিয়ে বসল।

    অনিমেষ জিজ্ঞাসা করল, ‘কি খবর বল?’

    ‘আমার আবার খবর কি, খাচ্ছি দাচ্চি ঘুরে বেড়াচ্ছি। তোরা কেমন আছিস?’

    ‘আর বলবেন না।’ মাধবীলতা প্যাকেটটা খুলছিল, ‘এই যে শ্রীমান, আমাদের নাম ভুলিয়ে ছেড়েছিল। সাতদিন ধরে নড়তে পারি নি, এত অসুখ।’

    ‘কি হয়েছিল?’

    ‘ওইটেই ধরা যায় নি। সুস্থ শরীরে শুয়ে বলল, বমি পাচ্ছে। বমি করার চেষ্টা করেও হল না তেমন। ব্যাস, তারপর খুব জ্বর, বেহুঁশ হবার মত অবস্থা আর সারাক্ষণ ভুল বকে যাওয়া, বমি পচ্ছে বমি পাচ্ছে।’ মাধবীলতা প্যাকেটটা খুলে গালে হাত দিয়ে বলল, ‘হায়, এত কি এনেছেন?’

    সেকথায় কান না দিয়ে পরমহংস তখন দরজায় হেলান দিয়ে দাঁড়ানো অর্ককে বলল, ‘এমন কিছু দেখেছ যাতে বমি পায় মানুষের?’

    অর্ক হেসে ফেলল। পরমহংসের বলার ধরনটাই ওকে হাসাল। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে মনে হল লোকটা খুব বুদ্ধিমান। অর্ক জবাব দিল না।

    খাবার শেষ করে পরমহংস বলল, ‘আপনাকে তো বেরোতে হবে?’

    ‘একটু দেরি করে গেলে কোন অসুবিধে হবে না।’ মাধবীলতা চায়ের জল বসিয়ে জবাব দিল। অর্ক বইপত্র রেখে খাবার হাতে নিয়ে খাটের একপাশে বসেছিল। তার দিকে তাকিয়ে পরমহংস বলল, ‘নাও, এবার তৈরি হও’।

    ‘তৈরি? কিসের জন্যে?’ অর্ক জিজ্ঞাসা করল।

    ‘বাসা বদল করতে হবে। তোমাদের জন্যে একটা ভাল আস্তানা পেয়েছি।’

    পরমহংসের কথা শেষ হওয়ামাত্র মাধবীলতা উল্লসিত গলায় বলল, ‘সত্যি?’

    ‘ইয়েস ম্যাডাম। আমি ভাবতে পারছি না আপনারা কি করে এইরকম নরকে রয়েছেন। দুজন শিক্ষিত মানুষ কেন চিরকাল বস্তিতে পড়ে থাকবে?’ এই প্রথম পরমহংসকে সত্যি সত্যি উত্তেজিত দেখাচ্ছিল। উত্তেজনাটা আন্তরিক।

    অনিমেষ জবাব দিল, ‘তুই জানিস না সব ঘটনা তাই একথা বলছিস। আমার চিকিৎসার জন্যে ও শেষ হয়ে গিয়েছিল।’

    ‘তোর চিকিৎসা তো জেল থেকে বেরিয়ে আসার পরে শুরু হয়েছে। তার আগে? আপনি এই বস্তির খবর পেলেন কি করে তাই আমার মাথায় ঢুকছে না।’

    মাধবীলতা নিচু গলায় বলল, ‘সে অনেক কথা। আমি আগে একটা বাড়িতে ওয়ানরুম ফ্ল্যাট নিয়ে ছিলাম। বলতে পারেন এখানে আসতে বাধ্য হয়েছি। এসে দেখলাম আর যাই হোক এখানে মানুষ অন্যের ব্যক্তিগত ব্যাপারে নাক গলায় না। এটা আমার খুব জরুরী ছিল।’

    পরমহংস বলল, ‘এসব আমার মাথায় ঢোকে না। যা হোক, এখানে আর আপনাদের থাকা চলবে না। আমি সব ব্যবস্থা করে এসেছি।’

    অনিমেষ জিজ্ঞাসা করেল, ‘কি ব্যবস্থা?’

    ‘শোভাবাজারে একটা বাড়ি পেয়েছি। দেড়খানা ঘর, রান্নাঘর তবে বাথরুমটা শেয়ার করতে হবে আর এক ভাড়াটের সঙ্গে। তারাও স্বামী স্ত্রী এবং কোন বাচ্চা নেই। আমার বাড়ি থেকে বেশী দূরেও নয়।’ পরমহংস জানাল।

    ‘সত্যি?’ মাধবীলতার মুখে খুশি ছড়িয়ে পড়ল।

    ‘যাচ্চলে। এটাকে কি আপনি ওয়াইড বল ভাবছেন নাকি?’

    ‘মানে?’ মাধবীলতা বুঝতে পারল না।

    অনিমেষ হেসে বলল, ‘ওটা ক্রিকেটের পরিভাষা।’

    মাধবীলতা চায়ের জল নামিয়ে বলল, ‘সত্যি আপনি পারেন। কিন্তু কত ভাড়া দিতে হবে তা বললেন না তো?’

    ‘একশ পঁচাত্তর।’

    অনিমেষ এবং মাধবীলতা মুখ চাওয়াচায়ি করল। মাধবীলতার দম যেন বন্ধ এমন গলায় বলল, ‘আর?’

    ‘আর তিন মাসের অ্যাডভান্স, নো সেলামি। বাড়িওয়ালা আমার বিশেষ পরিচিত। এখন বল তোমরা কবে দেখতে যাবে। যা করবে এই সপ্তাহের মধ্যে করবে। অবশ্য করাকরির কিছু নেই, তোমাদের যেতেই হবে।’ পরমহংস দৃঢ় গলায় বলল।

    অনিমেষ বলল, ‘সাতদিনের মধ্যে? আর একটু সময় পাওয়া যাবে না?’

    ‘কেন? সময়ের দরকার কি? পরমহংস খিঁচিয়ে উঠল, ‘বাড়ি আমি দেখেছি, অপছন্দ হবার কোন কারণ নেই। অন্য ভাড়াটে কোন ঝামেলা করবে না। সাতশ টাকা দিয়ে পজিশন নিয়ে নাও।

    ‘সাতশো?’ অনিমেষ মাধবীলতার দিকে তাকাল।

    চায়ের কাপ পরমহংসের হাতে তুলে দিতে দিতে মাধবীলতা বলল, ‘ঠিক আছে। ওতে কোন অসুবিধে হবে না। আমি আর খোকা কাল বিকেলেই দেখতে যাব।’

    পরমহংস চায়ে চুমুক দিয়ে বলল, ‘আজ যেতে পারবেন?’

    ‘আজ? আমি তো টিউশনিতে যাব ভেবেছিলাম। না, কালই যাব।’

    অনেক কামাই হয়ে গেছে ওর অসুখের জন্যে। ওঃ, সত্যি আপনি আমাদের খুব উপকার করলেন। এখন কলকাতার বুকের ওপর এই ভাড়ায় বাড়ি পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।’ মাধবীলতা নিশ্চিন্ত গলায় বলল।

    ‘আপনি ভাগ্যবতী।’ পরমহংসের মুখ নির্বিকার।

    মাধবীলতা হেসে ফেলল, ‘যা বলেছেন।’

    এই বস্তি ছেড়ে চলে যেতে হবে। অর্ক বুঝতে পারছিল না সে খুশি হবে কিনা। মাধবীলতা পরমহংসকে বসতে বলে পড়াতে চলে গেছে। অনিমেষ আর পরমহংস গল্প করছিল। অর্ক মুখ হাত পা ধোওয়ার জন্যে কলতলায় আসতেই থমকে দাঁড়াল। বলল, ‘কি চাই?’

    ‘তৃষ্ণাদি তোমাকে ডেকেছে।’

    ‘কেন? আমার সঙ্গে কি দরকার?’

    ‘আমি জানি না।’

    ‘আমি যাব না। আমার সময় নেই।’

    ‘ঠিক আছে, বলে দেব।’ মেয়েটা চলে যাচ্ছিল অর্ক পিছু ডাকল, ‘শোন। একটু দাঁড়া।’

    প্রায় দৌড়ে ঘরে ফিরে এল অর্ক। পরমহংস এবং অনিমেষ ওর দিকে একবার তাকিয়ে আবার কথা বলতে লাগল। নিজের বই-এর তাক থেকে সেই কলমটা বের করে সে বাইরে চলে এল। তারপর ঝুমকির হাতে তুলে দিয়ে বলল, ‘এটা ওকে ফিরিয়ে দিবি।’

    ‘কি এটা?’

    ‘ছুরি। আমি ওটা না বলে এনেছিলাম। এখন আর দরকার নেই।’ কথাটা শেষ করে অর্ক মুখে জলের ছিটে দিল আঁজলা করে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালবেলা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }