Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩২. পিসীমা আর দাঁড়াননি

     বত্রিশ

    পিসীমা আর দাঁড়াননি।

    মাধবীলতা কাপড়খানা সেই কাগজেই কোনোরকমে মুড়ে অনিমেষকে বলল, ‘আশ্চর্য!’

    অনিমেষ হতভম্ব হয়ে পিসীমার যাওয়ার পথ দেখছিল। এবার নিজের মনেই বলল, ‘কি কথা থেকে কোন কথায় চলে গেলেন।’

    ‘তোমার এভাবে কথা বলা উচিত হয়নি। মানুষের সেন্টিমেন্টে আঘাত দিয়ে—।’

    ‘আমি আঘাত দিতে চাই নি। আগে পিসীমার সঙ্গে আমি অনেকরকম রসিকতা করতাম। গুরুজন হলেও সম্পর্কটা ছিল বন্ধুর। সব পাল্টে গিয়েছে।’

    ‘তুমি লক্ষ্য করেছ পিসীমা তোমার কথার জবাব দিচ্ছিলেন না?’

    ‘হুঁ।’ অনিমেষ মাথা নাড়ল। তারপর ক্রাচ দুটো টেনে টেনে ঘরে ফিরে এল। খাটের ওপর বসে চোখ বন্ধ করল সে। মাধবীলতা টেবিলের ওপর কাপড় রেখে দিয়ে সুটকেস খুলে টাকা বের করল। তারপর একটু ভেবে অনিমেষকে বলল, ‘তুমি বলবে?’ অনিমেষ বুঝতে পারছিল ওর শরীরে কাঁপুনি আসছে। পিসীমার এই ব্যবহার ওকে ছিন্ন করে ফেলবে যে কোন মুহূর্তে, চোখে যেন জল ছুটে আসছিল। মাধবীলতার কথা যেন একটু আশ্রয় দিল। সে জিজ্ঞাসা করল মুখ সরিয়ে, ‘কি?’

    ‘খোকাকে বাজারে পাঠানোর কথা তুমি বললেই ভাল হয়।’

    ‘তুমি বললে দোষ কি?’

    ‘আমি, আমি এখনও পরের বাড়ির মেয়ে। এঁদের কি মনে হবে কে জানে।’

    ‘ওকে বাজারে পাঠাচ্ছই বা কেন?’

    ‘পাঠাচ্ছি কারণ পাঠানো প্রয়োজন। নাহ’লে ওই দুজন একে ওকে ধরে জিনিস আনাবেন। আমরা থাকতে সেটা করতে দেব কেন?’ মাধবীলতা অনিমেষের অবুঝপনায় বিরক্ত হল।

    ‘আচ্ছা!’ অনিমেষ যেন অনেকটা ধাতস্ত হল। সমস্যা যে আবেগকে দখল করতে পারে সেটা বুঝতে পেরে স্বস্তি পেল, ‘আমি এই ব্যাপারেই তোমার সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলাম। তোমাকে কি ওরা এঁদের অবস্থার কথা কিছু বলেছেন?’

    মাধবীলতা ভাবল। তারপর মাথা নাড়ল, ‘হ্যাঁ, সুদের টাকায় কোনরকমে চলছে।’

    অনিমেষ বলল, ‘আমাদের কেন টেলিগ্রাম পাঠানো হয়েছে জানো? বাবার শরীর যতটা না কারণ তার চেয়ে অনেক বেশী আমাদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করিয়ে দেওয়া। ছোটমা স্পষ্ট বলে গেলেন যে উনি আর এই সংসারের ভার বইতে পারছেন না।’

    মাধবীলতা অনিমেষের দিকে স্পষ্ট চোখে তাকিয়ে বলল, ‘স্বাভাবিক।’

    ‘আমাদের পক্ষে সেটা কিভাবে সম্ভব?’

    ‘তা ওঁরা ভাবতে যাবেন কেন? এইটুকু আশা তোমার কাছে ওঁরা করতেই পারেন।’

    ‘আমার মাথায় কিছু ঢুকছে না।’ অনিমেষ একটু উত্তেজিত গলায় বলল, ‘এইসব কারণেই আমি টেলিগ্রাম পেয়েই এখানে ছুটে আসতে রাজি হইনি।’

    ‘ছিঃ। এরকম এসকেপিস্টের মত কথা বল না। তুমি দেখছ না এঁরা কি ভাবে বেঁচে আছেন।’

    অনিমেষ যেন চাবুক খেল। এবং সেই মুহূর্তেই সব শীতল হয়ে গেল তার। উত্তেজনার মুহূর্তে যে কথা সে বলেছে তা যে বলার নয় এটা বুঝতে পেরেই নিজেকে অত্যন্ত ছোট বলে মনে হচ্ছিল। বিশেষত অর্কর সামনে—। সে মাথা নাড়ল, আমি দুঃখিত। ঠিক এইভাবে আমি বলতে চাইনি। তোমরা আমার অবস্থাটা বুঝবে না। আমি যে কত হেল্পলেস!’

    মাধবীলতার গলার স্বর এবার নরম, ‘কে বলল তুমি হেল্পলেস! তোমার ছেলে রয়েছে আমি রয়েছি। তাছাড়া—তাছাড়া।’

    ‘তাছাড়া কি?’

    ‘না, থাক। দ্যাখো, এঁরা আমাদের কতটা গ্রহণ করবেন জানি না কিন্তু আমাদের দিক থেকে যেন কোন ত্রুটি না থাকে। তুমি দেখলে না, কতবার কতবছর ধরে জমিয়ে রাখা গয়না শাড়ি আজ ওঁরা এককথায় কোন আবেগে আমাদের দিয়ে দিলেন?’

    ‘গয়না, শাড়ি—।’ অনিমেষ নিজের খেয়ালে মাথা নাড়ল। তারপর দুটো হাতে ক্রাচ খামচে ধরল, ‘কিন্তু কিভাবে সম্ভব? তোমার স্কুল আছে, খোকার স্কুল আছে। এখানে আমরা অনন্তকাল বসে থাকতে পারি না!’

    ‘না পারি না। কিন্তু আমরা আজই চলে যাচ্ছি না। এসব নিয়ে ভাবনার সময় অনেক পাওয়া যাবে।’ মাধবীলতা দীর্ঘশ্বাস ফেলল, ‘তুমিও তো এরকম ছিলে না।’

    অনিমেষ তাকাল, ‘মানে?’

    ‘এত সাধারণ সমস্যায় আগে কখনো আপসেট হতে না।’

    ‘আমি কখনও সাংসারিক সমস্যার মুখোমুখি হইনি।’

    মাধবীলতা হেসে ফেলল এবার, ‘তাহলে বোঝ,তোমাদের বাইরের সমস্যা, রাজনীতি, বিপ্লব এসবের চেয়ে আমরা মেয়েরা কত জটিল সমস্যার মধ্যে দিন কাটাই। নাও, এখন ওঠো, খোকাকে বাজারে পাঠাও।’

    অনিমেষ অর্কর দিকে তাকাল। এই ঘরে এতক্ষণ এত কথা হল কিন্তু ছেলে চুপ করে দাঁড়িয়ে শুনেছে। ওর সামনে এসব বলা বোধহয় ঠিক হয়নি। সঙ্গে সঙ্গে অনিমেষ ভাবনাটাকে নস্যাৎ করল। না, ও বড় হয়েছে। জীবনটাকে জানুক। লুকোচুরি করে কি হবে? সে অর্ককে জিজ্ঞাসা করল, ‘তুই বাজারে যেতে পারবি তো?’

    অর্ক হাসল, হেসে মাথা নাড়ল। আর তাই দেখে অনিমেষের কেমন খটকা লাগল। ও কি তাকে ঠাট্টা করল? ওই হাসির মানে কি? মাধবীলতার মতো কি অর্ক তাকে এসকেপিস্ট ভাবছে? এসকেপিস্ট শব্দটার মানে কি অর্ক জানে! অনিমেষ উঠে দাঁড়াল, ‘এখান থেকে বেরিয়ে রিকশা নিবি। প্রথম দিন রাস্তা চিনতে অসুবিধে হতে পারে। তাছাড়া বেলা হয়ে গেছে। বাজার আনতে দেরি হলে রান্না হবে না।’ তারপর মাথা ঘুরিয়ে বলল, ‘ওঁদের রাঁধতে দিও না।’ মাধবীলতা হেসে ফেলল, ‘বাঃ, এই তো বেশ সাংসারিক জ্ঞান আছে দেখছি।’

    অনিমেষ আর দাঁড়াল না। শরীরটাকে টেনে টেনে ভিতরের বড় বারান্দায় চলে এল। বেশ রোদ বাগানে। ওঁদের দুজনকে দেখতে পেল না সে। বারান্দা ধরে খানিকটা এগোতেই কাঁচের জানলার ভেতর দিয়ে বাঁ দিকের ঘরটা নজরে এল। ঠাকুর ঘরটা পাল্টায়নি। পিসীমা ঘর মুছছেন। অনিমেষের খুব ইচ্ছে করছিল পিসীমার সঙ্গে কথা বলতে। কিন্তু সে মুখ ফিরিয়ে নিতেই ছোটমাকে দেখতে পেল। ভেজা কাপড় নিয়ে বাথরুম থেকে বের হচ্ছেন। সে সিঁড়ির কাছ অবধি গিয়ে থমকে দাঁড়াল।

    ‘আপনার সঙ্গে একটু দরকার ছিল।’

    ‘বল।’ ছোটমা বাগানে দাঁড়িয়ে পড়লেন।

    ‘আমি অর্ককে বাজারে পাঠাতে চাই।’

    কপালে ভাঁজ পড়ল ছোটমার, ‘কেন?’

    ‘বাজারে তো কাউকে না কাউকে যেতেই হবে, ও যাক।’

    ‘কি দরকার। বেচারা আজই প্রথম এল, চিনতে পারবে না। তাছাড়া আমি পাশের বাড়ির লোকটাকে খবর দিয়েছি।

    ‘চিনে নিলেই চিনতে পারবে। অর্কই যাক। বাবা কি মাছ মাংস খান?’

    ‘না।’

    ‘তুমি?’

    ‘না। তবে তোমাদের জন্যে আনাতে পারো।’

    ‘খান না মানে একদম ছেড়ে দিয়েছেন?’

    ‘না, পাই না বলেই খাই না। ওকে আজ পাঠানোর কোন দরকার নেই। প্রথমদিন আমিই ব্যবস্থা করছি।’ ছোটমা কাপড়গুলো রোদে মেলবার জন্যে এগোতেই অনিমেষ বলল, ‘এত পর পর ভাবছেন কেন?’

    ‘পর পর?’ ছোটমা হাসলেন, ‘আগে তুমি আমাকে আপনি বলতে না।’

    অনিমেষ হোঁচট খেল, তারপর হেসে বলল, ‘অনভ্যাস। তাছাড়া আমি তখন ছোট ছিলাম। এতদিন না দেখাশোনায়—।’

    ছোটমা কাপড়গুলো তারে স্তূপ করে রেখে এগিয়ে এলেন, ‘অভ্যেস না থাকলে বুঝি সম্পর্কগুলো পাল্টে যায়? ছোটবেলায় যাকে যে চোখে মানুষ দ্যাখে বড় হয়ে আর সেই চোখ থাকে না, তাই না? হায় ভগবান! অবশ্য এখন তোমার মুখে আপনি খুব সুন্দর মানিয়ে গেছে।’ ছোটমা রান্নার ঘরের দিকে চলে গেলেন। অনিমেষের বুক থেকে একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল। এসব মানতেই হবে। কিছু কিছু জিনিস না মেনে উপায় থাকে না।

    বাড়ি থেকে বেরিয়ে খুশি হল অর্ক।

    ওই বিশাল বাড়িতে তিনজন বয়স্ক মানুষ আর বাবা মায়ের মধ্যে একধরনের চাপা উত্তাপ তাকে খুব অস্বস্তিতে ফেলছিল। বাজারের ব্যাগ আর কুড়িটা টাকা নিয়ে সে গেট খুলে চারপাশে তাকাল।

    এই বাড়ি থেকে সরাসরি পিচের রাস্তা দেখা যায় না। চারধারে বাউণ্ডারী দেওয়া কাঠের বাড়ির ফাঁক দিয়ে পায়ে চলা পথ, একটা রিকশা কোনমতে ঢুকতে পারে। বড় একটা লোকজন বোধহয় এদিকে আসা যাওয়া করে না। বড় রাস্তায় এসেও মনে হল খুব ফাঁকা চারধার। বাঁদিকে একটা খেলার মাঠ আর ডানদিকে সারি সারি কাঠের বাড়ি। এখন বেশ বেলা হয়েছে।

    তেমাথার মোড়ে এসে সে একটাও রিকশা পেল না। বাজারটা কতদূরে কে জানে। অর্কর চোখে পড়ল একটা বড় গাছের তলায় সিগারেটের দোকান। সেখানে একটি ওর বয়সী ছেলে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। পরনে ঢোল্লা-পা সাদা প্যান্ট, একটা নীল গেঞ্জি আর মাথায় চুল অমিতাভ বচ্চনের মত ঘাড়ের কাছাকাছি। ছেলেটার স্বাস্থ্য তেমন ভাল নয়। অর্ক ছেলেটার দিকে চোখ রেখে সিগারেটঅলাকে জিজ্ঞাসা করল, ‘বাজার কোনদিকে?’

    লোকটা বাবু হয়ে বসে দুলে দুলে বিড়ি বাঁধছিল। মুখে কোন শব্দ না করে মুখটা সেই অবস্থায় একবার সামনের দিকে বাড়িয়ে নামিয়ে নিল। অর্ক ডানদিকে তাকাল। ওই পথটাই বোঝাল লোকটা। মেজাজটা গরম হয়ে গেল ওর, মুখে কথা বলতে কি অসুবিধে হয়। সে ছেলেটিকে জিজ্ঞাসা করল, ‘বাজার কি এখান থেকে অনেক দূরে?’

    ছেলেটি এবার এমন ভঙ্গীতে মুখ ফেরাল যা দেখে হাসি চাপা মুশকিল। সেইসঙ্গে কাঁধ নাচিয়ে মোটা গলায় বলল, ‘সোজা চলে গিয়ে বাঁদিকে। এই শহরে কি নতুন?’

    ‘হ্যাঁ। আজই এসেছি কোলকাতা থেকে।’ অর্কর মনে হল অমিতাভ বচ্চনও এইভাবে কথা বলতে পারে না। ছেলেটার একটা চোখ ছোট হয়ে গেল, ‘ক্যালকাটা?’ আর ঠিক তখনই ঘটনা ঘটল। তিনটে সাইকেল ওপাশের রাস্তা দিয়ে বিদ্যুৎবেগে ছুটে এল। সিগারেটের দোকানের সামনে এসে তিনজন ছেলে লাফিয়ে নামল। অর্ক কিছু বুঝে ওঠার আগেই সদ্যপরিচিত ছেলেটি আর্তনাদ করে উঠল। আগন্তুকদের একজনের হাতে লোহার স্প্রিং দেওয়া হান্টার। ছেলেটি প্রতিরোধ করার চেষ্টা করছিল কিন্তু ওই হান্টারের আঘাতে তাকে ধরাশায়ী হতে হল। একজন ওর বুকের ওপর পা তুলে বলল, ‘বল শালা, আর আমাদের পাড়ায় হিড়িক দিতে যাবি? শর্মিলার নাং হতে আর ইচ্ছে আছে?’

    ছেলেটা চোখ বন্ধ করে শুয়েছিল। মুখ যন্ত্রণায় বেঁকে যাচ্ছে, রক্ত বের হচ্ছে। অর্ক আর চুপ করে থাকতে পারল না। যে ছেলেটির হাতে হান্টার ছিল তার পাশে গিয়ে দাঁড়াল, ‘কি হয়েছে?’

    ছেলেটা উত্তেজিত ভঙ্গীতে হান্টারটা ওর দিকে তুলে আবার পায়ের দিকে তাকাল।

    অর্ক গলা তুলল, ‘ওকে মারছেন কেন?’

    ‘তোমার বাপের কি?’ ছেলেটা রক্তচোখে তাকাল। সঙ্গে সঙ্গে মাথায় খুন চেপে গেল অর্কর। এক ঝটকায় হান্টারটা কেড়ে নিল সে। আর তারপরেই যেন খিরকি কিলার গলার স্বর ওর মুখ দিয়ে বেরিয়ে এল, ‘আব্বে, সামলে!’

    ওই মুখ স্বর এবং ভঙ্গী দেখে তিনজনেই যেন ভ্যাবাচাকা খেয়ে গেল। অর্ক সজোরে হান্টার চালাতেই ছেলেটা ছিটকে দূরে সরে গেল, ‘বাপ তোলা হচ্ছে! এগিয়ে আয় বে!’

    সেই সময় আরও কিছু লোককে এ পথে আসতে দেখা গেল। তিনটি ছেলে আর দাঁড়াল না। তড়িঘড়ি সাইকেল তুলে যে পথে এসেছিল সে পথে চলে গেল। যাওয়ার আগে একজন বলল, ‘ঠিক আছে, দেখা হবে।’

    ‘ফোট, বেশী বকলে ভোগে চলে যাবি।’ অর্ক চিৎকার করে জবাব দিল। তিনটে সাইকেল চোখের সামনে থেকে মিলিয়ে গেলে অর্ক শায়িত ছেলেটিকে দেখল। বড় বড় পা ফেলে কাছে এসে বলল, ‘ওঠো।’

    ছেলেটি তড়াক করে উঠে বসল। তারপর দুহাতে মুখের রক্ত পরিষ্কার করে হাউ হাউ করে কেঁদে ফেলল, ‘ওরা আমাকে মেরে ফেলত, ঠিক শেষ করে দিত।’

    ‘শেষ যখন হওনি তখন উঠে দাঁড়াও।’ অর্কর শরীর থেকে তখনও উত্তেজনা যায়নি।

    ছেলেটা কাঁপতে কাঁপতে সোজা হয়ে দাঁড়াল। দুতিনটে কালসিটে পড়েছে ঘাড়ে, গালে। ‘তুমি আমাকে বাঁচিয়েছ।’ খুব শ্রদ্ধার চোখে সে অর্কর দিকে তাকাল। এবার অর্ক লক্ষ্য করল ওর সেই অমিতাভ বচ্চনী ভাবটা এখন একটুও নেই।

    রাস্তায় তখন মানুষের ভিড় জমে গেছে। সবাই ছেলেটা এবং অর্ককে দেখছে। অর্ক বলল, ‘এখানে ডাক্তারখানা কোথায়?’

    হঠাৎ পেছন থেকে গলা পেল সে, ‘হাসপাতাল তো সামনেই, শানুদা, আপনে হাসপাতাল চলে যান। এই যে, আপনের ব্যাগ। বাজারের পথেই হাসপাতাল।’ শেষের কথাটা অর্ককে উদ্দেশ্য করে। সিগারেটঅলাকে এই ভঙ্গীতে দেখে অর্ক হেসে ফেলল। উত্তেজনার সময় ব্যাগটা হাত থেকে যে পড়ে গিয়েছিল তা ওর খেয়ালে ছিল না। সে মাথা নাড়ল। লোকটা যেন তাকে সমীহ করছে। সে ব্যাপারটা উপেক্ষা করে ছেলেটিকে বলল, ‘চল, আমি যাচ্ছি।’ আর তখনি তার খেয়াল হল এখনও হাতে সেই হান্টারটা রয়ে গেছে। ঘুরে দাঁড়িয়ে অর্ক সিগারেটঅলাকে বলল, ‘এটা তোমার কাছে রেখে দাও। আমি না বললে কাউকে দেবে না। মনে থাকে যেন।’

    বাজারের ব্যাগটা নিয়ে অর্ক বলল, ‘চল।’

    দাঁড়িয়ে যাওয়া মানুষগুলো এবার সিগারেটঅলাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে দেখতে পেয়ে অর্ক দ্রুত জায়গাটা ছেড়ে যেতে চাইছিল। কিন্তু ছেলেটির যেন তেমন গরজ নেই। খানিকটা এগিয়ে অর্ক জিজ্ঞাসা করল, ‘তোমার নাম কি?’

    ‘শানু।’ ছেলেটি একবার পেছন ফিরে তাকাল। তারপর বলল, ‘আমি এখন হাসপাতাল যাব না। কাজ আছে।’

    অর্ক চমকে উঠল, ‘সে কি? এরকম কেটে গেছে ওষুধ দিতে হবে না?’

    ‘অন্য জায়গায় দিয়ে নেব। হাসপাতালে গেলেই ঝামেলা হয়ে যাবে। ওরা জানতে চাইবে কেমন করে হল।’ ছেলেটা যে যন্ত্রণা পাচ্ছে সেটা বোঝা যাচ্ছে।

    অর্ক এবার ভাল করে ছেলেটিকে দেখল। তার চেয়ে বয়সে বেশীই হবে। অথচ সে স্বচ্ছন্দে ‘তুমি’ বলে যাচ্ছে এবং ‘আপনি’ শুনছে। তার মানে ছেলেটি নিশ্চয়ই তাকে ছোট ভাবছে না। এটা বুঝতে পেরে অর্কর বেশ গর্ব হল।

    সে বেশ মাতব্বরের ভঙ্গীতে বলল, ‘দ্যাখো ভাই, তোমার জন্যে তিনটে ছেলেকে আমার শত্রু করে ছাড়লাম। অতএব আমার কথা শুনতেই হবে। তুমি আমার সঙ্গে হাসপাতালে চল। ওসব কিছু হবে না।’

    ছেলেটি অসহায় চোখে তাকাল। এই মুহূর্তে ওকে খুব ভীরু বলে মনে হচ্ছে। তারপর বোকার মত বলে ফেলল, ‘আপনি কোলকাতার মাস্তান, না?’

    ‘‘মানে?’ অবাক হয়ে গেল অর্ক।

    ‘না, মানে, আপনি যেভাবে ওদের ধমকালেন তাতে, কিছু মনে করবেন না, আপনি না থাকলে আজ কি হত কে জানে!’

    এই কথাটা আর একবার বলল ছেলেটা। অর্ক গম্ভীর গলায় জিজ্ঞাসা করল, ‘ওরা মারল কেন?’

    এবার কাঁধ নামল ছেলেটা, ‘হিংসেয়। শালারা শর্মিলার কাছে পাত্তা পায় না বলে আমাকে খতম করে দেবার মতলব।’

    ‘শর্মিলা কে?’

    ‘মাই লাভার।’

    এবারের বলার ধরনটায় অর্কর মজা লাগল। সে জিজ্ঞাসা করল, ‘ওরা কি অন্য পাড়ার ছেলে?’

    ছেলেটা বলল, ‘হ্যাঁ। শর্মিলার পাড়ার মাস্তান। বহুৎ বদমাস।’

    ‘শর্মিলা তোমাকে ভালবাসে?’

    ‘ভালবাসবে কি করে? চান্স দিচ্ছে না তো শালারা। আমি ওর ক্লাশের একটা মেয়ের হাত দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলাম কাল বিকেলে বাঁধে বেড়াতে আসার জন্যে। ওর মাসীকে সঙ্গে নিয়ে এসেছিল তো। কিন্তু হলে হবে কি, ওই শালারা পেছনে ফেউ-এর মত লেগে থাকে। আমি হাসপাতালে যাব না।’ হঠাৎ ছেলেটি দাঁড়িয়ে গেল। অর্ক দেখল ওরা একটা বড় হাসপাতালের সামনে চলে এসেছে। সে ছেলেটার হাত ধরল, ‘আমাকে চটিও না।’ আশ্চর্য, তাতেই কাজ হল। ছেলেটা সুড়সুড় করে ভেতরে ঢুকে গেল। অর্কর এখন ঠিক মজা লাগছে না, বরং আত্মবিশ্বাস এসে যাচ্ছে। এই ছেলেটি তার হকুম মানছে।

    মিনিট পনের বেশী সময় খরচ হল। ডাক্তার জিজ্ঞাসা করেছিল, ‘কি করে এমন হল? কেউ মেরেছে? এসব থানায় রিপোর্ট করতে হবে।’

    শানু অর্কর দিকে তাকাল। অর্ক মৃদু হেসে ডাক্তারকে বলল, ‘আগে ওকে বানিয়ে দিন তারপর আপনার সঙ্গে কথা আছে।’

    ডাক্তারের চোখ কুঁচকে গেল এবং মুহূর্তেই মুখের রঙ পাল্টে গেল। আড়চোখে অর্ককে দেখে তিনি শানুর প্রাথমিক চিকিৎসা শেষ করলেন। অর্ক বলল, ‘সামান্য ব্যাপার। লাভার নিয়ে রেষারেষি। এর মধ্যে দুনম্বরি কোন ব্যাপার নেই। বুঝলেন?’ ডাক্তার যেন আর এদের ওপর মনোযোগ দিতে চাইছিলেন না। অর্ক কারণটা বুঝতে পারল। তার গলায় বিশেষ ধরনের স্বর, দুটো শব্দ ডাক্তারকে বিব্রত করেছে। বাঃ। ট্রেনে, একটু আগে মারামারির সময় এমনকি এই ডাক্তারের কাছেও কিলা-খুরকিরা তাকে বাঁচিয়ে যাচ্ছে।

    বাইরে বেরিয়ে এসে অর্ক শানুকে জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি কোথায় থাকো?’

    শানু বলল, ‘জেলা স্কুলের সামনে।’

    ‘সেটা কতদূর!’

    ‘ওই সিগারেটের দোকানের কাছে।’

    ‘আর ওই ছেলেগুলো কোথায় থাকে?’

    ‘রূপশ্রী সিনেমার পাশে আড্ডা মারে।’

    ‘বাজার এখান থেকে কতদূর?’

    ‘পাঁচ মিনিটও লাগবে না। চলুন আমি সঙ্গে যাচ্ছি।’

    ‘দূর! দেখছ না, রাস্তার লোকজন তোমার মুখের দিকে তাকাচ্ছে। তুমি বাড়ি যাও। আজ বিকেল পাঁচটার সময় ওই সিগারেটের দোকানের সামনে আসবে।’ অর্ক আর দাঁড়াল না। এমনিতেই অনেক বেলা হয়ে গেছে। এখন বাজার নিয়ে গেলে রান্না করতেই দুপুর শেষ হয়ে যাবে।

    বাজারে গিয়ে হাঁ হয়ে গেল অর্ক। কলকাতার চেয়ে এখানে জিনিসের দাম এত বেশী সে বিশ্বাসই করতে পারছিল না। কি কিনবে বুঝে উঠতে পারছিল না সে। ছোট কই মাছের দাম পঞ্চাশ টাকা কেজি!

    কোনোরকমে বাজার শেষ করে সে একটা রিকশা নিল।

    মাছের দাম শুনে সে জিজ্ঞাসা করেছিল, ‘এখানে এত দাম কেন?’

    লোকটা হেসে বলেছিল, ‘বাবু বুঝি নতুন?’

    ‘হ্যাঁ। লোকে এসব মাছ কেনে?’

    ‘কিনবে না কেন? বাবুদের পকেটে পয়সা আছে। চা বাগানের পয়সা।’

    ‘এখানে তো গরীব মানুষ আছে, তাই না?’

    ‘গরীবে মাছ খায় না। ঢেঁকির শাক আর ভাত।’

    ‘ঢেঁকির শাকটা আবার কি জিনিস?’

    লোকটা হা হা করে হেসে উঠল, ‘সবজিপট্টিতে যান। গ্রামের লোক বিক্রি করছে। মাথাটা শুঁড়ের মত বাঁকানো শাক। টাকি মাছ নিয়ে যান, সস্তা। পনের টাকা কিলো।’ মাছ কেনা হল না। হাঁস মুরগি মিশিয়ে ডিম নিয়ে নিল গোটাকতক। তারপর রিকশায় উঠল।

    দিনবাজারের পুলটা ছাড়িয়ে রিকশা নামতেই পুলিশ হাত দেখাল। ওপাশ দিয়ে গাড়ি যাচ্ছে। জায়গাটা বেশ জমজমাট। প্রচুর দোকান পাট আর মানুষের ভিড়। হঠাৎ অর্কর চোখে পড়ল এক ভদ্রলোক সাইকেল হাতে তার দিকে তাকিয়ে আছেন। মাঝবয়সী ভদ্রলোক। ফর্সা, মোটাসোটা। একটু বেশী বয়সেও রঙ চঙা কায়দা করা শার্ট পরেছেন। মাথার কোকড়া চুলে সাদাটে ভাব এসেছে। যেন অর্ককে দেখতে পেয়ে খুব অবাক হয়েছেন। অস্বস্তি হচ্ছিল ওর, অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে ভাবতে চেষ্টা করল লোকটা কেন তাকে দেখছে? মারামারির সময় কাছে পিঠে ছিল নাকি? সে আবার মুখ ফেরাল এবং দেখল লোকটা তখনও তার দিকে তাকিয়ে আছে।

    এইসময় পুলিশ হাত নামাতেই রিকশাঅলা প্যাডেল ঘোরাল। সাঁই সাঁই করে হাসপাতালের সামনে দিয়ে ছুটে গেল রিকশাটা। অর্ক পেছন ফিরে আর লোকটাকে দেখতে পেল না। সাইকেল রিকশায় এই প্রথম চড়ছে অর্ক। বেশ মজা লাগছে এখন। মনে হচ্ছে রথে চেপে যাচ্ছি।

    সেই সিগারেটের দোকানের কাছে আসতেই অর্ক লোকটাকে দেখতে পেল। ফাঁকা রাস্তার একপাশে দাঁড়িয়ে আছে। ওকে দেখেই হাত নেড়ে চিৎকার শুরু করতে অর্ক রিকশাঅলাকে থামতে বলল। লোকটা এবার দৌড়ে এল রিকশার কাছে, ‘ওরা আবার এসেছিল, বুঝলেন!’

    ‘কারা?’

    ‘ওই যাদের আপনি তাড়িয়ে দিলেন তখন। এবার ছ-সাতজন। আপনে কোথায় থাকেন, নাম কি, এইসব প্রশ্ন জিগালো।’

    ‘তুমি কি বললে?’

    ‘আমি তো আপনেরে চিনিই না।’

    ‘ওরা এসেছিল কেন?’

    ‘জানি না। তবে অস্ত্রটার কথা জিগালো। আমি দেই নাই।’

    ‘ভাল করেছ।’ অর্ক রিকশাঅলাকে চলতে বলল। বড় রাস্তা ছেড়ে মাটির রাস্তা। রাস্তায় বাঁক নেওয়ার সময় অর্ক দেখল অনেক দূরে সিগারেটঅলা তখনও দাঁড়িয়ে আছে। নিশ্চয়ই দেখছে। ও সঙ্গে সঙ্গে রিকশাঅলাকে থামতে বলে নেমে পড়ল। দাম মিটিয়ে সে দাঁড়িয়ে রইল যতক্ষণ না রিকশাটা চোখের আড়ালে চলে যায়। ওকে বাড়ি অবধি নিয়ে গেলে ঠিকানাটা চাপা থাকবে না। প্রথম দিন শহরে পা দিয়েই সে একটা গোলমালে জড়িয়ে পড়েছে এ খবর মাধবীলতাকে জানতে দেওয়া ঠিক হবে না।

    দরজা খুলে দিল অনিমেষ! ‘এত দেরি হল কেন?’

    বাবার ভ্রু কোঁচকানো মুখের দিকে তাকিয়ে অর্ক বলল, “যা দাম!’

    ‘দামের সঙ্গে দেরির কি সম্পর্ক?’

    অর্ক আর দাঁড়াল না। ওর হঠাৎ মনে হল এখানে আসার পর বাবা যেন বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বেশ মেজাজী। কলকাতায় চিরকাল ওই মানুষটাকে সে চুপচাপ বসে থাকতে দেখেছে। কিন্তু এখানে যেন আচমকা অন্যরকম হয়ে যাচ্ছে।

    ভেতরের বারান্দায় আসতেই ছোটমার মুখোমুখি হয়ে গেল অর্ক। ছোটমার মুখে হাসি ফুটল, ‘বাজার হল?’

    ‘হ্যাঁ। তবে মাছ পাইনি।’

    ‘কেন?’

    ‘যা আছে খুব দাম।’

    ‘ইস্‌। প্রথম দিনেই তোমাকে কি কষ্টটাই না করতে হল। যাও, রান্নার ঘরে ওটা রেখে এসো।’ ছোটমার হাতে দুটো বাটি। সাবধানে সে দুটো নিয়ে তিনি ভেতরের ঘরে চলে গেলেন। অর্কর মনে হল ওতে গলা গলা কিছু রয়েছে। একটা চামচও।

    রান্নারঘরের সামনে এসে অর্ক অবাক হল। ঘরে মা ছাড়া কেউ নেই। কাঠের উনুন থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। মাধবীলতা উবু হয়ে একটা লোহার নল উনুনে গুঁজে ফুঁ দিচ্ছে। বাজারের থলে নামিয়ে অর্ক ডাকতেই মাধবীলতা মুখ ফেরাল। লাল হয়ে গেছে মুখ, চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ছে। কোনোরকমে আঁচলে মুখ মুছে মাধবীলতা হাসল, ‘কোনদিন এই উনুন ধরাইনি তো, নাজেহাল হয়ে যাচ্ছি। এত দেরি করলি কেন?’

    অর্ক কাঁধ নাচাল। তারপর বলল, ‘মাছ আনিনি।’

    ‘কেন?’

    ‘উরেব্বাস, যা দাম। ছোট কই মাছের কিলো পঞ্চাশ টাকা। এখানে সব বড়লোকরা থাকে, বুঝলে। আমরা এখানে থাকতে পারব না।’

    ‘এরা কি করে আছেন?’

    ‘কি জানি। তুমি প্রথম দিনেই রাঁধছ?’

    ‘তুই এখান থেকে যা, আমায় কাজ করতে দে।

    অর্ক ঘুরে দাঁড়াল, ‘এখানকার লোকজন না কেমন ধরনের কথা বলে। ঠিক বাঙালও নয় আবার।’ বলতে বলতে অর্ক থেমে গেল। মাধবীলতা তখনও উনুন নিয়ে বিব্রত। অতএব তার চোখে পড়ার কথা নয়। কিন্তু অর্ক দেখতে পাচ্ছে। বাগানের পেছন দিক দিয়ে একজন ঢুকছে। আর একটু কাছে এলে ও থতমত হল। সেই মেয়েটা যাকে সে স্নান করতে দেখেছিল। নেপালি। ও এখানে এল কেন? ওদিক দিয়ে যে ভেতরে আসার দরজা আছে তাই জানতো না সে। মেয়েটা ওকে দেখতে পেয়ে গম্ভীর হতে হতে হেসে ফেলল। হাসিটাও যেন অদ্ভুত। তারপর খুব মাতব্বরের মত ভঙ্গী করে জিজ্ঞাসা করল, ‘মাসী কোথায়?’

    ‘কে মাসী?’ অর্কর বুক দুকবুক করছিল। তার দেখার কথাটা বলতে আসেনি তো? মেয়েটি চিৎকার করল, ‘মাসী, ও মাসী?’

    ওপাশের ঠাকুরঘর থেকে বারান্দায় বেরিয়ে এলেন হেমলতা, ‘কিরে, চেঁচাচ্ছিস কেন?’

    ‘কাঠের দামটা দাও। বাবা চাইছে।’

    হেমলতা মাথা নাড়লেন, ‘এখনও মাস কাবার হয়নি, এখনই চাইছিস?’

    ‘জানি না বাবা পাঠালো।’

    এইসময় মাধবীলতা রান্নাঘরের দরজায় এল, ‘কি ব্যাপার পিসীমা!’

    হেমলতা হাত ঘুরিয়ে বললেন, ‘ওই যে, ওর বাবা কাঠ দেয় আমাদের। মাস কাবারে দাম নেওয়ার কথা এখনই তাগাদা দিতে এসেছে। তোর বাবাকে বলিস এবারে ভিজে কাঠ দিয়েছে।’

    ‘ইস আমরা কি জল দিয়ে ভিজিয়েছি। এখন দাম দেবে না যে আমি জানতাম।’

    মেয়েটা ঘুরে দাঁড়াতেই অর্ক মাধবীলতাকে জিজ্ঞাসা করল, ‘মা, আমার কাছে টাকা আছে, দিয়ে দেব?’

    ‘বাব্বা! খুব বড়লোক দেখছি।’ মেয়েটি আবার মুখ ফেরাল।

    হেমলতা তখন চিৎকার করলেন, ‘না, না, তোমরা দিও না। ছোটবউ শুনলে খুব রাগ করবে। তুই জানিস কার সঙ্গে কথা বলছিস? ও আমাদের নাতি, এই বাড়ির ছেলে!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালবেলা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }