Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. উঠে দাঁড়াতে গিয়ে অর্ক দেখল

    পাঁচ

    উঠে দাঁড়াতে গিয়ে অর্ক দেখল শরীর নড়বড়ে, দুটো হাঁটু যেন অকেজো হয়ে গিয়েছে। চোখের দৃষ্টি বারংবার ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে। আর পেটের ভেতরে জমে থাকা যাবতীয় তরল এবং গলিত পদার্থ পাক খেয়ে ঢেউ-এর মত গলা অবধি উঠে আবার নেমে যাচ্ছে। যতক্ষণ বসেছিল ততক্ষণ এসব এমন করে টের পায়নি। দু’তিন গ্লাস খাওয়ার পর বেশ মজা লাগছিল। একমাত্র খুরকি আর কিলা ছাড়া বাকিরা বেশ আলতু ফালতু বকছিল। সেই স্ত্রীলোকটি অন্ধকার থেকে বোতল আনছিল আর শুড্যাটা টাকা নিয়ে যাচ্ছিল। প্রথম প্রথম হিসেব ছিল ঠিকঠাক, কত টাকা খরচ হচ্ছে মনে রাখতে পারছিল কিন্তু তারপরেই সব গুলিয়ে গেল। এখন পকেটে টাকা আছে কিন্তু কত আছে তা সে জানে না। শরীরের সমস্ত শক্তি যখন আচমকা মরে গেল তখনও তার ভাবতে কোন কষ্ট হচ্ছিল না। অন্যদের থেকে যে তার বুদ্ধি সাফ এটুকু জেনে সে খুশি হচ্ছিল। কিন্তু উঠে দাঁড়াতেই লোডশেডিং-এর মত সেটুকু হারিয়ে গেল। এখন মাথার ভেতরে কিছু নেই, একটা ঢেউ-এ ভাসছে যেন সে। কেউ যেন তাকে টানছে, অর্ক মুখ ফিরিয়ে দেখবার চেষ্টা করল, ‘কে বে?’

    গলার স্বর নিজের কাছেই অচেনা মনে হল। কেমন মোটা এবং জড়ানো।

    খুরকি বলল, ‘এদিকে আয়।’

    ‘কেন বে?’

    খুরকিও টলছিল। মুখের সামনে হাত নেড়ে বলল, ‘ভেগে পড়ি চল। এ শালারা আউট হয়ে গিয়েছে।’ কথাটা শেষ করেই খুরকি ওর বাজু ধরে টানতেই অর্ক হাঁটতে লাগল। গঙ্গার দিকে নয়, বিপরীত দিকের গলিতে ওরা ঢুকে পড়েছে। চারধার ঘুটঘুটে অন্ধকার। কয়েক পা যাওয়া মাত্র পেছন থেকে ডাক ভেসে এল, ‘আবে অক্ক, ফুটছিস কেন?’

    খুরকি দাঁড়িয়ে পড়ল, ‘অ্যাই কিলা, তোকে ডাকব ভেবেছিলাম কিন্তু একদম ভুলে গিয়েছি। এসো দোস্ত, আমরা তিনজনে যাই।’

    কিলা ততক্ষণে ওদের পাশে এসে পৌঁছেছে, ‘একদম বাতেলা করবি না, আমি ওয়াচ করছিলাম। তুই মুরগিকে নিয়ে হাওয়া হবি আমি জানতাম; ছোড় ইয়ার, আমার নাম কিলা।’

    খুরকি অর্ককে ছেড়ে কিলাকে জড়িয়ে ধরল, ‘না দোস্ত, তোকে ব্যাণ্ডেজ করতে পারি আমি? হাত মেলাও গুরু, দোস্তি হয়ে যাক।’

    অর্ক দেখল ওরা অনেকক্ষণ ধরে করমর্দন করল। কিলা কাকে মুরগি বলল? তাকে? অর্ক ঠিক ভেবে পাচ্ছিল না। তাকেই কি? কিন্তু সে কোন ঝামেলায় গেল না। পকেটে এখনও কিছু টাকা আছে। এগুলোকে সামলাতে হবে। দুটো হাত পকেটে ঢুকিয়ে দিল অর্ক।

    গলিটা এঁকেবেঁকে একসময় ট্রাম রাস্তায় উঠে এল। এখন চারপাশের দোকানপাট বন্ধ হয়ে গেছে। তার মানে, অর্ক বুঝল, বেশ রাত হয়ে গেছে। তার নিজের হাতে ঘড়ি নেই। সে কিলাকে জিজ্ঞাসা করল, ‘টাইম কত বে?’

    ‘কি হবে টাইম জেনে?’

    ‘বাড়ি যাব।’

    ‘তোর নেশা হয়েছে অক্ক! তুই শালা মাতাল।’

    ‘কোন খানকির ছেলে আমাকে মাতাল বলে?’ চিৎকার করে উঠল অর্ক, ‘জানিস আমি ভদ্রলোকের ছেলে। আমি বাড়ি যাব।’

    কিলা বলল, ‘বাড়িতে ঢুকলে তোর মা কি বলবে তোকে? আদর করে চুমু খাবে? বাবা মাল খেয়েছ, এসো হামি খাও। চুক চুক!’ জিভ দিয়ে শব্দ করল সে।

    আর তখনই ভয়টা মনে ঢুকে পড়ল অর্কর। সেকি সত্যি মাতাল হয়ে গেছে? সত্যি মা কি ওকে দেখেই বুঝতে পারবে? হঠাৎ কেমন ঠাণ্ডা লাগতে শুরু করল ওর। মা শালা তাকে ঠিক প্যাঁদাবে, হয়তো বাড়ি থেকে বের করে দেবে। বাপ শালা নুলো কিন্তু রাগলে চোখ জ্বলে। পুলিসকে প্যাঁদাতো তো এককালে! না, এখনই বাড়ি যাওয়া উচিত হবে না। কিন্তু সত্যি সে মাতাল? ফিস ফিস করে জিজ্ঞাসা করল সে খুরকিকে।

    খুরকি বলল, ‘ঠিক হ্যায়, পরীক্ষা হয়ে যাক তুই মাতাল কিনা? মাতাল হলে আমরা বাড়ি যাব না এখন, না হলে ফিরে যাব। ঠিক আছে?’

    অর্ক ঘাড় নাড়ল।

    খুরকি এগিয়ে গেল ট্রাম রাস্তার উপর। এখন দুপাশে ফাঁকা। গাড়ি কিংবা বাস চলছে না। তবে রিকশাঅলারা খুব ছোটাছুটি করছে। খুরকি চেঁচাল, ‘এই কিলা, তুই ওদিকে দাঁড়া। লাইনটার ওপরে।’

    একটা ট্রাম লাইনের এপাশে খুরকি ওপাশে কিলা দাঁড়াল। ঠিক হল ট্রাম লাইনের ওপর পা ফেলে অর্ক হেঁটে আসবে। যদি ওর পা লাইনের বাইরে পড়ে তাহলে প্রমাণ হবে সে মাতাল। কিলা আর খুরকি দুপাশে বসে এর বিচার করবে।

    ‘আমি মাতাল হইনি। এই লাইনের ওপর হেঁটে যাওয়া জলের মত সোজা।’ অর্ক কিলার সামনে লাইনে পা দিল। তাকে হাঁটতে হবে দশ হাত, যেখানে খুরকি দাঁড়িয়ে টলছে। কিলা চেঁচাল, ‘রেডি! স্টার্ট!’

    অর্ক পা ফেলল। এই পা কি তার নিজের? অনেক চেষ্টার পর লাইনেই পা পড়ল তার। পেছনের পা টেনে আনতে সাহস পাচ্ছিল না সে কিন্তু এগোতে হলে ওটাকে আনতেই হবে। স্থির হয়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে চোখের দৃষ্টিকে স্বচ্ছ করার চেষ্টা করল অর্ক। আর সেই সময় কানের কাছে আচমকা ঢং ঢং শব্দ বেজে উঠল তারস্বরে। অর্ক কোনক্রমে পেছন ফিরে তাকাল। দৈত্যের মত দুই জ্বলন্ত চোখে একটা ট্রাম ঠিক পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে কখন। ড্রাইভার ঘণ্টা বাজাচ্ছিল, এবার চিৎকার করে সরে যেতে বলল। এটা বোধহয় শেষ ট্রাম।

    খুরকি চেঁচাল, ‘আয় বে, হেঁটে আয়। হাঁটি হাঁটি পা পা!’

    ট্রামের ড্রাইভার যেমন চেঁচাচ্ছে, যাত্রীরাও মুখ বের করে গালাগাল দিচ্ছে। অর্ক পা ফেলল, ঠিক আছে কিন্তু তারপরই সে লাইনের বাইরে চলে গেল। সঙ্গে সঙ্গে ওরা দুজন চিৎকার করে হাততালি দিয়ে উঠল। অর্ক কিছু বোঝার আগেই গায়ে হাওয়ার ঝটকা লাগল। বিদ্যুৎচমকের মত ট্রামটা তার পাশ দিয়ে বেরিয়ে গেল।

    ‘তুই শালা মাতাল, ঠিক আছে।’ খুরকি কাছে এল।

    ‘মাতালের কাছে টাকা রাখতে নেই, ছিনতাই হয়ে যায়।’ কিলা হাত পাতল, ‘টাকাগুলো দে।’

    পা ফেলতে না পারার জন্যে নয়, ট্রামটার ছুটে যাওয়া শরীর অর্ককে খুব নার্ভাস করে দিয়েছিল। হাত পা অবশ হয়ে গিয়েছিল তার। সে কথাটা শোনামাত্রই সতর্ক হবার চেষ্টা করল, ‘কিসের টাকা?’

    ‘আরে চাঁদু, এখন বলে কিসের টাকা! বিলা হচ্ছে? ছাড়!’

    দু’ পকেটে হাত ঢুকিয়ে শক্ত হয়ে দাঁড়াল অর্ক, ‘কি বলছিস?’

    কিলা ওর কাঁধে একটা থাবড়া মারল আস্তে করে, ‘বিকেলবেলা অতগুলো মুরগি কাটলাম ন্যাড়ার মাকে দেখিয়ে, সেই মালগুলো দে বে?’

    ‘কি করবি? ওটা তো ন্যাড়ার মায়ের টাকা!’

    ‘একি মাইরি, মাতাল না হরিদাস পাল?’ হেসে গড়িয়ে পড়ল কিলা, ‘যার নামের টাকা সে তো কখন ফোট হয়ে গেছে, এতক্ষণে ছাই পর্যন্ত নেই। দে বে, আর কথা বলতে ভাল লাগছে না।’

    অর্ক বুঝতে পারছিল কিলার দাবি না মিটিয়ে সে পারবে না। তবু সে খুরকির দিকে তাকাল। খুরকি এক দৃষ্টিতে ওদের দেখছিল। এবার নীরবে মাথা নাড়ল, ‘কার বাপের টাকা বে?’

    সঙ্গে সঙ্গে কিলা ঘুরে দাঁড়াল, ‘মানে?’

    ‘কার বাপের টাকা যে তুই নিবি?’

    ‘খবরদার খুরকি, বাপ তুলে কথা বলবি না। এ টাকা আমার, সতীশদা আমাকে তুলতে বলেচে।’ কিলা এগিয়ে যাচ্ছিল খুরকির দিকে। কিন্তু কাছে যাওয়ার আগেই থমকে দাঁড়াল সে। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে টলতে লাগল। খুরকির হাতে তখন একটা চ্যাপ্টা খুর, খুরটাকে তুলে সে পরম স্নেহে চুমু খাচ্ছে। কিন্তু দৃষ্টি কিলার ওপর নিবদ্ধ।

    কিলা চেঁচিয়ে উঠল, ‘খুরকি! মাল সরা!’

    খুরকি উত্তর দিল না কথাটার। একটু হেসে বলল, ‘অক্ক, টাকাটা আমাকে দে!’

    কিলা দুটো হাত দুপাশে বাড়িয়ে বুক চিতিয়ে বলল, ‘না বে, ও টাকা আমার। সতীশদা না বললে ওই টাকা আমরা তুলতাম না। সতীশদা আমার পার্টির লোক তাই টাকা আমার।’

    খুরকি হাসল, ‘তোর সতীশের মুখে আমি—ফোট্‌। অক্ক, টাকাটা দে।’

    অর্ক বুঝতে পারছিল একটা কিছু গোলমাল হতে যাচ্ছে। রাস্তাটা এখন একদম ফাঁকা। সে এদের থামাতে চাইল, ‘মাইরি খুরকি, তুই এত চালাক আর এটুকু বুঝিস না কেন বে?’

    ‘কি বুঝি না?’

    ‘নিজেদের মধ্যে গোলমাল করলে মুশকিল হয়।’

    ‘নিজেদের মধ্যে মানে? ও শালা সতীশের জাঙ্গিয়া।’

    কিলা সঙ্গে সঙ্গে বলল, ‘তুই বে নুকু ঘোষের গেঞ্জি।’

    ঠিক সেইসময় দূরে একটা গাড়ির শব্দ ভেসে এল। শব্দটা শুনে খুরকি, চকিতে মুখ ফিরিয়ে চিৎকার করল, ‘ভাগ, গিরধর আসছে।’

    কথাগুলো মিলিয়ে যাওয়ার আগেই সে ঢুকে গেল পাশের গলিতে। কিলা এগিয়ে আসা গাড়িটাকে ভাল করে দেখে সুড়ুৎ করে সরে গেল।

    অর্ক প্রথমে বোঝেনি এরা কেন পালাচ্ছে। কত গাড়ি তো রাস্তা দিয়ে গিয়েছে, এটার কি বিশেষত্ব! তবু ওর মনে হল এই গাড়ি থেকে কোন বিপদ আসতে পারে। কিন্তু সে দৌড়াতে গিয়ে বিফল হল। শরীরের ওপর কোন অধিকার নেই যেন তার। এক পলকে চোখে পড়ল সামনেই একটা রক, রকের একটা দিকে উঁচু দেওয়াল। হুড়মুড় করে সে ওই দেওয়ালের গায়ে শুয়ে পড়তেই একটা লোক চিঁ চিঁ করে উঠল, ‘কে রে, মরে গেলাম, চেপে দিল রে, উঁহু হু।’ জড়ানো গলায় অর্ক ধমক দিল, ‘চুপ, পেট ফাঁসিয়ে দেব।’ শোনামাত্রই লোকটা চুপ করে গেল।

    অর্ক দেখল সারা শরীরে ছেঁড়া বস্তা চাপিয়ে একটা ভিখিরী টাইপের বুড়ো ওর পাশে শুয়ে জুলজুল করে দেখছে। হঠাৎ ওর বমি পেল। কয়েক গ্লাস বাংলা মদ খেয়ে যা হয়নি এই লোকটির পাশে শুয়ে তাই হল। দাঁতে দাঁত চেপে বমিটাকে সামলাচ্ছিল অর্ক। আর তখনই গাড়িটা এসে দাঁড়াল পাশের রাস্তায়।

    ভ্যান থেকে দু’তিনজন পুলিস নামল লাফিয়ে। একজন বলল, ‘মনে হচ্ছে শালারা গলিতে ঢুকেছে। ঢুকে দেখব?’

    ‘মাতাল ফাতাল হবে, ছেড়ে দে।’

    ‘মাতাল হলে পালাবে কেন?’

    টর্চের ভারী আলো পড়তে লাগল গলিতে। দেওয়ালের গায়ে। আর তারপরেই দ্রুত ছোটাছুটি শুরু হয়ে গেল। পুলিসগুলো গলির মধ্যে ঢুকে গেছে। অর্ক দেওয়ালের আড়ালে উপুড় হয়ে শুয়ে অনেক কষ্টে বমি সামলাচ্ছিল। এইসময় আলো এসে পড়ল রকের ওপর আর সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার, ‘কে ওখানে?’

    অর্ক ভিখিরীটার পেটে খোঁচা মারল। ভিখিরীটা বলল, ‘আমি।’ সরু নাকি গলা। চিঁ চিঁ করছে। সার্জেন্ট চিৎকার করল, ‘নেমে আয়।’

    ভিখিরীটা উঠবে কিনা ঠাওর করতে পারছিল না কিন্তু অর্ক আবার খোঁচা মারতেই উঠে বসল। তারপর ঘষটে ঘষটে পাঁচিলের আড়াল ছেড়ে নেমে এল ফুটে। সার্জেন্ট তার মুখে টর্চ ফেলে হতাশ হল, ‘যা শালা! আর শোওয়ার জায়গা পাস না?’

    চিঁ চিঁ করে ভিখিরাটা বলল, ‘এখানেই তো শুই।’

    তখনই গলি থেকে পুলিসগুলো বেরিয়ে এল, ‘সার, মাল পেয়েছি। এ শালার কাছে খুর ছিল।’

    সার্জেন্ট এগিয়ে গেল ভিখিরীকে ছেড়ে, ‘এসো চাঁদু, নাম কি?’

    খুরকির গলা শোনা গেল, ‘মাইরি, আমরা কিছু জানি না, কিছু করিনি আমরা।’

    ‘করিস নি তো ভাগছিলি কেন? হেভি টেনেছে মনে হচ্ছে। এখানে কি করছিলি?’ সার্জেন্ট জিজ্ঞাসা করল।

    ‘আমরা শ্মশান থেকে আসছি। ভ্যান দেখে ভয় লাগল।’

    ‘তোর কাছে খুর কেন?’

    ‘কুড়িয়ে পেয়েছি স্যার।’

    সার্জেন্ট জিজ্ঞাসা করল, ‘তোর নাম কি?’

    ‘কিলা। শ্মশান থেকে বাড়ি যাচ্ছিলাম।’

    ‘তোল শালাদের ভ্যানে। সার্জেন্ট ফিরে যাচ্ছিল। কিলা চিৎকার করল, ‘খুরকিকে তুলুন আমাকে না।’

    ‘খুরকি? ওর নাম খুরকি?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘আরে এ তো সেই বেলগাছিয়ার মাল। চমৎকার! তুমি কে হে নবাব? তোমাকে তুলব না কেন?’

    ‘আমি পার্টি করি।’

    ‘আচ্ছা! বেকায়দায় পড়লে সবাই ওই কথা বলে। ও কি করে? কংগ্রেস?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘তোল ওদের।’

    একটু বাদেই ভ্যানটা চলে যেতেই ওয়াক ওয়াক করে বমি তুলল অর্ক। এবং যতক্ষণ না শেষ জলটুকু পেট থেকে বের হল ততক্ষণ স্বস্তি পেল না। সে শব্দ শুনে ছুটে এসেছিল ভিখিরীটা, চিঁ চিঁ করে চেঁচিয়ে উঠল, ‘হায় বাপ! আমার বিছানার বারোটা বাজাল। তোমাকে আমি বাঁচালাম আর তুমি আমার সব্বনাশ করলে!’

    অর্ক উঠে বসেছিল। খুব অবসন্ন লাগলেও শরীর শান্ত হয়েছে এতক্ষণে। সে দেখল রকটা ভেসে গেছে। কোনরকমে নিচে নেমে পকেট থেকে একটা আধুলি বের করে ভিখিরীটার সামনে ধরল। সঙ্গে সঙ্গে মুখ চোখ পাল্টে গেল লোকটার, বলল, ‘একটা টাকা দাও, তোমাকে বাঁচালাম।’

    আবার পকেটে হাত ঢুকিয়ে নোট বের করল অর্ক। না, একটাকা তার কাছে নেই। শেষপর্যন্ত দুটো টাকার নোটই এগিয়ে দিয়ে সে ট্রাম রাস্তার ওপর এসে দাঁড়াল। কেউ কোথাও নেই। পুলিস ভ্যানটা কিলাদের নিয়ে হাওয়া হয়ে গিয়েছে। সে পিছু ফিরে গলির দিকে তাকাল। ওটা নিশ্চয়ই ব্লাইণ্ড লেন, না হলে ওদের ধরল কি করে!

    হঠাৎ সমস্ত শরীরে একটা শীতল স্রোত বয়ে গেল অর্কর। ভাগ্যিস সে গলির মধ্যে যেতে পারেনি তাহলে এতক্ষণ তাকেও ভ্যানে বসতে হত। মা কি থানায় আসতো? না। বাবা? না। শালা মুখ দেখানো যেত না মায়ের কাছে। কিন্তু এত রাত্রে একা একা বেলগাছিয়ায় ফিরবে কি করে সে? বমি হয়ে যাওয়ার পর শরীরটাও আর ঠিক নেই। তাছাড়া এত রাত্রে এই অবস্থায় বাড়ি যাওয়া অসম্ভব ব্যাপার।

    অর্কর খেয়াল ছিল না সে উল্টো দিকে হাঁটছে। হঠাৎ তার মনে পড়েছে যে পকেটে এখন অনেক টাকা আছে, অনেক। ওই ভ্যানটা না এলে টাকাগুলো আর তার পকেটে থাকতো না। কিন্তু এখন সে-ই এর মালিক। ওরা যদি পরে জিজ্ঞাসা করে তাহলে বলে দেবে ছিনতাই হয়ে গিয়েছে। কিংবা নেশার ঝোঁকে পড়ে গেছে। ওদের কতদিন আটকে রাখবে? যত বেশী দিন রাখে ততই মঙ্গল।

    বিডন স্ট্রীটের মোড়ে এসে দাঁড়িয়ে পড়ল অর্ক। মোড়ের মাথায় একটা সাদা অ্যাম্বাসাডার দাঁড়িয়ে আছে। আর ড্রাইভিং সিটে বসে একটা লোক হাত বের করে তাকে ডাকছে। তাকেই কি? অর্ক আশে পাশে তাকাল। কেউ নেই। সে আবার সামনে তাকাল। লোকটার মতলব কি? পুলিস নয়তো? পুলিসরা কি সাদা অ্যাম্বাসাডারে থাকে? সে ফুটপাথের ওপর উঠে দাঁড়াল। তখন লোকটা দরজা খুলে রাস্তায় পা দিল। অর্ক দেখল লোকটার পা টলছে, ওপরের শরীরটা নড়বড়ে, কোনরকমে দরজা ধরে দাঁড়িয়ে ওকে দেখছে। যাঃ শালা! লোকটা মাতাল! তাহলে ওর কাছে যাওয়া যায়। অন্তত এই রাত্রে একা একা কোলকাতায় ঘোরার চেয়ে ভদ্রমাতালের সঙ্গ ঢের ভাল। অর্ক পায়ে পায়ে এগিয়ে গেল। এতক্ষণে তার নেশাটা আর নেই বললেই চলে, চোখের দৃষ্টি বেশ সহজ। লোকটার কাছে গিয়ে অর্ক দেখল এ যে সে মাতাল নয়। ঝকঝকে সাদা শার্ট আর টাই, প্যান্টটাও বেশ দামী। কাছাকাছি হতেই ওকে খুঁটিয়ে দেখল লোকটা। দুটো ঠোঁট শক্ত করে চেপা, মাঝে মাঝে চোখ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তিনবার দেখে লোকটা বলল, ‘হু আর য়ু? কে তুমি?’

    ‘আমি অর্ক।’

    ‘অর্ক। অর্ক মানে কি? রাতদুপুরে অর্ক? ইয়ার্কি পেয়েছ? তুমি শুকতারা, না হল না, সপ্তর্ষি, নো নট কারেক্ট, তুমি কালপুরুষ।’ কথাটা খুঁজে পেয়ে যেন খুশি হল লোকটা।

    ‘ডাকছিলেন কেন?’

    ‘ডেকেছি, আমি? ও হ্যাঁ। তুমি কি গুণ্ডা না ছিনতাইবাজ?’

    ‘কেন?’

    ‘লজ্জা পেও না, বলে ফেল। আমার কাছে কিছু নেই, সব মিস তৃষ্ণা নিয়ে নিয়েছে। তৃষ্ণাকে চেন? চেন না? ওই যে পার্কটা ওর ওপাশে থাকে। তা ডেকেছিলাম কেন? হ্যাঁ, তুমি আমার গাড়িটাকে একটু ঠেলে দেবে? এই গাড়িটা বাস্টার্ড।’

    অর্ক বুঝতে পারল। কিন্তু লোকটা কোন দিকে যাচ্ছে? সে বলল, ‘উঠে পড়ুন, আমি ঠেলে দিচ্ছি।’

    ‘গুড ভেরি গুড।’ দরজা খোলা রেখেই লোকটা আবার স্টিয়ারিং-এ গিয়ে বসল। গাড়ির পেছনে চলে এল অর্ক। তারপর প্রাণপণে ঠেলতে লাগল গাড়িটাকে। একটু একটু করে নড়তে নড়তে গড়ালো চাকাগুলো। তিন চারবার চেষ্টা করে ইঞ্জিনটা চালু হল। অর্ক ভেবেছিল লোকটা স্পীড তুলে বেরিয়ে যাবে কিন্তু একটু এগিয়ে ব্রেক কষল, ‘এই যে মাই বয়, কাম হিয়ার।’

    অর্ক এগিয়ে গেল। লোকটা বলল, ‘তোমার নাম কি যেন?’

    ‘অর্ক।’

    ‘আবার অর্ক! কালপুরুষ। ইয়েস কালপুরুষ, আমি ভাল করে চোখে দেখতে পাচ্ছি না। তুমি জানো আমি কে?’

    ‘না।’

    ‘বিলিতি ডিগ্রি আছে আমার, য়ুনিভার্সিটির ফার্স্ট বয়, ইয়ার্কি মের না। আই অ্যাম নট এ পাতি মাতাল। বিলাস সোম।’

    ‘আপনি কোনদিকে যাবেন?’

    ‘লেকটাউন। হোয়াই ?’ লেকটাউন! তাহলে তো বেলগাছিয়া দিয়ে যেতে পারে। সে ঝুঁকে জিজ্ঞাসা করল, ‘আমি বেলগাছিয়ায় যাব, নিয়ে যাবেন?’

    ‘নো, এতরাত্রে অচেনা অজানা একটা কালপুরুষকে লিফট দিয়ে যদি খুন হয়ে যাই, নো নেভার।’ লোকটা গাড়িটা ছেড়ে দেবার উপক্রম করল। অর্ক মরিয়া হয়ে চেঁচাল, ‘শুনুন, যাবেন না। আমি আপনাকে খুন করতে যাব কেন? তাছাড়া আমার কাছে কোন অস্ত্র নেই।’

    ‘পেটে গোঁজা আছে।’

    ‘নেই, দেখুন।’ জামা তুলে দেখাল অর্ক।

    ‘তুমি ড্রিঙ্ক করেছ?’

    ‘করেছিলাম।’

    ‘হুইস্কি?’

    ‘না, বাংলু।’

    ‘যা বাব্বা! তুমি তো ছুপা রুস্তম। ছোলা উইদ বাংলু। তাহলে উঠে এসো বাবা, তুমি আমাকে গাইড করবে।’ মাথা নাড়ল লোকটা।

    সঙ্গে সঙ্গে গাড়িটাকে আধ পাক ঘুরে অর্ক সামনের সিটে উঠে বসল। লোকটা বেশ জোরে গাড়ি চালাতে লাগল। ট্রাম রাস্তার ওপর ভীষণ বেঁকেচুরে যাচ্ছিল, ওপাশ থেকে কিছু এলেই ধাক্কা লাগবে। অর্ক চেঁচিয়ে উঠল, ‘এত জোরে চালাবেন না, আস্তে আস্তে।’

    লোকটা কোন উত্তর দিল না। মাঝে মাঝে চোখ বন্ধ করছিল আবার যেন কোনক্রমে শক্তি জড়ো করে উঠে বসছিল। দুটো পুলিশ কনস্টেবল ব্যাপারটা দেখে চিৎকার করে উঠল। লোকটা তাদের সামনে দিয়ে উড়িয়ে নিয়ে গেল গাড়ি। অর্ক ওর হাত ধরতে গিয়ে সামলে নিল। যে কোন মুহূর্তে অ্যাক্সিডেন্ট ঘটবে কিন্তু হাত ধরলে এখনই। সে অনুনয় করতে লাগল গাড়িটাকে থামাবার জন্যে। লোকটা হঠাৎ হা হা করে হেসে উঠল, ‘স্পীড মোর স্পীড। আরো জোরে ছুটে যাও। ফাক্‌ দি টাইম, সময় ডিঙ্গিয়ে যাও।’

    লোকটা হাসছিল আর পাগলের মত মাঝে মাঝে স্টিয়ারিং থেকে হাত তুলে লাফিয়ে উঠছিল। অর্ক একবার বাইরের দিকে তাকাল। বাড়িগুলো কাছে আসছে আর সরে যাচ্ছে। এই অবস্থায় দরজা খুলে লাফিয়ে পড়লে বাঁচতে হবে না। অথচ আজ বেঁচে থাকার কোন উপায় নেই। এত দ্রুতগতি যে ওর সমস্ত শরীর সিরসির করছিল। বাগবাজার দিয়ে গাড়িটা সোজা আর জি করের মুখে আসতেই আচমকা লাফিয়ে উঠল গাড়িটা। অর্কর মনে হল যে শূন্যে উড়ে যাচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে ধপাস করে সিটে আছড়ে পড়তেই সে ব্রেকে হাত দিল। তিন নম্বরের সামনে দাঁড়ানো গাড়িগুলোর চেহারা দেখে ওর এটুকু জানা ছিল। কিন্তু গাড়ির গতি এত বেশী যে সঙ্গে সঙ্গে দুপাক ঘুরে গেল গাড়িটা। ঘুরে দড়াম করে ধাক্কা মারল পাশের দেওয়ালে। অনেকটা ঘষটে গিয়ে গাড়িটা যখন স্থির হল তখন চারপাশে হই চই পড়ে গিয়েছে। ফুটপাথের ঘুমন্ত মানুষগুলো জেগে উঠে চিৎকার শুরু করে দয়েছে। অর্ক আচমকা আঘাতে মুখ থুবড়ে পড়েছিল লোকটার ওপরে। লোকটার একটা হাত সামনের কাঁচ ভেঙ্গে বেরিয়ে গেছে। মুখটা ড্যাসবোর্ডের ওপরে, শরীর ঝুলছে। কোনক্রমে নিজেকে তুলতে গিয়ে অর্ক দেখল লোকটার বুক পকেট থেকে ছিটকে বেরিয়ে এসে একটা কিছু তার মুখের ওপর ঝুলছে। হাত দিয়ে টেনে নিতে সে দেখল একটা চকচকে হার।

    ততক্ষণে মানুষজন ছুটে এসেছে। দরজা খুলে ওরা প্রথমে লোকটাকে নামাল। তারপর অর্ককে। অর্কর কনুই এবং কপালে খুব যন্ত্রণা হচ্ছিল কিন্তু রক্ত পড়ছিল না। লোকটা এখন একদম অজ্ঞান। সাদা শার্ট দ্রুত রক্তে লাল হয়ে যাচ্ছে। লোকগুলো বলল, মরেনি মরেনি। ওরা ওকে কাঁধে তুলে নিল, অর্ককেও ছাড়ল না। অর্ক যত বলে তার কিছু হয়নি তবু শুনল না। এই সময় অর্কর খেয়াল হল ওর হাতের মুঠোয় হারটা ঝুলছে। কোনরকমে সে ওটাকে পকেটে ঢুকিয়ে রাখল।

    পাশেই আর জি কর হসপিটাল, পৌঁছাতে দেরি হল না। এমার্জেন্সিতে পৌঁছাতেই লোকটাকে দ্রুত ভেতরে নিয়ে গেল ওরা। অর্ককে ফাস্ট এইড দিয়ে নাম ধাম জিজ্ঞাসা শুরু করল। লোকটার নাম সে জানে না বলতে গিয়েই আচমকা খেয়াল হল। সে বলল, ‘বিলাস সোম, ইঞ্জিনিয়র, লেকটাউনে থাকেন।’ তারপর ভেবে নিয়ে জানাল, ‘ব্রেক ফেল করায় অ্যাকসিডেণ্ট হয়েছে।’ নিজের নামধাম ঠিকঠাক বলার পর ওর খেয়াল হল এখনই না হসপিটাল থেকে বাড়িতে খবর দেয়। কিন্তু সেরকম কোন চেষ্টাই দেখা গেল না। যারা পৌঁছাতে এসেছিল তারা ফিরে গেলে সে একা বসে রইল কিছুক্ষণ হাতে মাথায় প্লাস্টার লাগিয়ে। হসপিটালের একজন এসে বলল, ‘পুলিসকে খবর দিয়েছি, তুমি ওর বাড়িতে খবর দিয়ে দাও। কণ্ডিশন সিরিয়াস। ভদ্রলোক ড্রাঙ্ক ছিলেন।’

    অর্ক মাথা নাড়ল। তারপর ধীরে ধীরে বেরিয়ে এল বাইরে। কনুইটা কনকন করছে। খোলা আকাশের তলায় আসতেই ঠাণ্ডা বাতাস লাগল। এখন শেষ রাত। কেউ তাকে বাধা দিচ্ছে না। কেউ জিজ্ঞাসা করেনি তার সঙ্গে লোকটার কি সম্পর্ক! হঠাৎ ওর মনে হল, এখান থেকে পালিয়ে যাওয়া উচিত। যত তাড়াতাড়ি। লোকটা যদি মরে যায় তাহলে পুলিস নিশ্চয়ই তাকে ধরবে। অথচ সে কিছুই জানে না। নিজের নাম ধাম ঠিকঠাক বলার জন্যে খুব আফসোস হচ্ছিল তার।

    এইসময় দুটো লোক তার দিকে এগিয়ে এল। একজন একটা প্লাস্টিকের ব্যাগ আর চাবির রিং এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘গাড়িটা গ্যাছে তবু লক করে দিলাম। এই নিন।’

    অর্ক নিঃসাড়ে হাত বাড়াল। তারপর মাথা নাড়ল। লোকগুলো যেন পবিত্র কর্ম করেছে এমন ভঙ্গীতে চলে গেল। অর্ক দেখল রিং-এ দুটো চাবি। ব্যাগটার মধ্যে কয়েকটা কাগজপত্র এবং বিলাস সোমের ড্রাইভিং লাইসেন্স। লেকটাউনের ঠিকানাটা রয়েছে সেখানে। পকেটে ঢুকিয়ে রাখতে গিয়ে ও হারটার স্পর্শ পেল। নিশ্চয়ই দামী হার অথচ লোকটা বলেছিল তার কাছে কিছু নেই। লোকটা কি তাকে ভয় পেয়েই জোরে গাড়ি চালাচ্ছিল!

    ব্রিজের ওপর দিয়ে হেঁটে আসছিল অর্ক। ভোর হচ্ছে। নিচে মালগাড়ির ইঞ্জিন চলতে শুরু করেছে। হারটাকে ঝেড়ে দেওয়া যায়। কেউ টের পাবে না। হঠাৎ খুব আনন্দ হতেই সে চুপসে গেল। ভদ্রলোক তাকে বলেছিল, ছুপা রুস্তম। কেন? এইজন্যেই কি?

    পাড়ার মোড়ে সকাল হওয়া আবধি বসে রইল সে। ক্রমশ পৃথিবীটা আলোকিত হলে মাধবীলতা বেরিয়ে এল গলি থেকে। এই ভোরের আলোয় মাকে দেখল অর্ক। মাথা ঝুঁকে পড়েছে, খুব ক্লান্ত পায়ে হাঁটছে। পরনের শাড়িটা আধময়লা, ব্যাগটা বুকের কাছে ধরা। কোনদিকে না তাকিয়ে মাধবীলতা ট্রাম স্টপে গিয়ে দাঁড়াতেই অর্ক গলিতে ঢুকে পড়ল।

    নিমুর দোকানের সামনে বেশ ভিড়, সে চুপচাপ তিন নম্বরে পা বাড়াল, অনুদের ঘর বন্ধ। মোক্ষ বুড়ি জিজ্ঞাসা করল, ‘কে যায়?’ সাড়া দিল না অর্ক। নিজেদের ঘরের বন্ধ দরজার সামনে দাঁড়িয়ে সে নিঃশ্বাস ফেলল। খুব ভয় করছিল তার। কাল সকাল থেকেই সে ঘরের বাইরে। এরকম কখনো হয় নি। বাবা নিশ্চয়ই খুব রেগে আছে।

    সে দরজা ঠেলে ঢুকতেই দেখল অনিমেষ বিছানায় বসে, ‘কোথায় ছিলি’?

    ‘মড়া পোড়াতে গিয়েছিলাম।’

    ‘সেখানেই থেকে গেলি না কেন?’

    অর্ক কোন জবাব দিল না। হাত বাড়িয়ে গামছা নিয়ে ফের যখন বের হতে যাচ্ছে তখন অনিমেষ চিৎকার করল, ‘কথার উত্তর দিচ্ছিস না কেন?’

    চাপা দাঁতে অর্ক বলল, ‘যাকে দেবার তাকে দেব। তুমি আমাকে খাওয়াও না পরাও যে জিজ্ঞাসা করছ!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালবেলা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }