Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪০. হঠাৎ একটা কনকনে ঢেউ

     চল্লিশ

    হঠাৎ একটা কনকনে ঢেউ যেন এই ঘরে আছড়ে পড়ল। মাধবীলতা এবং অনিমেষ এখন অসাড়, ওদের চোখ দরজার দিকে। রাত এখন কত কে জানে। দরজায় অর্ক দাঁড়িয়ে, ওর মুখচোখ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না কিন্তু বোঝা যাচ্ছে, সে ওদের দেখছে। অনিমেষ খুব দুর্বল বোধ করছিল। অর্ক যে সব শুনেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু মাধবীলতার ওপর প্রচণ্ড ক্রোধ ছাড়া তার অন্য কোন অনুভূতি এল না। খামোকা চিৎকার চেঁচামেচি করে সে ছেলেটাকে—। রাগ বাড়ছে অথচ সে প্রকাশ করতে পারছে না।

    মাধবীলতার বুকের ভেতরটা ধক্‌ করে উঠেছিল। অর্ক যে পাশের ঘরে জেগে আছে তা তার মাথায় আসেনি। আসলে নিজেকে এমন ছিন্নভিন্ন লাগছিল যে অনিমেষ কথা শুরু করা মাত্র উন্মুক্ত হয়ে পড়েছিল। সেই মুহূর্তে অন্য কোন ভাবনা কাজ করেনি। নিজের কাছে যেটা সত্যি, চূড়ান্ত সত্যি, যাকে এতদিনে অনেক চেষ্টায় চাপা দিতে চেয়েছিল, আজ হঠাৎ—! এখন আর কিছুতেই কিছু এসে যায় না। যা স্বাভাবিক তাই মেনে নেওয়া ভাল। এইটুকু ভাবতে পেয়ে সে ক্রমশ সহজ হয়ে এল। কিন্তু কথা বলতে গিয়ে বুঝতে পারল তার গলা কাঁপছে, ‘কি রে ঘুমোসনি?’

    অর্ক অন্ধকার ঘরটায় এতক্ষণে দুটো শরীরকে আলাদা করে চিনতে পেরেছে। কয়েকটা কালো থাবা এতক্ষণ তার বুকের ভেতরটা আঁচড়াচ্ছিল, মাথার ভেতরে একটা গনগনে উনুন উত্তাপ ছড়াচ্ছিল। বৃষ্টির শব্দ শুনতে শুনতে তার ঘুম প্রায় এসে গিয়েছিল। এইসময় একটা তীক্ষ্ণ কণ্ঠস্বর তার কানে গেল। গলাটা মেয়েদের এবং তারপরেই বুঝতে পারল ওটা মায়ের। মা কখনও এই গলায় কথা বলে না। খুব অবাক হয়েছিল অর্ক। মায়ের কি শরীর খারাপ করল? সে চটপট বিছানা থেকে নেমে এসেছিল। কারো একটা কিছু হয়েছে এ রকম বোধই তার মনে কাজ করছিল। দরজার কাছে পৌঁছে সে বাবার গলা শুনতে পেয়েছিল। খুব অনুনয়ের ভঙ্গীতে বাবা মাকে বোঝাচ্ছিল। এবং তার পরেই মা কাটা কাটা গলায় কথা বলল। এই মুহূর্তে অর্ক আবিষ্কার করল মা কোন বিপদে পড়েনি, বাবার সঙ্গে কথা বলছে মাত্র। কিন্তু এরকম গলায় সে ওদের কোনদিন কথা বলতে শোনেনি। তারপরেই তার খেয়াল হল মা বাবা তো স্বামী-স্ত্রী। কেমন যেন লজ্জা পাচ্ছিল সে। কিন্তু সেইসঙ্গে তার খেয়াল হল আজ অবধি কখনও বাবা মাকে স্বামী-স্ত্রীর মত কথা বলতে শোনেনি। ওরা যখনই গল্প করেছে কিংবা ঝগড়া সেটা বন্ধুর মতই করেছে। অর্কর উপস্থিতি কখনই ওদের তেমন অসুবিধে করেনি। স্বামী এবং স্ত্রী যা যা করে বলে সে জেনেছে তার কোন কিছুই এত বছরে এক ঘরে থেকে বাবা মাকে করতে দ্যাখেনি। মায়ের সঙ্গে বাবার সম্পর্ক তার থেকে বিন্দুমাত্র আলাদা ছিল না। সেইটে আজ হঠাৎ পাল্টে গেল কি করে? মা এইরকম নিষ্ঠুর গলায় কথা বলছেই বা কেন? অর্কর কৌতূহল হল। তার আশঙ্কা হল ঝগড়ার বিষয়বস্তু সে নয় তো? তাকে নিয়ে মায়ের সবসময় দুশ্চিন্তা। হয়তো আজ বিকেলে তিস্তার চরে যাওয়া নিয়ে মা রাগারাগি করছে বাবার ওপরে। কিংবা তখন সে এখানে থাকতে চেয়েছিল বলে মা তাকে চড় মেরেছে। সেই প্রসঙ্গেই হয়তো এই ঝগড়া! অর্ক দরজার জোড়ায় কান পাতল। এতক্ষণ বৃষ্টির জন্যেই বোধহয়, যে কথাগুলো ঝাপসা ছিল তা পরিষ্কার হল। শুনতে শুনতে অর্কর মনে হচ্ছিল মা ঠিক বলছে। হঠাৎ এই প্রথম সে মাকে অন্য চোখে দেখতে পেল। মা সারা জীবন তাদের জন্যে করে গেছে। কিন্তু এই মুহূর্তে মা বলছে যা করেছে সব বাবার মুখ চেয়ে। তার কথা কিছু বলছে না। এক ধরনের ঈর্ষা বোধ করলেও সে বুঝতে পারছিল মা অন্যায় বলছে না। মা আর পাঁচটা বিবাহিতা মহিলার মতন জীবনে কিছুই পায়নি। অথচ এতদিন এটাই তাদের চোখে স্বাভাবিক ছিল। আজ মা এসব কথা বলছে বাবা এখানে থেকে যেতে চায় বলেই! সে থাকতে চেয়েছিল বলে মা চড় মেরেছিল। বাবাকে সেরকম করা সম্ভব নয় বলেই এসব কথা বলছে। অর্ক কান পাতল। এবং তখনই একটা গরম সিসে ছিটকে এল তার কানে। বাস্টার্ড। বাস্টার্ড মানে কি? স্পষ্ট না হলেও সে অনুমান করতে পারল। বাবা এবং মায়ের বিয়েই হয়নি? বাবা এবং মা অবিবাহিত অবস্থায় এতকাল একসঙ্গে ছিল। শান্তিনিকেতনে বাবা একদিন মাকে ভোগ করেছে বলে সে এসেছে পৃথিবীতে! অর্কর সমস্ত শরীর জ্বলতে লাগল। বাবা চিৎকার করল কিন্তু কথাটাকে অস্বীকার করতে পারছে না। মা শুধু বাবাকে ভালবেসেছিল বলেই তাকে লালন করেছে। অর্কর মাথার ভেতরটা গুলিয়ে যাচ্ছিল। চোখ বন্ধ করতেই সে সেই দৃশ্যটাকে দেখতে পেল। খাটের ওপর একটা রুগ্ন বিকলাঙ্গ মানুষ বসে আছে। মা দরজায় দাঁড়িয়ে তাকে নরম গলায় বলছে, ‘তোমার বাবা।’ সেই প্রথম সে বাবাকে দেখেছিল। তার আগে শুধুই মা, আর মায়ের কাছে গল্প শুনেছে বাবা জেলে আছে। আর তখনই মাধবীলতা অনিমেষকে বলছিল অর্কর দায়িত্ব নিতে, সে একাই কলকাতায় ফিরে যেতে চায়।

    অর্ক কি করবে ভেবে পাচ্ছিল না। মা বলল, পাঁচজনে জানলে তাকে বাস্টার্ড বলবে। অর্থাৎ অবিবাহিত মানুষদের সন্তানকে লোকে বাস্টার্ড বলে! মোক্ষবুড়ি প্রায়ই একটা গালাগাল দিত, বেজম্মা। যার জন্মের কোন ঠিক নেই। কথাটার মানে এতদিন খুব স্পষ্ট ছিল না। অর্ক আর পারল না। তার শরীরে এখন যেন এক ফোঁটা রক্ত নেই। কাঁপা হাতে দরজাটা খুলল সে। একটু একটু করে কপাট আলাদা হতে সে অন্ধকার ছাড়া কিছু দেখতে পেল না। তার কয়েক মুহূর্ত বাদে মায়ের গলা শুনতে পেল, ‘কি রে, ঘুমোসনি?’

    অর্ক জবাব দিল না। সে কেন দরজা খুলেছে একথা বুঝিয়ে বলার ভাষা তার মনে আসছিল না। সে ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে রইল দুটো মানুষের দিকে। অন্ধকার আচমকা যেন পাতলা হয়ে যাচ্ছে ওই ঘরে।

    মাধবীলতা খুব দ্রুত নিজেকে ফিরে পেল। এ ঘরের কথাবার্তা যে ছেলের কানে পৌঁছেছে তাতে তার সন্দেহ ছিল না। সে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল, ‘কি হয়েছে, কথা বলছিস না কেন?’

    এইবার অর্ক যেন নড়ে উঠল, সে নিস্তেজ গলায় প্রশ্ন করল, ‘এতক্ষণ তুমি যা বললে তা সত্যি?’

    সঙ্গে সঙ্গে চেঁচিয়ে উঠল অনিমেষ, ‘কি বলেছে ও? কিছুই বলেনি। আর যদি কিছু কথা হয়ে থাকে তা আমাদের মধ্যে হয়েছে, তোর সে কথা শোনার কোন প্রয়োজন নেই। যা, শুয়ে পড়।’

    অর্ক সেই একই স্বরে বলল, ‘কিন্তু আমি যে শুনেছি।’

    অনিমেষ এবার খুব দুর্বল হয়ে পড়ল। সে দেখল মাধবীলতা স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ঘরের মাঝখানে। এখন আর কোন ফিকিরেই এই ভাঙ্গা বাঁধ জোড়া দেওয়া যাবে না। অথচ কিছু একটা করা উচিত! কিন্তু সেটা কি তা তার মাথায় আসছিল না। এই সময় মাধবীলতা বলল, ‘কি শুনেছিস?’

    ‘তোমার সঙ্গে বাবার কখনও বিয়ে হয়নি?’

    মাধবীলতা চোখ বন্ধ করল। তার সমস্ত শরীর যেন এই মুহূর্তেই খরা। আশ্চর্য, চোখে একফোঁটা জল আসছে না। এই সত্য, চূড়ান্ত সত্যটির মুখোমুখি হতে হবে একদিন তা কি তার জানা ছিল না? ছিল, কিন্তু কখনই তাকে পরোয়া করেনি। তাহলে আজ কেন গরম হাওয়ার হলকা ছাড়া বুকের ভেতরে কিছুই অবশিষ্ট নেই। সে পায়ে পায়ে জানলার সামনে গিয়ে দাঁড়াল। অন্ধকারের শরীরে কেউ যেন কাঁচা দুধ গুলে দিয়েছে। ফলে একটা মোলায়েম আলো পড়েছে ভেজা গাছের পাতায়, আকাশের গায়ে। ওপাশে বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া সুপুরি গাছগুলো অদ্ভুত মায়াময় হয়ে উঠেছে। এখন রাতের ঠিক-দুপুর পার হওয়া সময়।

    ‘তোমার সঙ্গে বাবার কখনও বিয়ে হয়নি?’ অর্কর গলাটা একটু জোরে।

    মাধবীলতা ধীরে ধীরে মাথা নাড়ল, না। সঙ্গে সঙ্গে অনিমেষ চেঁচিয়ে উঠল, ‘এসব তুমি কি বলছ ওর কাছে? তোমার মাথা খারাপ হয়ে গেছে?’

    ‘আজকে ওর সত্যিটা শোনা উচিত। যথেষ্ট বড় হয়ে গেছে তোমার ছেলে। শোন, তোর বাবার সঙ্গে আমার আইনের কিংবা ধর্মের বিয়ে হয়নি। সেটা করার কোন প্রয়োজন আমি বোধ করিনি।’ মাধবীলতা মুখ ফেরাচ্ছিল না।

    ‘কেন? সবাই তো তাই করে, এটাই নিয়ম।’

    ‘তুই বুঝবি না। আমি মনে করি আইনের চেয়ে বিশ্বাস অনেক বড়। সেই বিশ্বাস যতদিন থাকবে ততদিন আমরা স্বামী স্ত্রী। খোকা, এই প্রশ্ন পৃথিবীর অন্য কেউ করলে আমি জবাব দিতাম না। কিন্তু তোর জানা উচিত।’

    অর্ক বলল, ‘তুমি বাবাকে ভালবাসতে, বিশ্বাস করতে, তাই বিয়ে করোনি। কিন্তু আমি কি দোষ করেছি?’

    ‘তুই নিজেকে দোষী ভাবছিস কেন?’

    ‘নিশ্চয়ই। যদ্দিন তোমাদের বিশ্বাস ছিল তদ্দিন আমি তোমাদের ছেলে ছিলাম। এখন আমার পরিচয় কি হবে?’

    মাধবীলতা বলল, ‘আমি তোকে পেটে ধরেছিলাম। জন্মাবার পর তুই আমাকেই প্রথম চোখ মেলে দেখেছিলি। আমি তোকে যা যা চিনিয়েছি তুই তাই চিনেছিস। এটা তো কখনই মিথ্যে হতে পারে না। তুই আমার ছেলে।’

    অন্ধকারে অর্কর গলায় সামান্য হাসির ছিটে মিশল, ‘তাহলে আমাকে রেখে যাচ্ছ কেন এখানে? কি পরিচয়ে থাকব আমি?’

    ‘তুই তোর বাবার কাছে থাকবি।’

    ‘কি করে বুঝব উনি আমার বাবা?’

    ‘খোকা!’ চাপা গলায় গর্জে উঠল মাধবীলতা।

    ‘চেঁচিও না মা, আমার প্রশ্নটা যে মিথ্যে তা প্রমাণ কর।’

    মাধবীলতার মনে হল ছেলের এই কণ্ঠস্বর আগে কখনও শোনেনি। আচমকা যেন সে অনেক বড় হয়ে গিয়েছে। অথচ এখন কথা বলা দরকার। যখন শুরু হয়েছে তখন খোলাখুলি সব বলা ভাল। কিন্তু সেইসময় অনিমেষ চাপা গলায় বলে উঠল, ‘তোর কোন অধিকার নেই মাকে অপমান করার।’

    ‘আমি মাকে অপমান করছি না। মা নিজে বলুক তুমি আমার বাবা।’

    ‘এটা কি নতুন কথা, তুই প্রথম শুনলি?’

    ‘কিন্তু সেটা কি করে সম্ভব? তোমরা বিয়ে করোনি।’

    ‘বিয়ে? বিয়ে বলতে কি বুঝিস তুই? শুধু মন্ত্রপাঠ আর কাগজে সই করলেই বিয়ে হয়? আমার সমস্ত নিশ্চয়তা ছেড়ে এই মানুষটার কারনে আমি কষ্ট সহ্য করেছি কি জন্যে? সেটা বিয়ের চেয়ে কম?’ মাধবীলতা হাঁপাচ্ছিল।

    ‘তাহলে আজ তুমি ছেড়ে চলে যাচ্ছ কেন?’

    এবার মাধবীলতা ঠোঁটে ঠোঁট চাপল। সে কেন যাচ্ছে তা বোঝাবে কি করে! অর্ক মায়ের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করল আবার, ‘তুমি কি ওঁকে ভালবাস না?’

    ‘নিশ্চয়ই বাসি।’

    ‘তবে?’

    ‘তুই বুঝবি না, এ বোঝার বয়স তোর হয়নি। শুধু এটুকু জেনে রাখ, আমি আজ প্রথম নিজেকে খুব—।’ মাধবীলতার গলার স্বর ডুবে যাচ্ছিল। কোনরকমে সে বলতে পারল, ‘অপমান বুকে নিয়ে একসঙ্গে থাকা যায় না।’

    কিছুক্ষণ এই ঘরে কোন শব্দ নেই। তিনটে মানুষ যেন নিঃশ্বাস দিয়ে পরস্পরকে জানবার চেষ্টা করছিল। শেষ পর্যন্ত অনিমেষ ক্রাচ নিয়ে উঠে দাঁড়াল, ‘লতা, কি সামান্য কারণে তুমি, তোমরা আমাকে ভুল বুঝলে। যাক, যা ভাল বোঝ তাই করো।’ তারপর ধীরে ধীরে দরজা খুলে বারান্দায় বেরিয়ে গেল।

    অর্ক এবার মাধবীলতার পাশে গিয়ে দাঁড়াল। মাধবীলতা তখন জানলার দিকে ফিরে দাঁড়িয়েছে, তার চিবুক বুকের ওপর। বাইরের জানলায় তখন ছিমছাম আকাশ। হঠাৎ অর্কর মনে হল তার এত চিন্তা করার কি আছে? জ্ঞান হবার পর সে মাকেই দেখেছে, মায়ের চেষ্টায় একটু একটু করে বড় হয়েছে। বাবার কাছ থেকে কতকগুলো গল্প ছাড়া সে কিছুই পায়নি। বাবা যদি মাকে বঞ্চিত করে থাকে সে নিজেও কিছু কম হয়নি। আজ যদি পৃথিবীর মানুষ তাকে বেজন্মা বলে তাতে সে কি আর বেশী হারাবে? কোন অধিকতর সম্মান পেত যদি তার বাবা মা আইনসম্মত বিবাহিত হত? কিস্যু না। কিন্তু মাকে ছেড়ে তার পক্ষে এ বাড়িতে থাকা অসম্ভব। এই মানুষটা তার বাবার কাছে কিছুই পায়নি, সেই ঋণ তার শোধ করা উচিত। অর্ক মাধবীলতার হাত আঁকড়ে ধরল, ‘মা, আমি তোমার সঙ্গে কলকাতায় ফিরব।’

    মাধবীলতা কেঁপে উঠল, ‘না।’

    ‘না বলো না। তোমাকে ছাড়া আমি থাকতে পারব না।’

    ‘বোকামি করিস না খোকা। এই বাড়ি তোর, এখানকার পরিবেশ তোকে মানুষ করবে।’

    ‘তুমি কাছে না থাকলে আমার মানুষ হওয়ার দরকার নেই মা। কি হবে মানুষ হয়ে। চারপাশে তাকিয়ে দ্যাখো, কত লোক মানুষ হয়েছে। কি করছে তারা? তুমি জানো না আমি অনেককে চিনি যাঁরা খুব শিক্ষিত এবং বড়লোক, সমাজের চোখে তাঁরা মানুষ হয়েছেন কিন্তু তাঁদের কথা ভেবে আমার বমি পেয়েছিল। মানুষ হওয়ার নিয়মটা বোধহয় খারাপ হয়ে গেছে মা।’ অর্ক কেটে কেটে কথাগুলো উচ্চারণ করছিল। মাধবীলতা অবাক হয়ে তাকাল। এই ছেলে, এক রাত্রে এতটা পাল্টে গেল? আজ বিকেলেই না সে ওকে চড় মেরেছে! কিন্তু তবু একটা অভিমান তার বুকের দেওয়ালে মাথা ঠুকছিল। সেই মুহূর্তে অর্ক তাকে জড়িয়ে ধরল, ‘মা, আমাকে ছেড়ে যেও না।’

    মাধবীলতা বুঝতে পারছিল না তার কি করা উচিত। কিন্তু তার বাঁধ ভাঙ্গছিল। এই ছেলেকে সে শরীরে ধারণ করেছিল, বড় করেছিল। যতক্ষণ এ তাকে ত্যাগ করে না যায় সে ছাড়বে কেন?

    একটু হাওয়া বইলেই গাছগুলো থেকে টুপ টুপ করে জল ঝরছে। ঘাসগুলো চপচপে ভিজে। অথচ আকাশের কোনায় একফালি চাঁদ উপুড় হয়ে রয়েছে। কোথাও মেঘের চিহ্নমাত্র নেই। অনিমেষ এবার ঠাণ্ডা আবিষ্কার করল। সিরসির করছে শরীর। ভেজা ঘাসে পা থাকায় ঠাণ্ডাটা আরও জোরদার হয়েছে। সে মুখ ফিরিয়ে বারান্দাটার দিকে তাকাল। বাড়িটা অন্ধকার।

    কি থেকে কি হয়ে গেল। এত সামান্য ব্যাপার নিয়ে মাধবীলতা এমন কাণ্ড করবে সে ভাবতে পারেনি। মেয়েটার অভিমানবোধ এত বেশি তা সে আঁচ করতে পারেনি। ছোটমা আর পিসীমার কাছে অদ্ভুত মায়ায় জড়িয়ে সে স্বীকার করেছিল এখানে থেকে যাবে। তখন মনে হয়েছিল পরে মাধবীলতাকে বুঝিয়ে বললেই চলবে। কিন্তু! হঠাৎ তার মনে হলো মাধবীলতা কি তার কাছ থেকে নিষ্কৃতি চাইছিলো? এতদিন ধরে বোঝা টেনে টেনে ও কি হাঁপিয়ে উঠেছিল? তাই সামান্য একটা ঘটনাকে আঁকড়ে ধরে এইভাবে নিজেকে সরিয়ে নিতে চাইছে? এইরকম একটা বিপরীত চিন্তা করতে পেরে অনিমেষের ভাল লাগল। কিন্তু তারপরেই মনে হল কেন করল মাধবীলতা? এই বাড়িতে তাকে জোর করে সে-ই নিয়ে এসেছে। এই বাড়ির বউ-এর সম্মান সে নিজেই আদায় করে নিয়েছে। এখন আর তার কি অভিযোগ থাকতে পারে? হিসাব মেলাতে পারছিল না অনিমেষ। কিন্তু অর্ক? অর্কর কাছে তো তাকে ধূলিসাৎ করে দিল মাধবীলতা। ওই ছেলের সামনে এত কথা বলার কি দরকার ছিল? অর্ক যখন উদ্ধত গলায় প্রশ্ন করছিল তখন তার উত্তর যুগিয়ে গিয়েছে মাধবীলতা। সেটা তাকেই অপমান করা নয়? এবং তখনই তার মনে পড়ল সে জেল থেকে বেরিয়ে ট্যাক্সিতে বসে বিয়ের কথা বলতেই মাধবীলতা জানিয়েছিল আনুষ্ঠানিক বিয়ে ওর কাছে তখন অসম্মানের হবে। তাহলে তার অন্যায় কোথায়? অনিমেষ ছটফট করতে লাগল।

    ক্রাচে ভর দিয়ে সে গেটের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। মাধবীলতা কলকাতায় চলে যাবে। এই যাওয়া যে চূড়ান্ত যাওয়া তাতে কোন সন্দেহ নেই। সে কি মাধবীলতাকে ছেড়ে থাকতে পারবে? ব্যাপারটা চিন্তা করতেই অনিমেষের বুকের ভেতরটা টনটন করে উঠল। এত বছর একসঙ্গে থেকে, যে মেয়েটা তার জন্যে নিজের জীবন নিংড়ে দিল তাকে চোখের ওপর দেখে দেখে—! অনিমেষ মাথা নাড়ল। সে কি করে পারবে? দু’চারমাস আলাদা থাকা যায় কিন্তু চিরকাল? অনিমেষ চোখ বন্ধ করল। এবং তখনই তার জেলখানার দিনগুলো মনে পড়ল। তখন তো সে একটু একটু করে মাধবীলতাকে ভুলতে পেরেছিল। এমন কি তাকে এড়াতে মুক্তি পাওয়ামাত্র সে অন্য লোকের বাড়িতে উঠতে পেরেছিল। স্বৰ্গছেঁড়াকে একসময় তার প্রাণের চেয়ে বেশী মনে হত। সেই বাতাবি লেবুর গাছ, মাঠ, চা-গাছ আর আংরাভাসা নদীকে ছেড়ে কোনদিন থাকতে পারবে না বলে মনে হত তখন। কিন্তু একসময় জলপাইগুড়িতে থাকতেই সব ফিকে হয়ে গেল। তার নিজের মা, মাধুরী? যার গায়ের গন্ধ নাকে না এলে ঘুম আসতো না তাকে ছেড়ে সে জলপাইগুড়িতে এসেছিল। আর সেই মা মারা যাওয়ার পর রোজ রাতে আকাশের একটি বিশেষ তারার দিকে তাকিয়ে থাকত। মা বলেছিল মন খারাপ হলেই যেন সে তারাটার দিকে তাকায় তাহলে মন ভাল হয়ে যাবে। হায়, কতকাল, সে কতকাল কে জানে, মন ভাল করার জন্য তারাটার দিকে তাকাতে হয়নি। আর এখন তো সে কিছুতেই হাজার তারার মধ্যে বিশেষ তারাটাকে খুঁজে পাবে না। কলকাতায় চলে যাওয়ার পর এক এক করে হেমলতা আর সরিৎশেখর তার কাছে নিষ্প্রভ হয়ে যাননি? নাহলে জেল থেকে বেরিয়েও এত বছর সে এখানকার মানুষগুলোর খবর না নিয়ে থাকল কি করে? বাবার অসুস্থতার খবর পেয়েও সে তো ছুটে আসেনি? অনিমেষ অন্ধকারে নিজেকে অভিযোগ করল, তুমি স্বার্থপর, তোমার মনে ভালবাসা নেই অনিমেষ। নাহলে লালবাজারে গর্ভবতী মাধবীলতার ওপর অত্যাচার দেখার পরও তোমার একবারও মনে হয়নি মেয়েটা কেমন আছে? অতএব আজ যদি মাধবীলতা চলে যায় তাহলে দুদিন বাদে তুমি নিশ্চয়ই এতগুলো ঘটনার মত এটাকেও ভুলে যাবে। অনিমেষ ঝুলন্ত চাঁদের দিকে তাকাল। আমি কি মানুষ নই? তাহলে আমার এমন হয় কেন? কোন কিছুকে আঁকড়ে ধরে চিরকাল থাকতে পারি না কেন? অদ্ভুত একটা যন্ত্রণা বুকের মধ্যে পাক খেতে লাগল ওর। অথচ এমন তো কথা ছিল না। এরকম নিরক্ত হয়ে বেঁচে থেকে লাভ কি! সে আবার বাড়িটার দিকে তাকাল। সরিৎশেখর কত ভালবেসে এই বাড়ি তৈরি করেছিলেন। এর প্রত্যেকটা ইটের গায়ে তাঁর স্পর্শ লেগে আছে। আজ তিনি নেই অথচ বাড়িটা। একটা কিছু রেখে যাওয়া দরকার। কিন্তু কিছুই সে রেখে যেতে পারল না। সাধারণ মানুষ তাদের সন্তানদের মধ্যে নিজেকে বাঁচিয়ে রেখে যেতে পারে। অর্ক তার সম্পর্কে কি ধারণা নিয়ে পৃথিবীতে থাকবে?

    ধীরে ধীরে অনিমেষ গেট খুলল। ঝিম ধরে আছে চারধার। মৃত নগরীর মত মনে হচ্ছে। অনিমেষ পায়ে পায়ে গলি দিয়ে বড় রাস্তায় চলে এল। রাস্তায় একটা কুকুর পর্যন্ত নেই। এখন কত রাত কে জানে। ডানদিকের রাস্তাটা চলে গেছে শহরের দিকে। বাঁদিকটা মুখ থুবড়েছে বাঁধের গায়ে। সেদিকে হাঁটতে শুরু করল অনিমেষ। আশ্চর্য, এখন তার কোমর বা থাইতে কোন ব্যথা নেই। বেশ স্বচ্ছন্দ লাগছে। অথচ কলকাতায় থাকতে এতটা সে ভাবতেও পারত না। অনিমেষের মুখে হাসি ফুটে উঠল। নিজেকে ছাড়া অন্য কিছু সে বোধহয় কোনকালেই ভাবতে শিখবে না।

    এই সময় পাশে ভোঁস ভোঁস শব্দ হতেই সে থমকে দাঁড়াল। রাস্তার ধারে একটা সাদা গরু মুখ তুলে তাকে দেখছে। গরুটা ছাড়া এবং নিঃসঙ্গ। এর মালিক হয়তো খবর রাখে না কিংবা ফাঁক পেয়ে পালিয়েছে। দুটো বড় বড় চোখে সে এখন অনিমেষের দিকে তাকিয়ে। তারপর ধীরে ধীরে এগিয়ে আসতে লাগল তার দিকে। অনিমেষ চেষ্টা করল দ্রুত এগিয়ে যেতে। গরুটা তাকে ঢুঁস মারলে তার কিছুই করার থাকবে না। কিন্তু গরুটাও যেন বেশ মজা পেয়ে গেছে। নিশ্চিন্তে তার পিছনে চলে আসছে ওটা। দ্রুত চলার জন্যে বাঁধের ওপর উঠে বেদম হয়ে পড়ল অনিমেষ। তারপর একটা ক্রাচ কোনরকমে শূন্যে তুলে নাড়তেই গরুটা দাঁড়িয়ে পড়ল। অথচ ফিরে যাওয়ার কোন লক্ষণ দেখা গেল না। অনিমেষ বুঝল সে চলা শুরু করলেই ওটা পিছু নেবে। শেষ পর্যন্ত হাল ছেড়ে দিল অনিমেষ। বাঁধের ঢালু পথ দিয়ে নামতে নামতে ও অন্ধকার মাখা তিস্তার চরে দোতলা কাঠের বাড়িটাকে আবছা দেখতে পেল। গরুটা এবার হুড়মুড়িয়ে নামছে। অনিমেষ শক্ত হয়ে দাঁড়াল। প্রায় দৌড়েই তার শরীরের পাশ দিয়ে চরে নেমে গেল গরুটা। নেমে মুখ ফিরিয়ে তাকে দেখে হাম্বা স্বরে চিৎকার করে উঠল। অনিমেষ শুনল চরের কোন প্রান্ত থেকে আর একটা গরু গলা তুলে জানান দিল ওকে। এবার নিশ্চিন্ত প্রাণীটি সেই শব্দ লক্ষ্য করে রওনা দিল বালি মাড়িয়ে। অনিমেষ কিছুক্ষণ চুপচাপ দাঁড়িয়ে সেই যাওয়া দেখল। একে কি বলে? টান, না ভালবাসা? সে ঠোঁট কামড়াল।

    বালির ওপর দিয়ে হেঁটে যেতে খুব কষ্ট হচ্ছিল। ক্রাচ দুটো বারবার গেঁথে যাচ্ছে বালিতে টেনে তুলে হাঁটতে গিয়ে এবার থাই-এর টনটনানি শুরু হল। কিন্তু তা সত্ত্বেও এই চরের দিকে তাকিয়ে সে অবাক হয়ে যাচ্ছিল। সেই বিশাল নদী কোথাও নেই। এই চরে যেন নতুন একটা উপনিবেশ গড়ে উঠেছে। জুলিয়েন বলেছিল কাঠের দোতলা বাড়ির কথা। বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হয়নি তখন কিন্তু এখন তো চোখের ওপরই দেখতে পাচ্ছে। তার কৈশোরে এখানে রাত কাটানোর কথা কেউ চিন্তাও করতে পারত না। শীতকালের সেই রহস্যময় কাশ গাছ আর পক্ষীরাজ ট্যাক্সিগুলো আর বর্ষায় কেউটের মত ফুঁসে ওঠা ঢেউগুলোর ছবি চোখের সামনে জ্বলজ্বল করছে। পৃথিবীটা কি দ্রুত পাল্টে যায়। কি দ্রুত!

    কাঠের দোতলা বাড়িটার সামনে দাঁড়িয়ে দম নিল অনিমেষ। এবং তখনই তার চোখে পড়ল দোতলার একটা ঘরের ফাঁক দিয়ে আলো বেরুচ্ছে। এই বিশাল চরে ঢলে পড়া রাতের শরীরে ফালি চাঁদ যা করতে পারেনি ওই চেরা আলো তার থেকে অনেক বেশি প্রাণের স্পর্শ দিচ্ছে। এত রাত্রে কেউ নিশ্চয়ই জেগে আছে ওখানে। এই চরের মানুষদের আর্থিক সঙ্গতি যা তাতে সারারাত কেরোসিন পোড়াবার বিলাসিতা কেউ করবে না।

    অনিমেষ এবার কাঠের সিঁড়িটাকে লক্ষ্য করল। স্বৰ্গছেঁড়ার ফরেস্ট কোয়াটার্সের মত, গোটা আটেক কাঠের মোটা বিমের ওপর দোতলাটা দাঁড়িয়ে। পাশ দিয়ে এক-রেলিং দেওয়া সিঁড়ি ওপরে উঠে গেছে। অনিমেষ কোনরকমে ক্রাচে ভর দিয়ে সিঁড়ি ভাঙ্গতে লাগল লাফিয়ে। একটু বেসামাল হলেই নিচে গড়িয়ে পড়তে হবে। কিন্তু অদ্ভুত জেদ চেপে গেল তার। সামান্য সিঁড়িটা ভাঙ্গতে দীর্ঘসময় লাগল তার। কিন্তু ওপরের বারান্দায় ক্ৰাচটা আওয়াজ করতেই চিৎকার ভেসে এল, ‘কে?’ আর সঙ্গে সঙ্গে ঘরের আলো নিবে গেল।

    অনিমেষের তখন কথা বলার অবস্থা ছিল না। বুকের খাঁচাটা হাপরের মত কাঁপছে। মুখ হাঁ, চোখ বিস্ফারিত। এইসময় দরজাটা খুলে গেল। আর একটা লোক সন্তর্পণে মুখ বের করে তাকে দেখল। অনিমেষ আর দাঁড়াতে পারছিল না। তবু কোনরকমে ক্ৰাচটাকে আঁকড়ে ধরে নিজেকে স্থির রাখার চেষ্টা করছিল।

    এবার লোকটি চাপা গলায় ঘরের দিকে তাকিয়ে কিছু বলে বারান্দায় এসে চ্যালেঞ্জের ভঙ্গীতে জিজ্ঞাসা করল, ‘কে আপনি? কি চান?’

    অনিমেষ হাত তুলল কোনমতে, বলতে চাইল একটু দাঁড়ান।

    ততক্ষণে আরো কয়েকজন বাইরে বেরিয়ে এসেছে। তাদের মধ্যে থেকে একজন ছুটে এল কাছে, ‘আরে অনিমেষ! কি ব্যাপার, হঠাৎ এখানে, এইসময়? বিকেলে তো কিছু বলেননি আমাকে?’

    অনিমেষ মাথা নাড়ল। তারপর জুলিয়েনের দিকে তাকিয়ে কোনরকমে বলতে পারল, ‘আমি এলাম!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালবেলা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }