Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪১. ভোর বেলায় অনিমেষ ফিরে এল

     একচল্লিশ

    ভোর বেলায় অনিমেষ ফিরে এল বাড়িতে। আজ জুলিয়েনের ওখানে খুব জরুরী আলোচনা ছিল। ডুয়ার্সের বিভিন্ন প্রান্তের কয়েকজন মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনিমেষ যখন জানাল যে সে জলপাইগুড়িতে পাকাপাকি থেকে যাচ্ছে তখন জুলিয়েনের আগ্রহে আলোচনায় অংশ নিতে অনুরোধ জানাল সবাই।

    এখানে এসে অনিমেষ কয়েকটি তথ্য জানল। পুলিস এখনও ওদের ওপর লক্ষ্য রাখছে।

    বামফ্রন্ট চাইছে না তারা সক্রিয় হোক। আন্দোলনের সময় যারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সারা ভারতবর্ষ জুড়ে পা বাড়িয়েছিল তাদের অনেকেই এখন ছিটকে গেছে নানান দিকে। ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে অনেক দলে বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে সবাই। বেশীরভাগই বসে গিয়েছে এবং বাকিদের মধ্যে মিলনের সম্ভাবনা প্রায় অসম্ভব। অথচ দেশে এখন বিপরীত হাওয়া গোপনে বইছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে বামফ্রন্ট জিতেছে কিন্তু কিছু কিছু জায়গায় তাদের ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। যদিও সংগঠনশক্তি এবং জনসাধারণের ওপর প্রভাব বামফ্রন্টের এখনও অম্লান তবু আর একটি জিনিস চোখে পড়ছে। বিভিন্ন কলেজের ছাত্র ইউনিয়ন হাত ছাড়া হয়ে যাচ্ছে বামফ্রন্ট সমর্থনপুষ্ট সংস্থার। সেখানে ছাত্র পরিষদ বিজয়ী হয়ে চলেছে। অর্থাৎ, দেশের শিক্ষিত যুবকরা বামফ্রন্টের বদলে ছাত্র পরিষদ তথা কংগ্রেসকে সমর্থন করছে। একথা ঠিক যখন কংগ্রেস ক্ষমতায় শক্ত হয়ে বসেছিল তখন কলেজগুলোয় ছাত্র ফেডারেশনের আধিপত্য ছিল। তার পরিণতিতেই এক সময় কংগ্রেসকে নির্বাচনে গো-হারা হতে হয়েছে। বর্তমানে কংগ্রেসের ওপরতলার নেতাদের চেহারা এবং চরিত্র দেখে জনসাধারণের উৎসাহিত হবার কোন কারণ নেই। তা সত্ত্বেও ছাত্র ইউনিয়নগুলো ছাত্র পরিষদের দখলে চলে যাচ্ছে। এটা থেকেই বোঝা যায় দেশে বামফ্রন্ট বিরোধী চোরাস্রোত বইছে। অতএব এটাই উপযুক্ত সময় মানুষকে সঙ্গী করার।

    একজন মানুষ, একটি গ্রাম। একজন মানুষ যদি একটি গ্রামের মানুষকে স্পষ্টভাবে বোঝাতে পারে কম্যুনিজমের আসল সংজ্ঞা এবং তার প্রয়োগে কি সাফল্য আসে তাহলে সত্তরে যা সম্ভব হয়নি তা আসতে বাধ্য। কাল সারারাত জুলিয়েন এই সংক্রান্ত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা শুনল। প্রথমে তার মনে হয়েছিল, যারা একসময় সশস্ত্র বিপ্লবের কথা ভাবত, বন্দুকের নলকেই শক্তির উৎস বলে জানতো তাদের চিন্তাধারায় কত পরিবর্তন হয়েছে! কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার এই পরিবর্তনটাকে ভাল লেগে গেল। ভোর বেলায় বাড়ি ফেরার সময় অনিমেষ খুব উত্তেজিত হয়ে পড়েছিল। যেন অনেকদিন বেকার হয়ে থাকার পর একটা মনের মত কাজ পেয়ে গেছে সে এরকম বোধ হচ্ছিল। পঙ্গু, পরনির্ভর জীবন থেকে মুক্তির একটা পথ দেখতে পেয়ে সে খুশি হল। জুলিয়েনের সঙ্গে কাজ করলে তার শারীরিক অসুবিধেগুলো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না এটাই বড় কথা। আলোচনায় এমন বুঁদ হয়েছিল অনিমেষ যে কিছুক্ষণ তার মাথায় একটু আগের ঘটনা নিষ্ক্রিয় হয়েছিল। মাধবীলতা চলে যাবে, অর্ক তার জন্মবৃত্তান্ত জেনে গেছে, এই ভয়াবহ সত্য বাড়ি ফেরার পথে তার মাথায় ফিরে এল। ঘোলাটে অন্ধকার মাখা তিস্তার চরের শেষে দাঁড়িয়ে অনিমেষের বুকের ভেতরটা টনটন করে উঠল। কিন্তু যে কষ্টটা প্রথম রাত্রে বুকের মধ্যে আহত হয়ে ছটফট করছিল তার সাড় যেন অনেকটা কমে এসেছিল। অনিমেষ ধীরে ধীরে যখন বাড়ির কাছে পৌঁছাল তখন আকাশের কোণে লালচে ছোপ লেগেছে।

    সারাটা রাত নিঘুমে কেটেছিল মাধবীলতার। প্রায়ই সমস্ত শরীর থরথরিয়ে কাঁপছিল এবং সেই সঙ্গে বমি। মায়ের এই অবস্থা দেখে অর্ক ভীষণ নাভার্স হয়ে পড়েছিল। মাধবীলতা মাথা নেড়েছিল, ‘তুই শুয়ে পড়, আমাকে একটু একা থাকতে দে।’ দুহাতে মুখ ঢেকে মাধবীলতা বসে ছিল।

    রাতটা কখন বরফের মত ধীরে ধীরে গলে গেল ওরা কেউ টের পায়নি। ঘুমুতে পারেনি অর্ক। প্রচণ্ড অস্বস্তি হচ্ছিল তার অথচ কি করা উচিত তাও বুঝে উঠতে পারছিল না। শেষ পর্যন্ত কেমন থিতিয়ে গেল সে। ছোটঘরে শুয়ে শুয়ে জীবনে প্রথমবার আবিষ্কার করল দুচোখে ঘুম আজ স্বাভাবিকভাবে নেমে এল না। চোখের দুটো পাতা যে কখনও কখনও শুকনো হয় এই প্রথম সে টের পেল।

    গেটের বাঁধন খুলে বাগানে পা দেওয়ামাত্র অনিমেষ দেখতে পেল বারান্দার কোণে কেউ দাঁড়িয়ে। তার প্রথমে মনে হয়েছিল মাধবীলতার কথা। এক লহমায় মনের মধ্যে প্রতিরোধশক্তি জন্মাতেই সে ভুলটা বুঝতে পারল। সাদা কাপড়ে মোড়া শরীরটা ধীরে ধীরে বাগানে নেমে এল। টগর গাছের বিরাট ঝোপটার পাশে এসে বলল, ‘অনি, তোমার সঙ্গে কথা আছে।’

    অনিমেষ ছোটমার মুখের দিকে তাকাল। সাদাটে কপাল, গাল এবং টেপা ঠোঁটে এখন ছোটমাকে অন্যরকম দেখাচ্ছে। ছোটমা একবার আড়চোখে বাড়িটার দিকে তাকিয়ে নিয়ে বললেন, ‘তোমাকে আমি যে অনুরোধ করব তা রাখবে?’

    ‘অনুরোধ?’ অনিমেষ কিছুই বুঝতে পারছিল না। এই ভোরে ছোটমা এভাবে অপেক্ষা করবেন, গাছের আড়ালে এসে তাকে অনুরোধ জানাবেন নরম গলায়, কেন?

    ‘হ্যাঁ। তুমি, তুমি ওদের সঙ্গে কলকাতায় ফিরে যাও।’

    ‘ফিরে যাব?’

    ‘হ্যাঁ। আমি চাই তুমি ফিরে যাও।’

    অনিমেষ হতভম্ব হয়ে গেল এবার। আজ বিকেলে যাঁরা তাকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করেছিল, যাঁদের অসহায় অবস্থা দেখে সে থেকে যেতে চেয়েছে তাঁদেরই একজন তাকে চলে যেতে বলছে। এবং তৎক্ষণাৎ মনে হল কাল রাত্রে মাধবীলতার সঙ্গে তার যে কথা হয়েছে সেগুলো নিশ্চয়ই ছোটমার কানে গিয়েছে। না, সেসব কথা মাধবীলতা নিশ্চয়ই ছোটমাকে সাতসকালে বলতে যায়নি, ছোটমাই আড়াল থেকে শুনেছেন! একটু বিরক্তি এল মনে, আড়িপাতা সে কিছুতেই সহ্য করতে পারে না। কিন্তু তারপরেই যে কথাটা ভেবে সে সংযত হল তা ছোটমার দিকে তাকিয়েই। মানুষ কখন এমন উদার হতে পারে?

    ছোটমা স্পষ্ট গলায় বললেন, ‘তোমার চলে যাওয়া উচিত।’

    ‘কেন?’

    ‘কারণ তুমি জানো। কাউকে দুঃখ দিয়ে জীবনে সুখী হওয়া যায় না।’

    ‘কাউকে দুঃখ দিচ্ছি তা জানলে কি করে?’

    ‘ছেলেমানুষী করো না। এই বাড়িতে রাত্রে নিচু গলায় কথা না বললে সব ঘরে শব্দ পৌছায়।’ ছোটমা মুখ নামালেন।

    অনিমেষ মাথা নাড়ল। হ্যাঁ, তাই। এই বাড়ির এটাই ত্রুটি। রাত বাড়লে শব্দ গম গম করে। অনিমেষ জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি সব শুনেছ?’

    ‘হ্যাঁ। আমি সারারাত ঘুমুতে পারিনি। মেয়েটা তোমাকে সত্যিই ভালবাসে। ওকে আর কষ্ট দিও না।’

    ‘কিন্তু আমি তো কোন অন্যায় করিনি। আমি এখানে থাকতে চেয়েছি। এতে তার কোন আপত্তি নেই শুধু আগেভাগে অনুমতি নিইনি বলে—। এত সামান্য কারণে কেউ যদি অপমানিত বোধ করে তাহলে একসঙ্গে থাকা খুব মুশকিল ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে।’

    ‘সামান্য কারণ? অনি, তুমি জীবনে বোধহয় অনেক অভিজ্ঞতা পেয়েছ কিন্তু মেয়েদের মন বোঝনি। যা তোমার কাছে সামান্য মনে হচ্ছে একটি মেয়ে তার জন্যে জীবন দিয়ে দিতে পারে।’

    ‘কিন্তু আমি চলে গেলে তোমাদের কি হবে?’

    ‘কিছু একটা হবে! এতদিন যখন সে কথা ভাবোনি আজ নতুন করে তা নাইবা ভাবলে।’

    ‘তাহলে তুমি আমাকে তাড়িয়ে দিচ্ছ?’

    ছোটমা সহসা মুখ তুললেন। তাঁর শুকনো মুখে কিছু একটা চলকে উঠল। অনিমেষ দেখল, কোত্থেকে একটা চোরা জলের স্রোত চোখের পাতায় টৈটুম্বুর হয়ে উঠল। ছোটমা বললেন, “তুমি কখনও কাউকে ভালবেসেছ অনিমেষ? বাসনি। কিন্তু তোমার কি ভাগ্য, শুধু ভালবাসা পেয়েই গেলে তাই তার দাম বুঝতে পারলে না। পারলে আজ আমাকে এই প্রশ্ন করতে না। আমার দিকে তাকিয়ে দ্যাখো, আমি জীবনে কি পেয়েছি?’

    অনিমেষ ধীরে ধীরে মাথা নাড়ল, ‘আমি জানি।’

    ‘কিছুই জানো না তুমি।’ ছিটকে বেরুলো শব্দগুলো, ‘তোমার বাবার সঙ্গে চিরকাল ভাসুর-ভাদ্রবউ হয়ে রয়ে গেছি, তা তুমি জানো? তুমি চলে যাও, দয়া করে চলে যাও।’ ছোটমা বেরিয়ে আসা কান্নাটাকে গিলতে গিলতে বাগান ডিঙ্গিয়ে ছোট বাড়ির খিড়কি দরজার দিকে দ্রুত পায়ে চলে গেলেন। অনিমেষ অসাড় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তার মাথার প্রতিটি কোষ যেন নিষ্ক্রিয়, দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা। অনেক অনেক বছর আগের একটি দৃশ্য আজ হঠাৎ ছিটকে উঠে এল সামনে। স্বৰ্গছেঁড়ায় পাশ করার পর দেখা করতে গিয়েছে তরুণ অনিমেষ। কলকাতার কলেজে পড়তে যাওয়া স্থির। ছোটমা ছিলেন চা-বাগানের এক বিয়ে-বাড়িতে। তাঁর পাশাপাশি বেরিয়ে এসেছিল সে। বিরাট মাঠ ডিঙ্গিয়ে, স্বর্ণচাঁপার গাছের নিচ দিয়ে যেতে যেতে হঠাৎ ছোটমা তার হাতে একটা সোনার আংটি পরিয়ে দিয়েছিলেন। আংটির ওপর লেখা ছিল, অ। সেদিন সেই প্রাপ্তিতে শিহরিত হয়েছিল সে। ছোটমার মাথায় মাথায় তখন। ছোটমা বলেছিলেন অ শব্দটার মানে না।

    আজ এই কচি কলাপাতা রঙের রোদ যখন সুপুরি গাছের মাথা থেকে নিচে লাফিয়ে পড়ার উপক্রম করছে তখন অনিমেষের মনে হল তার জীবনের সব কিছুই না হয়ে গেল। সেই আংটিটাকে কোথায় ফেলেছে আজ আর মনে নেই। হয়তো আন্দোলনের সময়, কিংবা জেলে, এখন আর স্মৃতিতে নেই কোথায় সেটা হারিয়েছে। কিন্তু একটা বিশাল না তার সামনে ঈশ্বর কুঁদে দিয়েছেন নির্মম হাতে।

    ‘কে ওখানে? অ্যাঁ, কে ওটা?’

    অনিমেষ ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল হেমলতা বাগানে। পায়ে শিশির কিংবা কাঁটা থেকে বাঁচবার জন্যে যে ছেঁড়া কাপড়ের জুতো সেটা বোধহয় সরিৎশেখরের ফেলে যাওয়া। ডান হাতে বাঁকানো লাঠি আর বাঁ হাতে ফুলের সাজি। গন্ধরাজ গাছের সামনে দাঁড়িয়ে এদিকে মুখ করে চোখ পিটপিট করছেন। অনিমেষ বলল, ‘আমি।’

    ‘অ, অনি। কখন উঠেছিস?’ তারপর ফোকলা মুখে একগাল হেসে বললেন, ‘স্কুলে পড়তে দাদু তোকে কাকভোরে বিছানা থেকে ডেকে তুলতো, মনে আছে? তুই যেতেই চাইতিস না। তা এই সাতসকালে উঠে বাগানে কি করছিস?’ কথা বলতে বলতে হেমলতা লাঠি উঁচিয়ে গন্ধরাজের মগডালটাকে নিচে নামিয়ে একটা ফুল ছিড়ে সাজিতে রাখলেন।

    অনিমেষ বলল, ‘ঘুম আসছিল না তাই—।’

    ‘নিশ্চয়ই বায়ু হয়েছে পেটে। আমার তো বাবা জলপাইগুড়িতে এসে একদিনও অম্বল ছাড়া গেল না। এমন বিচ্ছিরি জল স্বৰ্গছেঁড়াতে ছিল না। বাবাকে বলতাম বাড়ি বানাবার আর জায়গা পেলেন না? কাশী বৃন্দাবন না যোক দেওঘরে বাড়ি করলে শরীরটা নষ্ট হতো না। কি হল বাড়ি করে, কদিন পরে দেখবি রাস্তার লোক দখল করে নেবে এসব।’ হেমলতা মুখ বিকৃত করলেন, ‘সকালে উঠে আর পারি না। হাঁটু কনকন করে আর চোঁয়া ঢেঁকুর ওঠে। চোখেও দেখি না ভাল করে, এই যে তুই দাঁড়িয়েছিলি আমি চিনতেই পারিনি। তুই তো অনেক ঘুরেছিস, সব জায়গায় মেয়েরা দেরিতে মরে রে?’

    অনিমেষ হাসল। সকাল বেলায় এই প্রথম তার একটু হালকা লাগল। তারপর ক্রাচে ভর দিয়ে সে হেমলতার কাছে এগিয়ে এল। হেমলতা বললেন, ‘দেখিস, ছুঁয়ে ফেলিস না আবার।’

    অনিমেষ বলল, ‘দিনরাত মরার কথা বল অথচ এই বাতিকগুলো গেল না।’

    হেমলতা বললেন, ‘তুই এসব বুঝবি কি! নাস্তিক কোথাকার। যারা মানুষ খুন করে তাদের কোন বোধ থাকে না।’

    বোধ শব্দটি হেমলতার মুখে অদ্ভুত শোনাল অনিমেষ জিজ্ঞাসা করল, ‘আমি মানুষ খুন করেছি তা কে বলল?’

    ‘শুনেছি, সব শুনেছি। তবে তোর বউটা খুব ভাল। বড় ভাল মেয়ে। এই সাতসকালে উনুন ধরিয়ে চা করতে বসে গেছে। তা হ্যাঁরে, মেয়েটার কলকাতায় একা থাকতে অসুবিধে হবে না তো?’

    অনিমেষের কপালে ভাঁজ পড়ল। কাল রাত্রের ওই কথাবার্তার পর মাধবীলতা আজ সকালে উনুন ধরিয়ে চা করছে? তাহলে কি গতরাত্রের ঘটনা শুধু উত্তেজনার ফসল? আজ সকালে সেটা কমে যেতেই—, অনিমেষ আরও হালকা হল। শুধু অর্কর কাছে সব পরিষ্কার হয়ে গেল এই যা। ভালই হল, যা সত্যি তা ছেলেটার জানা উচিত।

    ‘কি রে হাঁ করে আকাশের দিকে চেয়ে আছিস কেন?’

    হেমলতার গলা শুনে অনিমেষের সংবিৎ ফিরল, ‘অসুবিধে হবে কিনা তা ওকে জিজ্ঞাসা করলে হতো না?’

    ‘জিজ্ঞাসা করেছিলাম। বলল, মোটেই হবে না। ছেলে বড় হয়েছে এখন আর কোন চিন্তা নেই। কিন্তু তুই ওর জন্যে একটা চাকরির খোঁজ কর এখানে।’

    ‘কখন জিজ্ঞাসা করেছিলে?’

    ‘এই তো একটু আগে।’

    অনিমেষ গম্ভীর হয়ে গেল। মাধবীলতা যেন ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে বিদ্ধ করতে চাইছে। এই সময় হেমলতা প্রফুল্ল মনে বললেন, ‘তুই এ বাড়িতে থাকবি জানলে পরিতোষ মাথার চুল ছিঁড়বে। ভেবেছিল তোরা চলে গেলেই এসে হাজির হবে। খবরদার ওর কাঁদুনিতে কান দিবি না।’

    অনিমেষ অন্যমনস্কভাবে মাথা নাড়ল, ‘আচ্ছা পিসীমা, আমি যদি এখানে না থাকি তাহলে তোমার খুব অসুবিধে হবে?’

    হেমলতা যেন চমকে উঠলেন, ‘ওমা, একি কথা! তুই যে বললি থাকবি!’

    অনিমেষ দেখল হেমলতার মুখ পলকেই শুকিয়ে আমসি হয়ে গিয়েছে। কি অসহায় দেখাচ্ছে ওঁকে। সে হাসবার চেষ্টা করল, ‘বলেছিলাম, কিন্তু এখন মনে হচ্ছে আমি এখানে থাকি তা অনেকে চায় না।’

    হেমলতা যেন ঘোরের মধ্যে অনিমেষের পাশে এসে দাঁড়ালেন। ছোঁওয়াছুঁয়ির বিচার ভুল হয়ে গেল তাঁর। অনিমেষের কনুই-এ হাত রেখে অসহায় গলায় বললেন, ‘অন্য লোক যাই বলুক তুই আমার জন্যে থাক অনিবাবা। আমি তো কখনও তোর কাছ থেকে কিছু চাইনি। বেশীদিন বাঁচবো না রে, প্রায়ই মনে হয় এই শরীরটা থেকে আমি বেরিয়ে যাচ্ছি, দেরি নেই আর। ততদিন তুই কাছে থাক।’

    অনিমেষ হেমলতার শীর্ণ মুখের কুঁচকে যাওয়া চামড়ায় জলের ফোঁটা গড়িয়ে যেতে দেখল। অনিবাবা শব্দটা যেন হঠাৎ তার দুটো পাকে দীর্ঘতর করে মাটির অনেক গভীরে প্রোথিত করে গেল। হেমলতার ব্যাকুল দৃষ্টির সামনে সে মাথা নাড়ল, থাকব।

    হেমলতার যেন বিশ্বাস হল না, ‘ঠিক বলছিস? একবার ভাল মুখে বল।’

    অনিমেষ হেসে ফেলল, ‘বললাম তো থাকব।’

    ‘চা।’

    বারান্দায় কখন মাধবীলতা এসে দাঁড়িয়েছে খেয়াল করেনি ওরা। অনিমেষ দেখল মাধবীলতার হাতের কাপ থেকে ধোঁওয়া উড়ছে। হেমলতা ততক্ষণে আবার সহজ হয়ে গিয়েছেন। বললেন, ‘ওমা, ওখান থেকে হাত বাড়িয়ে দিচ্ছ কেন? ওকে না হাঁটিয়ে এখানে এসে দিয়ে যাও না। বাগানে দাঁড়িয়ে খাক।’

    মাধবীলতা সিঁড়ি ভেঙ্গে অনিমেষের হাতে যখন কাপ ধরিয়ে দিল তখন হেমলতা বললেন, ‘তোমার বেশীদিন কলকাতায় থাকা চলবে না। এখানে যদি চাকরি হয় তাহলে চটপট চলে আসবে। বুঝলে?’

    মাধবীলতা কোন উত্তর না দিয়ে ফিরে গিয়ে সিঁড়িতে উঠে দাঁড়াল। ওর মুখের দিকে তাকিয়ে অনিমেষের মনে হচ্ছিল এই মেয়েকে সে চেনে না। ওর বুকের ভেতর একটা বল যেন আচমকা ড্রপ খেতে খেতে গড়িয়ে যাচ্ছিল। চায়ের কাপে চুমুক দেওয়ার কথা খেয়ালে নেই, অনিমেষ প্রচণ্ড চেষ্টায় নিজেকে সামলাচ্ছিল। মাধবীলতা যেন একটু ইতস্তত করল তারপর নিচু গলায় হেমলতাকে বলল, ‘পিসীমা, আজকে আমরা চলে যাব।’

    হেমলতা আঁতকে উঠলেন, ‘ওমা, আজকেই?’

    ‘হ্যাঁ। দিনের ট্রেন তো রোজ রোজ ছাড়ে না। তাছাড়া রাত্রের ট্রেনে রিজার্ভেশন না থাকলে ওঠা মুশকিল। আমার ছুটি আর একদম নেই।’ মাধবীলতার কণ্ঠস্বর খুবই বিনীত এবং অসহায় শোনাচ্ছিল।

    ‘দিনের ট্রেন কটায়। তোমাদের তো শিলিগুড়িতে যেতে হবে।’ হেমলতা অনিমেষের দিকে তাকালেন, ‘হ্যাঁ রে, এত তাড়াতাড়ি চলে যাবে?’

    অনিমেষ কিছু বলল না। তার কথা বলতে ভয় করছিল। হঠাৎ যেন বুকের ভেতরটা কালবৈশাখীতে ছেয়ে গেছে। সে মুখ ফিরিয়ে নিল।

    মাধবীলতা বলল, ‘আমি খোকাকে পাঠাচ্ছি স্টেশনে। যদি এখান থেকে টিকিট পাওয়া যায় তো ভাল নইলে কখন ট্রেন ছাড়বে জেনে আসবে।’ কথাগুলো কার উদ্দেশ্যে বলা বোঝা গেল না। কিন্তু আর দাঁড়াল না মাধবীলতা, ধীরে ধীরে বারান্দা পেরিয়ে ভেতরে চলে গেল।

    হেমলতা ফুল তুলতে লাগলেন নিজের মনে। অনিমেষ সিঁড়ি ভেঙ্গে ভেঙ্গে বারান্দায় উঠে এসে চেয়ারে শরীর এলিয়ে দিল। মুখ হাত ধোওয়া হয়নি, কাল সারারাত না ঘুমিয়ে এখন ঝিম ঝিম করছে সমস্ত শরীর। অথচ চোখের পাতায় ঘুমের চিহ্নমাত্র নেই। এখন রোদ নেমে এসেছে ঘাসে। শিশির দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে। এই ভোরবেলায় একটা কাক গেটের ওপর বসে প্রাণপণে চিৎকার করে যাচ্ছে। অনিমেষের ইচ্ছে করছিল এক দৌড়ে মাধবীলতার কাছে যায়, তাকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে বলে, যেতে দেব না তোমাকে। এই মুহূর্তে অনেক যুক্তি তর্ক ছাড়িয়ে শুধু এটুকুই মনে হচ্ছে মাধবীলতাকে যেতে দেওয়া উচিত হবে না।

    ঠিক তখনই ভেতর থেকে অর্ক বেরিয়ে এল। বাইরে যাওয়ার পোশাক পরনে। চুপচাপ নেমে গেল বারান্দা দিয়ে। তারপর গেট খুলে এমুখো হল বন্ধ করতে। অনিমেষ দেখল ছেলের ঠোঁট শক্ত। উড়ে যাওয়া কাকটার দিকেও নজর করল না। অর্ক যে তার সঙ্গে কথা বলছে না লক্ষ্য করে অনিমেষ অসহায়ের মত জিজ্ঞাসা করল, ‘কোথায় যাচ্ছিস?’

    অর্ক যেন এরকম প্রশ্নের জন্যে তৈরি ছিল। চোখ না তুলে জবাব দিল, ‘স্টেশনে।’

    তারপর তার শরীরটা আড়ালে চলে গেল। অনিমেষ পাথরের মত বসেছিল। ভীষণ নির্জীব মনে হচ্ছিল নিজেকে। দুহাতে মুখ ঢাকল সে। এবং সেই অবস্থায় নিজের শরীরের সমস্ত কম্পনকে সে সংযত করতে চাইল। কেউ যদি চলে যেতে চায় তাহলে সে কেন খামোকা বাধা দেবে? যা সহজ যা স্বাভাবিক তাই মেনে নেওয়া ভাল। শোক আঁকড়ে যারা বসে থাকে তাদের মানুষ বলে না।

    দুটো ক্রাচ বগলে নিয়ে সে উঠে দাঁড়াল। তারপর বড় ঘর পেরিয়ে সে শোওয়ার ঘরে এল। মাধবীলতা নেই। তোয়ালে এবং ব্রাশ নিয়ে সে বাথরুমে চলে এল। মহীতোষ মারা যাওয়ার পর এদিকের বাথরুমটা তারা ব্যবহার করছে। ফলে আর ওঠানামা কিংবা ভেতরের বাগান পার হওয়া করতে হচ্ছে না তাকে। মুখে হাতে জল দিতে শরীরটায় স্বস্তি এল। এখন আর এক কাপ চা পেলে ভাল হত। কিন্তু কে দেবে?

    নিজের ঘরে ফিরে এসে অনিমেষ খাটে বসল। তারপর লক্ষ্য করল জিনিসপত্র এর মধ্যেই গোছানো হয়ে গেছে। সেদিকে তাকিয়ে ক্রমশ নিজেকে উদাস করে ফেলছিল সে। আর তার পরেই মাধবীলতা ঘরে এল। এসে জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি কি আর এক কাপ চা খাবে?’

    হ্যাঁ বলতে গিয়ে অনিমেষ মাথা নাড়ল, ‘দরকার নেই।’

    ‘আমরা যে সুটকেসটা এনেছি, ওটাই নিয়ে যেতে হচ্ছে।’

    ‘ঠিক আছে। আমার তো লাগছে না এখন।’ অনিমেষ খুব নিস্পৃহ ভঙ্গীতে বলল।

    মাধবীলতা জিনিসপত্র ঠিকঠাক করতে করতে নিচু গলায় বলল, ‘আমাদের যা লাগবে সেটুকু নিয়ে বাকিটা ওই টেবিলে রেখে গেলাম।’

    অনিমেষ বুঝতে পারেনি প্রথমটা, জিজ্ঞাসা করল, ‘কি?’

    ‘যে টাকাটা এনেছিলাম তার কিছুটা এখনও রয়ে গেছে।’

    ‘ও।’ অনিমেষ হাসল, ‘ওটা তুমি নিয়ে যাও। আমার দরকার হবে না।’

    মাধবীলতা একটু স্থির হল, তারপর বলল, ‘ঠিক আছে।’

    অনিমেষ বলল, ‘জানি না কখন ট্রেন তবে মনে হচ্ছে কে যেন বলেছিল দুপুরের দিকে ছাড়ে, রাত্রেই হাওড়া পৌঁছে যায়। সাবধানে যেও।’

    মাধবীলতা কোন জবাব দিল না। অনিমেষের ব্যবহৃত ভোয়ালেটা নিয়ে বেরিয়ে গেল ঘর ছেড়ে। অনিমেষ শুয়ে পড়ল এবার। এতক্ষণ তারা এই ঘরে কিছু অর্থহীন কথা বলেছে এটা স্পষ্ট। অথচ এই কথাগুলো না বললে আবহাওয়াটা আরও ভারী হয়ে যেত। চোখ বন্ধ করল অনিমেষ। না, সে কিছুতেই হারবে না। মাধবীলতা যদি সত্যি সত্যি ওই মানসিকতায় পৌঁছে যায় তাহলে সে নিশ্চয়ই অভিনয় করতে পারবে। অনিমেষের শরীরে একটা কনকনে স্রোত উঠে আসছিল। সে সেটাকে চাপা দেবার জন্যেই বোধহয়, উপুড় হয়ে শুল।

    সরিৎশেখরের সেই সাধের বাড়ির চারপাশে যে ফুল আর ফলের গাছ তার ডালে বসে তখন নানানরকম পাখি নিজেদের সুরে ডেকে যাচ্ছে। মৃদু হাওয়ায় দোল খাচ্ছে গাছের ডালগুলো।

    ট্রেনটা ছাড়বে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে সকাল সাড়ে দশটায়। টিকিট পাওয়া যাবে সেখান থেকেই। জলপাইগুড়ি থেকে সাড়ে আটটার ট্রেন না ধরলে মুশকিলে পড়তে হবে। কারণ সব বাস নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে যায় না।

    অর্ক এসে এই সব খবর দিল যখন তখন আর হাতে বেশী সময় নেই।

    মাধবীলতার স্নান হয়ে গিয়েছিল। হেমলতা এবং ছোটমা বড় ঘরে এসে দাঁড়িয়েছেন। ছোটমাকে এখন অত্যন্ত নির্লিপ্ত দেখাচ্ছে। কথা বলছেন হেমলতা। অনর্গল বক বক করে যাচ্ছেন। সাবধানে থাকতে হবে, ছেলে যাতে মন দিয়ে পড়াশুনা করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। ছুটিছাটা হলেই যেন চলে আসে আর প্রত্যেক সপ্তাহে মনে করে চিঠি যেন দেয় মাধবীলতা।

    অর্ক রিকশা ডাকতে গিয়েছে। ওরা তিনজন বারান্দায় দাঁড়িয়ে। একটু পেছনে অনিমেষ, মাধবীলতার পেছনে। এত চেনা এত জানা অথচ আজ কিছু করার নেই। হেমলতা আফসোস করছিলেন, একটু আগে জানলে ওদের ট্রেনে খাওয়ার ব্যবস্থা বাড়ি থেকেই করে দিতে পারতেন। মাধবীলতা কোন কথা বলছিল না। হঠাৎ ছোটমা মাধবীলতাকে ডাকল, ‘শোন, তোমার সঙ্গে কথা আছে।’

    মাধবীলতা অবাক চোখে তাকাল। তারপর ছোটমাকে অনুসরণ করে ভেতরের ঘরে গিয়ে বলল, ‘বলুন।’

    ছোটমা ওর চোখে চোখ রেখে বললেন, ‘আমি অনিমেষকে চলে যেতে বলেছিলাম।’

    মাধবীলতা বুঝতে পারছিল না ছোটমা কি বলতে চাইছেন! সে নিচু গলায় বলল, ‘ও এখানে থাকলে আপনাদের সুবিধে হবে।’

    ছোটমা এবার মাধবীলতার হাত ধরলেন, ‘তুমি ওর সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করো না মানুষমাত্রেই ভুল বোঝাবুঝি হয়। তাছাড়া অনিমেষ চিরকালই এইরকম, কেমন শেকড়ছাড়া। তুমি ভুল বুঝো না।’

    মাধবীলতা কোন কথা বলল না।

    ছোটমা আবার বললেন, ‘তুমি ওর জন্যে এত করেছ, আর একটু করতে পারবে না?’

    এই সময় হেমলতা বাইরে থেকে চেঁচিয়ে উঠলেন, ‘রিকশা এসে গিয়েছে।’

    মাধবীলতা চট করে ছোটমাকে প্রণাম করে বাইরে চলে এল। তারপর নিচু হয়ে হেমলতাকে প্রণাম করতেই তিনি ওকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেললেন, ‘বাড়ির বউ হয়ে তুমি মা দূরে দূরে রইলে!’

    অর্ক জিনিসপত্র রিকশায় তুলে বলল, ‘আর সময় নেই মা।’

    অনিমেষ যে কখন বাগানে নেমে এসেছে সে নিজেই জানে না। অবাক গলায় জিজ্ঞাসা করল, ‘তুই একটা রিকশা ডেকে এনেছিস?’

    অর্ক মাথা নাড়ল, ‘হ্যাঁ।’

    মাধবীলতা অন্যরকম স্বরে বলল, ‘সবাইকে প্রণাম কর খোকা।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালবেলা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }