Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪৪. খাটে চিৎ হয়ে শুয়ে অর্ক

     চুয়াল্লিশ

    খাটে চিৎ হয়ে শুয়ে অর্ক ছাদের দিকে তাকিয়েছিল। টালিগুলোর মাঝখানে এক ফুটি কাঁচ যার ভেতর দিয়ে ঘরে আলো আসছে। কাঁচটা খোলা, বাইরের কিছুই দেখা যায় না কিন্তু আলো আসে। জন্মাবধি এই ঘরে বাস করে সে অনেকবার ওপরের দিকে তাকিয়েছে কিন্তু কাঁচটাকে নতুনভাবে চোখে পড়ল আজ। এই বস্তি যারা বানিয়েছিল তারাও চেয়েছিল এখানে একটু আলো আসুক।

    জলপাইগুড়ি থেকে আসার পর কলকাতাকে তার খুব খারাপ লাগছে। এত চিৎকার, শব্দ আর চারপাশের চেহারা বিকট মনে হচ্ছে। ওখানে তো কিছুই করার ছিল না কিন্তু চোখ বন্ধ করলেই সেই ঘুঘুর ডাক, গাছপালা আর চুপচাপ বাড়িটাকে অনুভব করতে পারে সে। সঙ্গে সঙ্গে মন খারাপ হয়ে যায়, কিছুই ভাল লাগে না।

    অথচ তিন নম্বর ঈশ্বরপুকুর লেন একই রকম রয়েছে। সেই চিৎকার, চেঁচামেচি, হল্লা, খিস্তির ফোয়ারার একটুও কমতি নেই। এসে অবধি নেহাত প্রয়োজন ছাড়া ঘর ছেড়ে বের হয় না অর্ক। মোটামুটি স্থির হয়েছে সে এক্সটার্নাল হিসেবে পরীক্ষা দেবে। পড়ার বইগুলোকে তার এখন খুব একটা খারাপ লাগছে না। যে বিষয়গুলো এতদিন অবোধ্য মনে হত সেগুলো ফিরে আসার পর বেশ সরল সরল বলে মনে হচ্ছে। ফিরে আসার পর মাকে একদম অচেনা মনে হচ্ছে তার। সারাদিন গুম হয়ে থাকে, কথা বললে তবে উত্তর পাওয়া যায়। হঠাৎ যেন অত্যন্ত অন্যমনস্ক হয়ে গেছে মা। চেহারাটা দিনকে দিন ভেঙ্গে পড়ছে। চোখ গর্তে বসেছে! মাঝ রাত্রে মা বিছানায় শুয়ে ফুঁপিয়ে ওঠে। অর্ক ঘুম ভেঙ্গে কাঠ হয়ে শুনেছে সেই কান্না। অনেকবার মনে হয়েছে উঠে গিয়ে মাকে জড়িয়ে ধরে। কিন্তু তখনি বুঝতে পারে সেটা অনুচিত কাজ হবে। মা জানে সে ঘুমিয়ে আছে। এই কান্নাটা বাবার জন্যে কিংবা মায়ের নিজের জন্যেও হতে পারে। সে যে জেনেছে তা জানালে মায়ের লজ্জা বাড়বে ছাড়া কমবে না। অতএব চুপচাপ প্রতিরাত্রে অর্ককে সেটা সহ্য করে যেতে হচ্ছে।

    অর্ক বোঝে বাবা মাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। অথচ চলে আসার আগের রাত্রে মা স্পষ্ট জানিয়ে এসেছিল যে তাদের মধ্যে আর কোন সম্পর্ক নেই। সেই সময় মায়ের গলা ছিল তীব্র, কথা বলার ভঙ্গীতে ছিল জেদ। আর এখন যে মা রাত্রে একা একা কাঁদে সেই মা অত্যন্ত অসহায়, ভেঙ্গে খান খান হয়ে যাওয়া মানুষ। অথচ সকালে উঠেই যেন একটা পাথরের মূর্তি স্কুলে চলে যায়। দুপুরে বাড়ি ফিরে আসে মড়ার মত। এ সবের কারণ বাবা। অর্ক অনেকবার ভেবেছে আর বাবা বলবে না। কিন্তু অভ্যেস এমন যে না চাইলেও বাবা শব্দ মনে চলে আসছে। এতগুলো বছর যে মানুষটা এই ঘরে ছিল, ফিরে আসার পর সে আর নেই, নিশ্চয়ই খুব ফাঁকা ফাঁকা মনে হয়। কিন্তু অর্ক নিজে আর কোন টান বোধ করে না। মানুষটা না থাকায় সে কোন অভাব অনুভব করছে না। কিন্তু মা করছে। এই রহস্য অর্ক বুঝতে পারে না। যার সঙ্গে মা নিজে উদ্যোগী হয়ে সম্পর্ক ছিন্ন করে এল তার জন্যেই কেঁদে মরবে কেন?

    হঠাৎ কথাটা মনে পড়ে যাওয়ায় অর্ক লাফিয়ে উঠল। বিকেলে পড়াতে যাওয়ার আগে মা বলে গিয়েছিল, ‘পরমহংসকাকুকে যদি পারিস একটা খবর দিস।’ প্রায় ফুরিয়ে আসছে বিকেল। পরমহংসকাকুর কথা মনে হতেই আর একটা মুখ মনে এল। কতদিন দেখা হয়নি। কে জানে, ঊর্মিমালার মনে হয় কি না! কিন্তু এখন এই বিকেলে ওই মুখ মনে পড়া মাত্র অর্কর অন্য রকম অনুভূতি হল। ঊর্মিমালার সঙ্গে জলপাইগুড়ির শান্ত নির্জন বাড়িটার অদ্ভুত মিল আছে।

    আজকাল দরজায় দুটো তালা দেওয়া হয়। দুটো তালা পরস্পরকে আঁকড়ে থাকে, দুটো চাবি দুজনের কাছে। অর্ক সেজেগুজে গলিতে পা দিল। ন্যাড়াদের ঘরের সামনে এসে সে অবাক হয়ে অনুপমাকে দেখল। নতুন বউ-এর মত সেজে দরজায় দাঁড়িয়ে আছে অনুপমা। ওকে দেখে ফিক করে হাসল, ‘তোরা দেশে গিয়েছিলি না?’

    অর্ক মাথা নাড়ল। অনুপমা বলল, ‘এসে অবধি দেখছি ঘরে বসে আছিস। তোর বাবা আসেনি?’

    অর্ক মাথা নাড়ল আবার! অনুপমাকে একদম অন্যরকম লাগছে। খলবল করে কথা বলছে, একটুও আড়ষ্টতা নেই। বেশ মোটা হয়েছে, চামড়ায় চাকচিক্য এসেছে। অনুপমা বুকের শাড়ি টানল, ‘আমি দুদিনের জন্যে এসেছি। হাজার হোক বাবা ভাই বোন, কিন্তু ও ছাড়তেই চায় না।’ চোখমুখ ঘুরিয়ে কথাগুলো বলতেই অর্ক পা বাড়াল। অনুপমার এত সাজগোজ ওই ঘরে যে মানাচ্ছে না এটা বোধ হয় ও জানে না। অর্কর মনে হল অনুপমা মেয়েটা ভাল নইলে এই অভাবের ঘরে আবার ফিরে আসবে কেন?

    গলির মুখে এসে দাঁড়াল সে। এক কোনায় মালের বস্তার মত পড়ে আছে মোক্ষবুড়ি। যেদিন তারা জলপাইগুড়ি থেকে এল সেদিনও চোখে পড়েছিল। মোক্ষবুড়ি আজকাল মুখ তুলে দ্যাখে না। দুই হাঁটুর ওপর চিবুক রেখে দিনরাত চোখ বন্ধ করে থাকে। কে এল কে গেল জানার যেন দরকার নেই আর। কারও প্রতি টান নেই, কোন দায় নেই, সংজ্ঞাটা মনে পড়তেই অর্ক কেঁপে উঠল। বেজন্মা! মোক্ষবুড়ি রেগে গেলেই বীভৎস স্বরে ওই শব্দটা উচ্চারণ করত। এখন মোক্ষবুড়ির কি সেই অবস্থা? সঙ্গে সঙ্গে সে মাথা নাড়ল। মোক্ষবুড়ি এখন সন্ন্যাসীদের মত, একমাত্র ঈশ্বরের কাছে দায়বদ্ধ। মুখ ফিরিয়ে সে আবার মোক্ষবুড়িকে দেখল। কোনরকম সুখ দুঃখের বাইরে, কিছুই যেন আর স্পর্শ করে না।

    ঈশ্বরপুকুর লেন জমজমাট। নিমুর চায়ের দোকানের সামনে বেশ ভিড়। তারস্বরে রেডিও বাজছে। শিবমন্দিরের রকের দিকে তাকাতেই অর্ক বিলুকে দেখতে পেল। একা একা উবু হয়ে বসে সিগারেট খাচ্ছে। ওকে দেখেই সে লাফিয়ে উঠল, ‘আরে তুমি? আও আও।’

    অর্ক মাথা নাড়ল, ‘এখন না, একটু কাজ আছে।’

    ‘আরে ইয়ার, কাজ তো জিন্দেগীভর থাকবে। দুমিনিট বসে যাও। কতদিন পরে তোমাকে দেখলাম। তুমি যে ফিরে এসেছ তা আমি জানিই না।’

    অনুরোধ এড়াতে পারল না অর্ক। ইতস্তত ভাবটা কাটিয়ে রকে বসল। পকেটে দুটো আঙ্গুল ঢুকিয়ে সন্তর্পণে একটা সিগারেট বের করে বিলু সামনে ধরল, ‘নাও গুরু।’

    অর্ক মাথা নাড়ল, ‘না। ভাল লাগছে না।’

    ‘কি ব্যাপার? মনে হচ্ছে খুব পাল্টে গিয়েছ। দেশে কোন নটঘট করে এসেছ নাকি? এইস্যা দেওয়ানা বন গিয়া?’

    অর্ক হেসে ফেলল। বিলু বেশ হিন্দী ডায়লগ দিচ্ছে। সে জিজ্ঞাসা করল, ‘পাড়ার খবর কি? সব ঠিকঠাক আছে?’

    হাত নাড়ল বিলু, ‘পাড়ার খবর আমাকে জিজ্ঞাসা করো না। এসব ধান্দায় আমি নেই। আমি তো পাড়ায় থাকা ছেড়ে দিয়েছি বলতে গেলে। এর জন্যে কিছুটা দায়ী তুমি!’

    ‘আমি?’

    ‘হ্যাঁ। খুরকি কিলা মারা যাওয়ার পর কত করে বললাম তোমাকে এক নম্বর হয়ে যেতে তখন শুনলে না। শালা সেদিনের ফড়িং আজকে বাজ হয়ে হোক্কড় মারছে। কি রোয়াব! খুরকি কিলা থাকতে যে শালাকে খুঁজে পাওয়া যেত না সেই শালা আজ পাড়ার টপ রংবাজ।’ মুখ বিকৃত করল বিলু।

    ‘কে? কার কথা বলছিস?’

    ‘ওই যে! নিমুর চায়ের দোকান থেকে নামছে।’

    অর্ক দেখল কোয়াকে। কোয়া তাহলে ঈশ্বরপুকুর কন্ট্রোল করছে। এই কদিনে কোয়ার জামাকাপড় পাল্টে গিয়েছে। সাফারি স্যুট পরেছে কোয়া, পায়ে নর্থস্টার। হাঁটার ভঙ্গীটাও অন্য রকম। দুজন চামচে রয়েছে পেছনে। রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে সিগারেট ধরাচ্ছিল কোয়া এমন সময় একটা ট্যাক্সি ওদের পেছনে এসে হর্ন দিল। কোয়ার একটা চামচে হাত বাড়িয়ে ইশারা করল পাশ কাটিয়ে যেতে। ড্রাইভারটা কোন প্রতিবাদ করল না, গাড়ি সামান্য পিছিয়ে নিয়ে ফুটপাথের ধার ঘেঁষে বেরিয়ে গেল। কোয়ারা মাঝ রাস্তা থেকে এক চুলও নড়ল না। বিলু বলল, “দেখলে গুরু কাণ্ডটা। এইসব করছে আর পাবলিকের কাছে ইমেজ বেড়ে যাচ্ছে। কেউ ওর মুখের ওপর কথা বলতে সাহস পায় না আজকাল। এই জন্যেই পাড়ায় আসি না।’

    এই সময় কোয়া শিবমন্দিরের দিকে তাকাল। সঙ্গে তার সিগারেটটা ঠোঁটের বাঁ কোণ থেকে ডান কোণে চলে এল। তারপর হেলতে দুলতে এগিয়ে এল সামনে, ‘আরে বিলু, কেমন আছিস?’

    ‘চলছে।’ বিলু গম্ভীর মুখে জবাব দিল।

    ‘আরে এ অক্ক না? ছিপারুস্তম! শুনলাম তোরা কোঠা বাড়িতে উঠে যাচ্ছিস! সেই আবার বস্তিতেই ফিরে আসতে হল?’ হ্যা হ্যা করে হাসল কোয়া।

    অর্কর মেজাজ গরম হয়ে যাচ্ছিল। সে নিজেকে সংযত করতে চেষ্টা করল। এর সঙ্গে ঝামেলা বাধিয়ে কি লাভ। কোয়া মুখের সামনে হাত নাড়ল, ‘কিরে, বোবা হয়ে গেলি নাকি?’

    অর্ক কোয়ার দিকে তাকাল, ‘কোয়া, ভদ্রলোকের মত কথা বল।’

    ‘ভদ্দরলোক? শালা, কোই হারামি বলতে পারে কে ভদ্রলোক? ভদ্রলোক শেখাতে এসেছে আমাকে? আর একবার বল তোর বাপের বিয়ে দেখিয়ে দেব।’ উত্তেজনায় কোয়া জামার আস্তিন গোটাতে চাইল কিন্তু মোটা কাপড়ের সুটে ভাঁজ পড়ল না।

    অর্ক কোয়ার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়েছিল। সেই চোখের দিকে কয়েক মুহূর্ত তাকিয়ে কোয়া বলল, ‘তুই আমাকে একদিন পৌঁছিয়েছিলি মনে আছে। আমি সেকথা জিন্দেগীতে ভুলব না। শোন, এ পাড়ায় থাকতে হলে তোকে আমার আণ্ডারে থাকতে হবে। নইলে কোন বাবা তোকে বাঁচাতে পারবে না। এই সব চামচিকে নিয়ে দল গড়লে কোন লাভ হবে না বলে দিলাম।’ হাত বাড়িয়ে বিলুকে দেখিয়ে দিল কোয়া।

    অর্ক উঠে দাঁড়াল। ‘তুই আমাকে চিনিস কোয়া। আমি নিজে থেকে কোন ঝামেলায় যেতে চাই না। তুই যদি নিজের ভাল চাস তাহলে আমাকে ঘাঁটাবি না। আর আবার বলছি, যদি আমার সঙ্গে ভবিষ্যতে কথা বলতে চাস তাহলে ভদ্রভাবে কথা বলবি।’

    কোয়া কি বুঝল সে-ই জানে। অর্কর দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়ল দুবার। তারপর চামচের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘লেখা হয়ে গেল। এ শালা ভোগে যাচ্ছে।’ তারপর আবার দলবল নিয়ে ফিরে গেল নিমুর চায়ের দোকানে। ও চলে যাওয়া মাত্র বিলু বলল, ‘শালা এখন থেকেই মাল খাবে। আজকাল নিমুর দোকানে বসেই বাংলু টানে কোয়া।’

    ‘যাঃ, নিমুর চায়ের দোকানে মদ বিক্রি হয়?’

    ‘হয় না খায়। আটটায় দোকান বন্ধ হয়ে গেলে একদিন গিয়ে দেখো।’

    অর্ক অন্যমনস্ক গলায় বলল, ‘আশ্চর্য! কেউ কোন প্রতিবাদ করে না।’

    ‘প্রতিবাদ? কোন শালার ঘাড়ে কটা মাথা আছে! তবে তুমি গুরু ওকে অল্পে ছেড়ে দিলে। যদি টাইট দিতে চাও তাহলে আমি তোমার সঙ্গে আছি।’

    অর্ক কিছু না বলে রক থেকে নেমে দাঁড়াল, ‘চলি রে, কাজ আছে।’ বিলুকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে সে সোজা হাঁটতে লাগল। এর মধ্যেই সন্ধ্যে নেমেছে। রাস্তায় আলো জ্বলছে। অর্ক ট্রামে চেপে সোজা শোভাবাজারে চলে এল। স্টপেজে পা দিয়েই ওর খেয়াল হল সেই ছেলেগুলোর কথা। আশ্চর্য; আজকে আর বিন্দুমাত্র ভয় করছে না। হয়তো পরমহংস আলাপ করিয়ে দেবার জন্যেই কিংবা এতদিন পার হয়ে যাওয়ার জন্যে সেই বোধটা আর ধারালো নেই। পরমহংসের ঠিকানা খুঁজে পেতে সময় লাগল না। বাড়িটা যে একান্নবর্তী এবং পুরোনো তা সামনে দাঁড়ালেই বোঝা যায়। প্রচুর লোক গুলতানি করছে। একজন প্রৌঢ়কে অর্ক জিজ্ঞাসা করল, ‘আচ্ছা, এখানে পরমহংসবাবু থাকেন?’

    ‘হ্যাঁ। এখন নেই। অফিসে গিয়েছে।’ চটপট জবাব দিয়ে লোকটা সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলতে লাগল, ‘যাই বল না কেন ডন ইজ ডন। তোমাদের গাওস্করের সঙ্গে মূখ ছাড়া কেউ তাঁর তুলনা করবেন না। সে খেলা এই ছোকরা পাবে কোথায়!’

    সঙ্গীটি বলল, ‘আপনি ডনের খেলা দেখেছেন?’

    ‘নিশ্চয়ই। না দেখলে আর ক্রিকেট ছেড়ে দিই?’

    ‘তার মানে?’

    ‘এটাও বুঝলে না! নস্যি দাও। হ্যাঁ, তোমাকে যদি কেউ রাবড়ি খাওয়ায় তারপর আর বাতাসা খেতে চাইবে? এ-ও অনেকটা ওই রকম। ডনের খেলা দেখার পর অন্যের খেলা দেখতে গেলে ওই রকম মনে হবে। আর বল করতো লারউড। এইসব মার্শাল ফার্শাল তো তার কাছে শিশু। তাও তো কত কায়দা হয়েছে। মাথায় হেলমেট পরো, হাতে বুকে ব্যাণ্ডেজ বাঁধো, মুখ আড়াল করে খোকাবাবু ব্যাট ধরলেন। ডনের সময় খালি একটা ব্যাট নিয়ে দেড়শ মাইল স্পীডের বল ফেস করতে হতো। গাওস্কর পারবে? ক্যালেণ্ডার হয়ে যেত অ্যাদ্দিনে।’ দু’আঙ্গুলের নস্যিটাকে সশব্দে নাকে চালান করে দিলেন ভদ্রলোক। অর্ক দাঁড়িয়েছিল। ভদ্রলোক যে গতিতে কথা বলে যাচ্ছিলেন তাতে সে সুযোগ পাচ্ছিল না কিছু বলার। নস্যি নেওয়ার ফাঁকে সে জিজ্ঞাসা করল, ‘উনি কখন ফিরবেন?’

    ভদ্রলোকের যেন সংবিৎ এল, ‘কে?’

    ‘পরমহংসবাবু।’

    ‘ও, ডু য়ু নো হু ইজ হি? জানো না? আমার ছোট ভাই। দাদা হয়ে তার ওপর খবরদারি করব আমাদের বংশে সে রেওয়াজ নেই। তার ইচ্ছেমতন সে আসবে ইচ্ছেমতন যাবে। আমি জানতে যাব কেন?’ হাঁ করে একটু বাতাস নিলেন ভদ্রলোক, বোধ হয় নস্যিতে নাকের ফুটো বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

    অর্ক বলল, ‘বেশ। তাহলে বলবেন বেলগাছিয়া থেকে অর্ক এসেছিলো।’

    ‘মনে থাকলে ববলব।’ ভদ্রলোক ঘুরে দাঁড়ালেন, হ্যাঁ যা বলছিলাম। মহম্মদ নিসারের নাম শুনেছ? বিরাট।’

    অর্ক আর দাঁড়াল না। লোকটার ওপর খুব চটে যাচ্ছিল সে। সমানে জ্ঞান দিয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর মানুষের ওপর অথচ নিজের ভাই-এর খোঁজখবর রাখে না। এখন পরমহংস কাকু ফিরে এলে এই খবর পেলে হয়। লোকটার গলা শুনলে মনে হয় ঠিক ভুলে যাবে। ট্রামরাস্তার কাছে এসে অর্কর মনে হল ভুল হয়ে গেছে। পরমহংসকাকার বাড়ির কোন মহিলাকে বলে এলে ভাল হত। কিন্তু এখন আর ফিরে যাওয়া যায় না।

    অর্ক ঠিক করল ওখানেই সে অপেক্ষা করবে। বাড়িতে যাওয়ার পথ যখন এটাই তখন পরমহংসকাকুর দেখা সে এখানেই পাবে।

    ট্রামগুলো আসছে আর চলে যাচ্ছে। বেশ ভিড় এখন ফুটপাথে। একা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শেষ পর্যন্ত পা ব্যথা হয়ে যাচ্ছিল অর্কর। মাস্তানগুলোর কাউকেই এখন নজরে পড়ছে না। অর্ক একবার ভাবল সামনের দোকানটায় ঢুকে চা খেলে কেমন হয়? তার পকেটে যে পয়সা আছে ফেরার ট্রাম ভাড়া দিয়েও তিরিশটা বেঁচে থাকবে। সঙ্গে সঙ্গে তার মনে হল জলপাইগুড়িতে খাওয়াদাওয়ার বেশ আরাম ছিল! মত পাল্টালো সে, সামনের সিগারেটের দোকান থেকে একটা সিগারেট কিনে ধরালো। নিয়মিত অভ্যেস না থাকায় অস্বস্তি হচ্ছিল, ধোঁয়াটাকে গিলছিল না তাই। হঠাৎ তার মনে এল এটা বেকার। ফালতু পয়সা নষ্ট হল। মায়ের পয়সায় সিগারেট খাওয়ার কোন অধিকার তার নেই। ফেলে দিতে গিয়েও সামলে নিল সে। এখন এটা ফেলে দিলেও পয়সাটা ফেরত আসবে না।

    আর এই সময় জুলিয়েনের কথা মনে পড়ল অর্কর। খুব সুন্দর কথা বলে মানুষটা। শুধু অপচয় হয়ে যাচ্ছে, নষ্ট হয়ে যাচ্ছে দেশটা। কংগ্রেস সি পি এম কেউ এই দেশের রোগ সারাতে পারবে না যদি দেশের মানুষ না সজাগ হয়। জুলিয়েনের সব কথা অর্ক সেদিন বুঝতে পারেনি। কিন্তু একটা কথা তার মনে লেগে আছে। আমরা তো কখনো আমাদের পাশের মানুষটার সমস্যা বুঝতে চাই না।

    চিৎপুরে দাঁড়িয়ে অর্ক মাথা নাড়ল। কথাটা সত্যি। আমরা সব সময় নিজেদের কথাই ভাবি। কেউ অন্য কারো সমস্যার কথা চিন্তা করি না। কংগ্রেস যদি কোন ভাল কাজ করতে যায় তাহলে সি পি এম এসে তার পাশে দাঁড়াবে? কক্ষনো না। আবার সি পি এম-এর বেলাতেও তাই। এত মানুষ সামনে দিয়ে যাচ্ছে। প্রত্যেকের কত রকম সমস্যা আছে। অথচ কেউ সে খবর জানে না, জানতে চায় না। জুলিয়েন বলেছিল, অর্ক এখন থেকেই সচেতন হও। বন্ধু বান্ধবদের সঙ্গে আলোচনা কর, দেখবে চোখ খুলে যাবে। এই দেশে তোমাদের থাকতে হবে, তাই দেশটাকে নিজের হাতে গড়ে নাও।

    হাতে সিগারেটের আগুনের ছাঁকা লাগতেই অর্ক সেটাকে ছুঁড়ে ফেলল। না, এখনও পরমহংসকাকার দেখা নেই। এমনও তো হতে পারে পরমহংসকাকা আজ রাত্রে বাড়িই ফিরল না, সে খামোকা আর কতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকবে। অর্ক হাঁটতে লাগল। তার মনে হল সিগারেট কিনতে গিয়ে সে পয়সাটা বাজে খরচ করেছে। অতএব তার হেঁটে বাড়ি ফিরে ট্রামের ভাড়াটা বাঁচানো উচিত। কতদূর আর হবে, বড় জোর দেড়-দু মাইল।

    রাজবল্লভপাড়ার কাছে এসে অর্ক ভাবল গলি দিয়ে চলে যাবে। পাতাল রেল-এর জন্যে বড় রাস্তা দিয়ে হাঁটা মুশকিল। গলিতে ঢুকতেই ওর বুকের ভেতরটা ধক্‌ করে উঠল। নিজের চোখকে যেন সে বিশ্বাস করতে পারছিল না। উল্টো দিক দিয়ে ঊর্মিমালা আসছে। পরনে শালোয়ার পাঞ্জাবি, একটা বই বুকের কাছে ভাঁজ করা হাতে, হাসতে হাসতে কথা বলছে। ওর পাশে ছিপছিপে লম্বা একটা ছেলে, চশমা পরা। বছর কুড়ি বয়স হবে তার। ছেলেটিও হাসছে সমানে। ওদের দেখামাত্র অর্কর বুক আনটান করতে লাগল। এত রাত্রে উর্মিমালা এখানে কি করছে ওই ছেলেটার সঙ্গে? কে ছেলেটা? ঊর্মিমালার সঙ্গে ওর কি সম্পর্ক! যত দেখছে তত এক রকম তেতো স্বাদ মনে ছড়িয়ে পড়ছে। অর্কর মনে হল এখনি তার সামনে থেকে সরে পড়া উচিত। ঊর্মিমালার মুখখামুখি না হওয়াই ভাল। কিন্তু এখানে কোন আড়াল নেই। আচমকা পিছু ফিরলে ওর নজরে পড়ে যাবে সে। অতএব যা হবার সামনাসামনি হোক। যদি পাশ কাটিয়ে চলে যেতে চায় ঊর্মিমালা তো যাক। রাস্তার দিকে মুখ করে অর্ক হাঁটছিল। এবং তখনই সে ঊর্মিমালার গলা শুনতে পেল। মিষ্টি সুরেলা গলা, ‘আরে, আপনি এখানে?’

    অর্ক মুখ তুলল। ঊর্মিমালা সুন্দর চোখে তাকে দেখছে, ঠোঁটে আন্তরিক হাসি। ওর পাশে দাঁড়িয়ে ছেলেটি একটু অবাক চোখে তাকিয়ে। অর্ক কথা বলতে গিয়ে দেখল নিজের গলার স্বর অচেনা লাগছে, ‘এই এদিকে একটু এসেছিলাম। ভাল?’

    ‘এদিকে মান? আমাদের বাড়িতে গিয়েছিলেন?’

    ‘না না।’ অর্ক থেমে গেল। ও বুঝতে পারছিল না কি ভাবে কথা বলবে।

    ‘বাঃ, আমি মাকে বলছি। আপনি এদিকে এসেও আমাদের বাড়িতে যাননি।’

    ‘গেলে তো দেখা পেতাম না।’

    ‘না গেলে জানতেন কি করে?’ আজকে আমাদের একটা ফাংশন ছিল তাই বেরিয়েছিলাম। এই যে এসো তোমার সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিই। এর নাম অর্ক মিত্র আর এ হল সুমন দত্ত। আমার বন্ধু।’

    শেষ শব্দটা শোনা মাত্র অর্ক শক্ত হল। বন্ধু! বন্ধু মানে প্রেমিক? তাহলে ঊর্মিমালার প্রেমিক আছে? ও দেখল সুমন দুই হাত জড়ো করে তাকে নমস্কার করছে। অর্ক সেটা ফিরিয়ে দিল। সুমন বলল, ‘আমি আপনার কথা শুনেছি। মাসীমা আপনার কথা খুব বলেন।’

    ‘মাসীমা?’

    ‘আমার মা।’ ঊর্মিমালা হাসলো।

    রাগে শরীর জ্বলে গেল হাসিটা দেখে। শালার তাহলে নিয়মিত ওই বাড়িতে যাতায়াত আছে। এই সময় ঊর্মিমালা বলল, ‘আপনাকে খুব গম্ভীর দেখাচ্ছে। কি হয়েছে?’

    ‘কিচ্ছু না। আমি যাই।’

    সুমন বলে উঠল, ‘সে কি? আপনার সঙ্গে বাই চান্স আলাপ হয়ে গেল এখনই যাবেন কি? চলুন কোথাও বসে চা খাই।’

    অর্ক আবার ঊর্মিমালার দিকে তাকাল, ‘আমি চা খাই না।’

    ঊর্মিমালা বলল, তাহলে আপনি আমাদের সঙ্গে চলুন। হেঁটে না গিয়ে ট্রামে ফিরে যাবেন।’

    ‘না, আমার হাঁটতে ভাল লাগে।’

    এই সময় সুমন পকেট হাতড়ালো। তারপর বলল, ‘তোমরা ফয়সালা করে নাও, আমি সিগারেট কিনে আনি।’

    সুমন চলে গেলে ঊর্মিমালা বলল, ‘কি ব্যাপার বলুন তো? আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। আপনি কি রাগ করেছেন?’

    সত্যি কথাটা বলতে গিয়েও চেপে গেল অর্ক, ‘বাঃ, রাগ করব কেন? বন্ধুর সঙ্গে বেশ তো বেড়ানো হচ্ছে।’

    ‘বেড়াচ্ছি না, বাড়ি ফিরছি। আপনিও তো আমার বন্ধু, তাহলে এমন করে বলছেন কেন?’ ঊর্মিমালার মুখে অন্ধকার এল।

    ‘একটা মেয়ের কতগুলো বন্ধু হয়?’

    ‘মানে?’

    ‘মেয়েদের একজনের বেশী বন্ধু থাকা উচিত নয়।’

    ‘ওমা, কে বলল?’

    ‘আমার তাই মনে হয়।’

    ‘ভুল মনে হয়। সুমনকে আমি ক্লাশ ওয়ান থেকে চিনি। ও আমার চেয়ে বয়সে বড় হলেও বন্ধু। আমার বাবাও আমার বন্ধু। আপনি ঠিক ভাবছেন না।’

    হঠাৎ অর্ক প্রশ্নটা করে ফেলল, ‘সুমনকে তুমি ভালবাস?’

    ‘হ্যাঁ। বন্ধুকে না ভালবাসলে বন্ধু হয় কি করে!’

    ‘না, না। তারও বেশী?’

    এবার ঠোঁট কামড়াল ঊর্মিমালা। এবং তখনই সুমন সিগারেট নিয়ে এসে দাঁড়াল সামনে, ‘কি হল? বসা হবে কোথাও?’

    ঊর্মিমালা তাকে বলল, ‘না, থাক, আজ আমার বেশ দেরি হয়ে গেছে।’

    সুমন বলল, ‘যাচ্চলে! এতক্ষণে মনে পড়ল! ঠিক আছে, আপনার সঙ্গে পরে আড্ডা মারা যাবে, কেমন, চলি।’

    ওরা যাওয়ার জন্যে পথ বাড়াতেই ঊর্মিমালা মুখ ফেরাল, ‘মাসীমাকে আমার কথা বলবেন। আপনারা আমাদের পাড়ায় কবে উঠে আসছেন?’

    ‘জানি না।’

    ঊর্মিমালা হাসল, ‘আপনি আমাকে শেষ যে প্রশ্নটা করেছিলেন তার উত্তর একটাই, না। এলাম।’

    ওদের চলে যেতে দেখল অর্ক। বাঁক ঘোরার আগে একবারও উর্মিমালা মুখ ফিরিয়ে তাকে দেখল না। হঠাৎ নিজের ওপর তার খুব রাগ হয়ে গেল। ঊর্মিমালা তাকে হারিয়ে গেল, আর একবার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালবেলা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }