Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪৭. বিকেলে হাসপাতালে মাধবীলতা

     সাতচল্লিশ

    বিকেলে হাসপাতালে মাধবীলতার স্কুলের টিচার্সরা এসেছিলেন। তাঁরা দেখলেন মাধবীলতা ঘোরের মধ্যে রয়েছে। নার্স কথা বলতে নিষেধ করেছিল। মাঝে মাঝে দাঁতে দাঁতে শব্দ হচ্ছে। এবং তখনই অস্ফুটে কিছু যন্ত্রণার শব্দ উচ্চারণ। হঠাৎ যদিও বা চোখ খুলেছে কিন্তু দৃষ্টিতে কাউকে ধরতে পারেনি। যাঁরা এসেছিলেন তাঁরা অসহায় চোখে দেখা ছাড়া কিছুই করতে পারেননি।

    অর্ক এসেছিল চারটের সময়। মায়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়েছিল টিচার্সরা না আসা পর্যন্ত। নার্স তাকে জানিয়েছে যে ডাক্তারবাবু ওর খোঁজ করেছেন এবং আজই ভিজিটিং আওয়ার্সের পর যেন সে দেখা করে। নার্স আরও জানিয়েছে, পেশেন্টের অবস্থা ভাল নয়। কিন্তু কি হয়েছে তার বিশদে গেলেন না মহিলা। তাঁকে দেখে মনে হচ্ছিল খুব বেশী কথা কোনকালেই বলেন না।

    শেষ পর্যন্ত হেডমিস্ট্রেস সৌদামিনী সেনগুপ্তা ইঙ্গিত করে সবাইকে বাইরে নিয়ে এলেন। অর্কর ইচ্ছে করছিল না মায়ের পাশ থেকে উঠে যেতে। এই কয়েক ঘণ্টায় মাধবীলতাকে যেন অন্যরকম দেখাচ্ছে। ভীষণ ফ্যাকাশে এবং বয়সের তুলনায় যেন অনেক ছেলেমানুষ। শরীরটাকে গুটিয়ে ছোট করে এমনভাবে শুয়ে আছে যে সেই মাধবীলতা বলে চেনা মুশকিল! খুব কষ্ট হচ্ছিল অর্কর। তার ইচ্ছে করছিল মাকে একবার ডাকে, ডেকে জিজ্ঞাসা করে কি প্রয়োজন! এইসময় নীপা মিত্র এসে দাঁড়াল তার পাশে, ‘তোমাকে বড়দি ডাকছেন।’

    অর্ক খানিকটা অবাক হল। সে ওইভাবে তাকাতে নীপা বলল, ‘তুমি আমাকে চেন না। তোমার মা আমাকে খুব ভালবাসে। আমায় নীপা,’ বলে একটু ইতস্তত করল নীপা। সম্পর্কে তাকে মাসী বলতে বলা উচিত। কিন্তু এতবড় ছেলের মাসী তার ঠিক পছন্দ হচ্ছিল না। সে কথাটা শেষ করল, ‘আমায় নীপাদি বলো।’

    নীপার সঙ্গে বাইরে বেরিয়ে আসতেই দেখল টিচার্সরা এক জায়গায় জড়ো হয়ে আছেন। সৌদামিনী তাকে দেখে এগিয়ে এলেন, ‘কোন ডাক্তার দেখছে?’

    ‘ডাক্তার এস কে দত্তগুপ্ত।’

    ‘দত্তগুপ্ত। এস কে, এস কে মানে সুধীর?’ সৌদামিনীর চোখ দুটো ছোট হল।

    ‘জানি না।’

    ‘এসো তো আমার সঙ্গে। অফিসটা কোথায়?’ হন হন করে সৌদামিনী চললো অফিসরুমে। বাধ্য হয়ে অর্ককে সঙ্গী হতে হল। সৌদামিনীর হাঁটার ভঙ্গীতেই বোঝা যায় তিনি কাউকে বড় একটা কেয়ার করেন না। জেরা করে সৌদামিনী আবিষ্কার করলেন তাঁর ধারণাই ঠিক। এস কে দত্তগুপ্ত তাঁর পরিচিত সুধীর। হেসে বললেন, ‘বদ্যি ডাক্তারকে বদ্যি হয়ে চিনবো না! যাক সুধীর যখন দেখছে তখন আর কোন চিন্তা নেই। আমি তাকে বলে দিচ্ছি। সে কোথায়?’

    জানা গেল ডাক্তার তখন শ্যামবাজারের এক নার্সিং হোমে অপারেশন করছেন। নার্সিং হোমের নাম্বার নিয়ে সৌদামিনী পাবলিক টেলিফোনে জানিয়ে দিলেন, ডাক্তারকে যেন খবর দেওয়া হয় তিনি হাসপাতালে অপেক্ষা করছেন। রিসিভার নামিয়ে রেখে তিনি টিচার্সদের সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন, ‘বুঝতেই পারছ কেস ভাল নয়। তবে ভরসা এই যে একজন চেনা ডাক্তারের হাতে ও আছে। তা তোমরা আর এখানে দাঁড়িয়ে কি করবে! সংসার টংসার আছে, তোমরা বাড়ি চলে যাও।’

    নীপা মিত্র হাসল, ‘ওসব বালাই তো আমার নেই বড়দি, আমি থেকে যাই।’ সৌদামিনী সেটা অনুমোদন করতে অন্য টিচার্সরা সুপ্রিয়া করের গাড়িতে ফিরে গেলেন। এবার সৌদামিনী অর্কর দিকে তাকালেন, ‘তোমার মায়ের এই ব্যাপারটা প্রায়ই হত, না?’

    অর্ক মাথা নাড়ল, ‘আমি বুঝতে পারিনি কখনও।’

    ‘চমৎকার ছেলে তো। দ্যাখো নীপা, মা অসুস্থ কিনা তা ছেলে খোঁজ রাখা দরকার বলে মনে করে না।’ সৌদামিনী ঠোঁট ওল্টালেন।

    নীপা বলল, ‘ওভাবে বলছেন কেন? ওর মা যদি চেপে থাকে তাহলে ও জানবে কি করে। চিরকাল তো মুখ বুজে সহ্য করে গেল।’

    ‘রাবিশ! সব শরৎচন্দ্রের নায়িকা হয়ে জন্মেছে। ওই লোকটা এইদিকে তাকিয়ে অমন করছে কেন?’ সৌদামিনীর গলায় সন্দেহ।

    অর্ক দেখল সকালের সেই লোকটা দূরে দাঁড়িয়ে তাকে ইশারা করছে। সে বলল, ‘এই লোকটার খুব ক্ষমতা আছে। সকালে মাকে ভরতি করতে সাহায্য করেছিল। কোন দরকার হলেই বলতে বলেছে।’

    নীপা মিত্র জিজ্ঞাসা করল, ‘এখানে কাজ করে?’

    ‘না। এই ওর পেশা।’

    ‘দালাল।’ সৌদামিনী মাথা নাড়লেন, ‘এদের থেকে দূরে থাকতে হয়। দালালদের কখনও প্রশ্রয় দেবে না। হ্যাঁ, মাধবীলতা কি বাড়িতে টাকা পয়সা রেখেছে?’

    ‘খুব বেশী নেই, মানে আমি পঞ্চাশ টাকা পেয়েছি।’

    ‘মাত্তর! ঠিক আছে, ওর খরচ আমি দিচ্ছি আপাতত। পরে হিসাব করা যাবে। একটা বসার জায়গা দ্যাখো তো, এভাবে বকের মত দাঁড়িয়ে থাকা যাচ্ছে না।’

    সন্ধ্যে হব হব এই সময় ডাক্তার সুধীর দত্তগুপ্ত এলেন। সৌদামিনীর তাঁকে কব্জা করতে বেশী সময় লাগল না। সুধীর বললেন, ‘আপনি? কি ব্যাপার? আমি তো খবর পেয়ে খুব অবাক হয়ে গিয়েছিলাম।’

    ‘আপনাদের হাতে তো মহাপাপ না করলে কেউ পড়ে না! শুনুন। আমার স্কুলের একটি টিচার খুব অসুস্থ হয়ে আজ ভর্তি হয়েছে। শুনলাম আপনার হাতে রয়েছে। আমি চাই ও সেরে উঠে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরুক।’

    সৌদামিনী সুস্পষ্ট হুকুম জারি করলেন।

    ‘কি নাম বলুন তো? কি কেস? আজ ভর্তি হয়েছে?’

    ‘মাধবীলতা মিত্র।’ সৌদামিনী জানালেন।

    অর্ক শুনছিল। উপাধিটা শোনা মাত্র সে ভাবল প্রতিবাদ করবে। এইসময় ডাক্তার মাথা নেড়ে বললেন, ‘আমি ঠিক বুঝতে পারছি না। দাঁড়ান দেখছি।’

    অর্ক বলল, ‘আপনি আমাকে দেখা করতে বলেছিলেন। নার্স তাই বলল, আমার মায়ের কথা উনি বলছেন। আজ সকালে ভর্তি হয়েছেন। পেটে খুব যন্ত্রণা—।’

    এবার সুধীর ডাক্তার চিনতে পারলেন, ‘ওহো!’ তারপর গম্ভীর মুখে সৌদামিনীকে বললেন, ‘আপনার স্কুলে পড়ান মহিলা! মাইনেপত্র দেন না নাকি?’

    ‘মানে?’

    ‘ভদ্রমহিলা একদম রক্তশূন্য। নিয়মিত খাওয়া-দাওয়া করেননি। পেটে কিছু একটা বাধিয়েছেন। আজ দুপুরে এক্সরে করা হয়েছে। রিপোর্টটা দেখে আমাকে ঠিক করতে হবে অপারেশন করতে হবে কিনা। কিন্তু লক্ষণ তাই বলছে। আপনারা একটু অপেক্ষা করুন। আমি হাতের কাজগুলো শেষ করে কথা বলছি।’

    এক ঘণ্টা পরে জানা গেল মাধবীলতার পেপটিক আলসার হয়েছে। অবস্থা খুবই খারাপের দিকে এবং অবিলম্বে অপারেশন করা দরকার। কিন্তু এরকম অ্যানিমিয়া পেশেন্টকে অপারেশন টেবিলে নিয়ে যাওয়ার মধ্যে বেশ ঝুঁকি রয়েছে। সুধীর দত্তগুপ্ত বললেন, ‘এটাকে আত্মহত্যার কেস ছাড়া আর কি বলব। জেনে শুনে নিজেকে শেষ করা হয়েছে। ওঁকে বাঁচাতে গেলে ঝুঁকি নিতেই হবে।’

    নীপা মিত্র বলল, ‘আপনি অপারেশন করুন। যা দরকার আমরা করব।’

    ডাক্তার বললেন, ‘মিস্টার মিত্র কোথায়?’

    এঁরা কিছু বলার আগেই অর্ক জানাল, ‘উনি বাইরে আছেন। যা বলার আমাকে বলুন। আমিই এখন ওর সব।’

    কথাটা বলতে পেরে অর্কর মন হঠাৎ খুশিতে ভরে গেল। ডাক্তার একবার ওর দিকে তাকালে, ‘ঠিক আছে।’

    অপারেশন হবে ছত্রিশ ঘণ্টা পরে। এ বাবদ যা যা লাগবে সব জেনে নিলেন সৌদামিনী। এদিন আর কিছুই করার ছিল না। ওরা যখন হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসছে তখন অর্কর চোখে পড়ল পরমহংস হন্তদন্ত হয়ে ঢুকছে। ওকে দেখেই প্রায় ছুটে এল সে, ‘কি হয়েছে?’

    ‘মায়ের খুব অসুখ। অপারেশন করতে হবে।’

    ‘সেকি! কি হয়েছে?’ পরমহংস হতভম্ব।

    ‘পেপটিক আলসার। খুব যন্ত্রণা হচ্ছে।’

    ‘কি আশ্চর্য! এসব কবে হল? আমি তো কিছুই জানি না।’

    ‘আমিও জানতাম টানতাম না। কালই ধরা পড়ল।’

    ‘অনিমেষ কোথায়? সে আসেনি?’

    ‘না।’

    ‘কেন?’

    ‘দাদু মারা গেছেন। তাই সেখানেই থেকে যেতে হয়েছে’।

    দাদু শব্দটা উচ্চারণ করার মোটেই ইচ্ছে ছিল না অর্কর। কিন্তু এখানে সবার সামনে অন্য কিছু বলার কথা মাথায় আসল না। পরমহংস বলল, ‘কি আশ্চর্য! আমি তো কিছুই জানি না। তুমি যে কাল গিয়েছিলে সে খবর আজ সকালে পেলাম। অফিস থেকে ছুটে আসছি। তোমার পাশের ঘরের একটা মেয়ে বলল যে তোমরা হাসপাতালে এসেছ। অনিমেষকে খবর দেওয়া হয়েছে?’

    অর্ক কথা না বলে মাথা নাড়ল।

    সৌদামিনী এতক্ষণ একটাও কথা বলেননি। কিন্তু পরমহংসকে একটু বিস্ময়ের চোখেই দেখছিলেন। বেঁটে মোটা শরীর নিয়ে পরমহংস ছটফট করছে। অর্ক এবার পরিচয় করিয়ে দিল, ‘পরমহংস কাকু, এঁরা আমার মায়ের স্কুলের টিচার আর ইনিও।’ বলতে হল না অর্ককে, পরমহংস হাতজোড় করে শেষ করে দিল, ‘ওর মা এবং বিশেষ করে বাবার সহপাঠী, বন্ধু। কি অবস্থা মাধবীলতার?’

    সৌদামিনী বললেন, ‘অপারেশন হবে। এখন অবশ্য দেখা করে কোন লাভ নেই। ঘুমের ওষুধ দিয়ে রেখেছে।’

    শেষের কথাটার ইঙ্গিত পরমহংস যেন ধরতেই পারল না, ‘না, না। আমি দেখা করতে যাচ্ছিও না। কিন্তু অপারেশন যাতে যত্ন নিয়ে করে তার ব্যবস্থা করতে হবে। আমাদের এক ডাক্তার বন্ধু বোধহয় এই হাসপাতালেই—’

    সৌদামিনী হাত তুলে তাকে থামিয়ে দিলেন, ‘ওসব দরকার হবে না। আমার পরিচিত ডাক্তারের কাছেই ও পড়েছে। চিকিৎসার জন্যে যা লাগবে তা আপাতত আমরা দিচ্ছি। আপনারা একটু হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন। নীপা, চল, শ্যামবাজার পর্যন্ত একসঙ্গে যাই। ও হ্যাঁ, কাল যদি কোন প্রয়োজন হয় তাহলে স্কুলে দেখা করো। আমি বিকেলে আসব।’

    নীপা মাথা নাড়ল। সৌদামিনী এগিয়ে গিয়েছিলেন। নীপা অর্ককে বলল, ‘ভয় পেয়ো না, মা সেরে উঠবেই। কিন্তু তুমি এখন একা থাকবে কি করে?’

    অর্ক হাসল, ‘কেন? আমি কি ছেলেমানুষ?’

    নীপা অর্কর মুখের দিকে তাকাল। তারপর চলে যাওয়ার আগে বলল, ‘যদি কখনও কোন প্রয়োজন হয় তাহলে আমার কাছে চলে এস। বাইশের এক মুকুন্দ দাস লেনে আমি থাকি। চলি।’

    পরমহংস ওঁদের চলে যাওয়া দেখছিল। এবার বলল, ‘অপারেশন ছত্রিশ ঘণ্টা পরে হবে কেন?’

    ‘জানি না।’

    ‘ডাক্তারের সঙ্গে একবার কথা বলতে পারলে ভাল হত। তুমি যাবে একবার আমার সঙ্গে!’

    ‘আমরা তো এইমাত্র কথা বললাম। উনি পরশু অপারেশন করবেন বলে দিয়েছেন।’

    ‘কেস কিরকম, কিছু বলল?’ প্রশ্নটা করার সময় পরমহংসর গলা নেমে এল।

    ‘ভাল নয়।’ অর্ক মুখ নামাল।

    পরমহংস অর্কর সঙ্গে বেরিয়ে এল ট্রাম রাস্তায়। কতগুলো জিনিসের কথা অর্কর একদম খেয়ালে ছিল না। ভোরে যখন সে মাধবীলতাকে ভর্তি করতে এসেছিল তখন প্রায় খালি হাতেই এসেছিল। বিকেলে হাসপাতালে গিয়ে একটা তোয়ালে সাবান ইত্যাদি দেখতে পেয়েছে। সৌদামিনী একজন পরিচারিকার ব্যবস্থা করেছেন। এসব তার মাথায় ছিল না। পরমহংস ট্রাম রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করতেই তার খেয়াল হল, সৌদামিনীরাই এসব করেছেন।

    হাঁটতে হাঁটতে ওরা শ্যামবাজারের মোড়ে চলে এল। পরমহংস জিজ্ঞাসা করল, ‘খিদে পেয়েছে তোমার?’

    অর্ক বলল, ‘না, থাক।’ সত্যি ওর খিদে বোধটুকুই হচ্ছিল না।

    ‘থাকবে কেন? এস।’ প্রায় জোর করে ওকে নিয়ে পাঞ্জাবীর কষা মাংসের দোকানে ঢুকল পরমহংস। প্রচণ্ড ভিড় দোকানটায়। তার মধ্যে জায়গা করে নিয়ে বসে খাবারের অর্ডার দিয়ে পরমহংস জিজ্ঞাসা করল, ‘তোমার মায়ের সেন্স আছে তো?’

    ‘বুঝতে পারছি না। এখন বোধহয় ওরা ওষুধ দিয়েছে।’

    ‘এরকম একটা অসুখ হচ্ছে তোমরা কেউ টের পাওনি?’

    ‘না।’

    পরমহংস মাথা নাড়ল, ‘জলপাইগুড়ির খবর বল।’

    অর্ক পরমহংসর মুখের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করল, ‘কি খবর?’

    পরমহংস কি বুঝল সেই জানে! এই সময় খাবারের প্লেট দিয়ে যেতে সে এগিয়ে দিল, ‘খেয়ে নাও।’

    অনেককাল আগে চাঁদার পয়সায় এই দোকানে অর্ক আর বিলু কষা মাংস আর রুটি খেয়েছিল। আজকের মেনু অবিকল তাই। কিন্তু এখন খেতে একদম ভাল লাগছে না। অথচ মুখে দেওয়ার পর সে বুঝল তার খিদে আছে। বয়দের চিৎকার, চারপাশে খাওয়ার শব্দ, মাংসের তীব্র গন্ধ এবং পরমহংসর উপস্থিতি সব মিলিয়ে খিদে সত্ত্বেও অর্ককে নিস্পৃহ করে দিচ্ছিল। কোনরকমে খাওয়া শেষ করে সে বাইরে আসতেই বিলুকে দেখতে পেল। পরমহংস তখন বেসিনে হাত ধুচ্ছিল। বিলু খুব সেজেগুজে দাঁড়িয়ে আছে পাঁচমাথার মোড়ে। চোখাচোখি হতেই বিলু মুখ ফিরিয়ে নিল। অর্ক এক পা এগিয়ে থেমে গেল। বিলু যেন তাকে দেখেও দেখছে না। তার মানে এখন চিনতে চাইছে না বিলু। অর্ক অবাক হয়ে লক্ষ্য করছিল। মানুষজনের ক্রমাগত যাওয়া আসায় বিলুকে নজরে রাখা মুশকিল। এই সময় পরমহংস টুথপিক ঠোঁটে চেপে বেরিয়ে・এল, ‘শোন, তোমাকে আজ আর বেলগাছিয়ায় ফিরতে হবে না। আমার ওখানে চল।’

    ‘কেন?’

    পরমহংস থতমত হয়ে গেল, ‘কেন মানে? তুমি একা থাকবে কি করে?’

    ‘থাকতে পারব।’

    ‘বোকামি করো না, চল।’

    ‘আমি বোকামি করছি না।’ বলতে বলতে অর্কর খেয়ালে এসে গেল, ‘হাসপাতালে মায়ের ঠিকানা দেওয়া আছে। যদি কোন দরকার হয় তাহলে ওরা ওখানেই খবর দেবে। আমি না থাকলে জানতেও পারব না।’

    যুক্তি অস্বীকার করতে পারল না পরমহংস। যদিও তার ইচ্ছে ছিল না অর্ক একা থাকুক। সে বলল, ‘তাহলে বাড়ি চলে যাও। আমি কাল সকাল দশটায় হাসপাতালে যাব। তখন দেখা হবে। তোমার কাছে টাকা আছে?’

    অর্ক মাথা নাড়ল, আছে।

    পরমহংস এবার অর্কর কাঁধে হাত রাখল, ‘ভয় পেয়েছো? তোমার মা ভাল হয়ে উঠবেই। চলি।’ পরমহংসর শরীর ভূপেন বোস অ্যাভিন্যুর দিকে মিলিয়ে যেতে অর্ক হেসে ফেলল। সমান সমান অথবা দৈর্ঘ্যে বড় মানুষ কাঁধে হাত রাখলে সান্ত্বনা দেওয়ার ভঙ্গী হয়, হয়তো পাওয়াও যায় কিন্তু অত খাটো মানুষ যদি উচিঁয়ে হাত রাখে তাহলে—! সে এবার চট করে বিলুর দিকে তাকাল। বিলু ফুটপাথ ঘেঁষে আরও একটু সরে গেছে।

    অর্ক এগিয়ে গেল। বিলু তাকে লুকোতে চাইছে অথচ জায়গাটা ছেড়ে যেতে পারছে না। কারণটা জানতেই হবে। সে বিলুর সামনে এসে দাঁড়াতেই বিলু মাথা নাড়ল, ‘সরে যাও কথা বলো না।’

    ‘কেন?’ বিলুর মুখভঙ্গী দেখে অর্কর হাসি পাচ্ছিল।

    ‘একজন আসবে।’

    ‘কে?’

    ‘তুমি চিনবে না গুরু। অনেক টাকার ধাক্কা। পরে কথা বলব। এখন সরে যাও।’ বলতে বলতে বিলু দু’পা এগিয়ে গেল, যেন অর্ককে এড়াতে চাইল। আর তখনি একটা ট্যাক্সি উল্টো ফুটপাথে এসে দাঁড়াতেই বিলু ছুটে গেল সেদিকে। অর্ক দেখল ট্যাক্সিতে বসে থাকা আরও দুজন লোকের সঙ্গে বিলু চলে গেল শিয়ালদার দিকে। বিলুর হাবভাব, ট্যাক্সিটার নিঃশব্দে আসা এবং দ্রুত চলে যাওয়া, অর্কর বিশ্বাস হল বিলু খুব বড় অপরাধের মধ্যে জড়িয়ে পড়ছে। অনেক টাকার ব্যাপার যখন তখন দায়টা কম নয় নিশ্চয়ই। বিলুর জন্যে খারাপ লাগছিল অর্কর। ও যে একটা অপরাধের মধ্যে জড়িয়ে পড়েছে তাতে সন্দেহ নেই। এবং এই অপরাধের ধরন পাড়ার মাস্তানির থেকে সম্পূর্ণ আলাদা জাতের তাতে সন্দেহ নেই।

    অর্কর কিছুই ভাল লাগছিল না। সন্ধ্যেটা পেরিয়ে গেছে। সে মোহনলাল স্ট্রিট দিয়ে এলোমেলো হাঁটতে হাঁটতে দেশবন্ধু পার্কে এসে গেল। গেটের মুখটায় বেশ জমজমাট। বিশাল মাঠটা অন্ধকার আলোয় মাখামাখি। অর্ক মাঠটা পেরিয়ে একধারে বসল। ঘাসের ওপর অজস্র বাদামের খোলা আর মাথার ওপর অগুনতি তারা। সেদিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে হঠাৎ শরীরে কাঁপুনি এল তার। এই পৃথিবীতে যদি সে একা হয়ে যায়? মা এখন হাসপাতালে, অপারেশনের পর যদি আর না বাঁচে? যাকে এতকাল বাবা বলে জানতো তাকে আর এখন বাবা বলে সে ভাবতেই পারছে না কেন? এতকালের সম্পর্ক, কাছে থাকা, সব এক রাত্রে ভেঙ্গে যেতে পারে? জলপাইগুড়ি থেকে আসার সময় সে মায়ের নির্দেশে সবাইকে প্রণাম করেছিল শুধু বাবাকে ছাড়া। ব্যাপারটা নিশ্চয়ই মা লক্ষ্য করেছে কিন্তু কিছু বলেনি। মা কি বাবাকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলেছে? অর্ক ভাবতে পারছিল না। তার মনে হচ্ছিল মায়ের যেমন সে এবং বাবা ছাড়া পৃথিবীতে কেউ নেই তেমনি মা এবং সে ছাড়া বাবারও কোন আপন মানুষ নেই। তাহলে?

    একটা কাঠি কুড়িয়ে অন্যমনস্ক অর্ক মাটি খুঁড়ছিল। এইসময় তার খেয়াল হল সে একা নেই। খানিক দূরে অনেকেই জোড়ায় জোড়ায় বসে ছিল কিন্তু আরও দুজন খুব কাছেই কখন বসেছে। অন্ধকারে তাদের মুখ চোখ দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু মেয়েটির উচ্ছ্বসিত হাসি তাকে চমকে দিল। আর তারপরেই কাণ্ডটা ঘটল। তিনটে মানুষ অন্ধকার ফুঁড়ে সেখানে উদয় হল। তাদের একজনের হাতে টর্চ। একজন টিটকিরি দিয়ে বলে উঠল, ‘বাঃ, চমৎকার, ব্লাউজের বোতাম এর মধ্যেই খুলে ফেলেছেন? একেবারে প্রদর্শনী! উঠুন বুক ঢাকুন। থানায় যেতে হবে আপনাদের।’

    ছেলেটি, কুঁকড়ে উঠল, ‘কেন? আমরা কি করেছি?’

    ‘কি করেছ? প্রকাশ্যে অশ্লীলতা করার অপরাধে তোমাদের থানায় যেতে হবে।’

    ছেলেটি কাকুতি মিনতি করছিল। অর্ক লক্ষ্য করল মেয়েটি কোন কথা বলছে না। হঠাৎ সে সোজা হয়ে বসল। মেয়েটি অনু না? অনুপমা! বিস্ময় বাড়ল ছেলেটিকে দেখে। সেই হকার ছেলেটি যাকে অনু বিয়ে করেছে। ওরা তো স্বামী-স্ত্রী, কিন্তু এখানে কেন? অর্ক এক লাফে উঠে দাঁড়াতেই টর্চ হাতে লোকটা ছেলেটিকে খিচিয়ে উঠল, ‘ফুর্তি মারার আগে খেয়াল ছিল না, পরের বউকে ভাগিয়ে নিয়ে এসে মজা লুটছ?’

    ছেলেটির গলায় প্রতিবাদ করার চেষ্টা, ‘এ পরের বউ না!’

    ‘ফের মিথ্যে কথা, চল।’ ছেলেটির হাত খপ করে ধরল টর্চওয়ালা।

    অর্ক এর মধ্যে ওদের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। পুলিসগুলো ওকে দেখে দাঁত বের করে হাসল, ‘সব বৃন্দাবন করে ছেড়েছে!’

    ‘ওদের ছেড়ে দিন।’ অর্ক পুলিসদের দিকে তাকিয়ে হাসল।

    ‘ছেড়ে দেব, কেন?’

    ‘ওরা স্বামী-স্ত্রী।’

    ‘আপনি এদের চেনেন?’

    ‘চিনি।’

    এই সময় একটা পুলিস বলে উঠল, ‘এ শালা নিশ্চয়ই সাকরেদ।’

    অর্ক আবার হাসল, ‘ওসব বলে কোন লাভ হবে না। আপনারা ওদের থানায় নিয়ে যেতে চান, চলুন, আমিও যাচ্ছি। এরা যে স্বামী-স্ত্রী তা প্রমাণ করতে কোন অসুবিধে হবে না। আপনারা কেস চান তো অন্য জায়গায় দেখুন।’

    ‘আপনি থানায় যাবেন?’

    ‘হ্যাঁ। ডি সি নর্থ আমার মেসোমশাই।’

    এবার পুলিসগুলোর মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা গেল। একজন বলল, ‘যাঃ শালা। এদের ধরতে অন্য কেস হাতছাড়া হয়ে গেল। ঠিক আছে, আপনি যখন বলছেন এরা স্বামী-স্ত্রী তখন—, তবে যা করছিলেন তা কিন্তু বেআইনী।’

    অর্ক দেখল দূরের একটা ঝোপ লক্ষ্য করে ছুটে যাচ্ছে পুলিসগুলো। সঙ্গে সঙ্গে ছেলেটি অর্কর হাত চেপে ধরল, ‘আপনি আমাদের চেনেন?’

    অর্ক মাথা নাড়ল, ‘চিনি। কিন্তু ডি সি নর্থ আমার কেউ হন না, মিথ্যে বলেছি। না বললে ওরা আপনাদের নিয়ে ঝামেলা করত।’ কথাগুলো বলতে বলতে অর্ক অনুপমার দিকে তাকাচ্ছিল। অনুপমা যে তাকে চিনেছে বোঝা যাচ্ছে কারণ তার মুখ মাটির দিকে নামানো।

    ছেলেটি অবাক হয়ে বলল, ‘কি করে চিনলেন?’

    ‘আমি ওর পাশের ঘরে থাকি। কিন্তু এখানে আর আপনাদের দাঁড়িয়ে থাকা ঠিক নয়। চলে যান।’

    ছেলেটি অনুপমার দিকে তাকাল। তারপর বলল, ‘আপনিও চলুন না, ওই গেটটা পর্যন্ত গেলেই চলবে।’

    মিথ্যে কথাটা বলার পর থেকেই অর্কর অস্বস্তি হচ্ছিল। কোন কিছু চিন্তা না করে ও তখন পুলিসগুলোকে ভোলাতে মিথ্যে বলেছে। খুব বড় ওপরওয়ালার নাম শুনলে ওরা দমে যায় সেটা হাতে হাতে প্রমাণ হল। বিলু ঠিকই বলেছিল। কিন্তু হঠাৎ যদি পুলিসগুলো ফিরে এসে জিজ্ঞাসা করে মেসোমশাই-এর নাম কি তাহলে সে বলতে পারবে না। অর্কর অস্বস্তির সঙ্গে ভয় মিশল। সে ছেলেটির সঙ্গে গেটের দিকে পা বাড়াল। পেছনে চুপচাপ অনুপমা।

    হাঁটতে হাঁটতে অর্কর মন খিঁচিয়ে উঠল। এরা আর জায়গা পেল না ওসব করার। বিয়ে করেছে তবু মাঠের অন্ধকারে এসে পুলিসকে কথা বলার সুযোগ দিচ্ছে। এদের সমর্থনে এগিয়ে যাওয়াই ভুল হয়েছে। তখন পুলিসগুলো এমন গলায় ধমকাচ্ছিল আর অনুপমার মুখের চেহারা যেভাবে চুপসে গিয়েছিল যে সে চুপচাপ বসে থাকতে পারেনি। এখন মনে হচ্ছে সে একটা অন্যায়কে সমর্থন করেছে। প্রকাশ্যে ওসব করা নিশ্চয়ই জঘন্য ব্যাপার নোংরামি। এসব নিয়ে যত ভাবছিল তত উত্তেজিত হচ্ছিল। এই সময় ছেলেটি বলল, ‘সিগারেট খাবেন?’

    কথাটা অর্ককে আরও উস্কে দিল। সে গম্ভীর মুখে জিজ্ঞাসা করল, ‘ঘুষ দিচ্ছেন?’

    ‘ঘুষ? মানে?’

    ‘বোঝেন না? ন্যাকা! না?’

    ‘বিশ্বাস করুন আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।’

    ‘এখানে কি করতে এসেছিলেন? এই মাঠের অন্ধকারে?’

    ছেলেটা এবার যেন দমে গেল। সে পলকে অনুপমাকে দেখে নিল। অনুপমার মুখ পাথর, অন্যদিকে ফেরানো। ছেলেটি বলল, ‘আমরা গল্প করছিলাম। আসলে কোন রেস্টুরেন্টে বেশীক্ষণ বসা যায় না, পয়সা খরচ হয়, তাই মাঠে বসেছিলাম।’

    ‘শুধু বসেছিলেন? তাহলে পুলিসগুলো আপনাদের কাছে গেল কেন?’

    ছেলেটি এবার উত্তেজিত হল, ‘ওরা যা বলেছে তার সবটা সত্যি কথা নয়। ওরা বাড়িয়ে বলেছে।’

    অর্ক মাথা নাড়ল, ‘আপনারা স্বামী-স্ত্রী। এখানে এসে—।’

    এবার ছেলেটি যেন চট করে নিবে গেল। তারপর নিচু গলায় বলল, ‘আপনি নিশ্চয়ই জানেন অনু ওর বাবার কাছে আছে।’

    ‘জানি। কদিনের জন্যে—।’

    ‘কদিনের জন্যে নয়, আমরা একটাই ঘরে পাঁচজনৈ থাকি। বউ নিয়ে আলাদা শোওয়া তো দূরের কথা একটু গল্প করার সুযোগ পর্যন্ত আমাদের নেই। বাবার কাছে এলেও ওই একই অবস্থা। আলাদা যে ঘর নেব তাও ম্যানেজ করে উঠতে পারছি না। বিশ্বাস করুন, বিয়ে করেও আমরা ঠিক স্বামী-স্ত্রীর মত নেই।’

    কথাটা শুনে অর্ক এবার অনুপমার মুখের দিকে তাকাল। অনুপমা এতক্ষণে স্পষ্ট চোখে তাকে দেখছে। একটুও সঙ্কোচ কিংবা লজ্জা অথবা অপরাধবোধ নেই।

    অর্ক আর দাঁড়াল না। একটা কথা না বলে সে গেট পেরিয়ে একা একা হন হন করে হাঁটতে লাগল৷ এই প্রথম তার মনে হল পুলিসটার কাছে মিথ্যে কথা বলে সে অন্যায় করেনি। কিন্তু কি অবস্থা, স্বামী-স্ত্রীকে ঘরের ভিড় থেকে বেরিয়ে আসতে হয় মাঠের নির্জনে। এদের জন্যে একটা কষ্ট বুকে মুখ তুলতেই সে দাঁড়িয়ে গেল আচমকা। বাবা এবং মাকে জ্ঞান হবার পর থেকে সে কোনদিন কাছাকাছি দ্যাখেনি। তাদের ওই ছোট্ট একটা ঘরে সে একাই কি ভিড় হয়ে ব্যবধান তৈরি করেছিল?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালবেলা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }