Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালপুরুষ – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প892 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫২. জরুরী মিটিং ছিল রাত্রে

     বাহান্ন

    জরুরী মিটিং ছিল রাত্রে।

    জলপাইগুড়িতে হঠাৎ শীত জাঁকিয়ে পড়েছে। রোদ না ওঠার আগে বিছানা ছাড়ার কোন কথাই ওঠে না। এত বছর আবহাওয়ার সঙ্গে পরিচয় না থাকায় অনিমেষ আরও অলস হয়ে পড়েছিল। মাধবীলতারা যখন গেল তখন বাতাসে সবে ঠাণ্ডার আমেজ আর এই কয়দিনেই সেটা দাঁত নখ বের করে কামড়াতে আঁচড়াতে শুরু করেছে। অবশ্য এই বাড়িতে তাড়াহুড়ো করার কিছু নেই। সময় যেন আটকে আছে। কারো বাইরে কোন কাজ নেই, খাও এবং ঘুমোও। সকাল দশটার আগে এই বাড়ির উনুনে আগুন জ্বলে না। হেমলতা অবশ্য একটু তাড়াতাড়ি ওঠেন। কিন্তু খাট থেকে নামেন না। সেখানে বসেই ঘন্টাখানেক চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে গুরুনাম করেন। আর তারপরেই তাঁর কথা বন্ধ হয়ে যায়। শরীরে চার পাঁচটা কাপড় চাপিয়ে বাগানে ঘুরে ঘুরে ফুল তোলা হয়ে গেলে সেই যে ঠাকুর ঘরে ঢোকেন বেলা এগারটার আগে তাঁর সময় হয় না বের হবার।

    ছোটমা ওঠেন দেরিতে। কিন্তু অনিমেষ মুখ ধুয়ে বারান্দার রোদে বসতে না বসতেই চা পেয়ে যায়। গরম চা আর এরারুট বিস্কুট। খানিক তফাতে আর একটা চেয়ারে বসে ছোটমা কথাবার্তা বলেন যেটুকু প্রয়োজন। বাড়ির মামলার ব্যাপারে উকিলের সঙ্গে দেখা করতে হবে কিনা, সেদিন বাজারে যাওয়ার প্রয়োজন আছে কিনা, কথাবার্তা এই চৌহদ্দিতে ঘোরাফেরা করে। কদিন হল অনিমেষ লোক লাগিয়ে বাড়ির ভেতরের জমি অনেকটা কুপিয়েছে। এতদিন আগাছা আর বড় ঘাসে জায়গাটার চেহারা ছিল বুনো, এখন কালো মাটি বেরিয়ে পড়ায় চোখে অন্যরকম দেখাচ্ছে। ছোটমা ওই কোপানো মাটিটা নিয়ে বেশ মেতে রয়েছেন। এর মধ্যে লোক দিয়ে কপির চারা পুঁতে দেওয়া হয়েছে ছড়িয়ে। নিয়ম করে দুবেলা জল দেওয়া চলছে। অনিমেষ লক্ষ্য করেছে কচি চারাগুলোর দিকে তাকিয়ে ছোটমার মুখে বেশ বাৎসল্যভাব ফুটে ওঠে।

    আজ সকালে কপি নিয়ে কথা বলতে বলতে হঠাৎ ছোটমা জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কিছু মনে করো না, একটা কথা জিজ্ঞাসা করব বলে কদিন থেকে ভাবছি।’

    ‘বল।’ অনিমেষ ঠাওর করতে পারছিল না।

    ‘তোমার বউ গিয়ে অবধি পৌঁছ-সংবাদও দিল না কেন?’

    অনিমেষ অস্বস্তিতে পড়ল, ‘দিয়েছে হয়ত, যা ডাকের গোলমাল—।’

    ‘তাই বলে চিঠি আসবে না এ কেমন কথা। বেশ কয়েকদিন হয়ে গেল।’

    ‘এসে যাবে।’

    ছোটমা আর কথা তোলেননি। কিন্তু কিছুক্ষণ গুম হয়ে বসে ছিল অনিমেষ। যত দিন যাচ্ছে একটা জেদ তার মধ্যে তিল তিল করে মাথা তুলছে। জেল ছেড়ে বের হবার পর কতগুলো বছরে সে কিভাবে বেঁচে ছিল? একটা কেন্নোর মত, মেরুদণ্ডহীন। যা কিছু গৌরব তা ছিনিয়ে নেবার জন্যে মাধবীলতা দিন রাত পরিশ্রম করে গিয়েছে। হয়তো অর্কর চোখে তার মা অনেক বিরাট, অনেক মহান। তাকে একটা খাঁচার মধ্যে আটকে রেখে মাধবীলতা হয়তো সুখী ছিল, আত্মপ্রসাদ লাভ করত কিন্তু সে দিন দিন ক্লীব থেকে ক্লীবতর হয়ে যাচ্ছিল। আজ যদি তার সঙ্গে সম্পর্ক না রাখতে চায় মাধবীলতা সে কেন হেদিয়ে মরবে। বরং এখানে এসে সে মানসিক দিক দিয়ে অনেক সুস্থ আছে। এখন মনে হয় অনেক কাজ করা যাবে। ঈশ্বরপুকুর লেনে থাকতে কাজ করতে চাওয়ার ইচ্ছেটাই লোপ পেয়ে গিয়েছিল।

    অনিমেষ অবশ্য এখন অনেক সক্রিয়। সে ক্রাচ বগলে নিয়ে বাজারে যায়, উকিলের সঙ্গে দেখা করে, দরকার মত হেঁটে আসে চারপাশে। আর আছে জুলিয়েন। অনিমেষ এখনও নিজে সরাসরি জুলিয়েনের সঙ্গে কাজে নামেনি। কিন্তু আলোচনার সময় সে খবর পায়। ঠিকঠাক হাজির হয়, পরিকল্পনায় মতামত দেয়। দলের ছেলেরা যে তাকে গুরুত্ব দিচ্ছে এটা সে বুঝতে পারে, এবং বুঝে তার ভাল লাগে। নিজেকে আর খেলো বলে মনে হয় না। কিন্তু এসব সত্ত্বেও অনিমেষ একটি ব্যাপারে খুব অসহায় বোধ করে। মাধবীলতার ওপর নির্ভরতা তাকে টাকা পয়সার ব্যাপারে ভাবনা-চিন্তা থেকে বিরত রেখেছিল। এখন যত দিন যাচ্ছে সেটা প্রবল হচ্ছে। দুবেলা ডাল-ভাত খেয়ে শুয়ে থাকলে মহীতোষের রেখে যাওয়া টাকার সুদে হয়তো কোনরকমে চলে যায় কিন্তু এই বাড়ির কাছে নিজেকে মূল্যহীন বলে মনে হয়। কথাটা একদিন সে জুলিয়েনকে বলেছিল, ‘কি করা যায় বলুন তো! এভাবে বসে বসে খেতে ইচ্ছে করছে না।’

    জুলিয়েন হেসেছিল, ‘তাহলে মাঠে নেমে পড়ুন। জীবনের আদ্দেকের বেশি তো খরচ হয়ে গেল, আমার তো আরো বেশি। কিছুই করা হল না। বাকি সময়টায় কিছু করতে হলে বাড়ি ছেড়ে চলে আসুন। গ্রামে কাজ শুরু করে দিন কিংবা চা বাগানে চলে আসুন।’

    এই একটা ব্যাপারে সামান্য দ্বিধায় ছিল অনিমেষ। যে কারণে সে মাধবীলতার সঙ্গে কলকাতায় ফিরে যায়নি সেই কারণে চটজলদি এই বাড়ি ছেড়ে যায় কি করে? দুজন প্রায় অশক্ত মানুষ তার মুখের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। সে কিছুই করছে না তবু নাকি এরা স্বস্তিতে আছে। এখন দিন-রাতে হেমলতা হুটহাট করে বাড়ির ভেতরে মানুষ ঢুকতে দেখেন না। জলপাইগুড়ির সমস্ত চোর-ছ্যাঁচোড় বুঝি জেনে গেছে এই বাড়িতে অনিমেষ আছে। এক কথায়, এই বিশ্বাস এবং নির্ভরতাকে উড়িয়ে দিয়ে বেরিয়ে যেতে তার বিবেকে লাগছে। অবশ্য কাছাকাছি গ্রাম কিংবা চা-বাগানে জুলিয়েনের কথামতন গেলে সে জলপাইগুড়ির সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারে। চাই কি সপ্তাহে একদিন এখানে এসে থাকতে পারে যা কলকাতায় গেলে সম্ভব ছিল না। অনিমেষ সেই কথাটা ছোটমায়ের কাছে তুলল, ‘অনেকদিন তো হয়ে গেল এবার একটু নড়ে চড়ে বসি কি বল?’

    ছোটমা কথাটা বুঝতে না পেরে চোখ ছোট করে তাকালেন। অনিমেষ বুঝিয়ে বলল, ‘চুপচাপ বসে আছি এতে তো আরও অকর্মণ্য হয়ে যাব।’

    ছোটমা জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তুমি কি কোন কাজের খোঁজ পেয়েছ?’

    ‘ঠিক চাকরি-বাকরি নয় তবে ওইরকম আর কি!’

    ‘কোথায়?’

    ‘এখনও ফাইন্যাল হয়নি। একজন আমাকে বলেছে গ্রামে কাজ করতে যেতে। আমিও ভাবছি এভাবে বাড়িতে বসে খাওয়ার কোন মানে হয় না। এই বাজারে একটা মানুষ চুপচাপ বসে থাকবে সেটাও ভাল দেখায় না।’

    ‘তোমার কি খুব অসুবিধে হচ্ছে?’

    ‘ঠিক তা নয়। আমি তোমাকে বোঝাতে পারছি না বোধহয়—!’

    ‘বুঝেছি।’

    অনিমেষ দেখল ছোটমা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। তার চোখ গেটের দিকে। সেখানে একটা ল্যাজঝোলা পাখি চুপচাপ বসে রয়েছে। কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে অনিমেষ বলল, ‘আমি প্রত্যেক সপ্তাহে একদিন বাড়িতে আসব।’

    ছোটমা মুখ না ফিরিয়েই বললেন, ‘যা ভাল বোঝ তাই করো। কিন্তু তোমার শরীর এত ধকল সইতে পারবে তো?’

    ‘এখন তো আমি অনেক ভাল আছি। সিঁড়ি ভাঙ্গতে সামান্য অসুবিধে হয় আর উঁচু জায়গায় উঠতে পারি না। কিন্তু অনেকটা হাঁটতে পারি।’

    ‘ভাল।’

    অনিমেষ বুঝতে পারছিল ছোটমা তার প্রস্তাবটাকে ঠিক মেনে নিতে পারছেন না আবার এমন ভান করছেন যে তাঁর কোন আপত্তি নেই! সে সামান্য হেসে বলল, ‘তোমার কোন অসুবিধে হবে না।’

    ছোটমাও এবার হেসে ফেললেন। তারপর চলে যেতে যেতে ঘুরে দাঁড়ালেন, ‘দ্যাখো, আমি তোমাদের মত শিক্ষিত নই। কিন্তু একটা জিনিস বুঝেছি। জীবনের একটা সময় আসে যখন আর কিছুই চাইতে নেই। তখন সবই দিয়ে যাওয়ার সময়। আর, আর কেউ না জানুক আমার জীবনে এমন সময় কখনও আসেনি যখন আমি জোর গলায় চাইতে পেরেছি। এখন তো আর সে প্রশ্ন ওঠে না।’

    ছোটমা চলে যাওয়ার পর অনিমেষ অনেকক্ষণ চুপচাপ বসেছিল। কথাটা সত্যি ভীষণ সত্যি। আর এই সত্যি কথাগুলো মেয়েরা সহজে বোঝে এবং বোঝায়। এটা সে বারে বারে দেখেছে। আর সেইসময় নিজেদের মধ্যে অনেক পার্থক্য সত্ত্বেও মেয়েরা এক হয়ে যায়। তার মনে হল, মাধবীলতা এখানে থাকলে ওই একই কথা বলত। ছেলেদের বোধহয় মনের বয়স বাড়ে না। সেই একই ভাবপ্রবণতার শিকার হয়ে তারা সারা জীবন বেঁচে থাকে। আর মেয়েরা যখন ছাড়ে তখন আমূল বদলে যায়।

    দুদিন আগে মন্টু এসেছিল। চল্লিশ পেরিয়ে গেছে অথচ ও সেই একই রকম থেকে গেছে। হৈ চৈ চিৎকার। স্থূল সামান্য ব্যাপার নিয়ে রসিকতা এবং শরীর নাচিয়ে হাসা, স্কুলের সেই মনটাকে ও এখনও লালন করছে। এই বারান্দায় বসে ও যতক্ষণ গল্প করেছে তার অনেকটাই মেয়েদের নিয়ে। বাল্যকাল থেকে মন্টু যাদের সঙ্গে প্রেম করেছে তারা এখন কে কোথায় আছে তারই বিশদ বিবরণ দিয়ে অদ্ভুত সুখ পাচ্ছিল। সেইসব মেয়েরা তাদের যৌবন এবং সৌন্দর্য হারিয়ে এখন কি করুণ হয়ে গেছে তার বর্ণনা দিয়ে যেন তৃপ্তি পাচ্ছিল মন্টু। তারপর হঠাৎই জিজ্ঞাসা করল, ‘তোর ছেলেটা কিন্তু বুদ্ধিমান। প্রেম-ট্রেম করে?’

    অনিমেষ হেসে ফেলেছিল, ‘কি জানি।’

    ‘নিশ্চয়ই করে। ওই বয়সে আমরা তিস্তার চরে মেয়েদের স্নান করা দেখতে যেতাম, তোর মনে নেই। তুই তো শালা উর্বশীর প্রেমে খাবি খাচ্ছিলি।’

    ‘কি আজেবাজে বকছিস?’

    ‘অবিরাম করকে তোর মনে নেই।’

    ‘অবিরাম নয় বিরাম, বিরাম কর।’

    ‘ওই একই হল। কলকাতায় ওদের সঙ্গে তোর দেখা হয় না?’

    অনিমেষ ঘাড় নেড়েছিল, ‘দেখছিস তো হাঁটা চলা করতে অসুবিধে হয়।’

    মন্টু বলল, ‘এখানে একবার নাকি এসেছিল। ছোট চুল, খুব সিগারেট খায়। তোর বউটা মাইরি খুব গম্ভীর। কি করে প্রেম করলি?’

    হঠাৎ অনিমেষের মনে হল মন্টু গলে গেলে ভাল হয়। ঠিক এইরকম তরল কথাবার্তা তার সহ্য হচ্ছে না। চল্লিশ পেরিয়ে গেলেও মানুষের বয়স বাড়বে না? যা কিছু ভাবনা-চিন্তা আদি রসে আবদ্ধ থাকবে? কথা ঘোরাবার জন্যে সে জিজ্ঞাসা করল, ‘তুই রোজ শিলিগুড়ি যাস?’

    ‘হ্যাঁ। না গেলে পয়সা আসবে কোত্থেকে! ঘুষের পয়সায় বাড়িটার চেহারা পাল্টে দিয়েছি। একদিন গিয়ে দেখে আসিস।’

    ‘ঘুষের পয়সায় নিজের চেহারাটা পাল্টাতে পারিস না?’

    ‘মানে?’ মন্টু প্রথম অবাক হয়েছিল।

    ‘এই যেমন, তুই নিজের চেহারা মেরামত করে বাইশ বছরে নিয়ে গেলি, পারিস না?’

    মন্টু হাসল, ‘তা তো হয়ই। ষাট বছর বয়সে লোকে ভিয়েনায় গিয়ে চামড়া পাল্টে আসে, জানিস না? আরে এসব করতে হলেও দু নম্বরী মাল চাই।’

    অতএব মন্টু ভাল আছে। ওর সঙ্গে যারা পড়াশুনা করত তারাও যে যার মত আছে। শুধু অনিমেষ বেকার, অকর্মণ্য। মন্টু যেন ওর ব্যাপারে বেশ চিন্তিত হয়ে পড়ল। বলে গেল একটা কিছু ব্যবস্থা সে করার চেষ্টা করবে। অনিমেষের মনে হয় মন্টু আর আসবে না। যদি ও নেহাতই গবেট না হয় তাহলে বুঝতে পেরেছে যে অনিমেষ এখন আর তাকে পছন্দ করছে না। মন্টুর একটা কথা মনে পড়ছে অনিমেষের, ‘দ্যাখ, আমরা হলাম পাবলিক। আমরা রাজনীতির কিছুই বুঝি না। আমাদের অফিসে যে ইউনিয়ন জেতে আমি তাদেরই সাপোর্টার। গতবার কংগ্রেসী ছিলাম এবার সি পি এম। শালা, এ না করলে বাঁচা যাবে না।’

    কথাটা বোধহয় ভারতবর্ষের মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে খুব লাগসই।

    বিকেলে বেশ মেঘ করে এল। ঠাণ্ডাটাও জমেছে খুব। জলপাইগুড়িতে ইলেকট্রিক আলো প্রদীপের চেয়েও কমজোরী। তাও দুপুর থেকে নেই। সমস্ত বাড়িটার ওপরে একটা মরা ছায়া চেপে বসেছে অনেকক্ষণ। হেমলতা বিকেল তিনটেয় খেয়ে শুয়ে পড়েছেন। আজকাল তাঁর রাত অনেক বড়। অনিমেষ গেটের সামনে দাঁড়িয়েছিল। এইসময় পিয়ন এই পথে যায়। মাধবীলতা শেষপর্যন্ত চিঠি দিল না। কিন্তু তার মনে হত শেষপর্যন্ত একটা চিঠি না দিয়ে ও পারবে না। অর্ক যা জেনে গেছে তা ওর পক্ষে হয়তো খুবই কষ্টকর কিন্তু ছেলেটা তো পাল্টে যাচ্ছিল। অনেক কিছু সহজ চোখে দেখবার মত মন তৈরি হচ্ছিল। আকস্মিকতার আঘাত কমে গেলে ও কি নতুন করে ভাববে না? তাহলে ওর কাছ থেকেও একটা চিঠি পাবে অনিমেষ। এইসময়ে পিয়নের বদলে পরিতোষকে দেখতে পেল অনিমেষ। আরও বৃদ্ধ হয়েছেন পরিতোষ, লাঠিতে ভর রেখে কোনরকমে এগিয়ে আসছেন। অনিমেষকে দেখে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কেমন আছ?’ অনিমেষ মাথা নেড়ে ভাল বলল। লোকটাকে বেশ কিছুদিন বাদে দেখছে সে। ওধারে আদালতে মামলা দায়ের করেছে এধারে মুখে হাসি ঠিক ফুটিয়ে রেখেছে।

    পরিতোষ কাছে এসে বললেন, ‘বড় শীত পড়েছে হে, এত সহ্য হয় না।’

    যেন রোজ দেখা হচ্ছে, খুব প্রীতির সম্পর্ক ভঙ্গীটা এইরকম। অনিমেষ বলল, ‘শীত যখন তখন বেরুলেন কেন?’

    ‘না বেরিয়ে পারলাম না হে। তুমি কি চিরকাল এখানেই থেকে যাবে ভেবেছ?’

    ‘দেখি।’

    ‘তোমার ছেলে-বউ চলে গেল বলেই কথাটা বললাম কিছু মনে করো না।’

    অনিমেষ বৃদ্ধের মুখের দিকে তাকাল, ‘আপনি কেমন আছেন?’

    ‘ভাল নয় বাবা, মোটেই ভাল নয়। পথটা ছাড়ো, দিদির সঙ্গে দেখা করব।’

    ‘কেন আর জ্বালাতন করতে যাচ্ছেন। উনি ভাল নেই।’

    ‘ভাল নেই? সে কি? কি হয়েছে? ছাড়ো ছাড়ো পথ।’

    অনিমেষ লক্ষ্য করল পরিতোষ ওর প্রথম মন্তব্যটাকে আমলই দিলেন না। যেন কিছুই বলেনি অনিমেষ এমন ভঙ্গীতে ভেতরে ঢুকে গেলেন। এরকম মানুষের একটাই সুবিধে কেউ বেশীক্ষণ ওদের সঙ্গে ঝগড়া করতে পারে না। পরিতোষ ভেতরে যাওয়ার পর অনিমেষ বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করল। চিঠি নিয়ে পিওন আজ এই পথে এলোই না। পরিতোষকে বাড়িতে রেখে সে বেরিয়ে যেতে পারছিল না। সে দেখল ছোটমা বাইরের বারান্দায় এসে দাঁড়িয়েছেন, ‘অনিমেষ।’

    ‘বল।’

    ‘একবার ভেতরে গিয়ে দেখে এসো।’

    ‘কি হয়েছে?’

    ‘যাও না একবার।’

    সিঁড়ি ভাঙ্গার ঝামেলা এড়িয়ে অনিমেষ ক্রাচ নিয়ে বাগানের ভেতর দিয়ে হাঁটতে লাগল। হেমলতার ঘরের পাশে একটা ছোট দরজা আছে সেইটে বিশেষ কায়দায় বাইরে থেকেও খোলা যায়। এই কয়দিনে অনিমেষ কায়দাটা জেনে গেছে। ওই পথে গেলে তাকে ওঠা নামা করতে হবে না। ভেতরে ঢুকে অনিমেষ অবাক হল। হেমলতা কাঁদছেন। গোঙানির মত তাঁর কান্নাটা একটানা বাজছে। শুধু হেমলতা নয় আর একটা গলায় কান্না বাজছে। ওটা যে পরিতোষের তা অনুমানে বুঝল অনিমেষ। কিন্তু দুজনে একসঙ্গে কেন কাঁদবেন সেটাই সে ধরতে পারছিল না। এতদিন যে ভাইকে দুচোখে দেখতে পারেননি হেমলতা এখন কেন তার সামনে কাঁদবেন? অনিমেষের মনে হল ধূর্ত পরিতোষ নিশ্চয়ই কৌশল করছে। হেমলতাকে ভেজাতে পারলে মামলা জেতা তার পক্ষে সুবিধে হয়ে যায়।

    কি করা যায় বুঝতে পারছিল না অনিমেষ। শেষপর্যন্ত সে এগিয়ে গেল। দরজা খোলা, খাটের ওপর বাবু হয়ে বসে হেমলতা কেঁদে যাচ্ছেন, তার নিচে মোড়ায় বসে পরিতোষ, তার গলাতেও কান্না। ওকে দেখে হেমলতা চেঁচিয়ে উঠলেন, ‘ওরে অনি, দ্যাখ পরি কি কাণ্ড করেছে। আমার তো কেউ নেই। বাবা গেলেন, মহী গেল, প্রিয় কোথায় জানি না। এই আমাকে সব সম্পত্তি লিখে দিচ্ছে পরি। এ নিয়ে আমি কি করব? ঘাটের মড়া আমি—।’ কান্নাটা বাড়তেই পরিতোষের গলা তার সঙ্গে যোগ হল। কিন্তু সেইসঙ্গে শব্দগুলো জড়ানো ছিল, ‘আমারও কেউ নেই। পৃথিবীতে পরের মেয়ে কখনও আপন হয় না। সে যখন আমায় ছেড়ে চলে গেল তখন আমি কেন আর ছোট হই। আমি মামলা তুলে নিলাম দিদি, আমার যদি কিছু প্রাপ্য হয় সেটা তুমিই নিয়ে নাও।’

    হেমলতা পরিতোষের কাঁধে হাত রাখলেন, ‘না রে ভাই, আমি আর বন্ধন চাই না। এখন চোখ বন্ধ করলেই আমি বাবাকে দেখতে পাই। বাবা সবসময় আমার পাশে আছেন। ওই দ্যাখ, বাবা তোর পেছনে দাঁড়িয়ে হাসছেন। বাবা, দেখুন, পরির কত পরিবর্তন হয়েছে। ও আর মামলা করবে না বলছে। পরিকে আপনি ক্ষমা করুন বাবা, ও ওর ভুল বুঝতে পেরেছে।’

    হেমলতার কথার ধরন এত আন্তরিক ছিল যে পরিতোষ চমকে উঠল। যেন সত্যিই সরিৎশেখরের অশরীরী আত্মা ঘরে ঘুরছে। চোখের জল মুছতে মুছতে পরিতোষ বেরিয়ে এল ঘর ছেড়ে। তার হাতে একটা কাগজ, ‘বাবা অনিমেষ, তোমার কাছে একটা ভিক্ষে আছে। আমার ছেলে-বউ সবাই আমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছে। তুমি আমাকে একটু থাকার জায়গা দেবে? আমি মামলা তুলে নিলাম।’

    পরিতোষের হাতের কাগজটা দুলছিল। অনিমেষ বলল, ‘আমার ওপর দুজন এই বাড়িতে আছেন। তাঁরা যদি অনুমতি দেন—।’

    ‘বউমা তো কখনই অনুমতি দেবে না। সে আমাকে দেখতে পারে না।’

    ‘তাহলে আমার কিছু বলার নেই।’

    অনিমেষ আর দাঁড়াল না। ব্যাপারটা তার নিজের কাছেই খুব খারাপ লাগছিল। পরিতোষ যদি সত্যি পরিত্যক্ত হন তাহলে সহানুভূতি আসেই। মামলা তুলে নিলে একটা বিরাট ঝামেলা থেকে বাঁচা যায়। কিন্তু এই বাড়িতে থাকলে ওঁকে খাওয়াবার দায়িত্ব যে এসে যায়! সেটা কম কথা নয়। কিন্তু পরিতোষকে যে বিশ্বাস করা মুশকিল। আজ একা এখানে ঘাঁটি গেড়ে কাল যে স্ত্রীপুত্রদের ডেকে আনবেন না তার নিশ্চয়তা কি! অতএব এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবার ভার ছোটমার ওপর ছেড়ে দেওয়াই ভাল।

    জলপাইগুড়িতে সন্ধ্যেটা বড্ড চটজলদি রাত হয়ে যায়। এবং শীতের রাত মানেই হু হু ধারালো দাঁত চকচক করে। রাত্রের খাওয়া শেষ করে অনিমেষ কিছুক্ষণ নিজের ঘরে বসেছিল। ছোটমা পরিতোষের প্রস্তাব গ্রহণ করেননি। এই নিয়ে হেমলতার সঙ্গে তাঁর মতান্তর হয়েছিল। হেমলতা হঠাৎ আজ তাঁর ভাই-এর ওপর দুর্বল হয়ে পড়েছেন। কিন্তু ছোটমার যুক্তির বিরুদ্ধে কিছুই বলতে পারেননি। হেমলতার যে চিন্তাশক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে সেটা স্পষ্ট বোঝা যায়। মৃত্যু যেন ওই মানুষটির চারপাশে বৃত্ত রচনা করে চুপচাপ অপেক্ষা করছে, আজকাল ওঁর দিকে তাকালেই এমন মনে হয়। ছোটমাও শেষপর্যন্ত ভেঙ্গে পড়েছিলেন, ‘আমি কার জন্যে এসব করছি। এ কি আমার সম্পত্তি? শুধু তোমার দাদু বাবার কথা ভেবে লোকের কাছে অপ্রিয় হচ্ছি। এখন থেকে যা সিদ্ধান্ত তা তোমাকেই নিতে হবে। আমার ওপর সবকিছু চাপিয়ে দেওয়া চলবে না। তুমিই এ বাড়ির উত্তরাধিকারী।’

    ঘরে বসে অনিমেষ উত্তরাধিকার শব্দটা নিয়ে নাড়াচাড়া করছিল, কিছু রেখে গেলে তবেই পরের পুরুষ সেটি পায়। উত্তরাধিকারসূত্রে অর্জিত সম্পত্তি, স্থাবর কিংবা অস্থাবর, রক্ষা করাই কর্তব্য। কিন্তু আগের পুরুষ যদি কিছুই না রেখে যায়? যদি একটা বিরাট শূন্য ছাড়া অতীতের কাছ থেকে কিছুই না পাওয়া যায় তবে? এই বাড়ি-ঘর হয়তো খুব সাধারণ জিনিস। কিন্তু সরিৎশেখরের চারিত্রিক দৃঢ়তা, একটা গোপন অনুচ্চার ভালবাসা, মহীতোষের নীরব আত্মোৎসর্গ যা তিনি তাঁর বাবার জন্যে অকাতরে করে গেছেন, ছেলের জন্যে প্রতিদান না চেয়ে নিঃশেষ হয়েছেন, সেগুলোর মূল্য এর পরের পুরুষরা জানবে না। কারণ অনিমেষরা এগুলোর কিছুই ওদের দিয়ে যেতে পারছে না। অতএব অর্ক কোন অর্থেই কারো উত্তরাধিকারী নয়। এই শব্দটাই তাই স্থবির হয়ে যাবে একসময়।

    দরজা ভেজিয়ে অনিমেষ বেরিয়ে এল বাইরে। ঠিক দশটায় ওদের মিলিত হবার কথা। এখন চারপাশে গভীর অন্ধকার। ঘরের বাইরে আসতেই ঠাণ্ডাটা যেন ঝাঁপিয়ে পড়ল। অনিমেষের ছেলেবেলার কথা মনে পড়ল। এরকম চুপচাপ দরজা ভেজিয়ে গিয়ে সে রাতের সিনেমা দেখেছে সরিৎশেখরকে ফাঁকি দিয়ে। আজ ছোটমাকে জানিয়ে যাওয়া হল না। কারণ এত রাতে যাওয়ার জায়গাটা সম্পর্কে ছোটমার কৌতূহল হবেই।

    রাস্তা ফাঁকা। ঠাণ্ডা হাওয়ায় হাড়ে কাঁপুনি আসছিল। বাঁধ পেরিয়ে বালির চরে এসে দাঁড়াতেই ওর মনে হল এটাকে আর বালির চর বলা যায় না। রীতিমতন ঘনবসতি হয়ে গেছে।

    মোট দশজন মানুষ আলোচনায় বসেছিল। অনিমেষ পৌঁছানোমাত্র আলোচনা শুরু হল। উত্তরবাংলার গ্রামের মানুষদের নিজস্ব সমস্যা আছে। সেইসব সমস্যা নিয়ে প্রথম কাজ শুরু করতে হবে। যে গ্রামগুলোকে নির্বাচন করা হয়েছে প্রাথমিক কাজ শুরু করার জন্যে সেই গ্রামগুলোয় দলের ছেলে আছে। অতএব তাদের সাহায্য নিয়ে কাজ করতে কোন অসুবিধে হবে না। মোটামুটিভাবে এই ব্যাপারে নির্বাচনের দায়িত্ব দেওয়া হল জুলিয়েনের ওপর। তারপরেই আর একটি প্রস্তাব উঠল। উত্তরবাংলার চা-বাগানগুলো আগেই করা যায়। এই চা-বাগানগুলোর অধিকাংশ মানুষ বাঙালি নয়। এই দেশের মাটিতে তাদের একশ বছর আগে রাঁচি-হাজারিবাগ থেকে ধরে আনা হয়েছিল। এরা নিজেদের পশ্চিমবঙ্গীয় মনে করে না। অথচ নিজেদের আদিগ্রামে ফিরে গেলে এদের জায়গা হবে না। কারণ এই মানুষগুলো সংখ্যায় এত বছরে কয়েকশ গুণ বেড়ে গেছে। তাছাড়া চা-শিল্প ছাড়া আর কোন কাজ এরা জানে না। এই মানুষগুলো নিজেদের নানা কারণে অবহেলিত ভাবে। এখনও এদের মধ্যে তেমনভাবে শিক্ষা সম্প্রসারিত হয়নি। অতএব এই কয়েক লক্ষ মানুষকে একত্রিত করার বড় সুযোগ আছে। গ্রামে কাজ শুরু না করে তাই চা বাগানেই আন্দোলন প্রথম ছড়ানো উচিত।

    কথাটা যেন বেশ উত্তেজনা ছড়ালো। চা-বাগানগুলো যেহেতু জঙ্গুলে এলাকায় এবং প্রত্যেকের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন তাই অনেক সুবিধে পাওয়া যাবে।

    অনিমেষ প্রথম প্রশ্ন করল, ‘কিন্তু এটার অন্য দিক আছে। আমরা যা চাইছি তা না হয়ে যদি সাম্প্রদায়িক ব্যাপার হয়ে যায়? আমরা নিশ্চয়ই চাইবো না একটা মদেশিয়াল্যাণ্ড করার দাবি উঠুক।’

    আলোচনা যখন জোর কদমে চলছে তখন দরজায় শব্দ হল। তারপরেই একজন সন্ত্রস্ত গলায় জানালো বাঁধের ওপর অস্ত্র হাতে কিছু লোক জড়ো হয়েছে। মনে হচ্ছে তাদের লক্ষ্য এদিকেই। সঙ্গে সঙ্গে সভা ভেঙ্গে দেওয়া হল। সভ্যদের বলা হল আত্মগোপন করতে। তাড়াহুড়ো করে সবাই কাঠের ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসতেই চিৎকার শুনতে গেল। শখানেক মানুষ মশাল হাতে তিস্তার চর ঘিরে ছুটে আসছে। সদস্যরা যে যেদিকে পারল দৌড়ে গেল। জুলিয়েন অনিমেষকে বলল, ‘এরা কারা বলুন তো?’

    অনিমেষ মাথা নাড়ল, ‘বুঝতে পারছি না।’

    জুলিয়েন বলল, ‘পালান।’ তারপরে অন্ধকারে মিলিয়ে গেল। কিন্তু এই বালির চরে অনিমেষ জানে তার পক্ষে জোরে হাঁটাও সম্ভব নয়। চারপাশে চিৎকার চেঁচামেচি চলছে। সে কিছুটা হেঁটে একটা বালির ঢিবির পাশে ক্রাচদুটো নিয়ে চুপচাপ বসে পড়ল।

    চোখের ওপরে একটা নারকীয় ঘটনা ঘটে গেল। আধঘণ্টার মধ্যে কয়েকটি মানুষ বেধড়ক মার খেয়ে বালির চরে চিরজীবনের মত লুটিয়ে পড়ল। উত্তেজিত মানুষগুলো যেন ডাকাত ধরার মত নৃশংস হল। অনিমেষ বুঝতে পারছিল এরা সাধারণ মানুষ, নেহাতই সাধারণ মানুষ। বালিতে বসে থাকায় অনিমেষ এদের নজর এড়িয়ে গেল।

    ভোরবেলায় অনিমেষ ফিরে এল বাড়িতে। কয়েকজন ডাকাতকে পাবলিক তিস্তার চরে ধরে ফেলেছে, অন্ধকার থাকতে থাকতে শহরে খবর ছড়িয়ে গেল। গেট খুলে সে অপ্রকৃতিস্থ অবস্থায় এগোতেই দেখল ছোটমা দাঁড়িয়ে। ওকে দেখতে পেয়ে ছোটমা ছুটে এলেন, ‘তুমি কেমন আছ?’

    ‘ভাল।’

    ‘একটা টেলিগ্রাম এসেছে মাঝ রাত্রে।’

    ‘টেলিগ্রাম?’

    ‘হ্যাঁ। কি হয়েছে?’ অনিমেষ আর ভাবতে পারছিল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালবেলা – সমরেশ মজুমদার
    Next Article অর্জুন সমগ্র ৫ – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }